যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ, আবেদন শেষ ৬ অক্টোবর, জেনে নিন সব তথ্য
যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ, আবেদন শেষ ৬ অক্টোবর, জেনে নিন সব তথ্য

<p>যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অন্যতম জনপ্রিয় একটি বৃত্তি চিভনিং স্কলারশিপ। ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে যুক্তরাজ্যের এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন চলছে। এ বছরের বৃত্তির আবেদনের শেষ দিন ৬ অক্টোবর ২০২৬। </p><p>বৃত্তির বিস্তারিত জানা যাবে <a href="https://chevening.org/" target="_blank">chevening.org</a> ওয়েবসাইট থেকে।</p><p>বাংলাদেশ থেকে ৪০০ জনের মতো চিভনিং বৃত্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য বাংলাদেশ থেকে ২২ জন তরুণ পেশাজীবী এ বৃত্তির জন্য মনোনীত হন। এ স্কলারশিপ ফুল ফ্রি। এর সঙ্গে বিমানের টিকিট, বাসস্থানসহ নানা সুযোগ মেলে।</p><p>চিভনিং স্কলারশিপ যুক্তরাজ্য সরকারের প্রধান আন্তর্জাতিক বৃত্তি কর্মসূচি। ১৯৮৩ সালে চালু হওয়া এ কর্মসূচি যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এবং বিভিন্ন অংশীদার প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃত্বের সম্ভাবনাময় তরুণ পেশাজীবীদের জন্য এ বৃত্তির আওতায় যুক্তরাজ্যের ১৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/d7k4oavb41">অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ভিসার নিয়মে বড় পরিবর্তন, চাপে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও</a></aside><p>চিভনিং সম্পূর্ণ অর্থায়নভিত্তিক বৃত্তি। নির্বাচিতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি, যাতায়াতের বিমানভাড়া, মাসিক জীবনযাপন ভাতা, আবাসনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা পান।</p><h3>চিভনিং বৃত্তি কী— </h3><p>যুক্তরাজ্যের চিভনিং বৃত্তি ফুল ফান্ডেড। চিভনিং মূলত পেশাজীবীদের জন্য একটি বৃত্তি। এ বৃত্তির জন্য দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। এর মানে এমন নয় যে পাস করে দুই বছর। ছাত্রজীবনে করা কোনো ইন্টার্নশিপ কিংবা পার্টটাইমের অভিজ্ঞতাও তারা কাউন্ট করে। উন্নয়ন সংস্থা, ইয়ুথ ফোরাম, স্বাস্থ্য, আইন পেশায় থাকা লোকজন এবং সরকারি চাকরি—এগুলো থেকে বেশি লোকজন এই বৃত্তি পান বলে কয়েক বছর ধরে দেখা গেছে। কোনো কোনো বার পেশাদার সাংবাদিকেরাও এ বৃত্তি পেয়েছেন। এ বৃত্তি একাডেমিশিয়ানরা সংখ্যায় কম পান। চিভনিং কর্তৃপক্ষ কোনো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে, বৃত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে সেটা ওয়েবসাইটে ভালোভাবে লেখা আছে, পড়ে নিতে পারেন বৃত্তিপ্রত্যাশীরা। বৃত্তিতে কী কী পাবেন, তা ওয়েবসাইট থেকে পড়ে নিতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/fbgg20k59q">নিউজিল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা: ২৪টি যোগ্যতা থাকলেই পাবেন পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসা </a></aside><p>বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী চিভনিং বৃত্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে পড়ছেন। যুক্তরাজ্যের ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস (এফসিও) ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন এ বৃত্তির জন্য অর্থায়ন করে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মেধাবী শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেবেন—এমন যোগ্যতাসম্পন্ন তরুণদের বৃত্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দেয় চিভনিং বৃত্তি। এ বৃত্তির আওতায় যুক্তরাজ্যের একটি নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পাওয়া যায়।</p><p>যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তির সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করা হয়। বৃত্তির জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে ন্যূনতম কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। আইইএলটিএসে ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর থাকতে হয়। নেতৃত্বের ভিত্তিতে দেওয়া স্কলারশিপের মধ্যে চিভনিং সবচেয়ে সেরা। চিকিৎসকসহ সবাই এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারেন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-05/30w0agn1/5.png"><figcaption>চিভনিং সম্পূর্ণ অর্থায়নভিত্তিক বৃত্তি। নির্বাচিতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ টিউশন ফি, যাতায়াতের বিমানভাড়া, মাসিক জীবনযাপন ভাতা, আবাসনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা পান </figcaption></figure><p>এ বৃত্তি পেলে যুক্তরাজ্যের ১৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো একটিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য পড়াশোনা করতে পারবেন। বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা, নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতা, নিজের দেশ ও সমাজের ওপর ইতিবাচক প্রভাবের দিকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৃত্তির মাধ্যমে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে শিক্ষার্থীদের দুই বছর কাজের অঙ্গীকার করতে হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/d7nr92y0i8">জার্মানিতে স্কলারশিপ, মাসিক ভাতাসহ যে যে সুবিধা</a></aside><h3>বৃত্তির যোগ্যতা— </h3><p>চিভনিং বৃত্তির আবেদনের জন্য যোগ্যতা হিসেবে পড়াশোনাকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্নাতক পর্যায়ে দ্বিতীয় শ্রেণির ডিগ্রি আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয়। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তির সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করা হয় বৃত্তির ক্ষেত্রে। বৃত্তির জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে ন্যূনতম কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ ছাড়া বৃত্তির জন্য ইংরেজি ভাষা দক্ষতার পরীক্ষা আইইএলটিএসে ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর থাকতে হবে।</p><h3>আবেদনের নিয়ম— </h3><p>যুক্তরাজ্য সরকারের চেভেনিং বৃত্তির জন্য আবেদন করতে হয় অনলাইনের মাধ্যমে। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কোর্সে আবেদন করতে হবে। আবেদনের জন্য বেশ কিছু কাগজপত্র প্রয়োজন। ইংরেজি ভাষায় দুটি রেফারেন্স লেটার বা সুপারিশপত্র, পাসপোর্ট/ জাতীয় পরিচয়পত্র, সর্বশেষ পড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে। বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হওয়ার পর যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ভর্তির ‘অফার লেটার’সংযুক্ত করতে হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের পর মৌখিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনে। শেভেনিংয়ের ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করা যাবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-05/eyp6hy9d/6__Bangladesh_2018.jpg"><figcaption>এ বৃত্তির জন্য ইংরেজি ভাষা দক্ষতার পরীক্ষা আইইএলটিএসে ন্যূনতম ৬ দশমিক ৫ স্কোর থাকতে হবে</figcaption></figure><h3>আবেদনে যা খেয়াল রাখবেন— </h3><p>আবেদনের সময় সব তথ্য নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, সামাজিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা, নেটওয়ার্কিং দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আবেদন মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিভনিংয়ের আওতায় পড়াশোনা শেষে বৃত্তিপ্রাপ্তদের নিজ দেশে ফিরে অন্তত দুই বছর কাজ করার অঙ্গীকারও করতে হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/a7tsy2ljf1">কাতারে দোহা ইনস্টিটিউটে স্কলারশিপ, আবেদন ১৫ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত</a></aside><h3>আবেদনের সময় যা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে— </h3><ul><li><p> আবেদনের সময় সব তথ্য ঠিকঠাকভাবে দিতে হবে</p></li><li><p> নেটওয়ার্কিংয়ের দক্ষতা, আগামী দিনের নেতৃত্বদানের সম্ভাবনা বৃত্তিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায়</p></li><li><p> আপনি যদি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, সেটিও কাজে আসবে।</p></li><li><p>চিভনিং বৃত্তির আবেদনসহ বিস্তারিত দেখতে <a href="https://www.chevening.org/scholarship/bangladesh/" rel="nofollow">এখানে ক্লিক করুন</a></p></li></ul>

অক্টোবর ৫, ২০২৬
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, ভাঙচুর
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, ভাঙচুর

গতকাল রোববার দিবাগত রাতে এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মারা যাওয়া কিশোরীর নাম মাহিমা (১৩)।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
‘এখন তো দর্শকেরা আমাদের “আঙ্কেল” বলে ফেলেছে’
‘এখন তো দর্শকেরা আমাদের “আঙ্কেল” বলে ফেলেছে’

দেড় দশক পর শোতে একসঙ্গে পারফর্ম করলেন ২০০৮ সালে ঝড় তোলা অর্থহীনের ‘অসমাপ্ত ১’ অ্যালবামের লাইনআপের চার প্রাণভোমরা।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, সরকার—দায় সবার
শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, সরকার—দায় সবার

এখানেও সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব আছে। তাদের বলতে হবে, আমরা শিক্ষাকে দলীয় রাজনীতির বাইরে রাখব।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
আয়ের বড় অংশ যায় বাড়িভাড়ায়, কতটা বেড়েছে
আয়ের বড় অংশ যায় বাড়িভাড়ায়, কতটা বেড়েছে

দেশে গত চার বছরে বাসাভাড়া বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। রাজধানী ঢাকায় বেড়েছে আরও বেশি।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ, পরে আটক ৩
মাদকের তথ্য দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ, পরে আটক ৩

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় এক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে মারধরের অভিযোগে আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০টি আসন, ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার ও অনুপস্থিত প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০টি আসন, ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার ও অনুপস্থিত প্রেসিডেন্ট

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের যেকোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিলে ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধা তৈরি হবে এবং তাঁর প্রশাসনের ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়বে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল কি বিলুপ্তির পথে, কীভাবে রক্ষা করা যায় এ জাত?
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল কি বিলুপ্তির পথে, কীভাবে রক্ষা করা যায় এ জাত?

বাংলাদেশে ‘ব্ল্যাক গোল্ড’ বা ‘কালো সোনা’ খ্যাত ছাগলের জাত নানা কারণে এখন হুমকির মুখে। বিশেষ করে ঝিনাইদহসহ দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে এ সংকট বেশি

অক্টোবর ৫, ২০২৬
কে প্রথম ব্লক করেছিলেন—দেব নাকি শুভশ্রী
কে প্রথম ব্লক করেছিলেন—দেব নাকি শুভশ্রী

<p>‘দেশু’ নামটি এসেছে দেবের ‘দে’ ও শুভশ্রীর ‘শু’ থেকে। সম্ভবত এই প্রথম টালিউডে কোনো হ্যাশট্যাগ ভাইরাল হওয়ার পর সেই নামে সিনেমা হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রোমান্টিক-অ্যাকশন ধাঁচের এই সিনেমার প্রথম গান ‘তোর শুধু তোর’ মুক্তি পাওয়ার পর আবার ট্রেন্ডে উঠে আসে ‘হ্যাশট্যাগ দেশু’। লাদাখের পাহাড়ি রাস্তা, বরফঢাকা পাহাড় ও উপত্যকার ভেতর এই দুজনের রসায়ন দেখে অনেকেই ভবিষ্যদ্বাণী করছেন—‘ঘর ভাঙছে দুজনেরই!’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/46eg1eae/susmitapikureal1789658297398826490736745843245073178434.webp"><figcaption>রাজ চক্রবর্তীর ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমায় প্রথম জুটি হয়ে দেখা দেন দেব ও শুভশ্রী</figcaption></figure><p>মান্না দে ও লতা মঙ্গেশকরের একটি জনপ্রিয় গান আছে। প্রথম চার লাইন এরকম, ‘কে প্রথম কাছে এসেছি/ কে প্রথম চেয়ে দেখেছি/ কিছুতেই পাই না ভেবে/ কে প্রথম ভালোবেসেছি…’। </p><p>দেব অধিকারী ও শুভশ্রী গাঙ্গুলির ক্ষেত্রে ব্যাপারটা যেন ‘কে প্রথম ব্লক করেছি?’ </p><p>এই প্রশ্নের উত্তর দেব বা শুভশ্রীরও জানা নেই! ‘দেশু ৭’ সিনেমার প্রচারে এক সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নের উত্তরে দেব যা বলেছেন, তার সারমর্ম হলো ‘এমনিতে কথা–কাটাকাটি হলে, মনোমালিন্য, মান-অভিমানের সঙ্গে সঙ্গে একে অন্যকে বল-আনব্লক চলত। সেটা আমরা এতবার করেছি যে কে প্রথম করেছি, এখন আর মনে নেই। তবে শুভশ্রীর সঙ্গে ওর বিয়ের আগপর্যন্ত আমার কথা হয়েছে। তারপর আমি ব্লক করেছি। আর ওটাই শেষ।’</p><h3>শুরুর শুরু </h3><p>২০০৯ সাল। রাজ চক্রবর্তীর ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমায় প্রথম জুটি হয়ে দেখা দেন দেব ও শুভশ্রী। সেই জুটি দর্শকের এত বিপুল ভালোবাসা কুড়াল যে টালিউডে গুজব ছড়িয়ে পড়ল—এই দুজন একসঙ্গে সিনেমা করলেই তা সুপারহিট।</p><p>একে একে মুক্তি পেল এই জুটি অভিনীত ‘পরান যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’, ‘খোকাবাবু’, ‘খোকা ৪২০’… সবই সুপারহিট। অর্থাৎ যা রটেছিল, তা ঘটেছিলও বটে। </p><p>কেবল দর্শকের ধারণাই নয়; শোনা যায়, বাস্তবেও এই দুজন দুজনকে ভালোবেসেছিলেন। শুভশ্রী বিয়ে করে থিতু হতে চাইছিলেন, অন্যদিকে দেব চাইছিলেন ক্যারিয়ারে ডুব দিতে।</p><p>২০১৩ সালে ‘খোকা ৪২০’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় থেকেই দুজনের মধ্যে মতবিরোধ বাড়তে থাকে। ২০১৪ সালে ‘ধূমকেতু’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তা চরমে পৌঁছায়। এই দুজনের দ্বন্দ্বে প্রায় তিন বছর লাগিয়ে সিনেমার শুটিং শেষ হয়; কিন্তু দুজনের বিচ্ছেদের ভেতর সিনেমার মুক্তির বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/l7ky32s7/deventertainmentventures177003527838236547851159774694160957728.jpg"><figcaption>২০১৩ সালে ‘খোকা ৪২০’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় থেকেই দুজনের মধ্যে মতবিরোধ বাড়তে থাকে</figcaption></figure><p>সেই বিষয় ইঙ্গিত করে দেব বলেন, ‘বিচ্ছেদের পর যে আমরা একটা স্বাভাবিক বন্ধুত্বপূর্ণ বা পেশাদার সম্পর্ক জারি রাখব, সেটি কীভাবে? ধরুন, কোথাও দেখা হলো। আমি ওকে গিয়ে হাগ করলাম বা হাসিমুখে কথা বললাম। তারপর? শত শত, হাজার হাজার, লাখো প্রশ্ন! রিলস ভাইরাল। তাই চাইলেও কোনো স্বাভাবিক সম্পর্ক রাখা যায়নি।’ </p><p>অবস্থা এমন পর্যায়ে চলে যায় যে পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য বা সিনেমাটির প্রচারণা শেষ করে মুক্তি দেওয়ার জন্য হলেও দুজনকে এক জায়গায় আনা সম্ভব হয়নি। পরে পরিচালক ও প্রযোজক সিনেমা মুক্তির পরিকল্পনা বাদ দেন; আর ‘সঠিক সময়’–এর জন্য অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই ‘সঠিক সময়’ আদৌ কোনো দিন আসবে কি না, সেটা নিয়েও ছিল অনিশ্চয়তা।</p><h3>বিচ্ছেদের পর </h3><p>বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে নানা জল্পনা থাকলেও দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানাননি। শুভশ্রী ২০১৭ সালে ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’কে সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন—কেন, কীভাবে বা কার জন্য সম্পর্কটি শেষ হয়েছিল, সেটি নিয়ে তিনি নিজেও আর ভাবেন না। শুভশ্রী বলেছিলেন, ‘আ ব্রেকআপ ইজ আ ব্রেকআপ, দেয়ার ইজ নো পয়েন্ট লুকিং ব্যাক’।</p><p>আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো শুভশ্রী তখন দেবকে নিয়ে নেতিবাচক কথা বলেননি। ওই সাক্ষাৎকারেই তিনি বলেছিলেন, সম্পর্কটি তাঁর জীবনের একটি সময় ছিল; আর সেই সময়ের ভালো স্মৃতিগুলোই তিনি ধরে রাখতে চান। এ–ও বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে তাঁর পরিচয় তৈরি হয়নি; তাঁর নিজের পরিশ্রমই তাঁকে আজকের জায়গায় এনেছে।</p><p>২০১৬ সালে রাজ চক্রবর্তী ও মিমি চক্রবর্তীরও বিচ্ছেদ হয়। সেই বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছিল, রাজ বিয়ে করে থিতু হতে চাইছিলেন; কিন্তু মিমি ক্যারিয়ারে মনোযোগী ছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/6suc98z0/abhinaskarphotography177029251738257999177142626902705439423.jpg"><figcaption>বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে নানা জল্পনা থাকলেও দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানাননি</figcaption></figure><p>সেই বছরেই ‘অভিমান’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে শুভশ্রীর। কেননা, এই দুজনই তাঁদের পুরোনো সম্পর্কে বিয়ে করে থিতু হতে চাইছিলেন! বলা হয়, দুজনের এই ‘কমন’ ব্যাপারই তাঁদের কাছাকাছি এনেছিল। এ ছাড়া দুজনই ছিলেন দুজনের ভাঙা হৃদয়ের দাওয়াই!</p><p>২০১৮ সালের মার্চে বিয়ে করেন এই দুজন। দুই সন্তানের মা-বাবাও হন। সঙ্গে রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘পরিণীতা’তে কিশোরী ও কল্লোল লাহিড়ী রচিত, দেবালয় ভট্টাচার্য পরিচালিত ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’-এ ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধার চরিত্রে অভিনয় করে সবার প্রশংসায় ভেসে যান শুভশ্রী। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন গুণী অভিনয়শিল্পী হিসেবে।</p><p>ওদিকে দেবও রুক্মিনী মৈত্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আনেন, এগিয়ে নেন নিজের ক্যারিয়ার। ২০১৭ সাল থেকে দেব ও রুক্মিনী সম্পর্কে আছেন। যদিও রুক্মিনী বলেন, আরও পাঁচ বছর আগে থেকে দেবের সঙ্গে তাঁর ভালো বন্ধুত্ব!</p><p>সম্প্রতি রাজ চক্রবর্তী দেব ও শুভশ্রীর সেই পুরোনো রসায়ন ও নতুন সিনেমা ‘দেশু ৭’ প্রসঙ্গে বলেন, ‘“দেশু”ভক্তদের মতো একসময় আমিও ভাবতাম, ওদের নিশ্চয়ই বিয়ে হবে। কিন্তু শুভশ্রীকে সৃষ্টিকর্তা আমার কপালেই রেখেছেন; আর আমি এ জন্য কৃতজ্ঞ। তবে অস্বীকার করতে পারব না, আমিও একজন “দেশু”ভক্ত। ওরা দুজনই আমার প্রিয় অভিনয়শিল্পী। আমি ওদের অনস্ক্রিনে আবারও হিট দেখতে চাই। ওদের ছবিটার জন্য শুভকামনা।’</p><p>অনেকে আবার এই মন্তব্যে টিপ্পনী কেটে বলেছেন, ‘তা তো শুভকামনা জানাবেনই, টাকা তো আপনার ঘরেই যাবে।’</p><h3>বছর দশেক পর </h3><p>দেব ও শুভশ্রীর সম্পর্কের অবনতির কারণে ‘ধূমকেতু’ সিনেমার মুক্তি পেছাতে পেছাতে একসময় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। অবশেষে সিনেমা তৈরির ৯ বছর পর পরিচালক কৌশিক গাঙ্গুলি দেব ও শুভশ্রীকে নিয়ে মুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করেন। প্রায় ১০ বছর পর ভক্তরা তাঁদের প্রিয় জুটিকে সিনেমার প্রচারণায় একসঙ্গে দেখে রীতিমতো ‘ক্রেজ’ প্রকাশ করে।</p><p>২০২৫ সালের ৪ আগস্ট কলকাতার নজরুল মঞ্চে ‘ধূমকেতু’র গ্র্যান্ড ট্রেলার লঞ্চ হয়। প্রায় ৯ বছর পর তাঁরা প্রকাশ্যে এক মঞ্চে পাশাপাশি আসেন। এটি টালিউডের ইতিহাসের অন্যতম জমকালো ট্রেলার লঞ্চের আয়োজন। </p><p>এই সিনেমার ট্রেলার প্রচারের পর টালিউডের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সিনেমার মুক্তির ঘোষণার পরবর্তী দুই ঘণ্টার মধ্যে সব হল ‘বুকড’ হয়ে যায়। পরে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় বাড়ানো হয় হলের সংখ্যা।</p><p>সব মিলিয়ে দেব-শুভশ্রীর পুরোনো প্রেমের নস্টালজিয়াকে ‘ক্যাশ’ করে হোক, এই জুটির ফ্যানবেজকে কাজে লাগিয়ে ৯ বছরের পুরোনো একটি সিনেমা রীতিমতো ইতিহাস গড়ে বাণিজ্যিক সফলতা পায়।</p><p>বিশেষজ্ঞরা বলেন, ৯ বছরে পৃথিবীর অনেক কিছুই বদলে গেছে। অভিনয়, ফ্যাশন, সিনেমায় গল্প বলার ধরন…কিন্তু ‘দেশু’ভক্তদের এই দুজনকে একসঙ্গে দেখতে চাওয়ার চাহিদা কমেনি, বরং বেড়েছে; আর সেটিই এই সিনেমার ইউএসপি (ইউনিক সেলিং পয়েন্ট)।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/y13ofaew/77735694310657486825237643233200884563903961n.jfif"><figcaption>দেব ও শুভশ্রীর সম্পর্কের অবনতির কারণে ‘ধূমকেতু’ সিনেমার মুক্তি পেছাতে পেছাতে একসময় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে</figcaption></figure><p>‘ধূমকেতু’ সিনেমার টিজার প্রকাশ অনুষ্ঠানে হাজারো দর্শকের সামনে শুভশ্রী দেবকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘আমার বন্ধু হবে?’</p><p>দেব তখন পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কেন?’</p><p>তখন উপস্থিত দর্শক চিৎকার করে বলেন, ‘এমনি এমনি!’</p><p>শুভশ্রীও দেবকে বলেন, ‘এমনি এমনি!’</p><p>এ ঘটনার পর ‘হ্যাশট্যাগ দেশু’র সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেন্ডে উঠে আসে ‘হ্যাশট্যাগ এমনি এমনি’!</p><p>দেব তাৎক্ষণিকভাবে শুভশ্রীকে ইনস্টাগ্রামে আনব্লক করে ‘ফলো’ করেন। শুভশ্রীও পাল্টা ফলো করেন; আর হাজারো দর্শকের সামনে তাঁরা প্রতিজ্ঞা করেন, তাঁদের জীবনে পরবর্তী সময়ে যা-ই ঘটুক না কেন, কেউ কাউকে আনফলো বা ব্লক করবেন না।</p><p>কেউ কেউ বলেন দীপিকা পাড়ুকোন-রণবীর কাপুর, সেলেনা গোমেজ-জাস্টিন বিবার বা দেব-শুভশ্রীর মতো ইতিহাসে কিছু অসম্পূর্ণ প্রেম আছে, যেসব ভক্তের মধ্যে তাঁদের একসঙ্গে দেখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা হয়ে বেঁচে থাকে বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ। সেটিকে ভাঙিয়ে ‘বাঙালি ব্যবসা করে নিচ্ছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/lemxo6lw2t">বিচ্ছেদের এক যুগ পরও রবার্ট প্যাটিনসন ও ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের প্রেম আনন্দ-বেদনার এক কাব্য</a></aside><h3>কীভাবে জন্ম নিল ‘দেশু’ </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/rrr0yxyg/80880263411158141141357094092794167795463121n.jfif"><figcaption>‘দেশু’ নামটি এসেছে দেবের ‘দে’ ও শুভশ্রীর ‘শু’ থেকে</figcaption></figure><p>দেব ও শুভশ্রীর তিন বছরের সম্পর্কে যে একটা সময়ে দূরত্ব ও অভিমান তৈরি হয়েছিল, তা দিবালোকের মতো স্পষ্ট; কিন্তু দুজনই এখন বলছেন, তাঁরা সেই অধ্যায় পেছনে ফেলে এসেছেন। আর কেবল ভালো স্মৃতিগুলোই সঙ্গে রেখেছেন। এক সাক্ষাৎকারে শুভশ্রী এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘বেসিক্যালি আমার সিলেকটিভ মেমোরি, আমি যেটা মনে রাখতে চাই, সেটিই মনে থাকে।’ তাৎক্ষণিকভাবে মজা করতে ছাড়েননি দেব। বলেন, ‘ও আমি এখনো মনে আছি!’</p><p>২০২৬ সালের এক ফেসবুক লাইভে দেব বলেন, সময়ের সঙ্গে শুভশ্রী ও তাঁর ‘ম্যাচিউরিটি’ ও ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ অনেক বেড়েছে। এমনকি ‘দেশু ৭’ সিনেমার প্রচারণার ওই সাক্ষাৎকারে দেব এ-ও বলেন, ‘আমাদের এই ম্যাচিউরিটি যদি আগে থাকত, তাহলে হয়তো আমরা কখনো আলাদাই হতাম না।’</p><p>এ সময় শুভশ্রী নিজের আবেগ সামলানোর জন্য খুব চেষ্টা করছিলেন। তখন দেব শুভশ্রীর দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘বেশি বলে ফেললাম? আবার কি কেস খেয়ে যাব আমরা?’</p><p>দেব জানান, ‘ধূমকেতু’ সিনেমার অভাবনীয় সাফল্যের পর তিনি তাঁদের জুটির জনপ্রিয়তা সম্পর্কে ধারণা পেয়ে আশ্চর্য হয়ে যান। </p><p>দেব বলেন, ‘আমি স্বার্থপরের মতো নিজেই কলকাতার একাধিক নামকরা পরিচালকের কাছে জানতে চাই, তাঁদের কাছে এই মুহূর্তে আমাদের কাস্ট করার মতো ভালো কোনো ছবি আছে কি না। তাঁরা যখন “না” করে, আমি নিজেই সিনেমা বানাতে লেগে যাই। কারণ, দর্শকেরা জানিয়ে দিয়েছেন, দুজনে জুটি বেঁধে সিনেমা করার এটাই সেরা সময়।’</p><p>‘দেশু’ নামটি এসেছে দেবের ‘দে’ ও শুভশ্রীর ‘শু’ থেকে। সম্ভবত এই প্রথম টালিউডে কোনো হ্যাশট্যাগ ভাইরাল হওয়ার পর সেই নামে সিনেমা হচ্ছে। </p><p>সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রোমান্টিক-অ্যাকশন ধাঁচের এই সিনেমার প্রথম গান ‘তোর শুধু তোর’ মুক্তি পাওয়ার পর আবার ট্রেন্ডে উঠে আসে ‘হ্যাশট্যাগ দেশু’। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/jfhq71kb/815701208175623815564863355135491481549315n.jfif"><figcaption>দেব আর শুভশ্রীর ‘এক হওয়া’ নিয়েও জল্পনা বেড়েছে</figcaption></figure><p>লাদাখের পাহাড়ি রাস্তা, বরফঢাকা পাহাড় ও উপত্যকার ভেতর এই দুজনের রসায়ন দেখে অনেকেই ভবিষ্যদ্বাণী করছেন, ‘ঘর ভাঙছে দুজনেরই!’ একদিকে শুভশ্রী ও রাজের, অন্যদিকে দেব ও রুক্মিনীর! </p><p>দেব আর শুভশ্রীর ‘এক হওয়া’ নিয়েও জল্পনা বেড়েছে। এসবের ভেতরেই জোর কদমে চলছে সিনেমার প্রচারণা ও পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ; আর প্রচারণায় এই দুজন ইচ্ছা করেই নিজেদের পুরোনো ব্যক্তিগত সম্পর্কের নানা বিষয় তুলে আনছেন। কেননা, এই সিনেমাই তো দাঁড়িয়ে আছে এই দুজনের অতীত হয়ে যাওয়া এক প্রেমের ওপর, দর্শকের এই দুজনকে একসঙ্গে দেখতে চাওয়ার আকাঙ্ক্ষার ওপর। </p><p>১৬ অক্টোবর মুক্তির দিনটিকে সামনে রেখে তাই নস্টালজিয়াকে উসকে দেওয়াকেই এই সিনেমার অন্যতম ‘প্রমোশনাল স্ট্র্যাটেজি’ হিসেবে নিয়েছেন দেব-শুভশ্রী।</p><p>তারপরও প্রশ্ন আসছে, ‘ক্যামেরার সামনে দুজন যা করেছেন, সেটি কি কেবলই অভিনয়?’ ‘দেব বা শুভশ্রী দুজনের কেউই কি এতটা ন্যাচারাল, সত্যের কাছাকাছি অভিনয় জানেন?’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/op9jjtg3tj">যেসব বিচ্ছেদ বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল</a></aside>

অক্টোবর ৫, ২০২৬
ব্রেন টিউমারের কঠিন সময় পেরিয়ে মায়াকাড়া সব ছবি শেয়ার করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, পাচ্ছেন ভক্তদের ভালোবাসা ও শুভকামনা
ব্রেন টিউমারের কঠিন সময় পেরিয়ে মায়াকাড়া সব ছবি শেয়ার করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, পাচ্ছেন ভক্তদের ভালোবাসা ও শুভকামনা

ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে অত্যন্ত কঠিন সময় পার করে আসছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। সম্প্রতি নানা লুকের মায়াকাড়া সব ছবি শেয়ার করছেন তিনি।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
লোকসানে রয়েছে ২২ ব্যাংক, ৪টি রাষ্ট্রমালিকানাধীন
লোকসানে রয়েছে ২২ ব্যাংক, ৪টি রাষ্ট্রমালিকানাধীন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চ ২০২৬ ভিত্তিতে ব্যাংক খাতের পরিচালন মুনাফার পরিমাণ ৭৮৯ কোটি টাকা। তবে নিট ক্ষতির পরিমাণ ৮ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ভবন থেকে লাফ দিয়ে পড়ে শিক্ষার্থী আহত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ভবন থেকে লাফ দিয়ে পড়ে শিক্ষার্থী আহত

গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে বিপদের মুখে মুসলমানরা, কিন্তু ‘মুসলিম’ দলই বিজেপির ভরসা
পশ্চিমবঙ্গে বিপদের মুখে মুসলমানরা, কিন্তু ‘মুসলিম’ দলই বিজেপির ভরসা

আক্রমণের নানা ধরন লক্ষ করা গেছে। এপিসিআরের প্রতিবেদনে মুসলমানদের মোট ১৯টি সম্পত্তির ওপর হামলা, ১৪টি ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা, চারটি উচ্ছেদ অভিযান এবং তিনটি বুলডোজার ব্যবহারের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, তা–ও একেবারে গোড়ার দিকে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
শিক্ষকের পেশাগত সুরক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা: সমৃদ্ধ আগামীর ভিত্তি
শিক্ষকের পেশাগত সুরক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা: সমৃদ্ধ আগামীর ভিত্তি

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের গুরুত্ব, পেশাগত সুরক্ষা, মর্যাদা বৃদ্ধির আলোচনা ও শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
আবারও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে
আবারও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে

আবারও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে

অক্টোবর ৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

Top week

পত্রিকা:‌ ''অপারেশন ক্লিন হার্টের' আদলে অভিযানের চিন্তা'
সারা দেশ

পত্রিকা:‌ ''অপারেশন ক্লিন হার্টের' আদলে অভিযানের চিন্তা'

News সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ 0