জেলা

সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিতে এআই দিয়ে ছবি তৈরি করেন তিনি

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিতে এআই দিয়ে ছবি তৈরি করেন তিনি
সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিতে এআই দিয়ে ছবি তৈরি করেন তিনি
নিজেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মোটরসাইকেলটি ছাড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ।

Prothomalo

View more
চিত্রনায়িকা শিমু হত্যা মামলায় সাফাই সাক্ষ্য ১৯ নভেম্বর
চিত্রনায়িকা শিমু হত্যা মামলায় সাফাই সাক্ষ্য ১৯ নভেম্বর

<p>চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় তাঁর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও মামলার আরেক আসামি এস এম ফরহাদের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মীর আদালত এ দিন ধার্য করেন।</p><p> আদালতে দুই আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় তাঁদের বক্তব্য শোনার পর আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষী উপস্থাপনের আবেদন করেন তাঁরা। পরে আদালত সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।</p><p> আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মামলাটিতে ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য নেওয়ার পর ৬ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়।</p><p>মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়নের আলীপুর ব্রিজের প্রায় ৩০০ গজ উত্তরে পাকা রাস্তার পাশের ঝোপ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আঙুলের ছাপ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর বলে শনাক্ত করা হয়।</p><p>মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে শিমুকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ জানুয়ারি তাঁর ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।</p><p>মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২৯ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম নোবেল ও ফরহাদকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।</p>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে অঘটন! হেসে গড়াগড়ি দুই শিল্পীর
অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে অঘটন! হেসে গড়াগড়ি দুই শিল্পীর

‘উইকার’ ছবিতে আলেকজান্ডার স্কারসগার্ড ও অলিভিয়া কোলম্যানের অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং ছিল রোমাঞ্চকর, আবার হাস্যকরও।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

<p> রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।</p><p> গ্রেপ্তার যুবকের নাম আবুল হায়াদ ওরফে দীপু (৩২)। সোমবার বেলা তিনটার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ) নিয়াজ মেহেদী প্রথম আলোকে জানান, রমনা থানায় দায়ের করা ককটেল বিস্ফোরণের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সহযোগিতায় রূপগঞ্জে যৌথ অভিযান চালিয়ে আবুল হায়াদকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p><p>পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ২ নম্বর ফটকের পূর্ব পাশের সড়কে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। হঠাৎ বিস্ফোরণে ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় পরবর্তী সময়ে রমনা মডেল থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা করা হয়।</p>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, দেওবন্দে ৫ হাজার প্রতিনিধির সম্মেলন
পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, দেওবন্দে ৫ হাজার প্রতিনিধির সম্মেলন

<p>পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, পুরো ভারতে বিপুলসংখ্যক মাদ্রাসার অনুমোদন নেই বলে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার সেগুলো বন্ধের পদক্ষেপ নিচ্ছে। এমনকি বহুসংখ্যক মাদ্রাসা বন্ধের লক্ষ্যে জরিপও শুরু করা হয়েছে।</p><p> এই পরিস্থিতিতে উত্তর প্রদেশের দেওবন্দ শহরে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দের উদ্যোগে আগামীকাল ২৭ অক্টোবর এক বিশাল সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এই সম্মেলনে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় পাঁচ হাজার মাদ্রাসার প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। সর্বভারতীয় মাদ্রাসা পরিচালকদের সংগঠন ‘রাবিতা-ই-মাদারিস ইসলামিয়া’র ব্যানারে আয়োজিত এ সম্মেলনে ইসলামি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হবে।</p><p>আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে মাদ্রাসা পরিচালনায় বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জ, নথিপত্র ও আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা রক্ষা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়গুলোতে। সম্মেলন শুরুর আগে দারুল উলুমের কার্যনির্বাহী কমিটি ‘মজলিস-এ-আমিলা’ পূর্ববর্তী বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত এজেন্ডা নির্ধারণ করবে। প্রতিষ্ঠানের রেক্টর মুফতি আবুল কাসিম নোমানি জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা অতিথিদের স্বাগত জানাতে যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে।</p><p>অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গেও মাদ্রাসাগুলো ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে। রাজ্যে সদ্য গঠিত বিজেপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই মাদ্রাসাগুলোর অবকাঠামো ও অনুমোদন যাচাইয়ে এক ব্যাপক জরিপ শুরু করে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে ওই জরিপের পর রাজ্যের প্রায় ২৫২টি মাদ্রাসা একযোগে বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গুরুতর অনিয়ম ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবের অভিযোগে আরও ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>দ্বিতীয় পর্যায়ে নগণ্য শিক্ষার্থী এবং অবকাঠামোগত ঘাটতিতে থাকা আরও ২৫০টি বেসরকারি অথচ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মাদ্রাসা পর্যায়ক্রমে বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা। এ ছাড়া প্রায় ২ হাজার ৫০০টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা সম্ভাব্য পর্যায়ক্রমিক নজরদারির মুখে পড়তে পারে।</p><p>জরিপ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২ হাজার ১৩২টি মাদ্রাসা সরকারি বৈধ অনুমোদনে চললেও ২ হাজার ৩৯৬টি মাদ্রাসা কোনো সরকারি রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, আড়াই শ বছর আগে ১৭৮০ সালে কলকাতায় প্রথম অনুমোদিত মাদ্রাসা স্থাপিত হয়েছিল। মূলত মুসলিম শিক্ষার্থীরা এসব মাদ্রাসায় গেলেও পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসাগুলোতে হিন্দু শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনা করে থাকে।</p><p>মাদ্রাসা বোর্ডের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন মালদহ জেলাতেই সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ ৪৫টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পরের তালিকায় রয়েছে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়া জেলা। কারণ দর্শানোর নোটিশের সন্তোষজনক উত্তর না পেলে পরবর্তী সময়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছে প্রশাসন।</p>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
নরওয়ে ‘জঘন্য’ দেশে পরিণত হয়েছে, কেন বললেন ট্রাম্প
নরওয়ে ‘জঘন্য’ দেশে পরিণত হয়েছে, কেন বললেন ট্রাম্প

<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি—শান্তিতে নোবেল পুরস্কার তাঁরই প্রাপ্য ছিল। তবে এখন পর্যন্ত তাঁর হাতে ধরা দেয়নি এ পুরস্কার। এতে তিনি চটেছেন নরওয়ের ওপর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, শান্তিতে নোবেল না দেওয়ায় নরওয়ের অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানানো হবে না।</p><p> ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় সময় গতকাল রোববার মিশিগান অঙ্গরাজ্যের পোর্ট হুরনে এক সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে ফ্রান্সে অস্থিরতার জন্য অভিবাসনকে দায়ী করে তিনি বলেন, কিছু দেশের অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানাবেন তিনি, তবে নরওয়ে থেকে কাউকে নয়। কারণ, তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি।</p><p>ট্রাম্প আরও বলেন, নরওয়ে আসলে একটি জঘন্য দেশে পরিণত হয়েছে। এর আগে হাইতি, লিবিয়া, সোমালিয়া ও ইয়েমেনের ক্ষেত্রেও তিনি একই ধরনের শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। তবে নরওয়ের অভিবাসীদের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন নতুন কোনো সরকারি নীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে, এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/65cdpei8gz">‘এআই’ নাম বদলে কেন ‘এসআই’ রাখতে মরিয়া ট্রাম্প, স্লোভেনিয়ার নাম কেন আলোচনায়</a></aside><p>নোবেল কমিটির সদর দপ্তর নরওয়ের রাজধানী অসলোতে অবস্থিত। ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চেয়ে যোগাযোগ করা হলে নরওয়ের নোবেল কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি। তবে নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ এইডে গতকাল রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকে-কে বলেন, ‘ট্রাম্প খুব ভালো করেই জানেন, নোবেল কমিটি একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কারও এ নিয়ে সন্দেহ থাকলে তাঁদের জন্য বিষয়টি আবার মনে করিয়ে দিচ্ছি। পরিস্থিতি এখনো একই রকম রয়েছে।’ এ বিষয়ে তাঁর মন্ত্রণালয় আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/tm0w4yeedb">রোববারই ইরানে হামলা, না হয় চমৎকার সমঝোতা: ট্রাম্প</a></aside>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
দুর্গাপূজার ছবি শেয়ার করে কোন বিশেষ স্মৃতি মনে করলেন হৃদি শেখ?
দুর্গাপূজার ছবি শেয়ার করে কোন বিশেষ স্মৃতি মনে করলেন হৃদি শেখ?

<p><strong>হৃদি শেখ</strong> সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাচের ভিডিও দিয়ে পরিচিতি পেয়েছেন দেশে–বিদেশে। রাশিয়ায় জন্ম নেওয়া হৃদি দুর্গাপূজার ছবি শেয়ার করে কোন বিশেষ স্মৃতি মনে করলেন?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/w7brbpoe/857437407_1692998612190047_6182189438299521214_n.jpg"><figcaption>কয়েক দিন ধারাবাহিকভাবে বেগুনি রঙের শাড়িতে ছবি, ভিডিও আপলোড করেছেন নৃত্যশিল্পী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর হৃদি শেখ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/4ze00dr6/86511650220756049398119398746309412784668222n.png"><figcaption>এরপর জানালেন গত এক দশক নিয়মিত ঢাকা–রাশিয়া–ঢাকা যাতায়াত করলেও এবারই প্রথম ঢাকায় দুর্গাপূজা দেখতে গিয়েছিলেন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/m4n7c813/85864378810664958730922825186416394240857245n.png"><figcaption>ছবির ক্যাপশনে হৃদি বলেছেন, ‘আমার ব্যক্তিগত জীবন ও শিল্পীজীবনের এই যাত্রায় দুর্গাপূজা একটি বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। শিল্পী হিসেবে আমার প্রথম মঞ্চ পরিবেশনাও ছিল ১৯৯৯ সালে মস্কো শহরে দুর্গাপূজার একটি উৎসবে।’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/a252o4b3/859771809_28724755660522639_539382258723184959_n.png"><figcaption>উৎসবের সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি দেবী দুর্গার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নারীর ক্ষমতা ও শক্তি হৃদিকে সব সময় মুগ্ধ করে। কিছু স্মৃতি যেমন সারা জীবন মনে থেকে যায়, তাঁর কাছে এটি তেমনই একটি স্মৃতি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/w8amov2q/858546592_1692998552190053_872239714775269904_n.jpg"><figcaption>দুর্গাপূজার সময়ে হৃদি সেজেছিলেন ‘সাতকাহন’ ব্র্যান্ডের সুতির ওপর ব্লকের নকশা করা বেগুনি শাড়িতে, পাড়ে সোনালি জরির সুতার কাজ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/rvmg5i1x/857129980_1692998562190052_6205906040494720464_n.jpg"><figcaption>শাড়ির সঙ্গে সোনালি রঙের ধাতবের ওপর পাথর বসানো গয়না পরেছিলেন। খোলা চুলে দিয়েছিলেন গাজরার মালা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/b12t5n6o/86465689211313858860248148242527720020839021n.png"><figcaption>মেকআপে সাটিন-ম্যাট ফিনিশ, যে কারণে মুখে অতিরিক্ত চকচকে ভাব নেই। গালের ওপর হালকা পিচ ও গোলাপি ব্লাশ ব্যবহার করেছেন হৃদি। নাকের ওপর হালকা হাইলাইটের ব্যবহার চোখে পড়ে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/2yc03yeh/86232600711476087576978195138800647157752854n.png"><figcaption>তবে পুরো সাজে চোখের সাজ বিশেষভাবে নজর কাড়ে। চোখের পাতায় বেগুনি রঙের আইশ্যাডো এবং চোখের কোনায় আইলাইনারের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/style/tdn4ndw8cm">গোলাপি সাটিনে জয়া আহসানের গ্ল্যামারাস লুক, দেখুন নতুন ছবিগুলো</a></aside>

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
চা–বাগানের শিশুদের স্কুলব্যাগ-খাতা-পেনসিল উপহার
চা–বাগানের শিশুদের স্কুলব্যাগ-খাতা-পেনসিল উপহার

প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘একটি ভালো কাজ’–এর অংশ ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্ধুসভার বন্ধুরা গিয়েছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলার উদালিয়া চা-বাগানে অবস্থিত আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
এক দশকে জাপানে রপ্তানি বেড়েছে ৩৫%, আমদানি ১০%
এক দশকে জাপানে রপ্তানি বেড়েছে ৩৫%, আমদানি ১০%

<p>বাংলাদেশের অন্যতম বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার জাপান। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বছরে প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি ডলারের। এর মধ্যে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি ৪০ শতাংশের আশপাশে; বাকিটা আমদানি।</p><p> বাংলাদেশ থেকে প্রধানত ওভেন ও নিট পোশাক এবং চামড়াজাত পণ্য জাপানে রপ্তানি হয়। তার বিপরীতে জাপান থেকে আমদানি হয় লোহা, ইস্পাত, জাহাজ, যানবাহন ও যন্ত্রপাতি। জাপানের বাজারে রপ্তানি বাড়াতে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি ‘অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (ইপিএ) করেছে বাংলাদেশ। তবে তার সুফল এখনো পুরোপুরি রপ্তানিতে পড়েনি।</p><p> জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সে দেশে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটার কারখানা ও জেরার এলএনজি টার্মিনাল পরিদর্শন করার কথা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর।</p><p> জাপানি সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া বলছে, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে ১ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন (৬৩৫ কোটি মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ করতে চায় জাপান। অটোমোবাইল ও অন্যান্য ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে এই বিনিয়োগে আগ্রহী দেশটির উদ্যোক্তারা।</p><p><strong>রপ্তানির শীর্ষে পোশাক, আমদানিতে ইস্পাত</strong></p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬–১৭ অর্থবছরে জাপানে ১০১ কোটি ২৯ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় বাংলাদেশ থেকে। সর্বশেষ ২০২৫–২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩৬ কোটি ডলারে। সেই হিসাবে এক দশকে জাপানে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। তার বিপরীতে একই সময়ের ব্যবধানে দেশটি থেকে আমদানি বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ।</p><p>ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে জাপানে প্রায় ৪০০ ধরনের পণ্য রপ্তানি হয়। রপ্তানির বেশির ভাগই তৈরি পোশাক। এর বাইরে উল্লেখযোগ্য রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। এ ছাড়া হিমায়িত মাছ ও জলজ প্রাণী, দুগ্ধজাত পণ্য, ফলমূল ও বাদাম, চা-কফি-মসলা, শস্য, তেলবীজ ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসামগ্রী রপ্তানি হয় দেশটিতে। রপ্তানি পণ্যের তালিকায় আরও আছে আসবাব ও প্রকৌশল পণ্য, ইলেকট্রনিকস ও ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতি, বয়লার ও মেশিনারিজ; বিভিন্ন ধাতু ও ধাতুসামগ্রী, রাসায়নিক ও প্লাস্টিক পণ্য, রাবার, ওষুধ, সাবান, খেলনা ও খেলাধুলার সামগ্রী, ঘড়ি, কাঠের পণ্য, কাগজ ও মুদ্রিত বইপত্র।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে জাপান থেকে প্রায় ১৮৮ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়। আমদানি পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্থান দখল করে আছে লোহা ও ইস্পাত, যা দেশটি থেকে মোট আমদানির ৩৭ শতাংশ। দেশটি থেকে আমদানির দ্বিতীয় শীর্ষ পণ্যের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন ও এর যন্ত্রাংশ। এ ছাড়া জাহাজ, নৌকা, ভারী যন্ত্রপাতি, বয়লার, খনিজ জ্বালানি, তেল ও বিটুমিনাস পদার্থ, চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম সুতা, প্লাস্টিক সামগ্রী, ফটোগ্রাফিক ও সিনেমাটোগ্রাফিক পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে আমদানির তালিকায়।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জাপান থেকে ৫২ লাখ ডলারের নিট এফডিআই এসেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ এসেছে ট্রেডিং খাতে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিনিয়োগ এসেছে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতে। এ ছাড়া পেট্রোলিয়াম ও গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ ও রাসায়নিক খাত, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও মৎস্য খাতেও কিছু কিছু জাপানি বিনিয়োগ এসেছে। এর আগে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে জাপান থেকে সাড়ে পাঁচ কোটি ডলারের বেশি এফডিআই এসেছিল। ২০১৮ সালে জাপান টোব্যাকো ১৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করে। এ ছাড়া জাপানি প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, মিৎসুবিশি, মারুবেনিসহ বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাপানি কোম্পানির সংখ্যা প্রায় ৩৫০।</p><p>জাপান ব্যাংক অব ইন্টারন্যাশনাল কো–অপারেশনের (জেবিআইসি) তথ্য অনুসারে, জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছে টানা তিন বছর ধরে ব্যবসা প্রসারের জন্য সেরা ২০টি সম্ভাবনাময় দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। আর জাপানি বিনিয়োগ সহায়তাকারী সংস্থা জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) জরিপে উঠে এসেছে, প্রায় ৭২ শতাংশ জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়াতে আগ্রহী। জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ইতিমধ্যে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল) গড়ে তোলা হয়েছে।</p><p>জাপানের বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে জাপান–বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া বলেন, ‘এখন অনেক বেসরকারি জাপানি প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। এই বিনিয়োগ এলে স্থবির অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হবে। এ জন্য বাংলাদেশকে কিছু নীতি পদক্ষেপ নিতে হবে। উভয় দেশের পার্লামেন্টে দ্রুত ইপিএ অনুমোদন (র্যাটিফিকেশন) করিয়ে তা কার্যকর করতে হবে। এ ছাড়া আমাদের দীর্ঘমেয়াদি নীতি গ্রহণ ও তা বহাল রাখতে হবে।’</p>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
কক্সবাজারে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় জামিনযোগ্য ধারায় মামলা, ওসিকে আদালতে তলব
কক্সবাজারে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় জামিনযোগ্য ধারায় মামলা, ওসিকে আদালতে তলব

<p>কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে জামিনযোগ্য ধারায়। এ ঘটনায় উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমানকে আদালতে তলব করেছেন বিচারক। মামলায় জামিন অযোগ্য ধারা সংযোজন না করে জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রেকর্ড করাকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আদালত।</p><p> ১৭ অক্টোবর সকালে রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ১০ জনের পুড়ে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার ৯ দিন পরও রিসোর্টের মালিক মো. তানভীর সুলতান মিয়াসহ তিন আসামি গ্রেপ্তার হননি। তবে রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।</p><p>আজ সোমবার কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ এক আদেশে ওসি আতিকুর রহমানকে ২৯ অক্টোবর আদালতে সশরীর হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন। আদেশে বলা হয়, দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২১৮ ধারা অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা এবং বিভাগীয় শাস্তির নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা ব্যাখ্যা করতে হবে।</p><p>আদালতের আদেশের বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহাজাহান এলাহী নূরী। তিনি বলেন, নোটিশের অনুলিপি ওসি আতিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোয় পাঠানো হয়েছে।</p><p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি আতিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি আদালতের নোটিশ পাননি। নোটিশ পেলে যথাসময়ে আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগের ব্যাখ্যা দেবেন। টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় তিনিও মর্মাহত বলে জানান। ওসি বলেন, আগুন লাগার ব্যস্ততার মধ্যে মামলার এজাহারে দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা বাদ পড়েছিল। পরদিন আদালতে ওই ধারা সংযোজনের আবেদন করা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/urkewrh37t">‘আমার তিন বোনের পাঁচ–ছেলে মেয়ে মারা গেছে, ওরা ৯ জন বেড়াতে এসেছিল’</a></aside><p><strong>আদালতের পর্যবেক্ষণ</strong></p><p>আদালতের আদেশে বলা হয়, ১৭ অক্টোবর টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় দণ্ডবিধির ৩০৪-ক, ৩৩৮ ও ৩৪ ধারা উল্লেখ করা হয়। মামলা করার এক দিন পর, ১৯ অক্টোবর, তদন্ত কর্মকর্তা দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা সংযোজনের আবেদন করেন।</p><p>আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মামলার রেকর্ডিং কর্মকর্তা হিসেবে ওসি আতিকুর রহমান ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ এজাহার রেকর্ডের সময় ৩০৪ ধারা সংযোজন করেননি। ১০ পর্যটকের মৃত্যুর মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জামিন অযোগ্য ৩০৪ ধারা যুক্ত না করে জামিনযোগ্য ৩০৪-ক ধারায় মামলা রেকর্ড করে তিনি গুরুতর অপরাধ করেছেন বলে মনে করেন আদালত।</p><p>আদেশে আরও বলা হয়, টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা ও জরুরি বহির্গমনপথ (ফায়ার এক্সিট) ছিল না। ফলে আগুনে দগ্ধ পর্যটকেরা রিসোর্টের ভেতরে আটকা পড়েন এবং বের হতে না পেরে ১০ জনের মৃত্যু হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/phuhf2vd/WhatsApp-Image-2026-10-26-at-10.58.34-PM.jpeg"><figcaption>কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত ঘিরে এভাবে গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিত, অবৈধ রিসোর্টসহ বিভিন্ন স্থাপনা। মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাটুয়ারটেক এলাকায়</figcaption></figure><p>আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে রিসোর্টের মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অগ্নিনির্বাপণব্যবস্থা ছাড়াই রিসোর্টটি পরিচালনা করে আসছিলেন। অগ্নিকাণ্ড ঘটলে অতিথিরা কক্ষ থেকে বের হতে না পেরে প্রাণ হারাতে পারেন, এমন ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি বলে আদালত উল্লেখ করেন।</p><p>আদেশে বলা হয়, এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় মামলা রেকর্ড না করে জামিনযোগ্য ৩০৪-ক ধারায় মামলা নেওয়ার মাধ্যমে আসামিদের উপযুক্ত শাস্তি থেকে রক্ষা করার অসৎ উদ্দেশ্য ছিল বলে আদালত মনে করেন। দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। অন্যদিকে ৩০৪-ক ধারায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/tp1i3ocrgh">হিমঘরে ১০ মরদেহ, স্বজনদের অপেক্ষা</a></aside><p><strong>মামলার বিবরণ</strong></p><p>পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে রিসোর্টে আগুন লাগার খবর পায় পুলিশ। সকাল সোয়া নয়টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেখতে পায়, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। বেলা আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রিসোর্ট থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।</p><p>ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। আগুনে পুড়ে যাওয়ায় মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।</p><p>এ ঘটনায় ১৭ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে উখিয়া থানার উপপরিদর্শক আশীষ সূত্রধর অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মামলা করেন। এতে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১৯ জনকে আসামি করা হয়। সব মিলিয়ে আসামি ২৩ জন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/542ky6fnob">‘বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনে ছুটে এসে দেখি, রিসোর্টটি দাউ দাউ করে জ্বলছে’</a></aside><p>মামলার এজাহারে নাম থাকা চার আসামি হলেন রিসোর্টের মালিক ও চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর পূর্ব গোমদণ্ডীর বাসিন্দা মো. তানভীর সুলতান মিয়া (৩৮), প্রধান ব্যবস্থাপক বরিশালের সাঈদ আহমদ (৩২), ব্যবস্থাপক উখিয়ার জালিয়াপালং এলাকার মোহাম্মদ সাইদ (৩০) এবং সহকারী ব্যবস্থাপক চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতি এলাকার জাহিদ হোসেন সুমন (২৯)। রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁর কর্মরত ১৯ জনকে মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।</p><p>তবে রিসোর্টের আরেক মালিক নেওয়াজ মোরশেদের নাম এজাহারে নেই। ভুলক্রমে বাদ পড়া তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি আতিকুর রহমান।</p><p>মামলার চার নম্বর আসামি জাহিদ হোসেনকে ১৮ অক্টোবর বিকেলে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। তাঁর সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আদালত সূত্র জানায়, আজ বিকেল পর্যন্ত ওই আবেদনের শুনানি হয়নি। আগামীকাল মঙ্গলবার শুনানি হতে পারে। জাহিদ হোসেনকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p>

অক্টোবর ২৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”