বাংলাদেশ

নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা
নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা
<p>জুলাই মাসের গণ–অভ্যুত্থানে তাঁর ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তাসলিমা আক্তার ঢাকা উদ্যান থেকে রিকশা নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রওনা হয়েছিলেন, জবানবন্দিতে এমনটাই উল্লেখ করেছেন তিনি। তাসলিমা আক্তারের জবানবন্দিতে বলেছেন, ‘কিছু দূর যাওয়ার পর আমি রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখি এবং কমিশনার আসিফ, কমিশনার রাজিব, জাহাঙ্গীর কবির নানক, তাপস, বিপ্লব এদের হাতে অস্ত্র দেখতে পাই। আমার সামনেই একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ’</p><p>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১–এ সোমবার তাসলিমা আক্তার জবানবন্দি দেন। তিনি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষী।</p><p>জুলাই শহীদ ইসমাইলের মা তাসলিমা আক্তার জবানবন্দিতে বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরের খাবার খেয়ে ইসমাইল তিনটার দিকে বাসা থেকে বের হয়। সে আল্লাহ করিম মসজিদের পাশে গ্লাস ফ্যাক্টরির সামনে আন্দোলনে যোগ দেয়। ইসমাইলকে তার খালা ফোন দিলে প্রথমে সে ফোন ধরে না। কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তার বন্ধু কালু ফোন ধরে বলে ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ইসমাইলকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেদিন রাত ১০টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান এবং জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, তাঁর ছেলের অবস্থান জানতে চাইলে তাঁকে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। মর্গে গিয়ে তিনি দেখতে পান তিন থেকে চার শ লাশ স্তূপীকৃত অবস্থায় রয়েছে। তিনি তাঁর ছেলের পোশাক দেখে চিনতে পারেন এবং দেখেন তাঁর ছেলে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে।</p><p>ছেলের হত্যাকাণ্ডের জন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং শেখ ফজলে নূর তাপসসহ অনেককেই দায়ী করেন তাসলিমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।’</p><p>এই মামলার ২৮ আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাঁরা হলেন সাবেক আনসার সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং যুবলীগ কর্মী কে এম ফজলে রাব্বী। নানক, তাপসসহ এই মামলার ২৪ আসামি পলাতক।</p>

Prothomalo

View more
এক গিটারেই সিডনির শ্রোতাদের মন জয় করলেন নন্দিতা–শুভেন্দু
এক গিটারেই সিডনির শ্রোতাদের মন জয় করলেন নন্দিতা–শুভেন্দু

<p>মঞ্চে দুই শিল্পী, সঙ্গে শুধু একটি অ্যাকুস্টিক গিটার। গিটারের সুরে ভেসে আসছে একের পর এক পরিচিত গান। কখনো শ্রোতারাও গলা মেলাচ্ছেন, কখনো নীরবে শুনছেন। গানের ফাঁকে চলছে আড্ডা। এমনই এক অন্তরঙ্গ সংগীতসন্ধ্যা উপহার দিলেন কোক স্টুডিও বাংলার পরিচিত কণ্ঠ সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা ও সংগীতশিল্পী শুভেন্দু দাস শুভ।</p><p>গত শনিবার সন্ধ্যায় সিডনির ব্রায়ান ব্রাউন থিয়েটারে তাঁদের গান শুনতে জড়ো হন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এই আয়োজনের মধ্য দিয়েই শুরু হলো দুই শিল্পীর যৌথ সংগীত উদ্যোগ ‘মোজি অ্যান্ড কোং’-এর প্রথম আন্তর্জাতিক সফর।</p><p>বড় কোনো বাদ্যযন্ত্রের দল নেই, নেই জমকালো মঞ্চায়োজন। গানই ছিল সন্ধ্যার মূল আকর্ষণ। শিল্পীদের সঙ্গে শ্রোতাদের দূরত্বও যেন কমিয়ে দিয়েছিল আয়োজনের ঘরোয়া আবহ। মিলনায়তনভর্তি দর্শকের সামনে নন্দিতা ও শুভেন্দু একের পর এক গান পরিবেশন করেন। মাঝেমধ্যে শ্রোতাদের সঙ্গে কথাও বলেন। পরিচিত গান, স্মৃতিচারণা আর কথোপকথনে এগিয়ে চলে পুরো আসর।</p><p><br>আগের রাতে সিডনিতে বৃষ্টি হয়েছিল। সেই আবহ ধরে নন্দিতা গেয়ে ওঠেন ‘মেঘলা আকাশ’। এরপর একে একে শোনান নানা স্বাদের গান। পরিবেশনার বড় অংশ জুড়ে ছিল গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের লেখা কালজয়ী সব গান। পরিচিত সুরগুলো নতুনভাবে উপস্থাপন করেন দুই শিল্পী। কখনো শ্রোতারা তাঁদের সঙ্গে গলা মেলান, কখনো মন দিয়ে শোনেন। আসরের শেষভাগে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ পরিবেশনের সময় আবেগঘন হয়ে ওঠে মিলনায়তন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/ma9mdyun/WhatsApp_Image_2026_10_12_at_4_10_24_PM.jpeg"><figcaption>দুই শিল্পীর গানের পাশাপাশি শ্রোতাদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনও ছিল আসরের বিশেষ আকর্ষণ</figcaption></figure><p>এই আসরের পেছনে রয়েছে নন্দিতা ও শুভেন্দুর দীর্ঘদিনের সংগীতচর্চা। কোক স্টুডিও বাংলার প্রথম মৌসুমে কাজী নজরুল ইসলামের ‘বুলবুলি’ গান দিয়ে আলোচনায় আসেন নন্দিতা। গানটির সংগীতায়োজন করেছিলেন শুভেন্দু। পরেও তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেছেন। পুরোনো দিনের বাংলা ও হিন্দি গান নতুনভাবে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ভাবনা থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যাত্রা শুরু করে তাঁদের মোজি অ্যান্ড কোং। ফেসবুক ও ইউটিউবে নিয়মিত গান প্রকাশ করে আসছেন তাঁরা।</p><p>বলে নেওয়া ভালো, এই উদ্যোগের একটি গান সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনেও নজর কেড়েছে। এ আর রহমানের সংগীতায়োজনে ‘স্বদেশ’ চলচ্চিত্রের ‘সাওয়ারিয়া’ গানটি নিজেদের মতো করে গেয়েছিলেন নন্দিতা ও শুভেন্দু। গত জুলাইয়ে সেই পরিবেশনার ভিডিও নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন এ আর রহমান। বিষয়টি দুই শিল্পীর জন্য ছিল বড় চমক। রহমানের এই স্বীকৃতি তাঁদের আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।<br>সেই অনলাইন সংগীত উদ্যোগ এবার পৌঁছেছে দেশের বাইরের মঞ্চে। সিডনির আসর নিয়ে নন্দিতা প্রথম আলোকে বলেন, ‘সিডনির দর্শক এতটা সুর সচেতন ও গানের সঙ্গে মিশে যাবেন, তা আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমরা যে গানগুলো গাওয়ার কথা ভেবেছিলাম, দর্শকেরা আগে থেকেই সেগুলো শোনার আগ্রহ প্রকাশ করছিলেন। প্রথম আন্তর্জাতিক সফরের প্রথম পরিবেশনা হিসেবে সিডনির এই অভিজ্ঞতা আমাদের স্মৃতিতে দীর্ঘদিন থাকবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/ecvk1lor/WhatsApp_Image_2026_10_12_at_4_02_09_PM.jpeg"><figcaption>সানজিদা মাহমুদ নন্দিতা </figcaption></figure><p>দর্শকদের ভালোবাসায় মুগ্ধ শুভেন্দু দাস শুভও। তিনি বলেন, ‘দর্শকের এই আন্তরিক ভালোবাসা ও উষ্ণতা অমূল্য। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এসে গভীর মনোযোগ দিয়ে গান শুনেছেন। একজন শিল্পীর জন্য এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!’</p><p><br>মূল পরিবেশনার আগে গান শোনান সিডনিপ্রবাসী বাংলাদেশি শিল্পী হিমেল, মাশফিক, মিতুল ও আদিল। তাঁদের পরিবেশনা দিয়ে শুরু হয় সন্ধ্যার আয়োজন। এরপর মঞ্চে আসেন নন্দিতা ও শুভেন্দু। দুই শিল্পীর গানের পাশাপাশি শ্রোতাদের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনও ছিল আসরের বিশেষ আকর্ষণ।<br>দর্শকদের প্রতিক্রিয়াতেও উঠে এসেছে এই ঘরোয়া আয়োজনের কথা। অনুষ্ঠান শেষে অনিতা বিশ্বাস বলেন, ‘কোনো বাড়তি ড্রাম বা অতিরিক্ত বাদ্যযন্ত্রের কোলাহল ছিল না। কেবল একটি গিটারের মিষ্টি সুরে পুরো মিলনায়তনের মানুষ মগ্ন হয়ে গান শুনেছেন। প্রাণ জুড়িয়ে যাওয়ার মতো এমন গানের সন্ধ্যা প্রবাসে খুব কমই হয়।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/6y80fzch/WhatsApp-Image-2026-10-12-at-4.03.28-PM.jpeg"><figcaption>শ্রোতাদের মন জয় করলেন নন্দিতা–শুভেন্দু</figcaption></figure><p>সিডনিতে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বেস্ট অব বেঙ্গল। আয়োজকদের অন্যতম তানিম মান্নান জানান, গানকে বাণিজ্যিক চাকচিক্য কিংবা চড়া শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাননি তাঁরা। বরং এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যেখানে শ্রোতারা মন দিয়ে গান শুনবেন, শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলবেন। অনেকটা ঘরোয়া গানের আসরের মতোই।<br>পুরোনো দিনের জনপ্রিয় গান নতুন সংগীতায়োজনে তুলে ধরার পাশাপাশি মৌলিক গান নিয়েও কাজ করছেন নন্দিতা ও শুভেন্দু। এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তাঁরা জানিয়েছিলেন, নিজেদের স্বতন্ত্র কোমল সুরের ধরন বজায় রেখেই নতুন গান প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।<br>সিডনির পর এবার মেলবোর্নে গান শোনাবেন দুই শিল্পী। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ২৫ অক্টোবর রোববার সেখানে মোজি অ্যান্ড কোং–এর পরবর্তী পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দেশে ফিরবেন নন্দিতা ও শুভেন্দু।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
হত্যা, ধর্ষণ ও ছিনতাই প্রতিরোধে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান মামুনুল হকের
হত্যা, ধর্ষণ ও ছিনতাই প্রতিরোধে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান মামুনুল হকের

<p>বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঘটনা জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হতাহতের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে তিনি ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>সোমবার ঢাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নিয়মিত মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক এ কথা বলেন। বৈঠক পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।</p><p>রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, ওমরাহ পালন করতে যাওয়া যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বেসামরিক মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংঘাতসংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রধান শত্রু ইসরায়েল। ইসরায়েলকে শক্তিশালী করে—এমন সব ধরনের কার্যক্রম থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে বিরত থাকতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আঞ্চলিক দেশগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।</p><p>দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মামুনুল হক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাই, হামলা ও ভাঙচুরের মতো অপরাধের ঘটনা ঘটছে। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতিটি অপরাধের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।</p><p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক ও মাওলানা কুরবান আলী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা আবদুল আজিজ, মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজি ও মুফতি শরাফত হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা এনামুল হক মূসা, মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সাল, মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ, মাওলানা মুহসিনুল হাসান, মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মাওলানা উজাইর আমীন ও মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ হাদি প্রমুখ।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
হুতিদের হামলায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও আহতদের বিনা মূল্যে চিকিৎসার দাবি হেফাজতের
হুতিদের হামলায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও আহতদের বিনা মূল্যে চিকিৎসার দাবি হেফাজতের

<p>সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ ১৩ জন নিহত এবং ৩০০–এর বেশি যাত্রী ও বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক, তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।</p><p>সোমবার এক শোকবার্তায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান হামলায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিকসহ সব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সৌদি সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাঁরা আহত ব্যক্তিদের সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে সর্বাধুনিক চিকিৎসা প্রদান ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি মানবিক সহায়তা দেওয়ার দাবিও জানান।</p><p>শোকবার্তায় হেফাজত আমির ও মহাসচিব বলেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো একটি সম্পূর্ণ বেসামরিক নাগরিক স্থাপনায় এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এটি আন্তর্জাতিক আইন, মৌলিক মানবাধিকার এবং মানবিক মূল্যবোধের চরম লঙ্ঘন। নিরীহ মানুষের ওপর এ–জাতীয় সন্ত্রাসী হামলা বিশ্ববিবেককে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।</p><p>নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ পরিবার চাইলে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে সম্মানের সঙ্গে দাফন করা কিংবা প্রবাসেই যথাযথ মর্যাদায় দাফনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে বলে শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়।</p><p>হুতিদের হামলায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারগুলো যেন তাদের প্রাপ্য আইনগত পাওনা ও ক্ষতিপূরণ সঠিকভাবে পায়, সে লক্ষ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ও কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্ব।</p><p>একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং বিমানবন্দরসহ যেকোনো বেসামরিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা চিরতরে বন্ধে জাতিসংঘ, ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান তাঁরা।</p><p><strong>ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান</strong></p><p>এদিকে রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ব্যক্তিদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ ও হামলার নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।</p><p>সোমবার রাজধানীতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নিয়মিত মাসিক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে মামুনুল হক এ কথা বলেন। বৈঠক পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।</p><p>বৈঠকে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর প্রধান শত্রু ইসরায়েল। ইসরায়েলকে শক্তিশালী করে—এমন সব ধরনের কার্যক্রম থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে বিরত থাকতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আঞ্চলিক দেশগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, সাবেক সেনাদের প্ল্যাটফর্ম; দেবাশীষ-গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারের নেপথ্যে কী
দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, সাবেক সেনাদের প্ল্যাটফর্ম; দেবাশীষ-গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারের নেপথ্যে কী

<p>অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের পর দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তহবিল সংগ্রহ ও উসকানিমূলক প্রচারের অভিযোগ সামনে এনেছে পুলিশ। এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও এসেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।</p><p>এসব তৎপরতার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) বিজয় দেবাশীষ নারায়ণ পাল (৪৭) ও লেফটেন্যান্ট (অব.) কাজী গুলশান আরাকে (৪৩) গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর পল্লবী ও বনানী ডিওএইচএস এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাঁদের গ্রেপ্তার করে।</p><p>অভিযান–সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং পুলিশের করা মামলার এজাহার ও আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদন পর্যালোচনা করে এ ঘটনার নেপথ্যে বেশ কয়েকটি কারণ পাওয়া গেছে। তাতে দেখা গেছে, সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মূলত সরকারবিরোধী প্রচার, অর্থায়ন, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং সংগঠিত তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে।</p><p>গ্রেপ্তারের পর সোমবার বিকেলে তাঁদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। রিমান্ড আবেদনেও অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। রিমান্ড শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাঁদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।</p><p>সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরেই তাঁরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের হয়ে তৎপরতা চালিয়ে আসছিলেন। এ ছাড়া দেশের ও বিদেশের ‘গুপ্তচরদের’ সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ রয়েছে বলেও তাঁরা জানতে পেরেছেন। এসব কারণেই তাঁদের গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্লবী থানায় করা মামলায় আরও ১০১ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।</p><p><strong>দুই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ঘিরে অভিযোগ</strong></p><p>গোয়েন্দা পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা এবং তাঁদের সহযোগীরা ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা নম্বর # ১’ ও ‘বিবিএম ট্রান্সপারেন্সি’ নামের দুটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।</p><p>পুলিশের অভিযোগ, এসব গ্রুপের মাধ্যমে দেবাশীষ ও গুলশান আরা সরকারবিরোধী তৎপরতার জন্য তহবিল সংগ্রহ করতেন। পাশাপাশি সহিংসতায় উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করতেন।</p><p>এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইউনিটি কেয়ার’ ও ‘পাবলিক পার্লামেন্ট’ নামের দুটি প্ল্যাটফর্মের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পলাতক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন এবং রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠিত তৎপরতা পরিচালনা করা।</p><p><strong>ফেসবুক পেজ ও অনলাইন প্রচার</strong></p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে প্রচার দেবাশীষ ও গুলশান আরাকে গ্রেপ্তারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। পুলিশের রিমান্ড আবেদনেও বলা হয়েছে, ‘কালআজকাল.কম’ নামের একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতায় উসকানি দেওয়ার মতো কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা হচ্ছিল।</p><p>এ ছাড়া কাজী গুলশান আরার নামে থাকা একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ঠিকানা উল্লেখ করে সেখান থেকে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচার চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>পুলিশ বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে গ্রেপ্তার দুই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাঁদের সহযোগীরা সরকার এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। দেশি-বিদেশি ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ থাকার অভিযোগও করা হয়েছে।</p><p><strong>২০১৮ সালের গণভবনের ঘটনা কেন সামনে</strong></p><p>গ্রেপ্তার দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তার অতীত রাজনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে রিমান্ড আবেদনে ২০১৮ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়, ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনের আগে দেড় শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে গণভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি একাত্মতা ও আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন কাজী গুলশান আরা।</p><p>ওই দিন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনার প্রতি সমর্থন জানানোর ঘটনা সে সময় সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছিল। পুলিশের দাবি, পরবর্তী সময়ে ১০১ জন সহযোগীকে নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদ’ নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>রিমান্ড আবেদনে সংগঠনটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন টক শোতে অংশ নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও অবজ্ঞা প্রকাশের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/peu0coqq59">সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগে মামলা দিল পুলিশ</a></aside><p><strong>আরও ১০১ জন আসামি, পাঁচ বিষয়ে তথ্য চায় পুলিশ</strong></p><p>পল্লবী থানায় করা মামলায় দেবাশীষ ও গুলশান আরা ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ১০১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন ডিবির পল্লবী জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক মো. আলী আকবর। এতে দণ্ডবিধি, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><p>আদালতে দেওয়া রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচটি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো সহযোগী আসামিদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি ‘গুপ্তচরদের’ শনাক্ত, ডিজিটাল আলামত সংগ্রহ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত অন্য ওয়েবসাইট ও পেজ শনাক্ত এবং মামলার মূল ঘটনা উদ্‌ঘাটন।</p><p>এ ছাড়া অবৈধ অর্থায়নের উৎস অনুসন্ধানের কথাও বলা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যদের সংশ্লিষ্টতা যাচাই করতে দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।</p><p><strong>আদালতে অভিযোগ অস্বীকার</strong></p><p>আদালতে রিমান্ড শুনানির সময় পুলিশের অভিযোগের বিরোধিতা করেন অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তা দেবাশীষ ও গুলশান আরার আইনজীবীরা।</p><p>গুলশান আরার আইনজীবী মোহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, একটি টক শোতে গিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু টক শোতে তিনি (গুলশান আরা) কী এমন বক্তব্য দিয়েছেন, যাতে দেশ অস্থিতিশীল হয়ে গেল, তা বলা হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী পাওয়া গেছে, রিমান্ড আবেদনে সেটিও উল্লেখ নেই।</p><p>দেবাশীষের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেন, তাঁর (দেবাশীষ) বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দেওয়া হলেও কী কারণে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁর অপরাধ কী—এসবের কোনো ব্যাখ্যা রিমান্ড আবেদনে নেই।</p><p>অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বলেন, আসামিরা দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পতিত সরকারের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দেশি-বিদেশি গুপ্তচরদেরও যোগাযোগ রয়েছে। রিমান্ডে নিলে তাঁদের সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য জানা যাবে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত এক বাংলাদে‌শির অবস্থা আশঙ্কাজনক
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত এক বাংলাদে‌শির অবস্থা আশঙ্কাজনক

<p>সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুজন বাংলাদেশি নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত পাঁচজনের মধ্যে চারজন শঙ্কামুক্ত হলেও একজ‌নের অবস্থা আশঙ্কাজনক।</p><p>রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং থেকে পাঠানো সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে জানা‌নো হয়, শনিবার বেলা আনুমানিক সোয়া তিনটার দিকের ওই হামলায় বিভিন্ন দেশের মোট ১৩ জন নিহত হন, আহত হন ৩০৯ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি। আহত হ‌য়ে‌ছেন ২৭ জন বাংলাদেশি, তাঁ‌দের মধ্যে ১১ জন সৌদি আরবে প্রবাসী কর্মী এবং ১৬ জন ওমরাহ ভিসার যাত্রী।</p><p>আহত ২৭ জন বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। বর্তমানে ১৫ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। এর মধ্যে চারজন শঙ্কামুক্ত হলেও ওমরাহ ভিসায় আগত নওগাঁর বা‌সিন্দা সাফফাত রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।</p><p>আহত সব বাংলাদেশির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দূতাবাসের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/airarbhpiz">রিয়াদ বিমানবন্দরে কার্যক্রম বন্ধের মেয়াদ বাড়াল সৌদি আরব</a></aside><p>এ ঘটনায় বাংলাদেশ থেকে আগত এবং বাংলাদেশগামী পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি রিয়াদ বিমানবন্দরে আটকা পড়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে আগত ১৭ জনকে ম্যারিয়ট হোটেল, ২৫ জনকে র‍্যাডিসন ব্লু হোটেল এবং ৪০ জনকে রিয়াদে প্রিন্সেস নুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমিটরিতে সরিয়ে আনা হয়েছে।</p><p>রিয়াদ টু ঢাকাগামী সৌদিয়া এয়ারলাইনসের বাতিল হওয়া ফ্লাইটের প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি যাত্রীকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, সৌদি ইমিগ্রেশন ও সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের সহায়তায় দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সাভারে আকিজ সিরামিকসের নতুন শোরুম
সাভারে আকিজ সিরামিকসের নতুন শোরুম

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/rpu9j110/Akij-CeramicsImage.jpeg"><figcaption>সাভারের শিমুলতলায় মেসার্স ফাতেমা টাইলস অ্যান্ড স্যানিটারি নামে নতুন ডিসপ্লে সেন্টারটি উদ্বোধন করেন আকিজবশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশিরউদ্দীন</figcaption></figure><p>দেশের অন্যতম শীর্ষ টাইলস ব্র্যান্ড আকিজ সিরামিকস সাভারে নতুন শোরুম উদ্বোধন করেছে।</p><p>গত বুধবার সাভারের শিমুলতলায় মেসার্স ফাতেমা টাইলস অ্যান্ড স্যানিটারি নামের নতুন ডিসপ্লে সেন্টারটি উদ্বোধন করেন আকিজবশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ বশিরউদ্দীন।</p><p>এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আকিজবশির গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর শামসুদ্দিন আহমেদ, আকিজ সিরামিকসের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আশরাফুল হক, রোসার সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম সিদ্দিকী, আকিজবশির গ্রুপের হেড অব মার্কেটিং মোহাম্মদ হোসেন শাহ নেওয়াজ এবং শোরুমের স্বত্বাধিকারী কাজী মো. জাকারিয়া শিবলু। এ ছাড়া গ্রুপের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>নতুন এই শোরুমে আকিজ সিরামিকসের সর্বাধুনিক ও সমসাময়িক ডিজাইনের টাইলস কালেকশন প্রদর্শন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি থাকছে রোসার স্যানিটারিওয়্যার ও বাথওয়্যারের নতুন সম্ভার এবং আকিজ ডোরের দৃষ্টিনন্দন সব দরজার কালেকশন।</p><p>টানা সাতবার ‘বেস্ট ব্র্যান্ড’ এবং দুবার ‘সুপারব্র্যান্ড’ খেতাবজয়ী এই টাইলস ব্র্যান্ড ‘প্রমিস অব পারফেকশন’-এর অঙ্গীকার পূরণের ধারাবাহিকতায় কাজ করে যাচ্ছে।</p><p>বর্তমানে দেশজুড়ে আকিজ সিরামিকসের ২০০টির বেশি এক্সক্লুসিভ শোরুম চালু রয়েছে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা
নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা

<p>জুলাই মাসের গণ–অভ্যুত্থানে তাঁর ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তাসলিমা আক্তার ঢাকা উদ্যান থেকে রিকশা নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রওনা হয়েছিলেন, জবানবন্দিতে এমনটাই উল্লেখ করেছেন তিনি। তাসলিমা আক্তারের জবানবন্দিতে বলেছেন, ‘কিছু দূর যাওয়ার পর আমি রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখি এবং কমিশনার আসিফ, কমিশনার রাজিব, জাহাঙ্গীর কবির নানক, তাপস, বিপ্লব এদের হাতে অস্ত্র দেখতে পাই। আমার সামনেই একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ’</p><p>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১–এ সোমবার তাসলিমা আক্তার জবানবন্দি দেন। তিনি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষী।</p><p>জুলাই শহীদ ইসমাইলের মা তাসলিমা আক্তার জবানবন্দিতে বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরের খাবার খেয়ে ইসমাইল তিনটার দিকে বাসা থেকে বের হয়। সে আল্লাহ করিম মসজিদের পাশে গ্লাস ফ্যাক্টরির সামনে আন্দোলনে যোগ দেয়। ইসমাইলকে তার খালা ফোন দিলে প্রথমে সে ফোন ধরে না। কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তার বন্ধু কালু ফোন ধরে বলে ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ইসমাইলকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেদিন রাত ১০টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান এবং জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, তাঁর ছেলের অবস্থান জানতে চাইলে তাঁকে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। মর্গে গিয়ে তিনি দেখতে পান তিন থেকে চার শ লাশ স্তূপীকৃত অবস্থায় রয়েছে। তিনি তাঁর ছেলের পোশাক দেখে চিনতে পারেন এবং দেখেন তাঁর ছেলে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে।</p><p>ছেলের হত্যাকাণ্ডের জন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং শেখ ফজলে নূর তাপসসহ অনেককেই দায়ী করেন তাসলিমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।’</p><p>এই মামলার ২৮ আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাঁরা হলেন সাবেক আনসার সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং যুবলীগ কর্মী কে এম ফজলে রাব্বী। নানক, তাপসসহ এই মামলার ২৪ আসামি পলাতক।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের
সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের

<p>নিত্যপণ্য, ওষুধ, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় এসব দাবি জানান ক্যাবের নেতারা।</p><p>মানববন্ধনে ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, সরকারের কাছে জনবান্ধব সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা থাকলেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। ভোজ্যতেলের দামও আবার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠী বাজারে সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে।</p><p>সফিকুজ্জামান বলেন, সামনে রমজান বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে এখনই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ১৮ কোটি মানুষের দাবি বিবেচনায় নিয়ে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/8j291pp8/Cab-Protest-02.jpg"><figcaption>নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন। সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে </figcaption></figure><p>প্রতিবাদ সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ধনীদের তুলনায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর অনেক বেশি পড়ছে। সরকারকে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, কৃত্রিম সংকট নিরসন করতে হবে এবং বিকল্প বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।</p><p>ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি মানুষের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দিচ্ছে। সাধারণ ভোক্তাদের জীবন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বাজার নিয়ন্ত্রণ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।</p><p>প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য দেন ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির ব্যবসায়ী বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভোক্তা, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ
দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ

ভারতের দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এবং তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকার শাহবাগে সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন