ডুজার সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জবাবদিহির দাবি এইচআরডিএসের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) সদস্যদের ওপর শাহবাগ থানার অভ্যন্তরে হামলার ঘটনায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত এবং দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডারস সোসাইটি (এইচআরডিএস), ঢাবি শাখা।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি দিলেন আরেক বহিষ্কৃত নেতা
জাতীয়

বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি দিলেন আরেক বহিষ্কৃত নেতা

News অক্টোবর ১, ২০২৬ 0

Rss feed news

নোবেল পাওয়ার আগেই যিনি স্টকহোমের টিকিট কেটেছিলেন
নোবেল পাওয়ার আগেই যিনি স্টকহোমের টিকিট কেটেছিলেন

<p>সে বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার কে পাবেন, তা জানা যাবে আরও কয়েক মাস পরে। কিন্তু কলকাতার এক বিজ্ঞানী এরই মধ্যে নিজের ও স্ত্রীর জন্য ইউরোপ যাওয়ার জাহাজের টিকিট কেটে ফেললেন। তবে এই নোবেলের গল্প শুরু হয়েছিল নয় বছর আগের অন্য একটি জাহাজে।</p><p>প্রতিবছর অক্টোবর মাস আসার আগে আগে আমি খোঁজ নিতে শুরু করি, এবার নোবেল পুরস্কার কারা পেতে পারেন। এখন অনেক সংবাদমাধ্যমেই সম্ভাব্য নোবেলজয়ীদের নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলে। মজার ব্যাপার হলো, শেষ পর্যন্ত সেগুলো খুব কমই মেলে। এবার অবশ্য সেই খোঁজ নেওয়া হয়নি। তার একটা কারণ, আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের ১৬ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে এখন ইন্দোনেশিয়ায় আছি। প্রতিযোগিতা আর ওদের নিয়ে ব্যস্ততায় নোবেলের খোঁজ রাখা হয়ে ওঠেনি। আজ একটু খোঁজ নিতে গিয়ে দেখি, পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল তো এরই মধ্যে ঘোষণা হয়ে গেছে!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/i7ktu4oe/nobelprize17912802554001871204793693771260826061.jpg"><figcaption>পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন</figcaption></figure><p>এবার পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। দক্ষিণ মেরুর বরফের গভীরে স্থাপিত IceCube Neutrino Observatory-তে তাঁর নির্ণায়ক অবদান এবং মহাকাশের উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য এই স্বীকৃতি। মহাবিশ্বকে জানার জন্য তাঁর কাজ জ্যোতির্বিজ্ঞানের নতুন একটি জানালা খুলে দিয়েছে।</p><p>পদার্থবিজ্ঞানের নোবেলের কথা ভাবতে গিয়ে আমার মনে পড়ল দুটি জাহাজের কথা। দুই জাহাজের যাত্রার মধ্যে ব্যবধান নয় বছর। আর দুটির সঙ্গেই জড়িয়ে আছেন একজন নোবেলজয়ী। দুই জাহাজের সঙ্গে নোবেল পুরস্কারের কী সম্পর্ক? সেটাই জানা যাক।</p><figure><blockquote data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/DcsVzLrSAQv/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14"><div> <a href="https://www.instagram.com/reel/DcsVzLrSAQv/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" target="_blank"> <div> <div></div> <div> <div></div> <div></div></div></div><div></div> <div><svg width="50px" height="50px" viewbox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div> <div>View this post on Instagram</div></div><div></div> <div><div> <div></div> <div></div> <div></div></div><div> <div></div> <div></div></div><div> <div></div> <div></div> <div></div></div></div> <div> <div></div> <div></div></div></a><p><a href="https://www.instagram.com/reel/DcsVzLrSAQv/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" target="_blank">A post shared by Science &amp; World Affairs | AI (@themindmapmedia)</a></p></div></blockquote> </figure><p><br><strong>যে জাহাজের টিকিট কাটা হয়েছিল নোবেল ঘোষণার আগেই</strong></p><p>দ্বিতীয় জাহাজটির গল্প আগে বলি। ১৯৩০ সালের জুলাই মাস। সে বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার কে পাবেন, তা জানা যাবে আরও কয়েক মাস পরে। কিন্তু কলকাতার এক বিজ্ঞানী এরই মধ্যে নিজের ও স্ত্রীর জন্য ইউরোপ যাওয়ার জাহাজের টিকিট কেটে ফেললেন। গন্তব্য স্টকহোম। তাঁর ধারণা, এবার পদার্থবিজ্ঞানের নোবেলটি তিনিই পাচ্ছেন। আর নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করলে ভারত থেকে দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা শেষে ১০ ডিসেম্বরের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সময়মতো পৌঁছানো যাবে না।</p><p>বিজ্ঞানীর নাম চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন - সি ভি রামন নামে তিনি পরিচিত। এটাকে আত্মবিশ্বাস বলব, নাকি অহংকার? প্রশ্নটা একেবারে অমূলক নয়। ছয় বছর আগে, ১৯২৪ সালে রয়্যাল সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এরপর কী? রামনের উত্তর ছিল, “The Nobel Prize, of course!”<br>শেষ পর্যন্ত তাঁর আত্মবিশ্বাস ভুল প্রমাণিত হয়নি। ১৯৩০ সালের পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনিই, আলোর বিচ্ছুরণ নিয়ে তাঁর কাজ এবং তাঁর নামেই পরিচিত রামন ইভেক্ট আবিষ্কারের জন্য। তবে এই নোবেলের গল্প শুরু হয়েছিল নয় বছর আগের অন্য একটি জাহাজে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/bp502fdf/jagranjoshindia1772256606384228935708814011747920607884.jpg"><figcaption>বিজ্ঞানীর নাম চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন - সি ভি রামন নামে তিনি পরিচিত</figcaption></figure><p><br><strong>সমুদ্র এত নীল কেন</strong></p><p>রামন ইফেক্টের কথা আমি প্রথম জানতে পারি স্কুলে, সম্ভবত নবম বা দশম শ্রেণিতে পড়ার সময়। কে আমাকে বুঝিয়েছিলেন, এখন আর মনে নেই। তবে কথাটা মনে আছে। বলা হয়েছিল, সমুদ্রের পানি কেন নীল, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ভারতীয় বিজ্ঞানী সি ভি রামন। অনেক বছর গল্পটা আমি   এভাবেই জেনেছি। পরে বুঝেছি, কথাটা পুরোপুরি ঠিক নয়, আবার একেবারে ভুলও নয়। বরং সত্যিকারের গল্পটা আরও মজার।<br>১৯২১ সালে ইউরোপ থেকে ভারতে ফিরছিলেন রামন। জাহাজের নাম এস এস নারকুন্ডা। জাহাজ যখন ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিচ্ছে, সমুদ্রের গভীর নীল রং তাঁর নজর কাড়ে।</p><p>সে সময় প্রচলিত ব্যাখ্যা ছিল, আকাশের নীল রঙের প্রতিফলনের কারণেই সমুদ্র নীল দেখায়। রামন তাতে সন্তুষ্ট হলেন না। সঙ্গে থাকা ছোটখাটো অপটিক্যাল যন্ত্রপাতি দিয়েই জাহাজে পরীক্ষা শুরু করলেন। তাঁর মনে হলো, পানির অণুর সঙ্গে আলোর বিচ্ছুরণেরও ভূমিকা রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/im4eud28/bollywoodconnect2174488387336126702340605762033602389054nj.jpg"><figcaption>সমুদ্র কেন নীল - এই কৌতূহল তাঁকে পরের কয়েক বছর আলোর বিচ্ছুরণ নিয়ে গবেষণায় ডুবিয়ে রাখল</figcaption></figure><p>জাহাজ এডেনে থামলে সেখান থেকেই নিজের পর্যবেক্ষণ লিখে Nature পত্রিকায় পাঠালেন। লেখায় ঠিকানা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল—SS Narkunda, near Aden।<br>জাহাজ এডেনে থামলে সেখান থেকেই নিজের পর্যবেক্ষণ লিখে Nature পত্রিকায় পাঠালেন। লেখায় ঠিকানা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল—SS Narkunda, near Aden।<br>সমুদ্র কেন নীল - এই কৌতূহল তাঁকে পরের কয়েক বছর আলোর বিচ্ছুরণ নিয়ে গবেষণায় ডুবিয়ে রাখল।</p><p><strong>রামন ইফেক্ট</strong></p><p>খুব সহজ করে বললে, কোনো পদার্থের ওপর আলো ফেললে তার বেশির ভাগ একই শক্তি নিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু খুব সামান্য কিছু আলো পদার্থের অণুর সঙ্গে শক্তি আদান-প্রদান করে। ফলে ফিরে আসা আলোর কম্পাঙ্ক বা রং সামান্য বদলে যায়।<br>এই সামান্য পরিবর্তন থেকেই পদার্থটির অণু সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়। অনেকটা তার নিজস্ব আঙুলের ছাপের মতো। এটাই রামন ইফেক্ট। ১৯২৮ সালে রামন ও তাঁর সহযোগীদের পরীক্ষায় এই নতুন ধরনের আলোর বিচ্ছুরণ ধরা পড়ে। মাত্র দুই বছরের মধ্যে এই আবিষ্কার তাঁকে নোবেল এনে দেয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/jcrz85j6/karthiktmk176371408037706294598766262602106175203.webp"><figcaption>তাঁর জীবনীকার গণেশন ভেঙ্কটরামন একে বলেছেন “Himalayan ego and sharp tongue”</figcaption></figure><p><strong>হিমালয়সম অহং</strong></p><p>কিন্তু রামনকে শুধু সমুদ্রের নীল রং দেখে প্রশ্ন করা কৌতূহলী বিজ্ঞানী হিসেবে দেখলে মানুষটার পুরোটা দেখা হয় না। তাঁর অসাধারণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রবল অহংবোধ এবং তীক্ষ্ণ মেজাজের কথাও তাঁর জীবনীকারেরা লিখেছেন। তাঁর জীবনীকার গণেশন ভেঙ্কটরামন একে বলেছেন “Himalayan ego and sharp tongue”।</p><p>এই মানুষটির জীবনের আরেকটি ঘটনা আমাকে বিশেষভাবে ভাবায়। ১৯৩৩ সালে কমলা ভাগবত, যিনি পরে কমলা সোহনি নামে পরিচিত হন, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সে গবেষণা করতে চাইলেন। তখন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সি ভি রামন। বোম্বে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে পাস করা কমলাকে রামন গবেষণার সুযোগ দিতে রাজি হলেন না। কারণ তিনি নারী। ভাবা যায়?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/ubylgnvb/sciastraofficial1761217250374968452791304829339393842871.jpg"><figcaption>বোম্বে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে পাস করা কমলাকে রামন গবেষণার সুযোগ দিতে রাজি হলেন না</figcaption></figure><p>যে মানুষটি কয়েক বছর আগে বিজ্ঞানের জগতে ভারতের জন্য প্রথম নোবেল এনে দিয়েছেন, তিনিই যদি একজন নারীর গবেষণা করার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে সেই সময় ভারতবর্ষের একজন সাধারণ মানুষের কাছে মেয়েদের বিজ্ঞানচর্চার সম্ভাবনা কেমন মনে হওয়ার কথা? কিন্তু কমলা মাথা নিচু করে বাড়ি ফিরে যাননি। নিজের যোগ্যতার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। রামনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তাঁর অফিসের সামনে সত্যাগ্রহ করেছেন। শেষ পর্যন্ত রামনকে সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়েছে। যদিও কঠিন কিছু শর্তে, কমলা গবেষণার সুযোগ পেয়েছেন। পরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডিও করেছেন।</p><p><strong>আমাদের অনেক কমলা দরকার</strong></p><p>কমলার এই গল্পটি আমার কাছে আরও একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। মেয়েদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য আমরা অনেক বছর ধরে #missingDaughter নামে একটি উদ্যোগ চালাচ্ছি। আমাদের প্রশ্নটি খুব সাধারণ; আমাদের মেধাবী মেয়েরা কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে? প্রায় একশো বছর পরও কমলা সোহনির গল্পটি তাই আমার কাছে পুরোনো গল্প মনে হয় না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/8enqf703/sciastraofficial1761217250374968452795503266639393842871rt.jpg"><figcaption>আমাদের অনেক কমলা দরকার</figcaption></figure><p>এখন হয়তো মেয়েদের সামনে রামন বসে সরাসরি বলছেন না, “তুমি নারী, তাই গবেষণা করতে পারবে না।” কিন্তু “এটা মেয়েদের বিষয় নয়”, “প্রোগ্রামিং করে কী হবে”, “এত দূরে গিয়ে পড়ার দরকার কী”—এমন অনেক ছোট-বড় দেয়াল এখনো আছে।<br>এই দেয়াল শুধু প্রতিষ্ঠান বা সমাজকে বদলে ভাঙা যাবে না। আমাদের কমলাদেরও দরকার। যে মেয়েরা বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে। “তুমি পারবে না”—শত বছর ধরে জমে থাকা এই জগদ্দল পাথরের বিরুদ্ধে ধাক্কা দেবে। এক শ বছর আগে কমলার হাতিয়ার ছিল তাঁর মেধা, জেদ আর নিজের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস। নতুন এই লড়াইয়ে আমাদের মেয়েদের হাতে আরও কিছু শক্তিশালী হাতিয়ার আছে—প্রযুক্তি, প্রোগ্রামিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আমাদের কাজ তাদের হয়ে লড়াইটা করে দেওয়া নয়। আমাদের কাজ তাদের জন্য সুযোগ তৈরি করা, তাদের হাতে নতুন হাতিয়ারগুলো তুলে দেওয়া এবং তারা যখন দাঁড়াবে, তখন তাদের পাশে দাঁড়ানো।</p><p><strong>আবার সেই দুই জাহাজ</strong></p><p>রামনের গল্পে ফিরে আসি। নোবেল পুরস্কার পাওয়ার ব্যাপারে তাঁর আগ্রহ বা আত্মবিশ্বাস কোনোটাই গোপন ছিল না। ১৯২৯ সালে তিনি বিজ্ঞানী নিলস বোরকে ১৯৩০ সালের নোবেলের জন্য তাঁর সমর্থন চেয়ে লিখেছেন। অথচ রামন তখন জানতেন না, বোর আগের বছরই তাঁকে নোবেলের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন। ১৯৩০ সালেও দিয়েছেন। সে বছর রামনকে মনোনয়ন দেওয়া বিজ্ঞানীদের মধ্যে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড ও লুই দ্য ব্রগলিও ছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/sn9mpfek/byolstem1787323351396867837019180921072356272725.jpg"><figcaption>রামনের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অহংকার মিশে থাকতে পারে, কিন্তু নিজের কাজের গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর ধারণা ভুল ছিল না</figcaption></figure><p>কাজেই রামনের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অহংকার মিশে থাকতে পারে, কিন্তু নিজের কাজের গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর ধারণা ভুল ছিল না। শেষ পর্যন্ত তাই আমার মনে থাকে সেই দুটি জাহাজ। ১৯২১ সালের একটি জাহাজে বসে একজন মানুষ ভূমধ্যসাগরের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, সমুদ্র এত নীল কেন? নয় বছর পর আরেকটি জাহাজে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে রওনা দিলেন স্টকহোমের দিকে। নোবেল কমিটি তখনো জানায়নি পুরস্কারটি তিনি পাচ্ছেন। একটি জাহাজের যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি প্রশ্ন দিয়ে। আর অন্যটির যাত্রা নিজের কাজের ওপর প্রায় অবিশ্বাস্য বিশ্বাস নিয়ে। সি ভি রামনের গল্পে সম্ভবত দুটোই দরকার ছিল।</p><p><strong>ছবি</strong>: ইন্সটাগ্রাম </p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
চোখের জলে আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসিকে বিদায়
চোখের জলে আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসিকে বিদায়

<p>চোখের জলে আর্জেন্টিনাকে বিদায় লিওনেল মেসির। শেষ ম্যাচে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে দলকে জিতিয়ে ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
ত্রিপুরায় গ্রাম কমিটি নির্বাচনে টিপরা মোথার বিপুল জয়, বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে সংঘাত-সংঘর্ষ
ত্রিপুরায় গ্রাম কমিটি নির্বাচনে টিপরা মোথার বিপুল জয়, বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে সংঘাত-সংঘর্ষ

টিমএমপি এককভাবে ৩ হাজার ৪২৮টি গ্রাম কমিটিতে জয়ী হয়ে আদিবাসী এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য ও মজবুত সাংগঠনিক ভিত্তির প্রমাণ দিয়েছে। বিজেপি জিতেছে মাত্র ৮৫৯টি গ্রাম কমিটি।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট!
রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট!

ডন হ্যাকার আয়রন ম্যান-এর ১৯৬৩ সালের টেলস অব সাসপেন্স ৩৯ নম্বর পর্বটি নিলামে বিক্রি হয়েছিল ৩০ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ ডলারে।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত, আটক ২
ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত, আটক ২

গাজীপুরের টঙ্গীতে চিহ্নিত ছিনতাইকারীদের ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
মহাকাশ গবেষণায় উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানাল সংযুক্ত আরব আমিরাত
মহাকাশ গবেষণায় উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানাল সংযুক্ত আরব আমিরাত

মঙ্গল গ্রহে সফলভাবে মিশন পাঠানোর পর এবার মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে নিজেদের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
ভাবুক সম্রাট
ভাবুক সম্রাট

ভাবুক সম্রাটের আসল নাম সম্রাট মিয়া ঋত্বিক ঘটকের অমর বাণী “ভাবো, ভাবো, ভাবা প্র্যাকটিস করো”

অক্টোবর ৭, ২০২৬
‘অনুমতি ছাড়াই’ সমস্যার কথা জানানো যাচ্ছে হাজীগঞ্জের ইউএনওকে
‘অনুমতি ছাড়াই’ সমস্যার কথা জানানো যাচ্ছে হাজীগঞ্জের ইউএনওকে

প্রতিদিন কার্যালয়ে আসা এক থেকে দেড় শ লোকের নানা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন ইউএনও।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
নয় ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচির পর রাহুল গান্ধীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ
নয় ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচির পর রাহুল গান্ধীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ

নয় ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভে বসে থাকা রাহুল গান্ধীকে হেফাজতে নিয়ে কিংসওয়ে ক্যাম্প থানায় নিয়ে গেছে দিল্লি পুলিশ। অন্যদিকে ‘মব’ করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. জাওয়াদুল হককে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ উঠেছে। সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে তৈরি ২৪টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
নেহা বোরা, বিজেপি সমর্থক পরিবারের মেয়ের আন্দোলনের 'অন্যতম মুখ' হয়ে ওঠার গল্প
নেহা বোরা, বিজেপি সমর্থক পরিবারের মেয়ের আন্দোলনের 'অন্যতম মুখ' হয়ে ওঠার গল্প

নেহা বোরার রাজনৈতিক উত্থানের শুরুটা হয় ২০২৬ সালের জুলাই মাসে। ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত অভিজিৎ দীপকে ও সোনম ওয়াংচুকের পাশাপাশি তিনিও একটি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
ক্রিস্টা পাইকের ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় কী ঘটেছিল - এবং এরপর কী?
ক্রিস্টা পাইকের ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় কী ঘটেছিল - এবং এরপর কী?

যে মামলাটি বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত খুনি দুটি প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে গিয়ে টেনেসির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেষ্টার পর আসামি ক্রিস্টা পাইকের জ্ঞান ফিরেছে, কথা বলেছেন
যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেষ্টার পর আসামি ক্রিস্টা পাইকের জ্ঞান ফিরেছে, কথা বলেছেন

কয়েকদিন অচেতন অবস্থায় থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইকের জ্ঞান ফিরেছে। তার সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা। তাদের অনেকে বলছেন যে, প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি তিনিই।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
পত্রিকা: 'বিশ্বের ৫০০ ভালো শহরের তালিকায় নেই বাংলাদেশের কোনো শহর'
পত্রিকা: 'বিশ্বের ৫০০ ভালো শহরের তালিকায় নেই বাংলাদেশের কোনো শহর'

বিশ্বের ৫০০ ভালো শহরের তালিকায় বাংলাদেশের কোনো শহর নেই। ৫ই অগাস্টের পরপরই নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়ান বিএনপির তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মী। মশা মারার জন্য সারা দেশে ৪৮ হাজারের বেশি কমিটির কাজ করার কথা থাকলেও বাস্তবায়ন নেই। বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং
চীনের ক্ষমতাবান নেতা হওয়ার আগে সবকিছু হারিয়েছিলেন শি জিনপিং

৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদের জীবনটা খুব সহজ নয়, বরং বড় উত্থান-পতনে ঘেরা। বলা চলে, তিনি ছিলেন সেই 'রাজপুত্র' যিনি সবকিছু হারিয়েছিলেন। ‘প্রতিবিপ্লবী’ হিসেবে চিহ্নিত একজন ব্যক্তির পুত্র হওয়ায় কিশোর শি-কে জোর করে একটি পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
হুথিদের হামলায় নিহত বাংলাদেশি সজিব হোসেন সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে
হুথিদের হামলায় নিহত বাংলাদেশি সজিব হোসেন সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে, গত চৌঠা অক্টোবর সৌদির আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল খুরাইস এলাকায় আরামকোর একটি স্থাপনায় হুথিদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের আঘাতে বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ সজিব হোসেন মৃত্যুবরণ করেছেন। কে এই সজিব ? কী জানা যাচ্ছে তার সম্পর্কে?

অক্টোবর ৬, ২০২৬
চট্টগ্রামে ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কেন?
চট্টগ্রামে ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কেন?

চট্টগ্রামের আদালতে বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন ধরে সাক্ষ্য দিতে না আসা প্রায় ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার একটি সংবাদ নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কেনো এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো এবং গ্রেফতার করা হবে কিনা এমন প্রশ্নও সামনে আসছে।

অক্টোবর ৬, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৬ শিক্ষার্থী ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
জমি বিক্রি করবে প্রগ্রেসিভ লাইফ
জমি বিক্রি করবে প্রগ্রেসিভ লাইফ

প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ঢাকার আফতাবনগরে থাকা ৮ দশমিক ৫৪ কাঠা জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
আবাসন মেলায় ওয়ালটনের স্টলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আবাসন মেলায় ওয়ালটনের স্টলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
বুটেক্সের ১৩ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক
বুটেক্সের ১৩ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

উচ্চশিক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্ব ও মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ১৩ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
সিরাজগঞ্জে মাদক কারবারির যাবজ্জীবন
সিরাজগঞ্জে মাদক কারবারির যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় প্রায় এক কোটি টাকা মূল্যের ৯০০ গ্রাম হেরোইন রাখার দায়ে রফিকুল ইসলাম (৫০) নামে এক মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
মেসি পরবর্তী নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন স্কালোনি
মেসি পরবর্তী নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন স্কালোনি

ম্যাচ শেষে মেসিকে ছাড়াই জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ এবং নিজের কোচিং ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেছেন আলবিসেলেস্তেদের কোচ লিওনেল স্কালোনি।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
রাঙামাটিতে ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১২
রাঙামাটিতে ছাত্রলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১২

রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন শাকিলসহ ১২ জনকে  গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

অক্টোবর ৭, ২০২৬
ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা
ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের নিয়ন্ত্রিত প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। অন্যদিকে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের উত্তর অংশে একটি হুথি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি আরবের নেত্বতাধীন সামরিক জোট। 

অক্টোবর ৭, ২০২৬