কোথায় আছেন কেমন আছেন সমু চৌধুরী?
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার কঠিন সমীকরণের ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।
অস্ট্রিয়ার আল্পস পর্বতমালার সবুজ পাদদেশে অবস্থিত, ইউরোপের সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ পেনিসিলিন উৎপাদন কেন্দ্রটি চীনের ক্রমবর্ধমান শিল্পশক্তির ছায়ায় এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি।
পুরো অভিজ্ঞতাটিকে বোঝাতে গিয়ে অরুন্ধতী রায় যে উপমা ব্যবহার করেছেন, তা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তার ভাষায়, মনে হয়েছে যেন তার অজান্তেই শরীর থেকে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে নেওয়া হয়েছে। কারণ, যে যন্ত্রটি তার লেখা...
এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতাকে এমন অবস্থায় দেখে ব্যথিত, রীতিমতো উদ্বিগ্ন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।
কুমিল্লায় কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনসহ চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন ট্রেনের তিন শতাধিক যাত্রী। দুর্ঘটনার আট ঘণ্টা পরও উদ্ধার করা যায়নি...
রাজধানীর মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুসরণ করা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা তানভীর জমাদ্দার....
রাজধানীর মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় মো. রায়হান (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন...
সভায় জানানো হয়, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে পৃথক ব্যবস্থায় ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত অনলাইন পোর্টালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে আবেদন ও নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা ঘরে বসেই ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারবেন। লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রচলিত ট্রেড লাইসেন্সকে ‘বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট’ বা সমজাতীয় নামে রূপান্তরের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
<p>ছোটবেলা থেকেই দুর্গাপূজা আমার কাছে ছিল আনন্দ, উচ্ছ্বাস, বিস্ময় আর গভীর আবেগের এক অনন্য উৎসব। সিরাজগঞ্জ শহরের পরিচিত পথঘাট, পূজামণ্ডপের বর্ণিল আলোকসজ্জা, নতুন জামাকাপড় কেনার আনন্দ, ঢাকের শব্দ, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো এবং পূজার মেলাকে ঘিরে তৈরি হওয়া উৎসবমুখর পরিবেশ—সব মিলিয়ে দুর্গাপূজার দিনগুলো ছিল বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সময়।</p><p>সারা বছর যেন অপেক্ষা করে থাকতাম সেই কয়েকটি দিনের জন্য। কখন পূজা আসবে, কখন নতুন পোশাক পরব, কখন বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ দেখতে বের হব—এসব ভাবনাই শৈশবের দিনগুলোকে অন্য রকম আনন্দে ভরিয়ে রাখত।</p><p>আজ এত বছর পর ফিরে তাকালে বুঝতে পারি, সেই আনন্দের মূল্য কতখানি ছিল। তখন হয়তো হাতে ছিল না অনেক কিছু, কিন্তু মন ভরে ছিল অফুরন্ত কৌতূহল আর স্বপ্নে। সামান্য একটি নতুন জামা, পূজামণ্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিমা দেখা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মেলায় ঘুরে বেড়ানোই ছিল বিরাট প্রাপ্তি। জীবনের সেই সহজ আনন্দগুলোই আজ স্মৃতির পাতায় অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়েছে।</p><blockquote>নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com</blockquote><p><strong>প্রতিমা তৈরির বিস্ময়: চোখের সামনে মায়ের আবির্ভাব—</strong></p><p>আজও চোখ বন্ধ করলে স্পষ্ট মনে পড়ে, স্কুল ছুটির পর কীভাবে ছুটে যেতাম মা দুর্গার প্রতিমা তৈরির কাজ দেখতে। প্রতিমা তৈরির প্রতিটি ধাপ আমার কাছে ছিল এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা। প্রথমে বাঁশ দিয়ে কাঠামো তৈরি, তারপর খড় দিয়ে অবয়ব গঠন, মাটির প্রলেপ, ধীরে ধীরে মুখমণ্ডল ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ফুটিয়ে তোলা—সবকিছুই যেন চোখের সামনে এক নতুন জগতের দরজা খুলে দিত।</p><p>এরপর আসত প্রতিমার সূক্ষ্ম কাজ। মুখের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তোলা, চোখ আঁকা, রং করা, অলংকার পরানো এবং সাজসজ্জার মাধ্যমে দেবীমূর্তিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া—প্রতিটি পর্যায়ে প্রতিমার সৌন্দর্য আরও বেড়ে উঠত।</p><p>প্রতিদিন একটু একটু করে বদলে যেত প্রতিমার রূপ। প্রথম দিকে যে কাঠামোকে সাধারণ কিছু মনে হতো, কয়েক দিনের মধ্যেই তা হয়ে উঠত এক অপূর্ব দেবীমূর্তি। মনে হতো, আমাদের চোখের সামনেই যেন মা দুর্গা ধীরে ধীরে আবির্ভূত হচ্ছেন।</p><p>তখন বুঝতাম না এই শিল্পের পেছনে কতটা দক্ষতা, শ্রম, ধৈর্য ও সৃজনশীলতা কাজ করে। বুঝতাম না, প্রতিমা নির্মাণ শুধু একটি শিল্পকর্ম নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ধর্মীয় বিশ্বাস, লোকজ ঐতিহ্য, শিল্পীর জীবনসংগ্রাম এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার।</p><p>শুধু মুগ্ধ হয়ে দেখতাম। প্রতিমা তৈরির সেই দৃশ্যগুলো আমার শৈশবের কৌতূহলকে আরও বাড়িয়ে দিত। আজও মনে হয়, উৎসবের আনন্দ শুরু হয়ে যেত পূজার কয়েক দিন আগেই—যখন মৃৎশিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় মাটির শরীরে ধীরে ধীরে প্রাণের অনুভব ফুটে উঠত।</p><p><strong>১০ বন্ধুর দল, সিরাজগঞ্জের পূজামণ্ডপ এবং আলোকসজ্জার প্রতিযোগিতা—</strong></p><p>একবার আমরা ১০ বন্ধু মিলে দল বেঁধে বেরিয়ে পড়েছিলাম সিরাজগঞ্জ শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখার জন্য। সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়লে আজও মনের মধ্যে একধরনের আনন্দের ঢেউ জেগে ওঠে। তখন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা ছিল আমাদের কাছে এক বিশেষ অভিযান। কোন মণ্ডপের প্রতিমা বেশি সুন্দর, কোথায় সাজসজ্জা বেশি আকর্ষণীয়, কোন জায়গায় আলোর খেলা সবচেয়ে চমৎকার—এসব নিয়ে চলত আমাদের আলোচনা ও মতামত। এক মণ্ডপ থেকে আরেক মণ্ডপে যাওয়ার সময় ক্লান্তির কথা মনে থাকত না; বরং নতুন কিছু দেখার আগ্রহ আমাদের আরও এগিয়ে নিয়ে যেত।</p><p>সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে সিরাজগঞ্জ শহর যেন নতুন রূপ ধারণ করত। রঙিন বাতির আলোয় মণ্ডপগুলো ঝলমল করত, মানুষের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠত চারপাশ। কোথাও ঢাকের বাদ্য, কোথাও ভক্তদের ভিড়, কোথাও প্রতিমাদর্শনের দীর্ঘ সারি—সব মিলিয়ে শহরের পরিবেশে তৈরি হতো এক অনন্য উৎসবের আবহ।</p><p>আজকের মতো হাতে হাতে স্মার্টফোন, মুহূর্তে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ তখন ছিল না। কিন্তু আমাদের আনন্দের গভীরতা হয়তো কোনো অংশেই কম ছিল না। চোখ দিয়ে দেখতাম, মন দিয়ে অনুভব করতাম, আর বন্ধুদের সঙ্গে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতাম।</p><p>সেই ১০ বন্ধুর সঙ্গে কাটানো সময়গুলো আজ মনে করিয়ে দেয়, শৈশবের আনন্দের জন্য খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন হয় কিছু আপন মানুষ, একটু অবসর, অজানাকে দেখার আগ্রহ এবং একসঙ্গে হাসতে পারার স্বাধীনতা।</p><p><strong>যমুনা ঘাটের বিসর্জনের মেলা: আনন্দ, কোলাহল ও শৈশবের বিস্ময়—</strong></p><p>সিরাজগঞ্জের দুর্গাপূজার স্মৃতিতে যমুনার ঘাটের বিসর্জনের মেলার কথা আলাদা করে বলতেই হয়। বিসর্জনের দিন ঘাটকে ঘিরে বসত বিশাল মেলা। বিশেষ করে আসবাবপত্রের বড় বাজারের জন্য মেলাটির আলাদা পরিচিতি ছিল।</p><p>নানা ধরনের আসবাব, কাঠের তৈরি জিনিস, দোকানপাট, কেনাবেচা, মানুষের ভিড় এবং নদীর পাড়ের উৎসবমুখর পরিবেশ—সব মিলিয়ে পুরো এলাকা হয়ে উঠত প্রাণচঞ্চল। শিশু-কিশোরদের কাছে মেলা মানেই ছিল বিস্ময় আর আনন্দের এক বিশাল জগৎ।</p><p>মেলায় প্রবেশ করলেই মনে হতো, কত কিছুই না দেখার বাকি! একদিকে দোকানের সারি, অন্যদিকে মানুষের ব্যস্ততা; কোথাও কেনাবেচা, কোথাও পরিচিতজনদের সঙ্গে দেখা, কোথাও শিশুদের উচ্ছ্বাস। প্রতিটি দৃশ্যই আমাদের কাছে ছিল নতুন অভিজ্ঞতা।</p><p>আমাদের কাছে মেলার আনন্দ কেবল কিছু কেনাকাটার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, পছন্দের জিনিস দেখা, নানা ধরনের দোকান পর্যবেক্ষণ করা এবং মানুষের ভিড়ের মধ্যে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করাই ছিল বড় আনন্দ।</p><p>যমুনার পাড়ে দাঁড়িয়ে নদীর বিস্তৃত জলরাশি দেখা, ঘাটে মানুষের আনাগোনা এবং বিসর্জনকে ঘিরে তৈরি হওয়া আবেগময় পরিবেশ—এসব দৃশ্য মেলাকে আরও বিশেষ করে তুলত।</p><p>আজকের দিনে ফিরে তাকালে মনে হয়, সেই মেলার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল শুধু কেনাবেচা নয়, স্থানীয় অর্থনীতি, সামাজিক যোগাযোগ, পারিবারিক আনন্দ এবং একটি জনপদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়। মেলা ছিল মানুষের মিলনস্থল, যেখানে নানা বয়সের মানুষ একসঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতেন।</p><p>সময়ের সঙ্গে মেলার ধরন বদলেছে, মানুষের জীবনযাত্রা বদলেছে, বদলেছে উৎসবকে উপভোগ করার পদ্ধতিও। কিন্তু যমুনা ঘাটের সেই মেলার স্মৃতি আমার কাছে এখনো শৈশবের এক অমূল্য অধ্যায়।</p><p><strong>বিসর্জন: আনন্দের শেষে বিষণ্ন বিদায়—</strong></p><p>দুর্গাপূজার দিনগুলো যতই আনন্দময় হোক, বিসর্জনের মুহূর্তে এসে মন ভারী হয়ে উঠত। কয়েক দিনের উৎসব, বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি, আলোকসজ্জা, প্রতিমা দর্শন এবং মেলার আনন্দের পর যখন দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর সময় আসত, তখন মনে হতো আনন্দের একটি বিশেষ অধ্যায় বুঝি শেষ হয়ে গেল।</p><p>ঢাকের শব্দ, মানুষের সমাগম, শোভাযাত্রার ব্যস্ততা এবং নদীর ঘাটে বিসর্জনের দৃশ্য—সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হতো এক আবেগঘন পরিবেশ। দেবীকে বিদায় জানানোর মধ্যে যেমন ছিল ধর্মীয় অনুভূতি, তেমনি ছিল আবার এক বছর অপেক্ষা করার বিষণ্নতা।</p><p>শিশুমনে সেই অনুভূতি হয়তো স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে পারতাম না। কিন্তু পূজা শেষ হয়ে যাওয়ার পর যে শূন্যতা তৈরি হতো, তা অনুভব করতাম গভীরভাবে।</p><p>মনে হতো, এত দিনের অপেক্ষা, এত আনন্দ, এত আয়োজন—সব যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। আবার সেই পরিচিত দিনগুলো ফিরে পেতে অপেক্ষা করতে হবে দীর্ঘ একটি বছর।</p><p>আজ বুঝি, বিসর্জনের এই বিষণ্নতাও উৎসবের সৌন্দর্যের অংশ। যে আনন্দ আমাদের হৃদয়কে পূর্ণ করে, তার সমাপ্তি স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা শূন্যতা তৈরি করে। আর সেই শূন্যতার মধ্য দিয়েই হয়তো আমরা আনন্দের প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করি।</p><p><strong>সময় বদলেছে, বদলেছে উৎসবের রূপ—</strong></p><p>সময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই বদলে গেছে। শৈশব পেরিয়ে কৈশোর এসেছে, কৈশোর পেরিয়ে যৌবন। জীবনের ব্যস্ততা বেড়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ধরন বদলেছে। যে শহরের পথ ধরে একসময় বন্ধুদের সঙ্গে নির্ভারভাবে ঘুরে বেড়াতাম, সেই শহরও সময়ের প্রবাহে নতুন রূপ ধারণ করেছে।</p><p>একসময় পূজামণ্ডপের আলোকসজ্জা দেখতে বের হওয়া, মেলার দোকান ঘুরে দেখা কিংবা প্রতিমা তৈরির কাজ পর্যবেক্ষণ করাই ছিল আনন্দের বড় উৎস। এখন প্রযুক্তি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং আধুনিক আয়োজন উৎসবকে উপভোগ করার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।</p><p>কিন্তু আধুনিকতার সঙ্গে সঙ্গে কিছু পুরোনো অভিজ্ঞতা হয়তো আগের মতো আর অনুভব করা যায় না। সেই নির্ভার সময়, বন্ধুত্বের সরলতা, সামান্য আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠা কিংবা কোনো বিশেষ ঘটনার জন্য সারা বছর অপেক্ষা করার অনুভূতি—এসবের স্বাদ ছিল আলাদা।</p><p>তবুও পরিবর্তনকে অস্বীকার করার উপায় নেই। প্রতিটি প্রজন্ম নিজস্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে বড় হয়, নিজেদের মতো করে উৎসবকে আবিষ্কার করে। নতুন প্রজন্মের কাছে দুর্গাপূজার স্মৃতি তৈরি হবে নতুন পরিবেশে, নতুন আনন্দে, নতুন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে।</p><p>আমাদের দায়িত্ব হলো অতীতকে আঁকড়ে ধরে বর্তমানকে অস্বীকার করা নয়; বরং স্মৃতি ও ঐতিহ্যের মূল্য বুঝে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে সেগুলোকে সুন্দরভাবে তুলে ধরা।</p><p><strong>শুভ বিজয়া: ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও নতুন আশার বার্তা—</strong></p><p>বিজয়া দশমী দুর্গোৎসবের সমাপ্তির বার্তা নিয়ে এলেও এর মধ্যে রয়েছে নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। দেবী দুর্গার বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা ফিরে যাই দৈনন্দিন জীবনে, কিন্তু উৎসবের আনন্দ, মানুষের সঙ্গে মিলন এবং পারস্পরিক ভালোবাসার অনুভূতি আমাদের হৃদয়ে থেকে যায়।</p><p>শুভ বিজয়া আমাদের মনে করিয়ে দেয়, উৎসবের প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল আয়োজনের জাঁকজমকে নয়; এর সৌন্দর্য মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, আন্তরিকতা, শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির মধ্যে।</p><p>শৈশবের সেই দুর্গাপূজা আমাকে শিখিয়েছে, আনন্দ ভাগ করে নিলে তা আরও গভীর হয়। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, পরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া এবং একসঙ্গে উৎসব উপভোগ করার মধ্যেই জীবনের অনেক সুন্দর মুহূর্ত লুকিয়ে থাকে।</p><p>আজ তাই শুভ বিজয়ার এই সময়ে অতীতের স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই। কামনা করি, সবার জীবন ভরে উঠুক সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধিতে। পরিবারে পরিবারে বিরাজ করুক ভালোবাসা, সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক সম্প্রীতি, আর নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠুক মানবিকতা, নৈতিকতা ও উদারতার মূল্যবোধ নিয়ে।</p><p>জীবন বদলাবে, সময় এগিয়ে যাবে, শহরের রূপ বদলাবে, অনেক ঐতিহ্য হয়তো একদিন স্মৃতির অংশ হয়ে থাকবে। কিন্তু শৈশবের সেই আনন্দ, সেই আবেগ এবং সেই ভালোবাসা হৃদয়ের গভীরে চিরকাল বেঁচে থাকবে।</p><p>কারণ, দুর্গাপূজা শুধু একটি উৎসব নয়—দুর্গাপূজা এক অনুভূতি, এক নস্টালজিয়া, এক অমলিন ভালোবাসার নাম।</p><p>পূজা মানে স্মৃতির জানালা খুলে ফেলে আসা দিনগুলোকে ফিরে দেখা।</p><p>পূজা মানে পরিবার, বন্ধুত্ব, আনন্দ, মিলন আর একসঙ্গে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত।</p><p>পূজা মানে সিরাজগঞ্জের সেই চেনা পথঘাট, যমুনা ঘাটের মেলা, আলোকসজ্জায় ঝলমল করা পূজামণ্ডপ আর হারিয়ে যাওয়া শৈশবের কাছে ক্ষণিকের জন্য ফিরে যাওয়া।</p><p>সেই সোনালি দিনগুলোর স্মৃতির প্রতি ভালোবাসা জানিয়ে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভ বিজয়া ২০২৬।</p>
অস্ট্রেলিয়ার এক দিনে ১৩ উইকেট হারানোর ঘটনা বিরল। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে অ্যাশেজে সিডনি টেস্টের পর এই প্রথম এক দিনে ১৩ উইকেট হারাল তারা।
পাঁচ দফা দাবির মধ্যে আছে—প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করা, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা জোরদার, রোগীর স্বজনদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালু করা।
আজ বুধবার বিকেলে সুশীল দাসদের বাড়ির পাশেই একটি পুকুরে কিছু একটা ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন।
<p>দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর ২৫ অক্টোবর রিয়াদে ফ্লাইট চালাবে বিমান। এর আগে ২২ অক্টোবর থেকে চালু হচ্ছে দাম্মাম রুটের ফ্লাইটও। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্যের কাছে প্রতিবন্ধী ভাতার ১২টি সিম কার্ড পাওয়া গেছে। এ সময় তাঁকে মারধর করে সিমগুলো ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে জমা দেওয়া হয়।
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-21/ww1cphte/WhatsApp-Image-2026-10-21-at-10.02.51-PM.jpeg"><figcaption>চীনের বেইজিংয়ে গতকাল মঙ্গলববার অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ ডে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং ও সে দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলামসহ অন্যরা</figcaption></figure><p>চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান জানিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ব্যবসার সুযোগ তুলে ধরতে গতকাল মঙ্গলববার বেইজিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে নিজেদের সদর দপ্তরে এ আয়োজন করে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়না।</p><p>এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে চীনের ১১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না, অ্যাগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না ও ব্যাংক অব চায়না। ব্যাংক সম্পদের হিসাবে বিশ্বের বৃহত্তম চারটি ব্যাংকের তিনটি হলো এই ব্যাংকগুলো। এতে আরও অংশ নেয় বিভিন্ন খাতের ২৬টি চীনা কোম্পানি।</p><p>এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং ও চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘দ্য নেক্সট ফ্রন্টিয়ার—বাংলাদেশ–চায়না ফাইন্যান্সিয়াল কানেক্টিভিটি’ শীর্ষক মূল উপস্থাপনা দেয়। এতে বলা হয়, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৯ বিলিয়ন ডলার। তবে বাংলাদেশে এখনো কোনো চীনা ব্যাংক সরাসরি কার্যক্রম চালাচ্ছে না। চীনের সঙ্গে কাছাকাছি বা কম বাণিজ্য রয়েছে, এমন দেশ—কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারেও চীনা ব্যাংক কাজ করছে। এতে জানানো হয়, বাংলাদেশের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিনিয়োগ খাত, চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) এবং মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এসব সুযোগ কাজে লাগাতে চীনা কোম্পানি ও তাদের অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে যুক্ত হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।</p><p>অনুষ্ঠানে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন,‘বাংলাদেশ–চীন সহযোগিতার পরের ধাপ হলো আর্থিক সংযোগ স্থাপন। বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী চীনা কোম্পানিগুলোর প্রয়োজন সহজ ও কার্যকর বাণিজ্য অর্থায়ন, যন্ত্রপাতি কেনার অর্থায়ন, চলতি মূলধন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সহায়তা। দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণও এই প্রয়োজনের কথা বলে। বাংলাদেশে চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতি বাড়লে দুই পক্ষই উপকৃত হতে পারে।’</p><p>চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং বলেন,‘বর্তমানে বাংলাদেশে অবকাঠামো, জ্বালানি, কৃষি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদন শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে আমাদের প্রায় ৪০টি প্রকল্প রয়েছে। আমরা বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসেবার মতো অগ্রাধিকার খাতে আরও বেশি শীর্ষস্থানীয় চীনা কোম্পানিকে সরাসরি বিনিয়োগে উৎসাহিত করব, যাতে অর্থায়ন বাংলাদেশের উৎপাদন ও সেবামুখী অর্থনীতির বিকাশে ধারাবাহিকভাবে ভূমিকা রাখতে পারে।’</p>
<p>দেশে ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৭ হাজার ৯৬৩ শিশু। এর মধ্যে ৩১ শতাংশের বেশি শিশু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। আর রাস্তা পারাপারসহ চলার পথে প্রাণ গেছে ২ হাজার ৮১২ জনের। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে থ্রি-হুইলারের ধাক্কায়।</p><p>আজ বুধবার এক প্রতিবেদনে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন এ তথ্য জানিয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম ও নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত শিশুদের মধ্যে ২ হাজার ১৯৩ জন বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী, ২ হাজার ৮১২ জন পথচারী এবং ২ হাজার ৯৫৮ জন মোটরসাইকেলের চালক ও আরোহী ছিল।</p><p>পথচারী হিসেবে নিহত শিশুদের মধ্যে ১ হাজার ২৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে সিএনজিচালিত ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, নছিমন, ভটভটি ইত্যাদি থ্রি-হুইলারের ধাক্কায়, শতকরা হিসাবে যা ৪৫.১৯। এ ছাড়া বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপের মতো ভারী যানবাহনের চাপায় ও ধাক্কায় ১ হাজার ১২৬ শিশু এবং প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপের ধাক্কায় ৩১৭ শিশুর প্রাণ গেছে।</p><p>সড়কের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ৭১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে গ্রামীণ সড়কে। এ ছাড়া আঞ্চলিক সড়কে ২ হাজার ৮২, মহাসড়কে ১ হাজার ৯৭৪ এবং শহরের সড়কে ১ হাজার ১৯৪ শিশু নিহত হয়েছে।</p><p>সময় বিবেচনায় সবচেয়ে বেশি শিশু নিহত হয়েছে বিকেলে—২ হাজার ৬৩৪ জন। বয়সভিত্তিক হিসাবে নিহত শিশুদের ৩৬ শতাংশের বেশি ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী। আর ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৩ হাজার ৫৪৭ শিশু নিহত হয়েছে।</p><p>রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার সময় ২ হাজার ৫১৩ শিশু এবং বসতবাড়ির আশপাশের সড়কে খেলার সময় ৯৬২ শিশু নিহত হয়েছে।</p><p>সড়ক ও পরিবহনব্যবস্থা শিশুবান্ধব না হওয়া, চালকদের অদক্ষতা, অপ্রাপ্তবয়স্কদের গাড়ি চালানো এবং সড়ক ব্যবহারে সচেতনতার অভাবকে শিশুমৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।</p><p>শিশুদের জন্য নিরাপদ সড়কব্যবস্থা গড়ে তোলা, পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো, অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।</p><p>রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গ্রামীণ সড়কগুলো বসতবাড়িঘেঁষা এবং এই সড়কের যানবাহনগুলো নিয়মনীতি মেনে চলে না। সড়ক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও থাকে না। আবার শিশুরাও সড়ক ব্যবহারের নিয়ম জানে না। বিষয়টি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে যেমন কোনো উদ্বেগ নেই, তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।’</p>
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের চার নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ...
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আইসিটি দপ্তরের স্বীকৃত সহযোগী ও সমমনা পেশাজীবী সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের (এনআইসিটিএফ) পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে...
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের হিমছড়ির অনিরাপদ পয়েন্টে গোসলে নেমে সাগরের ঢেউয়ে ভেসে গিয়ে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহায়তায় একজনকে জীবিত ...
ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সম্মানে উইন্ডসর ক্যাসেলে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ওই বাণী পড়ে শোনান...
চুয়াডাঙ্গায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামী...
কুমিল্লার লাকসামে কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেন লাইনচ্যুতের ঘটনায় মো. গোলাম সারোয়ার নামে রেলওয়ের এক প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গাফিলতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়....
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মনিরুজ্জামান মিয়া বলেছেন, এবারের দুর্গাপূজায় সারাদেশে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে...
ইরানের হুমকি পুরোপুরি দূর করতে দেশটির সরকার উৎখাত করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু...
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, তারা এক হয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। এদিকে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাসিন্দারা বিমান হামলার হুমকি সম্পর্কে ফোনে সতর্কবার্তা পেয়েছেন।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানাচ্ছে, বিভিন্ন সময় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বিদেশি নাগরিকদের অনেকেরই মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে ফেরত দেয়নি সৌদি সরকার। কিছুক্ষেত্রে মরদেহ কোথায় দাফন করা হয়েছে, সেই তথ্যও স্বজনদের না জানানোর অভিযোগ পেয়েছে মানবাধিকার সংস্থাটি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার একটি জনসভায় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, তার কাছে পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে দুই পক্ষ এক হয়ে গেছে। তার এই বক্তব্য ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকার বিষয়টি নতুন করে সামনে আসছে।
পৃথক বিক্ষোভের ঘটনায় সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিজিৎ দীপকে আদালত থেকে মুক্তি পেলেও আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।
ইয়াসুও তাকামাৎসুর স্ত্রী ইউকো ২০১১ সালে একটি সুনামিতে ভেসে যান। তার দেহ আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। দুই বছর পর, তিনি ডাইভিং শেখেন এবং তখন থেকে স্মৃতি, ভালোবাসা ও সংযোগের নিদর্শন হিসেবে প্রতি মাসে দুই বার সাগরে নামেন।
স্যাটেলাইট চিত্র থেকে কিম কীভাবে ছুটি কাটান সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা বেশিরভাগ উত্তর কোরীয়দের নাগালের বাইরে। দেশটির মানুষেরা যেখানে খাবার জোটাতে হিমশিম খান, সেখানে দেশটির নেতা চারটি প্রমোদতরীতে ঘনঘন সময় কাটাচ্ছেন - এটা অনেকেই ভাবতে পারেন না।
এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে যে, একসময় বিশ্বজুড়ে একঘরে হয়ে থাকা মিয়ানমারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তার নীতি পরিবর্তন করছে।
এ দুটি ঘটনায় কী বোঝাতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি কী দলের ভেতরে ক্রমশ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়া নেতাদের সামলানোর চেষ্টা থেকে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন ? নাকি শুধু দল ও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা করেছেন তিনি? কিংবা 'বিতর্ক তৈরি করলেই' পদ হারাতে হবে- এই কঠিন বার্তাই দিতে চেয়েছেন দলের নেতাদের।
ঢাকের বাদ্য, কাঁসর-ঘণ্টার শব্দ আর ভক্তদের উচ্ছ্বাসে মুখর শাঁখারী বাজার, তাঁতীবাজার ও লক্ষ্মীবাজার। কারও হাতে ফুল, কারও চোখে জল।
‘এমন একটি দলের বিপক্ষে খেললে আপনি তাদের দেখিয়ে দিতে চাইবেন, আমরাই চ্যাম্পিয়ন। আমরা আরও জিততে চাই। আমরা দেখাতে চাই, আমরাও বিশ্বের অন্যতম সেরা দল, এমনকি এই মুহূর্তে হয়তো সেরা দল।’
দেশের শেয়ারবাজারে নানা সংস্কার কার্যক্রম চলমান। এর মধ্যে নতুন কোম্পানি সহজে বাজারে তালিকাভুক্ত করতে সরাসরি লিস্টিং বিধিমালা সংশোধন করা হয়েছে।
স্বল্প পুঁজি নিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বল হাতে লড়াই শুরু করে বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার কঠিন সমীকরণে টাইগারদের লক্ষ্য, আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখা।
জলবায়ু বিষয়ক লক্ষ্যমাত্রাগুলো বিপর্যয়কর মাত্রায় অতিক্রম করা থেকে বিরত থাকতে হলে, বিশ্বকে আগামী চার বছরের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কমাতে হবে এবং এক দশকের মধ্যে তা প্রায় অর্ধেক কমিয়ে আনতে হবে।
ঢাকঢোলের বাদ্য, উলুধ্বনি আর ভক্তদের উচ্ছ্বাসে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে জড়ো হন নানা বয়সী মানুষ। কারও হাতে প্রতিমা, কারও কণ্ঠে বিদায়ের সুর।
এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতাকে এমন অবস্থায় দেখে ব্যথিত, রীতিমতো উদ্বিগ্ন তার ভক্ত-অনুরাগীরা।
পুরো অভিজ্ঞতাটিকে বোঝাতে গিয়ে অরুন্ধতী রায় যে উপমা ব্যবহার করেছেন, তা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তার ভাষায়, মনে হয়েছে যেন তার অজান্তেই শরীর থেকে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে নেওয়া হয়েছে। কারণ, যে যন্ত্রটি তার লেখা দিয়ে প্রশিক্ষিত হয়েছে, সেটি তৈরির প্রক্রিয়ায় তার সৃজনশীল শ্রম ইতিমধ্যেই ব্যবহৃত হয়ে গেছে।