বুড়িগঙ্গার তীর থেকে সব প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ হাইকোর্টের
বিগত সরকারের বিষয়ে আলোচনা করাকে সময়ের অপচয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুড়িগঙ্গা নদীর লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ইসলামবাগ এলাকার তীর থেকে সব প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভেটেরিনারি, এনিমেল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের আন্তঃলেভেল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ শুরু হয়েছে।
অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর মাটিকে কাজে লাগিয়ে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় অর্থকরী ফসল হিসেবে সুপারি চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। উৎপাদন খরচ কম এবং দীর্ঘদিন ফলন পাওয়া যায় বলে নতুন নতুন সুপারি বাগান গড়ে তুলছেন চাষ...
কলম্বিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় অন্তত তিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় আরো ১৬ জন আহত হয়েছেন। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<p>ফুটবল কখন কাকে কোথায় নিয়ে যায়, তার হিসাব বোধ হয় ফুটবলের কাছেও নেই। একদিন যিনি ছিলেন পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবের গোলকিপার, তাঁকেই এক বিশ্বকাপ রাত বানিয়ে দিল বিশ্বতারকা। ইনস্টাগ্রামে অনুসারী বেড়ে গেল কয়েক ঘণ্টায় কয়েক মিলিয়ন। বিজ্ঞাপনের দুনিয়ায় ডাক পড়ল অ্যাডিডাস, পেপসি আর রেড বুলের। ব্যালন ডি’অরের মঞ্চেও জায়গা হলো।</p><p>নাম তাঁর ভোজিনিয়া। পুরো নাম জোসিমার হোসে এভোরা দিয়াস। বয়স ৪০। কেপ ভার্দের এই গোলকিপার এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে এমন এক কীর্তি গড়েছিলেন, যা তাঁকে রাতারাতি বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে দেয়। বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট স্পেনকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে গোল করতে দেননি। ম্যাচটি শেষ হয়েছিল গোলশূন্য ড্রয়ে। এরপর শেষ ষোলোয় লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলেছেন অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত হারলেও ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটির ফুটবল ইতিহাসে জায়গা করে নেয় দলটি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/326s5c6bta">২ কোটি ৮৪ লাখের খ্যাতিতে ‘অসহায়’ ভোজিনিয়া</a></aside><p>আর ভোজিনিয়া? তিনি হয়ে যান বিশ্বকাপের অন্যতম অপ্রত্যাশিত নায়ক। স্পেনের বিপক্ষে আটলান্টার সেই ম্যাচের আগে তাঁর ইনস্টাগ্রাম অনুসারী ছিল মাত্র ৫০ হাজার। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সংখ্যাটা বেড়ে কয়েক মিলিয়ন। এখন অনুসারী ২ কোটি ৭৫ লাখ! তুলনাটা বুঝতে একটা তথ্যই যথেষ্ট। তাঁর নিজের দেশ কেপ ভার্দের মোট জনসংখ্যাই পাঁচ লাখের সামান্য বেশি। অর্থাৎ দেশের জনসংখ্যার ৫৫ গুণেরও বেশি অনুসারী তাঁর!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-18/pu48gk51/Vozinha-Reuters-4.JPG"><figcaption>ভোজিনিয়া </figcaption></figure><p><br>অবশ্য এই খ্যাতির পেছনে ছিল আবেগের গল্পও। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে কেঁদেছিলেন ভোজিনিয়া। দলের এমন সাফল্যের আনন্দে। আবার কষ্টেও। কারণ, মাকে বিশ্বকাপের সেই ম্যাচ দেখাতে চেয়েছিলেন গ্যালারিতে বসিয়ে। কিন্তু মায়ের ভিসা হয়নি। ছেলের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তটি তাই মা দেখতে পারেননি সামনে বসে।</p><p>বিশ্বকাপের পর জীবনটা আরও বদলে যায় ভোজিনিয়ার। জুলাইয়ে যোগ দেন চিলির ক্লাব কোলো কোলোতে। দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম সফল এই ক্লাব ১৯৯১ সালে জিতেছিল কোপা লিবার্তোদোরেস। সেখানে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় এসতাদিও মনুমেন্তালে। হাজার হাজার সমর্থকের সামনে। আতশবাজির আলোয়। যেন কোনো সিনেমার নায়ক!</p><p>এরপর বিজ্ঞাপনের দুনিয়াও তাঁকে লুফে নেয়। অ্যাডিডাস, পেপসি, রেড বুলের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের প্রচারণায় মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। সম্প্রতি লন্ডনে ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানেও গিয়েছিলেন। বর্ষসেরা গোলকিপারের পুরস্কারের ভোটে হয়েছেন ষষ্ঠ।</p><p>কিন্তু মাঠের গল্পটা এত সুন্দর নয়। গত মৌসুমেও পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগে খেলেছেন ভোজিনিয়া। কোলো কোলোতে গিয়ে নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত সম্ভাব্য ১৪ ম্যাচের মাত্র পাঁচটিতে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন। চিলির লিগে শিরোপার দৌড়ে থাকা দলটির পরের ম্যাচ নুবলেনসের বিপক্ষে আগামীকাল, যে ম্যাচেও বেঞ্চই হতে পারে তাঁর ঠিকানা। মানে বিশ্বকাপের নায়কের এখন সময় কাটছে ক্লাবের বেঞ্চে বসে!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-05/4nsx2bp3/2026_08_04T193204Z_770980157_UP1EM841I9F3Y_RTRMADP_3_SOCCER_CHILE_VOZINHA.JPG"><figcaption> চিলির শীর্ষ লিগের দল কোলো কোলোর একাদশে নিয়মিত জায়গা হচ্ছে না ভোজিনিয়ার।</figcaption></figure><p>ভোজিনিয়া অবশ্য এখনই ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না। সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি এখানে এসেছিলাম লিবার্তোদোরেসে খেলার উদ্দেশ্য নিয়ে। তবে এখন আমার মনোযোগ এই সপ্তাহে। কোলো কোলো দলের জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এরপর আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। এ নিয়ে এখন ভাবছি না।’</p><p>ভোজিনিয়ার চুক্তিটি ছয় মাসের। তবে নির্দিষ্টসংখ্যক মিনিট খেলতে পারলে আরও এক বছর বাড়ানোর সুযোগ আছে। চিলির সংবাদমাধ্যমে তাই প্রশ্ন উঠছে, ২০২৭ সালেও কোলো কোলোতে থাকবেন কি না ভোজিনিয়া?</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/urqtl7vefe">ভোজিনিয়ার জন্য নিয়ম বদল, ব্যবহার করতে পারবেন ডাকনাম</a></aside><p>যে ৫টি ম্যাচ খেলেছেন ভোজিনিয়া, সেখানে ৩টি গোল হজম করেছে দল। পরিসংখ্যান হিসেবে খারাপ নয়। কিন্তু কোলো কোলো ক্লাবের এখনো প্রথম পছন্দ তাদের ১৯ বছর বয়সী চিলিয়ান গোলকিপার গ্যাব্রিয়েল মাওরেইরা। ভোজিনিয়াকে বরং সমালোচনাই শুনতে হচ্ছে বেশি। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-04/m4ep48cu/058169-01-02.jpg"><figcaption>ভোজিনিয়া</figcaption></figure><p>বার্সেলোনা ও ম্যানচেস্টার সিটির সাবেক গোলকিপার এবং চিলির কিংবদন্তি ক্লদিও ব্রাভো তাঁর সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ব্রাভোর ভাষায়, ‘দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন, এমন পরিস্থিতিতে সে বেশ কয়েকটি ভুল করেছে। আর সমন্বয় না থাকলে কখনোই আপনি ভালো করতে পারবেন না।’<br>তার মানে ভোজিনিয়ার ভবিষ্যৎ আসলে এখন অনেকটাই অনিশ্চিত। কোলো কোলো যদি তাঁর চুক্তি না বাড়ায়, তাহলে ডিসেম্বরের শেষেই হয়তো নতুন ক্লাব খুঁজতে হবে ভোজিনিয়াকে। কী আছে তাঁর কপালে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।</p>
নাইরোবি শিল্পীগোষ্ঠী প্রবাসে সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে বন্ধুত্ব উদ্যাপন করে, বিভিন্ন দেশের সুরের মেলবন্ধন ঘটায়।
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kichu-ain-smbayke-swavabikvabe-egiye-zete-badha-dicche-rashtrpti</figure>
<p>দুর্নীতির কারণে দেশের সমবায় সমিতিগুলো তাদের অতীতের অবস্থান হারিয়েছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ৮ নভেম্বর রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/u45tvofy/1.-Khulna-bird.JPG"><figcaption>ঝোপঝাড়ের গাছে বুলবুলি। আড়ংঘাটা, খুলনা, ৮ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/pej4bkmd/2.-Moulvibazar-Winter.jpg"><figcaption>ধানের পাতায় জমেছে শিশিরবিন্দু। লাঠিটিলা, জুড়ী, মৌলভীবাজার, ৮ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/la0fomqo/3.-Khulna-worker.JPG"><figcaption>বাইসাইকেলের দুপাশে ঝুড়িতে মাছ নিয়ে শহরের বাজারে তা বিক্রি করতে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। আড়ংঘাটা, খুলনা, ৮ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/owyb006z/4.-Rangamati-farmer.JPG"><figcaption>কৃষিকাজ করছেন এক পাহাড়ি কিষানি। রাঙাপানি, রাঙামাটি, ৮ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/nbv5xvju/5.-Rangamati-Vegetable.JPG"><figcaption>লাউগাছে কুড়ি এসেছে। উলুছড়া, রাঙামাটি, ৮ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/4f5hchsp/6.-Manikganj-Bee.jpg"><figcaption>কামরাঙা ফুলের মধু খেতে এসেছে মৌমাছি। ভাটবাউর, মানিকগঞ্জ, ৮ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/7eov9y0v/7.-Sirajgonj-flower.jpg"><figcaption>পথের ধারে ফুটে আছে ফুল। ধানগড়া মধ্যপাড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ৮ নভেম্বর।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/z3m5abe2/9.-Chattogram-help.jpg"><figcaption>পাঁচ বছর আগে ক্যানসারে স্বামী মারা যান। নিজেও পক্ষাঘাতগ্রস্ত। জীবিকার তাগিদে দুই শিশুসন্তান নিয়ে পথে নেমেছেন বিবি কুলসুম। মিরসরাই, চট্টগ্রাম, ৮ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/ujp5xawb/10.-Gazipur-Police-BGB.jpg"><figcaption>শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক অবস্থান। চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর, ৮ নভেম্বর</figcaption></figure>
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় পিস্তল ঠেকিয়ে পরিমল কবিরাজ (৪৫) নামের এক মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রতিদিন ঘুম থেকে দিন কীভাবে শুরু হয় এই প্রশ্নে অপিয়ল বলেন, ‘চরের মানুষ সকালে উঠিয়ায় আগত নদীর পারত যায়। চারদিক ছায়া দেখে রাতে কার বাড়ি ভাঙিল আর কার জমির ফসল ডুবি গেল।
<p>খুলনার ভৈরব নদের পূর্ব পাড়ের আকাশে যখন সূর্য উঁকি দেয়, তখনই পশ্চিম তীরে শুরু হয় ব্যবসায়ীদের প্রস্তুতি। সাজাতে শুরু করেন পণ্যের পসরা। সকালে ডাকবাংলোর মোড় থেকে ক্লে রোড ধরে পথ চললে প্রথমেই চোখে পড়ে দুই পাশে সারি সারি ফলের দোকান, যা স্থানীয়ভাবে ফলপট্টি নামে পরিচিত। সেখান থেকে অলিগলির পথ ধরে আরেকটু ভেতরে গেলেই বোঝা যায়, আড়াই শ বছরের প্রাচীন বাণিজ্যকেন্দ্রের বাস্তব রূপ।</p><p>এখানকার আড়ত বা পট্টিগুলোর মধ্যে সবার আগে চালু হয় ফলপট্টি আর মাছের আড়ত। এরপর একে একে খোলে সবজি, মাংস আর মসলাপট্টি। সূর্য একটু ওপরে উঠতে উঠতে যতক্ষণে প্রসাধনী আর কাপড়ের দোকানগুলো খুলতে শুরু করে, ততক্ষণে ফলপট্টির বেচাকেনা শেষ করে ব্যবসায়ীরা দোকান গুটিয়ে ফেলতে শুরু করেন। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়ও বাড়তে থাকে। বাজার খোলা থাকে রাত ৯-১০টা অবধি এবং ঈদ, পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবের সময় গভীর রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা।</p><p>খুলনা নগরীর প্রাণকেন্দ্রে, ভৈরব নদের পাশ ঘেঁষে দিনভর সরগরম থাকা বাণিজ্যকেন্দ্রটি বড় বাজার। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই বাজার ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগমে মুখর থাকে। চাল-ডাল, ফলমূল, খুচরা-পাইকারি মুদি, কাপড়, প্রসাধনী, মসলা, মাছ-মাংস, শাকসবজি, অলংকার—সবই মেলে এই বড় বাজারে।</p><p>এই বাজারের শুরু ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে। গবেষণাপ্রতিষ্ঠান খুলনা ইনস্টিটিউটের গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, প্রায় আড়াই শ বছর আগে ১৭৮৬ সালে ব্রিটিশ নীলকর চার্লি সাহেব তাঁর ব্যবসায়িক কাজের উদ্দেশ্যে ভৈরব নদের তীরে খুলনা অঞ্চলের প্রথম দালানবাড়ি (নীলকুঠি) নির্মাণ করেন। চার্লি সাহেবের তৈরি করা নীলকুঠির পাশে ভৈরব নদের তীরে তখন লবণের বাণিজ্য হতো। দক্ষিণের উপকূলীয় অঞ্চলগুলো থেকে নৌপথে ভৈরব নদ দিয়ে লবণ নিয়ে এসে এখানে কেনাবেচা করতেন বণিকেরা। এরপর নীলকর চার্লি সাহেবের হাত ধরে ধীরে ধীরে এখানে গড়ে ওঠে হাট। তখন চার্লি সাহেবের নামে এই এলাকার নাম হয় চার্লিগঞ্জ। আর হাটের নাম চার্লির হাট ও সাহেবের হাট নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। যদিও সেই নীলকুঠির ধ্বংসাবশেষ পরিত্যক্ত অবস্থায় এখনো বড় বাজারের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। এলাকায় এখন কেউ কেউ এটাকে ভূতের বাড়ি বলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/ftdfdugo/042A6634.JPG.jpeg"><figcaption>খুলনার বড়বাজার</figcaption></figure><p>জাতীয় তথ্য বাতায়নের তথ্য মতে, ১৭৮১ সালে ব্রিটিশ সরকার রূপসা নদীর পাশে সুন্দরবনের বনজঙ্গল পরিষ্কার করে খুলনা অঞ্চলের প্রথম থানা নয়াবাদ স্থাপন করে। এরপর ১৮৪২ সালে ব্রিটিশ সরকার নয়াবাদ থানাকে খুলনা মহকুমায় উন্নীত করলে সাহেবের হাট খুলনা মহকুমার অধীনে চলে আসে। মহকুমায় পরিণত হওয়ায় এবং সরকারি দপ্তরগুলোর জন্য কর্মসংস্থান ও নাগরিক সেবা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ অঞ্চলের জনসংখ্যা বাড়তে থাকে। জনসংখ্যা বাড়ার কারণে স্থায়ী বাজারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে হাটটি বাজারে পরিণত হয় এবং বাজার বিস্তৃতি লাভ করতে শুরু করে। তখন এই বাজারের নাম হয় সাহেবের বাজার। সেই সময়ে সাহেবের বাজার এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বাজারে পরিণত হওয়ার কারণে লোকমুখে তা বড় বাজার নামে পরিচিত হতে শুরু করে।</p><p>বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ার: খুলনার তথ্য অনুযায়ী, ১৮৮২ সালে খুলনা মহকুমাকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করে ব্রিটিশ সরকার। খুলনা জেলা হওয়ার পর প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে ডব্লিউ এম ক্লে ১৮৮২ থেকে ১৮৮৭ সাল পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নামানুসারে ডাকবাংলোর মোড় থেকে ডেল্টা ঘাট পর্যন্ত রাস্তার নামকরণ হয় ‘ক্লে রোড’। শতাব্দীপ্রাচীন সেই ক্লে রোডের দুই ধারেই এখন সকালবেলায় বড় বাজারের ফলপট্টি বসে।</p><p>খুলনা জেলায় পরিণত হওয়ার পর এর প্রশাসনিক গুরুত্ব বাড়তে থাকে। জেলা শহর খুলনার জনসংখ্যার সঙ্গে দ্রুত বাড়তে থাকে বড় বাজারের পরিধিও। ১৮৮৪ সালে স্টিমারঘাট, রেলস্টেশন ও পৌরসভা চালু হয়। কলকাতা থেকে শিয়ালদহ-যশোর-খুলনা রুটের রেলপথের শেষ স্টেশন স্থাপন করা হয় বড় বাজারের পাশে। আর ভৈরব নদের তীরে বড় বাজারের পাশে তৈরি হয় স্টিমারঘাট, যার নাম হয় রকেট ঘাট। বরিশাল অঞ্চল থেকে সরাসরি নৌপথে খুলনায় এসে বড় বাজারের রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে চড়ে মানুষ কলকাতায় যেত। ফলে কলকাতা থেকে খুলনায় চলাচলকারী ট্রেনের নাম হয় ‘বরিশাল এক্সপ্রেস’।</p><p>খুলনা ইনস্টিটিউটের গবেষক সুস্মিত সাইফ ও স্থানীয় সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী জানান, কবি জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় গিয়েছিলেন এ পথ ধরেই। তখন বড় বাজার আঞ্চলিক যোগাযোগের ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়। যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে দেশের নানা অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা এসে জড়ো হতে থাকায় এটি বড় বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হয়। বরিশাল, যশোর, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, চাঁদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের মতো দূরের জেলাগুলো থেকেও ব্যবসায়ীরা এ বাজারে আসতেন। রাজস্থানের মাড়োয়ার, কলকাতা ও আশপাশের এলাকা থেকে আসা মাড়োয়ারি ব্যবসায়ীরা এখানে রত্ন ব্যবসা, দোকানপাট, আড়ত, গুদামসহ নানা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। পাঞ্জাব অঞ্চল থেকে আসা পাঞ্জাবি বণিকেরা শুরু করেন হোটেল ব্যবসা। বিহার অঞ্চল থেকে আসা হিন্দু বিহারিরা করতেন মুটে বা কুলির কাজ। আর ওডিশা অঞ্চল থেকে আসা ওডিয়ারা করতেন বাবুর্চির কাজ। এভাবে ধীরে ধীরে বড় বাজার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র হয়ে ওঠে। মাড়োয়ারি ব্যবসায়ীদের স্মৃতি হিসেবে এখনো ওয়েস্ট মেকড রোডের দুই ধারে স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটি শতাব্দীপ্রাচীন ভবন। যেখানে বেশির ভাগ বর্ধিষ্ণু শহরের পুরোনো দালানকোঠার স্থানে নতুন সুউচ্চ আধুনিক দালানকোঠায় স্কাইলাইন ছেয়ে গেছে, সেখানে একটি বিভাগীয় শহরের সবচেয়ে বড় বাজারে প্রায় অক্ষত অবস্থায় থাকা, পুরোনো মাড়োয়ারি স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই শতবর্ষী দালানগুলো বড় বাজারকে অনন্য করে তুলেছে। তাই বড় বাজারে পা রাখলেই নিজ থেকেই জানান দেয় তার পুরোনো জৌলুশের কথা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/ohvsmh5y/042A6468.JPG.jpeg"><figcaption>খুলনার বড়বাজার</figcaption></figure><p>বড় বাজারের সূচনালগ্ন থেকেই বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম ছিল নৌপথ। ফলে বড় বাজারকে কেন্দ্র করে ভৈরব নদের পাড়জুড়ে একে একে তৈরি হয়েছে নিমতলা ঘাট, ডেল্টা ঘাট, বলাকা ঘাট, সুন্দরবন ঘাট, মমিন ঘাট, দেইল্লার ঘাট, জুতাপট্টি ঘাট, চাইলাপট্টির ঘাট, হাসন সাহেবের ঘাট, ডাব ঘাট, রকেট ঘাট নামের বেশ কয়েকটি ঘাট। ঘাটগুলোর নাম বেশ মজার এবং অনেকগুলো ঘাটের নাম থেকেই তার অতীত সম্পর্কে জানা যায়।</p><p>৫০ বছর ধরে ওয়েস্ট মেকড রোডের মসলাপট্টিতে লেবার হিসেবে কাজ করা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ডাব ঘাটে আগে বড় বড় নৌকায় করে ডাব এসে নামত, সেই থেকে এর নাম হয়েছে ডাব ঘাট। এ রকম জুতাপট্টির ঘাটে নামত জুতা, চাইল্লাপট্টির ঘাটে নামত চাল, আর রকেট ঘাটে দাঁড়াত রকেট (স্টিমার)। এখন আর ঘাটগুলোতে আগের মতো ব্যবসা নেই। আগে অনেক নৌকা ভিড়ত, সব মালামাল নৌকায় আসত। এরপর রাস্তাঘাট হওয়ার পর এখন বেশির ভাগ মালামাল আসে ট্রাকে করে। ট্রাকে মালামাল আসতে সময় কম লাগায় ব্যবসায়ীরা ট্রাকের ওপর বেশি ভরসা করে। তাই ঘাটগুলোতে এখন আর আগের মতো ব্যস্ততা নেই। তারপরও এখনো আশপাশের বেশ কিছু জেলায় নৌকায় করে মালামাল আনা-নেওয়া হয়।</p><p>তবে এখন বড় বাজারের পরিসর আরও বিস্তৃত হয়েছে। চার্লির নীলকুঠিতে যাত্রা শুরুর পর বাজারটি ওয়েস্ট মেকট রোড, ভৈরব স্ট্র্যান্ড রোড, কালীবাড়ি রোড, কে ডি ঘোষ রোড, ক্লে রোড, জিকজ্যাক রোড, স্যার ইকবাল রোডের একটি অংশ এবং স্টেশন রোডজুড়ে ছড়িয়ে আছে।</p><p>বর্তমানে বড় বাজার পরিচালিত হয় খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) অধীনে। কেসিসির তথ্য মতে, স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে বড় বাজারের দোকান সংখ্যা পাঁচ হাজারের অধিক।</p><p>খুলনাসহ আশপাশের অঞ্চলে নতুন করে আরও অনেক বাজার তৈরি হওয়ায় এ অঞ্চলের বাণিজ্যের বিকেন্দ্রীকরণ ঘটেছে। ফলে বড় বাজারের গুরুত্ব ও জৌলুশও আর আগের মতো নেই। তবু ইতিহাস আর ঐতিহ্যের কারণে বড় বাজার এখনো সগৌরবে টিকে আছে।</p>
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে এক্সট্রাডিশন বা প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। অন্যদিকে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ জন হুথি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের হুথিরা। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব জাপানের চারটি কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়ামকে দেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে জাপানের দেওয়া বিভিন্ন শর্ত নিয়ে।
গত সপ্তাহের নির্বাচনে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন কোনো জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেন। এখন নতুন সরকার গঠনের জন্য আইজেনকোট ২৮ দিন সময় পাবেন।
আজ রবিবার ৮ই নভেম্বর, ঢাকা থেকে প্রকাশিত বেশিরভাগ পত্রিকা প্রধান শিরোনাম করেছে ৭ই নভেম্বর উপলক্ষ্যে বিএনপির শোভাযাত্রার খবর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য। এছাড়া আইএমএফের ঋণের শর্ত ও গ্যাস-তেলের দাম বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খবর গুরুত্ব পেয়েছে পত্রিকাগুলোয়।
ভয় মানুষের আবেগের স্বাভাবিক একটি বহিঃপ্রকাশ। এই ভয়ের অনুভূতি-ই বিপদের মুখে থাকলে মানুষের শরীর ও মস্তিষ্ককে সতর্ক হতে সাহায্য করে। কিন্তু ভয় আর ফোবিয়ার মধ্যে পার্থক্য কী? কোন ধরনের ফোবিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হতে না হতেই রাজনৈতিক অঙ্গন এরই মধ্যে ২০২৮ সালের হোয়াইট হাউস দৌড়ের দিকে মোড় নিচ্ছে। মঙ্গলবারের নির্বাচনের ফলাফল এবং ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক বিশাল সাফল্য হোয়াইট হাউসের দৌড়কে নানাভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের পাত্রে রান্না করা ভাত খেলে একটি শিশুর খাবারের মাধ্যমে দৈনিক সিসা গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি সিসা গ্রহণ করতে পারে। আইসিডিডিআরবি বলছে, সিসা একটি বিষাক্ত ধাতু, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।
১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর। অস্থির এক সময় পার করছিল বাংলাদেশ। ৬ই নভেম্বর সন্ধ্যার সময় ঢাকা সেনানিবাসে কিছু লিফলেট বিতরণ করা হয়। ঐ লিফলেট যারা পেয়েছিলেন তারা আঁচ করতে পারছিলেন যে রাতে 'কিছু একটা' ঘটতে যাচ্ছে।
বান্দরবান শহরের কসাইপাড়া এলাকার একটি পাহাড়ি ঝিরি থেকে মো. শরীফ (৩৮) নামে এক যুবদল নেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৮ নভেম্বর) সকালে কসাইপাড়া এলাকার একটি পাহাড়ি ঝিরি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সারা দেশে প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
দুই দিনের বিরতি শেষে আবারও মাঠে গড়াচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা। টুর্নামেন্টে টিকে থাকার কঠিন সমীকরণ সামনে রেখে দিনের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপের মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান।
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হামের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ২৮২ জনের মৃত্যু হলো। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১ হাজার ২২৫ জন শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।
কলম্বিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় অন্তত তিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় আরো ১৬ জন আহত হয়েছেন। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর মাটিকে কাজে লাগিয়ে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় অর্থকরী ফসল হিসেবে সুপারি চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। উৎপাদন খরচ কম এবং দীর্ঘদিন ফলন পাওয়া যায় বলে নতুন নতুন সুপারি বাগান গড়ে তুলছেন চাষিরা। এতে বাড়ছে উৎপাদন, পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও যোগ হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভেটেরিনারি, এনিমেল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের আন্তঃলেভেল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ শুরু হয়েছে।
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।