শেষ হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, সাগর যাত্রায় ব্যস্ত জেলেরা

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকারের দেওয়া ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ ২৯ অক্টোবর মধ্যরাতে।

লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আটক ২

‎লক্ষ্মীপুর মাটি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলমকে (৫০) গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। 

লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আটক ২
মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় সাবেক ওসি ও এসআই কারাগারে

মাগুরায় বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে গুলি করে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় শালিখা থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ  (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ও উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল...

মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় সাবেক ওসি ও এসআই কারাগারে
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার
অপেক্ষার অবসান, টেস্টে সাদমানের তৃতীয় সেঞ্চুরি

অপেক্ষাটা এক রাতের। এক রানের আক্ষেপ নিয়ে শেষ হয়েছিল প্রথম দিনের খেলা।

অপেক্ষার অবসান, টেস্টে সাদমানের তৃতীয় সেঞ্চুরি
হরমুজ প্রণালি খুলতে আলোচনা চলছে: ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ বন্ধ ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালি আবারো খুলে দিতে একটি ‘সাত দিনের পরিকল্পনা’ নিয়ে তেহরান মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আর...

হরমুজ প্রণালি খুলতে আলোচনা চলছে: ইরান
টানা দ্বিতীয় দিন বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ছাড়াল

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

টানা দ্বিতীয় দিন বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ছাড়াল

সারা দেশ

View more
৮ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা
৮ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের ৮ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

Video news

Rss feed news

পাশাপাশি চার কবরে শায়িত একই পরিবারের চারজন
পাশাপাশি চার কবরে শায়িত একই পরিবারের চারজন

কক্সবাজারের উখিয়ায় রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত যশোরের একই পরিবারের চারজনকে ১১ দিন পর গ্রামের বাড়িতে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
দেশে ফল খাওয়া এখন বিলাসিতা
দেশে ফল খাওয়া এখন বিলাসিতা

উচ্চহারে শুল্ক–কর বসিয়ে বছরে ৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়। মানুষের নাগালছাড়া ফল।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
পরপর দুই দিন বাড়ল সোনার দাম, আজ ভরিতে ১,৬৩৩ টাকা
পরপর দুই দিন বাড়ল সোনার দাম, আজ ভরিতে ১,৬৩৩ টাকা

<p>আজ বৃহস্পতিবার দেশের বাজারে সোনার দাম আবার বেড়েছে। আজ সোনার দাম ভরিতে বেড়েছে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৩৩ টাকা।</p><p> গতকাল বুধবার সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়। ফলে দুই দিনে সোনার দাম বেড়েছে মোট ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এর আগে টানা চারবার সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা কমেছে। তারপর পর পর দুই দিন সোনার দাম বাড়ল। আজ রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে।</p><p>বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি গতকাল বুধবার সকালে সোনার দাম বাড়ার বিষয়টি জানিয়েছে। বলা হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি সোনার দাম বেড়েছে, তাই সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তবে বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম বেড়ে যাওয়া মূল কারণ। আজ সকাল ১০টায় সোনার নতুন দর কার্যকর হয়েছে।</p><p>নতুন দর অনুযায়ী, আজ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৭ টাকা; ১৮ ক্যারেটের সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৯১ টাকা; সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৮২ টাকা।</p><p>আজ মূল্যবৃদ্ধির আগে সোনার দাম ছিল এ রকম: ২২ ক্যারেটের সোনা ভরিপ্রতি ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা; ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা; সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা।</p><h3>বিশ্ববাজারে কমছে সোনার দাম</h3><p>চলতি বছর বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছেই। তবে ২৫ অক্টোবর যখন শেষবার সোনার দাম কমানো হয়, সেদিন সোনার দাম ছিল আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ৯৯৫ ডলার। আজ দাম ৪ হাজার ৩৫ ডলার। গতকাল দাম ছিল ৪ হাজার ৩৬ ডলার। অর্থাৎ এই সময় দাম বেড়েছে ৩৮ থেকে ৩৯ ডলার। তবে সামগ্রিকভাবে গত এক মাসে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ১১৬ ডলার কমেছে।</p><p>সাধারণত যুদ্ধ বা অনিশ্চয়তার মধ্যে সোনার দাম বাড়ে। তবে এবার ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, সোনার দাম উল্টো কমছে। এ সময় মার্কিন ডলারভিত্তিক বন্ডের সুদ বেড়েছে, ফলে বিনিয়োগকারীরা সেদিকে ঝুঁকেছেন। বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমে যাওয়ার এটাই মূল কারণ। গত ছয় মাসে সোনার দাম কমেছে ৫৭৮ ডলার।</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
৬৪ জেলায় হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াড ২০২৭
৬৪ জেলায় হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াড ২০২৭

<p>মেয়েদের গণিতচর্চায় আগ্রহী করে তুলতে এবং গাণিতিক সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে দেশজুড়ে আয়োজিত হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াড ২০২৭। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে নিবন্ধন, চলবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। বাংলাদেশ গার্লস ম্যাথমেটিকস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই অলিম্পিয়াডে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মেয়েরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।</p><p>দেশের ৬৪টি জেলার শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে আঞ্চলিক পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ। এসব পর্বের মাধ্যমে প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে তাঁদের উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে। দীর্ঘ মেয়াদে আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত করাও এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। এর মধ্যে রয়েছে ইউরোপিয়ান গার্লস ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড।</p><p>শিক্ষার্থীরা প্রাইমারি, জুনিয়র, সেকেন্ডারি ও হায়ার সেকেন্ডারি বিভাগে অংশ নিতে পারবে। প্রাইমারি বিভাগে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। জুনিয়র বিভাগে অংশ নেবে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। সেকেন্ডারি বিভাগের জন্য রয়েছে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে হায়ার সেকেন্ডারি বিভাগে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/events/ynhx4if73v">আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের পদক</a></aside><p>অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভাগ নির্ধারণ করা হবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত শ্রেণী বিবেচনায়। তাই ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন ফর্মে একাদশ শ্রেণি নির্বাচন করতে হবে। তবে ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া শিক্ষার্থীরা এই অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে পারবে না।</p><p>জাতীয় অলিম্পিয়াডে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের জাতীয় গণিত ক্যাম্পে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া বছরের বিভিন্ন সময়ে আবাসিক ও অনাবাসিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। প্রাথমিক ও আঞ্চলিক পর্বে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদেরও এসব ক্যাম্পে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/57ksjgxi/Event.PNG"></figure><p>এই অলিম্পিয়াডে অংশ নিতে কোনো নিবন্ধন ফি লাগবে না। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের <a href="https://bgmf.bd/events/bkzgmf26?utm_source=chatgpt.com">আয়োজকদের ওয়েবসাইটে</a> গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের শেষ তারিখ ১০ নভেম্বর ২০২৬।</p><p>এই আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/events/oop1m2khwp">অস্কার ক্লেইন মেডেল পেলেন বাঙালি বিজ্ঞানী অশোক সেন</a></aside>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে
গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ সর্বকালের রেকর্ড ভেঙেছে

<p>বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই–অক্সাইডের ঘনত্ব সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)। এ তথ্য প্রাক্‌-শিল্পায়নের সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি মানবসভ্যতা ও বৈশ্বিক অর্থনীতির সুরক্ষায় কার্বন নির্গমন কমানোর জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।</p><p> বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দেওয়া তথ্যানুযায়ী ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বায়ুমণ্ডলে কার্বনের পরিমাণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই–অক্সাইডের ঘনত্ব হচ্ছে প্রতি ১০ লাখ ভাগের ৪২৬.৮ অংশ বা ৪২৬.৮ পিপিএম। এটি প্রাক্‌-শিল্পায়ন সময়ের মাত্রার ১৫৩ শতাংশ। এই অবিরাম বৃদ্ধি আগামী বছরগুলোতে পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল কো ব্যারেট জানান, আরেকটি বছর মানেই আরেকটি নতুন রেকর্ড। গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো বায়ুমণ্ডলে অভূতপূর্ব তাপ আটকে রাখছে, যা তীব্র চরম আবহাওয়া তৈরি করছে এবং আমাদের অর্থনীতি ও সমাজের জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।</p><p>কো ব্যারেট আরও জানান, কার্বন ডাই–অক্সাইডের দীর্ঘস্থায়িত্ব রয়েছে। এটি কেবল আগামী বছরগুলোতে নয়, আগামী কয়েক দশক, এমনকি কয়েক শতাব্দী ধরে জলবায়ুকে প্রভাবিত করবে। নবায়নযোগ্য শক্তি ও নেট জিরো লক্ষ্যমাত্রার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। ১৯৬০–এর দশকে কার্বন ডাই–অক্সাইড বৃদ্ধির গতি ছিল বছরে শূন্য দশমিক ৮ পিপিএম। ২০১১ থেকে ২০২০ সালের দশকে এই গতি বেড়ে বছরে ২ দশমিক ৪ পিপিএম হয়েছে। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই–অক্সাইডের গড় ঘনত্ব বেড়েছে ২ দশমিক ৮ পিপিএম।</p><p>বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ওক্সানা তারাসোভা জানান, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের শক্তিশালী এল নিনোর পর ২০২৫ সালে বনের আগুন কমেছে এবং মাটির কার্বন ধারণক্ষমতা পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেখা গেছে। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এবং ২০২৬ সালে নতুন করে শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে কার্বনের ঘনত্ব আরও বাড়বে।</p><p>১৯৯০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে জলবায়ুর ওপর উষ্ণায়ন প্রভাব ৫৬ শতাংশ বেড়েছে। এই বৃদ্ধির ৮১ শতাংশই ঘটেছে কেবল কার্বন ডাই–অক্সাইডের কারণে। কার্বনের পাশাপাশি মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডের মাত্রাও রেকর্ড গড়েছে। বায়ুমণ্ডলে উষ্ণায়ন প্রভাবের ১৬ শতাংশের জন্য দায়ী মিথেন গ্যাসের ঘনত্ব দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪৮ পিপিবি (পার্টস পার বিলিয়ন), যা ১৭৫০ সালের প্রাক্‌-শিল্পায়ন মাত্রার ২৬৭ শতাংশ। নাইট্রাস অক্সাইডের ঘনত্ব দাঁড়িয়েছে ৩৩৯ দশমিক ১ পিপিবি, যা আগের তুলনায় ১২৬ শতাংশ। বিদ্যুতায়নের দিকে বিশ্ব এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সালফার হেক্সাফ্লোরাইড গ্যাসের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। কার্বনের চেয়ে ২৪ হাজার ৩০০ গুণ বেশি শক্তিশালী এই গ্রিনহাউস গ্যাস বায়ুমণ্ডলে ১০০০ বছরের বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে।</p><p>ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের জলবায়ুবিজ্ঞানী জোয়েরি রফেল বলেন, ‘বায়ুমণ্ডলে জমা হওয়া জলবায়ুদূষণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে। গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির গতি আগের দশকের চেয়ে কিছুটা ধীর হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের উল্টো দিকে আমরা হাঁটছি।’</p><p>এক্সটার ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল কার্বন সাইকেল বিশেষজ্ঞ পিয়েরে ফ্রিডলিংস্টাইন বলেন, ‘আসন্ন বছরগুলোতে আমরা প্রাক্‌-শিল্পায়ন সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণায়নের সীমা অতিক্রম করব। ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা রাখতে হলে দ্রুত ও গভীরভাবে গ্রিনহাউস গ্যাস কমানো জরুরি। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নেট জিরোতে না নামানো পর্যন্ত এই ধ্বংসাত্মক পরিবর্তন থামবে না।’</p><p>প্রিস্টলি সেন্টার ফর ক্লাইমেট ফিউচারসের পরিচালক পিয়ার্স ফরস্টার জানান, ২০২৫ সালে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকে পেছনে ফেলেছে। ডেটাসেন্টার এবং এসির কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও সেই ঘাটতি নবায়নযোগ্য শক্তি দিয়ে পূরণ করা গেছে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির বিদ্যুৎ উৎপাদন কিছুটা কমেছে। দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জলবায়ু বিপর্যয়ের তীব্র মুখোমুখি হতে হবে।</p><p>সূত্র: ডেইলি মেইল</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল
উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/15osgyhx/2.jpg"></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/v95rje7240">আমি হলাম গ্লোবাল ডিগবাজি স্টার: জায়েদ খান</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l2v7tpucaz">চাঁদ দখল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/kjqv1isuow">বন্ধু ফার্মেসি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/g9j6k83pp1">ডাব সমাচার</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/6dfwgsqw20">Lieসেন্স</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/6ivlyjbko1">চাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেন</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/u86yf3kq5z">অজুহাতের কামব্যাক</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l7r2uxvti0">রস+আলো নোবেল ২০২৬</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/72zdocu7yj">এলাকার ট্যালেন্টেড বড় ভাই রবীন্দ্রনাথ</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/dkgc2prfwa">কোথায় কোথায় কালি মাখানো যায়?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/z87t7zqecu">স্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদন</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tx4yiwxen9">সবজান্তা সমীপেষু</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bwluvlmmu8">বিবাহিত পুরুষ চেনার সহজ উপায়</a></aside>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের
জয়ের আশা বিএনপির প্রার্থীর, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ও জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
সময়ের কাহন
সময়ের কাহন

<p>প্রতিদিন পৃথিবীর নানা দেশে নানা খবরের কাগজে কত বিচিত্র সব খবর ছাপা হয়, তার সীমা–পরিসীমা নেই। খবরের পেছনে কত কাহিনি, কত দীর্ঘশ্বাস লুকানো আছে বা থাকে, কেই–বা তা জানতে পারে বা শুনতে পায়?</p><p> বেশ ক’বছর আগে তেমনি এক খবর একদিন চোখে পড়েছিল। বাংলাদেশের প্রথম আলো নামের দৈনিক পত্রিকায় খবরটি প্রকাশ হয়। খবর হলো—রামপুরা বা তৎসংলগ্ন বাড্ডা এলাকায় বাড়ি নির্মাণের সময়ে চাঁদাবাজদের দাবি অনুযায়ী চাঁদা না দেওয়ায় ঘটেছে ভয়ংকর বিপত্তি। চাঁদাবাজরা বাড়ির প্রবাসী মালিকের স্ত্রীকে হুমকি দিয়েছে তাদের চাহিদা পূরণ না হলে তারা মালিকের স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে তুলে নিয়ে যাবে। ভয়ে মহিলা কন্যাসহ আত্মগোপন করে আছেন। স্বস্তির বিষয় হলো যে পুলিশ চাঁদাবাজদের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য তথ্য পেয়ে অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে।</p><p> এর কিছুদিন পর অস্ট্রেলিয়ার ‘দ্য হেরাল্ড সান ও দ্য এইজ’ কাগজে অদ্ভুত এক খবর ছাপা হলো। ইমিগ্রেশন লইয়ারের সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে—এই প্রথম দুজন বাংলাদেশি যুবক নিজেদের গে ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন পেয়েছে।</p><p>নিতান্ত সাদামাটা খবর। তবে গভীর মনোনিবেশসহকারে কান পাতলে খবরের পেছনের গল্পটি শোনা যাবে।</p><p>একসময়ে বঞ্চিত মানুষকে ক্ষীণ আশার আলো দেখাত নিবেদিত আত্মত্যাগী মানুষেরা। এখন ত্যাগীদেরও বিপ্লবী পরিবর্তন ঘটানোর চিন্তা উধাও, আবার সরল মানুষ ধর্মনিষ্ঠায়ও শান্তি পাচ্ছে না। নিবেদিত প্রাণ ধার্মিকের প্রতিও অযথা সন্দিহান কেউ কেউ। কারণ, ধর্ম এখন অসাধু মানুষেরা লুণ্ঠন করে ধর্মকে সন্দেহের আবর্তে ফেলে দিয়েছে। আত্মার শান্তির জন্য ধর্ম আর কষ্টকর অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য বিপ্লব সব যেন নাগালের বাইরে। সবাই নিজ নিজ স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। সবকিছু নিয়ে বাণিজ্য চলে। ভালোবাসা এক অমল অনুভূতি, তা–ও পণ্য হয়ে যায় কখনো বা আর মানুষ তা কিনেও নেয় বাধ্য হয়ে। নিঃসহায় মানুষ মরিয়া হয়ে বাঁচার পথ খুঁজতে গিয়ে আপস করে। পেশাজীবীর কূটপরামর্শে নিজ ইচ্ছার বিরুদ্ধেও অনেক কিছু মেনে নিতে বাধ্য হয়। বাঁচার প্রয়োজনে আত্মপরিচয়ও পাল্টাতে হয় কখনো–বা। তেমনি এই ঘটনার মূল চরিত্র দুই যুবক জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার জন্য অনন্যোপায় হয়ে খড়কুটোর মতো অদ্ভুত মিথ্যে এক ভালোবাসার ডালে আশ্রয় খুঁজে নেয়। দুজন দুর্দশা তাড়িত মানুষ টিকে থাকার জন্য নিজ পরিচয় বিসর্জন দিয়ে ভেক ধরে অন্য পরিচয় নিয়ে টিকে থাকে। আর তাদের অসহায়ত্ব ও কষ্ট থেকে আপাত ভালো মানুষেরা কীভাবে ফায়দা লুটে নেয়, তারও কাহিনি জানা যাবে।</p><p>ক.</p><p>ঘটনা প্রবাসী নাইমের। অনেক কষ্ট করে, বহু অপমান সহ্য করে ধার–দেনার মাধ্যমে অর্থ জোগাড় করে নাইমকে তার মা বিদেশে পাঠান। তবে ইচ্ছা করে নয়, বাধ্য হয়ে। নাইম যখন মায়ের গর্ভে, তখন তার বাবা মারা যান। আসলে তাঁকে খুন করা হয়। নাইমের বাবার পরিচয় বিচিত্র। কারও চোখে তিনি ত্যাগী, পরিবর্তনের বা বিপ্লবের স্বপ্নে বিভোর একজন মানুষ, কারও কাছে সমাজবিরোধী, আইনভাঙ্গা এক দুঃষ্কৃতকারী। নিজের স্বার্থে যিনি কণামাত্র দুষ্কর্ম কোনোদিন করেননি, তাঁর কপালেই জুটল কি না দুষ্কৃতকারী শিরোপা। নাইমের মা ভুল পথে পা ফেলার জন্য, ভুল মতের মানুষের সঙ্গে জীবন জড়ানোর জন্য আপনজন থেকে বিতাড়িত। যা হোক, শিক্ষাদীক্ষা আয়ত্তে ছিল বলেই ব্যাংকে ক্যাশিয়ারের কাজ জুটিয়ে ঊষর জীবননদীর নাব্যতা ধরে রেখেছিলেন। নিজ ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দুঃখী মানুষকে সুখী ও সুন্দর জীবন এনে দেওয়ার যে স্বপ্ন নাইমের মা নিজেও লালন করতেন, স্বামীর অকালমৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সে স্বপ্নেরও সমাপ্তি ঘটল।</p><p>নাইমের কিশোর বয়সে মা সব একে একে খুলে বলেছিলেন তাকে। নিজেদের মতপথ, স্বপ্ন, দ্বিধাদ্বন্দ্ব, মার খাওয়া, পিছিয়ে যাওয়া সব উগড়ে দিয়েছিলেন ছেলের কাছে। তবে সব শেষে বলেছিলেন—</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>—শোন বাবা আমাদের মতো স্বপ্ন দেখিস না, স্বপ্নের পেছনে ছুটিস না। স্বপ্নভঙ্গের কষ্ট অসহ্য। তবে একটা কথা বলি, কখনো অন্যের ক্ষতি করো না, পারলে উপকার করো। দেখবে আর কিছু না থাকুক শান্তি থাকবে তোমার অন্তরে।</p><p>নাইম গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকতে পছন্দ করত। বন্ধু–বান্ধব খুব একটা ছিল না তার। গায়ে পড়া মানুষের ডাকাডাকি, হইহল্লা এড়ানোর জন্য নাইম নিজের জন্য এক পন্থা বের করল। কানে না শোনার ভান করত সে। বিষয়টা জানতেন কেবল তার মা।</p><p>নাইমের মায়ের ব্যাংকের গ্রাহক এক মহিলার বদান্যতায় তারা খুব সস্তায় বাড়িভাড়া পেয়ে গেল। মহিলার স্বামী পরবাসী। গুলশান-বাড্ডার সীমান্তে টিনশেড পাকা তিন কামরার বিল্ডিংয়ে সন্তানদের নিয়ে থাকতেন মহিলা। গাছপালা ঘেরা প্রশস্ত উঠোন। তারই এক কামরায় নাইমরা ঠাঁই পায়। তখন নাইমের বয়স এগারো কি বারো বছর। ধীরস্থির স্বভাব তবে নানাভাবে কিছু না কিছু কাজে সব সময়ে নিজেকে ব্যস্ত ও মগ্ন রাখে। বাড়িওয়ালির সাত ও পাঁচ বছরের ছেলে দুটির কাছে নাইম যেন হ্যামেলিনের বাঁশিওয়ালা। সারাক্ষণ নাইমের পেছন পেছন ঘুরঘুর করে বেড়ায় দুই ভাই। মেধার কারণে বাড়িওয়ালির ছোট ছোট ছেলে মেয়ে তিনটির শিক্ষকও হয়ে ওঠে নাইম। তিন বছর পর ছুটিতে দেশে এসে বাড়ির মালিকও নাইমকে দেখে সন্তুষ্ট হলেন খুব। স্ত্রীকে বলেন</p><p>—শোন নাইম আর আমাদের ছোট দুই ছেলেকে মাঝখানের ঘরে থাকতে দাও। ছেলেটা ভালো, ওর সঙ্গ আমাদের বাচ্চাদের জন্য ভালোই হবে।</p><p>ছেলেদের সঙ্গে এক কামরায় নাইমের থাকার জায়গা মিলে যায়। এটা ছিল নাইমের মায়ের আশাতিরিক্ত প্রাপ্তি। নাইমের মা–ও মহিলাকে অনেক সাহায্য–সহযোগিতা করতেন, বাইরের অনেক কাজ সানন্দে করে দিতেন।</p><p>বিত্তবানের এলাকা গুলশানের বাসিন্দাদের সুবিধার জন্য রাস্তাঘাট তৈরি হচ্ছিল। গুলশান সীমান্তে নাইমদের বাসস্থানও পেয়ে গেল চমৎকার অবস্থান। আগের কাদাকংক্রিটে মাখামাখি গলিঘুপচি উধাও। এখন বাড়ির সামনেই পিচঢালা মোটরচলা গলিপথ। তারপর দুই বাড়ি পার হলেই বিশাল সড়কে পা রাখা। গাড়ি–বাস যাচ্ছে–আসছে। রাস্তায় ভাঙাচোরা, খানাখন্দ কিছু নেই। নাইমের মা এখন কাদাহীন সড়ক ধরে হেঁটে গুলশান ব্রাঞ্চে অফিস যেতে পারেন। রাস্তাঘাটের উন্নতির কারণে জায়গার দাম বাড়ল। বাড়িওয়ালি সাদাসিধা জীবনযাপন করে নীরবে বিদেশি টাকা সঞ্চয় করে রাখছিলেন। একসময়ে বাড়ি তৈরির আয়োজন শুরু করেন। নাইমের মায়ের সাহায্য মহিলার অনেক কাজ সহজ করে দিল। ঋণ পাওয়া, সরকারি দপ্তরে বাড়ির নকশার অনুমোদন বা বাড়ির প্ল্যান পাস করানোর মতো জটিল কাজগুলো সহজ হলো নাইমের মায়ের সহযোগিতায়।</p><p>নিতান্ত সাদামাটা জীবনযাপনের কারণে জৌলুশহীন টিনশেড দালানে বাস করা মানুষের প্রতি আশপাশের কারোর কোনো আগ্রহ ছিল না। বরং অবজ্ঞাই ছিল বলা যায়। সমস্যা শুরু হলো নির্মাণকারী লোকজন এসে যখন মাপজোক, ভাঙচুর করার কাজে হাত দিল। আশপাশের মানুষের চোখে বিস্ময় আর অন্তরে গোপন জ্বালা। এত দিন যাদের পাত্তা দেওয়ার মতো যোগ্য মনে করত না, তাদের অবস্থার উন্নতি অসহনীয় লাগল। এই তুচ্ছ মানুষগুলো তাদের উঠোনের একপাশে ছোট পাখির বাসা না ভেঙেই অট্টালিকা তৈরিতে হাত দিয়েছে! চারদিকে ঈর্ষার তুষ ধিকিধিকি জ্বলে উঠল। মানুষের হিংসার আগুন তাদের পুড়িয়ে মারতে উদ্যত হলো। পরশ্রীকাতর প্রতিবেশীদের লেলিয়ে দেওয়া গুন্ডাদের চাঁদা দিয়ে নিরস্ত করবে ভেবেছিল বাড়িওয়ালি। তবু রেহাই মিলল না। একজন প্রতিবেশী এক সন্ধ্যায় এসে বাড়ির নকশা পরিবর্তনের দাবি জানালেন। কারণ, তাঁর বাগানে ছায়া ফেলবে মহিলার ইমারত। মহিলা নম্রভাবে নকশা পরিবর্তন করা যাবে না বলে জানালেন। মহিলার যুক্তি আইনসংগত। কারণ, সরকার নকশা অনুমোদন করেছে সবকিছু খতিয়ে দেখে। ওই প্রতিবেশী অশালীন ভাষায় মহিলাকে শাসিয়ে যান। বাড়িওয়ালির স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে গুন্ডা লেলিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়।</p><p>নাইম তার নিভৃত নিঃশব্দ জীবনের সঙ্গী ক্যাসেট রেকর্ডারে পুরো হুমকি–ধমকি রেকর্ড করে। তারপর সে যে কাণ্ড করে তাতে বাড়িওয়ালি মহিলার নিরাপত্তা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। তবে সে কাণ্ড নাইমকে ঠেলে দেয় তোপের মুখে।</p><p>পুলিশ, মানবাধিকার সংস্থা, নারী সংগঠন, এমনকি দেশ–বিদেশের সংবাদমাধ্যমেও বিষয়টি আলোড়ন তুলে। কারণ, সবার কাছে হুমকির ক্যাসেট পৌঁছে গেছে। আর এদিকে আরেক কাণ্ড। রেকর্ড করা ব্যক্তিকে হন্যে হয়ে খুঁজে ফিরছে ভাড়াটে খুনি।</p><p>এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আদম ব্যাপারী ধরে নাইমকে বিদেশ পাঠানোর আয়োজন করে নাইমের মা। বাড়িওয়ালি মহিলা নামাজ পড়ে নাইমের জন্য দোয়া তো করছিলই টাকা পয়সা দিয়েও নাইমের মাকে যথাসাধ্য সাহায্য করছিল। প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছেড়ে পালানোর সময় নাইমের মা ওকে বলেছিল—</p><p>—বাবা দেশে আর ফিরিস না, পারলে ধারদেনা যা করেছি তা শোধ করার জন্য সময়সুযোগমতো টাকা পাঠাবি।</p><p>বিদেশগামীর কাছে আত্মীয়পরিজনের নিতান্ত সাদামাটা এতটুকু প্রত্যাশা থাকেই। নাইমের মা বেচারি ঋণগ্রস্ত। এদিকে বিদেশের টাকায় ঋণশোধ করার বদলে নাইম আরও ঋণ, আরও অদ্ভুত সব শর্তের দাসখত মেনে নিতে বাধ্য হয়। নাইমের ছয় সপ্তাহের ট্যুরিস্ট ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একজন পাকাপাকি থাকার ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্য তাকে পরোপকারী এক দাড়িওয়ালা ভাইয়ের কাছে নিয়ে যায়। বিনয়ী ভাইকে আল্লাহ তাআলার ফেরেশতা মনে হলো যখন উনি বললেন—</p><p>—ইনশা আল্লাহ উপায় একটা বার হবেই।</p><p>তবে তার পরের বাক্য শুনে নাইম আঁতকে উঠল</p><p>—দরকার হলে রেসিডেন্সি পাওয়ার জন্য কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ করিয়ে দেব। টাকাপয়সা যা লাগে আপাতত আমিই দেব, পরে রোজগারপাতি করে সুদে আসলে ফেরত দিও।</p><p>দেখতে মুমিন দাড়িওয়ালা ভাইয়ের কল্যাণে কাজও একটা জুটে গেল। তারই বাড়ির গ্যারেজে বসে খাবারের কৌটার লেভেল পাল্টানোর কাজ। মেয়াদ শেষ হওয়া খাবারের কৌটার পুরোনো লেভেল ছিঁড়ে ফেলে নতুন ঝকঝকে লেভেল লাগানো। ইসরায়েলের আম, ইতালির অলিভওয়েল, ইন্ডিয়ার শর্ষের তেল আরও কত কি। কাজটা শুধু তুচ্ছ নয় অনৈতিকও বটে। স্বল্পভাষী নাইমের সামনে উন্মোচিত হওয়ার আকুতি নিয়ে আর এক অন্ধকার জগৎ হাজির হলো।</p><p>নিরুপায় নাইম লেভেল পাল্টাতে পাল্টাতে ভালো মানুষ ভাইয়ের অপেক্ষা করে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার অল্প কদিন আগেই দাড়িওয়ালা ভাই এলেন।</p><p>—না, কন্ট্রাক্ট ম্যারেজের জন্য মেয়েদের পাওয়া গেল না। ওই ফিলিপিনো মেয়েগুলো বদের হাড্ডি। উড়নচণ্ডী মেয়ে কোথায় গেছে কে জানে। চল ইমিগ্রেশন লইয়ারের কাছে যাই ওই ব্যাটা একটা না হয় আরেকটা পথ বার করবেই। বরিশালের হাকিমকেও নিয়ে যাব। পড়শু দিন তোমাদের দুজনকে একসঙ্গে নিয়ে যাব।</p><p>খ.</p><p>মুরব্বি দাড়িওয়ালা ভাই চলে যাওয়ার পর পরই হাকিম তার কাহিনি শুরু করল। হাকিম তার হতভাগী বোনের শ্বশুরের যৌতুকের দাবি মেটাতে না পেরে ক্ষুব্ধ ও রাগে ফুঁসছিল। একদিন বইঠা তুলে এমন গাট্টা দেয় বুড়োকে যে হসপিটালে যাওয়া ছাড়া বুড়োর আর কোনো উপায় থাকে না। হাকিমও জান বাঁচানোর জন্য বিদেশে পাড়ি দেয়। তারও কাঁধে বিরাট ঋণের দায়। বিদেশে থেকে যেতে সেও মরণপণ করে উপায় খুঁজছে। হাকিমও নাইমের সঙ্গে সজ্জন(!) ভাইটির ওখানেই কাজ করছিল। হাকিম কীভাবে যেন শুনেছে মুমিন(?) ভাইটির ব্যবসা এক ইহুদির সঙ্গে যৌথমালিকানায়। নাইম-হাকিমদের মতো অসহায় মানুষদের ঋণের দাসখতে আটকে রেখে খুব কম মজুরিতে কাজ করিয়ে নেয় এরা। অন্যায় দেখেও চুপ করে থাকে ভয়ে। কারণ, তাদেরকে ইমিগ্রেশনের ভয় দেখিয়ে প্রায় দাস করে রেখেছে ধার্মিক(?) ভাইটি ও তার ইহুদি বন্ধু। আপাত ভালোমানুষ ধার্মিক ভাইটির উদার সাহায্যের পেছনে যে কুমতলব কাজ করে, তা জানে নাইম ও হাকিমের মতো দুর্ভাগারা।</p><p>নাইম কথাবার্তা তেমন বলেই না। হাকিম দেখল ওকে কিছু বললে পাঁচকান হবে না। মন খুলে সে নাইমকে অনেক কথা বলে। একদিন বলল—</p><p>—জানেন ভাই আমি একটা বিষয় আবিষ্কার করে ফেলেছি।</p><p>নাইম স্বভাবগতভাবে কথাটি না বলে জিজ্ঞাসু চোখে তাকাল। তখন হাকিম উৎসাহ নিয়ে কথা চালিয়ে গেল—</p><p>—শুনেন ভাই মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব নয়, সে হচ্ছে সৃষ্টির সেরা লোভী। আর এইটাই আমার আবিষ্কার। দেখেন এই যে মুমিনের আদলের দাড়িওয়ালা ভাই পুরোনো খাবারের জিনিসের লেবেল ছিঁড়ে নতুন লেভেল লাগানোর ব্যবসা করে তাতে তার নামাজরোজা, কলমাকালাম কিছুই উৎসাহ দেয় না। উৎসাহ জোগায় তার লোভ, বুঝলেন ভাই।</p><p>তবে দেখতে মুমিন কাজকর্মে কমিন মানুষটি কথা রেখেছেন। ওদের নিয়ে ঠিক সময়ে উকিলের কাছে পৌঁছে গেলেন। উকিলের কথাবার্তা পয়সায় বিকোয় তাই মূল্যবান আর সংক্ষিপ্ত। উকিল ভদ্রলোক বললেন,</p><p>—দেখ তোমাদের এ দেশে টিকে থাকার একটা উপায়ই দেখতে পাচ্ছি, তা হচ্ছে যদি তোমরা নিজেদের ‘গে লাভার’ ঘোষণা কর। বাংলাদেশের দুজনকে এই গ্রাউন্ডে রেসিডেন্সি পাইয়ে দিয়েছি।</p><p>অসহায় দুজন মানুষকে জীবনযুদ্ধে টিকে থাকার জন্য অদ্ভুত এক লেবাস ধারণ করতে হলো, আইনের ফাঁদে অভিনব এক ভালোবাসায় শাখায় আশ্রয় নিতে হলো।</p>

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত ৬৮ জনের মৃত্যু, তিন দিনের শোক ঘোষণা
স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত ৬৮ জনের মৃত্যু, তিন দিনের শোক ঘোষণা

স্পেনে মাদ্রিদের কাছে দুটি দ্রুতগামী ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। এদিকে, ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের বেশিরভাগ ভোট গণনায় বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের জোট কোনোটিই সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্টতা পায়নি।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
তুরাগ নদে ভাসছিল বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ
তুরাগ নদে ভাসছিল বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ

ঢাকার উত্তরখানে তুরাগ নদ থেকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক একজন কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে ফ্লাভিও বোলসোনারোর দাবি, ব্রাজিল থেকে তিনি পালাননি
যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে ফ্লাভিও বোলসোনারোর দাবি, ব্রাজিল থেকে তিনি পালাননি

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রোববার হেরে যাওয়ার পর দেশটির সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে গেছেন। সেখানে পৌঁছেই তিনি দাবি করেছেন যে, মাতৃভূমি ছেড়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছাই তার ছিল না।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
পত্রিকা: 'চিকিৎসা খরচের চাপে দারিদ্র্যসীমার নিচে ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ'
পত্রিকা: 'চিকিৎসা খরচের চাপে দারিদ্র্যসীমার নিচে ১ কোটি ৮ লাখ মানুষ'

চিকিৎসাবাবদ খরচের চাপে দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি; আইইডিসিআরে 'মব' করে পরিচালককে মারধর; আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে জাতিসংঘে শেখ হাসিনার আবেদন– আরো যেসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
আমাজনের গহীনে এক সভ্যতায় লাখ লাখ মানুষের বাস ছিল একসময় - জানালো লেজার প্রযুক্তি
আমাজনের গহীনে এক সভ্যতায় লাখ লাখ মানুষের বাস ছিল একসময় - জানালো লেজার প্রযুক্তি

আমাজন রেইনফরেস্টের নিচে হাজার হাজার বছর আগে নির্মিত এমন সব কাঠামো আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা, যা এখানকার মানব বসতির ইতিহাস নতুন করে লিখতে সাহায্য করে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
নাটোরে ছাত্রদল নেতা হত্যা, ছেলে রিমান্ডে যাওয়ার পর কী বলছেন বিএনপি'র এমপি
নাটোরে ছাত্রদল নেতা হত্যা, ছেলে রিমান্ডে যাওয়ার পর কী বলছেন বিএনপি'র এমপি

এ ঘটনায় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলেকে আটকের পর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক। পাশাপাশি গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার?
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার?

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী পহেলা নভেম্বর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বাড়তি বেতন দেওয়া শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। আর এর জন্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ টাকা ঋণ করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
লগি-বৈঠা সহিংসতার ২০ বছর: আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আগে যা যা ঘটেছিল
লগি-বৈঠা সহিংসতার ২০ বছর: আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আগে যা যা ঘটেছিল

২০০৬ সাল, সেই বছরের ২৮শে অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের পাল্টা-পাল্টি সমাবেশ ঘিরে রীতিমত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল ঢাকার পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকা। লাঠি-সোটা ও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সেখানে রক্তক্ষয়ী এক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দল দু’টির নেতাকর্মীরা।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
সমু চৌধুরীর চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘ
সমু চৌধুরীর চিকিৎসার উদ্যোগ নিয়েছে অভিনয়শিল্পী সংঘ

এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সমু চৌধুরীর অপ্রকৃতিস্থ জীবনযাপনের চিত্র এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাইজিংবিডিতে সংবাদ প্রকাশের পর ভোলায় মসজিদের জমি নিয়ে বিরোধের অবসান
রাইজিংবিডিতে সংবাদ প্রকাশের পর ভোলায় মসজিদের জমি নিয়ে বিরোধের অবসান

সংবাদ প্রকাশের ইতিবাচক ফল পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মসজিদ কমিটির সভাপতি কালু মিয়া। তিনি বলেন, “দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল রাইজিংবিডিতে আমাদের মসজিদের সংবাদটি প্রকাশের পর তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদের সত্যতা ও গুরুত্বের কারণেই মূলত আজ এই বিরোধের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয়েছে। রাইজিংবিডি এভাবেই সবসময় সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরুক- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
সাজেকে চলছে অষ্টমদিনের অবরোধ
সাজেকে চলছে অষ্টমদিনের অবরোধ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্রের সড়কে অষ্টম দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
পদ্মাপাড়ে খেতুরীধামে ভক্তের মহামিলন
পদ্মাপাড়ে খেতুরীধামে ভক্তের মহামিলন

পদ্মার ঢেউয়ে বিকেলের রোদ যখন সোনালি আভা ছড়ায়, বরেন্দ্রভূমির লালচে মাটির পথ ধরে যখন হেমন্তের বাতাস বয়ে যায়, তখন রাজশাহীর প্রেমতলী যেন ইতিহাসের এক নীরব দরজা খুলে দেয়। নদী, প্রকৃতি আর জনপদের সেই আবহে জেগে আছে শ্রীনরোত্তম দাস ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত খেতুরীধাম।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
ময়মনসিংহে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুই বোনের মৃত্যু
ময়মনসিংহে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুই বোনের মৃত্যু

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় মায়ের সঙ্গে যাওয়ার সময় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় আরবিয়া (৮) ও রাবিয়া (৬) নামে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
সাদমানের সেঞ্চুরির বিশাল ধাক্কা বাংলাদেশের
সাদমানের সেঞ্চুরির বিশাল ধাক্কা বাংলাদেশের

সাদমানের বিদায়ের পরপরই বাংলাদেশ শিবিরে আরেকটি ধাক্কা লাগে। কোনো রান যোগ করার আগেই ফিরে যান হৃদয়।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
শুরুর আধা ঘণ্টা আগে গাজীপুর প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত
শুরুর আধা ঘণ্টা আগে গাজীপুর প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত

ভোট গ্রহণ শুরুর মাত্র আধা ঘণ্টা আগে গাজীপুর প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
মুন্সীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ২২৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়
মুন্সীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে ২২৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়

মুন্সীগঞ্জের ছয় উপজেলায় ২২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬