বিমানবন্দরে হুথি হামলার জবাবে ‘কঠোর পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি সৌদি মন্ত্রীর

সৌদি আরবে হুতি হামলার প্রেক্ষাপটে রিয়াদে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সম্মেলন থেকে বড় বড় তেল কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এদিকে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ১ লাখ অতিক্রম করেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৩০৭ জন।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’
জাতীয়

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

News অক্টোবর ১১, ২০২৬ 0

Rss feed news

হত্যা, ধর্ষণ ও ছিনতাই প্রতিরোধে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান মামুনুল হকের
হত্যা, ধর্ষণ ও ছিনতাই প্রতিরোধে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান মামুনুল হকের

<p>বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হতাহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে তিনি ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নিয়মিত মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক এ কথা বলেন। বৈঠক পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।</p><p>রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, ওমরাহ পালন করতে যাওয়া যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বেসামরিক মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংঘাতসংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রধান শত্রু ইসরায়েল। ইসরায়েলকে শক্তিশালী করে—এমন সব ধরনের কার্যক্রম থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে বিরত থাকতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আঞ্চলিক দেশগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।</p><p>দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মামুনুল হক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাই, হামলা ও ভাঙচুরের মতো অপরাধের ঘটনা ঘটছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতিটি অপরাধের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।</p><p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক ও মাওলানা কুরবান আলী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা আবদুল আজিজ, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজি ও মুফতি শরাফত হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সাল, মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা উজাইর আমীন ও মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ হাদি প্রমুখ।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
হুতিদের হামলায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও আহতদের বিনা মূল্যে চিকিৎসার দাবি হেফাজতের
হুতিদের হামলায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও আহতদের বিনা মূল্যে চিকিৎসার দাবি হেফাজতের

<p>সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ ১৩ জন নিহত এবং ৩০০–এর বেশি যাত্রী ও বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক, তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।</p><p>সোমবার এক শোকবার্তায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান হামলায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিকসহ সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সৌদি সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাঁরা আহত ব্যক্তিদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে সর্বাধুনিক চিকিৎসা প্রদান ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি মানবিক সহায়তা দেওয়ার দাবিও জানান।</p><p>শোকবার্তায় হেফাজত আমির ও মহাসচিব বলেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো একটি সম্পূর্ণ বেসামরিক নাগরিক স্থাপনায় এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এটি আন্তর্জাতিক আইন, মৌলিক মানবাধিকার এবং মানবিক মূল্যবোধের চরম লঙ্ঘন। নিরীহ মানুষের ওপর এ–জাতীয় সন্ত্রাসী হামলা বিশ্ববিবেককে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।</p><p>নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ পরিবার চাইলে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে সম্মানের সঙ্গে দাফন করা কিংবা প্রবাসেই যথাযথ মর্যাদায় দাফনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে বলে শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়।</p><p>হুতিদের হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারগুলো যেন তাদের প্রাপ্য আইনগত পাওনা ও ক্ষতিপূরণ সঠিকভাবে পায়, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ও কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্ব।</p><p>একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বিমানবন্দরসহ যেকোনো বেসামরিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা চিরতরে বন্ধে জাতিসংঘ, ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান তাঁরা।</p><p><strong>ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান</strong></p><p>এদিকে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ব্যক্তিদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ ও হামলার নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।</p><p>সোমবার রাজধানীতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নিয়মিত মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে মামুনুল হক এ কথা বলেন। বৈঠক পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।</p><p>বৈঠকে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রধান শত্রু ইসরায়েল। ইসরায়েলকে শক্তিশালী করে—এমন সব ধরনের কার্যক্রম থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে বিরত থাকতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আঞ্চলিক দেশগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, সাবেক সেনাদের প্ল্যাটফর্ম; দেবাশীষ-গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারের নেপথ্যে কী
দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, সাবেক সেনাদের প্ল্যাটফর্ম; দেবাশীষ-গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারের নেপথ্যে কী

<p>অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের পর দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তহবিল সংগ্রহ ও উসকানিমূলক প্রচারের অভিযোগ সামনে এনেছে পুলিশ। এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও এসেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।</p><p>এসব তৎপরতার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরাকে (৪৩) গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর পল্লবী ও বনানী ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাঁদের গ্রেপ্তার করে।</p><p>অভিযান–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং পুলিশের করা মামলার এজাহার ও আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদন পর্যালোচনা করে এ ঘটনার নেপথ্যে বেশ কয়েকটি কারণ পাওয়া গেছে। তাতে দেখা গেছে, সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মূলত সরকারবিরোধী প্রচার, অর্থায়ন, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং সংগঠিত তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে।</p><p>গ্রেপ্তারের পর সোমবার বিকেলে তাঁদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। রিমান্ড আবেদনেও অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। রিমান্ড শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাঁদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।</p><p>সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরেই তাঁরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের হয়ে তৎপরতা চালিয়ে আসছিলেন। এ ছাড়া দেশের ও বিদেশের ‘গুপ্তচরদের’ সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে বলেও তাঁরা জানতে পেরেছেন। এসব কারণেই তাঁদের গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্লবী থানায় করা মামলায় আরও ১০১ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।</p><p><strong>দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ঘিরে অভিযোগ</strong></p><p>গোয়েন্দা পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা এবং তাঁদের সহযোগীরা ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা নম্বর # ১’ ও ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামের দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।</p><p>পুলিশের অভিযোগ, এসব গ্রুপের মাধ্যমে দেবাশীষ ও গুলশান আরা সরকারবিরোধী তৎপরতার জন্য তহবিল সংগ্রহ করতেন। পাশাপাশি সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করতেন।</p><p>এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ নামের দুটি প্ল্যাটফর্মের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠিত তৎপরতা পরিচালনা করা।</p><p><strong>ফেসবুক পেজ ও অনলাইন প্রচার</strong></p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে প্রচার দেবাশীষ ও গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। পুলিশের রিমান্ড আবেদনেও বলা হয়েছে, ‘কালআজকাল.কম’ নামের একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতায় উসকানি দেওয়ার মতো কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছিল।</p><p>এ ছাড়া কাজী গুলশান আরার নামে থাকা একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ঠিকানা উল্লেখ করে সেখান থেকে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচার চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>পুলিশ বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে গ্রেপ্তার দুই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাঁদের সহযোগীরা সরকার এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। দেশি-বিদেশি ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ থাকার অভিযোগও করা হয়েছে।</p><p><strong>২০১৮ সালের গণভবনের ঘটনা কেন সামনে</strong></p><p>গ্রেপ্তার দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তার অতীত রাজনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে রিমান্ড আবেদনে ২০১৮ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়, ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনের আগে দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি একাত্মতা ও আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন কাজী গুলশান আরা।</p><p>ওই দিন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার প্রতি সমর্থন জানানোর ঘটনা সে সময় সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছিল। পুলিশের দাবি, পরবর্তী সময়ে ১০১ জন সহযোগীকে নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>রিমান্ড আবেদনে সংগঠনটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টক শোতে অংশ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও অবজ্ঞা প্রকাশের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/peu0coqq59">সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা দিল পুলিশ</a></aside><p><strong>আরও ১০১ জন আসামি, পাঁচ বিষয়ে তথ্য চায় পুলিশ</strong></p><p>পল্লবী থানায় করা মামলায় দেবাশীষ ও গুলশান আরা ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ১০১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন ডিবির পল্লবী জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. আলী আকবর। এতে দণ্ডবিধি, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচটি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো সহযোগী আসামিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি ‘গুপ্তচরদের’ শনাক্ত, ডিজিটাল আলামত সংগ্রহ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত অন্য ওয়েবসাইট ও পেজ শনাক্ত এবং মামলার মূল ঘটনা উদ্‌ঘাটন।</p><p>এ ছাড়া অবৈধ অর্থায়নের উৎস অনুসন্ধানের কথাও বলা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করতে দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।</p><p><strong>আদালতে অভিযোগ অস্বীকার</strong></p><p>আদালতে রিমান্ড শুনানির সময় পুলিশের অভিযোগের বিরোধিতা করেন অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তা দেবাশীষ ও গুলশান আরার আইনজীবীরা।</p><p>গুলশান আরার আইনজীবী মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, একটি টক শোতে গিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু টক শোতে তিনি (গুলশান আরা) কী এমন বক্তব্য দিয়েছেন, যাতে দেশ অস্থিতিশীল হয়ে গেল, তা বলা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী পাওয়া গেছে, রিমান্ড আবেদনে সেটিও উল্লেখ নেই।</p><p>দেবাশীষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেন, তাঁর (দেবাশীষ) বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দেওয়া হলেও কী কারণে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁর অপরাধ কী—এসবের কোনো ব্যাখ্যা রিমান্ড আবেদনে নেই।</p><p>অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বলেন, আসামিরা দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পতিত সরকারের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদেরও যোগাযোগ রয়েছে। রিমান্ডে নিলে তাঁদের সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য জানা যাবে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত এক বাংলাদে‌শির অবস্থা আশঙ্কাজনক
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত এক বাংলাদে‌শির অবস্থা আশঙ্কাজনক

<p>সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুজন বাংলাদেশি নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন শঙ্কামুক্ত হলেও একজ‌নের অবস্থা আশঙ্কাজনক।</p><p>রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং থেকে পাঠানো সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে জানা‌নো হয়, শনিবার বেলা আনুমানিক সোয়া তিনটার দিকের ওই হামলায় বিভিন্ন দেশের মোট ১৩ জন নিহত হন, আহত হন ৩০৯ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি। আহত হ‌য়ে‌ছেন ২৭ জন বাংলাদেশি, তাঁ‌দের মধ্যে ১১ জন সৌদি আরবে প্রবাসী কর্মী এবং ১৬ জন ওমরাহ ভিসার যাত্রী।</p><p>আহত ২৭ জন বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। বর্তমানে ১৫ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। এর মধ্যে চারজন শঙ্কামুক্ত হলেও ওমরাহ ভিসায় আগত নওগাঁর বা‌সিন্দা সাফফাত রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।</p><p>আহত সব বাংলাদেশির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দূতাবাসের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/airarbhpiz">রিয়াদ বিমানবন্দরে কার্যক্রম বন্ধের মেয়াদ বাড়াল সৌদি আরব</a></aside><p>এ ঘটনায় বাংলাদেশ থেকে আগত এবং বাংলাদেশগামী পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি রিয়াদ বিমানবন্দরে আটকা পড়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে আগত ১৭ জনকে ম্যারিয়ট হোটেল, ২৫ জনকে র‍্যাডিসন ব্লু হোটেল এবং ৪০ জনকে রিয়াদে প্রিন্সেস নুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে সরিয়ে আনা হয়েছে।</p><p>রিয়াদ টু ঢাকাগামী সৌদিয়া এয়ারলাইনসের বাতিল হওয়া ফ্লাইটের প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি যাত্রীকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, সৌদি ইমিগ্রেশন ও সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের সহায়তায় দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সাভারে আকিজ সিরামিকসের নতুন শোরুম
সাভারে আকিজ সিরামিকসের নতুন শোরুম

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/rpu9j110/Akij-CeramicsImage.jpeg"><figcaption>সাভারের শিমুলতলায় মেসার্স ফাতেমা টাইলস অ্যান্ড স্যানিটারি নামে নতুন ডিসপ্লে সেন্টারটি উদ্বোধন করেন আকিজবশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশিরউদ্দীন</figcaption></figure><p>দেশের অন্যতম শীর্ষ টাইলস ব্র্যান্ড আকিজ সিরামিকস সাভারে নতুন শোরুম উদ্বোধন করেছে।</p><p>গত বুধবার সাভারের শিমুলতলায় মেসার্স ফাতেমা টাইলস অ্যান্ড স্যানিটারি নামের নতুন ডিসপ্লে সেন্টারটি উদ্বোধন করেন আকিজবশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশিরউদ্দীন।</p><p>এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আকিজবশির গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর শামসুদ্দিন আহমেদ, আকিজ সিরামিকসের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আশরাফুল হক, রোসার সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম সিদ্দিকী, আকিজবশির গ্রুপের হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ হোসেন শাহ নেওয়াজ এবং শোরুমের স্বত্বাধিকারী কাজী মো. জাকারিয়া শিবলু। এ ছাড়া গ্রুপের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>নতুন এই শোরুমে আকিজ সিরামিকসের সর্বাধুনিক ও সমসাময়িক ডিজাইনের টাইলস কালেকশন প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি থাকছে রোসার স্যানিটারিওয়্যার ও বাথওয়্যারের নতুন সম্ভার এবং আকিজ ডোরের দৃষ্টিনন্দন সব দরজার কালেকশন।</p><p>টানা সাতবার ‘বেস্ট ব্র্যান্ড’ এবং দুবার ‘সুপারব্র্যান্ড’ খেতাবজয়ী এই টাইলস ব্র্যান্ড ‘প্রমিস অব পারফেকশন’-এর অঙ্গীকার পূরণের ধারাবাহিকতায় কাজ করে যাচ্ছে।</p><p>বর্তমানে দেশজুড়ে আকিজ সিরামিকসের ২০০টির বেশি এক্সক্লুসিভ শোরুম চালু রয়েছে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা
নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা

<p>জুলাই মাসের গণ–অভ্যুত্থানে তাঁর ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তাসলিমা আক্তার ঢাকা উদ্যান থেকে রিকশা নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রওনা হয়েছিলেন, জবানবন্দিতে এমনটাই উল্লেখ করেছেন তিনি। তাসলিমা আক্তারের জবানবন্দিতে বলেছেন, ‘কিছু দূর যাওয়ার পর আমি রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখি এবং কমিশনার আসিফ, কমিশনার রাজিব, জাহাঙ্গীর কবির নানক, তাপস, বিপ্লব এদের হাতে অস্ত্র দেখতে পাই। আমার সামনেই একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ’</p><p>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১–এ সোমবার তাসলিমা আক্তার জবানবন্দি দেন। তিনি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষী।</p><p>জুলাই শহীদ ইসমাইলের মা তাসলিমা আক্তার জবানবন্দিতে বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরের খাবার খেয়ে ইসমাইল তিনটার দিকে বাসা থেকে বের হয়। সে আল্লাহ করিম মসজিদের পাশে গ্লাস ফ্যাক্টরির সামনে আন্দোলনে যোগ দেয়। ইসমাইলকে তার খালা ফোন দিলে প্রথমে সে ফোন ধরে না। কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তার বন্ধু কালু ফোন ধরে বলে ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ইসমাইলকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেদিন রাত ১০টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান এবং জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, তাঁর ছেলের অবস্থান জানতে চাইলে তাঁকে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। মর্গে গিয়ে তিনি দেখতে পান তিন থেকে চার শ লাশ স্তূপীকৃত অবস্থায় রয়েছে। তিনি তাঁর ছেলের পোশাক দেখে চিনতে পারেন এবং দেখেন তাঁর ছেলে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে।</p><p>ছেলের হত্যাকাণ্ডের জন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং শেখ ফজলে নূর তাপসসহ অনেককেই দায়ী করেন তাসলিমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।’</p><p>এই মামলার ২৮ আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাঁরা হলেন সাবেক আনসার সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং যুবলীগ কর্মী কে এম ফজলে রাব্বী। নানক, তাপসসহ এই মামলার ২৪ আসামি পলাতক।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের
সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের

<p>নিত্যপণ্য, ওষুধ, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় এসব দাবি জানান ক্যাবের নেতারা।</p><p>মানববন্ধনে ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, সরকারের কাছে জনবান্ধব সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা থাকলেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। ভোজ্যতেলের দামও আবার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠী বাজারে সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে।</p><p>সফিকুজ্জামান বলেন, সামনে রমজান বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে এখনই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ১৮ কোটি মানুষের দাবি বিবেচনায় নিয়ে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/8j291pp8/Cab-Protest-02.jpg"><figcaption>নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন। সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে </figcaption></figure><p>প্রতিবাদ সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ধনীদের তুলনায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর অনেক বেশি পড়ছে। সরকারকে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, কৃত্রিম সংকট নিরসন করতে হবে এবং বিকল্প বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।</p><p>ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি মানুষের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দিচ্ছে। সাধারণ ভোক্তাদের জীবন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বাজার নিয়ন্ত্রণ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।</p><p>প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য দেন ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির ব্যবসায়ী বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভোক্তা, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ
দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ

ভারতের দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এবং তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকার শাহবাগে সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
বিমানবন্দরে হুথি হামলার জবাবে ‘কঠোর পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি সৌদি মন্ত্রীর
বিমানবন্দরে হুথি হামলার জবাবে ‘কঠোর পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি সৌদি মন্ত্রীর

সৌদি আরবে হুতি হামলার প্রেক্ষাপটে রিয়াদে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সম্মেলন থেকে বড় বড় তেল কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এদিকে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ১ লাখ অতিক্রম করেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৩০৭ জন।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দিল্লিতে মিছিল করে বিরোধী নেতাদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির রাহুল গান্ধী
দিল্লিতে মিছিল করে বিরোধী নেতাদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির রাহুল গান্ধী

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দেয় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী ইন্ডিয়া জোট।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সাজেক ভ্রমণ কতদিন বন্ধ থাকবে?
সাজেক ভ্রমণ কতদিন বন্ধ থাকবে?

স্থানীয় দু'টি সংগঠনের ডাকা অবরোধকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের ঘটনায় কী বলছে পুলিশ
সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের ঘটনায় কী বলছে পুলিশ

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলা সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার বিকেলে ঢাকায় একটি আদালতে তোলে পুলিশ। সেখানে তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলেও শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত বাংলাদেশিরা কে কোন হাসপাতালে
সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত বাংলাদেশিরা কে কোন হাসপাতালে

শনিবারের ওই হামলার পরদিন রোববার মন্ত্রণালয় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মোঃ নাসরুল্লাহ বদরপুরি এবং বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে মো: শাহেদ আহম্মেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
'স্মাইলিং ডিপ্রেশন' কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে?
'স্মাইলিং ডিপ্রেশন' কী, হাসিমুখের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিষণ্ণতা চিনবেন কীভাবে?

বাইরে থেকে আপনাকে সুখী দেখালেও ভেতরে ভেতরে যদি আপনি কষ্ট পান, তবে আপনার এক ধরনের অস্বাভাবিক বিষণ্ণতা থাকতে পারে — কিন্তু প্রকৃত অনুভূতি গোপন করা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প
রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে ঘোষণা করা এ চুক্তি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের এ উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় দলের আইনপ্রণেতারা।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস
ব্লুটুথ নামের পেছনে ভাইকিং রাজা ও ডেনমার্কের হাজার বছরের ইতিহাস

মোবাইল ফোনের সঙ্গে হেডফোন কিংবা কম্পিউটার যুক্ত করতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যবহার করেন অনেকেই, কিন্তু আপনারা কি জানেন? এই আধুনিক প্রযুক্তির নামের পেছনে রয়েছে এক হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো ইতিহাস। জড়িয়ে আছেন ডেনমার্কের এক ভাইকিং রাজার কাহিনী।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
চাঁদা দাবির অভিযোগে ৩ দিন বান্দরবান-থানচি বাস বন্ধ 
চাঁদা দাবির অভিযোগে ৩ দিন বান্দরবান-থানচি বাস বন্ধ 

চাঁদা দাবির অভিযোগে বান্দরবান-থানচি সড়কে তিন দিন ধরে গণপরিবহন বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন এ সড়কে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীসহ সাধারণ যাত্রীরা।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
চকবাজারে সাততলা ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১০ ইউনিট
চকবাজারে সাততলা ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১০ ইউনিট

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে মনজুর খান প্লাজা নামে একটি সাততলা ভবনের ষষ্ঠ তলায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
হত্যা মামলায় শিশুর ১৩ বছরের আটকাদেশ
হত্যা মামলায় শিশুর ১৩ বছরের আটকাদেশ

বগুড়ার শিশু আশিক হত‌্যা মামলায় জ‌ড়িত এক‌ শিশু‌কে ১৩ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতায় মুগ্ধ মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস
ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতায় মুগ্ধ মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস

গাজীপুরের চন্দ্রায় শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেছেন মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিসেস (এমইএস) এর উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
গাজীপুরে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রি, ৬ স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন
গাজীপুরে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রি, ৬ স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন

গাজীপুরের ছয়টি সিএনজি স্টেশনের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নির্ধারিত গ্যাস সরবরাহ না করে কৃত্রিম সংকট তৈরির পাশাপাশি অবৈধভাবে লরি ও সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সহযোগীর গুলিতে নিহত নারায়ণগঞ্জে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সাহেব আলী 
সহযোগীর গুলিতে নিহত নারায়ণগঞ্জে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সাহেব আলী 

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত সাহেব আলীকে গুলি করে হত্যা করেছে তারই এক সহযোগী। 

অক্টোবর ১২, ২০২৬
ফরিদপুরে হাসপাতালে দুদকের অভিযান, নথিপত্র যাচাই
ফরিদপুরে হাসপাতালে দুদকের অভিযান, নথিপত্র যাচাই

চিকিৎসাসেবায় বহুমাত্রিক অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও সরকারি ওষুধ পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সরকারপ্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব
সরকারপ্রধান হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “একজন নাগরিক হিসেবে যার যে অধিকার তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে আমার দায়িত্ব।”

অক্টোবর ১২, ২০২৬