গ্যাজেট

গ্যালাক্সি এস২৬ এফই মডেলের স্মার্টফোন আনল স্যামসাং

নভেম্বর ১, ২০২৬
গ্যালাক্সি এস২৬ এফই মডেলের স্মার্টফোন আনল স্যামসাং
গ্যালাক্সি এস২৬ এফই মডেলের স্মার্টফোন আনল স্যামসাং
দেশের বাজারে গ্যালাক্সি এস২৬ এফই মডেলের নতুন স্মার্টফোন এনেছে স্যামসাং।

Prothomalo

View more
সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে
সোলমেট পেতে জাদুবিদ্যার আশ্রয় নিচ্ছেন জেন–জিরা! প্রেমের জন্য ৬৪ শতাংশই ভরসা রাখছেন লাভ স্পেল, ট্যারো, ম্যানিফেস্টেশনে

জেন–জিরা প্রেমের খোঁজে কেউ ম্যানিফেস্টেশন করছেন, কেউ ট্যারো কার্ডের সাহায্য নিচ্ছেন, আবার কেউ অনলাইনে খুঁজছেন লাভ স্পেল বা ভালোবাসার জাদুমন্ত্র।

নভেম্বর ১, ২০২৬
বিশ্বভ্রমণের গল্পে শিক্ষকতার নতুন পাঠ
বিশ্বভ্রমণের গল্পে শিক্ষকতার নতুন পাঠ

গত ৩০ অক্টোবর প্রণবকান্তি দেব রচিত ‘জানা পথে অজানা প্রান্তরে’ বই নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে সিলেট বন্ধুসভা। প্রথম আলো সিলেট অফিসের বন্ধুসভা কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

নভেম্বর ১, ২০২৬
নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলের রাজপথে হাজারো মানুষ
নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলের রাজপথে হাজারো মানুষ

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/netaniyahuke-kshmtaczut-krte-israyeler-rajpthe-hajaro-manush</figure>

নভেম্বর ১, ২০২৬
পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল
পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল

পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল

নভেম্বর ১, ২০২৬
নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলের রাজপথে হাজারো মানুষ
নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলের রাজপথে হাজারো মানুষ

<p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও লিকুদ পার্টির নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধিতা করে হাজারো মানুষ তেল আবিবে বিক্ষোভ করেছেন। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure></figure>

নভেম্বর ১, ২০২৬
পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল
পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল

পুলিশ-পোশাকশ্রমিক সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুনসহ দিনভর যা ঘটল

নভেম্বর ১, ২০২৬
রামলীলায় লাখো মানুষের সমাবেশে ইন্ডিয়া জোটের বার্তা, জ্ঞানেশের পর মোদি-শাহর বিচার হবে
রামলীলায় লাখো মানুষের সমাবেশে ইন্ডিয়া জোটের বার্তা, জ্ঞানেশের পর মোদি-শাহর বিচার হবে

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/mkw3qktj/Ramlila_India_jot0.jpg"><figcaption>রামলীলা ময়দানে আয়োজিত ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ সমাবেশে কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, কেসি ভেনুগোপাল, তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, পিডিপি সভাপতি মেহবুবা মুফতি বিভিন্ন দলের নেতারা। নয়াদিল্লি, ভারত, ০১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>ভোট চুরি রুখতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি আদায় করে দেশ ও সংবিধান বাঁচানোর শপথ নিলেন ভারতের মোদিবিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা। আজ রোববার রামলীলা ময়দানের ‘ভোট বাঁচাও দেশ বাঁচাও’ বিক্ষোভ সমাবেশে প্রত্যেকেই বললেন, এটা কোনো একটি দলের লড়াই নয়; কোনো বিশেষ মতাবলম্বীদের লড়াই নয়; এটা গণতন্ত্রপ্রিয় প্রত্যেক ভারতীয়র সংগ্রাম। জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর পর সেই সংগ্রামের লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহদের ক্ষমতাচ্যুত করে দেশের গণতন্ত্র রক্ষা করা। </p><p> কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, জ্ঞানেশদের দৌলতেই নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা রাজত্ব করতে পারছেন। সেই রাজত্ব করা সম্ভব হয়েছে ভোট চুরির জন্য। ১৫ শতাংশ ভোটারের নাম তাঁরা বাদ দিয়েছেন। এর শাস্তি তাঁদের পেতেই হবে। রাহুল বলেন, জ্ঞানেশকে কারাগারে যেতেই হবে। তিনি যা করেছেন, তা রাষ্ট্রদ্রোহ। মোদি-শাহকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবেই। তাঁদের জেনে রাখা ভালো, যে যতই শক্তিশালী ও সম্পদশালী হোন, সংবিধানের চেয়ে কেউ বড় নন।</p><p>ইন্ডিয়া জোটের রামলীলা ময়দানের জনসভা ছিল ভোট চুরির বিরুদ্ধে আন্দোলনের আরেক অধ্যায়। ভোট চুরির বিরুদ্ধে জনমত গঠন ও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের পাশাপাশি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন রাজ্যের রাজধানীতে ইন্ডিয়া জোটের জনসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দিল্লির জনসভা ছিল সেই কর্মসূচির প্রথম। দিল্লি পুলিশ শর্তাধীন সেই জনসভার অনুমতি দিয়েছিল। সেসব শর্ত মেনেই বিরোধী নেতারা এই আয়োজন করেন। সেদিক থেকে বলা যায়, ইন্ডিয়া জোট সফল। নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রামলীলা ময়দানে ভিড় উপচে পড়েছিল। যত মানুষ ময়দানের ভেতরে ছিলেন, তার চেয়েও বেশি মানুষ ছিলেন বাইরে। বলা যায়, এই সভা থেকে আগামী বছরের গোড়ায় পাঞ্জাব, উত্তরাখন্ড ও উত্তর প্রদেশ বিধানসভার ভোটের প্রচারও বিরোধীরা শুরু করে দিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/0lxop7gl/RamlilaCongress.jpg"><figcaption>ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে 'ইন্ডিয়া' জোটের ডাকা বিক্ষোভে রামলীলা ময়দানে নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা। নয়াদিল্লি, ০১ নভেম্বর, ২০২৬</figcaption></figure><p>আজ বিকেল পাঁচটার মধ্যে রামলীলা ময়দানের সভা শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। ফলে ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের পাঁচ মিনিটের বেশি ভাষণ দেওয়ার সুযোগ ছিল না। শুধু জোটের নেতারাই নন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও মঞ্চে ছিলেন। তাঁরাও ভাষণ দিয়েছেন। প্রত্যেকেই বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই লড়াইয়ের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। জ্ঞানেশ ও তাঁর রাজনৈতিক চালকদের সরিয়ে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষা করতে হবে।</p><p>আজ দুপুর ১২টায় হুড খোলা গাড়িতে চেপে মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব, ফারুক আবদুল্লাহ, মেহবুবা মুফতি, সুপ্রিয়া সুলে, কল্পনা সোরেন, সঞ্জয় রাউত, দীপংকর ভট্টাচার্য, এম এ বেবিদের মতো ইন্ডিয়া জোটের নেতা–নেত্রীরা কনট প্লেস-মিন্টো রোড ক্রসিং থেকে রামলীলা ময়দান অভিমুখে রওনা দেন। তাঁদের সঙ্গে হাঁটতে থাকেন হাজারো কর্মী-সমর্থক। অন্য নেতারাও একই রকম গাড়িতে চেপে এগোতে থাকেন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/umx5khjy/Rahul_to_Ramlila.jpg"><figcaption>রাহুল গান্ধী মিছিল নিয়ে রামলীলা ময়দানে যান। নয়াদিল্লি, ভারত, ০১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>মিছিল করে রামলীলা ময়দানে যাওয়ার জন্য ইন্ডিয়া জোট পুলিশের অনুমতি চায়নি। কাজেই পুলিশের মধ্যে একটা দোলাচল ছিল। কিন্তু নেতারা হুড খোলা গাড়িতে থাকায় পুলিশ আপত্তি জানায়নি। মিছিলের পাশাপাশি চলতে থাকেন পুলিশের সদস্যরাও। সোয়া এক কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে সময় লাগে দুই ঘণ্টার বেশি। যদিও এর আগেই ময়দান ভর্তি হয়ে যায় লাখো মানুষে। তাই রাহুলদের পৌঁছানোর আগেই কর্মী-সমর্থকদের ঢোকার দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। হাজার হাজার মানুষ ছড়িয়ে–ছিটিয়ে পড়েন ময়দানের আশপাশে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/lb31yrp82m">ভারতে সাড়া ফেলা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা কে এই অভিজিৎ</a></aside><p>রাহুলসহ ইন্ডিয়া জোটের নেতারা পৌঁছানোর আগেই রামলীলায় পৌঁছান সোনিয়া গান্ধী। শারীরিক কারণে অন্যদের মতো তিনি মিছিলে অংশ নেননি। কংগ্রেস নেতৃত্বের সুরে কথা না বলে মাঝেমধ্যেই বিতর্কে জড়ান যিনি, সেই শশী থারুর এই সমাবেশে সবাইকে যোগ দেওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দিয়েছিলেন। জনসভায় তিনি বলেন, জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে জনতা আওয়াজ তুলেছে। সেই আওয়াজ শুনে তাঁর সরে যাওয়া উচিত। জ্ঞানেশের বোঝা উচিত, দেশের মানুষের বিন্দুমাত্র আস্থা তাঁর প্রতি নেই।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/3j4vz0bk/RamlilaIndia-Jot-2.jpg"><figcaption>রামলীলা ময়দানে আয়োজিত ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ সমাবেশে কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, কেসি ভেনুগোপাল, তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, পিডিপি সভাপতি মেহবুবা মুফতি বিভিন্ন দলের নেতারা। নয়াদিল্লি, ভারত, ০১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>সভা সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন দিল্লি কংগ্রেসের নেতা অজয় মাকেন। বিকেল পাঁচটার মধ্যে জনসভা শেষ করতে হবে বলে ঘড়ি ধরে প্রত্যেক নেতা পাঁচ মিনিট ভাষণ দেন।</p><p>জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ বলেন, ‘এসআইআরে মুসলমান ভোটারদের নাম বেছে বেছে বাদ দেওয়া হয়েছে, কেননা মুসলমান মানেই নাকি পাকিস্তানপন্থী। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ অভিযোগ করেছেন, তাঁর রাজ্যে দেড় কোটি হিন্দুর নাম কাটা গেছে। তাঁদের নাম তোলার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তা হলে হিন্দুরাও কি পাকিস্তানপন্থী?’</p><p>জম্মু ও কাশ্মীরের আরেক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেন, জ্ঞানেশ ইস্তফা না দিলে ভারত অটুট থাকবে না। বিহারের আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব বলেন, মহাভারতে শকুনি মামার মতো ভোট চুরির পাশার চাল দিয়েছে বর্তমান শাসক। এদের উৎখাত করাই প্রত্যেকের লক্ষ্য।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/j8509oc4h3">পুলিশকে ফাঁকি দিয়েছেন ঠিকই, মোদির জন্য কি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারবেন নেহা বোরা</a></aside><p>উত্তর প্রদেশের সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব বলেন, দেশবাসী পশ্চিমবঙ্গে ভোট লুট হতে দেখেছে। বিজেপি চায় তাদের সমর্থকেরাই শুধু ভোট দিন। সে জন্যই জ্ঞানেশকে দিয়ে ভোট চুরির চক্রান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, বিজেপির উত্থান হয়েছিল উত্তর প্রদেশ থেকে। বিসর্জনও সেখান থেকেই শুরু হবে। ওদের বিদায়ের ঘণ্টা বেজে গেছে। বারানসির ভোটের ফল তার প্রমাণ।</p><p>পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের ভোটে আমরা হারিনি। আমাদের হারানো হয়েছে।’ জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘উনি যাবেন, বিজেপিকেও যেতে হবে।’</p><p>সমাবেশে সোনিয়া গান্ধী ভাষণ দেননি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন মল্লিকার্জুন খাড়গে, সিপিএম নেতা এম এ বেবি, সিপিআই (এমএল) লিবারেশন নেতা দীপংকর ভট্টাচার্য ও ওই দলের ছাত্রসংগঠন ‘আইসা’ নেত্রী নেহা বোরা। সবার শেষে ভাষণ দেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার ছাড়া মোদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, অমিত শাহও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারবেন না। জেনে রাখুন, জ্ঞানেশকে জেলে যেতে হবেই।’ রাহুল বলেন, ‘কদিন আগে অমিত শাহ বলেছিলেন, মোদি কোথাও যাবেন না। আমি বলছি, আমরা ওঁকে কোথাও যেতে দেব না। জ্ঞানেশের ইস্তফার পর ওঁদের অপরাধের বিচার হবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/88xu1jnsi8">মোদিবিরোধী জোটের বিক্ষোভে লাখো মানুষ, রামলীলা ময়দানের ভেতরে যত জন, বাইরে তার দ্বিগুণ</a></aside>

নভেম্বর ১, ২০২৬
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার পরিকল্পনা, ২৯ জন আটক
মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতার পরিকল্পনা, ২৯ জন আটক

পুলিশের দাবি, মিরপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ভাগনে আলিফ মোল্লা শতাধিক ব্যক্তিকে সংগঠিত করে শ্রমিক আন্দোলন পাঠিয়েছিল। এরাই পুলিশের গাড়িতে আগুন দিয়েছে।

নভেম্বর ১, ২০২৬
শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতায় ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ আছে
শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতায় ভারসাম্য রক্ষার চ্যালেঞ্জ আছে

<p>বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ, কারখানা বন্ধ এবং ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন আবারও দেশের অর্থনীতি ও রপ্তানিনির্ভর শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। আশুলিয়ায় ৫০টির বেশি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা এবং শ্রমিকদের মাসিক ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি কেবল বেতন-ভাতার বিষয় নয়; এটি শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়, শিল্পের সক্ষমতা এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।</p><p>গত তিন বছরে মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে শ্রমিকদের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষয় হয়েছে। ফলে নতুন মজুরি কাঠামোর দাবিকে নিছক অতিরিক্ত বেতন চাওয়ার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি শ্রমিকদের জীবনধারণের ন্যূনতম সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের দাবি। এ ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ১৫ অক্টোবর নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হলেও কার্যকর উদ্যোগ নিতে দেরি হয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলন, সড়ক অবরোধ এবং কারখানা বন্ধের পর মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া সরকারের আগাম পরিস্থিতি মোকাবিলা ও অংশীজনদের সঙ্গে কার্যকর সংলাপের ঘাটতিকেই নির্দেশ করে। সময়মতো উদ্যোগ নেওয়া হলে হয়তো বর্তমান পরিস্থিতির অবনতি এবং উৎপাদনজনিত ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হতো।</p><p>তবে অর্থনৈতিক ও শিল্পের দৃষ্টিকোণ থেকে এক ধাপে বর্তমান ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকায় উন্নীত করা তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে সীমিত মুনাফার ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পোশাক রপ্তানিতে মন্দাভাব, জ্বালানি ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্থরতা এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতি শিল্পের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। ফলে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি এবং কারখানার আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে গ্রহণযোগ্য সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে না। উৎপাদন ব্যয় বাড়লে রপ্তানি মূল্যও বাড়তে পারে, যা ভিয়েতনাম, ভারত, কম্বোডিয়া ও অন্যান্য প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মূল্য–প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। তা ছাড়া আন্তর্জাতিক ক্রেতারা অনেক ক্ষেত্রে বাড়তি উৎপাদন ব্যয়ের সমপরিমাণ মূল্য দিতে আগ্রহী না হওয়ায় অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা শেষ পর্যন্ত কারখানামালিকদের ওপর পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে মালিকদের ব্যবসায়িক সংকটের যুক্তি দেখিয়ে শ্রমিকদের প্রকৃত আয় কমে যাওয়ার বিষয়টি উপেক্ষা করাও গ্রহণযোগ্য নয়। শ্রমিক অসন্তোষ, কর্মবিরতি, কারখানা বন্ধ, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সময়মতো পণ্য সরবরাহে ব্যর্থতা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ও বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতাকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।</p><p>সুতরাং শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবি এবং শিল্পের আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে একটি বাস্তবসম্মত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। মজুরি বোর্ডের দায়িত্ব হবে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, শিল্পের আর্থিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতামূলক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও টেকসই মজুরি কাঠামো প্রস্তাব করা। এককালীন বড় ধরনের মজুরি বৃদ্ধির পরিবর্তে প্রয়োজনে ধাপে ধাপে মজুরি সমন্বয়, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির ব্যবহার, কারখানা ব্যবস্থাপনার দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার বিষয়ে কার্যকর আলোচনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদেরও শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার ব্যয় বহনে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।</p><p>সরকারেরও উচিত কেবল সংকট তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানো নয়, বরং নিয়মিত সংলাপ, সময়মতো মজুরি পর্যালোচনা এবং কার্যকর শ্রমনীতি নিশ্চিত করা। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কেবল কম মজুরির ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়; বরং উৎপাদনশীলতা, পণ্যের গুণগত মান, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং স্থিতিশীল শ্রমিক-মালিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে শ্রমিকদের ন্যায্য জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা এবং শিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি পরস্পরবিরোধী নয়; বরং দীর্ঘ মেয়াদে একটি শক্তিশালী, দায়িত্বশীল ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পোশাকশিল্প গড়ে তোলার জন্য উভয়ই অপরিহার্য।</p><p># <strong>সেলিম রায়হান,</strong> অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং নির্বাহী পরিচালক, সানেম</p>

নভেম্বর ১, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।