সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুমকি মমতার
রাজধানীর ইসিবি চত্বর-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত নিউ গিনি প্রোপার্টিজের আবাসন প্রকল্পে জমির মালিকানা নিয়ে আবার সংঘর্ষ হয়েছে।
পরিস্থিতি চরম রূপ নিলে প্রয়োজনে বিচার চেয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত—সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, পুলিশের পরোক্ষ মদতে সারা রাত ধরে তাণ্ডব চালিয়েছে বিজেপির গ...
ভারতে থাকা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে সরকারিভাবে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ।
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বিএনপি কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্...
কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এক যুবকের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন কুড়িগ্রাম পৌরসভার কর্মচারী মনছুর আলী। এ সময় তার স্ত্রী স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়।
“১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান ছিল ক্ষমতালোভী উশৃঙ্খল অফিসারদের বিশৃঙ্খলা থামাতে এবং ঔপনিবেশিক আমলের বৈষম্যমূলক নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তনের লক্ষ্যে সাধারণ সিপাহীদের এ...
উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুরে ধীরে ধীরে শীতের আমেজ বাড়তে শুরু করেছে। দিনে গরম অনুভূত হলেও সন্ধ্যার পর থেকে বাড়ছে শীতের অনুভূতি। বিশেষ ভোরে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীতের আগমনী বার্তায় অনেকে গরম কাপড় বে...
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<p>আগামী ১ জানুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে ৩১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)। ১৯৯৫ সাল থেকে ডিআইটিএফ আয়োজিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন আগারগাঁওয়ে এই মেলা আয়োজন করা হলেও ২০২২ সাল থেকে তা নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের পূর্বাচলে যৌথভাবে আয়োজন করে আসছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।</p><p>এবার ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে প্রধান অতিথি হিসেবে এ মেলার উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আর বিশেষ অতিথি থাকবেন বাণিজ্যসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক। ইপিবি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।</p><p>মাসব্যাপী এবারের মেলা আয়োজনের জন্য গত ২৯ অক্টোবর ছয়টি খাতে পণ্য সরবরাহ, বিভিন্ন সেবা ও অবকাঠামোগত কাজের দরপত্র আহ্বান করেছে ইপিবি। এসব কাজের মধ্যে রয়েছে মেলার অবকাঠামো নির্মাণ, সাজসজ্জা, নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও প্রচার-প্রচারণা।</p><p>দরপত্র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গত মঙ্গলবার থেকে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে দরপত্র নেওয়া শুরু করেছে ইপিবি। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৭ নভেম্বর বিকেল চারটা। ১৮ নভেম্বর বেলা ১১টায় দরদাতাদের উপস্থিতিতে দরপত্র খোলা হবে।</p><p>ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ গতকাল বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এবারের মেলায় বিদেশিদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর সঙ্গে আমরা জুম প্ল্যাটফর্মে বৈঠক করেছি। চিঠিও দিয়েছি তাদের। এবার বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ভালো সাড়া পড়বে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’</p><p>প্রতিবছর বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একটি পণ্যকে ‘বর্ষপণ্য’ বা ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ ঘোষণা করা হয়। ২০২৬ সালের জন্য পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং ছিল বর্ষপণ্য। এবারের বর্ষপণ্য ঠিক করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাইলে ইপিবি ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, এখনো না। তবে কাজ চলছে।</p><p><strong>ছয়টি ভাগে মেলার কাজ</strong></p><p>ছয়টি লটে মেলার বিভিন্ন কাজ ভাগ করা হয়েছে। প্রথম লটে রয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন ও সংশ্লিষ্ট সরবরাহের কাজ। এর মধ্যে আমন্ত্রণপত্র, স্মারকগ্রন্থ, গাড়ির স্টিকার, ভিআইপি ও সাধারণ পাস, ফোল্ডার, লেটারহেডসহ বিভিন্ন সামগ্রীর নকশা, মুদ্রণ ও সরবরাহ করার কাজ রয়েছে।</p><p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে বাংলাদেশ সচিবালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, সড়ক, সড়কদ্বীপ, চত্বর ও ফুটওভারব্রিজে সাজসজ্জা ও প্রচারসামগ্রী স্থাপন করতে হবে। বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফইসি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ, আসনব্যবস্থা, আলোকসজ্জা, সাজসজ্জা, স্থিরচিত্র ও ভিডিও ধারণের কাজও এ লটের অন্তর্ভুক্ত। দেশি-বিদেশি অতিথিদের জন্য উপহারসামগ্রী সরবরাহের কাজও রয়েছে।</p><p>দ্বিতীয় লটে রয়েছে মেলার মূল অবকাঠামো নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজ। এর মধ্যে প্রদর্শনী হলের ভেতরে ও বাইরে স্টল, প্যাভিলিয়ন, খাবারের দোকান, বিভিন্ন বুথ এবং অস্থায়ী নামাজের স্থান নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া মেলা সচিবালয়ের সাজসজ্জা, টেবিল-চেয়ার সরবরাহ এবং সীমানাপ্রাচীরের টিন দিয়ে আবৃত করার কাজ রয়েছে।</p><p>বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রচার এবং ইপিবির কার্যক্রম তুলে ধরতে একটি প্রদর্শনী স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে দ্বিতীয় লটে। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদদের স্মরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গ্যালারি বা প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের বসার জায়গা, কফি কর্নার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। মেলার প্রধান ও ভিআইপি ফটক নির্মাণ এবং পুরো প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন ও আলোকসজ্জার কাজও এ লটের আওতায় থাকবে।</p><p>তৃতীয় লটে রয়েছে মেলা চলাকালে প্রদর্শনী হল, টয়লেট, উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ, সামনের সড়ক ও গাড়ি পার্কিং এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। আবর্জনা সংগ্রহ ও অপসারণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বর্জ্যের ঝুড়ি সরবরাহ করতে হবে।</p><p>চতুর্থ লটে মেলার প্রচারের জন্য প্রামাণ্যচিত্র, প্রচারমূলক ভিডিও, টেলিভিশন বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি এবং সরবরাহের কাজ রাখা হয়েছে। ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, এক্স, লিংকডইনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে প্রচার চালাতে হবে। প্রচারের ফলাফলের পাশাপাশি পরিসংখ্যানও ইপিবিকে দিতে হবে।</p><p>পঞ্চম লটে রয়েছে মেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ। এ জন্য প্রশিক্ষিত বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও পরিচালনা, আর্চওয়ে ও হাতে বহনযোগ্য ধাতব বস্তু শনাক্তকরণ যন্ত্র স্থাপন এবং যানবাহন তল্লাশির সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে।</p><p>ষষ্ঠ লটে রয়েছে সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজনের কাজ। এর মধ্যে রয়েছে মঞ্চ নির্মাণ, আলোকসজ্জা, শব্দব্যবস্থা, এলইডি পর্দা, ছবি ও ভিডিও ধারণ, আমন্ত্রণপত্র তৈরি এবং সেরা প্যাভিলিয়ন, স্টল ও রেস্তোরাঁর জন্য ট্রফি ও সনদ সরবরাহের কাজ।</p><p>ইপিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি লটের জন্য আলাদা দরপত্র জমা দিতে হবে। দরপত্রের কাগজপত্র ইপিবির প্রশাসন শাখা, টিসিবি ভবন, কাওরান বাজার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। প্রতিটি লটের দরপত্র দলিলের মূল্য এক হাজার টাকা, যা ফেরতযোগ্য নয়। দরপত্র জমা দেওয়ার ঠিকানা ইপিবির প্রশাসন শাখা। আরও বলা হয়, কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই যেকোনো দরপত্র বা সব দরপত্র বাতিল করতে পারবে।</p><p><strong>মেলা থেকে ‘ঢাকা’ বাদ দেওয়ার উদ্যোগ ছিল</strong></p><p>২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত ইপিবির ১৪৮তম পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে ডিআইটিএফের নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের তৎকালীন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এ বছর থেকে ডিআইটিএফের নাম হবে ঢাকা বাণিজ্য মেলা (ডিটিএফ)। অর্থাৎ মেলার নাম থেকে ‘আন্তর্জাতিক’ শব্দটি বাদ যাবে।</p><p>ডিআইটিএফের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তখন সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, দেশি-বিদেশি ক্রেতা-বিক্রেতা নিয়ে ডিআইটিএফ আয়োজনের লক্ষ্য ছিল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য ও প্রযুক্তি প্রদর্শন এবং স্থানীয় বাজারের সঙ্গে তাদের পরিচিত করানো।</p><p>আরও বলা হয়েছিল, অনেক বিদেশি প্রতিষ্ঠান দূতাবাস বা সরকারি প্রতিনিধিদলের মাধ্যমে অংশগ্রহণ না করে স্থানীয় এজেন্ট বা ব্যক্তির মাধ্যমে অংশ নিচ্ছে। ফলে পণ্য ও সেবার মান যাচাই করা যাচ্ছে না। অনেক সময় মানহীন বা স্থানীয়ভাবে বিদেশি ব্র্যান্ড নামেও উপস্থাপন করা হচ্ছে। বিদেশি ব্র্যান্ড বা উৎপাদকেরা সরাসরি না থাকায় ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন এবং প্রদর্শনীর আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারই পরে সরকার এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।</p><p>ব্যবসায়ীদের অভিযোগ হচ্ছে ডিআইটিএফে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ কম থাকে, বিদেশি ক্রেতা ও আমদানিকারকদের উপস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে থাকে না। এ ছাড়া একই ধরনের পণ্যের অসংখ্য স্টল থাকে এবং নতুন পণ্য ও উদ্ভাবনী পণ্যের প্রদর্শনী থাকে কম। এ মেলা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবর্তে বরং স্থানীয় কেনাবেচার কেন্দ্রে পরিণত হয়।</p><p>বাংলাদেশ তৈরি পোশাক উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান প্রথম আলোকে বলেন, ডিআইটিএফ নামেই আন্তর্জাতিক। এখানে প্রতিবছর অনেক স্টল বসে, মানুষ কেনাকাটা করে। বলা যায়, এ মেলা অনেকটা সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। ফলে চলতে থাকুক।</p><p>ডিআইটিএফ নিয়ে কোনো পরামর্শ আছে কি না, তা জানতে চাইলে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘এ মেলা থেকে সামান্য যেসব রপ্তানি আদেশ আসে, তা থেকে রপ্তানি কতটুকু হয় চিন্তার বিষয়। দায়িত্বে থাকলে মেলাটিকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে বৈচিত্র্যপূর্ণ রপ্তানি পণ্য উৎপাদকদের বিনা মূল্যে এখানে বসতে দিতাম।’</p>
<p>রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বর এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে বাসের কর্মী ও স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভান বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>শনিবার রাত ১০টার দিকে মিরপুরের পল্লবী মেট্রোস্টেশনের নিচে বিহঙ্গ পরিবহনের একটি বাসে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত না হলেও বাসের দুটি আসন আংশিক পুড়েছে।</p><p>ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বাসটি মাত্র ট্রিপ শেষ করে দাঁড়িয়ে ছিল এবং সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল, ফলে সৌভাগ্যবশত কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।</p><p>ডিসি বলেন, বাসের ভেতরে কর্মীরা যখন ট্রিপের টাকা গুনছিল, ঠিক তখনই বাইরে থেকে এই অগ্নিসংযোগের চেষ্টা চালানো হয়। আগুন দ্রুত নেভানোর কারণে বাসের শেষ দিকের দুটি সিটের ওপরের অংশ ছাড়া আর কোনো বড় ক্ষতি হয়নি।</p><p>সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।</p><p>এদিকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারা এলাকায় প্রগতি সরণিতে বৈশাখী পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এর আগের দিন রাজধানীর রায়েরবাজারে কৃষি মার্কেটের সামনে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়ির চালক আহত হয়েছেন।</p>
মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৬ হলেন অভিনেত্রী ও মডেল সামিরা খান মাহি। তাঁকে মুকুট পরান এর আগের মুকুট জেতা তানজিয়া জামান মিথিলা।
<p>রাশিয়ায় অবস্থিত জাপানের বৃহৎ তামাক প্রতিষ্ঠান জাপান টোব্যাকোর চারটি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ অস্থায়ী ব্যবস্থাপনায় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেওয়া হয়। টোকিও এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে পরবর্তী করণীয় খতিয়ে দেখছে জাপান টোব্যাকো। এই প্রতিষ্ঠানে জাপান সরকারের মালিকানা রয়েছে।</p><p>ইউক্রেনে রুশ হামলার পর থেকেই জাপান-রাশিয়া সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। সম্প্রতি বিতর্কিত চারটি দ্বীপের মালিকানা নিয়ে বিরোধ এবং এক জাপানি সাংবাদিককে আটকের ঘটনায় সেই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে জাপান টোব্যাকোর ব্যবসা নিয়ে নতুন বিরোধ তৈরি হলো।</p><h3>চার ইউনিট, দীর্ঘদিনের ব্যবসা </h3><p>রুশ সংবাদ সংস্থা তাসের তথ্য অনুযায়ী, ডনস্কয় তাবাক, পেরেস্লাভল তাবাক, জেটিআই ইয়েলেতস ও ক্রেস নেভা—এই চার প্রতিষ্ঠানের শেয়ারহোল্ডিং জেএসসি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাসেটসের অস্থায়ী ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।</p><p>জেটিআইয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনকেন্দ্রগুলো সেন্ট পিটার্সবার্গ, রোস্তভ-না-দনু এবং লেনিনগ্রাদ ও লিপেৎস্ক অঞ্চলে অবস্থিত।</p><blockquote>জাপান টোব্যাকোয় জাপান সরকারেরও সরাসরি মালিকানা রয়েছে। জেটি গ্রুপের বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়। তাদের হাতে রয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার।</blockquote><p>১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাশিয়ায় ব্যবসা করছে জেটিআই। ২০০৭ সাল থেকে দেশটির তামাক বাজারে শীর্ষস্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। রাশিয়ায় তাদের প্রায় চার হাজার কর্মী আছেন। দেশটি থেকে আসে জেটিআইয়ের মোট বিক্রির প্রায় ১০ শতাংশ।</p><p>ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার হামলা শুরুর পর অন্য জাপানি কোম্পানিগুলো রাশিয়ার বাজার ছেড়ে গেলেও জাপান টোব্যাকো সেখানে কার্যক্রম চালিয়ে যায়।</p><p>জাপান টোব্যাকোয় জাপান সরকারেরও সরাসরি মালিকানা রয়েছে। জেটি গ্রুপের বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়। তাদের হাতে রয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার। আইন অনুযায়ী, কোম্পানিটির ইস্যু করা শেয়ারের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ সরকারের মালিকানায় থাকতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/3g0e5muh/Japan-Tobacco-Inc.jpg"><figcaption>জাপান টোব্যাকোর (জেটি) সাইনবোর্ড </figcaption></figure><h3>নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিয়ন্ত্রণ </h3><p>২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশ।</p><p>এর জবাবে ২০২৩ সালের এপ্রিলে পাল্টা ব্যবস্থা চালু করে রাশিয়া। এর আওতায় মস্কোর ভাষায়, ‘বন্ধুত্বপূর্ণ নয়’—এমন দেশের প্রতিষ্ঠানের রাশিয়ায় থাকা সম্পদ সরকার বা মনোনীত প্রতিষ্ঠানের অস্থায়ী ব্যবস্থাপনায় নেওয়া যায়।</p><p>তাসের ভাষ্য অনুযায়ী, রুশ নাগরিকদের ওপর বিদেশি নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তাঁদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রতিক্রিয়ায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে জাপান টোব্যাকোর বিরুদ্ধে সর্বশেষ পদক্ষেপের নির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/u6v7755yr4">মস্কোর পার্কে হামলার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার পর কিশোরকে আটক করল রাশিয়া</a></aside><h3>টোকিও-মস্কোতে প্রতিবাদ </h3><p>জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি কিহারা মিনোরু গতকাল শুক্রবার জানান, এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে টোকিও। একই সঙ্গে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।</p><p>অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পবিষয়ক মন্ত্রী রিওসেই আকাজাওয়া বলেন, জাপানি নাগরিক ও কোম্পানির বৈধ স্বার্থ রক্ষায় রুশ পক্ষকে বারবার অনুরোধ করা হয়েছে।</p><p>অর্থমন্ত্রী সাতসুকি কাতাইয়ামাও সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জেটির সঙ্গে সমন্বয় করে সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/c7m1aihi/Putin-interacts.jpg"><figcaption>এতোরোফু দ্বীপের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দ্বীপটি জাপানের হোক্কাইদোর পূর্ব উপকূলের কাছে অবস্থিত। এটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও জাপান দ্বীপটির মালিকানা দাবি করে </figcaption></figure><p>আকাজাওয়া কূটনৈতিক তৎপরতার বিস্তারিত জানাননি। তবে রাশিয়ায় জাপানি কোম্পানিগুলোর সম্পদ রক্ষায় মস্কোর সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।</p><p>এদিকে জাপানে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত নিকোলাই নোজদ্রেভের কাছে প্রতিবাদ জানান জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউরোপীয়–বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক কিমিতাকে নাকামুরা। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনিও ডিক্রি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/2w3l9h86nn">ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন নেতানিয়াহু ও মোসাদপ্রধান</a></aside><p>প্রতিবাদ জানাতে দ্রুত মস্কো যান একই ব্যুরোর উপমহাপরিচালক ইশিগাকি তোমোয়াকি। গতকাল রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৃতীয় এশীয় বিভাগের প্রধান লুডমিলা জর্জিয়েভনা ভোরোবিওভার সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এ সময় প্রতিবাদপত্রও দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জাপানি দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p><h3>দ্বীপ বিরোধ ও সাংবাদিক আটক </h3><p>গত আগস্টে পুতিনের এতোরোফু দ্বীপ সফর ঘিরেও দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। হোক্কাইদোর পূর্ব উপকূলের কাছে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা এবং জাপানের দাবি করা চারটি দ্বীপের একটি এতোরোফু।</p><p>এ ছাড়া গত মাসে রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যে গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহে আটক হন হোক্কাইদো শিম্বুনের এক সাংবাদিক। জাপানি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের ভাষ্য অনুযায়ী, মস্কোর বৈঠকে ওই সাংবাদিকের অবিলম্বে মুক্তির দাবিও জানিয়েছে জাপান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2016/06/03/38bd4bdd03f24bef33e9cf80c89587d4-001.jpg"><figcaption>হোক্কাইদো দ্বীপে জঙ্গলের ভেতরে জাপানের সেলফ ডিফেন্স ফোর্সের ভবন</figcaption></figure><p><strong>করণীয় খতিয়ে দেখছে জেটি</strong></p><p>গতকাল এক বিবৃতিতে জেটি গ্রুপ বলেছে, রাশিয়ায় তাদের কার্যক্রম প্রযোজ্য সব বিধিবিধান ও নিষেধাজ্ঞা মেনে চলছে। চারটি ইউনিটের ওপর ডিক্রির প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে কোম্পানিটি। পাশাপাশি সম্ভাব্য বিকল্প, পরবর্তী পদক্ষেপ এবং পুরো গ্রুপের ওপর এর প্রভাব খতিয়ে দেখছে তারা।</p><p>রুশ প্রতিষ্ঠানের অস্থায়ী ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার কথা বলা হলেও এ ব্যবস্থার মেয়াদ কত দিন, তা স্পষ্ট নয়। এ অনিশ্চয়তার মধ্যে দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চাইছে টোকিও।</p><p>সম্প্রতি বার্ষিক ভালদাই ডিসকাশন ক্লাবের এক অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে পুতিন জাপানের সঙ্গে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। বর্তমান অসুবিধাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারলে ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ’ ও ‘পারস্পরিকভাবে লাভজনক’ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যাশার কথাও বলেছিলেন তিনি।</p><p>তবে জাপান টোব্যাকোর সম্পদ নিয়ে নতুন এই বিরোধ দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথকে আরও কঠিন করে তুলেছে। গত বছর তাইওয়ান নিয়ে একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চীনের সঙ্গে জাপানের কূটনৈতিক বিরোধ চলছে। এর মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে নতুন বিরোধ জাপানের কূটনীতিকে আরও চাপে ফেলেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/ei7oj9s5zo">ট্রাম্পকে রুখে দিয়েছে তরুণদের ভোট</a></aside>
<p>মঞ্চে একের পর এক প্রিয় গান, সামনে উচ্ছ্বসিত শ্রোতার ভিড়। কেউ এসেছেন বন্ধুদের সঙ্গে, কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’ ঘিরে আজ শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পরিণত হয় ব্যান্ডসংগীতপ্রেমীদের মিলনমেলায়। দিনভর নানা ব্যান্ডের পরিবেশনার পর রাত ১০টায় মঞ্চে ওঠেন নগরবাউল জেমস। শুরু করেন ‘কবিতা তুমি স্বপ্নচারিণী হয়ে খবর নিয়ো না’।</p><p>সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই কনসার্ট। সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশন (বামবা)। সবার জন্য উন্মুক্ত আয়োজনটিতে অংশ নিয়েছে দেশের সাত জনপ্রিয় ব্যান্ড—নগরবাউল, মাইলস, ওয়ারফেজ, ফিডব্যাক, আর্টসেল, শিরোনামহীন ও মেকানিক্স।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/ch0ju1dk/WhatsApp-Image-2026-11-07-at-7.09.16-PM.jpeg"><figcaption>এই কনসার্ট দিয়েই শুরু হলো ফিডব্যাকের ৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন</figcaption></figure><p>দুপুরের পর থেকেই কনসার্টস্থলে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। প্রিয় ব্যান্ডের গান শুনতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে থাকেন শ্রোতারা। বিএনপির র্যালি শেষে ভিড় আরও বাড়ে। তরুণদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে জমে ওঠে আয়োজন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/h8ua9mar/WhatsApp-Image-2026-11-07-at-10.10.24-PM.jpeg"><figcaption>মঞ্চে মাইলস</figcaption></figure><p>বেলা সাড়ে তিনটায় মেকানিক্সের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় কনসার্ট। প্রায় ৪০ মিনিটে ৫টি গান শোনায় ব্যান্ডটি। দেশকে উৎসর্গ করে ‘অপরাজেয়’ গান দিয়ে শুরু হয় তাদের পরিবেশনা। এরপর প্রয়াত ও সাবেক সদস্যদের স্মরণে গায় ‘নিয়তি’। একে একে শোনায় ‘ছিন্ন পৃষ্ঠা’, ‘শুভ্র শহর’ ও ‘বিস্ময়’।<br>পরিবেশনা শেষে মেকানিক্সের দলনেতা ও কণ্ঠশিল্পী আফতাবুজ্জামান ত্রিদিব প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেকানিক্স সব সময় চায় গানের মাধ্যমে মানুষ যেন অনুপ্রাণিত হয়। আমরা মানুষের কথা, প্রতিবাদের কথা বলতে চাই। সমাজের নানা অসংগতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে গানের মাধ্যমেই আমরা আমাদের প্রতিবাদ জানিয়ে যেতে চাই।’<br>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস প্রসঙ্গে ত্রিদিব বলেন, সংগ্রামের দিনগুলো স্মরণ করে ইতিবাচক কিছু অর্জনে অনুপ্রাণিত হওয়াই তাঁদের প্রত্যাশা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/ya8ha5ox/Artcell.jpg"><figcaption>আর্টসেল পরিবেশন করেছে তাদের জনপ্রিয় গানগুলো। ছবি: শুভ্রকান্তি দাস</figcaption></figure><p>মেকানিক্সের পর মঞ্চে আসে শিরোনামহীন। ‘পাখি’ দিয়ে পরিবেশনা শুরু করে ব্যান্ডটি। এরপর শোনায় কাজী নজরুল ইসলামের ‘দুর্গম গিরি কান্তার-মরু’। একে একে ‘মা’, ‘ইচ্ছে ঘুড়ি’, ‘এই অবেলায়’ ও ‘আবার হাসিমুখ’ গানে জমে ওঠে তাদের পরিবেশনা।<br>শিরোনামহীনের দলনেতা, বেজ গিটারিস্ট ও গীতিকার জিয়াউর রহমান বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এই আয়োজনে সহযোগিতা করছে বামবা। নিজেদের আয়োজন বলে এর আনন্দ ও পরিবেশও আলাদা। শৃঙ্খলার বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আয়োজনের সফলতা কামনা করেন তিনি।<br>শিরোনামহীনের পর মঞ্চে পরিবেশনা করে আর্টসেল ও ফিডব্যাক। ‘সে কি তুমি’ গান দিয়ে শুরু করে ফিডব্যাক। সাত ব্যান্ডের এই আয়োজনে ছিল ওয়ারফেজের পরিবেশনাও।<br>মাইলসের পরিবেশনায় উঠে আসে ব্যান্ডটির পরিচিত একগুচ্ছ গান। ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘চাঁদ তারা’, ‘পিয়াসী মন’, ‘সে কোন দরদিয়া’, ‘নীলা’, ‘ধিকিধিকি’ ও ‘ফিরিয়ে দাও’ শোনায় তারা।<br>একের পর এক ব্যান্ডের পরিবেশনার মধ্যেও অনেক শ্রোতার অপেক্ষা ছিল জেমসকে ঘিরে। রাত সাড়ে নয়টায়ও তাঁরা অপেক্ষায় ছিলেন প্রিয় শিল্পীর মঞ্চে ওঠার। সেই অপেক্ষা শেষে রাত ১০টায় মঞ্চে ওঠেন জেমস।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/6ptadaug/Mechanix2.jpg"><figcaption>মঞ্চে তরুণদের পছন্দের ব্যান্ড মেকানিক্স</figcaption></figure><p>আয়োজনের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বামবার সহসভাপতি এবং ওয়ারফেজের শেখ মনিরুল আলম বলেন, উন্মুক্ত স্থানে এত বড় আয়োজনে বিপুল দর্শক সামলানো চ্যালেঞ্জের। ব্যান্ড নির্বাচন থেকে সাউন্ড, লাইট, মঞ্চের কারিগরি ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা—প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মান বজায় রাখার চেষ্টা করেন তাঁরা। শ্রোতারা যেন উৎসবের আমেজে আনন্দের সঙ্গে গান উপভোগ করতে পারেন, সেটিই তাঁদের লক্ষ্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/uqvx2ztr/ShironamHin.jpg"><figcaption>গাইছে শিরোনামহীন</figcaption></figure><p><br>আয়োজনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম বলেন, ‘মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই আমাদের এই আয়োজন।’ তিনি জানান, মানুষ যেন আনন্দের মধ্য দিয়ে বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করতে পারে, সে জন্য জেলার শিল্পকলা একাডেমিগুলোতেও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।<br>কনসার্ট ঘিরে অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা।</p>
শনিবার বিকেল সোয়া চারটা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সদরের বিজনা সেতু এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
<p>‘আজকে ৭ নভেম্বর। বিপ্লব ও সংহতি দিবস এটাকে বলা হচ্ছে এবং এটাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হচ্ছে। আমরাও ৭ নভেম্বরকে ধারণ করি। ৭ নভেম্বর বিপ্লব, কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কি বিপ্লব নয়? বর্তমান সরকার এটা করছে। তাদের পক্ষে যেটা যাচ্ছে, সেটা বিপ্লব, আর তাদের পক্ষে যায় না, তাদের নেতৃত্ব ছিল না বলে, সেটা বিপ্লব না। সেটা আন্দোলন, গণ-অভ্যুত্থান হয়ে যায়। কিন্তু আমরা ৭ নভেম্বরকেও বিপ্লব মনে করি, জুলাই বিপ্লবকেও আমরা বিপ্লব মনে করি।’</p><p>আজ শনিবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) এক অনুষ্ঠানে কথাগুলো বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় ছাত্রশক্তির নোবিপ্রবি শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।</p><p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যেই বাকশাল প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯৭৫ সালে, যেই রক্ষীবাহিনী নির্যাতন করেছিল বাংলাদেশের জনগণকে, মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষাকে ধূলিসাৎ করেছিল, তার বিরুদ্ধে সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামরিক এবং জনগণের অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল ৭ নভেম্বরে।’</p><p>নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও এই আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি, জনতা, শ্রমিক, ছাত্ররা এক গণবিপ্লব সাধন করেছিল। ফলে এই ইতিহাসগুলো আপনাদেরকে জানতে হবে, বাংলাদেশের ইতিহাসে জুলাই বিপ্লব হঠাৎ করে হয়ে যায় নাই, ৩৬ দিনেও হয়ে যায় নাই, বিগত ১৬ বছরেও হয়ে যায় নাই। বাংলাদেশের গত ১০০ বছরের ইতিহাস দেখতে হবে, বাংলাদেশকে যারা শোষণ-শাসন করতে দিয়েছে যুগে যুগে, বাংলাদেশের জনগণ বারবার তাঁদের রুখে দাঁড়িয়েছে মানবিক মর্যাদার জন্য, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য।’</p><p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, চাকরি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণ বন্ধ, দুর্নীতি দূর, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র নিশ্চিত করাই ছিল গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রত্যাশা। শিক্ষার্থীদের এসব আকাঙ্ক্ষা ধারণ ও চর্চা করতে হবে এবং যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে হবে।</p><p>নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষসংকট নিরসনে রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়িত্ব নিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। ছাত্ররাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে ফুল ও উপহার তুলে দিয়ে ছাত্রসংগঠনের দায়িত্ব শেষ হয় না। শিক্ষার্থীদের আবাসন, পরিবহন, শ্রেণিকক্ষসংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আন্দোলন করা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রকৃত দায়িত্ব।</p><p>আগামী ডিসেম্বরকে প্রতিরোধের মাস উল্লেখ করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আগেরবার আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি। আমরা ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। আমরা বলেছিলাম, ওসমান হাদির ভাষায়—“শত্রুর প্রতি আমরা ইনসাফ করব, ন্যায়বিচার করব।” কিন্তু গত দুই বছরে আমরা কোনো বিচার পাইনি। আমরা ওসমান হাদি হত্যারও বিচার পাইনি। জুলাইয়ে আমাদের যেসব ভাই-বোন শহীদ হয়েছেন, তাঁদের হত্যারও বিচার পাইনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ যদি ন্যায়বিচার না পায়, তখন জনগণ নিজেই প্রতিরোধ শুরু করে। ডিসেম্বর আমাদের প্রতিরোধের মাস, আমাদের বিজয়ের মাস। একাত্তরে বিজয় লাভ করেছি, চব্বিশেও বিজয় লাভ করেছি। ২০২৬ সালেও বিজয় লাভ করব ইনশা আল্লাহ।’</p>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/04xj7gx7/5.jpeg"></figure><p>ইসলামাবাদের বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ শনিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্যাপন করেছে। সকালে দূতালয় প্রাঙ্গণে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান। এ সময় সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ওপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।</p><p>আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি–জনতার বিপ্লবের চেতনা মনেপ্রাণে ধারণ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote><p>হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান সবাইকে স্বাগত জানিয়ে আমাদের জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতির অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক্ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দেশকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে মুক্তি দেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান হাইকমিশনার।</p><p>আলোচনা শেষে দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।</p>
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হতে না হতেই রাজনৈতিক অঙ্গন এরই মধ্যে ২০২৮ সালের হোয়াইট হাউস দৌড়ের দিকে মোড় নিচ্ছে। মঙ্গলবারের নির্বাচনের ফলাফল এবং ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক বিশাল সাফল্য হোয়াইট হাউসের দৌড়কে নানাভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের পাত্রে রান্না করা ভাত খেলে একটি শিশুর খাবারের মাধ্যমে দৈনিক সিসা গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি সিসা গ্রহণ করতে পারে। আইসিডিডিআরবি বলছে, সিসা একটি বিষাক্ত ধাতু, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।
১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর। অস্থির এক সময় পার করছিল বাংলাদেশ। ৬ই নভেম্বর সন্ধ্যার সময় ঢাকা সেনানিবাসে কিছু লিফলেট বিতরণ করা হয়। ঐ লিফলেট যারা পেয়েছিলেন তারা আঁচ করতে পারছিলেন যে রাতে 'কিছু একটা' ঘটতে যাচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিল্পায়নে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি জমি নীতি নিয়েও একাধিক সংস্কারের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে অন্যতম আলোচিত হলো সরকারি উদ্যোগে ল্যান্ড ব্যাংক তৈরির ঘোষণা।
বিরোধ যখন দু'জন মানুষের মধ্যে, তখন অপমানের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেন তাদের পরিবারের নারীরা কেন? এটি কি নিছকই প্রচলিত ভাষার অভ্যাস, নাকি এর পেছনে রয়েছে নারীকে ঘিরে সমাজের দীর্ঘদিনের কিছু ধারণা?
পেনিয়াকে অভিশংসনের প্রস্তাবের পক্ষে সিনেটের ৪৫ সদস্যের মধ্যে ৪৪ জন ভোট দেন। একজন আইনপ্রণেতা অনুপস্থিত ছিলেন। পরে সিনেটের প্রেসিডেন্ট বাসিলিও নুনিয়েজ বলেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে পেনিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এরপর প্যারাগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।
শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে ফিরছেন; বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিভিন্ন মাশুল বৃদ্ধির পরিকল্পনায় বিমান ভাড়া বৃদ্ধির শঙ্কা এবং এনবিআরের ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দে ব্যবসায়ী মহলে উৎকণ্ঠা - এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প। এতে ভারতকে নিয়ে সংশয় কেন?
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি বিদেশি পিস্তলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, পিস্তলটি বিক্রির উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন তারা।
ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন শনিবার (৭ নভেম্বর) যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপযাপন করেছে। সকালে দূতালয় প্রাঙ্গণে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান।
এছাড়া, পরবর্তী সময়ে ভিডিও কলের মাধ্যমেও তিনি ওই নারীর সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করেন। এমনকি ওই নারীকে ইন্দ্রদেব বলেছেন, ‘আমিই ঈশ্বর।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব এককভাবে নিজেদের দাবি করার মানসিকতা থাকা উচিত নয়। যদি এরকম মনোভাব ধারণ করা হয়, তাহলে জুলাই চেতনা হারিয়ে যেতে পারে।”
কুয়াকাটায় ঘুরতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় নাবিলা নুসরাত (৩২) নামে এক নারী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্বামী ও দুই সহকর্মীর সঙ্গে ইজিবাইকে ঘুরতে গিয়ে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।
ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মিশন শুরু করেছে বাংলাদেশ। ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে শুভ সূচনা করলেও প্রথম ম্যাচেই বড় ধাক্কা খেতে হয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। ম্যাচ শুরুর আগমুহূর্তে চোটের কারণে একাদশ থেকে ছিটকে যান অধিনায়ক তপু বর্মণ। তার অনুপস্থিতিতে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড ওঠে জামাল ভূঁইয়ার হাতে। এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তপুর ফেরা নিয়ে আশার আলো দেখা গেছে।
“সঙ্কটময় বিশ্ব পরিস্থিতিতে আলা ইমাম আলা হযরতের সংস্কার ও দর্শন আজ খুবই প্রয়োজন। সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তার আদর্শ অনুসরণ আজ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।”
পোল্যান্ডের ক্রাকো শহরে বন্দুক হামলায় পাঁচজন নিহত এবং এক ডজনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। শনিবার দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।