bangladesh

সরকার অনুমতি দিলে অপরাধ দমনে ক্রসফায়ার: আইজিপি ও অন্যান্য খবর

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
সরকার অনুমতি দিলে অপরাধ দমনে ক্রসফায়ার: আইজিপি ও অন্যান্য খবর
সরকার অনুমতি দিলে অপরাধ দমনে ক্রসফায়ার: আইজিপি ও অন্যান্য খবর
সরকার অনুমতি দিলে অপরাধ দমনে ক্রসফায়ার: আইজিপি ও অন্যান্য খবর

Prothomalo

View more
তেহরানে মক্কা জোটের প্রতিনিধিরা, কী আলোচনা হলো
তেহরানে মক্কা জোটের প্রতিনিধিরা, কী আলোচনা হলো

<p>এক দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, অন্য দিকে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের মধ্যে সংঘাত। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি দিনকে দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এর মধ্যে গতকাল সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরানে বৈঠক করেছেন সম্প্রতি গঠিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের তিন সদস্যদেশ—সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের প্রতিনিধিরা।</p><p> গত আগস্টে মক্কা জোটে সই করে সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্ক। সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত বৃদ্ধির পর থেকে এটিই ইরান ও ওই তিন দেশের মধ্যে প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা কমাতে এবং সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজতে জোটের প্রতিনিধিরা তেহরান সফর করছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/ril9kyq0pv">দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতে ‘জানফেদা’, যুক্ত তিন কোটি ইরানি, আছেন তরুণীরাও</a></aside><p>ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ির আয়োজনে বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। তিনি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ছোট ভাই। পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। আর তুরস্কের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন।</p><p>ইরানের বার্তা সংস্থা ফারসের খবর অনুযায়ী, মক্কা জোটের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তেহরান। এতে বলা হয়, বৈঠকে মূলত আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে আলাপ হয়। সেখানে নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছেন চার দেশের প্রতিনিধিরা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/pakistan/hgbzhnq4fl">মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন করেছে পাকিস্তান</a></aside><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের নেতৃত্ব দিচ্ছে পাকিস্তান ও কাতার। আগের দিন কাতারের মধ্যস্থতাকারীও তেহরান সফর করেছিলেন। এর আগে জুনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি হয়েছিল। তবে কিছুদিনের মধ্যে তা ভেস্তে গিয়ে আবার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।</p><p>এই যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে শুরু হয়েছে সৌদি-হুতি সংঘাত। গতকাল হুতিরা জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিমমুখী অপরিশোধিত তেল পরিবহনের পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশন এবং রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে। এক দিন আগে ওই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, আগের হামলার পর বিমানবন্দরের দুটি টার্মিনালে কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/elu3jlz53e">সৌদি আরবে ৭টি হামলার দাবি হুতিদের, মক্কায় পড়ল ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ</a></aside>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিতে এআই দিয়ে ছবি তৈরি করেন তিনি
সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিতে এআই দিয়ে ছবি তৈরি করেন তিনি

নিজেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মোটরসাইকেলটি ছাড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যে বিতর্ক, রাজনৈতিক দল-সংগঠনের নিন্দা
আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ মন্তব্যে বিতর্ক, রাজনৈতিক দল-সংগঠনের নিন্দা

সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করার কথা বলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
উদ্ধার হওয়া নবজাতক ফিরল মায়ের কোলে
উদ্ধার হওয়া নবজাতক ফিরল মায়ের কোলে

<p>কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ধর্ষণের শিকার তরুণী সন্তান প্রসব করেছিলেন গত শুক্রবার। সেদিনই হাসপাতাল থেকে নবজাতককে মায়ের কাছ থেকে জোর করে নিয়ে যান ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের স্বজনসহ পরিচিত কয়েকজন। নবজাতককে উদ্ধার করে গতকাল রোববার রাতে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।</p><p> মায়ের কাছ থেকে নবজাতককে জোর করে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হলেন ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবকের মা ও চাচা, চৌদ্দগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালের একজন নার্স এবং নবজাতক কেনার সঙ্গে জড়িত একজন।</p><p> আজ সোমবার রাত আটটার দিকে প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। তিনি বলেন, রোববার রাতে বিষয়টি জানতে পেরে ডিবি ও চৌদ্দগ্রাম থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে চার ঘণ্টার মধ্যে নবজাতককে উদ্ধার করে। শিশুটি বর্তমানে মায়ের হেফাজতে রয়েছে। পুরো ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।</p><p>পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে হয়তো নবজাতককে কারও কাছে দত্তক দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নবজাতককে উদ্ধারের সময় এক শ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পও পাওয়া গেছে। সেখানে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে নবজাতকককে অন্যত্র হস্তান্তরের বিষয়টি উল্লেখ করা আছে। এ কারণে মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে।</p><p>অসুস্থ নানির চিকিৎসার জন্য ওই তরুণীর মা গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকায় যান। তখন নিজ বাড়িতে ধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী। পরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি অভিযুক্ত যুবকের পরিবারকে জানানোর পর ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছে তরুণীর পরিবার। তারা জানায়, এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিস বসে। সেখানে অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন তাঁরা।</p><blockquote>নবজাতককে বিক্রির অভিযোগে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে আরেকটি মামলা করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান। এ মামলায় ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবককে প্রধান আসামি করে আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।</blockquote><p>গত শুক্রবার চৌদ্দগ্রামের বেসরকারি একটি হাসপাতালে ছেলেসন্তানের জন্ম দেন ওই তরুণী। নবজাতকের পিতৃপরিচয় আড়াল করতে অভিযুক্ত তরুণ ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা অন্যদের সহযোগিতায় জন্মের পরপরই নবজাতককে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যান।</p><p>পুলিশ সূত্র বলছে, নবজাতককে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির একজন নার্স, দুজন ব্যবস্থাপকসহ কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আর নবজাতককে বিক্রি করার ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।</p><p><strong>দুই মামলা, গ্রেপ্তার চার</strong></p><p>ধর্ষণ, নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় আজ সোমবার মামলা হয়েছে। এ মামলায় অভিযুক্ত যুবক, তাঁর মা ও চাচা এবং স্থানীয় এক মাতবরকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী ভুক্তভোগী তরুণী।</p><p>অন্যদিকে নবজাতককে বিক্রির অভিযোগে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে আরেকটি মামলা করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান। এ মামলায় ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবককে প্রধান আসামি করে আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ১০ জনসহ মোট ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোছাইন। আজ সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ওসি প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুটি মামলা হয়েছে। চারজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রধান অভিযুক্তসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/5982h2yjad">ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান প্রসব, নবজাতক নিয়ে গেছেন অভিযুক্ত যুবকের লোকজন</a></aside>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
স্টেশন মসজিদের অজুখানা সংস্কার করল বন্ধুসভা, স্বস্তিতে মুসল্লিরা
স্টেশন মসজিদের অজুখানা সংস্কার করল বন্ধুসভা, স্বস্তিতে মুসল্লিরা

এক দিন আগেও এই চিত্র ছিল জনাকীর্ণ কাঁচাবাজার–সংলগ্ন নাটোর রেলস্টেশন জামে মসজিদের অজুখানায়। বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য আসেন ট্রেনের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রী, রেলকর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দশের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় মসজিদ সংস্কারে কারোরই কোনো গরজ লক্ষ করা যায়নি।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
ক্রসফায়ার চেয়ে আইজিপি তাঁর পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন: নূর খান লিটন
ক্রসফায়ার চেয়ে আইজিপি তাঁর পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন: নূর খান লিটন

‘ক্রসফায়ার চেয়ে তিনি আইজিপির পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন’

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
রেস্তোরাঁয় গোপনে তরুণ-তরুণীর ছবি তুলে ছড়ানোর অভিযোগে দুজন গ্রেপ্তার
রেস্তোরাঁয় গোপনে তরুণ-তরুণীর ছবি তুলে ছড়ানোর অভিযোগে দুজন গ্রেপ্তার

গতকাল রোববার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তারের পর আজ তাঁদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
‘বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া ভুক্তভোগী’ বলা নারী কারাগারে
‘বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া ভুক্তভোগী’ বলা নারী কারাগারে

ময়মনসিংহের ভালুকায় ফেসবুক লাইভে সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করার পর এক নারী ব্যবসায়ীকে গতকাল রোববার রাতে প্রথমে ঘেরাও করেন বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
লালন শাহর কাছে ‘মানবধর্ম’ই সর্বশ্রেষ্ঠ
লালন শাহর কাছে ‘মানবধর্ম’ই সর্বশ্রেষ্ঠ

বাংলা ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”