আমাদের যত্নের সম্পর্কগুলো মান-অভিমানের কারণে অনেক সময় বদলে যায়, যার প্রভাব পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরেও পড়ে।
বলিউডের আবেদনময়ী মার্কিন সুন্দরীকে বহুদিন দেখা যায়নি পর্দায়। বিশাল ব্রেক নিয়ে আবার ফিরেছেন তিনি। নানা লুকে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন ইন্সটাগ্রামে।
<p>১৭তম বাংলাদেশ ফিজিকস অলিম্পিয়াডের নিবন্ধন চলছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত চলবে নিবন্ধন।</p><p>ফিজিকস অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ ফিজিকস অলিম্পিয়াডের ওয়েবসাইটে <a href="https://bdpho.org/" target="_blank">bdpho.org</a> গিয়ে নিবন্ধন করতে পারবে। নিবন্ধনের সময় প্রতিযোগীর নাম, স্কুলের নাম, ঠিকানা, ই-মেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং ছবি অবশ্যই যুক্ত করতে হবে। নিবন্ধনের সময় ৩০ মার্চ ২০২৬ সাল পর্যন্ত শ্রেণি অনুযায়ী নিবন্ধন করতে হবে।</p><p>১৭তম বাংলাদেশ ফিজিকস অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হবে চারটি ক্যাটাগরিতে। ৫ম-৬ষ্ঠ শ্রেণি বা সমমানের শিক্ষার্থীরা এ ক্যাটাগরি, ৭ম-৮ম শ্রেণি বা সমমানের শিক্ষার্থীরা বি ক্যাটাগরি, ৯ম-১০ম শ্রেণি বা সমমানের শিক্ষার্থীরা সি ক্যাটাগরি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি বা সমমানের শিক্ষার্থীরা ডি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করতে পারবে।</p><p>নিবন্ধনের জন্য ফি হিসেবে জমা দিতে হবে ৩৬০ টাকা। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মেন্যু থেকে Registration অপশন সিলেক্ট করলে নিবন্ধন ফর্মে নিয়ে যাবে। নিবন্ধন ফর্মে সকল তথ্য সঠিকভাবে দেয়ার পরে Complete Registration বাটনে ক্লিক করতে হবে। যদি সকল তথ্য ঠিক থাকে তাহলে Confirm Registration বাটনে ক্লিক করলে পেমেন্ট ফর্মে নিয়ে যাবে। অনলাইনে পেমেন্ট সম্পন্ন করলে নিবন্ধন সম্পন্ন হবে। এই নিবন্ধন ফি শুধুমাত্র আঞ্চলিক পর্বের জন্য। একই নম্বর থেকে একাধিক নিবন্ধন ফি পরিশোধ করতে হলে কমপক্ষে ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে চেষ্টা করতে হবে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/events/1rpjbc4eh6">৬৪ জেলায় হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়া গার্লস ম্যাথ অলিম্পিয়াড ২০২৭</a></aside><p>নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর প্রতিযোগী তার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে ম্যাসেজের মাধ্যমে নিবন্ধন নম্বর ও পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবে। এই নিবন্ধন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড প্রতিযোগীকে অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। নিজের প্রোফাইলে প্রবেশ ও কোন পরিবর্তনের জন্য নিবন্ধন নম্বর ও পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হবে। যেহেতু নিবন্ধন নম্বর ও পাসওয়ার্ড মোবাইল ফোনে পাঠানো হবে, সেক্ষেত্রে মোবাইল নম্বর নির্বাচনের বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি। নিবন্ধনের সময় কোনো সমস্যা হলে বা নিবন্ধনের পরে ম্যাসেজ না পেলে managerbdpho@gmail.com এ সমস্যা জানিয়ে ই-মেইল করলে সমস্যা সমাধান করা হবে।</p><p>আঞ্চলিক পর্ব সরাসরি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এবং আঞ্চলিক বিজয়ীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় পর্ব। জাতীয় পর্ব থেকে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের ট্রেনিং ক্যাম্পে ডাকা হবে। আগের এশিয়ান ফিজিকস অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীরা সরাসরি জাতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারীরা সরাসরি জাতীয় ট্রেনিং ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করতে পারবে।</p><p>এ বছর ৫ জন প্রতিযোগীকে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য ৫৭তম আন্তর্জাতিক ফিজিকস অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচিত করা হবে। এছাড়াও এ বছর ৮ জনকে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় ২৭তম এশিয়ান ফিজিকস অলিম্পিয়াডে ও ৫ জনকে ১১তম ইউরোপিয়ান ফিজিকস অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত করা হতে পারে।</p><p>উল্লেখ্য, দেশের শিক্ষার্থীদের পদার্থবিজ্ঞানে দক্ষ করে তুলতে ২০১১ সাল থেকেই আয়োজিত হচ্ছে ফিজিকস অলিম্পিয়াড। এবারেও একই উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হচ্ছে ১৭তম বাংলাদেশ ফিজিকস অলিম্পিয়াড।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/events/7qfk5s7qy1">চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো জ্যোতির্বিজ্ঞান কর্মশালা অ্যাস্ট্রোভার্স</a></aside>
মধ্যপন্থার নামে সত্য–মিথ্যার সমন্বয়, হালাল-হারামের সীমারেখা অস্পষ্ট করা, অন্যায়ের সঙ্গে সমঝোতা কিংবা ধর্মীয় বিধানকে ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী পরিবর্তন করার সুযোগ নেই।
সরকার নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরেকটি বিদেশি ভাষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উদ্যোগটি ভালো।
<p>২৩ বছর। সময়টা কম নয়। বাংলাদেশের ফুটবলে এই সময়ের মধ্যে কত পরিবর্তন এসেছে। কত খেলোয়াড় এসেছেন, গেছেন। বদলেছে কোচ, বদলেছে অধিনায়ক। কিন্তু সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফিটা আর ছুঁয়ে দেখা হয়নি বাংলাদেশের।</p><p>সেই অপেক্ষার অবসান ঘটানোর স্বপ্ন এবার ঘরের মাঠে। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই সেই স্বপ্নের কথা শুনিয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি। তাঁর বিশ্বাস, বাংলাদেশ এবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। শুধু অংশ নিতে নয়, শিরোপা জিততেই মাঠে নামবে দল।</p> <p>আগামীকাল ঢাকায় শুরু হচ্ছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। প্রথম দিনেই মাঠে নামবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দিনের প্রথম ম্যাচে বিকেল সাড়ে তিনটায় মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। রাত ৮টায় বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভুটান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আজ রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের লক্ষ্য ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন কোচ ডুলি ও অধিনায়ক তপু বর্মণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/7lr6gdp0/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.50.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি।</figcaption></figure> <p>বাংলাদেশ সর্বশেষ সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ২০০৩ সালে, ঢাকাতেই। এবার আবারও ঘরের মাঠে টুর্নামেন্ট। শিরোপা জয়ের সুযোগটাও এবার বাস্তব বলে মনে করছেন ডুলি, ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে যে আমরা খেলতে পারব, লড়াই করতে পারব এবং লক্ষ্য অর্জন করতে পারব। আমার মনে হয়, এই টুর্নামেন্টে আমাদের জেতার বাস্তবসম্মত সুযোগ আছে। ২৩ বছর পর এটা সম্ভব। তবে এর জন্য কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলা এবং শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করতে হবে।’</p><p>শুধু স্বপ্ন দেখানো নয়, শিরোপা জয়ের পথে চ্যালেঞ্জটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন কোচ, ‘আমরা জিততে এসেছি। প্রতিটি দলের বিপক্ষেই আমাদের প্রমাণ করতে হবে যে আমরা এই টুর্নামেন্ট জিততে চাই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/hxdtfl2rgt">‘এবার আমাদেরই জেতা উচিত’, সাফে ২৩ বছরের খরা কাটানো নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ডুলি</a></aside> <p>ঘরের মাঠে খেলা। গ্যালারিতে থাকবে সমর্থকদের প্রত্যাশা। অন্য দলগুলোর চোখেও বাংলাদেশ শিরোপার অন্যতম দাবিদার। ডুলিও দর্শকদের সমর্থনকে চাপ নয়, বরং বাড়তি শক্তি হিসেবে দেখতে চান।</p><p>চাপের বিষয়টি মানছেন অধিনায়ক তপুও। তবে চাপকে ভয় পাওয়ার কিছু দেখছেন না তিনি। বরং এই চাপ থেকেই ভালো ফল আসতে পারে বলে বিশ্বাস তাঁর, ‘অবশ্যই চাপ আছে। তবে আমার মনে হয়, যেখানে চাপ থাকবে, সেখান থেকেই ভালো ফল আসবে। আমাদের ফুটবলপ্রেমীরা কী চান, সেটা বুঝতে হবে। তাঁরা চান আমরা ম্যাচ জিতি, ট্রফি জিতি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/t8zyns95/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.43-2.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক তপু বর্মণ। </figcaption></figure> <p>তপুর কাছে আপাতত সেই ট্রফির পথে প্রথম ধাপ ভুটানকে হারানো। সমর্থকদের জয় উপহার দেওয়ার পাশাপাশি এই ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে আছে হামজা চৌধুরীর নামও।</p><p>ফিফা উইন্ডো শুরু হবে ৯ নভেম্বর। তাই ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না বাংলাদেশের তারকা মিডফিল্ডার হামজা। তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, মাঠে সতীর্থদের দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা জোগানোর ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটি জানেন তপু। হামজাকে মিস করবেন, তবে জয় দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় অধিনায়ক, ‘হামজাকে অনেক মিস করব। তার মতো নেতৃত্ব আমাদের দলে খুবই প্রয়োজন। সে যেভাবে আমাদের গাইড করে, সেটা বিশেষ কিছু। তবে আমরা আগে থেকেই জানি, সূচির কারণে প্রথম ম্যাচে তাকে পাব না। আমাদের কাজ হবে পথটা তার জন্য সহজ করে দেওয়া, অর্থাৎ ভুটানের বিপক্ষে জেতা। সে যেন জয়ী দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারে, আমরা সেটাই চাই।’</p> <p>হামজা না থাকায় নেতৃত্বের ভারও থাকবে তপুর কাঁধে। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি দলকে সামনে থেকে পথ দেখানোর দায়িত্ব তাঁর। জামাল ভূঁইয়ার বদলে তপুকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নও উঠেছে। ডুলির ব্যাখ্যা, রক্ষণভাগের একজন খেলোয়াড় অধিনায়ক হলে পেছন থেকে পুরো দলকে সংগঠিত করা সহজ হয়। সেন্টারব্যাক হিসেবে তপুর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের ওপরও আস্থা আছে তাঁর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/njueptw9/WhatsApp-Image-2026-11-04-at-16.14.48-2.jpeg"><figcaption>জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি ও অধিনায়ক তপু বর্মণ। রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে।</figcaption></figure> <p>তবে অধিনায়কের আর্মব্যান্ডকেই নেতৃত্বের একমাত্র মাপকাঠি মনে করেন না ডুলি। তাঁর মতে, দলে একাধিক নেতা থাকা জরুরি। হামজাও নেতৃত্ব দিতে পারেন। কেউ চোটে পড়লে অন্য কেউ দায়িত্ব নেবেন, এটাই চান কোচ।</p><p>তপুকে দলে ফিরে পেয়ে স্বস্তিতে ডুলি। এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে তাঁকে মিস করেছেন বলে জানিয়েছেন কোচ। এবার অনুশীলনে পুরোপুরি প্রস্তুত তপু। ভুটান ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/4tf0a4dkdv">বাংলাদেশকে ‘সেরা’ মেনেও শিরোপা চান ভারতের কোচ</a></aside> <p>আগের ম্যাচগুলোতে করা ভুলগুলোও শুধরে নিতে কাজ করেছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে পাস দেওয়া ও বল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সাধারণ ভুল কমানোর চেষ্টা করেছেন ফুটবলাররা। টুর্নামেন্টের আগে কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে না পারার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন ডুলি। তাঁর দাবি, উপযুক্ত প্রতিপক্ষ দল পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি কয়েকজন খেলোয়াড়ের চোট ও ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ ছিল। ঝুঁকি নিতে চাননি তাঁরা। তখন তপুও পুরো ৯০ মিনিট খেলার মতো ফিট ছিলেন না।</p><p>এখন অবশ্য সেসব সমস্যা পেছনে ফেলে সামনে তাকাতে চায় বাংলাদেশ। কোচের চোখে শিরোপা, অধিনায়কের চাওয়া জয় দিয়ে শুরু। ২৩ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর স্বপ্নটা পূরণ করতে হলে শুরুটা যে জয় দিয়েই হওয়া চাই!</p>
<p>চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীরা শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়ে আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী ১ ডিসেম্বর শুরু হবে এই ‘সাপ্লিমেন্টারি’ পরীক্ষা। নিয়মিত ও অনিয়মিত—দুই ধরনের পরীক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।</p><p>আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, পরবর্তী সময়ে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ পরীক্ষার রুটিন জানিয়ে দেওয়া হবে।</p><p>এ পরীক্ষার ফরম পূরণ ৫ নভেম্বর শুরু হয়ে চলবে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত। ‘সোনালী সেবার’ মাধ্যমে ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় ১০ নভেম্বর।</p><p>বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাঁকে এক বছর পর, অর্থাৎ পরের বছরের পরীক্ষায় আবার বসতে হয়। সে ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য হওয়া বিষয়গুলো অথবা চাইলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে। কিন্তু একটি বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়।</p><p>এবার এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবারও পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বিভাগ।</p><p>গত ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। এবার এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন পরীক্ষার্থী।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/6xg2a4l10z">এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/39446qlmdh">এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন</a></aside>
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির সাবেক চেয়ারম্যান।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।