জেলা

চট্টগ্রামে আহ্বায়কের বাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব গ্রেপ্তার

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
চট্টগ্রামে আহ্বায়কের বাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে আহ্বায়কের বাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব গ্রেপ্তার
<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/ub74zm97/WhatsApp-Image-2026-10-18-at-9.43.56-PM.jpeg"><figcaption>চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহীদুল ইসলাম</figcaption></figure><p>চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাহাত উল্ল্যাহর বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে করা মামলায় সংগঠনটির সদস্যসচিব শহীদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই মামলায় আবু হাসনাত নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে শহীদুল ইসলামকে দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়।</p><p>গত শনিবার রাতে নগরের কাপাসগোলা এলাকায় রাহাত উল্ল্যাহর বাসায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে রাহাতের মা সেলিনা আক্তার ও প্রতিবেশী ফখরুল ইসলাম আহত হন।</p><p>সেলিনা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাত ২০ থেকে ২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর ছেলেকে খুঁজতে বাসায় ঢোকেন। রাহাতকে না পেয়ে তাঁরা বাসার আসবাবপত্র, দরজা ও জানালা ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে সেলিনা আক্তারকে মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন প্রতিবেশী ফখরুল ইসলাম।</p><p>এ ঘটনায় সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। কাপাসগোলা এলাকাটি পাঁচলাইশ থানার অধীন। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।</p><p>নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p><p>এদিকে ঘটনার পর শহীদুল ইসলামকে স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। জানতে চাইলে নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জমির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, সংগঠনের সহযোদ্ধার বাসায় হামলা, পরিবারের সদস্যদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও লুটপাটের অভিযোগে চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহীদুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগেও তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়।</p><p>এর আগে গত বছরের ৬ জানুয়ারি নগরের পাঁচলাইশের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে কোতোয়ালি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিনকে হেনস্তা করার অভিযোগে শহীদুলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।</p>

Prothomalo

View more
সরাইলে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ২ তরুণ গ্রেপ্তার
সরাইলে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ২ তরুণ গ্রেপ্তার

৭ অক্টোবর রাতে স্থানীয় ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার পথে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
কক্ষের দেয়ালে লেখা, ‘আজ থেকে এই গল্প শেষ, আমি অভাগী মা’
কক্ষের দেয়ালে লেখা, ‘আজ থেকে এই গল্প শেষ, আমি অভাগী মা’

<p>দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় একটি ঘর থেকে মা ও তাঁর দুই শিশুসন্তানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর বালুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ওই নারী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।</p><p>মরদেহ উদ্ধার হওয়া নারীর নাম স্বর্ণা আক্তার (২৪)। তিনি ওই গ্রামের মাহাতাব হোসেনের ছেলে শাকিল হোসেনের (২৮) স্ত্রী। তাঁদের দুই সন্তান সাফায়েত হোসেন (৪) ও রাইফা মনি (১)। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিল হোসেন পেশায় ইজিবাইকচালক। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন বলে স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াবিবাদ হতো। রোববার সকালেও তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শাকিল বাড়ি থেকে বের হয়ে বাজারে চলে যান।</p><p>বাড়ির লোকজন জানান, সন্ধ্যার দিকে দুই সন্তানকে নিয়ে শোবার কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন স্বর্ণা। দীর্ঘ সময় তাঁদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে শাকিলের মা দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি প্রতিবেশীদের খবর দেন। পরে প্রতিবেশীদের কয়েকজন কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণা ও তাঁর দুই সন্তানকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/ksfihknv/dinajpur2.jpg"><figcaption>মা ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধারের খবরে ঘরে ভিড় করেন প্রতিবেশীরা</figcaption></figure><p>এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নূর আমিন শাহ বলেন, ‘শাকিল আমার প্রতিবেশী। পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছি।’</p><p>নূর আমিন আরও জানান, ঘরের দেয়ালে লেখা কিছু কথা পাওয়া গেছে। সেখানে লেখা ছিল, ‘আজ থেকে এই গল্প শেষ। আমার সন্তানদের পুলিশের কাছে দিয়েন না। আমি অভাগী মা। (আমার সন্তানদের) নিজে মারছি। মা–বাবা সরি। আমি তোমাদের ভালোবাসি।’</p><p>চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক অশান্তির জেরে ওই নারী দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।</p><p>ওসি জানান, এ ঘটনায় স্বামী শাকিল হোসেনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ওই তিনজনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।</p>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
রিসোর্টগুলোয় কেন বারবার অগ্নিকাণ্ড হচ্ছে, দায় আসলে কার?
রিসোর্টগুলোয় কেন বারবার অগ্নিকাণ্ড হচ্ছে, দায় আসলে কার?

<p><strong>আলোচক:</strong></p><p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ</p><p>সাবেক মহাপরিচালক, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর</p><p><strong>সঞ্চালক: </strong></p><p>শামসউজজোহা</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
সেকেন্ডেই মোটরসাইকেলের লক ভেঙে চুরি, সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্তের পর গ্রেপ্তার ৬
সেকেন্ডেই মোটরসাইকেলের লক ভেঙে চুরি, সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্তের পর গ্রেপ্তার ৬

মসজিদের সামনে থেকে সেকেন্ডের ব্যবধানে লক ভেঙে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার ও ৯টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে ডিবি লালবাগ বিভাগ।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
লালন স্মরণে ছেঁউড়িয়ায় উৎসবমুখর দ্বিতীয় দিন
লালন স্মরণে ছেঁউড়িয়ায় উৎসবমুখর দ্বিতীয় দিন

ফকির লালন শাহর তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় তিন দিনের আয়োজনের দ্বিতীয় দিন ছিল গতকাল।

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
যাত্রী সেজে উঠে চালককে হত্যা, পরে ৪৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় অটোভ্যান
যাত্রী সেজে উঠে চালককে হত্যা, পরে ৪৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় অটোভ্যান

<p>জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে অটোভ্যানচালক সাখাওয়াত হোসেনকে হত্যার পর ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশ বলছে, যাত্রী সেজে ভ্যান ভাড়া করে নির্জন স্থানে নিয়ে চালককে শাবল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে ছিনতাই করা ভ্যানটি ৪৩ হাজার টাকায় বিক্রি করেন চক্রের সদস্যরা।</p><p>‎আজ রোববার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাজু কামাল।</p><p>গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি হাবিল উদ্দিন (৪০), তাঁর সহযোগী আনোয়ার হোসেন (৪৭), জাকারিয়া (৩০) ও জাহাঙ্গীর আলম ওরফে বিপ্লব।</p><p>‎সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৩ অক্টোবর বিকেলে পাঁচবিবি উপজেলার শালাইপুর বাজার থেকে পাথরঘাটা যাওয়ার কথা বলে সাখাওয়াত হোসেনের অটোভ্যানটি ভাড়া করেন হাবিল উদ্দিন। ভ্যানটি পাথরঘাটা সেতুর নির্জন এলাকায় পৌঁছালে হাবিল লোহার শাবল দিয়ে সাখাওয়াতের মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে রক্তমাখা ভ্যানটি গামছা দিয়ে মুছে গামছা ও শাবলটি সেতুর নিচে ফেলে ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। চক্রের সদস্য আনোয়ার হোসেনের সহযোগিতায় ছিনতাই করা ভ্যানটি ৪৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।</p><p>এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় মামলা হওয়ার পর জয়পুরহাট ও নওগাঁর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া অটোভ্যান, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত শাবল, রক্তমাখা গামছা এবং ভ্যান বিক্রির টাকার মধ্যে ২ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।</p><p>ডিবির ওসি রাজু কামাল বলেন, এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি অধিকতর তদন্ত চলছে। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে</p>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
হুতিদের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট, বাংলাদেশ কতটা বিপদে?
হুতিদের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকট, বাংলাদেশ কতটা বিপদে?

<p>ইয়েমেনের হুতিদের হামলায় সৌদি আরবে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়েছে। ব্যাহত হচ্ছে বিমান চলাচল, ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি আমদানিতে ইতিমধ্যে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে বাংলাদেশ। আমদানি–রপ্তানি, প্রবাসী কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্সের ওপর নতুন সংঘাতের প্রভাব কতটা হতে পারে?</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
রিমান্ডে নেওয়ার আগে আনিসুল হক, ইনুসহ চারজনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা
রিমান্ডে নেওয়ার আগে আনিসুল হক, ইনুসহ চারজনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা

<p>কারাবন্দী সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়েছে।</p><p>আজ রোববার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তত্ত্বাবধানে এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতায় তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে তাঁদের হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।</p><p>সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বাড্ডা ও মিরপুর থানায় দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাঁদের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। রিমান্ড কার্যকর করার অংশ হিসেবেই নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের এই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।</p><p>সিআইডির পরিদর্শক নাসির উদ্দিন সরকার প্রথম আলোকে বলেন, ‘কোনো আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানোর আগে আবার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।’</p>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
চট্টগ্রামে আহ্বায়কের বাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে আহ্বায়কের বাসায় হামলা-ভাঙচুরের মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব গ্রেপ্তার

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-18/ub74zm97/WhatsApp-Image-2026-10-18-at-9.43.56-PM.jpeg"><figcaption>চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহীদুল ইসলাম</figcaption></figure><p>চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাহাত উল্ল্যাহর বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে করা মামলায় সংগঠনটির সদস্যসচিব শহীদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই মামলায় আবু হাসনাত নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে শহীদুল ইসলামকে দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়।</p><p>গত শনিবার রাতে নগরের কাপাসগোলা এলাকায় রাহাত উল্ল্যাহর বাসায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে রাহাতের মা সেলিনা আক্তার ও প্রতিবেশী ফখরুল ইসলাম আহত হন।</p><p>সেলিনা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাত ২০ থেকে ২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর ছেলেকে খুঁজতে বাসায় ঢোকেন। রাহাতকে না পেয়ে তাঁরা বাসার আসবাবপত্র, দরজা ও জানালা ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে সেলিনা আক্তারকে মারধর করা হয়। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন প্রতিবেশী ফখরুল ইসলাম।</p><p>এ ঘটনায় সেলিনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। কাপাসগোলা এলাকাটি পাঁচলাইশ থানার অধীন। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে শহীদুল ইসলাম ও আবু হাসনাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।</p><p>নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p><p>এদিকে ঘটনার পর শহীদুল ইসলামকে স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। জানতে চাইলে নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জমির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, সংগঠনের সহযোদ্ধার বাসায় হামলা, পরিবারের সদস্যদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও লুটপাটের অভিযোগে চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহীদুল ইসলামকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগেও তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়।</p><p>এর আগে গত বছরের ৬ জানুয়ারি নগরের পাঁচলাইশের আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে কোতোয়ালি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিনকে হেনস্তা করার অভিযোগে শহীদুলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।</p>

অক্টোবর ১৮, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন