বুড়িগঙ্গার তীর থেকে সব প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ হাইকোর্টের
বিগত সরকারের বিষয়ে আলোচনা করাকে সময়ের অপচয় বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুড়িগঙ্গা নদীর লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ইসলামবাগ এলাকার তীর থেকে সব প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভেটেরিনারি, এনিমেল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের আন্তঃলেভেল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ শুরু হয়েছে।
অনুকূল আবহাওয়া ও উর্বর মাটিকে কাজে লাগিয়ে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় অর্থকরী ফসল হিসেবে সুপারি চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। উৎপাদন খরচ কম এবং দীর্ঘদিন ফলন পাওয়া যায় বলে নতুন নতুন সুপারি বাগান গড়ে তুলছেন চাষ...
কলম্বিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় অন্তত তিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ ঘটনায় আরো ১৬ জন আহত হয়েছেন। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/netaniyahur-biday-ki-asnn-aijenkt-ki-parben-srkar-grte</figure>
ইসরায়েলের ক্ষমতার পালাবদল হতে যাচ্ছে। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নন, সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকট। তাহলে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী?
তাজুল ইসলাম চৌধুরী আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া নয়জনের বিস্তারিত পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। পালিয়ে যাওয়া মানব পাচাকারী দলের সদস্যদের আটকের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
১৯৯৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে চীনে ম্যানগ্রোভ বনের আয়তন বেড়েছে ১৬৬ শতাংশ। একই সময়ে এসব বনাঞ্চলে পাখির প্রজাতি ১৪৮ থেকে বেড়ে ৩৯৭ হয়েছে।
<p>২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল অনেককেই বিস্মিত করেছে। কিন্তু যাঁরা কয়েক বছর ধরে ফলাফল পর্যবেক্ষণ করছেন, তাঁদের কাছে এটা খুব বেশি অপ্রত্যাশিত ছিল না। কারণ, শিক্ষা বোর্ডের নীতির কারণে ফলাফলে যে প্রভাব পড়ে, সেটা শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা আগেও স্বীকার করেছেন। </p><p>পাসের হার বেশি দেখানোর জন্য কোনো কোনো বছর ‘সরলভাবে’ খাতা দেখার নির্দেশনার কথাও আমরা শুনেছি। এভাবে পাসের হার হয়তো বেড়েছে, কিন্তু তাতে শিক্ষার মান কতটুকু বেড়েছে, সেই প্রশ্ন থেকে গেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/fbmor3fuem">এবারের এসএসসি পরীক্ষার ফল কেন খারাপ হলো</a></aside><p>তবে আরেকটা প্রশ্ন নিয়েও ভাবা দরকার—উচ্চমাধ্যমিক স্তরের গুরুত্ব কি কমতে শুরু করেছে? তাই যদি না হবে তো এত শিক্ষার্থী কোথায় গেল? ২০২৪ সালে যারা এসএসসি পাস করেছিল, তারাই এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। ২০২৪ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেছিল ১৬ লাখ ৭২ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী। অথচ ২০২৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১২ লাখ ৭০ হাজারের মতো শিক্ষার্থী। </p><p>এই হিসাবেই অন্তত ৪ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভর্তি হয়নি কিংবা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। বাস্তবে এই সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি। কারণ, গত বছর ২০২৫ সালে ৫ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি; তাদের একটি বড় অংশও এ বছর পরীক্ষা দিয়েছে। তার মানে, বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর কাছে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের গুরুত্ব হারিয়েছে।</p><p>এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলও নানা কারণে গুরুত্ব হারাতে শুরু করেছে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রধান বিবেচ্য হয়। ফলে শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষায় ভালো করার একটা চাপ থাকে। কিন্তু স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির ক্ষেত্রে এইচএসসির ফলাফল প্রায় বিবেচিতই হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির জন্য আলাদা করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। </p><p>এ কারণে এমনও দেখা যায়, কিছু শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনার পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে! এইচএসসির ফলাফল পরবর্তী চাকরির বাজারেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে না। সেখানেও মূলত বহুনির্বাচনী বা লিখিত পরীক্ষা এবং ভাইভার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়, কিংবা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ফল গুরুত্বপূর্ণ হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/yvwwtww1kf">এইচএসসি ফল বিপর্যয়: ব্যর্থতা নয়, জাগরণের বার্তা</a></aside><blockquote>আমাদের খেয়াল রাখা দরকার, এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বা অনুত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা স্তরে ভর্তি হবে না। কিন্তু এখান থেকে যারা কর্মক্ষেত্রে ঢুকবে, তারা কোন যোগ্যতা বা দক্ষতার ভিত্তিতে নিজেদের জায়গা করে নেবে, সেটা চিন্তা করা জরুরি। অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট দরিদ্র পরিবারগুলোকে নানামুখী চাপের মধ্যে রাখে। সেগুলোকে বিচেনায় নিয়েই আমাদের শিক্ষার গুণগত পরিবর্তনের কথা ভাবতে হবে।</blockquote><p>এ বছর যারা এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের জন্য এসব বিষয়ে এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের স্বস্তি দেবে, সন্দেহ নেই। কিন্তু তাদের ফল প্রকাশের জন্য বাড়তি কিছু সময় লেগে যাবে। এর দরুন আরেক সংকট তৈরি হবে। কারণ ইতিমধ্যে মেডিক্যাল, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি গুচ্ছসহ বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি পরীক্ষার নির্ধারিত তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে। সেটি করা না হলে এই শিক্ষার্থীরা আরেক ধরনের সংকটে পড়বে।</p><p>এবারের এইচএসসির ফলাফলকে প্রায় সবাই ‘বিপর্যয়’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন। কিন্তু একজন পরীক্ষার্থীর জিপিএ তার মেধার সমতুল—এটা কিসের ভিত্তিতে আমরা বলতে পারব? কারণ, খাতা দেখার ক্ষেত্রে পরীক্ষকদের স্বেচ্ছাচার ও অমনোযোগের নজির আছে। তা ছাড়া সব পরীক্ষকের মূল্যায়নের ধারা এক রকম নয়। </p><p>এই সমস্যা কাটানোর জন্য বিষয়ভিত্তিক প্রতিটি প্রশ্নের জন্য আলাদা রুব্রিক্স বা মানদণ্ড নির্ধারণ করা দরকার। এটি করা সম্ভব হলে পরীক্ষকদের খাতা মূল্যায়নের ব্যবধান কমিয়ে আনা সম্ভব। তা ছাড়া প্রতিটি খাতা যদি দুজন পরীক্ষকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়, তবে এইচএসসির ফলাফল আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হবে।</p><p>উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে সমন্বিত পরীক্ষাপদ্ধতি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে শিক্ষার্থীদের কয়েক মাস ধরে একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বা একাধিক ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে যেতে হয়। এখানে শুধু অর্থ ব্যয়ের প্রসঙ্গ জড়িয়ে থাকে না, একই সঙ্গে এসব পরীক্ষা এইচএসসির ফলাফলকেও ‘গুরুত্বহীন’ বা ‘অকারণ’ করে তুলছে। এইচএসসির ফলাফলকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারলে উচ্চশিক্ষা স্তরে ভর্তির জন্য এটিই প্রধান বিবেচ্য হতে পারে। তবে বিশেষায়িত ক্ষেত্রে ভর্তির জন্য আলাদা করে পরীক্ষা নেওয়া সমীচীন হবে।</p><p>এ বছর শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা যেমন কমেছে, তেমনি শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। গ্রাম ও শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবধান কমিয়ে আনার কথা সাম্প্রতিক সময়ে অনেকেই বলেছেন। কিন্তু শহরের মধ্যেও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবস্থা এক নয়। </p><p>এই সমস্যা দূর করার জন্য কোনো উদ্যোগই নেওয়া হচ্ছে না। অথচ উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যদি একই একাডেমিক ক্যালেন্ডারে চলে এবং প্রতিটি বিষয় নির্দিষ্ট লেকচারপ্ল্যান বা ক্লাস-পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালিত হয়, তবে তাতেও খানিকটা কাজ হতে পারে। তা ছাড়া শিক্ষকদের বাধ্য করতে হবে, যাতে তিনি শ্রেণিকক্ষের বাইরে আলাদা করে ব্যাচ বা প্রাইভেট না পড়ান।</p><p>পড়াশোনা অনেক আগে থেকেই নোটভিত্তিক ও মুখস্থনির্ভর ছিল। বর্তমান সময়ে শিক্ষা হয়ে পড়েছে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতানির্ভর। কিন্তু সেই অনুযায়ী শিক্ষাক্রমের বা পাঠ্যক্রমের বদল হয়নি। পরীক্ষাপদ্ধতির কিছু বদল হলেও তা মোটেও কাজে লাগেনি। এ কারণে দেখা যায়, বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাও নোট বা শিট মুখস্থ করে ভালো নম্বর পাচ্ছে। </p><p>বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজিসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ শিক্ষকের অভাবও রয়েছে। তা ছাড়া বিজ্ঞান পড়ানো হয় এমন কলেজগুলোর বেশির ভাগেরই ল্যাবরেটরি নেই, কিংবা সেখানে ঠিকমতো ব্যবহারিক ক্লাস হয় না। এ কারণে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা স্তরে শুরুতেই হোঁচট খাচ্ছে; ভাষাজ্ঞানের দুর্বলতার কারণেও তাদের সমস্যা হচ্ছে।</p><p>এইচএসসি পরীক্ষার পাস-ফেলের হার দেখে শিক্ষার মান সম্পর্কে স্থির সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। তবে এই দুই বছরের ফলাফল বিপর্যয় আমাদের এটা দেখিয়ে দিয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার মধ্যবর্তী স্তরে গুরুতর সংকট রয়েছে। নইলে এত শিক্ষার্থী ফেল করবে কেন? দুই বছরে শিক্ষার্থীরা কি কিছুই পড়াশোনা করেনি? তাদের শিখন-ঘাটতি বা শিখন-দুর্বলতা যদি থেকেই থাকে, তবে কেন তা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি? এসব কারণে ছয় বা বারো মাস শেষে পরীক্ষা নেওয়াকে আমরা নিরুৎসাহিত করি। এর বদলে সারা বছর ধরে ধারাবাহিক মূল্যায়নে গুরুত্ব বাড়াতে হবে।</p><p>শিক্ষাব্যবস্থাকে যদি সত্যিকার অর্থেই সফল করে তুলতে হয়, তবে শিক্ষার অব্যবস্থাপনা আগে দূর করা উচিত। সংবাদমাধ্যমে নানা সময়ে অব্যবস্থাপনার নিত্যনতুন খবর পরিবেশিত হতে দেখি। শিক্ষাকে যারা বাণিজ্য করে তুলছে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা দরকার। আর সবচেয়ে যেটি বেশি দরকার—একটি আধুনিক শিক্ষাক্রম। বর্তমান শিক্ষাক্রম ২০১২ সালের; কিন্তু ২০০২ সালের শিক্ষাক্রমের চেয়ে এর বিশেষ পার্থক্য নেই। নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়নের জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে সফল দেশগুলোর শিক্ষাপদ্ধতি বিশেষভাবে দেখা দরকার। তবে সবকিছু করতে হবে আমাদের অবস্থা ও বাস্তবতার নিরিখে।</p><p>আমাদের খেয়াল রাখা দরকার, এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বা অনুত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা স্তরে ভর্তি হবে না। কিন্তু এখান থেকে যারা কর্মক্ষেত্রে ঢুকবে, তারা কোন যোগ্যতা বা দক্ষতার ভিত্তিতে নিজেদের জায়গা করে নেবে, সেটা চিন্তা করা জরুরি। অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট দরিদ্র পরিবারগুলোকে নানামুখী চাপের মধ্যে রাখে। সেগুলোকে বিচেনায় নিয়েই আমাদের শিক্ষার গুণগত পরিবর্তনের কথা ভাবতে হবে।</p><p>• <strong>তারিক মনজুর</strong> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক</p><p>মতামত লেখকের নিজস্ব</p>
<p>দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান এশিয়ান ফিল্ম স্কুলের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম বিজনেস একাডেমি’–তে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন নির্মাতা <strong>রাকা নোশিন নাওয়ার</strong>। পড়ুন তাঁর অভিজ্ঞতা।</p><p>এক স্যুটকেস স্বপ্ন, কিছু শীতের কাপড় আর মাথাভর্তি সিনেমা নিয়ে হাজির হই দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে। ১৯ মার্চ ২০২৬। উদ্দেশ্য—চলচ্চিত্র প্রযোজনা শিখব, নিজের সিনেমার প্রকল্প নিয়ে কাজ করব, বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রযোজক ও বিনিয়োগকারীদের সামনে সেই প্রকল্প তুলে ধরব, পরিচিত হব বিশ্বের নানা প্রান্তের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে।</p><p>তখনো জানতাম না, পরের আট মাসে সিনেমার পাশাপাশি আমাকে বাসন মাজা, বাজার করা, রান্না করা, খরচের হিসাব, এমনকি দোকানে নিজে নিজে পণ্য স্ক্যান করে বিল দেওয়াও শিখতে হবে!</p><p>বুসানের গিউমনেউসান পাহাড়ের পাশে বুসান ফিল্ম কমিশন পরিচালিত বুসান এশিয়ান ফিল্ম স্কুল। আট মাসে প্রতিষ্ঠানটি আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। এখন মনে হয়, এটা শুধু ‘ফিল্ম স্কুল’ নয়, ‘জীবন স্কুল’ও!</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/kislvrdtbo">প্রায় দুই লাখ টাকার শাড়ি পরে মিস ইউনিভার্সে অংশ নিতে গেলেন ভারতের কাজিয়া</a></aside><p>আট মাসের এই কোর্সে পড়ার সুযোগ আমি পেয়েছি বুসান এশিয়ান ফিল্ম স্কুলের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম বিজনেস একাডেমি’ (আইএফবিএ) থেকে। টিউশন ফি থেকে শুরু করে থাকা কিংবা যাওয়া-আসার টিকিট, সবই ছিল বৃত্তির অধীনে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/xexx9y7k/att.60O23CrNNyvH8evNMg4HSzYs027owwGSZJejjdl-6PE.jpeg"><figcaption>১২টি দেশের চলচ্চিত্র প্রযোজক ও নির্মাতাদের সঙ্গে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন রাকা</figcaption></figure><h3>১২ দেশের নির্মাতা, ১২ রকম অভিজ্ঞতা </h3><p>এশিয়ার ১২টি দেশের চলচ্চিত্র প্রযোজক ও নির্মাতাদের সঙ্গে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছি। প্রত্যেকের সংস্কৃতি আলাদা, গল্প বলার ধরন আলাদা, সিনেমা নিয়ে ভাবনাও আলাদা। অথচ কখনো কখনো মনে হয়েছে, আমরা সবাই একই ভাষায় কথা বলছি। আবার কখনো একই সিনেমা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মনে হয়েছে, আমরা যেন ভিন্ন ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দা!</p><p>আমার সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আরও একজন ফেলো ছিলেন, শুভ কুমার পাল। এত দেশের নির্মাতার সামনে দুজন বাংলাদেশি নিজেদের সমাজ, সংস্কৃতি আর সিনেমার স্বপ্ন তুলে ধরছি, ভাবতেই ভালো লাগত।</p><p>চিত্রনাট্য তৈরি, সিনেমার বাজেট ও আর্থিক পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক যৌথ প্রযোজনা, চলচ্চিত্রের ইতিহাস, নীতিমালা, চুক্তি, বিপণন—কত কিছুই না শিখেছি! সবচেয়ে ভালো লেগেছে অধ্যাপক জেমস ব্যাংয়ের ‘স্টোরিটেলিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজি’ ক্লাস। একটা গল্পের মূল ভাবনা থেকে শুরু করে চিত্রনাট্য, প্রকল্প প্রস্তাব, পিচ স্ক্রিপ্ট কিংবা প্রেজেন্টেশন তৈরির নানা কৌশল শিখেছি।</p><p>দুই সেমিস্টারে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্প, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি, সিনেমাটোগ্রাফিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রেজেন্টেশন দিতে হয়েছে। বুঝেছি, দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় কীভাবে একটা সিনেমা তৈরি হতে পারে।</p><p>এ সময়ে আমার নিজের সিনেমা লেস মিট নিয়েও কাজ করেছি। একজন নারীর শরীর, সমাজের সৌন্দর্যের ধারণা আর এক অদ্ভুত মাংসের দানবকে ঘিরে ‘বডি হরর’ ঘরানার গল্প। শেষ সপ্তাহের ক্লাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এই সিনেমার একটা ‘প্রিভিজুয়ালাইজেশন ট্রেলার’ও বানিয়েছি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/ehe7ng2r/d64c3b98-3c34-472c-9c12-14ef82d17bfb.jpeg"><figcaption>বুসানে থাকার অন্যতম বড় প্রাপ্তি বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব</figcaption></figure><h3>স্বপ্নের মানুষদের কাছাকাছি </h3><p>বুসানে থাকার অন্যতম বড় প্রাপ্তি বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এত বড় চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার আগে ছিল না।</p><p>সকাল সাড়ে আটটায় উঠে টিকিট কাটার প্রতিযোগিতা, একের পর এক সিনেমা দেখা, এশিয়ান কনটেন্টস অ্যান্ড ফিল্ম মার্কেটে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক, স্কুলের লাউঞ্জে আড্ডা—সব মিলিয়ে দারুণ কেটেছে দিনগুলো। এত দিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের যে জগৎকে দূর থেকে দেখেছি, এবার নিজেকে সেই জগতের অংশ মনে হচ্ছিল।</p><p>বিশ্বখ্যাত নির্মাতা, শিল্পী, সমালোচক ও প্রযোজকদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। তাঁদের আন্তরিকতায় অবাক হয়েছি। মন দিয়ে আমার প্রকল্পের কথা শুনেছেন, প্রশ্ন করেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন। নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ করে দেওয়ার জন্য স্কুলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।</p><h3>রান্নাঘরেও ‘যৌথ প্রযোজনা’ </h3><p>স্কুলের সবচেয়ে মজার যৌথ প্রযোজনাগুলো সম্ভবত ক্লাসরুমে নয়, আমাদের রান্নাঘরে হয়েছে। একসঙ্গে বাজার করা, রান্না করা, খাবার ভাগাভাগি, তারপর পাহাড়সমান বাসন মাজা। ফিলিপাইনের এক সহপাঠীর কাছ থেকে বেশ কিছু রান্নাও শিখেছি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/c82wmsza/IMG8165.jpeg"><figcaption>ভিনদেশে নববর্ষের রান্না</figcaption></figure><p>আর ছিল ‘স্প্লিটওয়াইজ অ্যাপ’। কে কত টাকা দিল, কে কার কাছে কত পাবে…এক কাপ চায়ের খরচও যেন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক চুক্তির অংশ!</p><p>দেশে ফেরার পর মা আর আমার বিড়াল পুচ্ছ নিশ্চয়ই আমাকে দেখে খুব খুশি হবে। কারণ, ফিল্ম স্কুল আমাকে শুধু চলচ্চিত্র নির্মাতা নয়, অনেক বেশি স্বনির্ভর মানুষও বানিয়েছে।</p><h3>স্বাধীনভাবে বেড়ানোর আনন্দ </h3><p>বুসানে আমার বড় আবিষ্কারগুলোর একটি গণপরিবহনব্যবস্থা। সাবওয়ে আর বাসে চড়ে প্রায় পুরো শহর ঘুরেছি। বারবার মনে হয়েছে, আহা, আমাদের বাংলাদেশও যদি এমন হতো!</p><p>ছুটিতে জেজু দ্বীপে গিয়েছি। বুচনে বিফান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়েছি। সিউলে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করেছি। নতুন শহর, রাস্তা, সমুদ্র আর মানুষের কত স্মৃতি জমেছে!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/i0yfhaoa/05e6a790-86c9-46b0-9614-893317279d7d.jpeg"><figcaption>রাকা নোশিন নাওয়ার</figcaption></figure><p>অবশ্য পড়াশোনার চাপও কম ছিল না। বাংলাদেশে আমার দলের দীপ, নজরুল ভাই আর স্কুলের ভারতীয় বন্ধু আদিত্যর সঙ্গে দিনরাত কাজ করেছি লেস মিট নিয়ে। ছয় ঘণ্টা ক্লাসের পর আরও পাঁচ-ছয় ঘণ্টা বসে লিখতে গিয়ে দ্বিতীয় সেমিস্টারে পিঠে ব্যথা শুরু হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ফিজিওথেরাপিও নিতে হয়েছে।</p><p>তবে গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানটি ছিল অসম্ভব সুন্দর। আট মাসের পরিশ্রম, শেখা আর বন্ধুত্বের স্মৃতিগুলো যেন একসঙ্গে ফিরে এসেছিল।</p><h3>সমুদ্র আর একগাদা নুডলস </h3><p>গোয়াংআল্লি, সংদো, ইয়ংদো, দাদেপোর সমুদ্রসৈকত, পাহাড়, অলিগলি, ক্যাফে আর সাবওয়ে স্টেশন—সবকিছুর সঙ্গেই ধীরে ধীরে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।</p><p>সময় আর টাকা বাঁচাতে কত রকম নুডলস খেয়েছি, হিসাব নেই। তবে যত ভালো কোরীয় খাবারই খাই, মায়ের হাতের রান্নার তুলনা হয় না।</p><p>এ শহরে অনেক মমতাময়ী ‘আজুম্মা’র সঙ্গে দেখা হয়েছে। কোরীয় ভাষায় বয়স্ক নারীদের এভাবে সম্বোধন করা হয়। ভাষা না বুঝলেও তাঁদের হাসি, আন্তরিকতা আর ছোট ছোট সাহায্য মনে থাকবে।</p><p>স্কুলের বাইরেও বন্ধু হয়েছে অনেক। শিক্ষক, অভিনেতা, কমেডিয়ান, ক্যাফের মালিক—কত বিচিত্র মানুষ! সবাই আমাকে ডাকত ‘রাকা ফ্রম ঢাকা’ বলে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/1e8kid5j/9d2dd119-b50a-47d3-85a9-6b0747dfbd4c.jpeg"><figcaption>আবারও বুসানে ফিরে যেতে চান রাকা</figcaption></figure><h3>আবার দেখা হবে, বুসান </h3><p>স্কুলের লাইব্রেরিটা ছিল গুপ্তধনের ভান্ডার। কত বই, কত সিনেমা! আফসোস, সব পড়া হলো না, সব দেখাও হলো না। পরবর্তী ব্যাচের ফেলোদের বলব, যতটা সম্ভব শিখুন, প্রশ্ন করুন, বই পড়ুন, সিনেমা দেখুন। আর সপ্তাহান্তে অবশ্যই বুসান ঘুরে দেখুন। শহরটাও আপনাকে অনেক কিছু শেখাবে। এখন কিন্তু আইএফবিএর আবেদন গ্রহণ চলছে! বিস্তারিত পেয়ে যাবেন ফিল্ম স্কুলের <a href="https://facebook.com/busanafis">ফেসবুক পেজে</a>।</p><p>বুসান আমার জীবনের অন্যতম সেরা অধ্যায়। আবার ফিরতে চাই নিজের চলচ্চিত্র, নতুন প্রকল্প আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে। হয়তো একদিন বুসান চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দায় আমার সিনেমা চলবে। দর্শকসারিতে বসে মনে পড়বে এই আট মাসের কথা।</p><p>এ সময়ে আমার সিনেমা আর জীবনে কমেডি ছিল, ড্রামা ছিল, রোমাঞ্চ ছিল, কিছুটা হররও ছিল। শেষ পর্যন্ত আমার সিনেমাই বলে দেবে, বুসান থেকে আসলে কতটা শিখেছি, কী পেয়েছি।</p>
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য ১ ডিসেম্বর সম্পূরক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময় শেষ হবে ফল প্রকাশের আগেই।
মাদারীপুরের কালকিনিতে রান্নার জন্য শুকনা পাতা বের করতে গিয়ে ককটেল বিস্ফোরণে রাশিদা বেগম (৪০) নামের এক নারী আহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের টুমচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে এক্সট্রাডিশন বা প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। অন্যদিকে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩ জন হুথি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের হুথিরা। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...
সামাজিক মাধ্যমে যেসব ভিডিওতে মানুষ শরীরে আয়রনের ঘাটতির লক্ষণ শনাক্ত করতে পেরেছে বলে দাবি করে, সেগুলো অনলাইনে লাখ লাখ ভিউ পেয়েছে। কিন্তু আসলেই কি চেহারা দেখে রক্তশূন্যতা বোঝা যায়?
ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব জাপানের চারটি কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়ামকে দেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে জাপানের দেওয়া বিভিন্ন শর্ত নিয়ে।
গত সপ্তাহের নির্বাচনে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন কোনো জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেন। এখন নতুন সরকার গঠনের জন্য আইজেনকোট ২৮ দিন সময় পাবেন।
আজ রবিবার ৮ই নভেম্বর, ঢাকা থেকে প্রকাশিত বেশিরভাগ পত্রিকা প্রধান শিরোনাম করেছে ৭ই নভেম্বর উপলক্ষ্যে বিএনপির শোভাযাত্রার খবর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য। এছাড়া আইএমএফের ঋণের শর্ত ও গ্যাস-তেলের দাম বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খবর গুরুত্ব পেয়েছে পত্রিকাগুলোয়।
ভয় মানুষের আবেগের স্বাভাবিক একটি বহিঃপ্রকাশ। এই ভয়ের অনুভূতি-ই বিপদের মুখে থাকলে মানুষের শরীর ও মস্তিষ্ককে সতর্ক হতে সাহায্য করে। কিন্তু ভয় আর ফোবিয়ার মধ্যে পার্থক্য কী? কোন ধরনের ফোবিয়া সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হতে না হতেই রাজনৈতিক অঙ্গন এরই মধ্যে ২০২৮ সালের হোয়াইট হাউস দৌড়ের দিকে মোড় নিচ্ছে। মঙ্গলবারের নির্বাচনের ফলাফল এবং ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক বিশাল সাফল্য হোয়াইট হাউসের দৌড়কে নানাভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের পাত্রে রান্না করা ভাত খেলে একটি শিশুর খাবারের মাধ্যমে দৈনিক সিসা গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি সিসা গ্রহণ করতে পারে। আইসিডিডিআরবি বলছে, সিসা একটি বিষাক্ত ধাতু, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।
কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষের পর সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। রবিবার (৮ নভেম্বর) অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলেছে। তবে কয়েকটি কারখানার শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে ভেতরে অবস্থান করায় ২০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে স্বনির্ভর হওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সমবায় আন্দোলন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।”
লক্ষ্মীপুরে ৮ বছর বয়সী এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ১৩ বছর বয়সী কিশোরের বিরুদ্ধে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি পদের জন্য ডানা হোয়াইটকে প্রস্তাব দিয়েছেন। ডানা হোয়াইট ‘আল্টিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ’ (ইউএফসি)-এর প্রধান নির্বাহী। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প নিজেই এ কথা জানিয়েছেন।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে একদিন বন্ধের পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর অভ্যন্তরীণ সকল কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৬-এর মুকুট জয়ের পরদিনই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পুয়ের্তো রিকোর উদ্দেশে উড়াল দিবেন সামিরা খান মাহি।
বান্দরবান শহরের কসাইপাড়া এলাকার একটি পাহাড়ি ঝিরি থেকে মো. শরীফ (৩৮) নামে এক যুবদল নেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৮ নভেম্বর) সকালে কসাইপাড়া এলাকার একটি পাহাড়ি ঝিরি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সারা দেশে প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।