খাগড়াছড়িতে বাসে আগুন, দুর্বৃত্তদের কাজ ধারণা পুলিশের
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আজ পরিষ্কার এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রায়ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের আভাস নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর অভ্যন্তরীণ সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
খাগড়াছড়ি পৌর শহরের মহাজন পাড়ায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বিআরটিসির বাস আগুনে পুড়ে গেছে।
পেনিয়াকে অভিশংসনের প্রস্তাবের পক্ষে সিনেটের ৪৫ সদস্যের মধ্যে ৪৪ জন ভোট দেন। একজন আইনপ্রণেতা অনুপস্থিত ছিলেন। পরে সিনেটের প্রেসিডেন্ট বাসিলিও নুনিয়েজ বলেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে পেনিয়াকে দোষী সাব্...
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ইউনুস রাশিদ নিঝুম (২২) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাঁর বন্ধু ফারহান (১৯) আহত হয়েছেন।
ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন অভিনেত্রী রেনু দেশাই।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
অনেকের ধারণা, এখনো কোনো রোগ হয়নি বলে খাবারে বাড়তি লবণ খেলেও সমস্যা নেই
<p>মোশাররফ করিমের বিপরীতে পরপর তিনটি নাটকে অভিনয় করে আলোচনায় রয়েছেন অভিনেত্রী <strong>নীলাঞ্জনা নীলা</strong>। গতকাল তাঁর সঙ্গে কথা বলেছে <strong>মকফুল হোসেন</strong>।</p><p>এখন কী নিয়ে ব্যস্ত?</p><p>এখন তো নাটক নিয়েই বেশি ব্যস্ত। মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে যেহেতু আমাদের জুটিটা দর্শকেরা অনেক বেশি পছন্দ করছেন, তাই তাঁর সঙ্গেই কাজ একটু বেশি হচ্ছে।<br></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/agi8b6s3/675985920257231666640232179105680473251916374n.jpg"><figcaption>নীলাঞ্জনা নীলা</figcaption></figure><p>মোশাররফ করিমের সঙ্গে আপনার জুটি দর্শকেরা কেন পছন্দ করছেন?<br></p><p>আমার মনে হয়, একজন অভিনেত্রী হিসেবে আমার চেনা চরিত্রের বাইরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কিছু নাটক করেছি। যেমন তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম যে নাটকটি আমাকে অনেক বেশি পরিচিতি দিয়েছে, সেটি হলো জামাই বউ অতি চালাক। সেখানে আমার চেনা চরিত্রের বাইরে গিয়ে একেবারে অন্য রকম একটি চরিত্র করেছি। ঝগড়াটে, একদম গ্রামের মেয়ের মতো। দর্শকেরা দেখলাম এটা খুব পছন্দ করেছেন। এখন বেশির ভাগ নাটকেই তাঁর সঙ্গে ঝগড়া করেই সময় কাটছে।<br></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/r40ytxhq/697927729259541507075914771212992762873595362n.jpg"><figcaption>নীলাঞ্জনা নীলা</figcaption></figure><p>আপনি ফেসবুকে ঝগড়া নিয়ে একটি পোস্টও করেছিলেন। আপনি নাকি একদমই ঝগড়া করতে পারতেন না। সেটা কীভাবে রপ্ত করলেন?<br></p><p>ব্যক্তিগত জীবনে যখন ঝগড়া করতাম, তখন দেখা যেত, নিজের অনুভূতিগুলো ঠিকমতো প্রকাশ করতে পারতাম না। অনেক কিছু আটকে রাখতাম। একসময় রাগ জমে গিয়ে বিস্ফোরণ হতো। তখন চিৎকার-চেঁচামেচি করে ইংরেজিতে কী কী বলতাম, সেগুলোর কোনো অর্থও থাকত না। ওইটাই ছিল আমার ঝগড়া। কিন্তু মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার সময় চরিত্রটির ভাষা নিয়ে পরিকল্পনা করলাম। আম্মুর সঙ্গে বসে তিন-চার দিন ধরে অনুশীলন করলাম, কীভাবে ঝগড়া করতে হয়। এরপর ঝগড়ার নাটক করলাম। দর্শকেরা দেখলাম খুব পছন্দ করছেন। এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে আমার চিকিৎসক পর্যন্ত মানা করে দিয়েছেন, আর ঝগড়াটে চরিত্র করা যাবে না। আমার স্বামী যা-ই করুক, বেশির ভাগ সময় আমার ঝগড়া করতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু আমার ঝগড়ার জীবনে যা কিছু আছে, সব মোশাররফ ভাইয়ের ওপর দিয়েই যায়।<br></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/szymb3lz/700096932259537415142990631954205074839999612n.jpg"><figcaption>নীলাঞ্জনা নীলা</figcaption></figure><p>ঝগড়াটে চরিত্র করা যাবে না কেন? কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন?</p><p>হ্যাঁ, আমার অনেক রকম সমস্যা হচ্ছে। গলায় সমস্যা, অনেক দিন ধরে ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলাম না। বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকছি। কারণ, ঝগড়ার অভিনয় করতে গেলে অনেক শক্তি প্রয়োজন হয়। মানসিকভাবেও অনেক চাপ যায়। এসব কারণে চিকিৎসক আমাকে একটু মানা করেছেন।</p><p>কোনো চরিত্র জনপ্রিয় হলে দর্শকেরা অনেক সময় সেই অভিনেতাকে একই ধরনের চরিত্রে দেখতে চান।<br></p><p>এখন আমি পরিচালকদের একটু বলে দিচ্ছি যে এই ঝগড়াটে নাটকটা আমি এখন কম করতে চাই। তবে সব একেবারে বাদ দিচ্ছি না। যেসব চরিত্র আমার খুব ভালো লাগছে, সেগুলো ঠিকই করছি। একটু বেছে বেছে কাজ করছি এবং পরিচিত ছক থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছি।<br></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/d1q0u68b/81904097422175885191833888444522439254461121n.jpg"><figcaption>নীলাঞ্জনা নীলা</figcaption></figure><p>মাঝে নাটকে একটু কম কাজ করছিলেন, এখন আবার নাটকে কাজ বাড়িয়েছেন।</p><p>মাঝে আমি একটু সিনেমায় মনোযোগী ছিলাম। এর মধ্যে তিনটি সিনেমায় কাজ করেছি। একটি মুক্তি পেয়েছে, আর দুটি বাকি। তখন সিনেমায় বেশি মনোযোগ দিয়েছিলাম। এখন কাজ করছি। আসলে এখন আর মাধ্যম বাছাই করছি না। আমি অভিনয় ভালোবাসি। গল্প ও চরিত্র পছন্দ হলে কাজ করছি।</p><p>কেউ কেউ বলছেন, বিয়ের পর আপনার কাজের পরিমাণ বেড়েছে।</p><p>বিয়ের সঙ্গে একটু সম্পর্ক আছে। বিয়ের আগে আমার অভিনয়জীবন শুরু হয়েছিল একটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। সবকিছু খুব সহজেই পেয়ে গিয়েছিলাম। তাই সুযোগগুলোর গুরুত্ব তখন ঠিক বুঝিনি। কাজ আসত, করতাম; কিন্তু ততটা মনোযোগী ছিলাম না। বিয়ে মানুষকে অনেক পরিণত করে দেয়। জীবনের ব্যাপারে অনেক সচেতন করে দেয়। সে কারণে হয়তো এখন আমি আমার অভিনয়জীবনকে গুরুত্ব দিচ্ছি।<br>আরেকটা বিষয় আছে। মাঝখানে আমি কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলাম। তখন একদিন রাস্তার মধ্যে একটি শুটিং দেখছিলাম। রাস্তায় আলো, ক্যামেরা, চেয়ার—সব সাজানো। আমি গাড়িতে যাচ্ছিলাম। সেই মুহূর্তে শুটিং দেখে মনে হলো, আমার তো এখানেই কাজ করার কথা, আমি এখানেই কাজ করতে চাই। এই উপলব্ধির পর কাজের প্রতি ভালোবাসা অনেক বেড়ে গেছে। বিয়ের সময়ের সঙ্গে ঘটনাটি মিলে গেছে, কিন্তু বিয়ের কারণেই যে এমন হয়েছে, তা নয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/668f5rj1/86838035723674193640620037660138183780407355n.jpg"><figcaption>নীলাঞ্জনা নীলা</figcaption></figure><p>মাঝখানে কাজ কমিয়ে দিয়েছিলেন কেন?<br></p><p>তখন আসলে কাজটা উপভোগ করছিলাম না। কাজের সুযোগগুলো খুব সহজভাবে নিয়েছিলাম। কিন্তু এখন আবার কাজ উপভোগ করছি।<br></p><p>এই সময়ে এসে আপনার পরিকল্পনা কী?<br></p><p>এখন যেহেতু অভিনয় নিয়ে মনোযোগী হয়েছি, এটাকে আমি ভালোবাসি। অভিনয়ই আমার সবকিছু। কাজে পুরো মনোযোগ দিচ্ছি। এখন ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। এমন সব কঠিন কাজে নিজেকে পরীক্ষা করতে চাই, যেগুলো আগে কখনো করা হয়নি। শুধু এখানে থেমে থাকতে চাই না। হয়তো দেশের বাইরেও কিছু করতে চাই। অনেক কিছু নিয়ে চেষ্টা করছি, পরিকল্পনা আছে। ধীরে ধীরে দেখি কত দূর যেতে পারি।<br></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/ija5yslh/85572889522459928829656192617007558448496612n.jpg"><figcaption>নীলাঞ্জনা নীলা</figcaption></figure><p>আপনি অনুদানের সিনেমা করেছেন, বাণিজ্যিক সিনেমাও। কোন ধরনের সিনেমারপ্রতি আপনার আগ্রহ বেশি?<br></p><p>আমি আসলে ভিন্নধারার সিনেমা এখন একটু বন্ধ রেখেছি। বাংলাদেশে একবার এ ধরনের কাজ করলে ওই ধরনের কাজই বেশি আসে। কয়েকবার এমন ভিন্নধারার সিনেমা করেছি। এর মধ্যে একটু বাণিজ্যিক সিনেমাও করেছি। সেটির প্রচারণার জন্য আমরা খুব বেশি দূর এগোতে পারিনি। এখন একটু ভিন্ন কিছু করতে চাই।<br></p><p>অবসর সময়ে কী করেন?</p><p>অবসর সময়ে বাসায় থাকলে যোগব্যায়াম করতে পছন্দ করি। নিজের যত্ন নেওয়া, ধ্যান—এসব করি। ব্যায়াম করি, গেম খেলি। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। যখনই অবসর পাই, দেখা যায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছি।</p>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/41cxq2tj/Untitled-1-08.jpg"></figure>
<p>শামীম সারা দিন এত ব্যস্ত ছিল যে সে কাঁদতে ভুলে গিয়েছিল। শায়ন্তীকে কবরে শোয়ানো হয়েছে আসরের নামাজের পর। তার পরেও অনেকক্ষণ তারা কবরস্থানে ছিল। রূপাকে সেখান থেকে বাড়িতে আনা যাচ্ছিল না। তারা অবশেষে বাড়ি ফিরেছে মাগরিবের পর। রাত নয়টার দিকে ড্রয়িংরুমে এশার নামাজে দাঁড়িয়ে শামীম আর কান্না ধরে রাখতে পারল না। রূপা তখনো বেডরুমে তসবিহ হাতে বসে কাঁদছে।<br> ঝাড়া কয়েক মিনিট কাঁদল শামীম। তার কান্নায় ব্যাঘাত ঘটাল একটা ফোনকল। সারা দিন অনেক ফোন এসেছে; সে কিছু কল ধরতে পেরেছে, কিছু পারেনি। এখন যে নম্বর থেকে কলটা এল, সেটা তার ফোনে সেভ করা নেই। সারা দিন সে অনেক আনসেভড নম্বর থেকে আসা কল রিসিভ করেছে। নম্বরটার দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে সে কলটা ধরতে ধরতে জায়নামাজ ছেড়ে পাশে একটা সোফায় গিয়ে বসল।<br> ‘আসসালামু আলাইকুম।’<br> ‘এটা শামীমের ফোন?’ ওপাশ থেকে কেউ জানতে চায়।<br> ‘জি, বলছি।’ শামীম চোখ মুছতে মুছতে বলে।<br> ‘আমি এমদাদ।’<br> শামীম কণ্ঠটা চিনতে পারে। সে বুঝে যায় লোকটা এখন তাকে কী বলবে। সে বলল, ‘বলুন, এমদাদ সাহেব।’</p><p>‘আপনি আজ আমার মেয়েকে কবর দিয়ে এলেন, আর আমাকে কিছু জানানোর প্রয়োজন মনে করলেন না!’ এমদাদের কণ্ঠে উত্তাপ। শামীম জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল। পাশের বাড়ির রান্নাঘর দেখা যাচ্ছে; সেখানে ঘটর-ঘটর শব্দ হচ্ছে, কিন্তু কাউকে দেখা যাচ্ছে না। মনে হয় কেউ মসলা পিষছে।<br>শামীম এখন আর কাঁদছে না। সে নির্লিপ্ত গলায় বলল, ‘হ্যাঁ, জানাইনি।’<br>কিছুক্ষণ কেউ কোনো কথা বলল না। শামীমকে ফোন করার আগে এমদাদ অনেক বকাবকি করবে বলে তৈরি হয়ে ছিল। ঘরের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে মনে মনে কয়েকবার প্র্যাকটিসও করেছে। সে প্রচণ্ড রেগে আছে; মেয়ের মৃত্যুর খবর তাকে জানানো হয়নি বলে সে অপমানিত বোধ করেছে, তাকে বাবার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে শামীমকে তার গালি দিতে ইচ্ছা হয়েছে।<br>কিন্তু সে এ মুহূর্তে রাগ প্রকাশ করতে পারে না। বলে, ‘কেন জানালেন না?’<br>‘মেয়েটা আজ মারা গেছে, এমদাদ সাহেব, আমরা এই আলাপ আরেক দিন করি? আজ ওর জন্য দোয়া করার সময়।’<br>‘আমি জানি ও মারা গেছে।’ এমদাদের গলা চড়ে যায়।<br>‘তাহলে তো জানেন কেন কবর দিয়েছি।’<br>‘আপনি…আর ইউ জোকিং উইথ মি?’<br>‘না ভাই, একেবারেই না।’<br>‘মনে রাখবেন, আমি ওর বাবা।’<br>‘আমি জানি।’<br>‘তাহলে, ওর আসল বাবাকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি আপনি?’<br>‘না।’ শামীম শান্ত গলায় বলে।<br>দুজন চুপ করে থাকে। শামীম এমদাদের নিশ্বাস–প্রশ্বাসের শব্দ শুনতে পায়। এবার সে জানতে চায়, ‘ওর ক্যানসারটা কবে ধরা পড়েছিল?’<br>‘এক বছর আগে।’<br>‘এক বছর!’<br>‘হ্যাঁ।’</p><blockquote> ‘আপনি আজ আমার মেয়েকে কবর দিয়ে এলেন, আর আমাকে কিছু জানানোর প্রয়োজন মনে করলেন না!’ এমদাদের কণ্ঠে উত্তাপ। শামীম জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল। পাশের বাড়ির রান্নাঘর দেখা যাচ্ছে; সেখানে ঘটর-ঘটর শব্দ হচ্ছে, কিন্তু কাউকে দেখা যাচ্ছে না। মনে হয় কেউ মসলা পিষছে।</blockquote><p>‘আপনার একবারও মনে হলো না, আমাকে জানানো উচিত?’<br>শামীম চোখের পানি মুছতে মুছতে বলে, ‘জানা একটা অদ্ভুত ব্যাপার, এমদাদ সাহেব।’<br>‘মানে?’<br>‘অনেক সময় আমরা অনেক কিছু জানি, কিন্তু তাতে কিছু আসে-যায় না, কিছু বদলায় না, আমরা কিছুই করতে পারি না।’<br>‘আমার তো জানার অধিকার ছিল।’<br>‘ছিল।’<br>‘আপনি সেটা স্বীকার করছেন?’<br>‘হ্যাঁ।’<br>‘তাহলে জানাননি কেন?’<br>‘আমি জানি না, এমদাদ সাহেব।’<br>এমন উত্তর এমদাদ আশা করেনি। সে ভেবেছিল শামীম নানা যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করবে, নানা অজুহাত দেখাবে। সেসবের বিরুদ্ধে নানা কথা বলা যায়, ঝগড়া করা যায়, আক্রমণ করা যায়। কিন্তু কেউ যখন বলে ‘জানি না’, তখন তাকে আক্রমণ করার স্পৃহা কমে যায়।<br>‘কী ক্যানসার হয়েছিল ওর?’<br>‘হাড়ের, বোন ক্যানসার।’<br>‘অনেক কষ্ট হয়েছে মেয়েটার?’<br>‘হ্যাঁ, অনেক। আমি গত এক মাস দোয়া করেছি আল্লাহ যেন ওকে তাড়াতাড়ি নিয়ে যান।’<br>‘অনেক কাঁদত নাকি?’ এমদাদ এবার নরম গলায় জানতে চায়।<br>‘মাঝে মাঝে। বেশির ভাগ সময় ব্যথার ইনজেকশন দেওয়া হতো।’<br>‘আমার কথা কি কখনো জানতে চেয়েছে?’<br>শামীম চুপ করে থাকে।<br>এমদাদ আবার জানতে চায়, ‘চেয়েছিল?’<br>‘হ্যাঁ, একবার।’<br>এমদাদের গলায় উৎকণ্ঠা, ‘কী বলেছিল? কী জানতে চেয়েছিল?’<br>‘জানতে চেয়েছিল আপনি কোথায় থাকেন, আর আপনার ফোন নম্বর।’<br>‘তারপর?’<br>‘আমি ওকে বলেছিলাম।’</p><blockquote>এমদাদের কথাগুলো শুনে শামীম চোখ বন্ধ করল। কাল রাতের কথা মনে পড়ল তার। শায়ন্তী হাড্ডিসার হয়ে গিয়েছিল। কিছুই খেতে পারছিল না, একটা নল দিয়ে তাকে খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। তার নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল, সে হা-আ-হ হা-আ-হ করে শ্বাস নিচ্ছিল।</blockquote><p>‘ব্যস, এটুকুই?’<br>‘হ্যাঁ।’<br>‘ও কি কখনো আমার সাথে দেখা করতে চেয়েছিল?’<br>‘না, তা কখনো চায়নি।’<br>‘আমার মনে হয়, ও চেয়েছে, আপনি ওকে বাধা দিয়েছেন।’<br>‘না।’<br>‘আপনিই কখনো ওকে ওর বাবার কাছে আসতে দেননি।’<br>শামীম জায়নামাজের দিকে তাকিয়ে বলে, ‘শায়ন্তী আপনার নাম জানত।’<br>‘আমার নাম?’<br>‘হ্যাঁ।’<br>‘আমি কি ওর কাছে শুধু একটা নাম ছিলাম?’<br>‘না।’<br>‘আমি ওর বাবা।’<br>‘হ্যাঁ।’<br>‘হ্যাঁ’ শব্দটা শুনতে শুনতে এমদাদের মনে হয়, শামীমকে হাতের কাছে পেলে তার গালে কষে চড় বসিয়ে দিত।<br>‘আপনি ওকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছেন।’ এমদাদ বলে।<br>‘নাহ্, এমদাদ সাহেব; আমি তা কখনোই করিনি।’<br>‘ওর মা, আমার স্ত্রী রূপাকেও ছিনিয়ে নিয়েছেন আপনি।’<br>‘না, রূপা আপনাকে ছেড়ে চলে এসেছিল।’<br>‘আপনিই ওকে আমার বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে গেছেন।’<br>‘না, ওদের বেরিয়ে আসা আপনার জীবনযাপনের এক লজিক্যাল কনসিকোয়েন্স।’<br>‘আমাদের বিয়ের আগে আপনি রূপাকে চিনতেন, আপনি ওর জন্য অপেক্ষা করছিলেন।’<br>‘না।’<br>‘সব কথায় না না করছেন কেন?’<br>‘কারণ, কিছু কথা তো আসলেই না, আমি আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বলেও দিয়েছি।’</p><blockquote>এমন উত্তর এমদাদ আশা করেনি। সে ভেবেছিল শামীম নানা যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করবে, নানা অজুহাত দেখাবে। সেসবের বিরুদ্ধে নানা কথা বলা যায়, ঝগড়া করা যায়, আক্রমণ করা যায়। কিন্তু কেউ যখন বলে ‘জানি না’, তখন তাকে আক্রমণ করার স্পৃহা কমে যায়।</blockquote><p>এমদাদ এবার বলল, ‘অন্যের মেয়েকে মানুষ করে খুব আনন্দ পেয়েছেন?’<br>‘না।’<br>‘তাহলে করলেন কেন?’<br>‘শি ওয়াজ দেয়ার। শি ওয়াজ জাস্ট আ লজিক্যাল কনসিকোয়েন্স অব মাই ম্যারেজ উইথ রূপা।’<br>এমদাদ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। শামীম কথা চালিয়ে যায়: ‘সকালে ওকে ঘুম থেকে তুলতে হতো, নাশতা খেতে চাইত না, কিন্তু খাওয়াতে হতো, সময়মতো স্কুলের বেতন দিতে হতো, ওর পরীক্ষার দিন কাউকে না কাউকে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। ওকে রাস্তা পার হওয়া শেখাতে হয়েছে, ইউনিভার্সিটির জন্য তৈরি করতে হয়েছে...। তারপর গত এক বছর তো হাসপাতালেই কেটে গেল।’<br>‘বাহ্, টাকা দিলেই যদি বাবা হওয়া যায়! তাহলে তো…’<br>‘না, হওয়া যায় না।’ শামীম সুন্দর করে বলে।<br>‘তাহলে, এত বাবাগিরি দেখাচ্ছেন কেন?’<br>‘জানি না।’<br>শামীমের অনেক বছর আগেকার কথা মনে পড়ে। পাঁচ বছরের একটা মেয়ে ডাইনিং টেবিলে তার চেয়ারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, স্কুলে যাবে। কিন্তু শুধু এক পায়ে জুতা পরেছে, আরেক পা খালি। জুতার কথা তার মনেই নেই; সে পাপার কাছে জানতে চাইছিল, পিঁপড়া রাতে ঘুমায় কি না। সে বলেছিল, ‘ঘুমায় তো।’ মেয়ে বলেছিল, ‘তাহলে, কাল রাতে আমার গায়ে কয়েকটা পিঁপড়া ঘুরে বেড়াচ্ছিল কী করে; তুমি দেখোনি?’ শামীম বলেছিল, ‘না সোনা, আমি দেখিনি। কামড় দিয়েছে, পাপা?’ মেয়ে খুব বিরক্ত হয়ে বলেছিল, ‘তুমি কেমন পাপা? এসব খেয়াল রাখো না কেন? যদি কামড়ে দিত?’<br>এমদাদের গলা শোনা যায়, ‘আপনি তো দেখি কিছুই জানেন না।’<br>শামীম বলে, ‘না, আসলেই জানি না।’<br>কথাটা শুনে এমদাদ এবার হেসে উঠল। খুব আনন্দের হাসি নয়। গলায় জোর এনে বলল, ‘আমিই ওকে এই পৃথিবীতে এনেছি; ওর শরীরে আমার রক্ত ছিল।’<br>‘হ্যাঁ।’</p><blockquote>এমদাদ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। শামীম কথা চালিয়ে যায়: ‘সকালে ওকে ঘুম থেকে তুলতে হতো, নাশতা খেতে চাইত না, কিন্তু খাওয়াতে হতো, সময়মতো স্কুলের বেতন দিতে হতো, ওর পরীক্ষার দিন কাউকে না কাউকে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। ওকে রাস্তা পার হওয়া শেখাতে হয়েছে, ইউনিভার্সিটির জন্য তৈরি করতে হয়েছে...। তারপর গত এক বছর তো হাসপাতালেই কেটে গেল।’</blockquote><p>‘ও আমার মতো দেখতে হয়েছিল।’<br>‘সামান্য। শায়ন্তী আসলে ওর মায়ের কপি ছিল।’<br>‘আপনি রক্ত বদলাতে পারবেন না, শামীম।’<br>‘আমি সেই চেষ্টা করিনি, এমদাদ সাহেব।’<br>‘আপনি কোটি টাকা খরচ করলেও ওর বায়োলজিক্যাল বাবা হতে পারতেন না।’<br>‘জানি।’<br>‘হাজার রাত হাসপাতালে বসে থাকলেও বাবা হতে পারতেন না।’<br>‘জানি।’<br>‘হাসপাতালের ফি দিলেও না, ওষুধপত্তর কিনলেও না, ওকে নিজ হাতে কবর দিলেও না। আপনি ওর আসল বাবা নন।’<br>এমদাদের কথাগুলো শুনে শামীম চোখ বন্ধ করল। কাল রাতের কথা মনে পড়ল তার। শায়ন্তী হাড্ডিসার হয়ে গিয়েছিল। কিছুই খেতে পারছিল না, একটা নল দিয়ে তাকে খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। তার নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল, সে হা-আ-হ হা-আ-হ করে শ্বাস নিচ্ছিল। মৃত্যুর সময় কেউ এত কঙ্কালসার হয়ে যায়, তা শামীম জানত না। বালিশটা ঠিক করে দেওয়ার জন্য সে মেয়ের মাথাটা একটু বুকের কাছে ঠেকিয়েছিল। শায়ন্তী তখন চোখ খুলে তাকিয়েছিল।<br>‘পা-পা?’<br>‘বলো, মা?’<br>‘আর ইউ উইথ মি?’<br>‘ইয়েস, পাপা, আমি আছি।’<br>‘আ-চ্ছা।’<br>ফোনের ওপাশে এমদাদ তখনো কথা বলে চলেছে, কিন্তু কোনো কথাই শামীমের কানে ঢুকছে না। সে ফোন রেখে দিল। জানালার দিকে তাকিয়ে দেখল পাশের বাড়ির রান্নাঘরের আলো আর জ্বলছে না। সে জায়নামাজের দিকে তাকিয়ে অস্ফুট কণ্ঠে বলল, ‘আই অ্যাম উইথ ইউ, পাপা।’</p>
<p>সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই ছোটেন বিনোদনকেন্দ্রে। কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে শিশুদের নিয়ে নির্মল আনন্দ আর প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো—এভাবেই কাটে ছুটির কিছুটা প্রহর। শুক্রবার রাজধানীর রমনা পার্ক, বিজয় সরণির নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণ ও চন্দ্রিমা উদ্যান ঘুরে ছবিগুলো তোলা—</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/ayngm5tt/HolidayParkDipu06112601.jpg"><figcaption>বিজয় সরণির নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে ফোয়ারার পানিতে আনন্দে মেতে উঠেছেন এক তরুণী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/9fetiv9a/HolidayParkDipu06112602.jpg"><figcaption>ছুটির দিনে নভোথিয়েটারে দুই সন্তানকে নিয়ে খেলায় মেতেছেন মা-বাবা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/ubd4nguk/HolidayParkDipu06112603.jpg"><figcaption>বাতাসে ভেসে বেড়ানো সাবানের বুদ্বুদ ধরতে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এক শিশু</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/df9y5o8d/HolidayParkDipu06112604.jpg"><figcaption>রমনা পার্কে দোলনায় বসে ছবি তুলছেন বেড়াতে আসা দর্শনার্থীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/6ytlx5vg/HolidayParkDipu06112605.jpg"><figcaption>ফোয়ারার পানিতে ভাইকে নিয়ে খেলায় মেতেছে এক বোন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/9ra5fpzt/HolidayParkDipu06112606.jpg"><figcaption>সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পরিবার-পরিজন নিয়ে রমনা পার্কে ঘুরতে এসেছেন অনেকে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/iie515w1/HolidayParkDipu06112607.jpg"><figcaption>রমনা পার্কে শিশুদের খেলার চত্বরে স্লাইডারে মেতেছে শিশুরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/4qsqynx0/HolidayParkDipu06112608.jpg"><figcaption>পার্কের লেকে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন অনেকে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/var8re8u/HolidayParkDipu06112609.jpg"><figcaption>রমনা পার্কের ঝুলন্ত দড়িতে খেলায় মেতেছে দুই শিশু</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/va7c1qf9/HolidayParkDipu06112610.jpg"><figcaption>বিকেলে চন্দ্রিমা উদ্যানে ছিল ঘুরতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড় </figcaption></figure>
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে ৪৭টি অপতথ্য শনাক্ত করেছে তিনটি ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান। এসব অপতথ্যে শ্রমিক নিহত, গুলিবিদ্ধসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।
<p>সংসারের ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রথম ধাপ হলো আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখা। সে জন্য মাসের শুরুতে সম্ভাব্য খরচের তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/lbnaktta-oo-onabrrishtite-nsht-hcche-noyakhaleer-amner-khet</figure>
পেনিয়াকে অভিশংসনের প্রস্তাবের পক্ষে সিনেটের ৪৫ সদস্যের মধ্যে ৪৪ জন ভোট দেন। একজন আইনপ্রণেতা অনুপস্থিত ছিলেন। পরে সিনেটের প্রেসিডেন্ট বাসিলিও নুনিয়েজ বলেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে পেনিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এরপর প্যারাগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।
শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে ফিরছেন; বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিভিন্ন মাশুল বৃদ্ধির পরিকল্পনায় বিমান ভাড়া বৃদ্ধির শঙ্কা এবং এনবিআরের ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দে ব্যবসায়ী মহলে উৎকণ্ঠা - এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প। এতে ভারতকে নিয়ে সংশয় কেন?
ডা. তাসনিম জারা এবং তাজনূভা জাবীন এর পর জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। এনসিপি থেকে আলোচিত নারী নেতাদের এই পদত্যাগের ঘটনা নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেন তারা দল থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, এই প্রশ্ন সামনে আসছে।
ইরান তার অন্তত দুটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নতুন নির্মাণকাজ চালাচ্ছে এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো মেরামত করছে- স্যাটেলাইট চিত্রের বিশ্লেষণ থেকে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
নির্বাচনী দৌড়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাসকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট নিথ্যা রমন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মার্কিন নাগরিকের জয় ক্যালিফোর্নিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের হতবাক করেছে। নির্বাচনী লাড়াইয়ের প্রথম দিকে একজন দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচন শুরু করেছিলেন তিনি।
স্থানীয় জেলেরা বলছেন ৫ই অগাস্টের পর থেকেই সুন্দরবনে দস্যুবৃত্তি বেড়েছে। অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করলে দস্যুরা অনেকে আত্মসমর্পণ করেছিল।
যে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে, তার ভিত্তি হলো ১৯৬০ সালের ৪ঠা নভেম্বর মার্কিন বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স-এ তিনজন গবেষকের প্রকাশিত একটি গবেষণা, যার চাঞ্চল্যকর শিরোনাম ছিল- "ডুমসডে: ফ্রাইডে, নভেম্বর ১৩"। যার মানে দাঁড়ায়- ১৩ই নভেম্বর, শুক্রবার, মহাপ্রলয় বা কেয়ামতের দিন।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ভোর থেকেই সাইকেল, ভ্যান বা বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে আশপাশের গ্রামের কৃষক, খামারি ও গৃহস্থরা ড্রাম, বালতি ও হাড়িতে করে দুধ নিয়ে আসতে শুরু করেন।
যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছর এ পর্যন্ত ৫ হাজার ১৮২ জনের হাম শনাক্ত করা হয়েছে, যা গত ৩৫ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে বছরে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড।
খাগড়াছড়ি পৌর শহরের মহাজন পাড়ায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বিআরটিসির বাস আগুনে পুড়ে গেছে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর অভ্যন্তরীণ সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আজ পরিষ্কার এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রায়ও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের আভাস নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পাশ্চাত্য রাশিচক্রমতে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে চলতি সপ্তাহের বিভিন্ন রাশির জাতক-জাতিকাদের নানা বিষয়ের শুভাশুভ পূর্বাভাস ও সতর্কতা জানাচ্ছেন জ্যোতিষশাস্ত্রী ড. চিন্ময় চৌধুরী মিথুন।