জ্ঞানেশ কুমারকে মোট ৬টি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ‘গণ অভিশংসন’ প্রস্তাব উল্লেখ করে মল্লিকার্জুন খাড়গে একে একে অভিযোগগুলো পড়ে শোনান।
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/baba-fon-venge-fele-erpr-amar-prgres-skairket-kre-jipie-5-pawa-siksharthee</figure>
সৌদি আরবের রিয়াদে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত শামীম হোসেনের মরদেহ ৮২ দিন পর দেশে ফিরেছে। রোজার ঈদে মেয়েকে কোলে নেওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো না তাঁর। একই ঘটনায় নিহত আরেক প্রবাসী সাব্বির আহমেদের মরদেহও ফিরেছে দেশে।
<p>রাজধানীর নিউমার্কেটের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। আজ শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। পরে হকারদের বসা ঠেকাতে ফুটপাতে শতাধিক গাছের চারা বসিয়ে দেয় সংস্থাটি।</p><p>বেলা তিনটার দিকে পূর্বঘোষিত উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে নিউমার্কেট এলাকায় আসেন ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম। শুরুতে নিউমার্কেটের বিপরীত পাশে প্রিয়াঙ্গন শপিং কমপ্লেক্সের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর আজিমপুর–সংলগ্ন নিউমার্কেটের ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়।</p><p>সরেজমিন দেখা যায়, ফুটপাতে অভিযান শুরু হতেই হকাররা তাঁদের মালামাল ও সরঞ্জাম নিয়ে সড়কের বিপরীত পাশে সরে যান। সিটি করপোরেশনের বুলডোজার দিয়ে ফুটপাতে থাকা কয়েকটি চৌকি ভেঙে ময়লার গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। এ সময় উৎসুক জনতার ভিড়ের মধ্যে অনেক হকারকেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/j8pkm8ww/DSCC-Drive-New-Market-2.jpeg"><figcaption>নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান চালায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ৩১ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>অভিযান পরিচালনার পর নিউমার্কেটের ২ নম্বর গেট থেকে ৪ নম্বর গেট পর্যন্ত ফুটপাতে বস্তা ও ড্রামে লাগানো প্রায় শতাধিক গাছের চারা বসিয়ে দেওয়া হয়। বেলা সাড়ে তিনটার পর কর্মীরা যখন ৪ নম্বর গেটের দিকে এগোচ্ছিলেন, তখন আজিমপুর–সংলগ্ন ইউটার্নের ফুটপাতে আবারও কয়েকজন হকার বসার চেষ্টা করেন। পরে ডিএসসিসির কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে গিয়ে তাঁদের চৌকিগুলো সরিয়ে দেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অভিযান শেষ করে এলাকা ত্যাগ করেন কর্মীরা। সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উচ্ছেদ করা অংশে আর কোনো হকারকে বসতে দেখা যায়নি।</p><p>অভিযানের শুরুতে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাত ও সড়ক হকারমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। যত দিন দখল হবে, তত দিন অভিযান চলবে।</p><p>আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা বারবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধ করছি, যাতে তাঁরা রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের ব্যবসা পরিচালনা না করেন। এরপরও কেউ যদি রাস্তা দখল করে বসেন, তবে তাঁদের মালামাল জব্দসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় নেতাদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। তাঁদের সহযোগিতায় নিশ্চিত করতে হবে, যেন কোনোভাবেই সড়কের ওপর অবৈধভাবে কেউ বসতে না পারেন।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/whylad5r/DSCC-Drive-New-Market-3.jpeg"><figcaption>ফুটপাতে দোকান বসানোর জন্য ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ক্রেট ও কাঠের পাটাতন গুঁড়িয়ে দিচ্ছে সিটি করপোরেশনের একটি বুলডোজার। নিউমার্কেট এলাকা, ঢাকা। ৩১ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p><strong>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করার দাবি ডিএসসিসির</strong></p><p>অভিযান শেষে বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, ‘অভিযানের অংশ হিসেবে নীলক্ষেত মোড়সংলগ্ন নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেট থেকে চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট–সংলগ্ন ৪ নম্বর গেট পর্যন্ত মূল রাস্তা ও ফুটপাত এবং প্রিয়াঙ্গন সুপার মার্কেট থেকে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত মূল রাস্তা সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করা হয়।’</p><p>তবে দেখা যায়, সংস্থাটি মূলত নীলক্ষেত মোড়সংলগ্ন নিউমার্কেটের ২ নম্বর গেট থেকে ৪ নম্বর গেট পর্যন্ত অভিযান চালিয়েছে। নিউমার্কেটের ১ ও ৩ নম্বর গেট এলাকায় তখনো হকারদের দোকান বসানোর সরঞ্জাম রয়ে গিয়েছিল।</p>
<p>এইচএসসির ফল প্রকাশের দিনে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আনন্দ–উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। কেউ ঢাকঢোল বাজিয়ে উদ্যাপন করেন, কেউ ভাগ করে নেন নিজেদের সাফল্যের গল্প। জিপিএ–৫ পাওয়া এক শিক্ষার্থী তাঁর ভালো ফলের পেছনে মা–বাবার অবদানের কথাও বলেন। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে—</p><figure></figure>
<p>চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার ২ হাজার ৯০১টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১০৯ জন, আহত ২ হাজার ৭৯২ জন। একই সময়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬১৭ নারী ও শিশু। তাঁদের মধ্যে ৩৮৮ জনই ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু।</p><p>এ ছাড়া গণপিটুনিতে ৭৪ জন এবং কারাগারে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে নিহত হয়েছেন ১১ বাংলাদেশি।</p><p>মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ মাসে নির্বাচনী সহিংসতার ১ হাজার ৩৮১টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩ জন, আহত হয়েছেন ১ হাজার ৩৬৮ জন। গণপিটুনিতে নিহত ৭৪ জনের মধ্যে মে মাসে সর্বোচ্চ ১৩ জন এবং জুনে ১২ জন মারা গেছেন।</p><p><strong>ধর্ষণের শিকার ৩৮৮ শিশু</strong></p><p>অধিকারের হিসাবে, ধর্ষণের শিকার ৬১৭ জনের মধ্যে ৩৮৮ মেয়েশিশু এবং ২২৭ জন প্রাপ্তবয়স্ক নারী। বাকি দুজনের বয়স জানা যায়নি। এ সময়ে যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়ে ২২ নারী নিহত হয়েছেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৩৭ জন এবং আত্মহত্যা করেছেন ৭ জন। নারীদের উত্ত্যক্ত করার ৩৭টি ঘটনা ঘটেছে।</p><p>সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ১৬৯টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে অধিকার। এর মধ্যে ৬৫টি ঘটনায় সাংবাদিকেরা আহত হয়েছেন, ২২ জন লাঞ্ছিত এবং ২৫ জন হুমকির শিকার হয়েছেন। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ২৮টি মামলা ও ২১টি অপহরণের ঘটনাও ঘটেছে। এ ছাড়া পাঁচটি হামলা, একজন সাংবাদিকের গ্রেপ্তার এবং একজনকে নির্যাতনের ঘটনা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গুমের শিকার হয়েছেন দুজন।</p><p><strong>কারাগারে ধারণক্ষমতার আড়াই গুণ বন্দী</strong></p><p>দেশের ৭৫টি কারাগারে বন্দী ধারণক্ষমতা ৪৩ হাজার ১৫৭ জন। অথচ গত ১৩ সেপ্টেম্বর এসব কারাগারে বন্দী ছিলেন ১ লাখ ৫ হাজার ১০২ জন। অর্থাৎ ধারণক্ষমতার আড়াই গুণের বেশি বন্দী। ৯ মাসে কারাগারে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। কারাগারে নির্যাতন, দুর্নীতি এবং অসুস্থ বন্দীদের হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার অভিযোগও প্রতিবেদনে রয়েছে।</p><p>এ সময়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ১০ জন। তাঁদের মধ্যে নির্যাতনে ছয়জন, পিটিয়ে দুজন এবং গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশ পেয়েছেন ২০০ জন।</p><p>সীমান্তে বিএসএফের হাতে ১১ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয়েছেন ১১ জন। এ ছাড়া বাংলাদেশে ৫৬ জনকে পুশ ইন করার ঘটনা ঘটেছে। সব মিলিয়ে বিএসএফের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ৭৮টি ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p><strong>গুম ও মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে উদ্বেগ</strong></p><p>গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে অধিকার। সংগঠনটির মতে, আইনটির ১৪(৩) ধারায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব অন্য কোনো বাহিনী বা আন্তবাহিনী তদন্ত দলকে দেওয়ার বিধান থাকায় নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আর ২১ ধারায় অভিযোগ আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারকে অভিযোগ করতে নিরুৎসাহিত করতে পারে।</p><p>জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনেও প্যারিস নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন আইনের ১৯ ধারা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা এর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে কমিশন নিজ উদ্যোগে তদন্ত করতে পারবে না।</p><p>এ ছাড়া র্যাব বিলুপ্তির প্রতিশ্রুতি থাকলেও গত ১৫ সেপ্টেম্বর সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন পাসের মাধ্যমে র্যাবের জনবল, সম্পদ, ক্ষমতা ও চলমান মামলাসহ বিভিন্ন বিষয় নতুন বাহিনীতে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে অধিকার। এতে র্যাবের প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে বলে মনে করে সংগঠনটি।</p><p>অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হওয়ায় বাতিল হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি। এ ছাড়া পুলিশে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে অধিকার।</p>
<p>প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ নষ্ট। দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণের ভুলে গোল হজম। তারপর লাল কার্ড, পেনাল্টি থেকে আরও এক গোল। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দুর্দশার যেন শেষ নেই! স্টামফোর্ড ব্রিজে কাল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চেলসির কাছে ২-০ গোলে হেরেছে ইউনাইটেড। টানা ৯ ম্যাচে জয়হীন দলটি এখন অবনমন অঞ্চলের মাত্র ১ পয়েন্ট ওপরে। সপ্তাহ শেষে পয়েন্ট তালিকার শেষ তিনেও নেমে যেতে পারে ইংল্যান্ডের ২০ বারের চ্যাম্পিয়নরা।</p><p>তবে ইউনাইটেডের চেয়েও বেশি বিপদে সম্ভবত কোচ মাইকেল ক্যারিক। তাঁর চাকরিটাই যে এখন সুতোয় ঝুলছে!</p><p>গত সপ্তাহে নিজেদের মাঠে বোর্নমাউথের কাছে ৩-০ গোলে হারের পরই ক্যারিকের বিদায় দেখেছিলেন অনেকে। ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ অবশ্য সাবেক এই মিডফিল্ডারকে আরও একটি সুযোগ দেয়। কিন্তু সেই সুযোগও কাজে লাগাতে পারলেন না ক্যারিক।</p><p>অথচ প্রথমার্ধে গল্পটা অন্য রকম হতে পারত। চ্যাম্পিয়নস লিগে কোমোর কাছে ৪-১ গোলে হারের পর কোচের কৌশলের সমালোচনা করায় বোর্নমাউথের বিপক্ষে বাদ পড়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। কাল অধিনায়ককে আবার প্রথম একাদশে ফেরান ক্যারিক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/tjb0t9yr/Bruno_Fernandes_missed_vs_Chelsea.webp"><figcaption>ব্রায়ান এমবেউমোর ক্রস থেকে সহজ সুযোগ পেয়েও বল উড়িয়ে মারেন ফার্নান্দেজ। </figcaption></figure> <p>ব্রায়ান এমবেউমোর ক্রস থেকে সহজ সুযোগ পেয়েও বল উড়িয়ে মারেন ফার্নান্দেজ। পরে তাঁর ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারেননি এমবেউমো। আমাদ দিয়ালোর দুটি প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন চেলসির বদলি গোলকিপার মাইক পেন্ডার্স।</p><p>একবার বল জালেও পাঠিয়েছিল ইউনাইটেড। হ্যারি ম্যাগুয়ারের হেড থেকে গোল করেন মাতেউস কুনিয়া। কিন্তু অফসাইডে বাতিল হয় সেটি। বিরতিতে সম্প্রচারকদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে হতাশা লুকাতে পারেননি ক্যারিক। কে জানত, আরও বড় হতাশা অপেক্ষা করছে দ্বিতীয়ার্ধে!</p><p>৫০ মিনিটে ইউনাইটেডের রক্ষণ চিরে গোল করেন মরগান রজার্স। মাঝমাঠের বৃত্তের ভেতর বল পেয়ে প্রায় বিনা বাধায় এগিয়ে যান ইংল্যান্ডের এই ফুটবলার। তারপর গোলকিপার সেন্নে লামেন্সের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/l8e2tafr/MorganRogerscelebratesagainstUnited.webp"><figcaption>৫০ মিনিটে ইউনাইটেডের রক্ষণ চিরে গোল করেন মরগান রজার্স। </figcaption></figure> <p>ক্যারিকের জন্য গোলটা ছিল আরও বেদনাদায়ক। মিডলসব্রোতে একসঙ্গে কাজ করার সময় ক্যারিকই রজার্সের ক্যারিয়ারে নতুন গতি এনে দিয়েছিলেন। সেই রজার্সই এবার পুরোনো গুরুর বিপদ বাড়ালেন!</p> <p>এরপর ইউনাইটেডের সর্বনাশ ডেকে আনেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।</p><p>সম্প্রতি দলবদলের বাজারে ইউনাইটেডের পর্যাপ্ত অর্থ খরচ না করার সমালোচনা করেছিলেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার। অথচ মাঠে তাঁর পারফরম্যান্সই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/651ezich/ColePalmerscorespenaltyagainstManUnited.webp"><figcaption>কোল পালমারের পেনাল্টি শটে হাত লাগিয়েও গোল ঠেকাতে পারেননি লামেন্স।</figcaption></figure><p>রজার্সকে টেনে ধরে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন মার্তিনেজ। এরপর ফ্রি-কিকের সময় উঁচু করা কনুই দিয়ে আঘাত করেন ওয়েসলি ফোফানাকে। ভিএআর দেখে রেফারি পিটার ব্যাংকস পেনাল্টি দেন। দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে মাঠ ছাড়তে হয় মার্তিনেজকে।</p><p>কোল পালমারের পেনাল্টি শটে হাত লাগিয়েও গোল ঠেকাতে পারেননি লামেন্স।</p><p>চেলসির দায়িত্বে জাবি আলোনসো আসার পর খুব কমই শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছেন এস্তেভাও। কাল সুযোগ পেয়ে পালমারের পাস থেকে দুর্দান্ত শটে গোলও করেছিলেন। কিন্তু অফসাইডে বাতিল হয় সেটি।</p><p>শেষ ২৫ মিনিটে ইউনাইটেডকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে চেলসি। গ্যালারি থেকে তখন ভেসে আসছে ক্যারিকের বরখাস্ত হওয়ার স্লোগান। তবে ব্যবধান আর বাড়েনি।</p><p>ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষের সামনে এখন কঠিন সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার ওল্ড ট্রাফোর্ডে চ্যাম্পিয়নস লিগে রোমার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। ইউরোপে প্রথম তিন ম্যাচের দুটিতেই হেরেছে ইউনাইটেড। ইতালিয়ানদের কাছে আরেকটি হার মানে আগেভাগে বিদায়ের লজ্জা, সঙ্গে বড় আর্থিক ধাক্কাও।</p><p>প্রশ্ন একটাই, সেই ম্যাচে ইউনাইটেডের ডাগআউটে ক্যারিককে দেখা যাবে তো?</p>
<p>প্রেরক: চেনা কেউ</p><p>প্রাপক: জান্নাত</p><p>আমার না হয়েও আমার হয়ে থাকা মানুষটির জন্মদিনে শুভ জন্মদিন, প্রিয়তমা।</p><p>আজকের দিনটি আমার কাছে বছরের সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলোর একটি। কারণ, এই দিনেই পৃথিবী পেয়েছিল আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে। মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তোমার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত সুখ, শান্তি আর ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠুক। তোমার মুখের হাসিটুকু অটুট থাকুক আজীবন।</p><p>আজ ৩১ অক্টোবর—আমার না হওয়া মহারানির জন্মদিন।</p><p>সামর্থ্য থাকলে আজ শহরের প্রতিটি বিলবোর্ডে তোমার নাম লিখে দিতাম। পুরো শহরকে জানিয়ে দিতাম, পৃথিবীতে একজন মানুষ আছে, যে কাউকে নিজের করে না পেয়েও নিঃশব্দে ভালোবেসে যায়। জানিয়ে দিতাম এক অপূর্ণ ভালোবাসার পূর্ণাঙ্গ গল্প।</p><p>কিন্তু সেই সামর্থ্যটুকু আমার নেই। তাই শহরের বিলবোর্ডে নয়, এই ছোট্ট চিরকুটের কয়েকটি শব্দে নিজের দীর্ঘশ্বাস আর জমে থাকা ভালোবাসাটুকু সঁপে দিলাম।</p><p>হয়তো তোমার জীবনের গল্পে আমার কোনো অধ্যায় নেই, তবু আমার অনুভূতির গল্পে তুমি আছ পুরোটাজুড়ে।</p><p>আবারও জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। ভালো থেকো, হাসিখুশি থেকো—আমার না হয়েও আমার হয়ে থাকা মানুষটি।</p><p>ইতি,</p><p>চেনা কেউ</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote>
দেশটির হ্যাকাররা বিশ্বের বড় বড় ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ ও ডিজিটাল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা চালিয়ে কয়েক বছর ধরে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।