বাংলাদেশ

আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ছাদে বসছে ৩০০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ

অক্টোবর ১২, ২০২৬
আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ছাদে বসছে ৩০০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ
আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ছাদে বসছে ৩০০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ
জাতীয় আর্কাইভস ভবনের ছাদে ৩০০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ডেসকো, আর্কাইভস অধিদপ্তর ও ফাইবার অ্যাট হোমের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে।

Prothomalo

View more
নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা
নানক–তাপসের হাতে অস্ত্র দেখি: জবানবন্দিতে জুলাই শহীদের মা

<p>জুলাই মাসের গণ–অভ্যুত্থানে তাঁর ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তাসলিমা আক্তার ঢাকা উদ্যান থেকে রিকশা নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রওনা হয়েছিলেন, জবানবন্দিতে এমনটাই উল্লেখ করেছেন তিনি। তাসলিমা আক্তারের জবানবন্দিতে বলেছেন, ‘কিছু দূর যাওয়ার পর আমি রাস্তায় আগুন জ্বলতে দেখি এবং কমিশনার আসিফ, কমিশনার রাজিব, জাহাঙ্গীর কবির নানক, তাপস, বিপ্লব এদের হাতে অস্ত্র দেখতে পাই। আমার সামনেই একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ’</p><p>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১–এ সোমবার তাসলিমা আক্তার জবানবন্দি দেন। তিনি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষী।</p><p>জুলাই শহীদ ইসমাইলের মা তাসলিমা আক্তার জবানবন্দিতে বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই দুপুরের খাবার খেয়ে ইসমাইল তিনটার দিকে বাসা থেকে বের হয়। সে আল্লাহ করিম মসজিদের পাশে গ্লাস ফ্যাক্টরির সামনে আন্দোলনে যোগ দেয়। ইসমাইলকে তার খালা ফোন দিলে প্রথমে সে ফোন ধরে না। কয়েকবার ফোন দেওয়ার পর তার বন্ধু কালু ফোন ধরে বলে ইসমাইল গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ইসমাইলকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেদিন রাত ১০টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছান এবং জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, তাঁর ছেলের অবস্থান জানতে চাইলে তাঁকে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। মর্গে গিয়ে তিনি দেখতে পান তিন থেকে চার শ লাশ স্তূপীকৃত অবস্থায় রয়েছে। তিনি তাঁর ছেলের পোশাক দেখে চিনতে পারেন এবং দেখেন তাঁর ছেলে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে।</p><p>ছেলের হত্যাকাণ্ডের জন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং শেখ ফজলে নূর তাপসসহ অনেককেই দায়ী করেন তাসলিমা আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।’</p><p>এই মামলার ২৮ আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাঁরা হলেন সাবেক আনসার সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং যুবলীগ কর্মী কে এম ফজলে রাব্বী। নানক, তাপসসহ এই মামলার ২৪ আসামি পলাতক।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের
সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবি ক্যাবের

<p>নিত্যপণ্য, ওষুধ, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছেন দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় এসব দাবি জানান ক্যাবের নেতারা।</p><p>মানববন্ধনে ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, সরকারের কাছে জনবান্ধব সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা থাকলেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের চাপ সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে। ভোজ্যতেলের দামও আবার বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠী বাজারে সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে।</p><p>সফিকুজ্জামান বলেন, সামনে রমজান বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে এখনই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ১৮ কোটি মানুষের দাবি বিবেচনায় নিয়ে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/8j291pp8/Cab-Protest-02.jpg"><figcaption>নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন। সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে </figcaption></figure><p>প্রতিবাদ সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ধনীদের তুলনায় দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর অনেক বেশি পড়ছে। সরকারকে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, কৃত্রিম সংকট নিরসন করতে হবে এবং বিকল্প বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে।</p><p>ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতি মানুষের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দিচ্ছে। সাধারণ ভোক্তাদের জীবন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বাজার নিয়ন্ত্রণ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং মূল্যবৃদ্ধি রোধে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।</p><p>প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য দেন ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ। বক্তারা বলেন, রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির ব্যবসায়ী বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভোক্তা, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ
দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে সংহতি সমাবেশ

ভারতের দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এবং তাঁদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ঢাকার শাহবাগে সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
নিজ দপ্তরে ১২ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েটের নতুন উপাচার্য, বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন
নিজ দপ্তরে ১২ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েটের নতুন উপাচার্য, বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন

<p>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ১২ ঘণ্টা ধরে নিজ দপ্তরে অবরুদ্ধ রয়েছেন। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিলে তিনি ভেতরে আটকা পড়েন। সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বর্তমান উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেন।</p><p>রাত ১২টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন। উপাচার্য ও ভবনের ভেতরে থাকা অন্যরা অবরুদ্ধ রয়েছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/9hy7rvtlrk">উপাচার্যকে ভেতরে রেখে ভবনে তালা দিলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা, ‘নতুন ভিসি প্রত্যাখ্যান’ স্লোগান</a></aside><p>গত ২১ সেপ্টেম্বর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদে এবং তাঁকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁরা সর্বাত্মক ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। এতে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।</p><p>শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, সোমবার সকাল নয়টার দিকে উপাচার্য প্রশাসনিক ভবনের ফটকের তালা ভেঙে চুয়েট ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিজের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। খবর পেয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দুপুর ১২টা পর্যন্ত তাঁকে ভবন ছাড়ার সময়সীমা বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি বের না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।</p><p>এতে উপাচার্যের সঙ্গে চুয়েট ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ ও তাঁর সহযোগীরা এবং কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীও ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন। এরপর শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-12/gze5s1ld/WhatsApp-Image-2026-10-13-at-12.15.18-AM.jpeg"><figcaption>প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের অবস্থান। সোমবার রাত সাড়ে ১১টায়</figcaption></figure><p>এদিকে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একই সঙ্গে নতুন করে ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’ পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বেলা সোয়া তিনটায় তিন সংগঠনের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’ ঘোষণা করা হয়েছে।</p><p>তিন সংগঠনের নেতারা জানান, নবনিযুক্ত উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাঁরা ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’ পালন করবেন। পূর্বঘোষিত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতির পাশাপাশি সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি পালন করা হবে। নতুন উপাচার্যকে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবেন না তাঁরা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/4skxb9davu">চুয়েটে শাটডাউন: ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তালা ভেঙে নিজ দপ্তরে ঢুকলেন নতুন উপাচার্য</a></aside><p>সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাউজানের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংছিং মারমা চুয়েট ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি অবরুদ্ধ উপাচার্যসহ অন্যদের জন্য বিদ্যুৎ, পানি ও খাবারের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। শিক্ষার্থীরা জানান, ভেতরে খাবার ও পানি দেওয়া হয়েছে, তবে বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়া হবে না।</p><p>এ সময় যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন মূলত উনার ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে ছিল না। কিন্তু তিনি ক্যাম্পাসে আসার আগেই আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন আটকে দিয়েছিলেন। আজ তালা ভেঙে অফিসে প্রবেশ করেছেন এবং চুয়েটের বাসে হামলা করিয়েছেন। এখন আর কোনো আপস নয়, আমরা সরাসরি তাঁর পদত্যাগ চাই। তিনি পদত্যাগ করলেই সসম্মানে বিদ্যুৎ, পানিসহ সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3qwr5dq8nt">চুয়েটে এবার ‘সর্বাত্মক অসহযোগ কর্মসূচি’র ঘোষণা দিলেন শিক্ষক-কর্মচারীরা</a></aside>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনে উদীচী ও গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের সংহতি
দিল্লির যন্তর মন্তরের আন্দোলনে উদীচী ও গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের সংহতি

<p>ভারতের রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী (একাংশ) ও গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য। আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, তাঁদের আটক ও নির্যাতনের অভিযোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংগঠন দুটি। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>সোমবার উদীচী ও গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য পৃথক বিবৃতিতে এ অবস্থান জানায়। একটি বিবৃতিতে উদীচী একাংশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন স্বাক্ষর করেন। অন্যটিতে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহ্বায়ক হিসেবে জামসেদ আনোয়ার তপন এবং এই মোর্চার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা স্বাক্ষর করেন।</p><p>উদীচীর বিবৃতিতে বলা হয়, যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আন্দোলনের সংগঠক, রাজনৈতিক নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের আটক এবং তাঁদের ওপর নিপীড়নের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, নানা বাধা ও নিপীড়ন উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা তাঁদের প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছেন। এই আন্দোলন এখন ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভোটাধিকার রক্ষার সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছে।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্দোলনকারীরা ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বিপুলসংখ্যক মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত করা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কারসাজির মাধ্যমে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সুবিধা দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়মে নির্বাচন কমিশন জড়িত। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের দাবি জানিয়েছে উদীচী।</p><p>গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের বিবৃতিতে বলা হয়, যন্তর মন্তর ভারতের সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, প্রতিবাদ ও দাবি জানানোর ঐতিহাসিক স্থান। সেখানে চলমান আন্দোলনে অংশ নেওয়া নাগরিক, রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংগঠন, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের অহিংস অবস্থানের প্রতি সংহতি জানানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সংগঠক ও কর্মীদের আটক-নিপীড়নের নিন্দাও জানানো হয়।</p><p>উভয় বিবৃতিতে আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অন্যায়ভাবে আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া এবং তাঁদের সঙ্গে আইনানুগ ও মানবিক আচরণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
যুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতির অভিযোগে আবারও বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশীয়দের নাম
যুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতির অভিযোগে আবারও বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশীয়দের নাম

সমকামী পরিচয়ে ভুয়া আশ্রয় আবেদন তৈরিতে সহায়তার অভিযোগে গত মঙ্গলবার লন্ডনের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী সাজ্জাদ মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ব্রিটিশ অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

<p>রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে এবং তাদের প্রতি সহিংসতা, যৌন হয়রানি রোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p> রাষ্ট্রপতি বলেছেন, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথ থেকে শুরু করে, বিদ্যালয়ের পরিবেশ, অনলাইন জগৎ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সর্বত্র কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ, যৌন হয়রানির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, কার্যকর বিচার ও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতির কঠোর বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।</p><p> আজ সোমবার আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p><p> মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড অ্যাডভোকেসি ফোরাম (এনজিসিএএফ) যৌথভাবে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।</p><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘কন্যাশিশুর কল্যাণে সবচেয়ে জরুরি হলো সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদেরও সমান গুরুত্ব দিতে হবে এবং তাদের স্বপ্নপূরণের পথ তৈরি করে দিতে হবে। তাদের স্বপ্নপূরণের পথ তৈরি করে দেওয়া আমাদের গুরুদায়িত্ব।’ তিনি আরও বলেন, মেয়েরা শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধুলা, প্রযুক্তি, গণমাধ্যম, ব্যবসা-বাণিজ্য, রাষ্ট্রীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে।</p><p>এ সময় বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের আন্তর্জাতিক সাফল্য ও বাংলাদেশি নারী নিশাত মজুমদারের এভারেস্ট জয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এই অর্জনগুলো দেশের জন্য গর্বের বিষয়। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কন্যাশিশুকে বোঝা নয়, তাদেরকে সম্ভাবনা হিসেবে দেখুন। ছেলে ও মেয়েকে সমান মর্যাদা দিন এবং ছেলেদের ছোটবেলা থেকে মেয়েদেরকে সম্মান করতে শেখান। একই সঙ্গে তিনি মেয়েদের বিয়ের জন্য সঞ্চয়ের আগে তাদের শিক্ষা ও কল্যাণে বিনিয়োগ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, কন্যাশিশুর জন্ম কোনো বোঝা নয়; বরং অফুরন্ত সম্ভাবনার সূচনা। তার শিক্ষা কোনো দয়া নয়, এটি মৌলিক অধিকার। আর তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব।</p><p>দুই কন্যার পিতা হিসেবে প্রতিটি কন্যাশিশুর মধ্যে নিজের সন্তানদের মুখ দেখতে পান উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘কন্যাশিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলা আমার জন্য শুধু সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নয়, গভীর মমতারও বিষয়।’ তিনি বলেন, কন্যাশিশুর প্রতি সম্মান ও দায়িত্বশীল আচরণে ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা জরুরি। কন্যাসন্তান স্রষ্টার নেয়ামত হলেও সমাজে অনেক সময় এ নেয়ামতকে অবমূল্যায়ন ও অবহেলা করা হয়। সব ধর্মের নৈতিক শিক্ষায় নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’</p><p>এ বছরের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শিশু বিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিশু বিয়ে শুধু একটি বিয়ে নয়, এর ফলে তাদের শৈশব থেমে যায়, শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয় এবং সম্ভাবনার অপচয় ঘটে। এর সঙ্গে অকালমাতৃত্ব, স্বাস্থ্যঝুঁকি, অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা ও সহিংসতার আশঙ্কাও যুক্ত হতে পারে।</p><p>রাষ্ট্রপতি বলেন, কন্যাশিশু নির্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনা প্রতিরোধে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ সময় তিনি প্রতিটি উপজেলায় কিশোরীবান্ধব ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করার পাশাপাশি হেল্পলাইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।</p><p>কন্যাশিশুদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে, শিক্ষাকে আঁকড়ে ধরতে হবে, দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যায়, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হলে বিশ্বস্ত অভিভাবক, শিক্ষক কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। এ সময় তিনি কন্যাশিশুদের আত্মরক্ষার জন্য মার্শাল আর্ট শেখার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, তোমাদের সাফল্যের সঙ্গে শুধু তোমাদের পরিবার নয়; বরং সমাজ এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎও জড়িয়ে আছে।</p><p>রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, কন্যাশিশুর বিশ্বজয়ের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক দক্ষতা, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং সর্বোপরি মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘নারী ও কন্যাশিশুকে পিছিয়ে রেখে কোনো সমাজ বা জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তাই প্রতিটি কন্যাশিশু যেন নিরাপদে জন্ম নেয়, নির্ভয়ে বেড়ে ওঠে, স্বপ্ন নিয়ে পড়াশোনা করে, দক্ষতা অর্জন করে এবং নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’</p><p>এ সময় রাষ্ট্রপতি খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বলেন, নারী শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিনি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি নারীদের জন্য শিক্ষা বৃত্তি ও বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন। নারীর নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তিনি সরকারি দলের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি (পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।</p><p>এ সময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সব কন্যাশিশুর সুস্থ, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও আলোকিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।</p><p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান।</p><p>অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব রওশন আরা বেগম এবং এনজিসিএএফের সহসভাপতি শাহীন আক্তার।</p><p>এর আগে মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শায়লা শারমিন জামান স্বাগত বক্তব্য দেন। এরপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং দুজন কন্যাশিশু তাদের মতামত তুলে ধরে।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
সহযোগীদের গুলিতে ‘ডাকাত সরদার’ নিহত, সিসিটিভিতে গুলি করার দৃশ্য
সহযোগীদের গুলিতে ‘ডাকাত সরদার’ নিহত, সিসিটিভিতে গুলি করার দৃশ্য

সহযোগীদের গুলিতে ‘ডাকাত সরদার’ নিহত, সিসিটিভিতে গুলি করার দৃশ্য

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ছাদে বসছে ৩০০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ
আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের ছাদে বসছে ৩০০ কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ

জাতীয় আর্কাইভস ভবনের ছাদে ৩০০ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ডেসকো, আর্কাইভস অধিদপ্তর ও ফাইবার অ্যাট হোমের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন