শসার খোসা ফেলে দিয়ে হারাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ

একটি মাঝারি শসা থেকে প্রায় ৪১ শতাংশ দৈনিক চাহিদার সমপরিমাণ ভিটামিন কে পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম। কিন্তু শসার খোসা ফেলে দিয়ে শসা খাওয়া মানে এর সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশটিই ফেলে দেওয়া। খোসা ছাড়িয়ে নিলে শসার ভেতরে কেবল পানি ছাড়া তেমন কোনো খাদ্যআঁশ বা পুষ্টি উপাদান অবশিষ্ট থাকে না। 

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

মাদারীপুরের রাজৈরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী সুজন মুন্সীকে আটক করেছে পুলিশ।

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন আজ

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। দিনব্যাপী এ সফরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং খুলনায় ‘নতুন...

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন আজ
হামজাহীন বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে চোখ ভুটানের

ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই এবারের আসরে নিজেদের যাত্রা শুরু করবে ভুটান।

হামজাহীন বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে চোখ ভুটানের
চট্টগ্রামে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে জাইকা

চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিতে যাচ্ছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

চট্টগ্রামে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে জাইকা
পত্রিকা: 'আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার পাতাজুড়ে পোশাকখাতের শ্রমিকদের আন্দোলন, ডিসেম্বর থেকে তাদের নতুন মজুরি কার্যকরের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের হোঁচট...

পত্রিকা: 'আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে'
ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয়দের হামলা, আহত ৩, গ্রেপ্তার ৯

গত সোমবার চোরাচালানের সন্দেহে বিএসএফ সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তিকে আটক করে নির্যাতন করেন। নির্দিষ্ট কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মারধরের ফলে ওই ব্যক্তির পায়ের হাড় ভেঙে যায় এবং ত...

ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয়দের হামলা, আহত ৩, গ্রেপ্তার ৯

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

চরের মরিচখেতে কৃষকের ব্যস্ততা
চরের মরিচখেতে কৃষকের ব্যস্ততা

<p>ফলন ভালো হওয়ায় বগুড়ার চরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে আগাম উচ্চফলনশীল হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষের আগ্রহ বেড়েছে। তাই মরিচখেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁরা। কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন, কেউ আবার নষ্ট হয়ে যাওয়া গাছ তুলেছেন। বিস্তীর্ণ চরজুড়ে এখন চোখে পড়ে শুধু মরিচের খেত। সম্প্রতি বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার খাটিয়ামারী চরাঞ্চলের মরিচখেতে কৃষকদের কর্মব্যস্ততার এমন কিছু দৃশ্য নিয়ে এই ছবির গল্প।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/9axinxs6/1.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>উচ্চফলনশীল হাইব্রিড জাতের মরিচখেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকেরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/stdktnsw/2.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>চরজুড়ে বেড়ে উঠছে মরিচগাছ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/aznm8uc5/3.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>মরিচখেতের পরিচর্যা করছেন কৃষক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/s3ntogct/4.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>মরিচখেত থেকে পরিষ্কার করা আগাছা বস্তায় ভরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/gy0w6xgd/5.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>নিড়ানি দিয়ে মরিচখেতের আগাছা পরিষ্কার করছেন কৃষক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/acrgwv17/6.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>যত দূর চোখ যায়, বিস্তীর্ণ চরজুড়ে মরিচের খেত</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/muthyy77/7.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>মরিচখেতের আগাছা বস্তায় ভরে নিয়ে যাচ্ছেন এক কৃষক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/gxd1cb6p/8.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>মরিচখেতের পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/gfmmp3sx/9.-Bograchillies-from-the-river-islands-charsfarmers05112026.jpg"><figcaption>নষ্ট হয়ে যাওয়া মরিচের চারা তুলে নতুন চারা রোপণ করছেন এক কৃষক</figcaption></figure>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কীভাবে
রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কীভাবে

মানুষের জীবন থেকে রাগ পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। আনন্দ, দুঃখ ও ভয় যেমন মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি, রাগও তেমন। সঠিকভাবে বুঝতে পারলে এই আবেগ আমাদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
পলিটিক্যাল ব্রেকআপ ও বর্তমান বাংলাদেশ
পলিটিক্যাল ব্রেকআপ ও বর্তমান বাংলাদেশ

<p>‘পলিটিক্যাল ব্রেকআপ’ শব্দবন্ধটিকে বাংলায় ‘রাজনৈতিক বিচ্ছেদ’ বলা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, আরভাইনের ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত একটি জরিপে যুক্তরাষ্ট্রে পলিটিক্যাল ব্রেকআপের বিস্তৃতি, কারণ ও প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক পিটার ডিট্টো এবং তাঁর এক পিএইচডি গবেষক। সহজ ভাষায়, রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে কোনো বন্ধু, পরিবারের সদস্য, রোমান্টিক সঙ্গী বা সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়া বোঝাতে তাঁরা এই ‘পলিটিক্যাল ব্রেকআপ’ শব্দবন্ধটি প্রবর্তন করেছেন। প্রায় ৩ হাজার ৮০০ অংশগ্রহণকারীর তথ্যের ভিত্তিতে তাঁরা দেখেছেন, রাজনৈতিক মতের অমিলের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক হারিয়েছেন।</p><p>একইভাবে বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক ঘটনাবলির প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া আমাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত ও পরিবর্তিত করছে, তা আলোচনার দাবি রাখে। আমরা আমাদের যাপিত জীবন থেকেই দেখতে পাচ্ছি, রাজনৈতিক মতভেদের কারণে সামাজিক সম্পর্ক ও পারিবারিক বন্ধুত্ব নষ্ট হওয়া এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে গঠনমূলক রাজনৈতিক আলোচনার পরিসরও ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসছে। সামগ্রিকভাবেই এটা দেশের সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার জন্য হুমকিস্বরূপ।</p><p>বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভাজনের ইতিহাসের দিকে তাকালে একদম শুরুতে চলে যেতে হয়। দেখা যায়, স্বাধীনতা ও নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অখণ্ড পাকিস্তান রক্ষার নামে একটি গোষ্ঠী কেবল এর বিরোধিতায় সক্রিয় হয়ে ওঠেনি, বরং রীতিমতো গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধেও লিপ্ত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক উত্থান-পতনের প্রক্রিয়া মুক্তিযুদ্ধের সেই পক্ষ-বিপক্ষকে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের উৎসে পরিণত করে। ফলে এই বিরোধী গোষ্ঠীর প্রতি একাত্তর সালে জনসমর্থন যত সামান্যই হোক না কেন, স্বাধীনতার পঞ্চান্ন বছর পর সেই বিভাজন ও বিভক্তি একটু একটু করে বড় আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি সে সময়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী দল ও শক্তি এবং প্রবাসী সরকারের ভেতরে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যেও রাজনৈতিক ও মতাদর্শিক বিরোধ ও বিভক্তি ছিল, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বাংলাদেশের রাজনীতিতে পড়েছিল।</p><p>স্বাধীনতা-উত্তর সরকারের নানামুখী সিদ্ধান্ত, রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্ভিক্ষ, বাকশাল গঠন, শেখ মুজিব হত্যা, চার নেতা হত্যা, জিয়াউর রহমান হত্যা, জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসন—এসব ঘটনা যেমন রাজনীতিতে বাঁক এনেছে, তেমনি জন্ম দিয়েছে নানামুখী বিভাজনের।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/q64nytvi/Untitled-1.jpg"></figure><p>আবার বিভিন্ন সময় আন্দোলনের প্রয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলো যেমন জোটভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, সময়ের পরিক্রমায় নিজেদের পথ আবার আলাদাও করে ফেলেছে। যেমন নব্বইয়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী জোট এবং বাম দলগুলো যুগপৎ আন্দোলন করে এরশাদের স্বৈরশাসনের সমাপ্তি ঘটিয়েছিল। একানব্বইতে জামায়াতের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করলেও পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামী যুগপৎ সরকার পতন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলন শুরু করে। ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সরকার গঠনে সাহায্য করে, অংশ নেয়।</p><p>এরপর বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট আওয়ামী লীগকে পরাজিত করে ক্ষমতায় যায়। আওয়ামী লীগ আবার জোট সরকার পতনের আন্দোলন জোরদার করে। প্রবল রাজনৈতিক সহিংসতার মুখে ২০০৭-২০০৮ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। ২০০৮ সালের শেষে নির্বাচনে বিজয়ের পর আওয়ামী লীগ একনাগাড়ে প্রায় ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকে। এই দীর্ঘ সময়ের উত্থান-পতনের রাজনীতির প্রভাবে ছাত্র, শ্রমিকসহ সব গণসংগঠন ও বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণির মধ্যে রাজনৈতিক বিভক্তি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। শুধু সংগঠন নয়, ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে এবং পরিবারের মধ্যেও রাজনৈতিক বিচ্ছেদ ঘটতে থাকে।</p><p>২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপি-জামায়াতের প্রায় ৩৫ বছরের জোট ভেঙে যায়। বর্তমানে তারা সরকার ও বিরোধী দল হিসেবে মুখোমুখি অবস্থানে আছে। জনমনে প্রশ্ন থেকেই যায়, রাজনৈতিক প্রয়োজনে আবার কখনো বিএনপি-জামায়াতকে একসঙ্গে দেখা যাবে কি না। তবে সে সম্ভাবনা এখন দেখা না গেলেও উভয় দলের নেতৃত্বই উভয় দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যুক্ত হয়ে পড়ার অভিযোগ তুলছে এখন।</p><p>আমাদের আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, দেশ পরিচালনা কিংবা সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে দলগুলো যেখানে নিজেদের রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টাতে দ্বিধা করে না, সেখানে দলের নেতা-কর্মী না হয়েও নিছক সমর্থনকারী হয়ে আমরা সাধারণ মানুষেরা অনেক সময় নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক বারবার নষ্ট করে ফেলি। কিন্তু কেন এ রকম হয়?</p><p>এটা কি শুধুই দলের প্রতি স্বার্থহীন ভালোবাসা, নাকি রাজনৈতিক সমর্থনের আড়ালে নানা সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির ট্রাম্পকার্ড? কেননা সরকারি দলের সমর্থক ও পেশাজীবীরা প্রায় সব সুযোগ-সুবিধা পাবে এবং বিগত সরকারের সমর্থকেরা জেলে বন্দী হয়ে থাকবে—এ যেন এক অলিখিত বিধানে পরিণত হয়েছে। ‘আমরা’ বনাম ‘তারা’ সমীকরণ সূত্রে শুধু নিজেদের দলই ভারী করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/kkgis2ju/20260804-SH0067.jpg"><figcaption>জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে একসঙ্গে আন্দোলনে ছিল ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির। তবে সাম্প্রতিককালে তাদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত ৪ আগস্ট পুরান ঢাকার বকশীবাজারে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার সামনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ</figcaption></figure><p>অর্থাৎ শর্তহীন আনুগত্য ও অপর পক্ষকে তীব্র ঘৃণা করতে পারার যোগ্যতা থাকলেই ক্ষমতাসীনদের বিশ্বস্ত হওয়ার সার্টিফিকেট যেমন পাওয়া যায়, তেমনি নানা আর্থিক ও সামাজিক আনুকূল্যও নিশ্চিত করা যায়। এমনকি অনেক বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বও তাঁদের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা করেন নির্দিষ্ট দলকে মাথায় রেখে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক নিজেদের অস্তিত্ব গুলিয়ে ফেলেন সাদা, নীল আর গোলাপি রঙের আতিশয্যে। দলপ্রীতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে বন্ধু, সহকর্মী কিংবা আত্মীয়ের সম্পর্ক শেষ হয়ে যাচ্ছে।</p><p>উল্লেখ্য, যেকোনো একটি রাজনৈতিক আদর্শের অনুসারী বা সমর্থক হওয়া স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। কিন্তু নির্মোহ বিচার-বিশ্লেষণ যদি দলীয় পছন্দ-অপছন্দের চাদরে ঢাকা পড়ে যায় বা রাজনৈতিক মতাদর্শ যদি বস্তুনিষ্ঠভাবে চিন্তা করতে বাধা দেয়, তাহলে আত্মজিজ্ঞাসা জরুরি হয়ে পড়ে। প্রখ্যাত মার্কিন অনুসন্ধানী সাংবাদিক লরেন্স লিফশুলৎস তাঁর বাংলাদেশ: অ্যান আনফিনিশড রেভোল্যুশন বইয়ে (১৯৭৯) লিখেছেন, ‘আমি বস্তুনিষ্ঠতা এবং নিরপেক্ষতার মধ্যে একটি পার্থক্য করে থাকি, যে পার্থক্যটি অনেকের কাছে স্পষ্ট না–ও হতে পারে। বস্তুনিষ্ঠতার ক্ষেত্রে কোনো আপস বা শর্ত থাকতে পারে না, ঠিক যেমন নির্ভুল অনুসন্ধানের ক্ষেত্রেও কোনো আপস চলে না; তবে আমি এটাও স্বীকার করি যে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ থাকার কোনো অবকাশ নেই...কারণ, যখন গোপন বিচার এবং গোপন মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মতো বিষয় সামনে আসে, তখন আমার পক্ষে “নিরপেক্ষ” থাকা সম্ভব হয় না, যে কেউ এসব অপরাধ করে থাকুন না কেন, আমি তার নিন্দা জানাই।’</p><p>লিফশুলৎসের কথাটিকে যদি বাংলাদেশের সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা হয়, তাহলে সমাজের বুদ্ধিজীবী বা সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, যেমন সাংবাদিক, শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী ও অন্যদের কি নিজের সমর্থিত দলের অপকর্মের সমালোচনা করতে দেখি?</p><p>জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের ১৯৭১ সালের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দলের সম্পৃক্ততা নিয়ে সমালোচনা করতে দেখা যায় না; উল্টো ২০২৬ সালে এসেও তাদের বলতে শোনা যায়, ‘উই আর গোলাম আযম’! একইভাবে বিএনপি–সংশ্লিষ্ট বুদ্ধিজীবী বা সমর্থকদের ‘অপারেশন ক্লিনহার্ট’-এর সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সরব হতে দেখা যায় না। আওয়ামী লীগের সমর্থক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ২০২৪ সালের সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের দায় নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় না।</p><p>আবার কোনো নির্দিষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য যখন বিচার চাওয়া হয়, তখন সেটা নিয়েও ‘রাজনীতি’ করা হয়। যিনি ২০১০ কিংবা ২০১২ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চেয়েছেন, তিনি যেন কোনোভাবেই চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে নিহত হওয়া শিশু-কিশোর-যুবকদের জন্য বিচার চাইতে পারবেন না! বিষয়টি এতটাই বিপরীতমুখী হিসেবে দেখা হয় যেন একটি অপরাধের জন্য বিচার চাইলে আরেকটির জন্য বিচার চাওয়া যায় না! আর যদি ‘ভুল করে’ সব আমলে সংঘটিত অপরাধের বিচার আপনি চেয়েই ফেলেন, তবে নিশ্চিতভাবেই সবার শত্রুতে পরিণত হবেন।</p><blockquote>রাজনৈতিক মতভেদের কারণে সামাজিক সম্পর্ক ও পারিবারিক বন্ধুত্ব নষ্ট হওয়া এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে গঠনমূলক রাজনৈতিক আলোচনার পরিসরও ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসছে</blockquote><p>কোনো নির্দিষ্ট দলের শাসনামলের সমালোচনা করার কারণেই যদি সেই দলের কাছে চিরদিনের জন্য টার্গেট হতে হয়, তবে সুস্থ আলোচনা-সমালোচনার পরিবেশ গড়ে ওঠার কোনো সুযোগ থাকে না। বাংলাদেশ এখন ঠিক এমনই এক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পলিটিক্যাল ব্রেকআপ বা রাজনৈতিক বিচ্ছেদের এমন উপযুক্ত উদাহরণ বোধ হয় আর কোথাও পাওয়া যাবে না।</p><p>ওপরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলেছি, কিন্তু কেবল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নয়, জনপ্রশাসন, আদালত বা গণমাধ্যম—যেকোনো পেশার দিকে তাকালে একই চিত্র দেখা যাবে। সেখানে নিজ কর্মগুণের চেয়ে দলীয় রঙের ভিত্তিতে ব্যক্তিকে শ্রেণিভুক্ত করা হয়, এবং সে অনুযায়ী তাঁকে অগ্রাধিকার কিংবা উপেক্ষা করা হয়। সুবিধা পাওয়ার আশায় সাধারণ মানুষ হয় প্রকাশ্যে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় বহন করে, নয়তো বৈষম্যের আশঙ্কায় মিথ্যা রাজনৈতিক পরিচয় ধারণ করে বা চুপ থাকাটাকেই শ্রেয় মনে করে।</p><p>লেখার শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে পলিটিক্যাল ব্রেকআপ নিয়ে যে জরিপটির কথা উল্লেখ করেছি, বাংলাদেশেও তেমন একটি জরিপের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়। বিশেষত এটা জানা দরকার, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর ঠিক কত শতাংশ মানুষ রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে বন্ধু, আত্মীয় বা সহকর্মীর সঙ্গে রাজনৈতিক বিচ্ছেদের দুঃখজনক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন এবং সমাজেই-বা এর কী <br>প্রভাব পড়েছে।</p><p>বর্তমান বাংলাদেশের একটি প্রকৃত প্রতিচ্ছবি বোঝার জন্য এটা জরুরি এবং এর ভিত্তিতে আমাদের সামাজিক জীবনের বিদ্যমান বিভাজনের মাত্রা কমানোর পথ সন্ধান করতে পারি। খুঁজতে পারি, কীভাবে দলমতের ঊর্ধ্বে গিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা চালিয়ে যাওয়ার সাহস করা যায়। রাজনৈতিক ময়দানের আলাপ চায়ের কাপে ঝড় তুলুক, গণতান্ত্রিক চর্চাকে উজ্জীবিত করুক, কিন্তু পরস্পরের মনের দরজায় আঘাত না করুক—এটুকু প্রত্যাশা থাকল!</p> <p>* <strong>উম্মে ওয়ারা</strong>, সহযোগী অধ্যাপক, ক্রিমিনোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
বিশ্বাসঘাতক কয়েল ও বড় ভাই মশা
বিশ্বাসঘাতক কয়েল ও বড় ভাই মশা

<p>এই যে দেখুন, দুনিয়ায় বিশ্বাসের স্তম্ভগুলা আস্তে আস্তে কেমনে ধসে পড়ে, তার একটা তাজা উদাহরণ দিই।</p><p>ছোটবেলা থেকে আব্বা-আম্মা শিখাইছে, ‘সত্য কথা বলবা, বড়দের মানবা, আর মশারির ভেতরে শুইবা।’ কিন্তু আমরা বাঙালিরা কি আর মশারি টাঙানোর খাটুনি খাইতে চাই? আমাদের ভরসা ছিল একটা সবুজ রঙের গোল চাকা—মশার কয়েল।</p><p>আমাদের কাছে মশার কয়েল ছিল এক অলৌকিক অস্ত্র। প্যাকেট খোলার সঙ্গে সঙ্গে ভাবতাম, ‘আজকে মশার বংশ নিপাত হবে!’ কয়েলে আগুন ধরায়া ধোঁয়া ছাড়তাম, আর মনে মনে একটা জেমস বন্ড মার্কা হাসি দিয়া বলতাম, ‘খেলা শুরু, বেটা মশার দল!’</p><p>কিন্তু আমার বিশ্বাসের ভিতটা ভূমিকম্পের মতো কেঁপে উঠল গত মঙ্গলবার রাতে।</p><p>ঘটনাটি যেভাবে ঘটল...</p><p>তখন বাজে রাত ১২টা। ঘরে লোডশেডিং। অন্ধকারের মধ্যে আমি রোমান্টিক মুডে না গিয়া মশার সঙ্গে থার্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার লড়তেছি। এক হাতে ইলেকট্রিক ব্যাট, অন্য হাতে কয়েল আর দেশলাই।</p><p>কয়েলটা স্ট্যান্ডের ওপর বসায়ে সযত্নে আগুন জ্বালালাম। ধোঁয়া উঠতেছে ভুর ভুর করে। ঘরের পরিবেশ এখন একদম পাহাড়ের কুয়াশার মতো বিষাক্ত ও সুন্দর। আমি ভাবলাম, মশার দল এখন ধোঁয়ায় কাশি তুলতে তুলতে আকুল হয়ে পালাইবে, না হয় বিষক্রিয়ায় স্ট্রোক করবে।</p><p>আমি শান্তিমতো হাত-পা ছড়িয়ে খাটে শুইলাম। মনে অপার শান্তি।</p><aside><cite></cite>কী রে ভাই? এগুলা কী জ্বালাস? শীতকালে একটু গরম সেঁকার জায়গা পাচ্ছিলাম না, থ্যাংকস কয়েলটা জ্বালানোর জন্য! আর একটু ধোঁয়া দে, বগলটা একটু ঘাইমা গেছে, শুকায়া নেই।</aside><p>কিন্তু ঠিক পাঁচ মিনিটের মাথায় একটু খসখস শব্দ শুনলাম। কয়েলের দিকে তাকিয়ে যা দেখলাম... ভাই রে ভাই, আমার চোখ কপালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আত্মাডা মনে হয় ক্ষণিকের জন্য বডি ছেড়ে চলে গেছিল!</p><p>একটা ধাড়ে-ধেড়ে গাম্বিয়া মার্কা মশা—সাইজে প্রায় কাকের বাচ্চার মতো—উড়ে এসে একবারে জ্বলন্ত কয়েলের আগায় গিয়া বসল!</p><p>হ্যাঁ, ভাই! আপনি ভুল শোনেন নাই!</p><p>যে কয়েলের ধোঁয়ায় মানুষের হাঁপানি উঠে যায়, সেই জ্বলন্ত কয়েলের লাল টকটকে ছাইয়ের ওপর মশাটা পরম শান্তিতে পা ছড়ায়ে বসল!</p><p>আমি চোখ ডলে আবার তাকালাম। নাহ, ভুল দেখি নাই। মশাটা কয়েলের ওপর বসে হাত-মুখ ধুচ্ছে! আমার মনে হইল মশাটা আমার দিকে তাকিয়ে একটা ব্যঙ্গাত্মক হাসি দিল। তার এক্সপ্রেশনটা ছিল অনেকটা এ রকম:</p><p>‘কী রে ভাই? এগুলা কী জ্বালাস? শীতকালে একটু গরম সেঁকার জায়গা পাচ্ছিলাম না, থ্যাংকস কয়েলটা জ্বালানোর জন্য! আর একটু ধোঁয়া দে, বগলটা একটু ঘাইমা গেছে, শুকায়া নেই!’</p><p>আমি স্তব্ধ! নিস্তব্ধ! হতবাক!</p><p>যে কয়েলকে আমি এত দিন ‘মশাবিনাশী পারমাণবিক অস্ত্র’ ভাবতাম, মশাটা সেটারেই বডি স্প্রে আর রুম হিটার বানায়া ফেলছে!</p><p>আমি আস্তে করে উঠে দাঁড়ালাম। মশাটার কাছে গেলাম। মশাটা কিন্তু পালাইল না। উল্টা কয়েলের ছাই থেকে একটু ধোঁয়া নিশ্বাসে টেনে নিয়ে একটা আড়মোড়া ভাঙল, যেন কক্সবাজারের বিচে সানবাথ নিচ্ছে!</p><p>আমার তখন মনে হইল:</p><p>প্রেমিকা ছ্যাঁকা দিলে: কষ্ট হয়, কিন্তু সহ্য করা যায়।</p><p>পরীক্ষায় ফেল করলে: কান্নাকাটি করে সামলে ওঠা যায়।</p><p>কিন্তু কয়েলের ওপর মশাকে বসে থাকতে দেখলে: জীবনের প্রতি সমস্ত বিশ্বাস, ভালোবাসা, আস্থা এক সেকেন্ডে কর্পূরের মতো উড়ে যায়!</p><p>ওই দিন রাতে আমি বুঝে গেলাম, ডারউইনের বিবর্তনবাদ একদম সত্য! আমাদের দেশের মশারা এখন আর সাধারণ মশা নাই, এরা স্পেশাল ফোর্স থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত ‘সুপার মশা’! কয়েলের ধোঁয়া এখন আর ওদের মারে না, উল্টা ওদের অ্যারোমাথেরাপি দেয়। এরা কয়েলের ধোঁয়া খেয়ে জিমে যায়, পুশআপ দেয়, আর রাতে এসে মানুষের রক্ত খায় হেলথ ড্রিংক হিসেবে!</p><p>আমি আস্তে করে কয়েলটা ফুঁ দিয়ে নিভায়া দিলাম। কয়েলকে স্যালুট জানিয়ে বললাম, ‘ভাই রে, তোর জীবন ব্যর্থ। তুই রিটায়ারমেন্টে যা।’</p><p>তারপর চুপচাপ উঠে গিয়ে পুরোনো, ফুটো হওয়া মশারিটা টাঙালাম। কারণ, এই নিষ্ঠুর দুনিয়ায় মশার কয়েল ধোঁকা দিতে পারে, কিন্তু তালি দেওয়া মশারির কাপড় কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না!</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/03knpkwgit">অনেক ভুলের হয় না ক্ষমা, বললে স্যরি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/6uwedlcbma">রসালো Billboard</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/2l03xca7h9">কাকালাপ</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/xuniyw60go">পাতি-নেতাদের নামতা</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l5kxbvr6xd">একটি প্রকল্পের আত্মকাহিনি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/nay9oz11de">স্যরি!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3y37khdj9g">আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3fbuod5lle">উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/m9eme7ddwo">বেরেক কাম করে না!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hik3yizsq8">সিনেপ্লেক্সে একদিন </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tnsdadk1at">সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/wio8c5i398">আরও যা যা ফাঁস হতে পারে</a></aside>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
বাবুল শেখের হাতে গড়ে উঠেছে মফসসলের সড়কে একের পর এক যাত্রীছাউনি
বাবুল শেখের হাতে গড়ে উঠেছে মফসসলের সড়কে একের পর এক যাত্রীছাউনি

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/httpsprothomalo-banglaquintypecomstoryb3d5bd96-9f19-4437-964c-9ea999658784</figure>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে আজ আদালতে যাবেন পরীমনি
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে আজ আদালতে যাবেন পরীমনি

<p>জামিন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আজ আদালতে যাবেন বলে জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় গতকাল তাঁর বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন আদালত। এরপর <em>প্রথম আলো</em>র সঙ্গে আলাপে পরীমনি বলেন, ‘কালকে যাব কোর্টে, যেহেতু পরোয়ানা জারি করে ফেলেছে।’</p> <p>দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া তাঁর কাজ ও পারিবারিক জীবনে চাপ তৈরি করছে বলে জানান এ অভিনেত্রী। পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন মামলায় আদালতে যাতায়াতের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথার একপর্যায়ে প্রশ্ন রাখেন, ‘এটা কি সারা জীবন চলবে?’</p> <p>গতকাল নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে পরীমনি আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর পক্ষে আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সময় চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে জানানো হয়, অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় অসুস্থ থাকায় আদালতে আসতে পারেননি পরীমনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/13yvr201wo">গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি: পরীমনি এখন কী করবেন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-04/isj2ua1m/porimoni2.jpg"><figcaption>চিত্রনায়িকা পরীমনি</figcaption></figure><p>আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁর জামিন বাতিল এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। পরীমনির আইনজীবী <em>প্রথম আলো</em>কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p><p>আদেশের পর আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতির কথা জানান পরীমনি। মামলা ও আদালতে নিয়মিত যাতায়াতের প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, ‘কাজের জায়গায় হচ্ছে, সংসারের জীবনে—সবকিছুর ওপরেই তো একটা চাপ।’ প্রচণ্ড হেনস্তার শিকার হচ্ছেন বলে জানালেন তিনি। </p><p>তদন্ত নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন পরীমনি। তাঁর অভিযোগ, ঠিকঠাকভাবে তদন্ত হচ্ছে না। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-10/3uod1b8b/Porimoni.avif"><figcaption>চিত্রনায়িকা পরীমনি</figcaption></figure><p>এ মামলায় পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের দিন আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়। পরদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিনি। শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। প্রায় পৌনে দুই বছর পর একই মামলায় আবারও পরোয়ানার মুখোমুখি হলেন এ অভিনেত্রী।</p><p>মামলাটির সূত্রপাত ২০২১ সালের জুনে ঢাকা বোট ক্লাবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ওই ঘটনায় পরীমনি প্রথমে নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ অন্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। পরের বছর পরীমনির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন নাসির।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-06/04315581-799a-43ea-8b3d-cdeb864892fd/KBRH3489.JPG"><figcaption>পরীমনি </figcaption></figure><p>নাসিরের অভিযোগ, বিনা মূল্যে মদের বোতল দিতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাঁকে গালমন্দ করেন এবং গ্লাস ও মুঠোফোন ছুড়ে মারেন। মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। অন্যদিকে একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরীমনির করা মামলাটিরও বিচার চলছে। ফলে একটি মামলায় তিনি বিচারপ্রার্থী, অন্যটিতে আসামি।</p> <p>নাসিরের মামলায় ২০২৪ সালের মার্চে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। প্রতিবেদনে পরীমনি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা বলা হয়। পরে আদালতের সমন পেয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন পরীমনি।</p><p>এর বাইরে ২০২১ সালের আগস্টে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। তিন দফায় রিমান্ডের পর জামিন পান তিনি। প্রায় এক মাস পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেও আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। নিজের করা বোট ক্লাব মামলায় সাক্ষ্য ও জেরা এবং অন্য মামলাগুলোর শুনানি মিলিয়ে আদালতে যাতায়াত অব্যাহত রয়েছে তাঁর।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/f156s1zwyv">কোটি ছাড়িয়ে পূর্ণিমা–পরীমনি, অপু–ফারিয়া ও মিমদের কার কত</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/ai3uc91b0b">‘আমাকে বিয়ে দিতে চান, না চান না’, মজা করে জানতে চাইলেন পরীমনি</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-09/oj2ka6pf/Pori-Moni.jpeg"><figcaption>ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে চিত্রনায়িকা পরীমনি</figcaption></figure><p>২০১৫ সালে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ মুক্তির মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পরীমনির। এরপর ‘মহুয়া সুন্দরী’, ‘স্বপ্নজাল’ ও ‘গুণিন’সহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক কাজের মধ্যে রয়েছে গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ওয়েব ফিল্ম ‘সেপারেশন’; এতে তাঁর সহশিল্পী ইমতিয়াজ বর্ষণ। গত অক্টোবরে জন্মদিন উপলক্ষে নতুন ছবি ‘ফারজানা’র ঘোষণাও দিয়েছেন পরীমনি। অভিনয়জীবনের নতুন কাজের খবরের পাশাপাশি আবারও আদালতে হাজির হওয়ার প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে তাঁকে।</p>

নভেম্বর ৫, ২০২৬
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর
সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রার্থী আবদুল আল–সাইদ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সিনেটে যাচ্ছেন তিনি।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়, কার লাভ কার ক্ষতি
সঞ্চয়পত্রের উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়, কার লাভ কার ক্ষতি

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা উৎসে কর চূড়ান্ত কর নয়। বছর শেষে বেশি কর কেটে রাখা হলে পাওনা টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। আবার বাড়তি কর হলে কর বিভাগকে বাকি টাকা দিতে হবে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটের দুটি আসনের ফল আসতে দেরি হতে পারে
যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটের দুটি আসনের ফল আসতে দেরি হতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটের দুটি আসনের ফল আসতে দেরি হবে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ হিসেবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রসঙ্গ আবার সামনে আনলেন ট্রাম্প। এদিকে সেনেটের দুটি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণে ফল আসতে দেরি হতে পারে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৫, ২০২৬
‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ,’ মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় হারের পর বললেন জেডি ভ্যান্স
‘আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ,’ মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় হারের পর বললেন জেডি ভ্যান্স

সেনেট ও হাউস দু্ই জায়গাতেই ডেমোক্র্যাট দল বিজয়ী হয়েছে, তাই ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের জন্য কংগ্রেসের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধই ছিল তাদের দলের পরাজয়ের প্রধান কারণ, রিপাবলিকানদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা লিখেছেন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের
তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের ঘোষণা বোর্ডের

পহেলা ডিসেম্বর থেকে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মজুরি বোর্ডের সদস্যরা, যদিও মজুরি কাঠামো এখনো নির্ধারিত হয়নি। অন্যদিকে আগামী পহেলা ডিসেম্বর থেকে এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের আবার ওই দুই বিষয়ের ওপর পরীক্ষা হবে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
পত্রিকা: 'আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে'
পত্রিকা: 'আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকার পাতাজুড়ে পোশাকখাতের শ্রমিকদের আন্দোলন, ডিসেম্বর থেকে তাদের নতুন মজুরি কার্যকরের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দলের হোঁচট খাওয়ার খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সাংবাদিক রাজীব ডিবি হেফাজতে, 'অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি'র দাবি পুলিশের
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও সাংবাদিক রাজীব ডিবি হেফাজতে, 'অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি'র দাবি পুলিশের

পুলিশ বলছে, 'অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি' এড়াতে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও রাজীব ঘোষকে গাড়ীতে ওঠানোর সময় উপস্থিত ছিলেন টেলিভিশন চ্যানেলটির এমন কয়েকজন সংবাদকর্মী বলেছেন, অফিসের ভেতরে কোনও ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাদের চোখে পড়েনি।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস
পঞ্চম দিনের মতো পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, নতুন মজুরি কার্যকরের আশ্বাস

ন্যুনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। অন্যদিকে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মাঝে নবগঠিত মজুরি বোর্ড বুধবার জানিয়েছে, পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল নিয়ে কী বললেন ট্রাম্প

ডোনাল্প ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন যে, ব্যালটে তার নাম থাকলে রিপাবলিকানরা "বিপুল ভোটে" জয়ী হতো।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?
পারমাণবিক হামলা ও তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কেন নাগরিকদের সতর্ক করল ইরান?

পারমাণবিক হামলার ক্ষেত্রে কী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে বিষয়ে নির্দেশ জারি করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই আবহেই তড়িঘড়ি জারি করা হয়েছে এই নির্দেশাবলী।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
শিল্পে অস্থিরতা ঠেকাতে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ রোধের আহ্বান শ্রমিক সংগঠনের
শিল্পে অস্থিরতা ঠেকাতে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ রোধের আহ্বান শ্রমিক সংগঠনের

গাজীপুরের পোশাকশিল্পে চলমান শ্রম অসন্তোষ ও অস্থিরতা নিরসনে শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানিয়েছে শ্রমিক মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
মার্কিন কংগ্রেসে ৮ মুসলিম, ইলহান ওমরের উচ্ছ্বাস
মার্কিন কংগ্রেসে ৮ মুসলিম, ইলহান ওমরের উচ্ছ্বাস

মার্কিন কংগ্রেসে আটজন মুসলিম আইনপ্রণেতার প্রবেশের মধ্য দিয়ে মুসলিম আমেরিকান রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক রচিত হয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
চট্টগ্রামে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে জাইকা
চট্টগ্রামে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১২০ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে জাইকা

চট্টগ্রাম নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য অনুদান দিতে যাচ্ছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
হামজাহীন বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে চোখ ভুটানের
হামজাহীন বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে চোখ ভুটানের

ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই এবারের আসরে নিজেদের যাত্রা শুরু করবে ভুটান।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন আজ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন আজ

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন। দিনব্যাপী এ সফরে তিনি মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং খুলনায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধন করবেন।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

মাদারীপুরের রাজৈরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী সুজন মুন্সীকে আটক করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি
আজকের নামাজের সময়সূচি

ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। নামাজকে বলা হয় বেহেশতের চাবি, কেননা বান্দার নামাজ যথাযথ হলে তার বেহেশতে যাওয়ার পথ সহজ হয়ে যায়। কোরআনের অনেক জায়গায় নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নামাজের আদেশ করা হয়েছিল পূর্ববর্তী নবী-রাসুলদেরও।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
শসার খোসা ফেলে দিয়ে হারাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ
শসার খোসা ফেলে দিয়ে হারাচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ

একটি মাঝারি শসা থেকে প্রায় ৪১ শতাংশ দৈনিক চাহিদার সমপরিমাণ ভিটামিন কে পাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাশিয়াম। কিন্তু শসার খোসা ফেলে দিয়ে শসা খাওয়া মানে এর সবচেয়ে পুষ্টিকর অংশটিই ফেলে দেওয়া। খোসা ছাড়িয়ে নিলে শসার ভেতরে কেবল পানি ছাড়া তেমন কোনো খাদ্যআঁশ বা পুষ্টি উপাদান অবশিষ্ট থাকে না। 

নভেম্বর ৫, ২০২৬