জামায়াতের লংমার্চের বাস উল্টে পথচারী নিহত, আহত ২৫

জামায়াতে ইসলামীর লংমার্চে খুলনায় সমাবেশ শেষে সাতক্ষীরা ফেরার পথে নেতাকর্মীদের বহনকারী একটি বাসচাপায় আব্দুল খালেক (৬৫) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া বাসটি উল্টে খাদে পড়ে অন্তত ২৫ জন নেতাকর্মীআহত হয়েছেন।

ঢাকার বায়ুর মান আজ কেমন?

রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান আজ অস্বাস্থ্যকর।

ঢাকার বায়ুর মান আজ কেমন?
খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় দুর্বৃত্তের অস্ত্রের আঘাতে শহীদুল ইসলাম কলিন (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে লবণচরা থানাধীন কাশেমিয়া জামে মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা
এআইয়ের ওপর নির্ভরতা মস্তিষ্ক পচিয়ে দিচ্ছে: বাঁচার উপায় কী?

প্রযুক্তির এই হুড়োহুড়ির যুগে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা সম্প্রতি ‘মিউজ’ নামক নতুন একটি এআই পার্সোনাল এজেন্ট চালু করেছে। সাধারণ চ্যাটবটগুলোর মতো না, এই ছোট্ট এআই টুলটা নিজে থেকেই আপনার ফরম ফিলাপ করে...

এআইয়ের ওপর নির্ভরতা মস্তিষ্ক পচিয়ে দিচ্ছে: বাঁচার উপায় কী?
গাজীপুরে পুলিশ বক্সে আগুন দিলেন পোশাকশ্রমিকরা

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকরা।

গাজীপুরে পুলিশ বক্সে আগুন দিলেন পোশাকশ্রমিকরা
পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন

পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার।

পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন
পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ: গোলাম পরওয়ার

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান লাইভ অনুষ্ঠানে জাতীয় দৈনিক ‘আমার দেশ’ ছিঁড়ে ফেলার ঘটনাকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনা...

পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ: গোলাম পরওয়ার

সারা দেশ

View more
সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলেই গ্রেপ্তার: ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ
সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের রাস্তায় পেলেই গ্রেপ্তার: ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ

সন্ধ্যার পর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখলে গ্রেপ্তার করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। কিশোর গ্যাং নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, এ অপরাধ দমনে পুলিশের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Video news

Rss feed news

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: কোথায় সম্ভাবনা, কোথায় পরীক্ষা
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: কোথায় সম্ভাবনা, কোথায় পরীক্ষা

সফরের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো বঙ্গোপসাগরীয় শিল্প প্রবৃদ্ধি বলয় বা ‘বিগ-বি’ উদ্যোগকে ‘বিগ-বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ কাঠামোয় সম্প্রসারণ।

নভেম্বর ১, ২০২৬
সাতক্ষীরায় ১১–দলীয় জোটের লংমার্চের বাস খাদে, পথচারী নিহত
সাতক্ষীরায় ১১–দলীয় জোটের লংমার্চের বাস খাদে, পথচারী নিহত

সাতক্ষীরায় খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশের খাদে বাস পড়ে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। খুলনায় ১১–দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচি শেষে বাসটি সাতক্ষীরায় ফিরছিল।

নভেম্বর ১, ২০২৬
‘জম্বির মতো ডাইভ দিতাম, প্রতি রাতে কাঁদতাম’: আঙুল ভেঙেও যেভাবে আর্জেন্টিনার জন্য লড়েছিলেন মার্তিনেজ
‘জম্বির মতো ডাইভ দিতাম, প্রতি রাতে কাঁদতাম’: আঙুল ভেঙেও যেভাবে আর্জেন্টিনার জন্য লড়েছিলেন মার্তিনেজ

একজন গোলকিপারের জন্য হাতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র আর কী হতে পারে! সেই হাতের আঙুলই যখন স্বাভাবিকভাবে কাজ করে না, তখন প্রতিটি সেভই হয়ে ওঠে একেকটি যুদ্ধ।

নভেম্বর ১, ২০২৬
বাগ্‌দানের চার মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, জিয়া শঙ্করের রহস্যময় পোস্ট
বাগ্‌দানের চার মাসেই বিচ্ছেদের গুঞ্জন, জিয়া শঙ্করের রহস্যময় পোস্ট

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক মন খারাপের পোস্ট শেয়ার করায় এমন আলোচনার জন্ম হয়েছিল ভারতীয় অভিনেত্রী জিয়া শঙ্করকে ঘিরে।

নভেম্বর ১, ২০২৬
জীবন কীভাবে মোড় নেয়, ভাবলে অবাক লাগে
জীবন কীভাবে মোড় নেয়, ভাবলে অবাক লাগে

<p>এ বছর ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ইংলিশ ফুটবলার <strong>হ্যারি কেইন</strong>। কৈশোরে তাঁকেও কিন্তু অনেক বাধা, বিপত্তি, সংশয় পেরিয়ে আসতে হয়েছে। পড়ুন প্লেয়ারস ট্রিবিউন–এ প্রকাশিত তাঁর লেখার নির্বাচিত অংশের অনুবাদ।</p><p>ছোটবেলায় ‘ব্যর্থতা’ ব্যাপারটা ছিল খুব অদ্ভুত। </p><p>একটা ঘটনা বলি। আমাদের চিংফোর্ডের বাড়ির ঠিক পেছনেই একটা পার্ক ছিল। বাবা-ভাইয়ের সঙ্গে প্রায়ই সেখানে ফুটবল খেলতে যেতাম। কোনো গোলপোস্ট ছিল না, ছিল না খেলার উপযোগী কোনো নির্দিষ্ট মাঠও। একটু ঘাস আর দুটা গাছ পেলেই আমরা খুশি। তখন আমি আর্সেনালের যুব দলে খেলতাম। বয়স আট। একদিন বাবার সঙ্গে পার্কে যাচ্ছি। আচমকা বাবা বললেন, ‘তোমাকে একটা কথা বলার ছিল।’ </p><p>‘হ্যাঁ, বলো।’ </p><p>মনে আছে, এরপর বাবা কাঁধে হাত রাখলেন। বললেন, ‘শোনো হ্যারি, আর্সেনাল তোমাকে আর দলে রাখছে না।’ </p><p>সেই মুহূর্তে আমার কেমন লেগেছিল, তা ঠিক মনে করতে পারি না। সত্যি বলতে, এর অর্থ কী, সেটাও হয়তো তখন ভালোভাবে বুঝতাম না। বয়সটাই তো কম। তবে বাবার প্রতিক্রিয়া আমার মনে আছে। আর সেটা আমার মনে কী প্রভাব ফেলেছিল, সেটাও মনে আছে। বাবা আমাকে দোষারোপ করেননি। আর্সেনালকেও দোষ দেননি। এমনকি তাঁকে খুব একটা বিচলিতও মনে হয়নি। শুধু বলেছিলেন, ‘চিন্তা কোরো না, হ্যারি। আমরা আরও পরিশ্রম করব। সামনে এগিয়ে যাব। অন্য কোনো ক্লাব খুঁজে নেব। ঠিক আছে?’</p><p>এখন পেছন ফিরে তাকালে মনে হয়, আমার আরও বেশি মন খারাপ হওয়ার কথা ছিল। যে বাবা মরিয়া হয়ে চান, তাঁর সন্তান পেশাদার ফুটবলার হোক, তাঁর প্রতিক্রিয়া হয়তো অন্য রকম হতে পারত। কিন্তু আমার বাবা ছিলেন আলাদা। যা-ই ঘটুক না কেন, তিনি কখনো আমার ওপর কোনো চাপ সৃষ্টি করেননি। সব সময় ইতিবাচক ছিলেন। যেকোনো পরিস্থিতিতে তাঁর মুখে কথা ছিল একটাই, ‘তো চলো, কাজে নেমে পড়ি।’ </p><p>আমরা সেটাই করেছিলাম।</p><p>আর্সেনাল ছাড়ার পর কিছুদিন এদিক-ওদিক খেলেছি। পরে নিজের এলাকার দলে ফিরে যাই। সেখান থেকে ওয়াটফোর্ডের এক স্কাউটের নজরে পড়ি। তিনি আমাকে ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দেন। জীবন কীভাবে মোড় নেয়, ভাবলে অবাক লাগে! ওয়াটফোর্ডের হয়ে টটেনহামের বিপক্ষে খেলার পরই টটেনহামের যুব একাডেমিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাই।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/ubot77q13o">মিরপুরের ব্যতিক্রমী বিনোদনকেন্দ্র ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম হলে কী কী আছে, কেন যাবেন</a></aside><p>মনে আছে, প্রথমবার যখন আর্সেনালের বিপক্ষে খেলতে নামি, তখনো আমার মধ্যে একধরনের জেদ কাজ করছিল। শুনতে হাস্যকর লাগতে পারে। প্রতিবার তাদের বিপক্ষে খেলতে নামলেই মনে মনে বলতাম, ‘বটে! এবার দেখা যাবে কে পারে আর কে পারে না।’</p><p>এখন পেছন ফিরে তাকালে মনে হয়, ওই ঘটনা আমার জীবনে সেরা স্মৃতিগুলোর একটা। কারণ, এর মাধ্যমে এমন এক জেদ ও তাড়না তৈরি হয়েছিল, যা আগে টের পাইনি।</p><h3>ফুটবলকে নতুন চোখে দেখা </h3><p>দ্য ডেন স্টেডিয়ামে আমার প্রথম দিককার একটা ম্যাচের কথা মনে পড়ে। রেফারি একটি ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। মাত্র একটি ভুল সিদ্ধান্ত! আর তাতেই দর্শকেরা মাঠের মধ্যে একের পর এক জিনিস ছুড়ে মারতে শুরু করেন। যে যা হাতের কাছে পাচ্ছিলেন, তা-ই! পরিস্থিতি সামলে দর্শকদের শান্ত করতে পাঁচ মিনিটের জন্য খেলা বন্ধ রাখতে হয়েছিল।</p><p>ভাবুন তো, আমার বয়স তখন ১৮। চারদিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল, ‘বাপরে! কী অবিশ্বাস্য!’</p><p>মৌসুম যত এগোচ্ছিল, আমরা ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামছিলাম। এরই মধ্যে ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের কেউ কেউ বলতে শুরু করল, ‘যদি আরও নিচে নামি, আমাদের বেতন অর্ধেক হয়ে যাবে।’ কিংবা ‘এর চেয়ে খারাপ অবস্থায় গেলে আমার চুক্তিই বাতিল হয়ে যাবে।’</p><p>তাঁদের অনেকের ঘরে ছোট ছোট সন্তান ছিল। তখনই খেলাটাকে আমি অন্যভাবে দেখতে শুরু করি। বুঝতে পারি, সবাই শুধু আনন্দের জন্য ফুটবল খেলে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাদের পরিবারের জীবিকা, ভরণপোষণ। বুঝতে শুরু করি, পুরো ব্যাপারটা কতটা অনিশ্চিত ও নাজুক। ফুটবলে তুমি দিনের পর দিন যে অর্জনের জন্য পরিশ্রম করেছ, মুহূর্তেই সব হারিয়ে যেতে পারে।</p><p>সেই অভিজ্ঞতা আমাকে বুঝিয়েছিল, শিশুসুলভ ভাবনা নিয়ে চলার দিন শেষ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/17yh2r8n/740970-01-02.jpg"><figcaption>হ্যারি কেইন</figcaption></figure><h3>খারাপ সময়ে ঘুরে দাঁড়ানো </h3><p>সবচেয়ে খারাপ সময়টা সম্ভবত কেটেছে লেস্টার সিটিতে। সেখানে কিছুতেই মূল দলে জায়গা করে নিতে পারছিলাম না। আমার ক্যারিয়ারে সেই প্রথমবারের মতো নিজের সামর্থ্য নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। এতই হতাশ ছিলাম যে বাবাকে বলেছিলাম, আমি ক্লাব ছেড়ে চলে যেতে চাই।</p><p>বাবা বলেছিলেন, ‘দেখো, পরিশ্রম করে যাও। কাজ চালিয়ে যাও। সামনে এগোও। সব ঠিক হয়ে যাবে।’</p><p>কয়েক সপ্তাহ পর আবারও নিজের ফ্ল্যাটে বসে আছি। তখন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ফুটবল লিগ—এনএফএল নিয়ে বেশ আগ্রহী ছিলাম। একদিন হঠাৎ টম ব্র্যাডিকে নিয়ে তৈরি একটি প্রামাণ্যচিত্র চোখে পড়ে।</p><p>প্রামাণ্যচিত্রটি আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। জীবনের প্রায় পুরোটা সময়ই মানুষ টম ব্র্যাডির সামর্থ্য নিয়ে সন্দেহ করেছে। এমনকি কলেজে পড়ার সময়ও কোচেরা তাঁকে সরিয়ে অন্য একজন কোয়ার্টারব্যাককে সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছিল।</p><p>প্রামাণ্যচিত্রে এনএফএল ড্রাফটের আগে স্কাউটদের তোলা একটি ছবিও দেখানো হয়েছিল। উদাম গায়ে টম ব্র্যাডি। একজন কোচকে বলতে শোনা যায়, ‘ও বেশ লম্বা, রোগা–পাতলা। দেখে মনে হয়, জীবনে কখনো জিমেও যায়নি।’</p><p>তাঁর মধ্যে আমি নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পেয়েছিলাম। আমাকে নিয়েও মানুষ সব সময় একই ধরনের ধারণা পোষণ করত। বলত, ‘ওকে দেখে তো স্ট্রাইকার মনেই হয় না।’</p><p>ব্র্যাডির গল্প আমাকে সত্যিই অনুপ্রাণিত করেছিল। নিজের ওপর তাঁর ছিল অগাধ বিশ্বাস। আর ভালো করার জন্য তিনি প্রায় নেশাগ্রস্তের মতো একটানা পরিশ্রম করে গেছেন। বিষয়টি আমার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।</p><p>শুনতে অদ্ভুত লাগতে পারে, কিন্তু সেদিন লেস্টারে নিজের সোফায় বসে থাকতে থাকতে আমার মাথার ভেতর যেন হঠাৎ একটা আলো জ্বলে উঠল। আচমকা নিজেকে বললাম, ‘আমি পারব। যতটা সম্ভব কঠোর পরিশ্রম করব। সুযোগ একদিন আসবেই। আর সেই সুযোগ আমি কাজে লাগাব।’</p><p>এর কয়েক ম্যাচ পর আমরা খেলতে নেমেছিলাম আমার সাবেক ক্লাব মিলওয়ালের বিপক্ষে। তাদের এক লম্বা-চওড়া ডিফেন্ডার সম্ভবত আমাকে ভয় দেখানোর জন্যই বলল, ‘এই যে হ্যারি, আমি কিন্তু এখনো কোনো হলুদ কার্ড পাইনি।’</p><p>আমি বললাম, ‘...আচ্ছা, তো?’</p><p>‘না মানে...তোমাকে দিয়েই প্রথম হলুদ কার্ডটা পাওয়ার কথা ভাবছি কি না...’</p><p>থ্রো-ইন থেকে বল এল। আমরা দুজনই হেড করার জন্য লাফ দিলাম। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে কনুইয়ের ধাক্কাধাক্কিও হলো। আর কী আশ্চর্য! আমার কনুই গিয়ে লাগল ঠিক তাঁর পাঁজরে। অবশ্যই ইচ্ছা করে নয়, দুর্ঘটনাবশত। সে ব্যথায় কুঁকড়ে মাটিতে পড়ে গেল। আর আমি তাঁকে ডিঙিয়ে চলে গেলাম।</p><p>কিছুই বলিনি। শুধু পাশ কাটিয়েছি। এভাবেই তাঁকে, নিজেকে এবং সবাইকে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলাম—কারও চোখ রাঙানি আমি আর ভয় পাই না।</p>

নভেম্বর ১, ২০২৬
মানুষের মুক্তির চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা ও আমাদের গ্রামের স্বপ্ন
মানুষের মুক্তির চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা ও আমাদের গ্রামের স্বপ্ন

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/oiiqxasa/ag.jpg"><figcaption>আমাদের গ্রাম ক্যানসার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ক্যানসারের সচেতনতার বাড়াতে রিকশাচিত্র</figcaption></figure><p>মানুষের ইতিহাস মূলত মুক্তির অন্বেষণের ইতিহাস। ক্ষুধা, ভয়, অজ্ঞতা, পরাধীনতা ও অপমান থেকে মুক্ত হয়ে মানুষ নিজের জীবনকে নিজের মতো করে গড়ে তুলতে চেয়েছে। কখনো এই আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে স্বাধীনতার সংগ্রামে, কখনো শিক্ষার আন্দোলনে, কখনো সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিতে। আবার কখনো তা প্রকাশ পেয়েছে একজন মায়ের সন্তানের চিকিৎসা পাওয়ার চেষ্টায় কিংবা একজন তরুণের নিজের গ্রামেই সম্মানজনক জীবিকা খুঁজে নেওয়ার স্বপ্নে। মুক্তির এই বৃহৎ আদর্শ তাই প্রতিদিনের জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো ভাবনা নয়। মানুষের ছোট ছোট প্রয়োজন, অধিকার ও সম্ভাবনার মধ্যেই তার গভীরতম অর্থ লুকিয়ে থাকে।</p><p>মুক্তি বলতে আমরা প্রায়ই বাইরের কোনো শৃঙ্খল ভাঙাকে বুঝি। কিন্তু মানুষের জীবনে এমন অনেক শৃঙ্খল আছে, যা চোখে দেখা যায় না। চিকিৎসার খরচের ভয়, নিজের অধিকার না জানার অসহায়ত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিতে না পারা কিংবা জন্মস্থানের কারণে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়াও মানুষকে পরাধীন করে রাখে। যে মানুষ অসুস্থ হলে চিকিৎসা নিতে পারেন না, তিনি কতটা স্বাধীন? যে নারী নিজের স্বাস্থ্যসমস্যার কথা বলতে সংকোচ ও অবহেলার মুখোমুখি হন, তাঁর মুক্তি কত দূরে? এসব প্রশ্ন আমাদের উন্নয়নের প্রচলিত ধারণাকে নতুন করে বিবেচনা করতে শেখায়।</p><blockquote>গ্রাম খাদ্য উৎপাদন করে, শ্রম জোগায়, সংস্কৃতিকে ধারণ করে এবং সমাজের বন্ধন টিকিয়ে রাখে। অথচ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্য, প্রযুক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগের বড় অংশ কেন্দ্রীভূত থাকে শহরে। ফলে গ্রামের মানুষকে মৌলিক প্রয়োজন মেটাতেও বারবার দূরে যেতে হয়। এই যাত্রার সঙ্গে যুক্ত হয় অর্থ ব্যয়, সময়ের অপচয়, কর্মহানি ও অনিশ্চয়তা।</blockquote><p>বাংলাদেশের গ্রামীণ মানুষের জীবনে এই প্রশ্নগুলো বিশেষভাবে সামনে আনে। গ্রাম খাদ্য উৎপাদন করে, শ্রম জোগায়, সংস্কৃতিকে ধারণ করে এবং সমাজের বন্ধন টিকিয়ে রাখে। অথচ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্য, প্রযুক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগের বড় অংশ কেন্দ্রীভূত থাকে শহরে। ফলে গ্রামের মানুষকে মৌলিক প্রয়োজন মেটাতেও বারবার দূরে যেতে হয়। এই যাত্রার সঙ্গে যুক্ত হয় অর্থ ব্যয়, সময়ের অপচয়, কর্মহানি ও অনিশ্চয়তা—ভৌগোলিক দূরত্ব তখন সামাজিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনার রূপ নেয়। মানুষের ঠিকানা তাঁর সম্ভাবনার সীমানা নির্ধারণ করতে শুরু করে।</p><p>‘আমাদের গ্রাম—উন্নয়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি’ প্রকল্পের ভিশন এই বাস্তবতার মধ্যেই অর্থবহ হয়ে ওঠে: শহরের সুযোগ-সুবিধা গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এই ভাবনার কেন্দ্রে রয়েছে মানুষের সমান মর্যাদা ও সুযোগের স্বীকৃতি। একজন মানুষ গ্রামে জন্মেছেন বলে তাঁর ভালো চিকিৎসা, মানসম্মত শিক্ষা, প্রয়োজনীয় তথ্য কিংবা দক্ষতা অর্জনের অধিকার কমে যেতে পারে না। তাঁর প্রয়োজনের গুরুত্ব শহরের মানুষের প্রয়োজনের সমান। উন্নয়নের দায়িত্ব হলো এই সমতার বাস্তব ভিত্তি তৈরি করা, যাতে বসবাসের স্থান মানুষের জীবনমানের বিরুদ্ধে স্থায়ী বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।</p><p>তবে শহরের সুযোগ গ্রামে পৌঁছানোর অর্থ গ্রামকে অপরিকল্পিতভাবে শহরের অনুকরণে বদলে দেওয়া নয়। গ্রামের নিজস্ব পরিবেশ, সামাজিক সম্পর্ক, উৎপাদনব্যবস্থা ও সাংস্কৃতিক শক্তিকে সম্মান করেই প্রয়োজনীয় সেবা ও জ্ঞান সহজলভ্য করতে হবে। মানুষ যেন নিজের শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত থেকে উন্নত জীবন বেছে নিতে পারেন। কাজ বা শিক্ষার জন্য অন্যত্র যাওয়ার স্বাধীনতা যেমন থাকবে, তেমনি নিজের এলাকায় থেকে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচার বাস্তব সুযোগও থাকবে। বাধ্য হয়ে স্থানান্তরিত হওয়া এবং নিজের ইচ্ছায় নতুন পথ বেছে নেওয়ার মধ্যে যে পার্থক্য, মুক্তির প্রশ্নটি সেখানেও উপস্থিত।</p><blockquote>এই ভিশনে জ্ঞান ও তথ্যের ভূমিকা মৌলিক। প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে মানুষ অনেক সময় এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন, যা তাঁর ক্ষতি বাড়ায়। রোগ সম্পর্কে ভুল ধারণা, সেবার ঠিকানা না জানা কিংবা কোনো সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়া না বোঝা তাঁকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল করে তোলে। সহজ ভাষায়, নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া তাই ক্ষমতায়নের একটি বাস্তব উপায়। প্রযুক্তি এখানে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে।</blockquote><p>এই ভিশনে জ্ঞান ও তথ্যের ভূমিকা মৌলিক। প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে মানুষ অনেক সময় এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন, যা তাঁর ক্ষতি বাড়ায়। রোগ সম্পর্কে ভুল ধারণা, সেবার ঠিকানা না জানা কিংবা কোনো সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়া না বোঝা তাঁকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল করে তোলে। সহজ ভাষায় নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া তাই ক্ষমতায়নের একটি বাস্তব উপায়। প্রযুক্তি এখানে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হতে পারে। তবে প্রযুক্তির মূল্য নির্ধারিত হবে মানুষ সেটি বুঝতে, ব্যবহার করতে এবং তার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধান করতে পারছেন কি না, তার ভিত্তিতে।</p><p>স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে মানুষের মুক্তির প্রশ্নটি আরও গভীর। অসুস্থতা শরীরের পাশাপাশি মানুষের আয়, সম্পর্ক, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করে। বিশেষত ক্যানসারের মতো রোগের আশঙ্কা পরিবারকে ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিতে পারে। আমাদের গ্রাম ক্যানসার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের মানবিক তাৎপর্য এখানেই। মানুষের কাছাকাছি সেবা, রোগের ইতিহাস মনোযোগ দিয়ে শোনা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা বোঝানো, চিকিৎসার পথ দেখানো এবং পরবর্তী পদক্ষেপে সহায়তা করা—এসবের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে। রোগী তখন একটি রোগের পরিচয় ছাড়িয়ে পূর্ণ মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পান।</p><p>চিকিৎসার উদ্দেশ্য জীবন দীর্ঘ করার চেষ্টার সঙ্গে জীবনের অভিজ্ঞতাকে সহনীয় ও মর্যাদাপূর্ণ করে তোলাও। সব রোগ নিরাময় করা সম্ভব না হলেও মানুষের কথা শোনা, সত্য ব্যাখ্যা করা, ব্যথা কমানো এবং সিদ্ধান্তে তাঁকে অংশ নিতে দেওয়া সম্ভব। স্বাস্থ্যসেবার কারণে যেন অপ্রয়োজনীয় ভয় বা অপমান সৃষ্টি না হয়, সে দায়িত্বও প্রতিষ্ঠানের। একজন মানুষ যখন বুঝতে পারেন তাঁর কী হয়েছে, কী করা প্রয়োজন এবং কোথায় সহায়তা পাবেন, তখন অসহায়ত্ব কিছুটা কমে। এই বোঝাপড়া ও আস্থাও মুক্তির অভিজ্ঞতার অংশ।</p><p>শিক্ষা, দক্ষতা ও জীবিকার সুযোগ একই আদর্শের অন্য প্রকাশ। গ্রামের তরুণদের সামনে যদি বাস্তবসম্মত প্রশিক্ষণ ও কাজের পথ তৈরি হয়, তাঁরা নিজের পরিবার ও সমাজের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন। নারীরা জ্ঞান, আয় ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ পেলে পরিবারের ভেতরে এবং সমাজে তাঁদের অবস্থান শক্তিশালী হয়। পাঠাগার, সামাজিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যসচেতনতা ও স্থানীয় উদ্যোগ মানুষের চিন্তার পরিসর প্রসারিত করে। উন্নয়ন তখন কিছু সেবা গ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; মানুষ নিজের প্রয়োজন প্রকাশ করতে, সংগঠিত হতে এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণে অংশ নিতে শেখেন।</p><blockquote>স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে মানুষের মুক্তির প্রশ্নটি আরও গভীর। অসুস্থতা শরীরের পাশাপাশি মানুষের আয়, সম্পর্ক, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করে। বিশেষত ক্যানসারের মতো রোগের আশঙ্কা পরিবারকে ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিতে পারে। আমাদের গ্রাম ক্যানসার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের মানবিক তাৎপর্য এখানেই।</blockquote><p>এ কারণে আমাদের গ্রামের মতো উদ্যোগে স্থানীয় মানুষকে অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করা অপরিহার্য। তাঁদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা বোঝার ক্ষমতা ও প্রস্তাব পরিকল্পনার ভিতকে শক্ত করে। বাইরে থেকে আসা বিশেষজ্ঞের জ্ঞানের সঙ্গে স্থানীয় জীবনের জ্ঞানের সংযোগ ঘটলে সমাধান অধিক কার্যকর হয়। কোনো সেবা কেন ব্যবহৃত হচ্ছে না, মানুষ কোথায় সংকোচ বোধ করছেন কিংবা কোন সময়ে সেবা পেলে সুবিধা হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর মানুষের কাছেই থাকে। তাঁদের কথা শোনার নিয়মিত ব্যবস্থা উন্নয়নকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত রাখে।</p><p>একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের নিজের ভেতরেও মুক্তির আদর্শের প্রতিফলন প্রয়োজন। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, পারস্পরিক সম্মান এবং দায়িত্বশীল আচরণ ছাড়া মানবিক ভিশন টেকসই হয় না। কর্মীদের মর্যাদা রক্ষা, সম্পদের সঠিক ব্যবহার, সবার জন্য ন্যায্য নিয়ম এবং ভুল থেকে শেখার পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। যে প্রতিষ্ঠান মানুষের কথা শোনার অঙ্গীকার করে, তার ব্যবস্থাপনাতেও শোনার সংস্কৃতি থাকতে হয়। আদর্শের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয় প্রতিদিনের আচরণে; একটি অভ্যর্থনা, একটি ব্যাখ্যা কিংবা একটি অভিযোগের প্রতি সৎ মনোযোগেও তার পরীক্ষা হয়।</p><p>মানুষের মুক্তির চিরন্তন আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে আমাদের গ্রাম প্রকল্পের স্বপ্নের মিল এখানেই—মানুষ যেন বঞ্চনার মধ্যে নিজের ভাগ্যকে অনিবার্য বলে মেনে নিতে বাধ্য না হন। তিনি যেন জানেন, শেখার পথ আছে, সেবা পাওয়ার অধিকার আছে, নিজের কথা বলার জায়গা আছে এবং সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। এই স্বপ্ন পূরণের কোনো চূড়ান্ত দিন নেই; প্রতিটি প্রজন্মকে তাকে নতুন বাস্তবতায় এগিয়ে নিতে হয়। আমাদের গ্রাম সেই যাত্রায় একটি দায়িত্বশীল প্রয়াস, যেখানে উন্নয়নের প্রতিটি পদক্ষেপ বিচার করা হয় মানুষের ভয় কতটা কমল, সক্ষমতা কতটা বাড়ল এবং জীবন কতটা মর্যাদাপূর্ণ হলো, সেই প্রশ্নে।</p><p>লেখক: প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, আমাদের গ্রাম ক্যানসার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার, রামপাল, বাগেরহাট</p>

নভেম্বর ১, ২০২৬
বৃষ্টিস্নাত বিকেলে বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকুমার রায়
বৃষ্টিস্নাত বিকেলে বন্ধুসভার পাঠচক্রে সুকুমার রায়

বিশ্বসাহিত্যের আনন্দময় ও ব্যতিক্রমী সৃষ্টির জগতে যাঁর অবস্থান স্বতন্ত্র, সেই ছড়াসাহিত্যিক ও শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায়ের জন্মদিন উপলক্ষে এবারের পাঠচক্রে বিশেষ আয়োজন করা হয়। বন্ধুরা তাঁর লেখা বিভিন্ন কবিতা পাঠ করেন।

নভেম্বর ১, ২০২৬
বাইন্যান্স থেকে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি ক্রিপ্টো চুরির পেছনে দায়ী উত্তর কোরিয়া: এফবিআই
বাইন্যান্স থেকে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি ক্রিপ্টো চুরির পেছনে দায়ী উত্তর কোরিয়া: এফবিআই

বাইন্যান্স থেকে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি ক্রিপ্টো সম্পদ চুরির ঘটনায় উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। চুরি হওয়া সম্পদের ৯০ শতাংশ পুনরুদ্ধারে ৬৩৪ কোটি ডলারের বেশি ব্যয়ে টোকেন কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাইন্যান্স।

নভেম্বর ১, ২০২৬
ক্রিপ্টোকারেন্সির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হ্যাকিং: চুরি হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের দাবি বাইন্যান্সের
ক্রিপ্টোকারেন্সির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হ্যাকিং: চুরি হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের দাবি বাইন্যান্সের

এ যাবতকালে ক্রিপ্টোকারেন্সির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হ্যাকিংয়ের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে এটিকে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের শতভাগ অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে বাইন্যান্স। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব তহবিল থেকে ৬৩৪ কোটি ডলারের বেশি অর্থ বরাদ্দ রাখার কথা জানিয়েছে।

নভেম্বর ১, ২০২৬
পত্রিকা: 'হঠাৎ শ্রমিক বিক্ষোভ নেপথ্যে কী?'
পত্রিকা: 'হঠাৎ শ্রমিক বিক্ষোভ নেপথ্যে কী?'

আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার খবরে গুরুত্ব পেয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয় ও এর কার্যকারণ, এছাড়া পত্রিকাগুলোর প্রথম পাতায় স্থান করে নিয়েছে সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যু নিয়ে নানা ধরনের খবর ও রাজনীতির খবর।

নভেম্বর ১, ২০২৬
মুঘল সাম্রাজ্যের 'শ্রেষ্ঠ' নারী বণিক মরিয়ম-উজ-জামানি, যার ক্ষতি করার মূল্য দিতে হয়েছিল পর্তুগিজ ও ব্রিটিশদের
মুঘল সাম্রাজ্যের 'শ্রেষ্ঠ' নারী বণিক মরিয়ম-উজ-জামানি, যার ক্ষতি করার মূল্য দিতে হয়েছিল পর্তুগিজ ও ব্রিটিশদের

১৬১৩ সালে লোহিত সাগরে পর্তুগিজ বণিকরা সব থেকে বড় ভারতীয় জাহাজ 'রহিমি'র পথ অবরোধ করে এবং আটক করে নিয়ে যায়। এই জাহাজের মালিক ছিলেন মরিয়ম-উজ-জামানি নামে এক নারী।

নভেম্বর ১, ২০২৬
এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল কী কারণে?
এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল কী কারণে?

বাংলাদেশে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেছে, এবারের পরীক্ষায় পাস করেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীই এবার ফেল করেছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
তাহসিফ সাউরির বিষয়ে দীপের কাছ থেকে যেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা
তাহসিফ সাউরির বিষয়ে দীপের কাছ থেকে যেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা

বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির বাবা এনায়েত করিম শুক্রবার রাতে যে মামলা করেছেন, সেই মামলায় দীপকে গ্রেফতার দেখানোর কথা জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
'আমি এক ভূতের সঙ্গে থাকি'- সস্তায় বাসস্থান পাওয়ার আশায় যেখানে 'ভুতুড়ে বাড়ি' কিনছে মানুষ
'আমি এক ভূতের সঙ্গে থাকি'- সস্তায় বাসস্থান পাওয়ার আশায় যেখানে 'ভুতুড়ে বাড়ি' কিনছে মানুষ

যেসব সম্পত্তিতে মর্মান্তিক পরিস্থিতিতে কারো মৃত্যু হয়েছে, সেগুলোর দামে বড় ধরনের ছাড় পাওয়া যেতে পারে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ, তবু জ্বর-শরীর ব্যথা: নতুন কোনো ভাইরাস ছড়াচ্ছে কি?
ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ, তবু জ্বর-শরীর ব্যথা: নতুন কোনো ভাইরাস ছড়াচ্ছে কি?

চিকিৎসকরা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরেই বিভিন্ন ধরনের ভাইরাসজনিত জ্বরের রোগী পাওয়া যাচ্ছে। তবে কোন ভাইরাসের কারণে এসব জ্বর হচ্ছে, তা সব ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কেন উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা বাইন্যান্সের হ্যাকিংয়ের ঘটনায় সন্দেহের তালিকায়
কেন উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা বাইন্যান্সের হ্যাকিংয়ের ঘটনায় সন্দেহের তালিকায়

অভিযোগগুলো যদি সত্যি হয়, তবে এই রেকর্ড সৃষ্টিকারী চুরির ঘটনাটি দেখিয়ে দিচ্ছে যে সন্দেহভাজন উত্তর কোরীয় হ্যাকাররা কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সরকারকে নিজেদের প্রয়োজনীয় অর্থায়নের জন্য সাইবার অপরাধের ওপর নির্ভর করার অভিযোগ করেছেন, যা পিয়ংইয়ং দীর্ঘদিন ধরে অস্বীকার করে আসছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
সাত শিক্ষক মিলেও পাস করাতে পারেননি তিন শিক্ষার্থীকে
সাত শিক্ষক মিলেও পাস করাতে পারেননি তিন শিক্ষার্থীকে

এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মমতাজ উদ্দিন আলোকিত কলেজে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। মজার বিষয় হলো, কলেজটিতে শিক্ষকের সংখ্যা নিয়েও রয়েছে বিভ্রান্তি। এক শিক্ষক বলছেন পাঁচজন, আরেকজনের দাবি সাতজন। অর্থাৎ সাতজন শিক্ষক থাকলেও তিন শিক্ষার্থীর কাউকেই পাস করানো সম্ভব হয়নি।

নভেম্বর ১, ২০২৬
ঐশ্বরিয়ার জানা-অজানা ছয় অধ্যায়
ঐশ্বরিয়ার জানা-অজানা ছয় অধ্যায়

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারীদের একজন হিসেবে মনে করা হয় তাকে।

নভেম্বর ১, ২০২৬
নেতানিয়াহুকে হটাতে ‘ইহুদি-আরব’ জোটের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ
নেতানিয়াহুকে হটাতে ‘ইহুদি-আরব’ জোটের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে হটাতে দেশটির বিরোধীদলগুলোকে আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করার আহ্বান জানিয়েছে তেল আবিবে হাজার হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ করেছেন। 

নভেম্বর ১, ২০২৬
পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন
পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন

পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে ৬ সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার।

নভেম্বর ১, ২০২৬
গাজীপুরে পুলিশ বক্সে আগুন দিলেন পোশাকশ্রমিকরা
গাজীপুরে পুলিশ বক্সে আগুন দিলেন পোশাকশ্রমিকরা

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকরা।

নভেম্বর ১, ২০২৬
এআইয়ের ওপর নির্ভরতা মস্তিষ্ক পচিয়ে দিচ্ছে: বাঁচার উপায় কী?
এআইয়ের ওপর নির্ভরতা মস্তিষ্ক পচিয়ে দিচ্ছে: বাঁচার উপায় কী?

প্রযুক্তির এই হুড়োহুড়ির যুগে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা সম্প্রতি ‘মিউজ’ নামক নতুন একটি এআই পার্সোনাল এজেন্ট চালু করেছে। সাধারণ চ্যাটবটগুলোর মতো না, এই ছোট্ট এআই টুলটা নিজে থেকেই আপনার ফরম ফিলাপ করে দিতে পারবে, ক্যালেন্ডার গুছিয়ে রাখতে পারবে, বিল মিটিয়ে দিতে পারবে আর নানা জায়গায় বুকিংও করে দিতে পারবে।

নভেম্বর ১, ২০২৬
খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা
খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

খুলনায় দুর্বৃত্তের অস্ত্রের আঘাতে শহীদুল ইসলাম কলিন (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে লবণচরা থানাধীন কাশেমিয়া জামে মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নভেম্বর ১, ২০২৬
ঢাকার বায়ুর মান আজ কেমন?
ঢাকার বায়ুর মান আজ কেমন?

রাজধানী ঢাকার বায়ুর মান আজ অস্বাস্থ্যকর।

নভেম্বর ১, ২০২৬