ফ্রান্সের রাস্তায় হাজার হাজার বিক্ষোভকারী
সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্স খুলে এবার নগদ সাড়ে ৮৮ লাখেরও বেশি টাকা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি স্বর্ণ, রৌপ্য ও ১৮ ধরনের বৈদেশিক মুদ্রাও মিলেছে।
‘আমার মনে কষ্ট, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল বারী রুবেল চৌধুরী। এ পোস্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যা...
খুলনায় একই দিনে পৃথক ঘটনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবদল নেতা এবং ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে তেরখাদা উপজেলায় এবং সন্ধ্যায় নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়ায় তাদের গুলি করা হয়।
ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে এসেছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। শনিবার শিক্ষার্থী, ট্রেড ইউনিয়ন এবং সরকারবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠীর আয়োজিত এই দ্বিতীয় পর্যায়ের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য গার্...
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে তিন দফা দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো শনিবার (২৪ অক্টোবর) সড়ক অবরোধ চলছে। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হ...
তৈরি পোশাকশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী খাত প্যাকেজিং ও এক্সেসরিজ
নাঈম শেখের সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক, ফিরে সেঞ্চুরি পেলেন মাহফিজুলও
আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে ৩০ অক্টোবর শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা।
পল্টনের ফারস হোটেলে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি তুলে দেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুছ বলেন, এক নারীর কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
<p>সৌদি আরব নিজেদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানার সম্প্রসারণ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য আরও বড় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা, যেগুলো বেশি ওজনের বিস্ফোরক বহন করতে পারবে অথবা আরও দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। এক বছরের বেশি সময় ধরে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে যুক্তরাষ্ট্রের দুই গবেষক এ ধারণা দিয়েছেন।</p><p>আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবকে ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে সামরিক সরঞ্জামের জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতাও কমাতে পারে দেশটি। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘাতেও সৌদি আরবের অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে।</p><p>তবে এর উল্টো ঝুঁকিও রয়েছে। সৌদি আরবের এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতা বাড়িয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে বিরোধিতা আরও বাড়তে পারে। এরই মধ্যে চুক্তিটি পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্ল্যানেট ল্যাবস ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবের আল-দাওয়াদিমি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকেন্দ্রের ছবি তুলেছে। কেন্দ্রটি রাজধানী রিয়াদের প্রায় ২০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।</p><blockquote>যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্ল্যানেট ল্যাবস ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সৌদি আরবের আল-দাওয়াদিমি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকেন্দ্রের ছবি তুলেছে। কেন্দ্রটি রাজধানী রিয়াদের প্রায় ২০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।</blockquote><p>ফরেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এফপিআরআই) দুই গবেষক স্যাম লেয়ার ও মাইকেল ডয়েটসম্যান এসব ছবি বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ছবিতে একটি নতুন ভবন দেখা যাচ্ছে। সেখানে ক্ষেপণাস্ত্রের কঠিন জ্বালানি তৈরির জন্য বিশেষ গর্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব গর্তে জ্বালানির উপাদান মিশিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রের মোটরের খোলের মধ্যে ঢালা হয়। এরপর মিশ্রণটি শক্ত হতে দেওয়া হয়।</p><p>সৌদি আরবের দূতাবাস ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছিল রয়টার্স। তবে তারা কোনো জবাব দেয়নি।</p><p>গবেষকদের ধারণা, নতুন ভবনটির দুই পাশে থাকা দেয়ালগুলো দুর্ঘটনাজনিত বিস্ফোরণ থেকে আশপাশের স্থাপনা রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ভবনটি আগের যে স্থাপনাটিতে জ্বালানি তৈরির গর্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হয়, তার অন্তত দ্বিগুণ বড়।</p><p>এ ছাড়া সেখানে আরেকটি নতুন ভবন দেখা গেছে। গবেষকদের ধারণা, ভবনটিতে ক্ষেপণাস্ত্রের জ্বালানি তৈরির উপাদান অথবা তৈরি করা ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন অংশ রাখা হতে পারে। ফিলাডেলফিয়াভিত্তিক এফপিআরআই একটি নির্দলীয় গবেষণাপ্রতিষ্ঠান।</p><p>স্যাটেলাইটের ছবিগুলো সম্পর্কে লেয়ার ও ডয়েটসম্যান তাঁদের মূল্যায়নে লিখেছেন, সৌদি আরব ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকেন্দ্রের অবকাঠামো সম্প্রসারণ করছে বলে ছবিতে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তাঁদের ধারণা, এর উদ্দেশ্য আরও বড় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা, যেগুলো বেশি ওজনের বিস্ফোরক বহন করতে পারবে অথবা আরও দূরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।</p><p>সামরিক বাহিনীগুলো সাধারণত কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র পছন্দ করে। কারণ, এসব ক্ষেপণাস্ত্রে আগে থেকেই জ্বালানি ভরে রাখা যায়। ফলে প্রয়োজনের সময় দ্রুত উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়।</p><h3>চীনা প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার </h3><p>লেয়ার ও ডয়েটসম্যানের পাশাপাশি লন্ডনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) বিশেষজ্ঞ এবং গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সিএনএর বিশ্লেষকেরা সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁদের মূল্যায়ন, সৌদি আরবের ক্ষেপণাস্ত্রের ধরন থেকে বোঝা যায়, আল-দাওয়াদিমি কেন্দ্রটিতে চীনা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। গবেষকদের মতে, কেন্দ্রটির কিছু বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র কারখানারও মিল রয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) ১৯৯১ সালের একটি অবমুক্ত করা মূল্যায়ন অনুযায়ী, ১৯৮৭ সালে চীনের কাছ থেকে গোপনে প্রায় ৪০টি তরল জ্বালানিচালিত ডিএফ-৩ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছিল সৌদি আরব। ২০১৪ সালের এপ্রিলে এক সামরিক কুচকাওয়াজে প্রথমবারের মতো এর দুটি প্রদর্শন করা হয়। ওই কুচকাওয়াজের ভিডিও ও ছবি ইউটিউবেও প্রকাশিত হয়েছিল।</p><blockquote>সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে ইয়েমেনে সৌদি আরবের ছোড়া চীনের তৈরি ডিএফ-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করার দাবি করেছেন এফপিআরআইয়ের গবেষকেরা।</blockquote><p>সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবি বিশ্লেষণ করে ইয়েমেনে সৌদি আরবের ছোড়া চীনের তৈরি ডিএফ-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করার দাবি করেছেন এফপিআরআইয়ের গবেষকেরা।</p><p>লেয়ারের ধারণা, সৌদি আরব এখন কঠিন জ্বালানিচালিত ডিএফ-১৫ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে থাকতে পারে। আর আল-দাওয়াদিমি কেন্দ্রের সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য হতে পারে আরও দূরপাল্লার ডিএফ-২১ বা এ ধরনের অন্য কোনো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা।</p><p>দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে। এ কারণে সৌদি আরব চীনের সহায়তা নিয়েছে বলে ধারণা করা হয়।</p><p>এ বিষয়ে চীনের দূতাবাস ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চেয়েছিল রয়টার্স। তবে তারা কোনো মন্তব্য করেনি। সিআইএ মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। হোয়াইট হাউসও রয়টার্সের প্রশ্নের জবাব দেয়নি।</p><h3>বদলে যেতে পারে সামরিক ভারসাম্য </h3><p>আইআইএসএসের গবেষক সাশা ব্রুখম্যানের মতে, সৌদি আরবের কাছে আরও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র থাকলে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মুখোমুখি না হয়েও দেশটির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কেনা এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমতে পারে।</p><p>ব্রুখম্যান বলেন, ‘তেহরানের কাছে গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো কিছুকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার সক্ষমতা আপনার থাকতে চাইবে। বিশেষ করে তেহরানের আকাশে এফ-১৫ বিমান পাঠানোর মতো রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে।’</p><p>এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি জেডিএএম নামের উপগ্রহ–নির্দেশিত বোমার কথা উল্লেখ করেন।</p><p>ব্রুখম্যানের ভাষ্য, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইরান সৌদি আরবের যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইরান এগিয়ে রয়েছে। সৌদি আরব আরও শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারলে দুই দেশের সক্ষমতার এই ব্যবধান কিছুটা কমতে পারে।</p><p>রয়টার্সের অনুরোধে এফপিআরআইয়ের গবেষকদের মূল্যায়ন পর্যালোচনা করেছিলেন ব্রুখম্যান। আল-দাওয়াদিমি কেন্দ্রের সম্প্রসারণের পেছনে আরও শক্তিশালী কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে তিনিও একমত হয়েছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/7qtold4dh0">ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র নয়, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের হাতে এবার ভিন্ন এক অস্ত্র</a></aside><p>প্রতিরক্ষাবিষয়ক গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান জেনসও গবেষকদের মূল্যায়ন পর্যালোচনা করেছে। তাদের মতে, নতুন ভবনগুলো উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের ইঙ্গিত দিতে পারে। একই সঙ্গে আরও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রস্তুতিও হতে পারে।</p><p>সিএনএর বিশ্লেষক ডেকার ইভলেথও আল-দাওয়াদিমি কেন্দ্রটির সম্প্রসারণের ওপর নজর রাখছেন। বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের ছবি ব্যবহার করে নির্মাণকাজ পর্যবেক্ষণ করা এই বিশ্লেষক এফপিআরআইয়ের মূল্যায়নের সঙ্গে একমত।</p><blockquote>ভবনগুলোর ছাদ নির্মাণের কাজ শেষ করতে বেশি সময় লাগার কথা নয়। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের জ্বালানি তৈরির সরঞ্জাম বসাতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। সবকিছু পরিকল্পনামতো এগোলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ কেন্দ্রটিতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু হতে পারে।</blockquote><p>ইভলেথ বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য দেশগুলোও আক্রমণ ও প্রতিরক্ষার সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ‘মধ্যপ্রাচ্যজুড়েই একই ঘটনা ঘটছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ঠিক একই ধরনের তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। তুরস্কেও তা-ই হচ্ছে। এখন সবাই এটি করছে।’</p><p>সৌদি আরবের এই সম্প্রসারণের রাজনৈতিক প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রেও পড়তে পারে। দেশটির সঙ্গে সৌদি আরবের প্রস্তাবিত বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তির বিরোধিতা মার্কিন কংগ্রেসে আরও জোরালো হতে পারে। চুক্তি অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সৌদি আরবকে সহায়তা করার কথা যুক্তরাষ্ট্রের।</p><p>চুক্তির বিরোধীদের আশঙ্কা, এতে সৌদি আরবের গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ তৈরি হতে পারে। তাদের মতে, এ ঝুঁকি ঠেকানোর জন্য চুক্তিতে যথেষ্ট সুরক্ষাব্যবস্থা নেই। তবে সৌদি আরব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করে আসছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/0hylf58itn">ইরানে আবার হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও এআই অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি</a></aside><h3>নির্মাণকাজ শুরু গত বছর </h3><p>এফপিআরআইয়ের মূল্যায়ন অনুযায়ী, প্ল্যানেট ল্যাবসের স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, আল-দাওয়াদিমি কেন্দ্রের সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের এপ্রিলে। প্রথমে জমি পরিষ্কার করা হয় এবং সম্ভাব্য সংরক্ষণাগার নির্মাণের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়। একই মাসের শেষ দিকে অথবা মে মাসের শুরুতে ক্ষেপণাস্ত্রের জ্বালানি তৈরির গর্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করা ভবনটির কাজ শুরু হয়।</p><p>২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বরের একটি ছবিতে ভবনটির ভেতরে দুটি গভীর গর্ত দেখা যায়। তখনো ভবনটির ছাদ নির্মাণ করা হয়নি বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন।</p><p>২০২৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরের ছবিতেও ছাদের কিছু অংশ অসম্পূর্ণ ছিল। তবে ভবনটির দুই পাশে শক্তিশালী দেয়াল দেখা যায়। গবেষকদের ধারণা, দুর্ঘটনাজনিত বিস্ফোরণের ধাক্কা অন্যদিকে সরিয়ে দিতে এবং পাশের স্থাপনাগুলোকে ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচাতে দেয়ালগুলো তৈরি করা হয়েছে।</p><p>গবেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকেন্দ্রের ছবিতেও এ ধরনের দেয়াল দেখা যায়। তাঁদের ধারণা, আল-দাওয়াদিমির নতুন ভবনটিতে কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের মোটর তৈরির কাজ হতে পারে—দেয়ালগুলো সেই ধারণাকে আরও জোরালো করে।</p><p>এফপিআরআইয়ের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ভবনগুলোর ছাদ নির্মাণের কাজ শেষ করতে বেশি সময় লাগার কথা নয়। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের জ্বালানি তৈরির সরঞ্জাম বসাতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। সবকিছু পরিকল্পনামতো এগোলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ কেন্দ্রটিতে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/fzu4joflps">কুশনারের ফোনে নজরদারি—সৌদি যুবরাজ, আমিরাতের শাসক ও নেতানিয়াহুকে ঘিরে গোপন লেনদেনের চাঞ্চল্যকর তথ্য</a></aside>
আপনার মস্তিষ্ক কেন সময়কে কখনো দ্রুত, আবার কখনো ধীরে অনুভব করে, সেটা কি আপনি জানেন?
<p>আজ সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ৪৪ জন অংশ নেন।</p><p>নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি ‘আইডিয়া’ বা ধারণা পেয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। আজ শনিবার সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনের অধ্যাপক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে কমিটির মতবিনিময়ে নতুন এ ধারণা উঠে আসে। সংসদ দুই কক্ষের হলে উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যায় কি না—এমন একটি ধারণা সভায় আলোচনায় আসে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার রূপরেখা কেমন হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।</p><p> কমিটির সভা শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বেলা ১১টায় বৈঠক শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বৈঠক শেষ হয় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে। এতে ৪৪ জন অংশ নেন।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, প্রধান ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনকে সাংবিধানিক সংস্থা করা, মৌলিক অধিকারের পরিধি বাড়ানো, নিম্নকক্ষের মেয়াদ ৪ বছর ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ৬ বছর করা, ৬৪ জেলা থেকে ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে উচ্চকক্ষ গঠন করা, সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোট দেওয়া, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগে নিরপেক্ষ বাছাই কমিটির বিধান করা, অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব বিচার বিভাগের হাতে দেওয়ার মতো প্রস্তাব এসেছে।</p><p>অবশ্য বাংলাদেশের মতো দেশে উচ্চকক্ষের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সে প্রশ্নও কেউ কেউ তুলেছেন। এর বদলে একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা যায় কি না, সে প্রস্তাবও এসেছে। এ ছাড়া সরকারি হিসাব, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির মতো কয়েকটি কমিটির বাইরে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিরোধী দল থেকে দেওয়া; সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা বাড়াতে সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন করার প্রস্তাবও দিয়েছেন কেউ কেউ।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে সরাসরি সংবিধান সংশোধন হয়ে যায় কি না—এ বিষয়েও আলোচনা হয়। বেশির ভাগ মত দিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে সংসদকে সংশোধনী আকারে রায় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।</p><h3>তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা</h3><p>বৈঠক শেষে সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এবং কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি নতুন ‘আইডিয়া’ এসেছে। ধারণাটি সম্পর্কেও তিনি সাংবাদিকদের জানান।</p><p>নতুন আইডিয়াটি এ রকম—যদি সংসদের উচ্চকক্ষ গঠিত হয়, এর মেয়াদ নিম্নকক্ষের সঙ্গে শেষ হবে না। উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া রাখা যায় কি না, সে আলোচনা এসেছে। এ ক্ষেত্রে যদি উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃজন করা হয়, তাহলে উপরাষ্ট্রপতিকে উচ্চকক্ষের স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। বিকল্প হিসেবে এসেছে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষের স্পিকার নির্বাচিত হবেন। তাঁকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা যায় কি না এবং অন্য উপদেষ্টাদেরও সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষ থেকে নিযুক্ত করা—সেটার একটা বিধান থাকতে পারে।</p><p>সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ রকম মতামত এসেছে। এটা বিবেচনা করা যায়। তবে আরও প্রস্তাব এলে কমিটি তাদের প্রতিবেদনে সেগুলো তুলে ধরবে। এ বিষয়ে সবাইকে লিখিত মতামত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p><p>সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সবার বক্তব্য ছিল বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রপতিকে বাইরে রেখে ঐকমত্যের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা প্রয়োজন। এটা নিয়ে ‘থিওরিটিক্যাল’ আলোচনা ছিল। কমিটি বলেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে লিখিত মতামত দিলে সুবিধা হবে। কমিটি প্রত্যেকের মতামতগুলো দেখবে। তাঁরা চান সমঝোতার মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি ঠিক হোক।</p><h3>নোট অব ডিসেন্ট প্রসঙ্গ</h3><p>অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে যেসব ক্ষেত্রে বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্ন মত) আছে, সেখানে ছাড় দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এখনো সে রকম কোনো সিদ্ধান্ত তাঁরা নেননি। তিনি বলেন, তাঁরা বিরোধী দলকে আহ্বান জানাচ্ছেন। যদি বিরোধী দল কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট শিথিল (ভিন্ন মত) করার কথা বলে, সেটা কমিটিতে এসে বিরোধী দলকে বলতে হবে। তখন কমিটি এটা বিবেচনা করতে পারে।</p><p>বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ‘স্টিউটারি কনস্টিটিউশনাল বোর্ড’ নামে একটা নতুন ‘ডেফিনেশন’ তাঁরা দিতে চেয়েছেন। সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠন, কর্মপরিধি, প্রতিষ্ঠাগুলো কীভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে—সে রকম কোনো চিন্তাভাবনা করা যায় কি না, এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সংবিধানের মৌলিক কাঠামো তত্ত্ব, নির্বাহী বিভাগ ও আইন প্রণয়নসংক্রান্ত কার্যক্রমের ওপর বিচার বিভাগের পর্যালোচনার ক্ষমতা, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের এখতিয়ার নিয়েও বিশেষজ্ঞরা মতামত দিয়েছেন।</p><p>সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তবে আগের সরকারের জারি করা অধ্যাদেশে বিভিন্ন ত্রুটি থাকায় সেটিকে আইনে পরিণত করা হয়নি। পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি কমিটির আলোচনায় রয়েছে।</p><h3>লক্ষ্য অর্জন গুরুত্বপূর্ণ</h3><p>এর আগে দুপুরে বৈঠক থেকে বের হয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে ২০১১ সালে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তদের নেতৃত্বে সংসদীয় সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকেও তিনি কথা বলেছিলেন। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে তিনি সে বৈঠকে গিয়েছিলেন। কিন্তু পরে প্রতারিত হয়েছেন। এবার আশা করছেন, ভালো পরিবর্তন পাবেন। গণ–অভ্যুত্থানের প্রত্যাশাটা যেন মাথায় থাকে, সেটা তিনি সবার কাছে ‘আপিল’ করেছেন।</p><p>আসিফ নজরুল বলেন, বিরোধী দলগুলোর মতের ভিত্তিতে যেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি ঠিক করা হয়। তিনিসহ আরও কেউ কেউ বিরোধী দলকে আালোচনার প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার কথা বলেছেন। কমিটি বলেছে, তারা এ বিষয়ে অনেক রকম চেষ্টা করেছে।</p><p>এক প্রশ্নের জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ হবে নাকি সংবিধান সংশোধন কমিটি হবে, এটা একটা রাজনৈতিক বিরোধ। এটার মধ্যে তিনি যেতে চান না। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি মনে করেন, সংবিধানে যেকোনো পরিবর্তনই একটা সংস্কার, যদি সেটা ইতিবাচক হয়। লক্ষ্য অর্জন করা যাচ্ছে কি না, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।</p><p>বৈঠকে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, অধ্যাপক মুহাম্মদ একরামুল হক, অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন খান, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক, রাগীব রউফ চৌধুরী, সুব্রত চৌধুরী, মনজিল মোর্শেদ প্রমুখ।</p><p>বৈঠকে কমিটির সদস্যদের মধ্যে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন ও সাকিলা ফারজানা অংশ নেন।</p>
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, মাসিক বা পিরিয়ড সম্পর্কে সঠিক তথ্য এবং নিরাপদ স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর বন্ধুসভার সভাপতি মমতাজ বেগম। অতিথি হিসেবে ছিলেন আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান ও সেফ গ্রুপ অব সানি মার্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু আছাদ।
বদরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার ইমরুল কায়েস বলেন, রেললাইনের ওপর বাঁশ ও খড়ি রাখার কারণে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে কোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে হেফাজতে ইসলাম...
সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারগঠনের প্রক্রিয়া, কাঠামো ও কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে অনেকে...
প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির জয়রথ থামিয়ে দিয়েছে অ্যাস্টন ভিলা। নিকোলাস জ্যাকসনের জোড়া গোলে নিজেদের মাঠে সিটিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে উনাই এমেরির দল। এই হারে মৌসুমের প্রথম সাত লিগ ম্যাচে টানা জয়ের পর প্রথমবার পয়েন্ট হারালো সিটি...
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের...
প্রধানমন্ত্রীর অনেক ভালো কাজ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সোহেল রানা...
দেশের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হলো মাদক। মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত রাখতে যুবসমাজকে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপকভাবে...
সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া, কাঠামো ও কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে...
স্বৈরাচারের পথে না হেঁটে বিএনপিকে অন্তত ৩১ দফার পথেই থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান...
ওই শিশুর বাবার দায়ের করা মামলায় ওই শিক্ষককে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষও শিশুটির বাবাকে আসামি করে পাল্টা একটি মামলা করেছেন।
গত কয়েক মাস ধরে এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং এটি ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক আবহাওয়ার ধরনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।
ক্যান্সার ও অকাল মেনোপজ হয়েছিল তার। তবে ২৩ বছর আগে ক্যাসান্ড্রা বেকনের শরীর থেকে নেওয়া ডিম্বাশয়ের টিস্যু সফলভাবে তার শরীরে পুনরায় প্রতিস্থাপন করা হয়, যার ফলে তিনি ৪৪ বছর বয়সে তিনি একটি ছেলেশিশু জন্ম দিতে সক্ষম হন।
আখের এই জাতটি রসালো, নরম ও চিবোতে খুব মজার। এছাড়া আখের রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ যে পরিমাণ থাকলে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য সমস্যা হতে পারে এই জাতে তার পরিমাণ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে কম।
প্রথমে প্যারিসের দক্ষিণ-পশ্চিমে ট্রেপস শহরে এবং পরে লা ভেরিয়েরে গুলির ঘটনা ঘটে। হামলাকারী নিজের গাড়ি থেকেই গুলি চালান। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে হামলাটি চলে। হামলাকারীকে অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করতে দেখা গেছে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
স্পর্শকাতর একটি বিষয়ে দেশটির আপত্তির কারণে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। গত আড়াই মাসে দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় এসব দুর্ঘটনায় অন্তত ২৫ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। আগামী পাঁচ বছরে সরকারি কর্মচারীদের জন্য সরকারের পেনশন ব্যয় ৫১ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাবে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'গুপ্ত-সুপ্ত' বিতর্ক আবারও আলোচনায়। কে কোন দলের হয়ে রাজনীতি করছেন, কার আনুগত্য কোথায়, কে অনুপ্রবেশকারী আর কে প্রক্সি -এমন নানা বিতর্ক রাজনীতিতে। এসব নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগও করছেন বিভিন্ন দলের নেতারা।
রাধিকার মাধ্যমে আমরা জানতে চেয়েছিলাম, কোভিড মহামারির সময়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলো প্রত্যন্ত অঞ্চলে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোর মেয়েদের পড়াশোনায় ঠিক কেমন ধরনের প্রভাব ফেলেছিল।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালাতে প্রস্তুত। শনিবার আল-জাজিরা অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে।
খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৭ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৯ নভেম্বর এ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের (কায়কোবাদ) বক্তব্যের ভিত্তিতে করা কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি, এ দাবি করে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে তিন দফা দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো শনিবার (২৪ অক্টোবর) সড়ক অবরোধ চলছে। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরের রাস্তায় নেমে এসেছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। শনিবার শিক্ষার্থী, ট্রেড ইউনিয়ন এবং সরকারবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠীর আয়োজিত এই দ্বিতীয় পর্যায়ের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান ও বিবিসি।
খুলনায় একই দিনে পৃথক ঘটনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবদল নেতা এবং ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে তেরখাদা উপজেলায় এবং সন্ধ্যায় নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়ায় তাদের গুলি করা হয়।
‘আমার মনে কষ্ট, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই’ ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল বারী রুবেল চৌধুরী। এ পোস্টকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের তিনটি ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্স খুলে এবার নগদ সাড়ে ৮৮ লাখেরও বেশি টাকা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি স্বর্ণ, রৌপ্য ও ১৮ ধরনের বৈদেশিক মুদ্রাও মিলেছে।