বরগুনায় অপহৃত কিশোরী গাইবান্ধা থেকে উদ্ধার, ফুপা গ্রেপ্তার
বরগুনার আমতলী থেকে অপহরণ করা কিশোরীকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৩)। এ ঘটনায় কিশোরীর ফুপা আমিরুল ইসলাম আমিরকে (৪৩) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
একুশে বিজনেস || বিপ্লব কুমার রায়-সিইও, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড।
হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।
সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।
কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।
টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা
মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।
ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই
ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।
বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।
শিখো–প্রথম আলো জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে কথাগুলো বলছিল কথামনি হালদার। সংবর্ধনায় বাবা ও ছোটবোনকে নিয়ে এসেছিল সে।
এবারের দুর্গাপূজা পুলিশের জন্য অগ্নিপরীক্ষা মন্তব্য করে ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদ্যাপন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ।
<p>মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাবন্দী মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন নিষ্পত্তি করতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে নির্দেশনা দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই আবেদন করেছেন আসামির আইনজীবী ও তাঁর বোন নাজনীন নাহার। এ ছাড়া সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে থাকা ৫২টি বিষয়ের নথি চেয়ে আরেকটি আবেদন করেছে আসামিপক্ষ।</p><p> আজ মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে আবেদন দুটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল বুধবার এ বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এদিন জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।</p><p>বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদনের শুনানিতে আইনজীবী নাজনীন নাহার বলেন, যুক্তরাজ্যের নাইন বিআর চেম্বার্সের আইনজীবী স্টিভেন কে-কে নিয়োগ দিতে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গত ২২ জানুয়ারি বার কাউন্সিলে আবেদন করেছিলেন জিয়াউল আহসান। যাঁকে নিয়োগ দেওয়া হবে, তিনিও বার কাউন্সিলে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হয়নি। তাই আবেদনটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বার কাউন্সিলকে নির্দেশনা দেওয়ার আবেদন করেছেন তিনি।</p><p>অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ (প্রসিকিউশন) থেকে বলা হয়, বিষয়টি ট্রাইব্যুনাল কিংবা প্রসিকিউশনের এখতিয়ারভুক্ত নয়। বার কাউন্সিল অনুমতি দিলে আসামি বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবেন।</p><p>আসামিপক্ষের আইনজীবী তখন বলেন, বিষয়টি নিষ্পত্তির কথা বলার জন্য ট্রাইব্যুনাল ছাড়া তাঁদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।</p><h3>৫২টি বিষয়ে নথি চেয়ে আবেদন </h3><p>সত্য উদ্ঘাটনের জন্য প্রয়োজন উল্লেখ করে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে থাকা ৫২টি বিষয়ের নথি চেয়ে ট্রাইব্যুনালের কাছে আজ আরও একটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। শুনানিতে তিনি বলেন, শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে করা এ মামলায় সাক্ষীরা বিভিন্ন সময় যেসব তথ্য দিয়েছেন, তা সঠিক নয়। সত্য উদ্ঘাটনের জন্য এসব ঘটনায় সরকারি দপ্তরে থাকা নথি প্রয়োজন।</p><p>তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করে বলেন, এর আগে ২২টি বিষয়ের নথি চেয়েছিল আসামিপক্ষ, যা ট্রাইব্যুনাল বাতিল করে দিয়েছিলেন। এখন সেই ২২টিসহ মোট ৫২টি বিষয়ের নথি চাওয়া হয়েছে। দোষ বা নির্দোষ যাচাইয়ের জন্য এসব নথি জরুরি নয়—ট্রাইব্যুনালের আদেশের মাধ্যমে বিষয়টি আগেই নিষ্পত্তি হয়ে আছে।</p><p>জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় বর্তমানে ১৫তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য উপস্থাপন শেষ হবে এবং যুক্তিতর্ক শুরু হবে। এ ছাড়া গুম, খুন ও নির্যাতনের আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে আসামি করা হয়েছে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের উন্নয়নবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেশের প্রবৃদ্ধি, গ্যাস-জ্বালানিসংকট, ব্যাংকিং খাত ও রাজস্ব আদায়ের ব্যাপারে যে তথ্যগুলো তুলে ধরেছে, তার সবই আমাদের জানা বাস্তবতা। এখন সরকার এর আলোকে কী পদক্ষেপ নেবে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।</p><p> প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ আয়ের (জিডিপি) প্রকৃত প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। আমি এই পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত, চলতি অর্থবছরে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। তার পরের বছর যে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে, সেটাও যথেষ্ট দুর্বল। আবার ওই সময়ে যে এই প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবেই, তারও নিশ্চয়তা নেই।</p><p> এ ছাড়া দারিদ্র্য বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সংকোচন, রপ্তানি, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ, শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ ও শিল্প উৎপাদন হ্রাসের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা–ও বাস্তবসম্মত।</p><p>বিশ্বব্যাংক সংস্কারের জন্য প্রধানত তিনটি খাতে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ব্যাংক খাত। ব্যাংক খাতের সংস্কার করতে হবে—এ নিয়ে বিতর্ক নেই। তবে মূল বিষয় হলো, আমরা কীভাবে এটা করব। বিশ্বব্যাংক দুর্বল ব্যাংকগুলোকে নিষ্পত্তির দিকে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তাদের এই পরামর্শ সঠিক।</p><p>আকার-ইঙ্গিতে বিশ্বব্যাংক পরিষ্কারভাবেই বলে দিয়েছে, কিছু প্রতিষ্ঠান বাঁচিয়ে রাখার দরকার নেই। যেসব ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল ও রুগ্ণ, সেগুলোকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা বৃথা। এগুলো বাঁচিয়ে রাখা সরকারের জন্য যেমন অত্যন্ত ব্যয়বহুল, তেমনি পুরো ব্যাংক খাতের জন্য তা অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করবে। দুর্বল ব্যাংকের প্রভাব অন্যান্য ব্যাংকেও পড়ে। সুতরাং এদের অবসায়ন বা বিলুপ্তির পথেই হাঁটতে দেওয়া উচিত।</p><p>বর্তমানে ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংক অবসায়ন করার আইনি কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক এই আইনের প্রয়োগ করবে কি না। আমাদের দেশে এমন মানসিকতা আছে যে প্রতিষ্ঠানকে যেকোনো উপায়ে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। অতীতে অন্তর্বর্তী সরকারও পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যদিও তারা চাইলে অন্তত দুটি অবসায়ন করে বাকিগুলো একীভূত করতে পারত।</p><p>বর্তমান জ্বালানিসংকটে স্বল্প মেয়াদে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) অবকাঠামো বাড়ানো ছাড়া সরকারের হাতে বিকল্প নেই। পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস উত্তোলনে জোর দেওয়া প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে স্থলভাগে খুব বেশি সম্ভাবনা নেই। স্থলভাগে বিদ্যমান কূপগুলোতে আরও গভীরে গিয়ে গ্যাস তোলার খরচ অনেক বেশি। আমাদের মূল সম্ভাবনা সমুদ্রসীমায় বা অফশোরে। মিয়ানমার ও ভারত নিজেদের এলাকায় গ্যাস উত্তোলন করতে পারলেও আমরা সমুদ্রসীমায় ব্লক নির্ধারণ ও আন্তর্জাতিক দরপত্র তৈরির প্রক্রিয়ায় আটকে আছি।</p><p>রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে করছাড় বা অব্যাহতি কমানো এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতি ও বাস্তবায়ন বিভাগ পৃথক্করণের যে পরামর্শ বিশ্বব্যাংক দিয়েছে, তা একবারেই গড়পড়তা। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কেন এনবিআর পৃথক্করণের উদ্যোগ আটকে গেল, সেটির বিশ্লেষণ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে থাকা উচিত ছিল। এখন আবার পৃথক করতে গেলে সেই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও সমস্যাগুলো আসতে পারে।</p><p>জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং সম্প্রতি সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির পরে মূল্যস্ফীতিতে যে নতুন ধাক্কা আসতে পারে, তা কীভাবে মোকাবিলা করা হবে—সেটা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে আমি একটি হিসাব বের করেছি। তাতে দেখেছি, সাম্প্রতিক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ১ থেকে ২ শতাংশ খাদ্য মূল্যস্ফীতি এবং ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে ১ থেকে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।</p><p>মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি প্রধান হাতিয়ার হতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছুদিন আগে রেপো হার কিছুটা কমিয়েছে। এটি না কমালে ভালো হতো। শুনেছি, রেপো হার আরও কমাতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে নীতি সুদহার আর কমানো উচিত হবে না। এ ছাড়া শিল্প–কারখানা সচল করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে পুনঃ অর্থায়ন কর্মসূচি নিয়েছে, সেটি যেন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক হয়। প্রকৃত শিল্পপ্রতিষ্ঠান না পেয়ে বড় বড় খেলাপিরা এ টাকা পেলে তা উৎপাদনশীলতায় যোগ হবে না; উল্টো মূল্যস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে।</p><p>আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক সংকট কেটে যায়নি। এখনো অনেক ঝুঁকি আছে। এ অবস্থায় বিনিময় হার নমনীয় রেখে রিজার্ভ সুরক্ষিত রাখতে হবে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে আর্থিক খাতের দুর্বলতা দূর করা, নির্ভরশীল জ্বালানির ব্যবস্থা করা ও নীতির ধারাবাহিকতা রাখা প্রয়োজন।</p><p><strong>জাহিদ হোসেন,</strong> সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়।</p>
আজ বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহিদ ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে বিশেষ কমিটি।
সব ধরনের স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
<p>কেনিয়ায় প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি কেনিয়ারই একজন নাগরিক। তিনি সাত বছর ধরে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) বসবাস করছিলেন। কঙ্গোয় প্রায় এক মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সেখানকার কয়েকটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলে। এরপর দেশে ফেরার কয়েক দিনের মাথায় রাজধানী নাইরোবিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।</p><p> কেনিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাডেন দুয়ালে জানান, ওই ব্যক্তি প্রথমে কঙ্গো থেকে সড়কপথে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় যান। সেখান থেকে গত শনিবার একটি ফ্লাইটে তিনি নাইরোবি পৌঁছান। বিমানবন্দরে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর এক আত্মীয় তাঁকে শহরের নাইরোবি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে তাঁকে করোনা মহামারির সময়ে তৈরি একটি বিশেষ আইসোলেশন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।</p><p>আইসোলেশন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ব্যক্তির জ্বর, কাঁপুনি, প্রচণ্ড ক্লান্তি ও দুর্বলতা, খাবার গিলতে ব্যথা এবং ত্বকের নিচে রক্তক্ষরণের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁর ভ্রমণের ইতিহাস ও শারীরিক লক্ষণ দেখে চিকিৎসকেরা রক্তক্ষরণকারী জ্বরের সন্দেহ করেন এবং নমুনা পরীক্ষা করান। পরীক্ষায় তাঁর শরীরে বিরল ‘বুন্দিবুগিও’ প্রজাতির ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় তাঁর মৃত্যু হয় এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ মঙ্গলবার তাঁকে দাফন করার কথা রয়েছে।</p><p>ইবোলায় আক্রান্ত ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা অন্তত ২৮ জনকে ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে পরিবারের সদস্য ও স্বাস্থ্যকর্মীরা রয়েছেন। পাশাপাশি একই ফ্লাইটে আসা আরও ২৩ যাত্রী ও চার ক্রু সদস্যকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেনিয়াবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সংক্রমণ প্রতিরোধে সব ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণবিধি মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন।</p><p>কঙ্গোয় বর্তমান প্রাদুর্ভাবের পেছনে মূলত বিরল ‘বুন্দিবুগিও’ প্রজাতির ভাইরাসটি দায়ী, যার কোনো অনুমোদিত কার্যকর টিকা বা সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা এখনো নেই। তবে চারটি টিকা তৈরির কাজ চলছে এবং গত জুলাইয়ে মানবদেহে একটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে। মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত বা বমির মতো সংক্রমিত শারীরিক তরলের সরাসরি সংস্পর্শে এলে এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।</p><p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাবে, কঙ্গোর বর্তমান প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৪৬৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ৪ হাজার ৮২ জন। এটি কঙ্গোর ইতিহাসে নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় ও বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ইবোলা প্রাদুর্ভাব। এর আগে মে মাসে কঙ্গোর পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ উগান্ডায়ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ে এবং দুজন মারা যান। তবে গত আগস্টে উগান্ডাকে ইবোলামুক্ত ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও। এর পর থেকে রোগের সব সংক্রমণ কঙ্গোতেই সীমাবদ্ধ ছিল।</p><p>চিকিৎসাবিষয়ক আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা মেদসাঁ সঁ ফ্রঁতিয়ের (এমএসএফ) জানিয়েছে, প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা হয়তো আরও অনেক বেশি। কারণ, সংঘাতময় কঙ্গোয় রোগ পর্যবেক্ষণ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার তীব্র ঘাটতি রয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে ভাইরাসটি বর্তমানে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে এবং নতুন শনাক্ত রোগীদের প্রায় ৪০ শতাংশই উত্তর কিভু প্রদেশের। রাজনৈতিক ক্ষমতা, জাতিগত উত্তেজনা ও মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দীর্ঘ সংঘাতের কারণে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা মারাত্মক কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হককে ঘেরাও কর্মসূচি দিয়ে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
‘মব’ করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাওয়াদুল হককে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এক অনির্ধারিত সফরে দিল্লিতে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেছেন বলে বিবিসি জানাতে পেরেছে। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে, গত চৌঠা অক্টোবর সৌদির আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল খুরাইস এলাকায় আরামকোর একটি স্থাপনায় হুথিদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের আঘাতে বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ সজিব হোসেন মৃত্যুবরণ করেছেন। কে এই সজিব ? কী জানা যাচ্ছে তার সম্পর্কে?
চট্টগ্রামের আদালতে বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন ধরে সাক্ষ্য দিতে না আসা প্রায় ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার একটি সংবাদ নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কেনো এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো এবং গ্রেফতার করা হবে কিনা এমন প্রশ্নও সামনে আসছে।
বেনিনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমেই আর্জেন্টিনার হয়ে লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের ইতি ঘটবে। ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা এরপর কী করবেন?
উত্তর মেরুর একাধিক সংজ্ঞা রয়েছে - এবং সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি একেবারেই স্থির থাকে না।
নওয়াজ শরীফ এবং ইমরান খান, দুজনেই লাহোরের সচ্ছল কিন্তু অরাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং শুরুতে কেউই রাজনীতিতে আগ্রহী ছিলেন না। দু'জনই এক সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী হন, কিন্তু কেউই নিজেদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি। দু'জনকেই বিতর্কিত মামলায় সাজা ও কারাবরণ করতে হয়েছিল।
যুক্তরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ড থেকে নিজেদের বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কেন তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে বিষয়ে কথা বলেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান এই ঘটনার সঙ্গে কীভাবে যুক্ত, এ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই- জড়িত থাকার কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে তেহরান।
সরকারের খাতায় ২০ লাখ শিশুর তথ্য নেই; আগামী রমজানের আগেই ইউনিয়ন পরিষদের তিন ধাপের নির্বাচন করতে চায় নির্বাচন কমিশন; অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে– ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলোতে এসব খবর গুরুত্বে পেয়েছে।
নড়াইলের নড়াগাতী থানার জয়নগর ইউনিয়নের দেবদুন গ্রামে মাদক বেচাকেনা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে নূর আরাফাত মোল্যাকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
জুলাই জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্টসহ যেভাবে সনদটি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেভাবেই তা বাস্তবায়ন করা হবে। কেউ যদি নোট অব ডিসেন্ট বাদ দিয়ে সনদ বাস্তবায়নের দাবি করে, সেই জায়গায় ঐকমত্য হয়নি। বরং সবাই স্বাক্ষর করেছেন এবং জাতীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সনদটি স্বীকৃত হয়েছে।
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নির্বাচনি বিলবোর্ড লাগানোকে কেন্দ্র করে জুলাই শহীদ মিরাজুল ইসলাম অর্ণবের বাবা আবু তালেবের সঙ্গে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর ও তার সহযোগীদের হাতাহাতি হয়েছে। এ ঘটনায় অর্ণবের চাচা আব্দুস সালামকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাগরের বিরুদ্ধে।
মাকে হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই এবার বাবাকে হারালেন এ প্রজন্মের সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক পিজিত মহাজন।
আমরাও যদি না জানি তাহলেও বড় কোন ক্ষতি নেই আসলে, শুধু আপনাকে জানলেই তো চলে, আর আপনাকে দেখলে! ঐ সবুজ গালিচায় আপনার লেখা অসংখ্য কবিতা নাজিম হিকমতের চেয়ে কম কিসে?
১৯২৩ সালের ৯ আগস্ট সারিকামিশভিত্তিক ‘ভারলিক’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার ব্যবসায়ীরা আনাতোলিয়া অঞ্চল থেকে ১০ হাজার বিড়াল কেনার পরিকল্পনা করেছিলেন। এসব বিড়াল মূলত এরজুরুম, কার্স, সারিকামিশসহ পূর্ব তুরস্কের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করার কথা ছিল।
ব্যাংকে ভুয়া কাগজ প্রদর্শন করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রাজধানীর সদরঘাটে ‘প্রিন্স আওলাদ’ লঞ্চে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কয়েক শিক্ষার্থী ও লঞ্চকর্মীদের বিরোধের পর ৪০ হাজার টাকা দাবি ও ২০ হাজার টাকায় মীমাংসার অভিযোগ উঠেছে।