প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন আজ
একটি মাঝারি শসা থেকে প্রায় ৪১ শতাংশ দৈনিক চাহিদার সমপরিমাণ ভিটামিন কে পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম। কিন্তু শসার খোসা ফেলে দিয়ে শসা খাওয়া মানে এর সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশটিই ফেলে দেওয়া। খোসা ছাড়িয়ে নিলে শসার ভেতরে কেবল পানি ছাড়া তেমন কোনো খাদ্যআঁশ বা পুষ্টি উপাদান অবশিষ্ট থাকে না।
মাদারীপুরের রাজৈরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী সুজন মুন্সীকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। দিনব্যাপী এ সফরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং খুলনায় ‘নতুন...
ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই এবারের আসরে নিজেদের যাত্রা শুরু করবে ভুটান।
চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিতে যাচ্ছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার পাতাজুড়ে পোশাকখাতের শ্রমিকদের আন্দোলন, ডিসেম্বর থেকে তাদের নতুন মজুরি কার্যকরের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের হোঁচট...
গত সোমবার চোরাচালানের সন্দেহে বিএসএফ সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তিকে আটক করে নির্যাতন করেন। নির্দিষ্ট কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের ফলে ওই ব্যক্তির পায়ের হাড় ভেঙে যায় এবং ত...
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়। বছর শেষে বেশি কর কেটে রাখা হলে পাওনা টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। আবার বাড়তি কর হলে কর বিভাগকে বাকি টাকা দিতে হবে।
ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজের কথা বলেছেন। আবার তাঁদের পাস করা বিলে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতাও তাঁর হাতে।
<p>বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে পারে। চলমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এ পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p> এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা চলছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর এ পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পরই পরীক্ষার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><p>এবারের পরীক্ষায় নিয়োগপ্রক্রিয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন। এবারই প্রথম নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে শুধু যোগ্যতা যাচাইয়ের পরিবর্তে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। এ কারণে আগের ধারাবাহিকতায় এটি ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা না হয়ে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হবে।</p><p>সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর। এর প্রায় চার মাস পর ২০২৪ সালের মার্চে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন হতে যাচ্ছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/xhk2txmvsx">নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তন</a></aside>
<p>বাংলাদেশের শহরগুলো নিয়ে আমাদের আলোচনা সাধারণত কিছু পরিচিত সমস্যার মধ্যেই ঘুরপাক খায়—যানজট, জলাবদ্ধতা, বায়ুদূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, আবাসনসংকট, ফুটপাত দখল, নাগরিক সেবার অপ্রতুলতা ইত্যাদি। আমরা সমস্যা চিহ্নিত করি, বিশেষজ্ঞদের ডাকি, পরিকল্পনা করি, প্রকল্প হাতে নিই। তারপরও সংকট থেকে যায়। একটি সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে প্রায়ই আরেকটি সমস্যার জন্ম দিই। কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি, সমস্যাটি শুধু আমাদের পরিকল্পনার ঘাটতিতে নয়?</p><p>আমার মনে হয়, বাংলাদেশের নগর সংকটের গভীরে রয়েছে নগর-কল্পনার সংকট। আমরা কেমন শহর চাই, সেই শহর কার, কার জীবনকে কেন্দ্র করে তার পরিকল্পনা হবে, প্রকৃতির সঙ্গে তার সম্পর্ক কী হবে—এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমাদের সম্মিলিত কল্পনা অত্যন্ত সীমিত। এই সীমাবদ্ধতার শিকড় রয়েছে আমাদের ইতিহাস ও নগরায়ণের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মধ্যে।</p><p><strong>নদীমাতৃক থেকে নগরসভ্যতা</strong></p><p>আমাদের এই ভূখণ্ডের সভ্যতার ইতিহাস রোমের মতো একক, কেন্দ্রীভূত নগরকে ঘিরে গড়ে ওঠেনি। বাংলার বসতি ও নগরায়ণের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর নদীনির্ভর, বিস্তৃত ও বহুকেন্দ্রিক চরিত্র। নদী, খাল, বিল, জলাভূমি, কৃষিজমি এবং মৌসুমি পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের বসতি ও অর্থনৈতিক জীবন নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত ছিল। আমাদের ভূগোল এমন এক সভ্যতার জন্ম দিয়েছে, যেখানে মানুষের জীবন সব সময় কোনো একটি বিশাল নগরের মধ্যে কেন্দ্রীভূত হওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।</p><p>মোগল আমলে ঢাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়। সেই নগরায়ণ ইউরোপীয় আধুনিক নগর-পরিকল্পনার মতো কোনো সর্বব্যাপী নকশার অনুসরণে ঘটেনি। প্রশাসনিক স্থাপনা, দুর্গ, বাজার, মহল্লা, ঘাট, নদীপথ ও সাধারণ মানুষের বসতি মিলিয়ে নগর বিকশিত হয়েছিল। নগরের বিভিন্ন অংশের বিকাশের পেছনে ছিল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডেরও বড় ভূমিকা।</p><p>কলকাতায় ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিস্তারে ঢাকার অবস্থান বদলে যায়। শহর ধীরে ধীরে এমন একটি বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যাকে ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, শৃঙ্খলায় আনতে হবে, উন্নত করতে হবে। এই উন্নয়নের ধারণার মধ্যেই নিহিত ছিল এক গভীর রাজনৈতিক প্রশ্ন—কার জন্য উন্নয়ন?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/rb2bnaex/Untitled-1.jpg"></figure><p><strong>ঔপনিবেশিক নগর-কল্পনার দীর্ঘ ছায়া</strong></p><p>ঔপনিবেশিক নগরায়ণের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল স্থানিক বিভাজন। একদিকে শাসকগোষ্ঠী ও প্রশাসনিক অভিজাতদের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা, উন্নত অবকাঠামো ও নাগরিক সুবিধা; অন্যদিকে সাধারণ মানুষের বসতি, বাজার ও শ্রমজীবী এলাকার জন্য ভিন্ন বাস্তবতা। ঢাকায় রমনা ও মিন্টো রোডকে কেন্দ্র করে ঔপনিবেশিক প্রশাসনিক আবাসিক এলাকার বিকাশ এই ইতিহাসের একটি উদাহরণ। শহরের ভেতরেই যেন আরেকটি পৃথক শহর, যেখানে পরিকল্পনা, পরিবেশ ও নাগরিক সুবিধার মান আশপাশের অঞ্চল থেকে আলাদা।</p><p>১৯১৭ সালে প্যাট্রিক গেডেস ঢাকার নগর-পরিকল্পনা বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন তৈরি করেন। তাঁর চিন্তার একটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল শহরের বিদ্যমান প্রকৃতি, জলাভূমি, সবুজ ও সামাজিক জীবনকে বিবেচনায় নেওয়া। তাঁর কাজকে তাই সরলভাবে ঔপনিবেশিক বিভাজনের সমার্থক বলা যাবে না। কিন্তু যে শাসনব্যবস্থার অধীনে নগর–পরিকল্পনার এই চর্চা চলছিল, তার মধ্যেই প্রশাসনিক ক্ষমতা ও সাধারণ নগরজীবনের মধ্যে সুস্পষ্ট দূরত্ব ছিল।</p><p>পাকিস্তান আমলে ১৯৫৬ সালে ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত হয়; ১৯৫৯ সালে মিনোপ্রিও, স্পেন্সলি ও ম্যাকফারলেনের মহাপরিকল্পনার মধ্য দিয়ে শহরের বিভিন্ন অংশকে আলাদা আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পাঞ্চল হিসেবে বিন্যস্ত করার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী ইত্যাদি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার বিকাশকে এই বৃহত্তর ইতিহাসের মধ্যে দেখতে হবে।</p><p>এসব এলাকার পরিকল্পনা করা ভুল ছিল, এমন নয়। প্রশ্ন হলো, কেন শহরের কিছু নির্দিষ্ট অংশ পরিকল্পিত নাগরিক সুবিধার অধিকারী হবে, আর অন্যান্য অংশের মানুষকে নিজেদের উদ্যোগে বসতি, রাস্তা, পানি কিংবা পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে নিতে হবে?</p><p>ধানমন্ডির পাশে কলাবাগান কিংবা কাঁঠালবাগানের মতো এলাকার বিকাশের দিকে তাকালেই এই পার্থক্য বোঝা যায়। এসব এলাকার মানুষের নিজস্ব উদ্যোগ, স্থানীয় সংগঠন ও দৈনন্দিন প্রয়োজন শহর গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনায় সব এলাকার মানুষ সমান মনোযোগ বা সম্পদ পায়নি।</p><p>অর্থাৎ আমরা এমন এক নগর-পরিকল্পনার ধারায় অভ্যস্ত হয়েছি, যেখানে শহরের কিছু অংশকে পরিকল্পনার বিষয় হিসেবে দেখা হয়, আর বাকি অংশকে সমস্যা।</p><p><strong>পরিকল্পিত দ্বীপ, অপরিকল্পিত সমুদ্র</strong></p><p>স্বাধীনতার পরও এই চিন্তার মৌলিক পরিবর্তন ঘটেনি। আমরা নতুন নতুন পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা, উপশহর ও নগর সম্প্রসারণ প্রকল্প তৈরি করেছি। পূর্বাচল তার একটি বড় উদাহরণ। বিশাল আয়তনের এই পরিকল্পিত নতুন শহরে রাস্তা, প্লট, আবাসন ও বিভিন্ন নাগরিক সুবিধার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু পূর্বাচলকে যদি তার চারপাশের গ্রাম, বিদ্যমান বসতি, কৃষিজমি, জীবিকা, নদী ও জলাভূমির বৃহত্তর বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন একটি প্রকল্প হিসেবে দেখা হয়, তাহলে আমরা আবারও সেই পুরোনো ভুলের পুনরাবৃত্তি করব।</p><p>আজ যে গ্রামগুলো প্রকল্পের সীমানার বাইরে, নগরায়ণের চাপে সেগুলো আগামী দিনে অপরিকল্পিতভাবে বদলে যাবে। মানুষ সেখানে আরও বসতি গড়বে, আরও দোকান তৈরি করবে, কর্মসংস্থান ও যাতায়াতের নতুন নতুন ব্যবস্থা তৈরি হবে। তারপর একসময় আমরা বলব, পরিকল্পিত শহরের পাশে আবার এত ‘অপরিকল্পিত’ বসতি কেন?</p><p>এভাবে আমরা যেন বারবার পরিকল্পিত কিছু দ্বীপ তৈরি করছি, যার চারপাশে বিশাল এক অপরিকল্পিত সমুদ্র। সমুদ্রকে বাদ দিয়ে দ্বীপগুলোর পরিকল্পনা করছি। এটি কেবল পরিকল্পনার পদ্ধতিগত সমস্যা নয়; শহরকে দেখার একটি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/mbtdmpzk/20260929-SH0004.jpg"><figcaption>বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (২০২২) অনুসারে ঢাকা মহানগরে ১ কোটি ৩ লাখ মানুষের বাস। পাখির চোখে ঢাকার এই ছবি গুলশান এলাকার। গত ২৯ সেপ্টেম্বর। </figcaption></figure><p><strong>শহর আসলে কাদের</strong></p><p>এই প্রশ্ন স্পষ্ট হয় আমাদের নাগরিক সুবিধার বণ্টনের দিকে তাকালে। গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো এলাকায় নাগরিক পরিষেবার বিষয়ে যে ধরনের মনোযোগ দেখা যায়, জুরাইন কিংবা শহরের বহু নিম্ন আয়ের এলাকায় আমরা তা দেখি না। যেন শহরের কিছু মানুষ উন্নত নাগরিক জীবন পাওয়ার স্বাভাবিক দাবিদার, আর অন্যদের ভাগ্যে থাকবে জলাবদ্ধতা, দূষণ, অনিরাপদ আবাসন কিংবা অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা।</p><p>অথচ যে মানুষটি সকালে শহরের রাস্তা পরিষ্কার করেন, বাস চালান, নির্মাণশ্রমিক হিসেবে বহুতল ভবন নির্মাণ করেন, ফুটপাতে খাবার বিক্রি করেন, বাসাবাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই শহরের অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনের অপরিহার্য অংশ। শহরের পরিকল্পনায় তাঁরা কোথায়?</p><p>আমরা প্রায়ই শহরের মানুষকে বৈধ ও অবৈধ, আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক, পরিকল্পিত ও অপরিকল্পিত—এ ধরনের বিভাজনে দেখি। অবশ্যই শহর পরিচালনায় নিয়মকানুন প্রয়োজন। কিন্তু কোনো মানুষের বসতি বা জীবিকার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকলেই তাঁর মৌলিক নাগরিক প্রয়োজন অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে না।</p><p>শহরের সাফল্য কি তার সবচেয়ে ধনী বাসিন্দাদের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বিচার করা হবে, নাকি সবচেয়ে প্রান্তিক বাসিন্দাদের জীবনের মান দিয়ে? আমাদের নগর–পরিকল্পনার চিন্তা এই প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া জরুরি।</p><p><strong>প্রকৃতি কি শহরের বাইরে</strong></p><p>আমাদের নগর-কল্পনার আরেকটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, আমরা শহর ও প্রকৃতিকে পরস্পরের বিপরীত হিসেবে ভাবতে শিখেছি। আমাদের প্রচলিত চিন্তায় গ্রাম প্রকৃতির স্থান, আর শহর মানুষের নির্মিত কৃত্রিম পরিবেশ।</p><p>এই বিভাজনে আধুনিক নগরায়ণে প্রকৃতিকে প্রায়ই উন্নয়নের প্রতিবন্ধক কিংবা নিয়ন্ত্রণ করার বিষয় হিসেবে দেখা হয়। বাংলাদেশের মতো নদীমাতৃক বদ্বীপে এই চিন্তা বিপজ্জনক। ঢাকার খাল, জলাভূমি, নদী, গাছপালা, উন্মুক্ত ভূমি এ শহরেরই অংশ। এগুলো ছাড়া শহরের পানি, তাপমাত্রা, জীববৈচিত্র্য, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক জীবনকে টেকসই রাখা সম্ভব নয়।</p><p>জলাভূমি ভরাট করে আবাসন তৈরির সময় আমরা শুধু প্রকৃতিই ধ্বংস করি না, শহরের পানি ধারণের ক্ষমতাও কমিয়ে দিই। খালকে নর্দমায় পরিণত করলে শুধু পরিবেশেরই ক্ষতি হয় না; শহরের জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়ে। প্রকৃতির ক্ষতি আর মানুষের ক্ষতি আলাদা নয়।</p><blockquote>গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো এলাকায় নাগরিক পরিষেবার বিষয়ে যে ধরনের মনোযোগ দেখা যায়, জুরাইন কিংবা শহরের বহু নিম্ন আয়ের এলাকায় আমরা তা দেখি না। যেন শহরের কিছু মানুষ উন্নত নাগরিক জীবন পাওয়ার স্বাভাবিক দাবিদার, আর অন্যদের ভাগ্যে থাকবে জলাবদ্ধতা, দূষণ, অনিরাপদ আবাসন কিংবা অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা </blockquote><p>আমাদের সামনে জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি রয়েছে। রয়েছে ভূমিকম্প, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য দুর্যোগের আশঙ্কা। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের কারণে আগামী দিনগুলোতে শহরগুলোর ওপর জনসংখ্যার চাপ বাড়তে পারে।</p><p>এই বাস্তবতায় আমাদের শহরগুলোকে সহনশীল করতে হবে। এটি কেবল শক্তিশালী অবকাঠামো নির্মাণের বিষয় নয়; একটি সামাজিক, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক প্রশ্ন। আমাদের ভাবতে হবে, কীভাবে শহরের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষ ও সবচেয়ে বিপন্ন প্রতিবেশব্যবস্থাকে একই সঙ্গে পরিকল্পনার কেন্দ্রে আনা যায়। কারণ, প্রান্তিক মানুষের জীবন ও প্রকৃতির সুরক্ষা শহরের অর্থনীতির বিপরীত কোনো বিষয় নয়; বরং দীর্ঘ মেয়াদে একটি সুস্থ, উৎপাদনশীল ও টেকসই নগর অর্থনীতির পূর্বশর্ত।</p><p><strong>আগে প্রয়োজন নতুন কল্পনা</strong></p><p>আমরা শহরের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রায়ই বিশেষজ্ঞদের দিকে তাকিয়ে থাকি। যানজট হলে সড়কবিশেষজ্ঞ, জলাবদ্ধতা হলে প্রকৌশলী, আবাসনসংকট হলে স্থপতি ও পরিকল্পনাবিদ, দূষণ হলে পরিবেশবিশেষজ্ঞ। প্রত্যেকে নিজের ক্ষেত্রের মধ্যে সমাধান খোঁজেন।</p><p>এসব বিশেষজ্ঞ জ্ঞান অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সমস্যা হলো, শহরকে আমরা আলাদা আলাদা সমস্যার সমষ্টি হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। অথচ শহর একটি সম্পর্কের জগৎ। মানুষ, প্রকৃতি, অবকাঠামো, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও রাজনীতি পরস্পরকে প্রভাবিত করে। একটিকে অন্যটি থেকে বিচ্ছিন্ন করে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব নয়।</p><p>আমরা হকার উচ্ছেদ করে ফুটপাত পরিষ্কার করতে পারি। কিন্তু হকারদের জীবিকার প্রশ্নটি অমীমাংসিত থেকে যায়। আমরা একটি এলাকায় জলাবদ্ধতা কমাতে পানি অন্য এলাকায় ঠেলে দিই। আমাদের তৈরি নতুন পার্ক যদি নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জন্য কার্যত সংরক্ষিত থাকে, তাহলে সেটি কতটা সর্বজনীন? এই প্রতিটি সমস্যার পেছনে অভিন্ন প্রশ্ন হলো: শহর আমরা কার জন্য নির্মাণ করছি?</p><p>আমাদের শহরের ভবিষ্যৎ তাই কেবল আরেকটি মহাপরিকল্পনা, নতুন আইন বা উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর নির্ভর করবে না। নির্ভর করবে আমরা শহর সম্পর্কে কতটা নতুনভাবে চিন্তা করতে পারি, তার ওপর। নতুন চিন্তার জন্য প্রয়োজন শহরকে কেবল প্রশাসনিক সীমানা বা উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে না দেখে একটি সম্মিলিত জীবনব্যবস্থা হিসেবে কল্পনা করা দরকার; যেখানে ধনী-দরিদ্র, আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক শ্রমজীবী, নারী-শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী মানুষ—সবাই নগরজীবনের সমান গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যেখানে নদী, জলাভূমি, গাছপালা ও অন্যান্য প্রাণের অস্তিত্বও পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। এ ক্ষেত্রে সরকার নাগরিক সমাজ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, স্থপতি, পরিকল্পনাবিদ, পরিবেশবিদ, অর্থনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী, শিল্পী, উদ্যোক্তা—সবারই ভূমিকা আছে। আমাদের পেশাগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমারেখাগুলো অতিক্রম করতে হবে। শুধু স্থপতিরা স্থপতিদের সঙ্গে, পরিকল্পনাবিদেরা পরিকল্পনাবিদদের সঙ্গে কিংবা পরিবেশবিদেরা পরিবেশবিদদের সঙ্গে কথা বললে চলবে না। যাঁদের জীবনকে কেন্দ্র করে শহরের পরিকল্পনা, সেই সাধারণ মানুষদেরও এই আলোচনার সক্রিয় অংশীদার করতে হবে।</p><p>আমাদের নগর-ইতিহাসে উত্তরাধিকার হিসেবে যে বিচ্ছিন্নতা ও বৈষম্য এসেছে, তা অনিবার্য ভবিষ্যৎ নয়। আমরা চাইলে অন্যভাবে শহর গড়ার চিন্তা করতে পারি। কিন্তু তার জন্য স্বীকার করতে হবে যে শহর সবার। এটি কোনো অনুগ্রহের বিষয় নয়, বরং নগরজীবনের মৌলিক নৈতিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি। আমাদের শহরগুলোর সবচেয়ে বড় সংকট এই যে আমরা এখনো যথেষ্ট গভীরভাবে কল্পনাই করতে পারিনি, একটি শহর সত্যিকার অর্থে সবার হলে সেটি কেমন হতে পারে।</p><p>সেই কল্পনা করার সম্মিলিত সক্ষমতাই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের শহরগুলোর ভবিষ্যৎ।</p> <p>* <strong>তানজিল শফিক:</strong> নগর–গবেষক; শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অব শেফিল্ড, যুক্তরাজ্য</p>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/mzajistret-cheler-pechne-ek-mayer-nisbd-lrai</figure>
দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন আরও সহজ ও দ্রুত করতে ‘মুক্ত পে’ নামের ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে বাংলালিংক।
<p>আমার কাছের কলিগ, ছোট ভাই নোয়েল। বাবা ওর নাম রাখতে চেয়েছিল নোবেল আর মা কোয়েল। এই নিয়ে বাধে দুজনের তীব্র ঝগড়া। এরপর মায়ের শান্তি প্রস্তাব, দুজনের কথাই থাক, নোবেলের ‘নো’ আর কোয়েলের ‘য়েল’, একসাথে নোয়েল।</p><p>গল্পটা প্রথমবার শুনে আমি উচ্চস্বরে হেসেছিলাম। নোয়েল খুব মজা করে গল্প বলতে পারে, সব সময় হাসিখুশি থাকে। তাই আজ ওর মনটা বিষণ্ন দেখে এগিয়ে গেলাম। চোখের নিচে কালি পড়েছে, বারবার দীর্ঘশ্বাস ফেলছে। </p><p>‘কী হয়েছে, নোয়েল?’</p><p>নোয়েল মাথা তুলে বলল, ‘ভাই, পায়েলের সাথে আমার বিয়েটা ভেঙে গেছে।’</p><p>‘আরে বলো কী? কেন? তোমাদের এত দিনের প্রেম…’</p><p>‘আমাদের বাড়ি মোহাম্মদপুরে, তাই।’</p><p>‘মানে?’</p><p>‘পায়েলের পরিবার এই শুক্রবার এসেছিল আমাদের বাসায়। বিয়ের দিন–তারিখও ঠিক হয়েছিল। কিন্তু তারা ফেরার পথে ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে। আইফোন, টাকা, গহনা সব তো গেছেই। পায়েলের বাবার স্যান্ডো গেঞ্জিটা পর্যন্ত ছিনতাইকারী রেখে দিয়েছে।’</p><p>‘কিন্তু এতে তোমার দোষ কোথায়?’</p><p>‘পায়েলের মা–বাবা বলছে, মোহাম্মদপুরে মেয়ের বিয়ে দেবে না।’</p><aside><cite></cite>‘এই সব কী কন? আরেকটু হলে তো নিউমার্কেটের বদলে গোরস্তানে নামিয়ে দিতেন।’</aside><p>‘আরে অন্য এলাকায় বাসা নাও।’</p><p>‘ভাই, অনেকভাবেই বোঝানোর চেষ্টা করছি। দেখি, কী হয়। দোয়া করবেন।’</p><p>সারা দিন নোয়েলকে একের পর এক বুদ্ধি দিতে লাগলাম, যাতে বিয়েটা জোড়া লাগে।</p><p>বসকে বলে একটু আগেভাগেই অফিস থেকে বেরিয়ে পড়লাম। কারণ, আজকে সোনিয়ার সাথে নিউমার্কেটে যাওয়ার কথা। একটা অ্যাপে চালিত বাইকে চড়ে বসলাম। কিন্তু বাইকার উল্টাপাল্টা বাইক চালাচ্ছে, ব্রেক করতে খুব কষ্ট হচ্ছে। একটু পর রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটা রেঞ্জ রোভারে সজোর ধাক্কা দিল বাইক। ভাগ্যিস গাড়িতে কেউ ছিল না। রাস্তায় লুটিয়ে পড়লাম। কনুই আর হাঁটুর ছাল উঠে গেল আমার। তবু দ্রুত উঠে দাঁড়ালাম। কারণ, নিউমার্কেটে পৌঁছাতে দেরি হলে পিঠের ছালও আর থাকবে না।</p><p>বাইকারকে বললাম, ‘কী রে ভাই, বাইকের ব্রেক নাই?’</p><p>বাইকার মাথা চুলকে বলল, ‘সকাল থেকে ব্রেক কাজ করছে না। ভাবছিলাম, আপনাকে নামিয়ে দিয়ে ব্রেক ঠিক করতে যাব।’</p><p>‘এই সব কী কন? আরেকটু হলে তো নিউমার্কেটের বদলে গোরস্তানে নামিয়ে দিতেন।’</p><p>খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে একটা সিএনজিতে উঠলাম।</p><p>নিউমার্কেটে পৌঁছে দেখলাম, সোনিয়া আমার অপেক্ষায় না থেকে কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছে।</p><p>হঠাৎ পুরো মার্কেট ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে গেল, সেই সঙ্গে বিকট শব্দ। আতঙ্ক আমাকে পেয়ে বসল। কিচ্ছু দেখতে পাচ্ছি না। এত লোকের ভিড়ে সোনিয়াকেও হারিয়ে ফেলেছি। আমি বললাম, ‘সোনিয়া, সোনিয়া, আগুন আগুন।’ ভাগ্য ভালো সোনিয়াকে ধোঁয়ার মধ্যেই পেয়ে গেলাম। দ্রুত ওর হাত ধরে দৌড় দিলাম। যেভাবে হোক, আমাদের বাঁচতে হবে। সোনিয়া চিৎকার করে কী যেন বলছে, হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু আমি কিছুতেই ওকে ছাড়ছি না। ওর হাত শক্ত করে ধরে দৌড়েই যাচ্ছি। মিনিট তিনেক পর ধোঁয়া কমে এল, নিরাপদ জায়গা দেখে থামলাম।</p><p>হঠাৎ সোনিয়া বলল, ‘আগুন কই পেলেন? এটা তো মশার ওষুধ।’</p><p>গলাটা কেমন অন্য রকম লাগছে, ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম, আমি অচেনা একটা মেয়ের হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছি।</p><p>হাত ছেড়ে দিয়ে চমকে বললাম, ‘স৵রি, আমি ভেবেছি আমার বউ।’</p><p>মেয়েটা কিছু বলতে যাচ্ছিল। এমন সময় সোনিয়া এসে হাজির, অনেক স৵রিটরি বলে মেয়েটাকে ম্যানেজ করল।</p><p>সোনিয়া ঝাঁজালো গলায় বলল, ‘তুমি নিজের বউকেও চেনো না! তোমার সাথে সংসার করব না আমি।’</p><p>এই বলে হাঁটা দিল উল্টো দিকে।</p><p>আমি নোয়েলকে ফোন দিলাম, ‘নোয়েল, আমারও বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে। দোয়া কোরো।’</p><p>‘কী বলেন! আপনার হয়ে যাওয়া বিয়ে কীভাবে ভেঙে যাচ্ছে?’</p><p>‘বউ চিনতে ভুল করেছি।’</p><p>ফোন রেখে আমি সোনিয়ার পেছনে ছুটলাম। আজকে আমার খবর আছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/4i2mb1vqgy">চড়া দামের আপেল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/nay9oz11de">স্যরি!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3y37khdj9g">আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3fbuod5lle">উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/m9eme7ddwo">বেরেক কাম করে না!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hik3yizsq8">সিনেপ্লেক্সে একদিন </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/wio8c5i398">আরও যা যা ফাঁস হতে পারে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tnsdadk1at">সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া </a></aside>
<p>ভোর হলেই শুরু হয় কুমারদের কর্মযজ্ঞ। মাটির টব তৈরি করে জীবিকা বদলে ফেলেছেন রংপুরের পালপাড়ার শতাধিক পরিবার। সারা বছরই নার্সারির জন্য টব তৈরিতে ব্যস্ত থাকেন তাঁরা। রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের পালপাড়ায় টব তৈরির কর্মযজ্ঞ নিয়ে ছবির গল্প</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/xp6wrako/2.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>বিশেষ যন্ত্রে মাটির মিশ্রণ তৈরি করছেন </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/stw19abm/3.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>অনেকে হাতেও মাটির মিশ্রণ তৈরি করেন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/uj8bs4to/4.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>ছাঁচে মাটি দিয়ে টব তৈরি করছেন এক নারী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/scniqgnb/6.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>তৈরি টব শুকাতে দেওয়া হয়েছে রোদে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/kuijtrif/7.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>পোড়ানোর জন্য চুল্লিতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে শুকনা টব </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/5nzh4a15/8.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>চুল্লিতে পোড়ানো হচ্ছে টব </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/m54hi836/9.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>পোড়ানোর পর টবের রং হয়েছে লালচে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/lhy4o2uu/10.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে পোড়ানো টব </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/15zf9wd5/11.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption>মাটির টব হাতে এক কুমার </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/u5wpgur6/12.-Rangpurhundred-familiespotters-colony-Palpara05112026.jpeg"><figcaption> রিকশাভ্যানে করে নার্সারিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মাটির টব</figcaption></figure>
সেনেট ও হাউস দু্ই জায়গাতেই ডেমোক্র্যাট দল বিজয়ী হয়েছে, তাই ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের জন্য কংগ্রেসের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধই ছিল তাদের দলের পরাজয়ের প্রধান কারণ, রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা লিখেছেন।
পহেলা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের সদস্যরা, যদিও মজুরি কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবার ওই দুই বিষয়ের ওপর পরীক্ষা হবে।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার পাতাজুড়ে পোশাকখাতের শ্রমিকদের আন্দোলন, ডিসেম্বর থেকে তাদের নতুন মজুরি কার্যকরের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের হোঁচট খাওয়ার খবর গুরুত্ব পেয়েছে।
পুলিশ বলছে, 'অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি' এড়াতে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজীব ঘোষকে গাড়ীতে ওঠানোর সময় উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশন চ্যানেলটির এমন কয়েকজন সংবাদকর্মী বলেছেন, অফিসের ভেতরে কোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাদের চোখে পড়েনি।
ন্যুনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। অন্যদিকে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মাঝে নবগঠিত মজুরি বোর্ড বুধবার জানিয়েছে, পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
ডোনাল্প ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে, ব্যালটে তার নাম থাকলে রিপাবলিকানরা "বিপুল ভোটে" জয়ী হতো।
পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে কী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে বিষয়ে নির্দেশ জারি করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই আবহেই তড়িঘড়ি জারি করা হয়েছে এই নির্দেশাবলী।
রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে ডেমোক্র্যাটরা একের পর এক জয় তুলে নেওয়ায় আলিঙ্গন, উল্লাস ও হাসির ঢেউ বয়ে যাচ্ছে।
চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিতে যাচ্ছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই এবারের আসরে নিজেদের যাত্রা শুরু করবে ভুটান।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। দিনব্যাপী এ সফরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধন করবেন।
মাদারীপুরের রাজৈরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী সুজন মুন্সীকে আটক করেছে পুলিশ।
ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজকে বলা হয় বেহেশতের চাবি, কেননা বান্দার নামাজ যথাযথ হলে তার বেহেশতে যাওয়ার পথ সহজ হয়ে যায়। কোরআনের অনেক জায়গায় নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নামাজের আদেশ করা হয়েছিল পূর্ববর্তী নবী-রাসুলদেরও।
একটি মাঝারি শসা থেকে প্রায় ৪১ শতাংশ দৈনিক চাহিদার সমপরিমাণ ভিটামিন কে পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম। কিন্তু শসার খোসা ফেলে দিয়ে শসা খাওয়া মানে এর সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশটিই ফেলে দেওয়া। খোসা ছাড়িয়ে নিলে শসার ভেতরে কেবল পানি ছাড়া তেমন কোনো খাদ্যআঁশ বা পুষ্টি উপাদান অবশিষ্ট থাকে না।
রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য মহেশখালীতে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা পর্যন্ত সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯ মিলিয়ন ঘনফুটে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ৪৯১ মিলিয়ন ঘনফুট কম।
কক্সবাজারের টেকনাফে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চারজনকে অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে যাওয়ার পর দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।