প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৬ শিক্ষার্থী ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
একুশে বিজনেস || বিপ্লব কুমার রায়-সিইও, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড।
হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।
সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।
কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।
টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা
মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।
ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই
ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।
বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।
সাব্বিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ সাত দিনে ওয়েব অ্যাপটিতে ২ কোটি ৪০ লাখ ভিজিট হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিক ভিজিটরের সংখ্যা ১৯ লাখ ৮০ হাজার।
<p>একাধিকবার মন ভাঙার পর একটি সম্পর্কে কীভাবে থিতু হলেন, তা–ই নিয়ে একটি লেখা লিখেছিলেন ‘ভ্যারাইটি’ ম্যাগাজিনের ক্যালিগ্রাফার ও ডিজাইনার <strong>এরিকা টি</strong>। সেখানে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তিনটি বিষয়ে সীমারেখা টানার কথা বলেছেন তিনি। <strong>তারেক হাসান সরকার</strong>–এর সংক্ষিপ্ত অনুবাদে সেগুলো জেনে নিই চলুন। </p><p>গভীরভাবে কারও প্রেমে পড়ে গেলে সম্পর্কের মধ্যে সীমারেখা (বাউন্ডারি) টানাটা হয়তো অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। বরং মনে হবে, ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে যত বেশি সময় কাটানো যায়, ততই ভালো। কিন্তু নতুন একটি সম্পর্ককে সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী করতে কখনো কখনো একটু দূরত্ব, ব্যক্তিগত সময় এবং সচেতন কিছু নিয়মই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। </p><p>এক বন্ধুর নতুন বাড়িতে ওঠার পার্টিতে পলের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা। শুরুতেই তার উজ্জ্বল নীল চোখ আমার নজর কাড়ে। পার্টির বেশির ভাগ সময় স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করলেও মনের অজান্তেই তাকে খুঁজছিলাম। পার্টির শেষ দিকে সবাই যখন চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, দেখলাম পল বাইরে একা বসে আছে। বন্ধুদের বললাম, তোরা চলে যা, আমি পরে আসছি। পলের সঙ্গে কথা না বলে সেদিন কেন যেন চলে যেতে পারিনি। </p><p>কথা শুরু করার পর কখন যে এক ঘণ্টা কেটে গেল, বুঝতেই পারিনি। তখনই মনে হলো, খুব সহজেই এই মানুষটির প্রেমে পড়ে যেতে পারি। কারণ, প্রেমে পড়ে যাওয়া আমার জন্য নতুন কিছু নয়। সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়—আগের প্রতিটি সম্পর্কের শুরুতে খুব দ্রুত ও তীব্রভাবে জড়িয়ে পড়ি, তারপর ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। পলের সঙ্গে একটা পাকাপোক্ত সম্পর্ক গড়তে চেয়েছি। যে কারণে এবার পুরোনো অভ্যাসে ফিরতে চাইনি। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/69xo3mta/IMG_9600.jpg"><figcaption>সুস্থ সম্পর্কের জন্য সীমারেখা আসলে খুব গুরুত্বপূর্ণ</figcaption></figure><p>পলের সঙ্গে প্রথম ডেটেই আমরা নিজেদের পুরোনো সম্পর্কগুলোর ভুলগুলো নিয়ে কথা বললাম। দুজনেই চাইছিলাম, সম্পর্কটা টিকুক। তাই ধীরে–সুস্থে শক্ত ভিত্তির ওপর সম্পর্কটি গড়তে চেয়েছি। সেই আলোচনা থেকেই এল ‘সীমারেখা’ টানার প্রসঙ্গ।</p><p>আগে শব্দটি আমার কাছে কিছুটা কঠিন মনে হলেও পরে বুঝলাম, সুস্থ সম্পর্কের জন্য সীমারেখা আসলে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিখ্যাত থেরাপিস্ট জ্যাক ব্রিটলের ভাষায়, সীমারেখা একটি সম্পর্ককে ‘নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা’ দেয়। সেই ধারণা থেকেই আমরা নিজেদের সম্পর্কের জন্য তিনটি সীমারেখা ঠিক করেছিলাম।</p><h3>১. গভীর রাত পর্যন্ত ফোনে কথা নয়</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-10-01/w7abz0rl/MG8681.jpg"><figcaption>অনেক রাত জেগে ফোনকল বা ভিডিওতে আড্ডা দিলে তার প্রভাব পড়বে পরের দিনের কাজে </figcaption></figure><p>সম্পর্কের শুরুতে আমরা প্রায় প্রতিদিন দিবাগত রাত একটা পর্যন্ত ফোনে কথা বলতাম। একে অপরকে জানার আগ্রহ থেকেই এত দীর্ঘ কথোপকথন। কিন্তু এর প্রভাব আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পড়তে শুরু করে। সকালে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হতো, ব্যায়াম ও অন্যান্য নিয়মিত কাজ বাদ পড়ে যেত, কর্মক্ষেত্রেও ক্লান্ত লাগত। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, দীর্ঘ সময় ফোনে কথা হবে সপ্তাহে এক দিন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর ফোন রেখে দিতে হবে। এতে কথা বলা কমেনি; বরং যখন কথা বলি, সময়টুকু আরও উপভোগ করি।</p><h3>২. সপ্তাহে কতবার দেখা করব, তা–ও সীমিত রাখা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-03/9f3a3eac-16a6-44b0-a1ab-a14fe9067227/IMG_4633.jpg"><figcaption>বেশি বেশি দেখা করলেই সম্পর্ক শক্তিশালী হবে ভাবা ঠিক না</figcaption></figure><p>আগের সম্পর্কগুলোয় প্রেমিকের সঙ্গে যতটা সম্ভব বেশি সময় কাটাতে চাইতাম। মনে হতো, সম্পর্কটি হয়তো বেশি দিন টিকবে না, তাই সুযোগ থাকতেই সবটুকু সময় একসঙ্গে কাটিয়ে নেওয়া দরকার। কিন্তু অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা শেষ পর্যন্ত সম্পর্ককে পলকা করে তুলত। এবার আমরা সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট দিন দেখা করার সিদ্ধান্ত নিলাম। এতে নিজেদের কাজ, বন্ধুবান্ধব ও ব্যক্তিগত সময়েরও সুযোগ থাকল। ফলে যখন আমরা একসঙ্গে থাকি, তখন সেই সময়টুকু আরও মনোযোগ দিয়ে উপভোগ করতে পারি।</p><h3>৩. শুধু দেখা নয়, পরিকল্পনা করে ডেটে যাওয়া</h3><p>দুজনেই কর্মজীবী হওয়ায় অবসর সময়ে ক্লান্ত থাকতাম। তাই সহজেই বলা হতো, এসো, একসঙ্গে বসে থাকি। কিন্তু এতে কাঙ্ক্ষিত ঘনিষ্ঠতা তৈরি হচ্ছিল না।<br>তাই আমরা দেখা করার সময়টাকে আরও অর্থবহ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আগে থেকেই ডেটের পরিকল্পনা করতাম—নতুন কোথাও যাওয়া, নতুন কিছু করা কিংবা একসঙ্গে ভালো সময় কাটানো। এতে শুধু সময় কাটানো নয়, বরং একে অপরকে জানা এবং নতুন অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো। </p><p>শেষ পর্যন্ত বুঝেছি, ভালোবাসার সম্পর্কে সীমারেখা মানে দূরত্ব তৈরি করা নয়; বরং এটি ব্যক্তিগত জীবন, সময় ও স্বাধীনতাকে সম্মান করার পাশাপাশি সম্পর্কটিকেও সুস্থ রাখার একটি উপায়।</p><p>সম্পর্ক তখনই সুন্দর হয়, যখন সেটি আমাদের স্বাভাবিক জীবন কেড়ে না নিয়ে বরং নিজেদের সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করে। তাই কখনো কখনো ভালোবাসাকে শক্ত করে ধরে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তাকে একটু জায়গা দেওয়া।</p><p><sup>সুত্র: ভ্যারাইটি অনলাইন</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/74o720e9w6">কে প্রথম ব্লক করেছিলেন—দেব নাকি শুভশ্রী</a></aside>
প্রীতম-শেহতাজ ২০১৭ সালে ‘জাদুকর’ গানে পরিচিত হয়ে প্রেম ও বিয়ের পর ২০২৬ সালে সম্পর্ক শেষ করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আজ বুধবারের পর আর আবেদন নেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে আবেদনকারীদের চূড়ান্ত যাচাই-বাছাই করে সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি বিদেশি অপারেটরের হাতে দেওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য চিলির এফওপিএল আইন সফল হয়েছে। আইনটি খাদ্যপণ্য সতর্কীকরণে সহায়ক, করপোরেট লবিংয়ের প্রতিবন্ধকতাও জয় করতে পারছে। লাতিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ।
আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। জামিন শুনানিতে গাজী নজরুল ইসলামকে হাজির করা হয়নি। তিনি কারাগারে আছেন।
<p>চলতি বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি বিজ্ঞানী অঁরি কাগান এবং জাপানের বিজ্ঞানী কেনসো সোআই।</p><p>জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অরৈখিক প্রভাব এবং অসমমিত সংশ্লেষণে স্ব-অনুঘটনের ভূমিকা আবিষ্কারের জন্য তাঁদের রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ সময় বুধবার বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোম থেকে এ বছরের রসায়নে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স। সর্বোচ্চ ১ থেকে ৩ জন ভাগাভাগি করে পেতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত এ পুরস্কার।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/1xadcsoyps">নিউট্রিনো কণা শনাক্ত করে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন</a></aside><h2><strong>কেন এই পুরস্কার</strong></h2><p>আয়নার সামনে দাঁড়ালে আমরা নিজেদের প্রতিবিম্ব দেখি। দেখতে হুবহু নিজের মতো, অথচ সেটি আমরা নই। ডান হাতের জায়গায় সেখানে দেখা যায় বাঁ হাত। জীবনের খুব পরিচিত এই ঘটনা যে রাসায়নের জগতেও এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই।</p><p>কিছু অণু আছে, যাদের গঠন দেখতে অনেকটা নিজের প্রতিবিম্বের মতো। দুটি অণুর পরমাণু একই, তাদের মধ্যে বন্ধনও একই—তবু তারা একে অপরের আয়নার প্রতিবিম্ব। রাসায়নের ভাষায় এদের বলা হয় এনান্টিওমার। অণুর এই বৈশিষ্ট্যের নাম কাইরালিটি। সমস্যা হলো, একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অনেক সময় এই দুই ধরনের অণু একসঙ্গে তৈরি হয়। কিন্তু জীবন্ত শরীরের ক্ষেত্রে দুটির আচরণ এক নয়। একটি অণু হয়তো ওষুধ হিসেবে কাজ করবে, অথচ তার আয়নার প্রতিবিম্বটি শরীরে গিয়ে ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া ঘটাতে পারে।</p><p>১৯৬০-এর দশকের আলোচিত থালিডোমিড দুর্ঘটনার কথাই ধরা যাক। সেই সময় অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের ঘুমের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত থালিডোমিডের একটি রূপ কাজ করলেও, এর ভেতরের অন্য রূপটির কারণে হাজার হাজার শিশু শারীরিক বিকলাঙ্গতা নিয়ে জন্ম নেয়। তাই ওষুধ তৈরিতে কীভাবে কেবল কাঙ্ক্ষিত নির্দিষ্ট রূপটিই বেশি পরিমাণে তৈরি করা যায়, তা আবিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি ছিল।</p><p>এই জটিল সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি রসায়নবিদ হেনরি বি. কাগান এবং জাপানি রসায়নবিদ কেনসো সোয়াই। তাঁদের গবেষণা দেখিয়েছে, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কীভাবে একটি আয়না-প্রতিবিম্ব অণুর পরিমাণ অন্যটির তুলনায় অনেক বেশি করা যায়। এমনকি এমন এক রাসায়নিক বিক্রিয়াও তৈরি করা সম্ভব, যেখানে শেষ পর্যন্ত প্রায় পুরো উৎপাদনই এক ধরনের অণু দিয়ে তৈরি হয়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/cx4eeolb3k">যে আবিষ্কারের কারণে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী</a></aside><h2><strong>রসায়নের ডান–বামের রহস্য</strong></h2><p>গল্পটা কাগান বা সোয়াইকে দিয়ে শুরু হয়নি। এর শুরু উনিশ শতকে, ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের হাত ধরে। টারটারিক অ্যাসিড নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে পাস্তুর দেখলেন, একই পদার্থের স্ফটিক দুই রকম হতে পারে। একটি আরেকটির আয়নার প্রতিবিম্ব। আলাদাভাবে পরীক্ষা করে তিনি দেখলেন, একটি আলোকে ডান দিকে ঘুরিয়ে দেয়, অন্যটি বাঁ দিকে। এখান থেকেই বিজ্ঞানীরা বুঝলেন, কিছু অণুর দুটি আয়না-প্রতিবিম্ব রূপ থাকতে পারে। এদের বলা হয় এনান্টিওমার।</p><p>অদ্ভুত ব্যাপার হলো, জীবজগৎ এই দুই রূপের মধ্যে সাধারণত একটিকেই ব্যবহার করে। যেমন অ্যামিনো অ্যাসিডের দুটি রূপ থাকতে পারে, কিন্তু জীবনের প্রোটিনে ব্যবহৃত হয় তাদের একটি। কেন প্রকৃতি এমন একটিকে বেছে নিল, সেটাই ছিল বড় রহস্য।</p><p>১৯৫৩ সালে পদার্থবিদ চার্লস ফ্র্যাঙ্ক এর একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা দেন। তাঁর ধারণা ছিল, শুরুতে কোনো একটি অণু সামান্য বেশি তৈরি হলে সেটিই আবার নিজের তৈরি হতে সাহায্য করতে পারে। ফলে সামান্য পার্থক্য ধীরে ধীরে অনেক বড় হয়ে উঠবে।</p><p>কিন্তু এই ধারণার বাস্তব প্রমাণ মিলতে আরও কয়েক দশক লেগে গেল। ১৯৮৬ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী অঁরি কাগান দেখান, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সামান্য একটি পার্থক্যকে অনেক বড় করা সম্ভব। অনুঘটকের দুই ধরনের অণুর অনুপাত সামান্য বদলালেও উৎপাদিত অণুর অনুপাত অনেক বেশি বদলে যেতে পারে। এই ঘটনাকে বলা হয় অরৈখিক প্রভাব।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/znlljdz47p">নিউট্রিনো ডিটেক্টর তৈরি করে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল</a></aside><p>এরপর জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই খুঁজতে থাকলেন এমন একটি বিক্রিয়া, যেখানে তৈরি হওয়া অণুই আবার নিজের অণু তৈরিতে সাহায্য করবে। ১৯৯৫ সালে তিনি এমন একটি বিক্রিয়া পেলেন। শুরুতে এক ধরনের অণু অন্যটির চেয়ে মাত্র ২ শতাংশ বেশি ছিল। কিন্তু শেষে সেটিই ৮৭ শতাংশ হয়ে গেল।</p><p>সোয়াই এখানেও থামেননি। ২০০৩ সালে তিনি আরও চমকপ্রদ একটি বিক্রিয়া দেখালেন। শুরুতে কোনো কাইরাল অণু ছিল না। কিন্তু দৈবক্রমে একটি রূপ সামান্য বেশি তৈরি হওয়ার পর সেটিই নিজের তৈরিকে ত্বরান্বিত করতে লাগল। একসময় উৎপাদিত অণুর ৯৯.৯৯ শতাংশ পর্যন্ত একই রূপের হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, শুরুতে সামান্য এক পার্থক্য—তারপর সেই পার্থক্যই নিজেকে বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত প্রায় পুরো বিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে।</p><p>এই আবিষ্কার জীবনের শুরু নিয়ে নতুন প্রশ্নের দরজা খুলে দিয়েছে। জীবনের আদিম রাসায়নেও কি এমন কোনো ছোট্ট পক্ষপাত কাজ করেছিল? এর উত্তর এখনো জানা নেই।</p><p>তবে কাগান ও সোয়াই দেখিয়েছেন, রাসায়নের জগতে সামান্য একটি পার্থক্যও সময়ের সঙ্গে বিশাল হয়ে উঠতে পারে।</p><p>আর এর ব্যবহার শুধু জীবনের রহস্য বোঝার মধ্যে বা রসায়নের বইয়ের পাতাতেই সীমাবদ্ধ নয়। ওষুধ শিল্প থেকে শুরু করে নিত্যদিনের সুগন্ধি, প্রসাধন, কৃষি রাসায়নিক এবং আধুনিক ম্যাটেরিয়াল টেকনোলজি—সবক্ষেত্রেই উচ্চমানের বিশুদ্ধ অণু উৎপাদনে তাঁদের দেখানো নীতিগুলো দৈনন্দিন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/cnzid3s4z4">আলোর সাহায্যে কীভাবে মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়, জানালেন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসারোথ</a></aside><p>ইতিমধ্যে চিকিৎসাবিজ্ঞানে তিন বিজ্ঞানী ও পদার্থবিজ্ঞানে একজন পেয়েছেন এ বারের নোবেল পুরস্কার।</p><p>প্রত্যেক বিভাগের নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীরা পাবেন একটি নোবেল মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১২ মিলিয়ন বা ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। ২০২৫ সালে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। ২০২৬ সালে তা বাড়িয়ে ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি পুরস্কারে ১০ লাখ ক্রোনা বা প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নোবেল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হানা স্টিয়ারনে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে নোবেল পুরস্কারের ১২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই অর্থ বাড়ানো হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে পুরস্কারের আর্থিক মূল্য দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।</p><p>উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ১০ মিলিয়ন ক্রোনা থেকে বাড়িয়ে ১১ মিলিয়ন করা হয়। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এতে আর কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২০২৬ সালে আবার ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা বাড়ানো হলো।</p><p>যেসব বিভাগে একাধিক নোবেলজয়ী থাকবেন, তাঁদের মধ্যে এই ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা ভাগ হয়ে যাবে। বর্তমান বাজারে এর মান প্রায় ১২ লাখ ৮ হাজার মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি টাকায় হবে প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি!</p><p>বিস্তারিত আসছে শিগগিরই...</p><p>বিজ্ঞানে নোবেল নিয়ে প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিজ্ঞানচিন্তা অনলাইনে থাকছে বিশেষ আয়োজন। জানতে চোখ রাখুন বিজ্ঞানচিন্তার ওয়েবসাইট (<a href="https://bigganchinta.com/" target="_blank">bigganchinta.com</a>) ও ফেসবুক পেজ এবং গ্রুপে।</p><h4>সূত্র: নোবেল ডট অর্গ</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/mogl1qvu35">আলো দিয়ে স্নায়ু নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি অপটোজেনেটিকসে চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল</a></aside>
বাংলাদেশে আসন্ন দুর্গাপুজায় টানা তিনদিন সরকারি ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে তাদের জন্য এই সপ্তাহের একদিনের ছুটি কমছে। বিস্তারিত বিবিসি বাংলা লাইভ পাতায়...
নয় ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভে বসে থাকা রাহুল গান্ধীকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে ‘মব’ করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাওয়াদুল হককে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ উঠেছে। সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে তৈরি ২৪টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নেহা বোরার রাজনৈতিক উত্থানের শুরুটা হয় ২০২৬ সালের জুলাই মাসে। ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত অভিজিৎ দীপকে ও সোনম ওয়াংচুকের পাশাপাশি তিনিও একটি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।
যে মামলাটি বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত খুনি দুটি প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে গিয়ে টেনেসির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
কয়েকদিন অচেতন অবস্থায় থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইকের জ্ঞান ফিরেছে। তার সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা। তাদের অনেকে বলছেন যে, প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি তিনিই।
বিশ্বের ৫০০ ভালো শহরের তালিকায় বাংলাদেশের কোনো শহর নেই। ৫ই অগাস্টের পরপরই নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়ান বিএনপির তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মী। মশা মারার জন্য সারা দেশে ৪৮ হাজারের বেশি কমিটির কাজ করার কথা থাকলেও বাস্তবায়ন নেই। বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।
৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদের জীবনটা খুব সহজ নয়, বরং বড় উত্থান-পতনে ঘেরা। বলা চলে, তিনি ছিলেন সেই 'রাজপুত্র' যিনি সবকিছু হারিয়েছিলেন। ‘প্রতিবিপ্লবী’ হিসেবে চিহ্নিত একজন ব্যক্তির পুত্র হওয়ায় কিশোর শি-কে জোর করে একটি পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে, গত চৌঠা অক্টোবর সৌদির আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল খুরাইস এলাকায় আরামকোর একটি স্থাপনায় হুথিদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের আঘাতে বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ সজিব হোসেন মৃত্যুবরণ করেছেন। কে এই সজিব ? কী জানা যাচ্ছে তার সম্পর্কে?
অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননের একটি পোশাক নিয়ে বিতর্ক গড়িয়েছিল প্রাইমটাইম টেলিভিশনের আলোচনায়। কয়েক মাস পর সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন কৃতি।
যুক্তিতর্কে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত হানিফ মেনে নিয়েছিলেন এবং অধীনস্থদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছিলেন। সিভিলিয়ান নেতা হিসেবে নির্দেশনা ও টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে তিনি এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিলেন বলে প্রসিকিউশনের দাবি।
তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-এর বিশ্লেষণমূলক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানে অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে।
মডেলিং দিয়ে শোবিজে পথচলা শুরু করেছিলেন নীহা চৌধুরী। কাজ করেছেন শতাধিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে, পরিচিতি পেয়েছেন কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবেও।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও উপসর্গে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৯০ জন।
২০২৬ সালে রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের হেনরি বি. কাগাঁ এবং জাপানের কেনসো সোয়াই। বুধবার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, আবেদন প্রক্রিয়া ও স্কলারশিপ বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ১৩ শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন।