মুমিনুলের জায়গায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের দলে ঢুকেছেন অমিত হাসান। প্রথম টেস্টের দল থেকে এই একটি পরিবর্তনই এনেছে বিসিবি।
আটক ১০৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাকি ১২৯ জনকে মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
নরসিংদীর শিবপুরে নারী উদ্যোক্তা নিপা ইসলামের পিঠা তৈরির কারখানায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ৪৩ জনের কর্মসংস্থানের এই কারখানায় মাসে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার পিঠা বিক্রি হতো। আগুনে কারখানা, সরঞ্জাম ও আসবাব পুড়ে গেছে।
এদিন মোংলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে ঘুরে বন্ধুসভার বন্ধুরা কিশোর–কিশোরীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে প্রচারণা চালান। ‘বই বাড়ায় জ্ঞান, ছড়ায় আলো’ প্রতিপাদ্যে তাদের মধ্যে বই ও কলম বিতরণ করা হয়।
<p>তরুণ উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণার গল্প নিয়ে প্রথম আলো ডটকমের বিশেষ আয়োজন: প্রাইম ব্যাংক নিবেদিত ‘লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ: সিজন–৩’।</p><p>এ পর্বের অতিথি মজার ইশকুলের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আরিয়ান আরিফ। পথশিশুদের শিক্ষা, জীবনমান উন্নয়ন ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে কীভাবে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি, সেই গল্পই শুনিয়েছেন এ পর্বে।</p><p>বিস্তারিত জানতে দেখুন ভিডিওটি....</p><figure></figure>
জ্ঞানেশ কুমারকে মোট ৬টি অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ‘গণ অভিশংসন’ প্রস্তাব উল্লেখ করে মল্লিকার্জুন খাড়গে একে একে অভিযোগগুলো পড়ে শোনান।
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/baba-fon-venge-fele-erpr-amar-prgres-skairket-kre-jipie-5-pawa-siksharthee</figure>
সৌদি আরবের রিয়াদে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত শামীম হোসেনের মরদেহ ৮২ দিন পর দেশে ফিরেছে। রোজার ঈদে মেয়েকে কোলে নেওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো না তাঁর। একই ঘটনায় নিহত আরেক প্রবাসী সাব্বির আহমেদের মরদেহও ফিরেছে দেশে।
<p>রাজধানীর নিউমার্কেটের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। আজ শনিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। পরে হকারদের বসা ঠেকাতে ফুটপাতে শতাধিক গাছের চারা বসিয়ে দেয় সংস্থাটি।</p><p>বেলা তিনটার দিকে পূর্বঘোষিত উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে নিউমার্কেট এলাকায় আসেন ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম। শুরুতে নিউমার্কেটের বিপরীত পাশে প্রিয়াঙ্গন শপিং কমপ্লেক্সের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর আজিমপুর–সংলগ্ন নিউমার্কেটের ফুটপাত থেকে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়।</p><p>সরেজমিন দেখা যায়, ফুটপাতে অভিযান শুরু হতেই হকাররা তাঁদের মালামাল ও সরঞ্জাম নিয়ে সড়কের বিপরীত পাশে সরে যান। সিটি করপোরেশনের বুলডোজার দিয়ে ফুটপাতে থাকা কয়েকটি চৌকি ভেঙে ময়লার গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। এ সময় উৎসুক জনতার ভিড়ের মধ্যে অনেক হকারকেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/j8pkm8ww/DSCC-Drive-New-Market-2.jpeg"><figcaption>নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান চালায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ৩১ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>অভিযান পরিচালনার পর নিউমার্কেটের ২ নম্বর গেট থেকে ৪ নম্বর গেট পর্যন্ত ফুটপাতে বস্তা ও ড্রামে লাগানো প্রায় শতাধিক গাছের চারা বসিয়ে দেওয়া হয়। বেলা সাড়ে তিনটার পর কর্মীরা যখন ৪ নম্বর গেটের দিকে এগোচ্ছিলেন, তখন আজিমপুর–সংলগ্ন ইউটার্নের ফুটপাতে আবারও কয়েকজন হকার বসার চেষ্টা করেন। পরে ডিএসসিসির কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে গিয়ে তাঁদের চৌকিগুলো সরিয়ে দেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অভিযান শেষ করে এলাকা ত্যাগ করেন কর্মীরা। সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উচ্ছেদ করা অংশে আর কোনো হকারকে বসতে দেখা যায়নি।</p><p>অভিযানের শুরুতে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাত ও সড়ক হকারমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে। যত দিন দখল হবে, তত দিন অভিযান চলবে।</p><p>আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা বারবার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধ করছি, যাতে তাঁরা রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে কোনো ধরনের ব্যবসা পরিচালনা না করেন। এরপরও কেউ যদি রাস্তা দখল করে বসেন, তবে তাঁদের মালামাল জব্দসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় নেতাদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। তাঁদের সহযোগিতায় নিশ্চিত করতে হবে, যেন কোনোভাবেই সড়কের ওপর অবৈধভাবে কেউ বসতে না পারেন।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/whylad5r/DSCC-Drive-New-Market-3.jpeg"><figcaption>ফুটপাতে দোকান বসানোর জন্য ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ক্রেট ও কাঠের পাটাতন গুঁড়িয়ে দিচ্ছে সিটি করপোরেশনের একটি বুলডোজার। নিউমার্কেট এলাকা, ঢাকা। ৩১ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p><strong>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করার দাবি ডিএসসিসির</strong></p><p>অভিযান শেষে বিকেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, ‘অভিযানের অংশ হিসেবে নীলক্ষেত মোড়সংলগ্ন নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেট থেকে চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট–সংলগ্ন ৪ নম্বর গেট পর্যন্ত মূল রাস্তা ও ফুটপাত এবং প্রিয়াঙ্গন সুপার মার্কেট থেকে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত মূল রাস্তা সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করা হয়।’</p><p>তবে দেখা যায়, সংস্থাটি মূলত নীলক্ষেত মোড়সংলগ্ন নিউমার্কেটের ২ নম্বর গেট থেকে ৪ নম্বর গেট পর্যন্ত অভিযান চালিয়েছে। নিউমার্কেটের ১ ও ৩ নম্বর গেট এলাকায় তখনো হকারদের দোকান বসানোর সরঞ্জাম রয়ে গিয়েছিল।</p>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।