বাংলাদেশ

‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা
‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা
২০২৭ শিক্ষাবর্ষে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে যুক্ত হচ্ছে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ প্রবন্ধ। এতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।

Prothomalo

View more
৪ দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
৪ দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

<p>চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপানের রাজধানী টোকিও পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
লাইভে ‘বিএনপিকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী’ বলে ক্ষোভের মুখে নারী ব্যবসায়ী, থানায় নিল পুলিশ
লাইভে ‘বিএনপিকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী’ বলে ক্ষোভের মুখে নারী ব্যবসায়ী, থানায় নিল পুলিশ

চুরির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপিকে ভোট দেওয়া নিয়ে অনুশোচনা জানিয়ে ফেসবুক লাইভ করায় ভালুকায় এক নারী ব্যবসায়ীকে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: টানাপোড়েনে বেসরকারি চাকরিজীবীরা
আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: টানাপোড়েনে বেসরকারি চাকরিজীবীরা

কয়েক বছর ধরে সাধারণ মানুষের আয় যে গতিতে বেড়েছে, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে তার চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
তাসকিন–তানজিদদের নিয়ে নিলামে কাড়াকাড়ি
তাসকিন–তানজিদদের নিয়ে নিলামে কাড়াকাড়ি

<h3>তানজিদের ২ কোটি পয়েন্ট</h3><p>ডমেস্টিক থ্রি (ডি থ্রি) ট্রফির নিলামে একরকম কাড়াকাড়িই শুরু হয়ে গিয়েছিল তাসকিন আহমেদ ও তানজিদ হাসানকে নিয়ে। কয়েকটি দলের কাড়াকাড়িতে শেষ পর্যন্ত দুই কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে তাসকিনকে দলে নিয়েছে ওয়ালটন। আর তানজিদকে ২ কোটি পয়েন্টে নিয়েছে ফরচুন গ্রুপ। </p><p>আজ রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ডি থ্রি ট্রফির নিলাম চলছে। সেখান থেকে প্রায় দুই কোটির কাছাকাছি পয়েন্টে দল পেয়েছেন সাইফ হাসানও। জাতীয় দলের ওপেনারকে ১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্টে দলে নিয়েছে সেভেন রিংস।</p><p>এ বছরের ডিসেম্বরে ছয়টি দল নিয়ে ডি থ্রি টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াবে। সেই টুর্নামেন্টের জন্যই খেলোয়াড় বাছাই চলছে আজকের নিলামে। </p><p>নিলাম চলছে পয়েন্টের ভিত্তিতে। এটি খেলোয়াড়দের দাম নয়। পারিশ্রমিক হিসেবে বিসিবির নির্ধারিত ঘরোয়া ম্যাচ ফিই পাবেন ক্রিকেটাররা। তবে প্রত্যেকটি দলের জন্য পয়েন্টের সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সেই সীমা মেনেই দল গঠন করছেন তারা।</p><p>মোট পাঁচটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে খেলোয়াড়দের। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ৩০ লাখ, ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৪০ লাখ, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ২০ লাখ, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ৩০ লাখ ১০ লাখ ও ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৫ লাখ পয়েন্ট ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে।</p>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
ই–রিটার্ন জমা না দিলেই কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা, আসলেই কি তা–ই?
ই–রিটার্ন জমা না দিলেই কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা, আসলেই কি তা–ই?

<p>ফেসবুকে দু–তিন ধরেই বিভিন্ন জনের পোস্টে দেখা যাচ্ছে, ই-টিন থাকলে এবং নিয়ম অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন জমা না দিলেই সবার পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা হবে। আদতেই কি তা–ই?</p><figure><img alt="আয়কর রিটার্ন ই–রিটার্ন" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/ob92qm5i/e-return-thumb.png"><figcaption>ফেসবুক পেজে মনিটাইজেশন পাওয়ার পর অনেকেই তড়িঘড়ি করে অনলাইনে ই-টিন সার্টিফিকেট নিয়ে মেটায় জমা দিয়েছেন। এখন সেটিই তাঁদের চিন্তার কারণ</figcaption></figure><p>ফেসবুক পেজে মনিটাইজেশন পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী ফেসবুকে টিন সাটিফিকেট জমা দিতে হয়। এ জন্য অনেকেই তড়িঘড়ি করে অনলাইনে ই-টিন সার্টিফিকেট নিয়ে মেটায় জমা দিয়েছেন। এখন সেটিই তাঁদের চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চিন্তা কি যৌক্তিক?</p><p>উত্তর হলো, না।</p><p>জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী বিষয়টি সম্পূর্ণ সত্য নয়। সবার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রযোজ্য হয় না। আইন অনুযায়ী এবং করদাতার পরিস্থিতি—এই দুটির ওপর ভিত্তি করে জরিমানা নির্ধারিত হয়।</p><p>আয়কর আইন ২০২৩–এর ২৬৬ ধারা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে উপকর কমিশনার জরিমানা আরোপ করতে পারেন।</p><h3>তবে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত আছে </h3><p>যেসব করদাতার ক্ষেত্রে আগে কখনো আয় নিরূপণ (অ্যাসেসমেন্ট) হয়নি, তাঁদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানার সীমা পাঁচ হাজার টাকা।</p><p>যেসব করদাতার ক্ষেত্রে এর আগে আয় নিরূপণ (অ্যাসেসমেন্ট) হয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সর্বশেষ নিরূপিত আয়ের ওপর প্রদেয় করের ৫০ শতাংশ অথবা ১ হাজার টাকা, যেটি বেশি, সেই অনুযায়ী সর্বোচ্চ জরিমানা নির্ধারিত হবে।</p><p>এ ছাড়া সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা এবং বিলম্ব অব্যাহত থাকলে প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা জরিমানার বিধান আছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/snafvi60nt">মাছ ধরার জাহাজের প্রধান বাবুর্চি এখন কনটেন্ট ক্রিয়েটর, তাঁর ভিডিও হয়তো আপনিও দেখেছেন</a></aside><h3>টিন থাকলেই কি রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক </h3><p>নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে অনেকেই টিন খুলেছিলেন, কেউ খুলেছেন ট্রেড লাইসেন্স নিতে, কেউবা খুলেছেন ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়াসহ নানান জরুরি প্রয়োজনে। </p><p>তবে গুরুত্ব না বুঝে অনেকেই ই–টিন অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে খুলে ফেলেছেন শুধু ফেসবুক মনিটাইজেশনের নিয়ম মানার জন্য।</p><p>শুধু ই-টিন আছে বা আয় করমুক্ত সীমার নিচে আছেন, মানেই রিটার্ন দাখিল থেকে অব্যাহতি পাওয়া যাবে, এমনটা নয়।</p><h3>যাঁদের রিটার্ন দাখিল করা আবশ্যক </h3><ul><li><p>সরকারি চাকরিজীবী এবং আইন দ্বারা নির্দিষ্ট পেশাজীবী, যেমন চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী (বার কাউন্সিলের সদস্য), চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশাদার সংগঠনের সদস্য।</p></li><li><p>যাঁদের বার্ষিক মোট আয় সরকারের নির্ধারিত করমুক্ত সীমার বেশি।</p></li><li><p>ব্যাংক থেকে ঋণ, জায়গা বা সম্পত্তি রেজিস্ট্রি এবং যাঁদের অন্যান্য সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী রিটার্ন জমার স্লিপ দেখাতে হয়।</p></li><li><p>মোটরযান রেজিস্ট্রেশন বা নবায়ন করার সময়।</p></li><li><p>অংশীদার বা কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক কিংবা শেয়ারহোল্ডার কর্মচারী।</p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/deeut5mji5">ওকালতি ছেড়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, এখন ফলোয়ার ৩৫ লাখ</a></aside><h3>যাঁদের ই-টিন আছে, অথচ আয় নেই বা রিটার্ন জমা দেননি, তাঁরা কী করবেন? </h3><p>আয় করযোগ্য না হলেও দায়িত্ব অনুযায়ী জিরো রিটার্ন জমা দেওয়া যায়, এতে কোনো কর দিতে হয় না।</p><p>আরেকটু সহজ করে বলা যাক। এনবিআরের সর্বশেষ বিধি অনুযায়ী, সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা হলো চার লাখ টাকা। অর্থাৎ বছরে আপনার মোট আয় এর নিচে হলে কোনো ট্যাক্স বা আয়কর দিতে হবে না।</p><p>তবে আয় করযোগ্য না হলেও রিটার্ন ফরমে আপনার প্রকৃত আয়, ব্যয় এবং সম্পদ ও দায়ের বিবরণী সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।</p><p>অনেকেই মনে করেন, আয় করযোগ্য না হলে রিটার্ন ফরমে সব জায়গায় শূন্য লিখে জমা দেওয়া যায়। আপনার যদি আয় মাসে ১০-১৫ হাজার টাকা হয়, তবে ফরমে আয়ের জায়গায় সেই সঠিক অঙ্কটিই লিখবেন, ট্যাক্সের ঘরে শূন্য বসবে। আইন অনুযায়ী, আয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ।</p><p>এ ছাড়া গুজবে কান না দিয়ে etaxnbr.gov.bd পোর্টালে যাচাই করে নিজের রিটার্ন স্ট্যাটাস চেক করুন এবং প্রয়োজনে কর সার্কেলে যোগাযোগ করুন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/khagjj8od1">ফেসবুক থেকে এখন টাকা আয় করতে পারবেন যে কেউ</a></aside>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
বরিশালে এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাল বন্ধুসভা
বরিশালে এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাল বন্ধুসভা

মাদ্রাসাটিতে ৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রী, খেলাধুলা করার জন্য ক্রীড়া উপকরণ এবং নাশতা বিতরণ করা হয়। এ সময় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘এখানে এতিম ও অসচ্ছল মানুষের সন্তানেরাই বেশি পড়াশোনা করে। আপনাদের মতো অনেক মানুষের দানেই মাদ্রাসাটি চলছে। এসব এতিম বাচ্চার জন্য আপনারা যা করেছেন, এর জন্য কৃতজ্ঞতা।’

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
তাইপে ফ্যাশন উইক: কাপড় সরবরাহকারী থেকে বিশ্ব ফ্যাশনের নতুন শক্তি তাইওয়ান
তাইপে ফ্যাশন উইক: কাপড় সরবরাহকারী থেকে বিশ্ব ফ্যাশনের নতুন শক্তি তাইওয়ান

শুধু কাপড় সরবরাহকারী নয়, বিশ্ব ফ্যাশনের মঞ্চে তাইওয়ানের নতুন পরিচয় বিশ্বজুড়ে উন্নতমানের কাপড় ও কার্যকর টেক্সটাইলের জন্য পরিচিত তাইওয়ান এবার নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ডিজাইনকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাইপে ফ্যাশন উইক সেই পরিবর্তনের নতুন মঞ্চ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
পিএসসির নতুন সদস্য অধ্যাপক শামীমা সুলতানা
পিএসসির নতুন সদস্য অধ্যাপক শামীমা সুলতানা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা সরকারি কর্ম কমিশনের নতুন সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। পিএসসির সদস্য সংখ্যা এখন ১৯।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই মুদ্রণজনিত ত্রুটি সংশোধনে ফেরতের নির্দেশ
ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই মুদ্রণজনিত ত্রুটি সংশোধনে ফেরতের নির্দেশ

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে ত্রুটি থাকায় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানকে ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে এনসিটিবি। মাউশি সংশ্লিষ্টদের ত্রুটি সংশোধনের নির্দেশনা প্রদান করেছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”