সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে কমিটি গঠন

সাজেকের পরিস্থিতি নিরসনে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা!

বিলুপ্ত ডোডো পাখিকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছে একদল বিজ্ঞানী। ৩৫০ বছরেরও বেশি আগে পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায় উড়তে না পারা এই পাখি।

৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা!
বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, রাষ্ট্রক্ষমতা পেলে কী করবেন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, নিজেদের নেতাদের ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও মানবিক মর্যাদার কথা বললেও অন্যদের ক্ষেত্রে তা...

বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা, রাষ্ট্রক্ষমতা পেলে কী করবেন
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সেন্টমার্টিন, জেটি নিয়ে শঙ্কা 

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।

পর্যটক বরণে প্রস্তুত সেন্টমার্টিন, জেটি নিয়ে শঙ্কা 
সাজেকে চলছে পঞ্চম দিনের অবরোধ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক থেকে সশস্ত্র দলের সন্ত্রাসীদের সরিয়ে দেওয়াসহ তিন দাবিতে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলছে।

সাজেকে চলছে পঞ্চম দিনের অবরোধ
ঢাকার বাতাসের মান নিয়ে যা জানা গেল

মেগাসিটি ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কমছে না। নগরায়ন ও যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর মানও থাকছে উদ্বেগজনক পর্যায়ে।

ঢাকার বাতাসের মান নিয়ে যা জানা গেল
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চালানোর দাবি করেছে।

সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

সারা দেশ

View more
এক্সপ্রেসওয়ের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ল বাস, নিহত ৩
এক্সপ্রেসওয়ের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ল বাস, নিহত ৩

এক্সপ্রেসওয়ের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ল বাস, নিহত ৩

Video news

Rss feed news

‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা
‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে যুক্ত হচ্ছে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ প্রবন্ধ। এতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
লুলা যে কৌশলে অবিশ্বাস্য জয় পেলেন
লুলা যে কৌশলে অবিশ্বাস্য জয় পেলেন

<p>ব্রাজিলের জনজীবনে প্রায় পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার রোববারের এই নির্বাচনী জয় তাঁর সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিজয়। তবে তিনি যে চতুর্থ মেয়াদের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন, তা তাঁর সবচেয়ে কঠিন সময় হতে পারে।</p><p>রোববারের রান-অফ নির্বাচনে ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করে লুলা বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা রাজনৈতিক প্রচারক হিসেবে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছেন। মঙ্গলবার ৮১ বছরে পা দিতে যাওয়া লুলা জনমত জরিপকারী এবং সেই রাজনৈতিক মহলের ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন, যারা আগেই ঘোষণা করেছিল যে তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/oy5tgtwxo1">লাতিন আমেরিকা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে চলে যাচ্ছে</a></aside><p>গণতান্ত্রিক বিশ্বে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে অসন্তুষ্ট ভোটারদের ক্ষোভ এবং সেই ক্ষোভকে উসকে দেওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যালগরিদমের কারণে বর্তমান ক্ষমতাসীন নেতারা—বিশেষ করে মধ্য-বামপন্থী নেতারা—একের পর এক ক্ষমতাচ্যুত হচ্ছেন।</p><p>এমন প্রতিকূল পরিবেশেও লুলা কেবল পুনর্নির্বাচিতই হননি, বরং ১৯৮৯ সালে দেশটিতে পুনরায় নির্বাচন চালুর পর থেকে তিনিই প্রথম প্রার্থী, যিনি প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে পড়ার পরেও ব্রাজিলের নির্বাচনে জয়লাভ করলেন। তিন সপ্তাহ আগে বলসোনারোর চেয়ে ২২ লাখ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন লুলা; আর রোববারে তিনি ৪৪ লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।</p><p>লুলা ব্যক্তিত্বের প্রভাব এবং সরকারি যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহারের মাধ্যমে এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/wv5u6jvn/NJGZ63YKYZM7JIJC2YF2VCC43A.jpg"><figcaption>নির্বাচনী প্রচারণায় লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা</figcaption></figure><p>প্রথম রাউন্ডের ভোটের আগে নিষ্প্রভ প্রচারণার পর লুলা তাঁর ৪৫ বছর বয়সী প্রতিদ্বন্দ্বীর অনভিজ্ঞতা এবং রিও ডি জেনিরোতে বলসোনারোর নিজ শহরের অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সংযোগের বিষয়টি মানুষের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হন।</p><p>শুক্রবার টিভি গ্লোবোর এক বিতর্কে বলসোনারো একটি বড় ধরনের ভুল করে বসেন; তিনি লুলাকে ‘৯ আঙুলওয়ালা’ বলে সম্বোধন করেন, যা লুলার ১৭ বছর বয়সে কারখানার দুর্ঘটনায় একটি আঙুল হারানোর ঘটনাকে ইঙ্গিত করে। সপ্তাহান্তে ভাইরাল হওয়া সেই মুহূর্তে লুলা বলেন যে বলসোনারো ‘জীবনে কখনো কাজ করেননি’ এবং এর জন্য অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।</p><p>লুলা প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে ভোটারদের জন্য নানা ধরনের প্রণোদনা বা উপহার ঘোষণা করেন—সপ্তাহের ছুটির দিনে বিনা মূল্যে গণপরিবহন থেকে শুরু করে তাঁর স্বাক্ষরসংবলিত সামাজিক কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পর্যন্ত। অর্থনীতিবিদদের প্রাক্কলন অনুযায়ী, আগামী বছর এর মোট খরচ অন্তত ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার বা তার চেয়েও বেশি হতে পারে।</p><blockquote>লুলার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অর্থনীতি। এর স্পষ্ট লক্ষণ রয়েছে যে সরকারি ব্যয় ও ভোক্তা ঋণের ওপর অতিরিক্ত জোর দিয়ে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লুলার ফর্মুলাটি তার সীমায় পৌঁছে গেছে।</blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/01173eyhu0">চীনের লাতিন আমেরিকা দখলের নীরব মিশন</a></aside><p>তবে এই অভাবনীয় জয়ের আনন্দ ফিকে হয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই লুলার চতুর্থ মেয়াদের কঠিন বাস্তবতাগুলো দ্রুত সামনে চলে আসবে। প্রথম মেয়াদের একটি সংক্ষিপ্ত সময় ছাড়া—যে সময়ে দুর্নীতির কেলেঙ্কারিতে তাঁর সরকার পতনের উপক্রম হয়েছিল—জানুয়ারিতে পুনরায় শপথ নেওয়ার সময় লুলা রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে থাকবেন।</p><p>তিন সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত কংগ্রেসি নির্বাচনে ডানপন্থী দলগুলো সিনেট ও নিম্নকক্ষ—উভয় ক্ষেত্রেই নিজেদের আধিপত্য নিশ্চিত করেছে। নতুন সরকারকে কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়—এমন বহু বিষয় নিয়ে কঠিন দর–কষাকষির মুখোমুখি হতে হবে। এমন একটি দেশে লুলা হবেন একজন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট, যেখানে রাজনীতির মূল স্রোত ডানপন্থার দিকে ঝুঁকেছে।</p><p>লুলার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অর্থনীতি। এর স্পষ্ট লক্ষণ রয়েছে যে সরকারি ব্যয় ও ভোক্তা ঋণের ওপর অতিরিক্ত জোর দিয়ে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লুলার ফর্মুলাটি তার সীমায় পৌঁছে গেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/d82zxzcd/86069338124352404138834294385197243979236333n.jfif"><figcaption>লুলার নির্বাচনী সমাবেশের ছবি </figcaption></figure><p>আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি বছর ব্রাজিলের মোট ঋণ জিডিপির ৯৮ শতাংশে উন্নীত হবে, যা উদীয়মান বাজারগুলোর গড়ের চেয়ে অনেকটাই বেশি এবং বাজেট–ঘাটতি জিডিপির ৮ শতাংশে পৌঁছাবে। আর এটি হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণার খরচের আগেই।</p><p>এ ধরনের শিথিল আর্থিক নীতির ফলস্বরূপ বাস্তব সুদের হার প্রায় ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ব্যবসায়িক বিনিয়োগ এবং ভোক্তা ঋণে জর্জরিত পরিবারগুলোকে দমিয়ে রাখছে। লুলা যদি সরকারি ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার পদক্ষেপ না নেন, তবে আর্থিক বাজারে তিনি মারাত্মক আস্থার সংকটের মুখোমুখি হতে পারেন।</p><p>দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারজুড়ে লুলা সব সময় বামপন্থী বিশ্ববীক্ষার সঙ্গে চরম মাত্রার বাস্তবতাবাদের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, যা তাঁকে অর্থনৈতিক নীতিগুলোর চ্যালেঞ্জের সময়গুলো সফলভাবে পার করতে সাহায্য করেছে। ৮১ বছর বয়সে এবং এমন এক চমকপ্রদ কামব্যাকের মাধ্যমে নিজের অবস্থান সঠিক প্রমাণিত করার পর, তাঁর চতুর্থ মেয়াদটি নির্ভর করবে তাঁর সেই পুরোনো রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এখনো অটুট আছে কি না, তার ওপর।</p><ul><li><p><strong>জেফ ডায়ার</strong> লাতিন আমেরিকান লেখক ও বিশ্লেষক। </p></li><li><p><em>ফিন্যান্সিয়াল টাইমস</em> থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।</p></li></ul>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
সীমান্তে অপরাধ খুঁজতে গিয়েই নিশানা হন আলিফ
সীমান্তে অপরাধ খুঁজতে গিয়েই নিশানা হন আলিফ

সীমান্তে অপরাধ খুঁজতে গিয়েই নিশানা হন আলিফ

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
অভিভাবকেরা ডিভাইসে আসক্ত থাকলে সন্তানরা কখনোই তাদের কথা শুনবে না
অভিভাবকেরা ডিভাইসে আসক্ত থাকলে সন্তানরা কখনোই তাদের কথা শুনবে না

<p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮০ তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকরী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া। এইবারের বিষয়টি ছিল—‘সন্তানের মন বোঝার উপায়।’ উক্ত পরামর্শ সভা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p>অভিভাবকদের কোন ধরনের ভুল আচরণগুলো সন্তানদের মানসিক বিকাশকে ধামাচাপা দেয় বা ক্ষতিগ্রস্ত করে? এই প্রশ্নের উত্তরে ডা. জোবায়ের মিয়া বলেন, আমাদের সমাজে সবচেয়ে বড় ভুল হলো সন্তানদের অন্যদের সঙ্গে তুলনা করা বা ‘গরু-গাধা’ জাতীয় অপমানসূচক শব্দ ব্যবহার করা। সন্তান যখন দেখে ভালো করলেও প্রশংসা মিলছে না, তখন তার ভালো করার আগ্রহ কমে যায়। সন্তানের ছোট ছোট সাফল্যকেও মূল্যায়ন করতে হবে এবং পুরস্কৃত করতে হবে। তা ছাড়া অভিভাবকেরা নিজেরা সারাক্ষণ ডিভাইসে আসক্ত থেকে সন্তানকে রাতে দ্রুত ঘুমাতে বা ডিভাইস ছাড়তে বললে সন্তান কখনোই তা শুনবে না।</p>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
মাঝ বয়সের সংস্কৃতি
মাঝ বয়সের সংস্কৃতি

<p>মানুষ কেন জন্ম নেয়? কেনই বা বাঁচে? আবার কেনই বা মরে যায়। মহাকালের তুলনায় মানুষের জীবনের ব্যাপ্তি কত ক্ষুদ্র। আবার মহাবিশ্বের তুলনায় মানুষের অস্তিত্ব একেবারেই তুচ্ছাতিতুচ্ছ। তবুও এই জীবন নিয়ে আমাদের কত স্বপ্ন, কত আশা। কত প্রাপ্তি কত অপ্রাপ্তির সমাহার সেখানে। সেই ক্ষুদ্র জীবনেও আবার কত অধ্যায়। শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য, যৌবন, বার্ধক্য। আবার এই পৃথিবীতেই কত রকমের মানুষ। রঙের বিন্যাস বা আয়ুর বিন্যাসে কত বৈচিত্র্য। বৈচিত্র্য আছে জীবনযাপন পদ্ধিতেও।</p><p>এর মধ্যে আবার তৈরি হয়েছে জীবনযাপনের কত রকমের মানদণ্ড। জীবনকে সংজ্ঞায়িত করার কত রকমের কৌশল। নির্ধারণ করা হয়েছে আরাম–আয়েশের অনুষঙ্গ। গড়ে উঠেছে সভ্যতা। আর এসব করতে গিয়েই তৈরি হয়েছে মানুষে মানুষে কত রকমের ভেদাভেদ। আমি অবশ্য ভেদাভেদ না বলে বৈচিত্র্য বলি তাহলে শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে শব্দটা ভেদাভেদ হওয়ায় অধিক যুক্তিসংগত। সমাজে কত রকমের যে ভেদাভেদ বিদ্যমান। বাস্তুসংস্থান বলে এক প্রাণী অন্য প্রাণীর ওপর খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল। আর এভাবেই প্রকৃতি তার ভারসাম্য ধরে রাখে। জীবনচক্র চলমান থাকে।</p><p>প্রসঙ্গ থেকে দূরে চলে যাচ্ছি। মানুষের কাছে ফিরে আসা যাক। মানুষই নিজেকে সৃষ্টির সেরা প্রমাণ করতে কত রকমের যে সুযোগ–সুবিধা আবিষ্কার করেছে। আর এসব করতে গিয়েই সে প্রকৃতি থেকে নিজেকে দিনে দিনে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। সামাজিক–সাংস্কৃতিক মানদণ্ডে জীবনকে বিচার করতে গিয়ে হাঁপিয়ে উঠেছে। বিজ্ঞানীরা জীবনকে সহজ করার নামে একটা করে আবিষ্কারের মাধ্যমে জীবনকে আসলে আরও বেশি জটিলই করেছেন। অন্যদিকে দার্শনিকেরা সেটার ভারসাম্য রাখতে গিয়ে আবার জীবনের নতুন নতুন মানদণ্ড নিয়ে হাজির হয়েছেন।</p><p>মানুষ নিজের শ্রেষ্ঠত্ব জায়েজ করতে গিয়ে কত কিছুই না করেছে এবং করছে। সাহিত্য, সংস্কৃতি, দর্শন, বিজ্ঞানের মতো বিষয়ের অবতারণা করেছে। এত কিছু করার পরও তারা এখনো মৃত্যুর কাছে অসহায়। তারা জেনে গেছে জীবন যতই ক্ষুদ্র বা বৃহৎ হোক মৃত্যু এড়ানোর কোনো উপায় নেই। তখন তারা নিজেদের আয়ুকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। আবিষ্কার করেছে রোগ, সেই সঙ্গে তার চিকিৎসা। এখন কোনটা আসলে রোগ আর কোনটাই বা তার চিকিৎসা, সেটা নিয়ে ভিন্নমতও আছে। ভাষা আবিষ্কার করেছে। সেখান থেকে লেখার উপায়। যেই লেখার উপায় আবিষ্কার করেছে, সেই তারা তাদের অভিজ্ঞতা লিখতে শুরু করেছে। সেটা যতটা না সভ্যতার কল্যাণের জন্য, তার চেয়ে বেশি নিজেকে অমর করে রাখার জন্য। যদিও সে জানে না তার মারা যাওয়ার পর এগুলো আদৌ তার কোনো কাজে আসবে কি না।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>এই জীবনের এত এত উদ্‌যাপন মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই সেটা একটা আবর্জনা বৈ আর কিছু নয়। যত দ্রুত পারা যায় সেই আবর্জনা থেকে মানুষ মুক্ত হতে চায়। কেউ মরা মানুষকে মাটির নিচে কবর দেয়, আবার কেউ পুড়িয়ে ফেলে। এরপর যত দ্রুত পারে মৃত মানুষটাকে ভুলেও যায়। তার সৃষ্টিকর্ম নিয়ে মাঝেমধ্যে কথা হয়, কিন্তু সেই পর্যন্তই। কারণ, মৃত মানুষের জন্য আসলে আর কোনো করণীয় থাকে না। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষ যে নিজেকে অমর করে রাখার দৌড়ে লিপ্ত থাকে, মৃত্যু সেখানে একটা দাঁড়ি টেনে দেয়। জানি না কবে থেকে এমনটা চলছে। বিজ্ঞান একরকম বলছে। দর্শন একরকম বলছে। পাশাপাশি হাজারো রকমের ধর্মের রয়েছে হাজারো রকমের মতবাদ। কিন্তু কোনোটাই মৃত্যুকে আর রুখতে পারে না।</p><p>মানুষের গড় আয়ু যদি ৮০ বছর ধরি, তাহলে ৪০ বছর অর্ধেক আয়ু। এই ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত প্রত্যেকটা মানুষই কোনো না কোনো কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকে। শৈশব কৈশোর, তারুণ্যের উদ্দাম দিনগুলো পেরিয়ে যৌবনে পদার্পণ। এই সময়ে সে নিজেকে পৃথিবীতে টিকে থাকার যোগ্য করে তুলতে চেষ্টা করে আর্থিক এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর সংসার পাতা। সংসার তাকে পাততেই হবে, কারণ প্রকৃতি চায় যে মানুষ বেঁচে থাকুক, বংশ রক্ষা করুক। সেই সংসার করতে গিয়ে সন্তান উৎপাদন। তাদের বড় করে তোলার বিষয়টাকে দায়িত্ব বানিয়ে ফেলা। এসব করতে করতেই জীবনের সূর্য কখন যে মধ্যগগণে চলে আসে, সেটা আর খেয়াল থাকে না। মাঝ বয়স চলে আসার পর দুপুরের উদাসীনতা মানুষের মনেও ভর করে। অবশ্য সব মানুষের ক্ষেত্রে যে একই রকম ঘটবে, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/sz2y0ji656">একটি ল্যাম্পপোস্টের আত্মকাহিনি</a></aside><p>চল্লিশে এসে জীবনে থিতু হওয়ার পর জীবন নিয়ে মানুষ হয়তোবা একটু ভাবার অবসর পায়। তখন নিজেদের পূর্বপুরুষ একে একে জীবন থেকে হারিয়ে যেতে থাকে। আর তখনই তার টনক নড়ে যে একদিন তো আমাকেও হারিয়ে যেতে হবে। অন্যদিকে নিজেদের সন্তানাদি বড় হয়ে আগল থেকে বের হয়ে যেতে শুরু করে। এভাবে দুই দিক থেকেই মানুষ একা হতে থাকে। আর বুঝতে চেষ্টা করে জীবনকে। এটাকেই মনে হয় ইংরেজিতে মিড লাইফ ক্রাইসিস বলে। এই ক্রাইসিস থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে মানুষ উদ্ভট সব কর্মকাণ্ড করতে থাকে। অবশ্য উদ্ভট বলাটা মনে হয় ঠিক হচ্ছে না, কারণ সেটাও একটা মানদণ্ডে আটকা পড়ে যাচ্ছে।</p><p>নিজের আয়নায় দেখে মাঝ বয়স নিয়ে কিছু উপলন্ধি হয়েছে। যেকোনো সময় ওপারের ডাক চলে আসবে। তাই সবকিছুই কেন জানি বাহুল্য মনে হয়। একসময় নিয়মিত লেখালেখি করতাম। এখন মনে হয় কী সব ছাইপাঁশ লিখছি। এর চেয়ে পড়া অনেক বেশি উপভোগ্য। কারণ, সভ্যতা সংস্কৃতি নিয়ে আসলে সবই বলা হয়ে গেছে। আমাদের যেহেতু পড়াশোনা বা জানাশোনা কম, তাই আমরা জীবন নিয়ে এত আক্ষেপ করি এবং উদ্বিগ্ন সময় কাটাই। এই সময় মানুষ আসলে নিজেকে খুঁজে ফেরে। তার কী ভালো লাগে, কী ভালো লাগে না, সেগুলো নির্ধারণ করার চেষ্টা করে। অনেকটা নিভৃতচারী জীবনযাপন করে। বন্ধুমহলের পরিধি ছোট হয়ে আসে। শুধু সমমনারাই তখন থেকে যায় আশপাশে।</p><p>মাঝ বয়সে একই সঙ্গে মনের পায়ে বেড়ি পড়ে আবার উদাসও হয়। কোনো কিছুতেই মন বসে না। কিছুই ভালো লাগে না। কোনো কিছুতে লেগে থাকার ধৈর্য থাকে না। অবশ্য সবার পরিবর্তন একই রকম হয় না। কোনো কারণে যে মন বিক্ষিপ্ত হবে, সে নিজেই জানে না। সেই বিক্ষিপ্ত মনকে কেন্দ্রীভূত করার জন্য এই লেখাটা শুরু করেছিলাম। সেটা শেষ করতে কয়েক দিন লেগে গেল, আগে যেখানে এক বসাতেই লেখা শেষ করে ফেলতাম। কী ভাবনা থেকে লিখতে বসেছিলাম, আর লেখাটা কোথায় গিয়ে শেষ হলো, জানি না। উপসংহারের লাইনটা কী হতে পারে। মানুষের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা? কিন্তু সেখানেও তো মানুষকে বড় করে দেখানো। অন্য সব প্রাণীর ওপর কর্তৃত্ব দেওয়া। এই কর্তৃত্ববাদিতাই তো একদিন এই সভ্যতাকে ধ্বংস করবে। সেটা আজ হোক বা কাল। তাই নিজেদের শ্রেষ্ট জীব আর বলতে পারি না। দিন শেষে সেই একই প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসে—</p><p>‘এমন মানব জনম আর কি হবে।</p><p>মন যা কর ত্বরায় কর এই ভবে।’</p>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড: দেশটির আইন কী বলে, আদালতে কী ঘটে
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড: দেশটির আইন কী বলে, আদালতে কী ঘটে

একই ধরনের অপরাধে দণ্ডিত বিদেশি বন্দীদের একসঙ্গে কারাগারের নির্জন ওয়ার্ডে সরিয়ে নেওয়াকে বন্দীরা আসন্ন মৃত্যুদণ্ডের ইঙ্গিত হিসেবে দেখেন।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
এল ক্লাসিকোয় হার: পেদ্রি বললেন বোকামির মাশুল, ফ্লিকের চোখে ক্লান্তি
এল ক্লাসিকোয় হার: পেদ্রি বললেন বোকামির মাশুল, ফ্লিকের চোখে ক্লান্তি

মৌসুমে প্রথম ৯ ম্যাচ জেতার পর রিয়ালের কাছে হারের পেছনেই নিজেদের ভুলকেই অন্যতম কারণ মনে করছেন বার্সেলোনা মিডফিল্ডার পেদ্রি।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
শ্বশুরের মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন পুত্রবধূ
শ্বশুরের মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন পুত্রবধূ

পরিবারের সবাইকে তিনি আগলে রাখতেন। বিশেষ করে মারা যাওয়া ওই পুত্রবধূকে শ্বশুর-শাশুড়ি অত্যন্ত স্নেহ করতেন। শ্বশুরকেও নিজের বাবার মতোই ভালোবাসতেন ওই পুত্রবধূ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি আরো ঘনীভূত হয়ে সোমবার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে পূর্বাভাস
বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি আরো ঘনীভূত হয়ে সোমবার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে পূর্বাভাস

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি সোমবার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে আবহাওয়া বিভাগ পূর্বাভাস দিয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরবে বিমানবন্দরে চলমান হামলার প্রেক্ষাপটে ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী ১৪৬টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
ব্রাজিলে চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত লুলা, সামনে বৈরী কংগ্রেস ও বিভক্ত দেশ
ব্রাজিলে চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত লুলা, সামনে বৈরী কংগ্রেস ও বিভক্ত দেশ

প্রথম দফার নির্বাচনে গত ৪ঠা অক্টোবর লুলা ডা সিলভাকে পেছনে ফেলেছিলেন ফ্লাভিও বলসোনারু। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে লুলা ফলাফল পাল্টে দিতে পারবেন, এমনটা অনেকেই ভাবেননি। লাতিন আমেরিকায় চলমান বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রবণতারও ব্যতিক্রম ঘটিয়েছেন লুলা।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
পত্রিকা: 'বিশেষ পাসপোর্ট পাচ্ছে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গা'
পত্রিকা: 'বিশেষ পাসপোর্ট পাচ্ছে ৬৯ হাজার রোহিঙ্গা'

আজ সোমবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোয় কমন কোনো বিষয়ে প্রধান শিরোনাম হয়নি। ভিন্ন ভিন্ন বিষয় প্রধান শিরোনাম হিসেবে এসেছে। সেখানে বাংলাদেশের সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে সমস্যা, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর এবং সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বিশেষ পাসপোর্ট দেওয়া সহ বিভিন্ন খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
বাংলাদেশে সাপের বিষের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম তৈরির কাজ কতদূর?
বাংলাদেশে সাপের বিষের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনম তৈরির কাজ কতদূর?

রাসেলস ভাইপারের অ্যান্টিভেনম বা প্রতিষেধক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, এন্টিবডি উৎপাদনের কাজ শেষ করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বাংলাদেশের ভেনম রিসার্চ সেন্টার। তবে, গত দুই বছর ধরে কোন অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় থমকে রয়েছে সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটির সকল গবেষণা কার্যক্রম।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
পিরোজপুরে মধ্যরাতে মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন নিয়ে কী ঘটেছে
পিরোজপুরে মধ্যরাতে মুক্তিযোদ্ধাকে দাফন নিয়ে কী ঘটেছে

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা পিরোজপুরে এক ব্যক্তির দাফনের জন্য তার মেয়ে ও বোনেরা কবর খুঁড়ছেন এমন ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মি. সাঈদীর অনুসারীরা ওই ব্যক্তির জন্য কবর খুঁড়তে ও দাফনে বাধা দিয়েছে এবং তাদের বাধার কারণেই প্রশাসন থেকে গোপনে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়ার পর মধ্যরাতে মেয়ে ও বোনদের খোঁড়া কবরে তাকে দাফন করতে হয়েছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ফ্রান্সজুড়ে আরেক দফা গণবিক্ষোভের পর সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার প্রায় ১ হাজার
ফ্রান্সজুড়ে আরেক দফা গণবিক্ষোভের পর সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার প্রায় ১ হাজার

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, শনিবারের বিক্ষোভে আনুমানিক ৪ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। তবে শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর দাবি, বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৮ লাখ। সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় যাতে গত সপ্তাহের মতো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ইংল্যান্ড কীভাবে নিজের প্রথম রাজাকে ভুলে গেল?
ইংল্যান্ড কীভাবে নিজের প্রথম রাজাকে ভুলে গেল?

ইংল্যান্ডের প্রথম রাজা হিসেবে অ্যাথেলস্ট্যানের অভিষেকের ১১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু তারপরও তিনি ইতিহাসের বইগুলোতে আশ্চর্যজনকভাবে অনুপস্থিত। তবে তিনি নিজে অনেকটাই বিস্মৃত হলেও, তার সময়ে চালু হওয়া বহু আচার ও আনুষ্ঠানিকতা আজও পালিত হচ্ছে যুক্তরাজ্যে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে চায় পুলিশ
টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে চায় পুলিশ

ওই শিশুর বাবার দায়ের করা মামলায় ওই শিক্ষককে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষও শিশুটির বাবাকে আসামি করে পাল্টা একটি মামলা করেছেন।

অক্টোবর ২৪, ২০২৬
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমেছে ১৬.১ ডিগ্রিতে, অনুভূত হচ্ছে শীত
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নেমেছে ১৬.১ ডিগ্রিতে, অনুভূত হচ্ছে শীত

হিমালয়কন্যা খ্যাত পঞ্চগড়ে ধীরে ধীরে কমছে তাপমাত্রা, বাড়ছে শীতের অনুভূতি।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
খুলনায় জলিল মুন্সি হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
খুলনায় জলিল মুন্সি হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

খুলনায় পাটকল শ্রমিক জলিল মুন্সি হত্যা মামলায় সাব্বির আহমেদ (৩০) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
ঝিনাইদহে চাঁদা না দেওয়ায় মার্কেট অর্ধেক দখলের অভিযোগ
ঝিনাইদহে চাঁদা না দেওয়ায় মার্কেট অর্ধেক দখলের অভিযোগ

মৃধা শাহাজাহান প্লাজা মার্কেটের মালিক আছাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, ‍“২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে নানাভাবে মার্কেট দখল করার চেষ্টা করেছেন আসাদুর জামান সনেট।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
পটুয়াখালীর বিহারে উদযাপন হচ্ছে প্রবারণা পূর্ণিমা
পটুয়াখালীর বিহারে উদযাপন হচ্ছে প্রবারণা পূর্ণিমা

আত্মশুদ্ধি ও অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরের পথ চলার প্রত্যয়ে পটুয়াখালীর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা পালন করছেন তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা। 

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
সমাজ, বাবা-মা-বোন ও স্বস্তিকার ৪৫ পূজার গল্প
সমাজ, বাবা-মা-বোন ও স্বস্তিকার ৪৫ পূজার গল্প

ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। জীবনটা নিজের শর্তে উপভোগ করেন। ঠোঁটকাটা স্বভাব, সমাজের বাঁকা দৃষ্টিকে পাত্তা না দেওয়ায় বছর জুড়েই আলোচনায় থাকেন।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুথিদের

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চালানোর দাবি করেছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
ঢাকার বাতাসের মান নিয়ে যা জানা গেল
ঢাকার বাতাসের মান নিয়ে যা জানা গেল

মেগাসিটি ঢাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা কমছে না। নগরায়ন ও যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর মানও থাকছে উদ্বেগজনক পর্যায়ে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
সাজেকে চলছে পঞ্চম দিনের অবরোধ
সাজেকে চলছে পঞ্চম দিনের অবরোধ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক থেকে সশস্ত্র দলের সন্ত্রাসীদের সরিয়ে দেওয়াসহ তিন দাবিতে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬