ভারত

ভারতে মোবাইল ফোনের পাওয়ার ব্যাংক থেকে উড়োজাহাজে আগুন

অক্টোবর ১১, ২০২৬
ভারতে মোবাইল ফোনের পাওয়ার ব্যাংক থেকে উড়োজাহাজে আগুন
ভারতে মোবাইল ফোনের পাওয়ার ব্যাংক থেকে উড়োজাহাজে আগুন
<p>ভারতের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইন্ডিগোর একটি উড়োজাহাজে লাগেজ রাখার জায়গায় আগুন ধরে যায়। এর ফলে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গিয়েছিল উড়োজাহাজটি। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত উড়োজাহাজের পথ ঘুরিয়ে হায়দরাবাদে নিয়ে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করা হয়। আজ রোববার দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগো ফ্লাইটে এমন ঘটনা ঘটেছে।</p><p> ত্রুটিপূর্ণ একটি পাওয়ার ব্যাংকের কারণে আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p> এক যাত্রীর মুঠোফোনে ধারণ করা ঘটনাটির একটি ভিডিও সামনে এসেছে। এতে দেখা যাচ্ছে, অন্য যাত্রীরা তাঁদের ব্যাগ দিয়ে চেপে ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।</p><p>এয়ারবাসের একটি মডেলের ইন্ডিগোর ফ্লাইট ৬ই৬১১৫ দিল্লি থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। ফ্লাইটটি ছাড়ার নির্ধারিত সময় ছিল স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৩০ মিনিট। পথ পরিবর্তনের আগে চেন্নাইয়ে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল বিকেল ৪টা।</p><p>কেবিন ক্রুরা অগ্নিনির্বাপণযন্ত্র ব্যবহার করে আগুন নিভিয়ে ফেলেন এবং সব যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা নিরাপদে আছেন।</p><p>ইন্ডিগো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১১ অক্টোবর দিল্লি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগো ফ্লাইট ৬ই৬১১৫-তে একজন যাত্রীর ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে ধোঁয়া শনাক্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজকে হায়দরাবাদে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। কেবিন ক্রুরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।</p><p>নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, পাইলটরা উড়োজাহাজটির পথ পরিবর্তন করেন এবং হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান।</p><p>যাত্রীদের চেন্নাইয়ে পৌঁছাতে বিকল্প আরেকটি উড়োজাহাজের ব্যবস্থা করা হয়।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে আমাদের যাত্রীদের যে অসুবিধা হয়েছে, সে জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ইন্ডিগোতে আমাদের যাত্রী ও ক্রুদের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’</p>

Prothomalo

View more
মেডিক্যাল কলেজের জমিতে আড়ত, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখলের অভিযোগ
মেডিক্যাল কলেজের জমিতে আড়ত, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখলের অভিযোগ

<p>তুরাগ থানার কামারপাড়া এলাকায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের জন্য বরাদ্দ ১৬৪ শতাংশ জমিতে তৈরি হচ্ছে কাঁচামালের আড়ত। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে—</p><figure></figure>

অক্টোবর ১১, ২০২৬
শিল্পখাতের চাহিদা মেটাতে প্রকৌশল শিক্ষায় পরিবর্তন চান বিশেষজ্ঞরা
শিল্পখাতের চাহিদা মেটাতে প্রকৌশল শিক্ষায় পরিবর্তন চান বিশেষজ্ঞরা

প্রকৌশলশিক্ষার মান ধরে রাখতে শিক্ষাক্রমের সঙ্গে শিল্প খাতের চাহিদার সামঞ্জস্য দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সরকার নীতিসহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিমানে ভ্রমণের প্রাধিকারভুক্ত নন, তবু শতাধিকবার বিল তুলে বরখাস্ত কর্মকর্তা
বিমানে ভ্রমণের প্রাধিকারভুক্ত নন, তবু শতাধিকবার বিল তুলে বরখাস্ত কর্মকর্তা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুলাল কৃষ্ণ সাহা ২০০০ সালের ২৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাসায়নিক পরীক্ষক (ষষ্ঠ গ্রেড) পদে যোগ দেন।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আকুতি নিয়েই চিরবিদায় নিলেন অভিনেত্রী নাসিমা খান
নিখোঁজ ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আকুতি নিয়েই চিরবিদায় নিলেন অভিনেত্রী নাসিমা খান

<p>বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। প্রথম আলোকে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রীর দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা নুরজাহান বেগম।<br> ষাটের দশকে ঢাকার চলচ্চিত্রে যে কজন অভিনেত্রী পরিচিতি পেয়েছিলেন, নাসিমা খান তাঁদের অন্যতম। তখনো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্প বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে। বাংলা ও উর্দু—দুই ভাষাতেই নির্মিত হচ্ছে সিনেমা। সেই সময় বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন নাসিমা খান। পরে ঢাকা ও লাহোরের চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পান। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ‘যে নদী মরু পথে’, ‘সূর্যস্নান’, ‘বেগানা’, ‘উজালা’সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।<br> নুরজাহান বেগমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন নাসিমা খান। সাত দিন আগে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সন্ধ্যায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমানও তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-11/x1a1irg0/WhatsApp_Image_2026_10_11_at_9_40_52_PM.jpeg"><figcaption>ছেলের সন্ধান চেয়ে বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি</figcaption></figure><p>এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন নাসিমা খান। ছেলের সন্ধান চেয়ে বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি। ১৭ ফেব্রুয়ারি চ্যানেল আই অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ছেলেকে ফিরে পেতে এই অভিনেত্রীর আকুতি উঠে আসে। তাঁর বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে।<br>নাসিমা খান ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের নিরিবিলি স্বপ্নবিলাস এলাকায় বসবাস করতেন।<br>১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট পুরান ঢাকার লালবাগে জন্ম নাসিমা খানের। তাঁর পৈতৃক নিবাস মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়িখাল গ্রামে। বাবা মোহাম্মদ মাসুদ খান ছিলেন ব্যবসায়ী। পারিবারিক পরিবেশেই ছোটবেলা থেকে সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটে তাঁর। পড়াশোনা করেছেন কামরুন্নেসা স্কুলে, শিখেছেন নাচও।</p><p>নাসিমা খানের চলচ্চিত্রে আসার গল্পও বেশ পুরোনো। তাঁর পরিবারের সঙ্গে অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা খান আতাউর রহমানের ঘনিষ্ঠতা ছিল। লালবাগে তাঁদের বাড়ির কাছেই থাকতেন খান আতা। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ আসার পর প্রথমে পরিবারে দ্বিধা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অভিনয়ের অনুমতি পান নাসিমা। তবে শর্ত ছিল, অভিনয়ের জন্য পড়াশোনায় অবহেলা করা যাবে না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-11/hshesjqq/WhatsApp_Image_2026_10_11_at_9_38_28_PM.jpeg"><figcaption> ঢাকা ও লাহোরের চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পান। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ‘যে নদী মরু পথে’, ‘সূর্যস্নান’, ‘বেগানা’, ‘উজালা’সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি</figcaption></figure><p>১৯৫৯ সালে এ জে কারদার পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ মুক্তি পায়। এই চলচ্চিত্রে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় নাসিমা খানের। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবিটির চিত্রনাট্যের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ। অভিনয় করেছিলেন তৃপ্তি মিত্র, খান আতাউর রহমানসহ অনেকে। ছবিটি ১৯৫৯ সালের মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে স্বর্ণপদক অর্জন করে।<br>প্রথম চলচ্চিত্রের পরই আরও কাজের সুযোগ আসে নাসিমা খানের। বেবী ইসলাম পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘তানহা’য় অভিনয় করেন তিনি। ছবিতে তাঁর সহশিল্পীদের মধ্যে ছিলেন শামীম আরা, সুমিতা দেবী ও শবনম।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-11/2jqe50e8/WhatsApp_Image_2026_10_11_at_9_37_02_PM.jpeg"><figcaption>প্রথম চলচ্চিত্রের পরই আরও কাজের সুযোগ আসে নাসিমা খানের</figcaption></figure><p>১৯৬১ সালে সালাহউদ্দিন পরিচালিত ‘যে নদী মরু পথে’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পর পরিচিতি বাড়ে নাসিমা খানের। এরপর ‘সূর্যস্নান’ ছবিতে অভিনয় তাঁকে নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে সাহায্য করে। ষাটের দশকে বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করতে থাকেন তিনি।<br>নাসিমা খানের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’। এসব ছবিতে বিভিন্ন সময়ে আনোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম, রহমান, গোলাম মুস্তাফা, আজিমসহ অনেক অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।<br>শুধু ঢাকার চলচ্চিত্রেই নয়, তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরের চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছিলেন নাসিমা খান। পাকিস্তানের চলচ্চিত্রবিষয়ক তথ্যভান্ডার পাকিস্তান ফিল্ম ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর অভিনীত লাহোরে নির্মিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘নয়ি লায়লা নয়া মজনু’ (১৯৬৯), ‘গীত কাহিঁ সংগীত কাহিঁ’ (১৯৬৯), ‘আঁসু বন গয়ে মোতি’ (১৯৭০) ও ‘রোড টু সোয়াত’ (১৯৭১)। এর মধ্যে ‘গীত কাহিঁ সংগীত কাহিঁ’ প্রযোজনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।<br>স্বাধীনতার পর একসময় চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে যান নাসিমা খান। পরে টেলিভিশনে উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে আবার পর্দায় ফেরেন। পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।<br></p><p>দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নানা সময়ে পর্দায় ফিরলেও জীবনের শেষ ভাগে অভিনয়ে অনেকটাই অনিয়মিত হয়ে পড়েন নাসিমা খান। তাঁর অভিনীত পরবর্তী সময়ের চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘মাতৃত্ব’, ‘কুসুম কুসুম প্রেম’ ও ‘মাটির পিঞ্জিরা’। বাংলা মুভি ডেটাবেজে ২০১৩ সালের ‘মাটির পিঞ্জিরা’ চলচ্চিত্রেও তাঁর অভিনয়ের তথ্য রয়েছে।<br>১৯৯০ সালে সাপ্তাহিক ‘বিচিত্রা’র ঈদসংখ্যায় প্রকাশিত এক আত্মকথনে অভিনয়জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছিলেন নাসিমা খান। </p><p>চলচ্চিত্র সমালোচক মাহমুদা চৌধুরীর অনুলিখিত সেই স্মৃতিচারণা ২০২৫ সালে পুনঃপ্রকাশ করে বাংলা মুভি ডেটাবেজ। সেখানে ‘সূর্যস্নান’ ছবির শুটিংয়ে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা, ‘কার বউ’ ছবিতে সিঁড়ি থেকে পড়ে আহত হওয়া এবং জহির রায়হানের ‘দুই ভাই’ চলচ্চিত্রের টানা শুটিংয়ের স্মৃতি তুলে ধরেছিলেন তিনি।সেই আত্মকথনে ষাটের দশকের চলচ্চিত্রাঙ্গনের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিনয়ের প্রতি শিল্পীদের নিষ্ঠার কথাও বলেছিলেন নাসিমা খান। তাঁর স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে এমন এক সময়ের কথা, যখন অভিনয়ের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের সুযোগ ছিল সীমিত। অভিজ্ঞ শিল্পী ও পরিচালকদের কাছ থেকেই অভিনয়ের নানা কৌশল শিখেছিলেন তিনি।সাদা-কালো চলচ্চিত্রের যুগ থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক দশক অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নাসিমা খান। তাঁর মৃত্যুতে বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করা ঢাকার চলচ্চিত্রের প্রথম প্রজন্মের আরেকজন অভিনেত্রীর জীবনাবসান হলো।</p>

অক্টোবর ১১, ২০২৬
নভেম্বরে বন্ধুসভার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নৌবিহার
নভেম্বরে বন্ধুসভার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নৌবিহার

জাতীয় পরিচালনা পর্ষদ ২০২৬-২৭-এর অষ্টম কার্যনির্বাহী সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর আদাবরে রেজুভা ওয়েলনেস সেন্টারের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নৌবিহারের সম্ভাব্য তারিখ ধরা হয়েছে নভেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহের শুক্র অথবা শনিবার।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দিল্লির আন্দোলনের টার্গেট কি এবার মোদি সরকার?
দিল্লির আন্দোলনের টার্গেট কি এবার মোদি সরকার?

রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ আয়োজনে কথা বলেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকেরা

অক্টোবর ১১, ২০২৬
হাসানের হ্যাটট্রিকের পর নাজমুল–মুশফিক
হাসানের হ্যাটট্রিকের পর নাজমুল–মুশফিক

একাধিক দেশে ৫ উইকেট আছে, বাংলাদেশের এমন বোলারের তালিকাতেও সবার আগে উঠেছে তাঁর নাম।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
নাটোরে ম্যাকবুক-ক্যামেরা চুরি, জার্মান পর্যটককে নতুন ম্যাকবুক উপহার
নাটোরে ম্যাকবুক-ক্যামেরা চুরি, জার্মান পর্যটককে নতুন ম্যাকবুক উপহার

নাটোর রেলস্টেশন থেকে চুরি যাওয়া নিজের ম্যাকবুক ও ক্যামেরার খোঁজে এখনো আশাবাদী জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডার

অক্টোবর ১১, ২০২৬
রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন
রিয়াদ বিমানবন্দরে আবার হামলা, টার্মিনালে আগুন

হামলায় বিমানবন্দরের একটি টার্মিনালে আগুন ধরেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না বা কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন