ফুটবল

‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য

নভেম্বর ৮, ২০২৬
‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য
‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য
শ্রীলঙ্কার কোচের অভিযোগ, সাফে আয়োজক দেশ ও ভারতের পক্ষে সুবিধা দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন তিনি।

Prothomalo

View more
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা: পদত্যাগ করলেন আরও এক বিচারপতি
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা: পদত্যাগ করলেন আরও এক বিচারপতি

<p>পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা সংশোধনের (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর) বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গঠিত ট্রাইব্যুনাল থেকে আরও এক বিচারপতি পদত্যাগ করেছেন। এ নিয়ে এসআইআর ট্রাইব্যুনাল থেকে মোট চারজন বিচারপতি পদত্যাগ করলেন।</p><p>সর্বশেষ পদত্যাগ করা বিচারপতির নাম বিশ্বজিৎ বসু। তিনি কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।</p><p>পশ্চিমবঙ্গে ভোটারদের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য এমন ১৯টি এসআইআর ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয়। বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজের অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় অন্তত ৩০ লাখ বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগ ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায় একই প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।</p><p><strong>মুর্শিদাবাদে আপিল নিষ্পত্তি থমকে</strong></p><p>নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ও ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে মুর্শিদাবাদ জেলার আপিল মামলাগুলো নিষ্পত্তির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।</p><p>দৈনিক প্রায় ২২ কিলোমিটার যাতায়াতের ঝক্কি এবং বিপুল মামলার চাপের কথা উল্লেখ করে আগেই পদত্যাগ করেছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ধারণা ছিল, এটি দুই থেকে তিন মাসের একটি সাময়িক ব্যবস্থা হবে। কিন্তু পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় তিনি দায়িত্ব ছাড়েন। অপর দুই বিচারপতিও ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।</p><p>পরপর দুজন বিচারপতির পদত্যাগে মুর্শিদাবাদে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়াদের আপিল নিষ্পত্তির কাজ পুরোপুরি থমকে গেছে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে প্রায় ৯১ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গত মার্চে নির্বাচন কমিশন ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। বর্তমানে বাদ পড়া প্রায় ২২ লাখ ভোটারের আপিল শুনানি চলছে। তবে একের পর এক বিচারপতির পদত্যাগে এই লাখ লাখ মানুষের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তায় পড়েছে।</p><p>সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে লাখ লাখ মামলার নিষ্পত্তি করা অত্যন্ত কঠিন বলে আগেই সতর্ক করেছিলেন বিচারপতি বসু। তিনি ট্রাইব্যুনালগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছিলেন। দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর যাতায়াত, কমিশনের পোর্টালে প্রযুক্তিগত ত্রুটিসহ নানা জটিলতায় ট্রাইব্যুনালগুলোতে মামলার জট দিন দিন মারাত্মক রূপ নিচ্ছে।</p>

নভেম্বর ৯, ২০২৬
সালমান এফ রহমান ‘পর্যবেক্ষক’ হিসেবে বিদেশি আইনজীবী আনতে পারবেন: প্রসিকিউটর
সালমান এফ রহমান ‘পর্যবেক্ষক’ হিসেবে বিদেশি আইনজীবী আনতে পারবেন: প্রসিকিউটর

<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বিদেশি আইনজীবী ‘অবজারভার’ (পর্যবেক্ষক) হিসেবে নিয়োগ করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। তিনি বলেছেন, ‘অবজারভার’ হিসেবে বিদেশি আইনজীবী ট্রাইব্যুনালে থাকতে পারবেন এবং বিচারকাজ পরিচালনায় তাঁর আইনজীবীকে সহযোগিতা করতে পারবেন।</p><p> ট্রাইব্যুনালে আজ রোববার বিকেলে সাংবাদিকদের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তবে আসামিপক্ষ জানিয়েছে তারা ‘অবজারভার’ চায় না, বিদেশি আইনজীবী সরাসরি নিয়োগ দিতে চায়।</p><p>এর আগে আজ ট্রাইব্যুনালে কথা বলেছেন আসামি সালমান এফ রহমান। তিনি ট্রাইব্যুনালের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন। সালমান এফ রহমান বলেন, তিনি ন্যায়বিচার চান। বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ দেওয়ার জন্য জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিতে তিনি ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি চেয়ে তিনি বার কাউন্সিলে আবেদন করেন। তাঁর বিদেশি আইনজীবীও বার কাউন্সিলে এ বিষয়ে আবেদন করেছেন। কিন্তু বার কাউন্সিল এখনো তাঁদের এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে খবরের মাধ্যমে জেনেছেন, বার কাউন্সিল তাঁর বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। যদিও অবজারভার আনা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>আইনের বিষয় উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান বলেন, আইনে যুক্তিসংগত কোনো কারণ ছাড়া বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি আটকে না রাখতে বলা হয়েছে। অথচ বার কাউন্সিল বিদেশি আইনজীবী না দেওয়ার কারণই তাঁদের জানায়নি। সেটা জানালে ট্রাইব্যুনাল দেখবে যে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ না দেওয়ার যে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, তা যুক্তিসংগত কি না।</p><p>সালমান এফ রহমান আরও বলেন, প্রসিকিউশন বলছে, তাঁর মামলার বিচার প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাঁরা আগেই বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করেছেন। সামনে যুক্তিতর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশ রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের উদ্দেশ্য ছিল আসামিকে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া। যুক্তিতর্কের সময় তিনি বিদেশি আইনজীবী চান।</p><p>এরপর ট্রাইব্যুনালে কথা বলেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আইনে উল্লেখ আছে আসামি বার কাউন্সিলের অনুমতি সাপেক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবেন। আর লিখিত আবেদনে সালমান এফ রহমান তাঁর পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য বার কাউন্সিলকে নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেছেন। এ ক্ষেত্রে বার কাউন্সিলকে নির্দেশনা দেওয়ার এখতিয়ার ট্রাইব্যুনালের নেই।</p><p>তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, আইনে যদি উল্লেখ না থাকত, তখন তাঁরা বিষয়টি (বার কাউন্সিলের অনুমতি নিয়ে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ) বিবেচনা করতে পারতেন। আইনে বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকায় এমন নির্দেশনা দেওয়ার এখতিয়ার তাঁদের নেই। তবে সালমান এফ রহমানের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের বিষয়টি বার কাউন্সিল নিষ্পত্তি করেছে কি না, করলে কী করেছে—তাঁরা (ট্রাইব্যুনাল) এ বিষয়ে নির্দেশনা দিতে পারেন। তখন বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে আপিল করার সুযোগ থাকবে।</p><p>পরে সাংবাদিকদের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, তাঁরা বলেছেন, বিদেশি আইনজীবী ট্রাইব্যুনালের ডায়াসে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারবেন কি না, সে ব্যাপারে আইনে অনুমতির প্রয়োজন আছে। কিন্তু একজন আইনজীবীকে সহযোগিতা (অ্যাসিস্ট) করার জন্য, মামলা রেডি (প্রস্তুত) করে দেওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিরই অনুমতির দরকার নেই। তাঁরা যদি সত্যি বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ করতে চান, তাহলে অবজারভার হিসেবে আনতে পারেন। অবজারভার হিসেবে তাঁদের আইনজীবীদের অ্যাসিস্ট (সহযোগিতা) করবেন, তাঁরা (আসামিপক্ষের বাংলাদেশি আইনজীবী) সাক্ষীকে প্রশ্ন করবেন।</p>

নভেম্বর ৯, ২০২৬
ভারতের তিন রাজ্যে বড় অস্ত্র পাচার চক্রের সন্ধান, উদ্ধার ৪৪ হাজার কার্তুজ
ভারতের তিন রাজ্যে বড় অস্ত্র পাচার চক্রের সন্ধান, উদ্ধার ৪৪ হাজার কার্তুজ

<p>ভারতের বিহার, উত্তর প্রদেশ ও হরিয়ানা রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা একটি বড় অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এই তিন রাজ্যের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ) যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ কার্তুজ উদ্ধার এবং জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সংবাদমাধ্যম মিল্লাত টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p> প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তারের পর চন্দন তিওয়ারি ও তাঁর ভাই অভিষেক তিওয়ারির ছবি প্রকাশ্যে আসায় ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন ছবিতে তাঁদের দুজনকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) পোশাক পরা অবস্থায় দেখা গেছে। অন্য একটি ছবিতে মুজাফফরপুরের এক স্থানীয় বিধায়কের সঙ্গেও তাঁদের দেখা যায়।</p><p>অভিষেক তিওয়ারি এর আগেও একটি অস্ত্র পাচার মামলায় কারাগারে ছিলেন। চন্দন তিওয়ারিকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করেছে এসটিএফ। তবে আরএসএসের এই চক্রে সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তার কোনো প্রমাণ তদন্তে পাওয়া যায়নি। কেবল পোশাক পরা ছবির মাধ্যমে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক যোগসূত্র নিশ্চিত হওয়া যায় না বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।</p><p>পাটনা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিহারের আরা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১৯ হাজারের বেশি কার্তুজ উদ্ধার করে বিহার এসটিএফ। এ ঘটনায় চন্দন তিওয়ারিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, চক্রটির শিকড় ছড়িয়ে রয়েছে উত্তর প্রদেশের বদায়ূঁ জেলায়। পরবর্তী সময়ে উত্তর প্রদেশ ও হরিয়ানায় অভিযান চালিয়ে আরও কয়েক হাজার কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।</p><p>একই ধরনের অভিযানে হরিয়ানা এসটিএফ ঝজ্জরের রোহদ টোল প্লাজার কাছ থেকে দুটি গাড়ি তল্লাশি করে মোট ২৫ হাজার গুলি ও আটটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বদায়ূঁ জেলার বাসিন্দা মুন্না খান, আসিম রইস, সবলু খান, আরবাজ আলী ও জিনাত নামের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, ‘বদায়ূঁ গান হাউস’-এর মালিক মুন্না খান সিরসা এলাকায় অবস্থিত ‘মেহক গান হাউস’-এর মালিক বিজয় গোয়েলের কাছ থেকে এই কার্তুজ সংগ্রহ করেছিলেন।</p><p>তদন্তের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে কার্তুজের উৎস নিয়ে। উদ্ধার হওয়া কার্তুজগুলো সরকারি অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি বা সমরাস্ত্র কারখানায় তৈরি। সরকারি কারখানায় তৈরি কার্তুজ কীভাবে এই বেআইনি চক্রের হাতে পৌঁছাল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।</p><p>এর আগে জাল লাইসেন্স ব্যবহার করে ১০০টি পিস্তল সরবরাহের মামলায় বিহারের ‘জালান শপ’ নামের একটি অস্ত্র বিপণির নাম এসেছিল। তার সঙ্গে এই অবৈধ কার্তুজ উদ্ধারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।</p><p>ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) ইতিমধ্যে তদন্তে যুক্ত হয়ে সরবরাহের মূল উৎস এবং ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ শুরু করেছে। বিপুল এই গোলাবারুদের চূড়ান্ত ক্রেতা কারা ছিল, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।</p>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
সরকার গঠনের দায়িত্ব পেয়ে আইজেনকট বললেন, সবার জন্য দরজা খোলা
সরকার গঠনের দায়িত্ব পেয়ে আইজেনকট বললেন, সবার জন্য দরজা খোলা

<p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটানোর সুযোগ পেয়েছেন বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকট। সাবেক এই সেনাপ্রধানকে সরকার গঠনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। আজ রোববার এই দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বলেছেন, ‘যে কারও জন্য আমার দরজা খোলা।’</p><p> গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কোনো দল বা জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে সরকার গঠনের কঠিন সমীকরণের মধ্যে আইজেনকট সরকার গঠনের কাজ শুরু করেছেন। তিনি নেতানিয়াহুর জোটের দলগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। সরকার গঠনের জন্য ২৮ দিনের সময় পেয়েছেন তিনি।</p><p>প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের দায়িত্ব পাওয়ার পর আইজেনকট বলেন, ‘আমরা এক জরুরি পরিস্থিতির মধ্যে আছি। ইসরায়েল রাষ্ট্র এমন এক জায়গায় যাচ্ছে, যেখান থেকে ফিরে আসার উপায় নেই। আমাদের একটি জাতীয় জরুরি সরকার গঠন করতে হবে। এর জন্য সৃজনশীল এবং ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক পদক্ষেপের প্রয়োজন হবে।’</p><p>নেতানিয়াহুর সময় ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিশ্বে একঘরে হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে আইজেনকট বলেন, ‘আমরা এক ভয়াবহ কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে আছি। এমনকি আমাদের নিকটতম বন্ধু ও কৌশলগত মিত্ররাও বলছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আবার বিবেচনা করা দরকার।’</p><p>আইজেনকট নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের অতি ডানপন্থী পার্টিকেও তাঁর সরকারে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে শর্ত হলো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কেবল তিনিই থাকবেন।</p><p>আইজেনকট বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিকে গভীরভাবে বোঝেন, এমন যে কারও জন্য আমার দরজা খোলা এবং আমার হাত আন্তরিকভাবে ও সানন্দে প্রসারিত।’</p><p>ভোটে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। আরব নেতাদের নেতৃত্বাধীন দল রাআম ও জোট জয়েন্ট লিস্টের ১৯টি আসন যোগ হলে দাঁড়ায় ৬৭। ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৬১ আসন। কিন্তু আরবদের সমর্থনে সরকার গঠনে আইজেনকটের জোটের শরিক দলগুলোর আপত্তি রয়েছে। ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী থাকা নেতানিয়াহু বিরতি দিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে দেশ শাসন করেছেন। এবারের ভোটে তাঁর লিকুদ পার্টি পেয়েছে সর্বোচ্চ ২৭টি আসন। ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী মিত্রদের নিয়ে তাঁর জোটের আসন ৫৩টি। তবে এই জোটের দল ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম (ইউটিজে) প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় জানিয়েছে, তারা কোনো পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে না। এতে সরকার গঠনের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েন নেতানিয়াহু। ইউটিজের আসন রয়েছে সাতটি।</p>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’
আলো-ছায়ার দ্বৈত ভাষা ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’

কবি শাহ সানাউল হকের ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’ অবশ্য আয়নার হুবহু প্রতিচ্ছবির ধারণা নয়; বরং একই দৃশ্য, মুহূর্ত বা অভিজ্ঞতা কবিচেতনায় দুইভাবে প্রতিফলিত হয়। জন্ম দেয় দুটি স্বতন্ত্র কবিতার। একটি অন্যটির অনুলিপি, পুনর্লিখন বা ছায়া নয়। একই উৎস থেকে সেগুলো ভিন্ন ভাষা, চিত্রকল্প ও অনুভব নিয়ে আলাদা হয়ে ওঠে। এদিক থেকে ‘প্রতিবিম্ব কবিতা’ একধরনের কাব্যিক ও দার্শনিক নিরীক্ষা।

নভেম্বর ৮, ২০২৬
‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য
‘ভারত-বাংলাদেশকে নিয়ে টুর্নামেন্ট করুন, আমাদের সময় নষ্ট করবেন না’, শ্রীলঙ্কার কোচের বিস্ফোরক মন্তব্য

শ্রীলঙ্কার কোচের অভিযোগ, সাফে আয়োজক দেশ ও ভারতের পক্ষে সুবিধা দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন তিনি।

নভেম্বর ৮, ২০২৬
আড়াইহাজারে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
আড়াইহাজারে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

<p>নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে মিছিল নিয়ে ফেরার পথে উপজেলার পুরাতন স্টিলব্রিজ এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।</p><p> প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে আড়াইহাজার পৌরসভার শহীদ মঞ্জুর স্টেডিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি চলছিল। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে একটি মিছিল নিয়ে তাঁর অনুসারীরা মঞ্চের সামনে অবস্থান নেন।</p><p> পরে বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদের (সালামত) নেতৃত্বে আরেকটি মিছিল মঞ্চের সামনে গেলে দুই পক্ষের নেতা–কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে দুই নেতার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।</p><p>বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা পুরাতন স্টিলব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে দুই পক্ষের মধ্যে আবার বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে সালাউদ্দিন আহমেদের পক্ষের এরশাদুল্লাহ (৪৫), রিফাতুল্লাহ (৩৫), আনসার আলী (৪৪), বাহর আলী (৪৮) ও ফারুক (৪৫) আহত হন। অন্যদিকে মোবারকের পক্ষের সিদ্দিক (৬৫) ও শাহজাহান (৪০) আহত হন। এ ছাড়া দুই পক্ষের আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁদের নাম জানা সম্ভব হয়নি।</p><p>আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে রিফাতুল্লাহ ও শাহজাহানের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।</p><p>কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, তাঁরা সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদের নির্দেশে নেতা–কর্মীদের নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পরে সাবেক ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাঁদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। হামলায় তাঁদের সাতজন নেতা–কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। রিফাতুল্লাহকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</p><p>অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মোবারক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি মিছিলের সামনে ছিলাম। শুনছি সালামতের (সালাহউদ্দিন আহমেদ) লোকজন আমার লোকজনের ওপর হামলা করেছে। আমার পক্ষের বজলু ও শরীফ নামের দুজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে।’</p><p>আড়াইহাজার থানার ওসি সবজেল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মিছিল করা নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষ—সালামত ও মোবারক গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ
তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ

<p>তিন বছর আগে তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৮ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছিল সাড়ে ১২ হাজার টাকা। তখন এই টাকায় যে পরিমাণ পণ্য ও সেবা কেনা যেত, বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে একই পণ্য ও সেবা কিনতে অন্তত ২৯ শতাংশ অর্থ বেশি লাগছে। তার মানে, তিন বছরের ব্যবধানে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের ক্রয়ক্ষমতা কমছে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ।</p><p> শ্রমবিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম্নতম মজুরি নির্ধারণে চারজনের একটি শ্রমিক পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় আমলে নিতে হবে। অতীতে কখনোই এটি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। অতীতে সব সময়ই জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। সে জন্য মজুরি কিছুটা বাড়লেও শ্রমিকের জীবনযাপনের মান উন্নয়ন হয়নি। তবে মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিল্পের সক্ষমতাও বিবেচনায় নিতে হবে।</p><p> নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ছিল ৬২৭ টাকা। ১৯৯৪ সালে সেই মজুরি ৪৮ শতাংশ বেড়ে ৯৩০ টাকা হয়। তারপর প্রায় ৩০ বছরে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি বেড়েছে ১১ হাজার ৫৭০ টাকা। সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিম্নতম মজুরি বেড়েছিল ৫৬ শতাংশ।</p><p>বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মূল্য সূচকের মান বেড়েছে ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ। তার মানে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ১২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে যে পরিমাণ পণ্য ও সেবা কেনা যেত, একই পরিমাণ পণ্য ও সেবা কিনতে এখন প্রয়োজন হবে ১৬ হাজার ৮৭ টাকা। শুধু তা-ই নয়, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে ডলারের হিসাবে শ্রমিকের মজুরি কমেছে সাড়ে ১১ ডলার।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বরে প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান ছিল ১১০ দশমিক ৫ টাকা। তার বিপরীতে শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ছিল ১১৩ দশমিক ১২ ডলার। গত অক্টোবরে প্রতি ডলারের মূল্যমান দাঁড়িয়েছে ১২৩ দশমিক শূন্য ৩ টাকা। সেই হিসাবে শ্রমিকের মজুরি দাঁড়িয়েছে ১০১ দশমিক ৬ ডলার।</p><p>শ্রমিকেরা বাংলাদেশি মুদ্রায় মজুরি পেলেও মালিকেরা তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় করেন ডলারে। টাকার অবমূল্যায়নের কারণে সেই ডলারের বিপরীতে বাড়তি অর্থ পাচ্ছেন মালিকেরা। ২০২৩ সালের নভেম্বরের তুলনায় গত অক্টোবরে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ১১ শতাংশ। তার মানে, তিন বছর আগে ১০০ ডলারের পোশাক রপ্তানি করলে মালিকেরা পেতেন ১১ হাজার ৫০ টাকা। আর এখন পাচ্ছেন ১২ হাজার ৩০৩ টাকা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/8ayme9ah/WhatsApp-Image-2026-11-08-at-11.04.14-PM.jpeg"></figure><p>গত মাসে প্রকাশিত বিবিএসের এক জরিপে উঠে এসেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবারের গড় মাসিক ব্যয় সবচেয়ে বেশি—৪৬ হাজার ৭৭৮ টাকা। আর শহরাঞ্চলে প্রতি পরিবারের মাসিক ব্যয় ৩৭ হাজার ৩৪৪ টাকা এবং গ্রামাঞ্চলে ৩২ হাজার ৫৩২ টাকা। জাতীয় পর্যায়ে পরিবারের মাসিক ব্যয়ের অর্ধেক খাবার এবং অর্ধেক খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয় হয়।</p><p>জানতে চাইলে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রথম আলোকে বলেন, শুধু মূল্যস্ফীতি আমলে নিলে হবে না, শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের বিষয়টিও দেখতে হবে। মজুরি নির্ধারণে মূল্যস্ফীতি ছাড়াও ১০টি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ত্রিপক্ষীয় সভায় নির্মোহভাবে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অন্য খাতগুলোর মজুরিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।</p><aside><cite>সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক, বিলস</cite>একটি পরিবার যেন স্বচ্ছন্দে চলতে পারে, সেভাবে মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি সস্তা মজুরি তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার শক্তি—এমন ধারণা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে আমাদের।</aside><p>মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত মাস থেকে আন্দোলন করছেন তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকেরা। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ নভেম্বর সরকার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। তারপরও শিল্পাঞ্চলে শ্রম পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি। এমন প্রেক্ষাপটে আজ সোমবার নিম্নতম মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি প্রাথমিক মজুরি প্রস্তাব জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। মালিকপক্ষ এ সভায় মজুরি প্রস্তাব দেবে কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>জানতে চাইলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিন বছর আগে পোশাকশ্রমিকদের যে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি গ্রহণযোগ্য মজুরি ছিল না। এবার সেটিকে ভিত্তি ধরে মজুরি নির্ধারণ করলে হবে না। মজুরি নির্ধারণের সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন পে স্কেল ও বিবিএসের জরিপ আমলে নিতে হবে।’</p><p>সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘শ্রমিকেরা অনেক বেশি মজুরি চান, তা কিন্তু নয়। শ্রমিকেরা বলছেন, বর্তমান মজুরিতে বাসা ভাড়া দিয়ে তাঁরা চলতে পারছেন না। সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ। ফলে একটি পরিবার যেন স্বচ্ছন্দে চলতে পারে, সেভাবে মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি সস্তা মজুরি তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার শক্তি—এমন ধারণা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে আমাদের। তা না হলে অর্থনীতিতে গতি ফিরবে না।’</p>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
শব্দের মানচিত্র
শব্দের মানচিত্র

<p> কেবল একটি কবিতার জন্য<br> অহোরাত্র শব্দের সাথে যাপন।<br> অবাধ্য অক্ষরেরা চঞ্চল, অতিশয় অস্থির—<br> সহসা ভেঙে দেয় শৃঙ্খলা।<br> আমি তবু বিন্যাসে বিন্যাসে আঁকি এক মানচিত্র।<br> দাবাড়ুর মাপা দানে যেভাবে চেনা যায় খেলা,<br> শব্দের অভিঘাতে ঠিক সেভাবেই সরে যায় দৃশ্যপট—<br> ভেসে ওঠে বিচিত্র আখ্যান;<br> কখনো বিষাদলিপি, কখনো তীব্র কোলাহল,<br> কখনো সাম্য ও সংহতির স্বর,<br> কখনো বা নিস্পৃহ একাকিত্ব ও শাশ্বত অমরতা।<br> কেবল একটি কবিতার জন্য শব্দ সাজাই।<br> অথচ শব্দেরা এখানে গড়ে তোলে নিজস্ব খেরোখাতা—<br> রাজনীতি, অপশক্তি ও অপসংস্কৃতির চোরাবালি;<br> কখনো দেশপ্রেমের কুশলী মুখোশ,<br> কখনো দেশদ্রোহের সুনিপুণ অভিনয়।<br> অক্ষরেরা ফের অবাধ্যতায় মাতে।<br> পুনরায় বিন্যস্ত করি, আঘাত হানি—<br> তাতে কার কী বা এসে যায়!<br> ওরা তো নিজস্ব ব্যাকরণে শুধু বহুরূপী।<br> কখনো পাশে এসে দাঁড়ায় এক দীর্ঘ প্রশ্নচিহ্ন,<br> কখনো স্তব্ধ বিস্ময়—<br> জিজ্ঞাসা বাড়ে, বিস্ময় ঘনীভূত হয়,<br> কিন্তু উত্তর মেলে না।<br> কেবল একটি কবিতার জন্য<br> তবু আমি অবাধ্য শব্দ কুড়োই।<br> হঠাৎ সেখানে মূর্ত হয় যুদ্ধাহত শিশুর কম্পমান ওষ্ঠাধর,<br> অন্নসন্ধানী জননীর চোখের প্লাবন,<br> অসহায় বৃদ্ধের বুকফাটা চিৎকার—<br> ‘বাঁচতে চাই, বাঁচতে দাও!’<br> ভূগোলের গণ্ডি বেয়ে নুয়ে পড়ে জল,<br> সীমানা মুছে যায় কান্নার রেখায়।<br> আর সেই মানচিত্রের ব্যবচ্ছেদ ছিঁড়ে,<br> ধীরে ধীরে জেগে ওঠে—<br> একটি ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত কবিতা। </p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

হাসপাতালে খালেদা আক্তার কল্পনা

অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনাকে।