চলন্ত ইজিবাইক থেকে তরুণীর মোবাইল ছিনতাই
ইংল্যান্ডের প্রথম রাজা হিসেবে অ্যাথেলস্ট্যানের অভিষেকের ১১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু তারপরও তিনি ইতিহাসের বইগুলোতে আশ্চর্যজনকভাবে অনুপস্থিত। তবে তিনি নিজে অনেকটাই বিস্মৃত হলেও, তার সময়ে চালু হওয়া বহু আচার ও আনুষ্ঠানিকতা আজও পালিত হচ্ছে যুক্তরাজ্যে।
রাজধানীর মিরপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ...
নীলফামারীর সৈয়দপুরে চলন্ত ইজিবাইক থেকে এক তরুণীর মোবাইলফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে শহরের ইসলামবাগ শেরু হোটেল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে...
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা শহরের উপজেলা গেটের সামনে অবস্থিত নাঈম অটো মোবাইল ও বীজ ভান্ডারের গোডাউন থেকে এক হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে...
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৭৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ...
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামেয়া লুৎফিয়া আনোয়ারুল উলুম হামিদ নগর বরুণা মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা শাহ মনিরুজ্জামান জসিম তালুকদার নিখোঁজের একদিন পর মারা গেছেন...
ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামের ১৪৪টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ২২ হাজার ২১ জন যাত্রী...
মাঠের ফুটবলের সঙ্গে যেন সমানতালে চলছে মুঠোফোনের ফুটবলও। কখনো কখনো তো মনে হয়, খেলা দেখতে নয়, খেলা দেখছেন, সেটা অন্যদের দেখাতেই মাঠে এসেছেন কেউ কেউ!
<p>‘প্রায় ১৩ বছর ধইরা মেয়ের খোঁজ নাই। কত জায়গায়, কত মানুষের কাছে, কত আত্মীয়স্বজনের কাছে গেছি, কেউই কিছু বলতে পারে না। মেয়েটা হাঁটনের কথা বইলা বাড়ি থেকে সেই যে গেল, আর আইল না। মেয়ের জন্য কানতে কানতে চোখ ঝাপসা অইয়া গেছে।’</p><p>গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোর সঙ্গে নিখোঁজ মেয়ের কথা বলতে গিয়ে কান্না করছিলেন শান্তি বেগম (৭০)। তিনি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার পেয়ারীখোলা গ্রামের বাসিন্দা। স্বামী লাল মিয়া পাটোয়ারী (৮০)। এই দম্পতির ছোট মেয়ে হনুফা বেগম ২০১৩ সালের নভেম্বরে বাড়ি থেকে হাঁটতে বেরিয়ে আর ফেরেননি।</p><aside><cite>শান্তি বেগম, নিখোঁজ হনুফা বেগমের মা</cite>মেয়েডা বড় ভালা আছিল। সে কি বাঁইচা আছে, নাকি মাইরালাইছে, তা–ও জানি না। আমার মেয়েরে আমার কোলে আইনা দেও।</aside><p>নিখোঁজ হওয়ার সময় হনুফার বয়স ছিল ১৬। চার বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন।</p><p>হনুফার চাচাতো বোন জুবাইদা সুলতানা মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৩ সালের নভেম্বরের এক বিকেলে বাড়ির পাশে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন হনুফা। তারপর আর ফেরেননি। তাঁর সঙ্গে মুঠোফোন ছিল না। আত্মীয়স্বজনের কাছে খোঁজ করেও কোনো সন্ধান মেলেনি। জুবাইদা জানতেন, কোনো ছেলের সঙ্গে হনুফার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল না। নিখোঁজের ঘটনাটি সে সময় থানা–পুলিশকে জানানো হয়েছিল। মতলব দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছিল।</p><p>কয়েক বছর আগে স্ট্রোক করেন হনুফার বাবা। এখন প্রায় অচল হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন তিনি। শান্তি বেগম মেয়ের শোকে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কারও সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলেন না। কয়েক বছর আগে স্থানীয় এক জ্যোতিষী ও এক কবিরাজের কাছে গিয়েছিলেন শান্তি। তাঁরা বলেছেন, হনুফা আর বেঁচে নেই। এর পর থেকে মানসিক ও শারীরিকভাবে আরও ভেঙে পড়েছেন তিনি।</p><p>জুবাইদা বলেন, হনুফার সন্ধান চেয়ে একাধিকবার ফেসবুকে ও স্থানীয় গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। এখনো মেয়ের আশায় দিন কাটছে বৃদ্ধ মা–বাবার। তাঁদের আশা, একদিন হনুফা বাড়ি ফিরে আসবেন।</p><blockquote>কয়েক বছর আগে স্ট্রোক করেন হনুফার বাবা লাল মিয়া পাটোয়ারী। এখন প্রায় অচল হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন তিনি। শান্তি বেগম মেয়ের শোকে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কারও সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলেন না।</blockquote><p>হনুফার মা–বাবা মুঠোফোন ব্যবহার করেন না। মেয়ের কথা কারও সঙ্গে তেমন বলতেও চান না। গতকাল জুবাইদার মুঠোফোনে প্রথম আলোর সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলতে রাজি হন শান্তি বেগম। কান্না করতে করতে তিনি বলেন, ‘গণক–কবিরাজও ধরছি। তারা কইছে, আমার মেয়ে নাকি নাই, মইরা গেছে। এইডা হুইন্না আরও অসুস্থ অইয়া গেছি। খাইতে, ঘুমাইতে পারতাছি না। আমার সব শেষ।’ একটু থেমে তিনি বলেন, ‘মেয়েডা বড় ভালা আছিল। সে কি বাঁইচা আছে, নাকি মাইরালাইছে, তা–ও জানি না। আমার মেয়েরে আমার কোলে আইনা দেও।’</p><p>হনুফার পরিবারের জিডির বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন জানিয়ে মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, তিনি মেয়েটির সন্ধানের জন্য চেষ্টা করবেন।</p>
যেসব গ্রাহকের অন্য ব্যাংকে উচ্চ সুদে ব্যক্তিগত ও আবাসন ঋণ রয়েছে, তাঁরা কোনো খরচ ছাড়াই ৯ শতাংশ সুদে ব্র্যাক ব্যাংকে ঋণ স্থানান্তরের সুযোগ পাবেন। এর ফলে তাঁদের প্রতি মাসের কিস্তি খরচ অনেকাংশে কমে যাবে।
স্মৃতি হাতড়ে তিনি পিকাসোর প্যারিসে কাটানো সময় নিয়ে বলা শুরু করলেন। কথায় কথায় পিকাসো, মায়াকোভস্কি, লুই আঁরাগ, পল এলুয়ার, আমেদো মোদিলিয়ানিসহ অনেকের প্রসঙ্গ এসে যায়।
পুকুরপাড়ে যত্রতত্র পোলট্রি খামার স্থাপন ও প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
<p>বাতু কেভের অভিজ্ঞতা তখনো মাথায় ঘুরছে। এর মধ্যে রওনা দিলাম থিয়ান হো মন্দিরের দিকে। মন্দিরে পৌঁছে প্রথমেই চোখে পড়ল লাল রঙের বহুতল ছাদ। কার্নিশে ড্রাগনের মূর্তি। খুঁটি ও দেয়ালে অভিনব কারুকাজ।</p><p>মন্দিরের ভেতর আলো-ছায়ার খেলা। কোথাও প্রার্থনারত মানুষ। কোথাও ছবি তুলছেন দর্শনার্থীরা। বাতু কেভের পাহাড়ি গুহা থেকে এখানে এসে মনে হলো, মালয়েশিয়ার ধর্মীয় পরিসরের সম্পূর্ণ আলাদা ঐতিহ্যের মধ্যে ঢুকে পড়েছি।</p><p>থিয়ান হো মন্দিরের প্রধান আরাধ্যা দেবী মাৎসু, চীনা সমুদ্রযাত্রীদের রক্ষাকর্ত্রী। সমুদ্রের সঙ্গে যাঁদের জীবিকা ও যাতায়াতের সম্পর্ক, মাৎসু তাঁদের উপাস্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/ankev2dc/%E0%A7%A8.-%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%8B-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8C%E0%A6%81%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%9A%E0%A7%8B%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%B2-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%99%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%B2-%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A6-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%A1%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%93-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C.jpeg"><figcaption>থিয়ান হো মন্দিরে পৌঁছে প্রথমেই চোখে পড়ল লাল রঙের বহুতল ছাদ। কার্নিশে ড্রাগনের মূর্তি। খুঁটি ও দেয়ালে অভিনব কারুকাজ</figcaption></figure><p>চীনের দক্ষিণ উপকূল ও হাইনান দ্বীপ থেকে আসা মানুষেরা অভিবাসনকালে তাঁদের ধর্মবিশ্বাসের এ ধারাও সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। বর্তমান মন্দিরটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৮১ সালে। প্রায় আট বছর পর আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারণের জন্য এটি খুলে দেওয়া হয়।</p><p>মন্দিরের ছাদের দিকে তাকিয়ে ইতিহাসের দৃশ্যমান চিহ্নগুলো খুঁজছিলাম। ড্রাগন, ফিনিক্স, লাল ও সোনালি রঙের আধিক্য চীনা স্থাপত্যসহ প্রতীকী শিল্পের পরিচিত ভাষা।</p><p>চীনা সংস্কৃতিতে লাল রং সৌভাগ্য ও উৎসবের আবহ নিয়ে আসে। অন্যদিকে সমৃদ্ধির রং সোনালি। ছাদের বাঁক, উঁচু কার্নিশ, খুঁটির অলংকরণে কারিগরদের নৈপুণ্য স্পষ্ট। মন্দিরটি যেন চীনা শিল্পরীতির এক উন্মুক্ত প্রদর্শনী।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/sjuqv5ib/%E0%A7%A9.-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A7%8B-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A5%A4-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%87.jpeg"><figcaption>রাতের থিয়ান হো আরও অভিনব। চারদিকে জ্বলে ওঠে আলোর রোশনাই</figcaption></figure><p>এ মন্দিরে মাৎসুর পাশাপাশি গুয়ানইনের (মতান্তরে কুয়ানইন) উপাসনাও হয়। গুয়ানইন একজন বোধিসত্ত্ব, যাকে চীনারা করুণা ও সহমর্মিতার দেবী হিসেবে মানে। বৌদ্ধ লোকগাথা অনুযায়ী, কারও মৃত্যু হলে গুয়ানইন তাকে একটি পদ্মের হৃদয়ে বসিয়ে পশ্চিমের পবিত্র ভূমি সুখাবতীতে পাঠিয়ে দেন।</p><p>চীনা ধর্মীয় সংস্কৃতিতে বৌদ্ধ, তাওবাদী ও কনফুসীয় চিন্তার অসংখ্য ধারা বহুকাল ধরে পাশাপাশি চলছে। থিয়ান হো মন্দিরেও সেই মিশ্র ঐতিহ্যের ছাপ দেখতে পেলাম। ধর্মকে এখানে আলাদা আলাদা ঘরে বন্দী করে বোঝা কঠিন।</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/travel/l5etpar3n1">মালয়েশিয়া ভ্রমণ: কালের যাত্রাধ্বনি-১</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/0em932te/%E0%A7%AA.-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4-%E0%A6%AC%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8B-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%83%E0%A6%A6%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%A8.jpeg"><figcaption>দেবী গুয়ানইন। বৌদ্ধ লোকগাথা অনুযায়ী, কারও মৃত্যু হলে গুয়ানইন তাকে একটি পদ্মের হৃদয়ে বসিয়ে পশ্চিমের পবিত্র ভূমি সুখাবতীতে পাঠিয়ে দেন</figcaption></figure><p>আমার মনে হয়, একটি দেশকে চিনতে গেলে এর বহুত্বকে শুধু পরিসংখ্যান হিসেবে দেখলে চলে না। সেই বহুত্ব কোথায় দৃশ্যমান, মানুষের কাছে কীভাবে মান্যতা পায়, কোন স্থাপনা সেই স্মৃতি বহন করে, এসব বুঝতে হয়। থিয়ান হো মন্দিরে দাঁড়িয়ে মালয়েশিয়ার সেই রূপ আরও স্পষ্ট হলো।</p><p>রাতে হোটেলে ফিরতে ফিরতে ভাবছিলাম, কত রকম স্থাপত্য, কত আলাদা পরিবেশ দেখলাম। একদিকে আধুনিক মহানগরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, অন্যদিকে চুনাপাথরের গুহায় ধর্মীয় বিশ্বাস, চীনা ঐতিহ্যের মন্দির, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা, ফুলের দেশ ক্যামেরন হাইল্যান্ড।</p><p>এত কিছুর পরও মনে হচ্ছিল, মালয়েশিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অধ্যায়টি এখনো বাকি। সেই অধ্যায়ের নাম মালাক্কা।</p><p>চলবে...</p><p>*অমৃতা ইশরাত: ব্যাংকার ও লেখক</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/travel/t0n7cmgq9k">মালয়েশিয়া ভ্রমণ: কালের যাত্রাধ্বনি–২</a></aside>
উন্নত ক্যারিয়ারে বিদেশি ভাষা জানা অপরিহার্য একটি বিষয়। বিশ্বায়নের গতিশীলতায় বহুজাতি সংস্কৃতিগুলো পরস্পরের সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে।
<p>গত কয়েক বছরের ব্যবসায় মন্দা, আয় কমে যাওয়া, এআইসহ নানা কারণে বিভিন্ন দেশের নানা প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছে। কিন্তু একটু প্রতিষ্ঠান ব্যতিক্রম। প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পরও কোনো কর্মী ছাঁটাই করেনি কোম্পানিটি। কর্মী ছাঁটাই ছাড়াই টানা ৭৫ বছর ধরে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। কোম্পানিটির নাম ‘দ্য গান্ড কোম্পানি’। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকট্রিক্যাল ম্যাটেরিয়ালস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।</p><p>১৯৫১ সালে এড গান্ড এই পারিবারিক কোম্পানির যাত্রা শুরু করেন। এরপর প্রতিষ্ঠানটি আজ পর্যন্ত একজন কর্মীও ছাঁটাই করেনি। সাবেক ক্যান্ডি বিক্রেতা এড গান্ডের হতে গড়া কোম্পানির সাফল্য দেখতে এবং ব্যবসায়িক মডেল শিখতে সেন্ট লুইসে ভিড় জমান বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নির্বাহী ও সিইও।</p><p>কোম্পানির নেতৃত্বে এখন আছেন ৫৫ বছর বয়সী স্টিভ গান্ড, প্রধান নির্বাহী হিসেবে। তিনি ওই পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি। তাঁর বড় ভাই রিচের সঙ্গে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছেন। রিচ এখন কোম্পানির চেয়ারম্যান ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।</p><p>ওয়াল স্টিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কর্মী নিয়ে চলা প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক বিক্রয়মূল্য ৪০০ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। জেনারেল ইলেকট্রিক এবং রকওয়েল অটোমেশনের মতো প্রধান গ্রাহকদের পরিষেবা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এক দশক ধরে গড়ে বার্ষিক ১৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটি তাদের মুনাফার মার্জিনও দ্বিগুণ করেছে।</p><p>স্টিভ গান্ড ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ‘শুনতে আবেগপ্রবণ মনে হলেও, এটি লাভজনক।’</p><p>অর্থনৈতিক মন্দার সময় কর্মী ছাঁটাই করার পরিবর্তে, কোম্পানিটি সারা বছর তার কর্মী সংখ্যা কম রাখে। তাদের ১২ ধাপের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অধীনে, কোম্পানিটি কারখানার দেয়ালে আর্থিক ফলাফল প্রদর্শন করে, কর্মীদের জন্য ব্যক্তিগত কর্মজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে দেয় এবং সুপারভাইজারদের কারখানার মেঝেতে টহল দিতে বাধ্য করে। কর্মীরা কারখানার মেঝেতে থাকা লাল কার্ড ব্যবহার করে কার্যক্রম-সংক্রান্ত নানা উদ্বেগ ও সমাধান জমা দেয়, যা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সমস্যার সমাধান না করা পর্যন্ত এই লাল কার্ড প্রদর্শিতই থাকে।</p><p>‘আপনি যদি শোনেন, লোকেরা আপনাকে মতামত দেবে এবং সেই মতামতের ভিত্তিতে যদি আপনি পদক্ষেপ নেন তাহলে পরিস্থিতির উন্নতি হবেই হবে’—বলেন স্টিভ গান্ড।</p><p>১৯৫১ সালে সাবেক ক্যান্ডি বিক্রেতা এড গান্ডের হাত ধরে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে স্টিভ এবং রিচ গান্ড পূর্ণকালীন কর্মী হিসেবে যোগ দেন, তখন কোম্পানির বার্ষিক বিক্রয় ছিল ২৭ লাখ ডলার। কর্মীর সংখ্যা ছিল ২০ জন, যাঁদের মধ্যে ৯ জন ছিলেন গান্ড পরিবারের সদস্য।</p><p>এড গান্ডের বাবা পল গান্ড যিনি শুরুর দিকেই কর্মী ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। তিনি কর্মিসংখ্যা কমানোকে নির্বাহী ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা হিসেবে দেখতেন। পরে ২০০৯ সালে কোম্পানিটি একটি কর্মচারী স্টক মালিকানা পরিকল্পনা চালু করে, যা গত বছর নাগাদ বৃদ্ধি পেয়ে মার্কিন কর্মীদের ৩০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা প্রদান করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-suggestion/3gj3wulgre">পেট্রোবাংলার অধীনে ৭৫৩ পদে নিয়োগ, ঘরে বসে আবেদনের নিয়ম জানুন</a></aside><p>কোম্পানিটি অভ্যন্তরীণ পদোন্নতির ওপর জোর দেয় বাইরে থেকে কর্মী আনার চেয়ে। ৩৩ বছর বয়সী ডেইড্রা জোনাস ১৬ বছর আগে একজন শিক্ষানবিশ পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। এখন তিনি পদোন্নতি পেয়ে মেশিন পরিচালনা, অভ্যর্থনা এবং গ্রাহক পরিষেবার পাশাপাশি কর্মীদের মতামত শোনার অধিবেশন পরিচালনার কাজ করছেন।</p><p>জোনাস বলেন, ‘আমার স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাগুলো এখন এমন, যা আমার পরিবারের কেউই কখনো ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ভাবেনি।’</p><p>এমন নানা সাফল্যের গল্পও আছে প্রতিষ্ঠানটিতে। তাই তো ২০০টির বেশি কোম্পানির নেতারা এই কোম্পানির পরিচালনা পদ্ধতি তাদের জন্য কার্যকর হবে কি না, তা দেখতে তা দ্য গান্ড কোম্পানির কারখানাগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছেন। ওহাইও-ভিত্তিক ওয়েল্টি এন্টারপ্রাইজেসের প্রধান নির্বাহী ডন টেলর তাঁর ছেলে মাইকেলকে নিয়ে পদ্ধতিগুলো পর্যালোচনা করতে উইসকনসিনে গান্ডের একটি কারখানা পরিদর্শন করেন। ডন টেলর বলেন, ‘আশা করি, আমরা এর কিছু অংশ অনুকরণ করতে পারব।’</p><p>অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যেই এই মডেলের কিছু অংশ ব্যবহার করা শুরু করেছে। নির্বাহীদের এই সফর সত্ত্বেও স্টিভ গান্ড বলেন, সফরকারী খুব কম কোম্পানিই সম্পূর্ণ ১২ ধাপের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করে। তিনি উল্লেখ করেন, করপোরেট নির্বাহীরা প্রায়ই নিজেরা পরিবর্তন আনার পরিবর্তে এই দায়িত্ব মানবসম্পদ বিভাগের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার কাজ করে থাকেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/gc80ffbbk4">পিএসসির অধীনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়–অধিদপ্তরে চাকরি, ১৩৫ পদের মধ্যে বেশি সাব-রেজিস্ট্রারে</a></aside><p><strong>ব্যবসার সাফল্যের নেপথ্য কী</strong></p><p>অনেকে কোম্পানিটিকে ‘মানবিক বা মানবিক নেতৃত্বের গল্প’ হিসেবে দেখলেও বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত কৌশলী খরচ ও পরিচালন কাঠামোরই ফলাফল। ব্যবসায়িক চাহিদার তুঙ্গে থাকার সময়ে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ না করাই গান্ডের ‘নো-লেঅফ’ বা ‘কর্মী ছাঁটাই’ না করার রেকর্ডের মূল চাবিকাঠি।</p><p>প্রতিষ্ঠানটি ওভারটাইম, মুনাফা-শেয়ারিং এবং স্বাভাবিক কর্মী চলে যাওয়ায় নমনীয়তার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। যেকোনো সাধারণ কারখানায় চাহিদার পারদ নেমে গেলে ওভারটাইম কমানো এবং নতুন কর্মী নিয়োগ বন্ধ রাখার মাধ্যমে বছরে প্রায় ১৮ শতাংশ পর্যন্ত শ্রমের সময় কমানো সম্ভব, যা সাধারণ কোনো অর্থনৈতিক মন্দা সামলে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।</p><p><strong>কর্মীদের জীবনমান ও মালিকানার সুযোগ</strong></p><p>গান্ডের সাফল্য কেবল পরিচালন নীতির সঙ্গে কর্মীদের জন্য রাখা হয়েছে আকর্ষণীয় বেতন ও মালিকানার সুযোগ। কারখানা পর্যায়ের একজন শিক্ষানবিশ কর্মী ওভারটাইম ও প্রফিট-শেয়ারিং ছাড়াই বছরে গড়ে ৫৫ হাজার থেকে ৬৫ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেন।</p><p>প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি পদের বেতনের স্কেল অভ্যন্তরীণভাবে প্রকাশ করা হয় এবং আর্থিক হিসাবের বিবরণী মিটিং রুমের দেয়ালে টানানো থাকে।</p><p>২০০৯ সালে চালু করা ‘এমপ্লয়ি স্টক ওনারশিপ প্ল্যানের’ মাধ্যমে কর্মীরা প্রতিষ্ঠানের ৩০ শতাংশ শেয়ারের মালিক ছিলেন। সম্প্রতি চীনসহ অন্যান্য দেশে অবস্থানরত আন্তর্জাতিক কর্মীদেরও এই মালিকানার আওতায় আনতে কোম্পানিটি বিশ্বব্যাপী এক নতুন শেয়ার প্রকল্প চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রতিষ্ঠান থেকে কর্মী ছেড়ে যাওয়ার হার ১০ শতাংশেরও কম।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/6rl128ve5w">পর্যটন করপোরেশনের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে পাঁচ কোর্স, ভর্তি ফি–আবেদনের যোগ্যতা কী </a></aside><p><strong>অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে যেভাবে গান্ড আলাদা</strong></p><p>লিংকন ইলেকট্রিক, নিউকোর কিংবা ব্যারি-ওয়েহমিলারের মতো আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাঁটাইবিহীন নীতি বজায় রাখার জন্য পরিচিত। তবে ২০০৯ সালের বৈশ্বিক মন্দায় বিক্রি ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেলে ওই কোম্পানিগুলোকে অবৈতনিক ছুটি বা কর্মঘণ্টা ৩০ ঘণ্টায় নামিয়ে আনার পথ বেছে নিতে হয়েছিল। সেখানে গান্ড কোম্পানি তাদের টানা প্রবৃদ্ধি ও ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইসের বৈশ্বিক উচ্চ চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়িক ভারসাম্য ধরে রেখেছেন।</p><p><strong>চ্যালেঞ্জটা ভবিষ্যতে</strong></p><p>প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান সাফল্যের সামনে কিছু উদীয়মান চ্যালেঞ্জও দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ব্যবস্থাপকদের এক বৈঠকে উঠে এসেছে সে তথ্য। কর্মীরা ওভারটাইম শিফটে কাজ করতে আগের চেয়ে কম আগ্রহী। যদি কর্মচারীরা ওভারটাইম না করেন, তবে সর্বোচ্চ চাহিদা সামলাতে প্রতিষ্ঠানকে নতুন কর্মী নিতে হবে, যা নমনীয়তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।</p><p>ব্যবসার দ্রুত বৃদ্ধির কারণে প্রয়োজনীয় দক্ষ লিডার বা সুপারভাইজার তৈরির গতি কিছুটা ধীরগতির হয়ে পড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে চীনসহ মোট আটটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে একই কর্মীনীতি ও শেয়ার ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা আইনগতভাবে জটিল হতে পারে।</p><p>বিশ্ববাজারে ইলেকট্রিক্যাল ট্রান্সফরমার ও পাওয়ার গ্রিড পণ্যের চাহিদা অব্যাহত থাকা পর্যন্ত গান্ডের এই রেকর্ড অক্ষুণ্ন থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিষ্ঠানের মূল পরীক্ষাটি আসবে সেদিনই, যেদিন বাজারে এসব পণ্যের চাহিদা হঠাৎ থমকে দাঁড়াবে, সেদিন।</p>
ক্লাব ফুটবলে আজ রয়েছে মহারণ। সারা বছর এই একটি এল ক্ল্যাসিকো ম্যাচ দেখার জন্য রাত জেগে থাকে ফুটবলপ্রেমীরা। বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। রয়েছে ত্রিদেশীয় সিরিজে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের জমজমাট লড়াই...
দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালুর ঘোষণার পরই ফের হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের হুথিরা। বিমানবন্দরটিকে সামরিক....
গাজীপুরের টঙ্গীতে শিশু নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে চড় মারার ঘটনায় শিশুটির বাবাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে ...
অবকাশকালীন ছুটি শেষে রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রমে ফিরছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। তবে, প্রথম কার্যদিবসে আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে...
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ডে ৭টি পাটের গুদাম ও ৩টি দোকান পুড়ে গেছে। গুদামে থাকা প্রায় তিন হাজার মণ পাট ভস্মীভূত হয়েছে...
দেশের বাজারে কয়েকদিন পরপরই সোনা-রুপার গহনার দাম বাড়ে এবং কমে। সর্বশেষ গত ২৩ অক্টোবর সোনা-রুপার গহনার দাম কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়...
মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের কেলাংয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সমাবেশে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নিয়েছেন। সমাবেশে নতুন সদস্যদের সংগঠনে...
ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির জন্মদিন মানেই বিশেষ আয়োজন। তবে এবার জন্মদিনের সাজসজ্জায় ছিল ভিন্নতা। পুরো আয়োজন সাজানো হয়েছে শিউলি ফুলের আবহে...
ইংল্যান্ডের প্রথম রাজা হিসেবে অ্যাথেলস্ট্যানের অভিষেকের ১১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু তারপরও তিনি ইতিহাসের বইগুলোতে আশ্চর্যজনকভাবে অনুপস্থিত। তবে তিনি নিজে অনেকটাই বিস্মৃত হলেও, তার সময়ে চালু হওয়া বহু আচার ও আনুষ্ঠানিকতা আজও পালিত হচ্ছে যুক্তরাজ্যে।
ওই শিশুর বাবার দায়ের করা মামলায় ওই শিক্ষককে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষও শিশুটির বাবাকে আসামি করে পাল্টা একটি মামলা করেছেন।
গত কয়েক মাস ধরে এল নিনো আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং এটি ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক আবহাওয়ার ধরনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।
ক্যান্সার ও অকাল মেনোপজ হয়েছিল তার। তবে ২৩ বছর আগে ক্যাসান্ড্রা বেকনের শরীর থেকে নেওয়া ডিম্বাশয়ের টিস্যু সফলভাবে তার শরীরে পুনরায় প্রতিস্থাপন করা হয়, যার ফলে তিনি ৪৪ বছর বয়সে তিনি একটি ছেলেশিশু জন্ম দিতে সক্ষম হন।
আখের এই জাতটি রসালো, নরম ও চিবোতে খুব মজার। এছাড়া আখের রসে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ যে পরিমাণ থাকলে ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য সমস্যা হতে পারে এই জাতে তার পরিমাণ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে কম।
প্রথমে প্যারিসের দক্ষিণ-পশ্চিমে ট্রেপস শহরে এবং পরে লা ভেরিয়েরে গুলির ঘটনা ঘটে। হামলাকারী নিজের গাড়ি থেকেই গুলি চালান। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে হামলাটি চলে। হামলাকারীকে অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করতে দেখা গেছে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'গুপ্ত-সুপ্ত' বিতর্ক আবারও আলোচনায়। কে কোন দলের হয়ে রাজনীতি করছেন, কার আনুগত্য কোথায়, কে অনুপ্রবেশকারী আর কে প্রক্সি -এমন নানা বিতর্ক রাজনীতিতে। এসব নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগও করছেন বিভিন্ন দলের নেতারা।
রাধিকার মাধ্যমে আমরা জানতে চেয়েছিলাম, কোভিড মহামারির সময়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলো প্রত্যন্ত অঞ্চলে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোর মেয়েদের পড়াশোনায় ঠিক কেমন ধরনের প্রভাব ফেলেছিল।
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ-সৌদি রুটে সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে ১৪৪টি ফ্লাইটের কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবনে বদল আসে নানা দিক থেকে।
খোরপোশ বাবদ টাকা না নেওয়া, প্রাক্তন স্বামী ও সন্তান তারাকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্বে পরিবর্তন এসেছে। মোহাম্মদ আশরাফুলকে এই পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে দলের সঙ্গে থাকছেন না সাবেক এই অধিনায়ক।
সাংবাদিক বশির হোসেন বাবুকে মামলা দিয়ে জেল খাটানোর হুমকি দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
২০২৫ সালের ম্যাক্স-বিএসপিএ জার্নালিস্ট অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছেন দৈনিক আগামীর সময়ের সিনিয়র সাব-এডিটর রাহেনুর ইসলাম। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো স্পোর্টস জার্নালিস্ট অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হলেন রাহেনুর। এর আগে ২০২৩ সালেও সেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছিলেন তিনি।
রংপুরের বদরগঞ্জ রেলস্টেশনের কাছে দোলনচাঁপা আন্তঃনগর ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে পার্বতীপুর-রংপুর রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাওলানা দেলওয়ার হোসেন সাঈদীর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহে গোপনে গার্ড অর অনার দিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে প্রশাসন।