ককরোচ পার্টির সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ রয়েছে, দাবি বিজেপির

জিতেন্দ্র বলছেন, ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং তাদের প্রধান কৌশলপ্রণেতা আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে বিদেশি অর্থদাতাদের যোগাযোগের অকাট্য প্রমাণ রয়েছে।

রাবির ২ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি করাকে কেন্দ্র করে নৃবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২ বিভাগের ৩ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

রাবির ২ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩
এনসিপি ছাড়ার কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগকারী যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন তার পদত্যাগের পেছনের প্রধান কারণগুলো তুলে ধরেছেন।

এনসিপি ছাড়ার কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন
দ্বীপ ও দিশাকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য 

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে।

দ্বীপ ও দিশাকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
কিশোরী বয়সের প্রেম, মায়ের হাতে ডায়েরি—কীর্তির সংগ্রাম ও পরিণয়

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কীর্তি সুরেশ। দেড় দশক প্রেম করার পর অ্যান্টোনি থাটির সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।

কিশোরী বয়সের প্রেম, মায়ের হাতে ডায়েরি—কীর্তির সংগ্রাম ও পরিণয়
পত্রিকা: 'বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত'

বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চায় ভারত; সরকারবিরোধী লোকজনের কাছে পুলিশের গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ; প্রার্থী বাছাইয়ে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি- এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ ঢাকা থেকে প্রকাশ...

পত্রিকা: 'বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত'
টেকনাফে মানব পাচারকারীদের গুলিতে প্রাণ গেল সেনাসদস্যের

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলি তিতাসের বুকে লাগে। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টেকনাফের লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতাল...

টেকনাফে মানব পাচারকারীদের গুলিতে প্রাণ গেল সেনাসদস্যের

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

বাস্তুতন্ত্র ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিন
বাস্তুতন্ত্র ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিন

কাপ্তাই হ্রদের ছোট মাছের এই দূষণ কেবল পরিবেশের ক্ষতিতেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি সরাসরি জনস্বাস্থ্যকে হুমকির মুখে ফেলছে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প
আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প

৩৬ বছরের ব্যবধানে সেই নির্জন পথের দুই পাশের ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে বাজার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
আশাশুনির আশা তামান্নারা
আশাশুনির আশা তামান্নারা

নড়বড়ে সাঁকো থেকে সহপাঠীরা বই–খাতাসহ পানিতে পড়ে যাওয়ার পর শিশুরা দল বেঁধে ছুটে যায় ইউনিয়ন পরিষদে। তাদের চাপেই তৈরি হয় ভাসমান সেতু, নিরাপদ পথ পায় প্রায় ১৪০ শিক্ষার্থী

নভেম্বর ৬, ২০২৬
রোনালদো থাকবেন ওখানেই
রোনালদো থাকবেন ওখানেই

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পর্তুগালের জার্সিতে খেলেছেন ২৩ বছর।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
মৌখিক সভ্যতার প্রত্যাবর্তন
মৌখিক সভ্যতার প্রত্যাবর্তন

<p>মানুষের সভ্যতাকে বদলে দিয়েছিল লেখার আবিষ্কার, বই ও পাঠের বিস্তার। অথচ ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে মানুষ ক্রমেই বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, ফিরছে শোনা ও দেখার জগতে। এই প্রত্যাবর্তন কি নতুন এক মৌখিক সভ্যতার সূচনা, যার অভিঘাতে বদলে যাবে সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও মানুষের চিন্তার ধরন?</p><p>আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরিতে নাকি সাত লাখ বই ছিল। বই না বলে প্যাপিরাসের স্ক্রল বললে সঠিক বলা হবে। প্লেটো–অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে সব গ্রিক মহারথীর বইপত্র ছিল সেখানে। সে এক সুবিশাল রত্নভান্ডার। সেই লাইব্রেরি হারিয়ে গেছে পরবর্তী ৪০০ বছরের মধ্যে। আর হারিয়ে গিয়ে এক দীর্ঘ অন্ধকার যুগ নেমে এসেছে ইউরোপে।</p><p>এত দিন মনে করা হতো প্রাচীন আমলের যুদ্ধবিগ্রহের বলি হয়ে ওই লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে। তবে এখনকার ইতিহাসবিদদের কেউ কেউ বলছেন, যুদ্ধ নয়, আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে অবহেলায়। মানুষের অবহেলা। পরবর্তী যুগে বইপত্রের কদর কমে গিয়েছিল। শাসক ও নাগরিকেরা মনে করেছে, অত পয়সাপাতি খরচ করে ওসব ফালতু প্যাপিরাসের স্তূপ পুষে কী লাভ! ফলে বইপত্র গেছে পোকা আর ইঁদুরের পেটে।</p><p>এই অনুমান সত্যি হলে বলতে হবে, আলেকজান্দ্রিয়ায় লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে বলে অন্ধকার যুগ নেমে আসেনি। বরং ইউরোপজুড়ে অন্ধকার যুগ নেমে এসেছিল বলেই আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে। অন্ধকার যুগ মানে যে যুগে লোকে আর বই উল্টে দেখে না।</p><p>এতকাল পরে মনে হচ্ছে আরেকটি অন্ধকার যুগ সমাসন্ন।</p><p>কিছুদিন আগে আমেরিকান জার্নাল দ্য আটলান্টিক-এ একটা দীর্ঘ নিবন্ধ পড়ছিলাম রোজ হরোভিটজ নামে এক গবেষকের। ‘দ্য এন্ড অব রিডিং ইজ হেয়ার’ শিরোনামের ওই নিবন্ধে হরোভিটজ আক্ষেপ করে জানাচ্ছেন, যে আমেরিকানরা একদা দুনিয়ার সবচেয়ে পড়ুয়া জাতি হিসেবে গর্ব করতে ভালোবাসত, তারা ক্রমাগত পড়তে ভুলে যাচ্ছে। বেশ কিছু জরিপের উল্লেখ করে নিবন্ধকার দেখিয়েছেন, আমেরিকানরা বইটই আর খুব একটা ছুঁয়ে দেখে না। তারা নাকি জুয়া খেলে অবকাশ কাটাতে বেশি আগ্রহী।</p><blockquote>বই না পড়ার প্রবণতা দুনিয়াজুড়েই। শুধু বইপত্র নয়, দৈনিক পত্রিকা, সাময়িকী বা জার্নাল—লোকে আর কিছুই পড়তে চায় না। আর যাও বা পড়ে, তার মধ্যেও অবক্ষয়—নিছকই লঘু ও সহজপাচ্য সাহিত্য। এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিউইয়র্ক টাইমস–এর বেস্টসেলার তালিকার বইগুলোয় ইদানীং বাক্যের গড় দৈর্ঘ্য আগের চেয়ে এক–তৃতীয়াংশ কমে গেছে।</blockquote><p>বই না পড়ার প্রবণতা দুনিয়াজুড়েই। শুধু বইপত্র নয়, দৈনিক পত্রিকা, সাময়িকী বা জার্নাল—লোকে আর কিছুই পড়তে চায় না। আর যাও বা পড়ে, তার মধ্যেও অবক্ষয়—নিছকই লঘু ও সহজপাচ্য সাহিত্য। এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিউইয়র্ক টাইমস–এর বেস্টসেলার তালিকার বইগুলোয় ইদানীং বাক্যের গড় দৈর্ঘ্য আগের চেয়ে এক–তৃতীয়াংশ কমে গেছে।</p><p>শুধু যে পড়ায় অনীহা, তা–ই নয়; এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতাও কমে যাচ্ছে। অর্থাৎ তারা পড়তে ভুলে যাচ্ছে বললে বেশি বলা হবে না।</p><p>এ পরিস্থিতির এখন একটা নাম দেওয়া হয়েছে: পোস্ট লিটারেট সোসাইটি। বাংলা করলে করা যাক, ‘অক্ষর–পরবর্তী সমাজ’। ছাপাখানা আবিষ্কারের আগে সমাজের বেশির ভাগ লোক পড়তে পারত না। সেটার নাম প্রি-লিটারেট সোসাইটি বা অক্ষর-পূর্ব সমাজ। ইললিটারেট বা নিরক্ষর নয়।</p><p>ছাপাখানার আবিষ্কার মানবসভ্যতাকে আমূল বদলে দিয়েছে। ছাপানো অক্ষর বা বইপুস্তক ও পত্রপত্রিকা সহজলভ্য হওয়ায় সর্বজনীন শিক্ষার বিস্তার ঘটেছে। এখন আমরা প্রায় সবাই পড়তে পারি।</p><p>পড়তে শেখা কোনো সহজসাধ্য ব্যাপার নয়। এর জন্য আমাদের মগজকে বিশেষভাবে পুনর্গঠন বা রি–অয়্যারিং করে নিতে হয়েছে। আমাদের চোখ হয়ে দাঁড়িয়েছে এক অবিশ্বাস্য দ্রুতগতির এবং দক্ষ ইমেজ স্ক্যানিং মেশিন। বইয়ের পাতার অক্ষর, শব্দ আর বাক্য ছবি আকারে মগজে পৌঁছালে মগজ দ্রুতবেগে শুরু করে ডেটা প্রসেসিং। তৈরি হয় অর্থ এবং অন্বয়। এ এক দীর্ঘ দুরূহ যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার শিকল। আমরা সেটা এমন অনায়াস আর মসৃণ করে ফেলতে পেরেছি, টেরই পাওয়া যায় না পঠনের পেছনে একটা আস্ত প্রোডাকশন কারখানা কাজ করছে।</p><p>আবার ভাষার কথা ধরা যাক। গোড়া থেকে লেখার উপযুক্ত হয়ে ভাষার জন্ম হয়নি। মুখের উচ্চারণ ও শ্রবণের উপযুক্ত হয়ে ভাষার জন্ম। লেখা এক জটিল সংকেতব্যবস্থা। এ কারণে মানুষ মুখে বলার চেয়ে ধীরগতিতে লিখতে পারে। আর সে কারণেই যিনি লেখেন, তিনি তার লিখিত বাক্যে মনোনিবেশ করার সুযোগ পান। তিনি চিন্তা করার অবকাশ পান।</p><blockquote>এ নিয়ে একটি লেখা সম্প্রতি ছাপা হয়েছে আমেরিকান ডিজিটাল ম্যাগাজিন ‘ভক্স’-এ। এরিক লেভিটজ নামে এক গবেষক বলছেন, মানুষ বই পড়া কমিয়ে দেওয়ায় শুধু একটি সাংস্কৃতিক অভ্যাসের অবক্ষয় ঘটছে না, আমরা একধরনের ডিজিটাল ওরালিটি বা মৌখিকতার দিকে ফিরে যাচ্ছি। কথাটা পোক্ত করতে তিনি ওয়াল্টার জে অং নামে এক সাংস্কৃতিক ইতিহাসবিদের ‘ওরালিটি অ্যান্ড লিটারেসি’ তত্ত্বের সাহায্য নিয়েছেন।</blockquote><p>লেখাকে বলা হয় ভাষার সংহতিকরণ। লেখা মানুষকে বিমূর্ত চিন্তার দীর্ঘ শৃঙ্খল তৈরির সামর্থ্য দেয়। আর এ কারণে মানুষ দর্শন, ইতিহাস, সাহিত্য, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিদ্যার জন্ম দিতে পেরেছে।</p><p>এখন পোস্টলিটারেট যুগ বা ‘অক্ষর–পরবর্তী সমাজে’ আমরা পড়তে ভুলে গেলে আমাদের মগজ আরেক দফা পুনর্গঠিত হবে। শুধু মগজ পুনর্গঠিত হবে না, আমাদের সমাজ-সভ্যতা এবং রাষ্ট্রব্যবস্থারও বদল ঘটবে।</p><p>রোজ হরোভিটজ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছেন, মানুষের সভ্যতার ইতিহাসে লেখা ও পঠনের এই সাক্ষর সময়কালটা অতি সংক্ষিপ্ত এক মধ্যবর্তী দশা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এর এক দিকে অনন্ত অক্ষর-পূর্ব যুগ এবং এক দীর্ঘ ‘অক্ষর–পরবর্তী’ যুগ।</p><p>কথা হলো, আমাদের বই পড়ার শূন্যস্থানটি কী দিয়ে পূরণ হচ্ছে?</p><p>এ নিয়ে একটি লেখা সম্প্রতি ছাপা হয়েছে আমেরিকান ডিজিটাল ম্যাগাজিন ‘ভক্স’-এ। এরিক লেভিটজ নামে এক গবেষক বলছেন, মানুষ বই পড়া কমিয়ে দেওয়ায় শুধু একটি সাংস্কৃতিক অভ্যাসের অবক্ষয় ঘটছে না, আমরা একধরনের ডিজিটাল ওরালিটি বা মৌখিকতার দিকে ফিরে যাচ্ছি। কথাটা পোক্ত করতে তিনি ওয়াল্টার জে অং নামে এক সাংস্কৃতিক ইতিহাসবিদের ‘ওরালিটি অ্যান্ড লিটারেসি’ তত্ত্বের সাহায্য নিয়েছেন।</p><p>লেভিটজের বক্তব্য হলো, অক্ষর-পূর্ব সমাজে জ্ঞান টিকে থাকত মুখে-মুখে। আর সে কারণে কথাকে স্মৃতির উপযুক্ত করে বানিয়ে নিতে হতো। সে কাজে সহায়তা করত ছন্দ ও গল্প। এ কারণে গান, কাব্য আর লোককথার এত বিপুল বৈভব গড়ে উঠেছে অক্ষর-পূর্ব সমাজে। আজকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও একই ধরনের প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দীর্ঘ যুক্তির বদলে ছোট, স্মরণযোগ্য, আবেগ-উদ্দীপক বাক্য লেখা হচ্ছে। মিম তৈরি হচ্ছে। লোকে তার বক্তব্য ভাইরাল করতে নানা রকম চটকদার বাক্য লিখছেন, কৌতুক করছেন। হ্যাশট্যাগ দেওয়ার মধ্যে কত রকম সৃজনশীলতা যে ফুটে উঠছে, অবাক হয়ে যেতে হয়।</p><p>সবচেয়ে বড় কথা, এই নতুন মৌখিকতার যুগে কোনো বক্তব্যের সত্যতা খুব জরুরি নয়। সেটি কতবার ছড়িয়েছে বা কোন গোষ্ঠী সেটিকে সমর্থন করছে সেটিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। অর্থাৎ আমাদের হাতে আগের চেয়ে অসীম বেশি লিখিত তথ্য থাকলেও, তথ্য সংরক্ষিত হওয়ার চেয়ে সরবরাহ করাটাই তার সামাজিক শক্তির উৎস হয়ে উঠছে।</p><blockquote>এই সাহিত্য অবশ্য আগুনের পাশে অনেক মানুষ গোল হয়ে বসে শুনবে না বা বাজারের মাঝখানে বসে কেউ উচ্চ স্বরে আবৃত্তি করবে না। এগুলো টিকটকের ক্লিপ হয়ে ভেসে বেড়াবে নেট থেকে নেটে। অডিওবুক আর পডকাস্ট হয়ে ধ্বনিত হবে গাড়ির শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাতাসে। লোকে শুনবে একা একা।</blockquote><p>সেদিন মেট্রোরেলে আমার এক পুরোনো সাংবাদিক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা। তাঁর লেখার হাত খুব ভালো। সাহিত্য আর সিনেমার পোকা। ইদানীং অর্থনীতি নিয়ে একটা ভিডিও পডকাস্ট করছেন। আমি সেটা নিয়মিত দেখি। আমি পডকাস্টের প্রশংসা করায় তিনি বললেন, এত দিন ধরে লিখছেন। কত নিবন্ধ, কত প্রতিবেদন। কিন্তু পডকাস্ট করার পর শ্রোতাদের যে বিপুল প্রতিক্রিয়া আর ফিডব্যাক পাচ্ছেন, তা আগে কখনো পাননি। তিনি আর একটা লেখা তৈরির দীর্ঘ কষ্টকর শ্রম দিতে আগ্রহী হবেন বলে আমার মনে হয়নি।</p><p>অংয়ের মতে, লেখার আবির্ভাব মানুষকে এমন একধরনের চিন্তার অভ্যাস দিয়েছে, যেখানে দীর্ঘ সময় ধরে লোকে একটি টেক্সটের সঙ্গে একা</p><p>থাকতে পারত। এর ফলে তার পক্ষে জটিল যুক্তি অনুসরণ করা, বিমূর্ত ধারণা নিয়ে চিন্তা করা এবং নিজের চিন্তাকে সামাজিক পরিবেশ থেকে খানিকটা বিচ্ছিন্ন করে পরীক্ষা করা সম্ভব হতো। কিন্তু টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব আর পডকাস্টের যুগে আমাদের মনোযোগ ছোট ছোট অংশে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। এখন আমরা যেটাকে সাহিত্য বলি, ভবিষ্যতে সেটা হয়তো পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে না, কিন্তু তার প্রকরণ এবং বোধগম্যতার ধরনে পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘ, ধীর, অন্তর্মুখী উপন্যাস হয়তো আর থাকবে না। কাহিনি আরও বেশি খণ্ডিত, এপিসোডিক এবং পারফরমেটিভ হয়ে উঠবে। সবচেয়ে বড় কথা, সাহিত্য মুখে বলার উপযোগী চেহারা ধারণ করবে, আদিতে যে চেহারায় তার জন্ম হয়েছিল। অর্থাৎ সাহিত্য আবার হয়তো হোমারের যুগে ফিরে যাবে। হয়তো আবার তা শ্রুতিযোগ্য, স্মরণযোগ্য ও পুনরাবৃত্তিযোগ্য হওয়ার দিকে যাত্রা করবে।</p><p>এই সাহিত্য অবশ্য আগুনের পাশে অনেক মানুষ গোল হয়ে বসে শুনবে না বা বাজারের মাঝখানে বসে কেউ উচ্চ স্বরে আবৃত্তি করবে না। এগুলো টিকটকের ক্লিপ হয়ে ভেসে বেড়াবে নেট থেকে নেটে। অডিওবুক আর পডকাস্ট হয়ে ধ্বনিত হবে গাড়ির শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বাতাসে। লোকে শুনবে একা একা।</p><p>অং একে বলেছেন, ‘দ্বিতীয় মৌখিক যুগ’। সহজ ভাষায় বললে বলতে হয়, বকাউল্লা আর শোনাউল্লার যুগ। বই এখানে আর জ্ঞান, চিন্তা ও সংস্কৃতির প্রধান বাহন নয়। আমরা একটি ঐতিহাসিক পর্ব থেকে বেরিয়ে আরেকটি পর্বে প্রবেশ করছি। সেটা কিছুটা অতীতেই ফেরা, নতুন এক চেহারায়। এর ফলে সাহিত্য, সাংবাদিকতা, রাজনীতি সব ক্ষেত্রে দীর্ঘ যৌক্তিক চিন্তার যুগ শেষ হচ্ছে। মানুষ আবার শুনতে ও দেখতে অভ্যস্ত হচ্ছে। সাহিত্য ও সাংবাদিকতার সেদিকে যাত্রা না করে উপায় কী!</p><p><strong>শিবব্রত বর্মন</strong>: কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
হেমন্তের শেষ রোদ্দুরে সাদিয়ার সালোয়ার-কামিজ লুক
হেমন্তের শেষ রোদ্দুরে সাদিয়ার সালোয়ার-কামিজ লুক

হেমন্তের রোদে সোনালি আভা, বাতাসে শীতের আগমনী বার্তা। প্রকৃতির এই রঙের সঙ্গে যেন নিজের সাজটাও মিলিয়ে নিয়েছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
রাহুল গান্ধী কি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন
রাহুল গান্ধী কি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন

<p>ভারতের লাখ লাখ মানুষ মনে করেন, দেশকে ঘৃণা ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে বের করে আনতে রাহুল গান্ধীই হতে পারেন যোগ্য নেতা। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত এখন গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সমাজে বৈষম্য বাড়ছে। ধনী ও দরিদ্রের ব্যবধান আরও প্রকট হচ্ছে। অর্থনীতির সুফল প্রধানত ধনীদের ঘরেই যাচ্ছে। গত রোববার দিল্লিতে ভোট চুরির প্রতিবাদে বিরোধী দলগুলোর বিশাল সমাবেশে মানুষের উপস্থিতি দেখে মনে হয়েছে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বের প্রতি অনেকের আস্থা তৈরি হয়েছে।</p><p>নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে তরুণেরাও ক্ষুব্ধ। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন তাঁরা। তবে নির্বাচনে কারচুপি করার অর্থ হলো, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে ক্ষমতাসীনদের আস্থা নেই। এই দিক থেকে দেখলে কারচুপির ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য বিপদের সংকেত হলেও তা ক্ষমতাসীনদের দুর্বলতাও প্রকাশ করে।</p><p>গণতন্ত্রকে দুর্বল করার ঘটনা অবশ্য শুধু ভারতেই ঘটছে না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের মধ্যেও বিষয়টি স্পষ্ট। ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র ও সংখ্যালঘুদের অধিকারের প্রতি তাঁদের দুজনেরই অবজ্ঞা রয়েছে। গত সপ্তাহের নির্বাচনের পর ইসরায়েলের আরব বংশোদ্ভূত সংসদ সদস্যরা নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অথচ নেতানিয়াহু তাঁদের রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/yj54lw7act">ভারতের ‘তেলাপোকাদের’ বিজয় যা প্রমাণ করল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/54iweqtlxc">ভারতে বিক্ষোভে ‘গোদি মিডিয়ার’ সাংবাদিকেরা কেন তোপের মুখে</a></aside><p>ভারতেও মোদির ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নির্বাচনে তাঁর দল বিতর্কিতভাবে জয় পেয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, মোদির পছন্দের নির্বাচন কমিশন লাখ লাখ মুসলিম ভোটারসহ সরকারের সম্ভাব্য বিরোধীদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। অন্যদিকে, মোদির সঙ্গে বন্ধুত্বের পুরস্কার হিসেবে নেতানিয়াহুর সরকার ভারতকে পেগাসাসের মতো আড়ি পাতার প্রযুক্তি দিয়েছিল। এসব প্রযুক্তি গণতন্ত্রকে দুর্বল করার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।</p><p>রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। ভারতের গণতন্ত্রকে আবার সুস্থ ধারায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা তিনি করেছেন। তবে প্রশ্ন হলো, প্রতিষ্ঠিত ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াই করার মতো দৃঢ়তা ও রাজনৈতিক কৌশল তাঁর আছে কি না? প্রিয়াঙ্ক খাড়গে, এম কে স্ট্যালিন কিংবা অখিলেশ যাদবের মতো মাঠের রাজনীতিতে অভিজ্ঞ নেতাদের সঙ্গে তুলনা করলে এই প্রশ্ন ওঠে।</p><p>গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার বিরুদ্ধে সোনিয়া গান্ধী এবং তাঁর দুই সন্তান রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সরব হয়েছেন। ভারতের বামপন্থী দলগুলো ছাড়া বড় রাজনৈতিক দলগুলোর অধিকাংশই এ বিষয়ে নীরব থেকেছে। এ কারণে গান্ধী পরিবারের অবস্থান প্রশংসার দাবি রাখে। তবে এতে তাঁদের বিদেশি ও দেশের ভেতরের নানা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর আক্রমণের লক্ষ্য হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। দশেরার অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান অতিথি হিসেবে একজন ইসরায়েলি কূটনীতিককে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনাও উদ্বেগজনক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/2ebxiafg/ongress-leader-.jpg"><figcaption>ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আদলে তৈরি একটি পুতুল হাতে নিয়ে হাঁটছেন বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী। বিরোধী দলের নেতাদের নিয়ে তিনি বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মিছিল করেন। নয়াদিল্লি</figcaption></figure><p>কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন কেউ করছেন না। রাহুল গান্ধী নিজে কি প্রধানমন্ত্রী হতে চান? অনেকেই যেন তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। অথচ তাঁর নিজের ইচ্ছা কী, তা জানা জরুরি। নেহরু-গান্ধী পরিবারের ইতিহাস বিবেচনা করলে মনে হয়, রাহুলের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার তেমন উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই। সোনিয়া গান্ধীর শিগগির প্রকাশিতব্য স্মৃতিকথা থেকে হয়তো এ বিষয়ে আরও কিছু জানা যাবে।</p><p>ভারতীয় জনতা পার্টি নিয়মিত জওহরলাল নেহরু ও তাঁর মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার লোভের অভিযোগ তোলে। অথচ ভারতের ইতিহাসে সংসদে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন নেহরু। ১৯৫০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশভাগের পর শরণার্থী সংকটের কারণে তিনি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। সরদার বল্লভভাই প্যাটেলের অনুরোধে তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।</p><p>১৯৫৮ সালেও নেহরু পদ ছাড়তে চেয়েছিলেন। তখন তিনি মানসিকভাবে ক্লান্ত ছিলেন। আদর্শের প্রতি আগের বিশ্বাস কমে আসছিল। ভারতের রাজনীতিতে জনজীবনের মানও তাঁর কাছে ক্রমেই নিচে নেমে যাচ্ছিল। এ নিয়ে দেশে আলোড়ন তৈরি হয়। কংগ্রেস নেতারা তাঁকে দায়িত্বে থেকে যাওয়ার অনুরোধ জানান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/6qs0aa9wo5">জ্ঞানেশেই কি গণেশ ওলটাবে মোদির?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/zkdw66c18r">ধ্রুব রাঠির ‘নমস্কার দোস্ত!’ মোদির জন্য কতটা চিন্তার?</a></aside><p>নেহরু কি তাঁর মেয়েকে উত্তরসূরি করতে চেয়েছিলেন? ইতিহাসে এর প্রমাণ নেই। বরং ১৯৫২ সালে তরুণ সমাজতান্ত্রিক নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণকে নিজের সহযোগী হিসেবে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জয়প্রকাশ সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। ইন্দিরা গান্ধীকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া কিংবা প্রধানমন্ত্রী করার কোনো ইঙ্গিতও তখন ছিল না।</p><p>নেহরু কংগ্রেসের ডানপন্থী নেতা মোরারজি দেশাইকে নিয়ে সতর্ক ছিলেন। তিনি একবার জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের পদত্যাগ করে দলের তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করার পরিকল্পনা করেন। একই সময়ে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বিনা দপ্তরের মন্ত্রী করেন। এটি ছিল শাস্ত্রীকে ভবিষ্যৎ উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনার ইঙ্গিত।</p><p>তাসখন্দে শাস্ত্রীর আকস্মিক মৃত্যুর পর আবার দেশাইয়ের ক্ষমতায় আসার আশঙ্কা দেখা দেয়। কংগ্রেসের প্রভাবশালী আঞ্চলিক নেতারা তাঁকে ঠেকাতে ইন্দিরা গান্ধীকে সামনে আনেন। তাঁদের ধারণা ছিল, ইন্দিরাকে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। কিন্তু ইন্দিরা নিজে গুলজারিলাল নন্দাকে সমর্থন করতে চেয়েছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-20/n706yqkb/india-008.jpg"><figcaption>দিল্লিতে এক বিক্ষোভে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা রাহুল গান্ধী ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র</figcaption></figure><p>ইন্দিরাকে সমর্থনকারী সিন্ডিকেট ছিল মূলত রক্ষণশীল, ব্যবসাবান্ধব এবং সমাজতন্ত্রবিরোধী। ১৯৬৯ সালে কমিউনিস্টদের সমর্থন নিয়ে ইন্দিরা তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। জরুরি অবস্থা জারির পর বামপন্থীরা তাঁকে সমর্থন দেওয়া বন্ধ করে দেয়। লেখকের মতে, সেটি ছিল তাঁদের বড় রাজনৈতিক ভুল। পরে রক্ষণশীল ও ধর্মীয় পুনরুজ্জীবনবাদীরা ইন্দিরার চারপাশে প্রভাব বিস্তার করেন। তাঁদের প্রভাবেই পাঞ্জাব নিয়ে ইন্দিরার সেই ভয়াবহ নীতি তৈরি হয়েছিল বলে মনে করা হয়। শেষ পর্যন্ত সেই নীতিই তাঁর পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।</p><p>রাজীব গান্ধী ছিলেন অত্যন্ত ব্যক্তিগত জীবনযাপনকারী একজন মানুষ। ছোট ভাই সঞ্জয় গান্ধী বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর মায়ের পাশে দাঁড়াতে তাঁকে রাজনীতিতে আসতে হয়। ইন্দিরা গান্ধী হত্যাকাণ্ডের পর পরিস্থিতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী করে। সোনিয়া গান্ধী যে রাজীবের রাজনীতিতে আসার বিরোধিতা করেছিলেন, তার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সিদ্ধান্তেও তিনি বাধা দিয়েছিলেন। তাঁর আশঙ্কা ছিল, রাজীবও প্রাণ হারাতে পারেন। তখন রাজীব বলেছিলেন, ‘আমি তাঁর ছেলে। আমি যদি দায়িত্ব না নিই, তাহলে কে নেবে?’ এটা কি ক্ষমতার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল?</p><p>১৯৯৯ সালে রাষ্ট্রপতির কাছে ২৭২ জন সমর্থকের তালিকা নিয়ে গিয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। তাহলে কি তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন? অথচ ২০০৪ সালে তিনি নিজে মনমোহন সিংকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেন। সাবেক আমলা আর ডি প্রধানের ২০১৪ সালের একটি বইয়ে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সাল থেকেই সোনিয়ার পছন্দের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং।</p><p>সোনিয়া গান্ধী শুধু প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করেই থেমে থাকেননি। তিনি একটি কার্যকর পরামর্শক পরিষদ গঠন করেছিলেন। এই পরিষদ দারিদ্র্য দূরীকরণ, তথ্য অধিকার, শিক্ষার অধিকার এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের বেসরকারীকরণ বন্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনমোহন সিং সরকারকে পরামর্শ দিত। এসব উদ্যোগ নেহরু ও ইন্দিরা গান্ধীর আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।</p><p>সম্ভবত রাহুল গান্ধীও পরিবারের এই রাজনৈতিক ঐতিহ্য অনুসরণ করবেন। তাঁর বেড়ে ওঠা ও রাজনৈতিক শিক্ষা তাঁকে উদার ও শালীন রাজনীতির দিকে নিয়ে গেছে। কিন্তু ডানপন্থী রাজনীতির নিষ্ঠুর পরিবেশে এই শালীনতা কতটা কার্যকর হবে, সেটিই প্রশ্ন। নেহরু যেমন একসময় রাজনীতির অবনতি দেখে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন, রাহুলের ক্ষেত্রেও তেমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কারণ, প্রতিপক্ষ কোণঠাসা হয়ে পড়লে পাল্টা আক্রমণ আরও ভয়ংকর হতে পারে। সেই আক্রমণ মোকাবিলায় ভারতের প্রগতিশীল শিবিরে আরও অনেক কঠোর ও লড়াকু নেতা রয়েছেন।</p><ul><li><p><strong>জাভেদ নাকভি</strong> পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক ডন-এর দিল্লি প্রতিনিধি।</p></li></ul><p>ডন থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনূদিত।</p>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
বাঁশি যার যার, বাঁশ সবার
বাঁশি যার যার, বাঁশ সবার

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/5zkiza6f/01.jpg"></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bzeq75t40i">বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্ট আতঙ্ক!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/nay9oz11de">স্যরি!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3y37khdj9g">আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3fbuod5lle">উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hik3yizsq8">সিনেপ্লেক্সে একদিন </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/m9eme7ddwo">বেরেক কাম করে না!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tnsdadk1at">সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/j2xtgsfcge">আমি ভুল করিনি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bvavx49d33">Breaking Good</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/wio8c5i398">আরও যা যা ফাঁস হতে পারে</a></aside>

নভেম্বর ৬, ২০২৬
জামায়াত জোটে থাকা নিয়ে আপত্তি তুলে এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন
জামায়াত জোটে থাকা নিয়ে আপত্তি তুলে এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

বাংলাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করে সামান্তা শারমিন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে এনসিপি তার স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় হারিয়েছে। এদিকে, পর্তুগালের কিংবদন্তি ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
পত্রিকা: 'বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত'
পত্রিকা: 'বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত'

বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চায় ভারত; সরকারবিরোধী লোকজনের কাছে পুলিশের গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ; প্রার্থী বাছাইয়ে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি- এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
'দুই মাস হইছে, মাছের গন্ধটাই ভুইল্যা গেছি'
'দুই মাস হইছে, মাছের গন্ধটাই ভুইল্যা গেছি'

বেশিরভাগ শ্রমিকেরই বক্তব্য হচ্ছে, মাত্র এক বছরেই তাদের জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে প্রায় দেড়গুন। কিন্তু তার বিপরীতে আয় বাড়েনি। একবাক্যে শ্রমিকদের প্রায় সবার বক্তব্যই ছিল, গত কয়েক মাসে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম। যা তাদের খরচের হিসাব- নিকাশই বদলে দিয়েছে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
বাংলা এআই নিয়ে কী করতে চাইছে সরকার?
বাংলা এআই নিয়ে কী করতে চাইছে সরকার?

বাংলাদেশে নিজস্ব ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল তৈরির বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যে বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো সক্ষমতা প্রয়োজন সেটি বাংলাদেশের আছে কিনা- সেই প্রশ্নটি সামনে আসছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর; ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তগুলো
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর; ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তগুলো

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার মুহূর্তে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত তুলে ধরেছে বিবিসি স্পোর্টস।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী ডেমোক্র্যাট আবদুল এল-সাইয়েদের ভারতীয় যোগ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী ডেমোক্র্যাট আবদুল এল-সাইয়েদের ভারতীয় যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ডেমোক্র্যাট পার্টি থেকে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম সেনেটর আবদুল এল-সাইয়েদের একটা ভারতীয় যোগ রয়েছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেস দখলের পর ডেমোক্র্যাটরা কী করতে পারবে ও কী পারবে না?
যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেস দখলের পর ডেমোক্র্যাটরা কী করতে পারবে ও কী পারবে না?

ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন হওয়ার পর, ডেমোক্র্যাটরা এখন চাইলেই কি তাদের পরিকল্পনায় থাকা বিষয়গুলো বাস্তবায়ন শুরু করতে পারবে? বিষয়টি অনেকটাই জটিল, কারণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেস থাকলেও, রিপাবলিকানদের দখলে প্রেসিডেন্ট পদটি।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
রিপাবলিকানরা এত বাজেভাবে হারার পাঁচটি কারণ
রিপাবলিকানরা এত বাজেভাবে হারার পাঁচটি কারণ

যদিও মধ্যবর্তী এই নির্বাচনগুলোয় বরাবরই ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলের খারাপ সময় যায়, তবে এবার রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়কে হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের একটি জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নভেম্বর ৫, ২০২৬
রান্না করা গরুর মাংস কিনতে কেন এত ভিড়
রান্না করা গরুর মাংস কিনতে কেন এত ভিড়

প্রতি শুক্রবার দিনাজপুর জেলা সদরের বিভিন্ন মোড়ে অস্থায়ী দোকানে ডেগভর্তি রান্না করা গরুর মাংস নিয়ে হাজির হচ্ছেন বাবুর্চিরা। সেখানে গরুর মাংসের পাশাপাশি কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে মুরগির রোস্ট ও পোলাও। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শহরের ছয় রাস্তার মোড়, স্টাফ কোয়ার্টার মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রান্না করা খাবার নিয়ে দোকান সাজিয়ে বসেন তারা। 

নভেম্বর ৬, ২০২৬
অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করার সুপারিশ
অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করার সুপারিশ

পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রত্যাগত শরণার্থী ও গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত অ-উপজাতীয়দের মধ্যে রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করে প্রকৃত উপকারভোগীদের কার্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
কিশোরী বয়সের প্রেম, মায়ের হাতে ডায়েরি—কীর্তির সংগ্রাম ও পরিণয়
কিশোরী বয়সের প্রেম, মায়ের হাতে ডায়েরি—কীর্তির সংগ্রাম ও পরিণয়

ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কীর্তি সুরেশ। দেড় দশক প্রেম করার পর অ্যান্টোনি থাটির সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
দ্বীপ ও দিশাকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
দ্বীপ ও দিশাকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য 

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
এনসিপি ছাড়ার কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন
এনসিপি ছাড়ার কারণ জানালেন সামান্তা শারমিন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগকারী যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন তার পদত্যাগের পেছনের প্রধান কারণগুলো তুলে ধরেছেন।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
রাবির ২ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩
রাবির ২ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ব্যাডমিন্টন খেলার কোর্ট তৈরি করাকে কেন্দ্র করে নৃবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২ বিভাগের ৩ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান
হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ চার দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরান। তবে ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারের বাণিজ্যিক জাহাজকে এ বিধিনিষেধের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান। অন্য দেশের জাহাজগুলো চলাচলে নানা বাধার মুখে পড়লেও এই চার দেশের জন্য বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬
ককরোচ পার্টির সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ রয়েছে, দাবি বিজেপির
ককরোচ পার্টির সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ রয়েছে, দাবি বিজেপির

জিতেন্দ্র বলছেন, ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং তাদের প্রধান কৌশলপ্রণেতা আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে বিদেশি অর্থদাতাদের যোগাযোগের অকাট্য প্রমাণ রয়েছে।

নভেম্বর ৬, ২০২৬