বাংলাদেশ

টিএমজিবির সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিত রায়

নভেম্বর ২, ২০২৬
টিএমজিবির সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিত রায়
টিএমজিবির সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিত রায়
প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে সংগঠনটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন শেষে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।

Prothomalo

View more
দুই নাজমুলের নেতৃত্বে এনসিপির স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের কমিটি, নাহিদ বললেন—সম্পর্কটা ‘আদর্শিক’
দুই নাজমুলের নেতৃত্বে এনসিপির স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের কমিটি, নাহিদ বললেন—সম্পর্কটা ‘আদর্শিক’

<p>জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে আদর্শিক সম্পর্ক রেখে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন সংগঠন ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’। দেশের সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অর্থ কমিটির সাবেক প্রধান এম নাজমুল ইসলামকে সদস্যসচিব করে সংগঠনটির ১০২ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে এক নম্বর উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।</p><p> আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের আত্মপ্রকাশ ঘটে। অনুষ্ঠানে আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন সদস্যসচিব এম নাজমুল ইসলাম। পরে কমিটির সব সদস্যের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়।</p><p>অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা স্পোর্টস অ্যালায়েন্সকে ‘স্বাধীন সংগঠন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের উইং বা শাখা হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে না বলেও জানান তাঁরা।</p><p>সমাপনী বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের সঙ্গে এনসিপির সম্পর্ক ‘আদর্শিক ও নীতিগত’। স্পোর্টস অ্যালায়েন্সকে এনসিপির অঙ্গসংগঠন বলতে সমস্যা কোথায়—এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এনসিপির অঙ্গসংগঠন আর সহযোগী, সমমনা ও ভ্রাতৃত্ব সংগঠনের ধারণাগুলো আলাদা। নির্বাচনী আইন মেনে আমরা রাজনৈতিক দল পরিচালনা করি। স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের সঙ্গে অবশ্যই আমাদের সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের আদর্শিক ও নীতিগত জায়গা রয়েছে। সে জন্যই আমরা এই আয়োজনের সঙ্গে আছি, আমরা এখানে এসেছি।’ তিনি বলেন, ‘এখানে রাখঢাকের কিছু নেই। আমরা সহযোগিতা করতে চাই। এটা আমাদের অধীন কোনো সংগঠন নয়, তারা স্বাধীনভাবেই কাজ করবে। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের ভালো কাজের সঙ্গে আমরা থাকব।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/sdd9usug/NCP-Sports-Allaince-2.jpeg"><figcaption>ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নাজমুল আবেদীন ফাহিম অনুষ্ঠানে সংগঠনের ঘোষণাপত্র পাঠ করছেন। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, ফার্মগেট, ঢাকা। ২ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><p>এর আগে বক্তব্যে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘যাঁরা ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের উদ্যোগটা নিয়েছেন, তাঁদের প্রথম থেকেই ধারণা ছিল এটা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের উইং বা শাখা হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে না। তারা একটা স্বতন্ত্র সংগঠন হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স ক্রীড়ার নীতি নিয়ে কাজ করবে।’</p><p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠশিল্পী ও বিসিবির সাবেক পরিচালক আসিফ আকবর। তিনি বলেন, ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সকে অনুরোধ করছি, আপনারা কখনো লেজুড়বৃত্তিক সংগঠন হবেন না।’</p><p><strong>কমিটির মেয়াদ ছয় মাস</strong></p><p>এদিকে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক, দায়িত্বশীল ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতা সক্ষম করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী ছয় মাসের জন্য ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন করা হলো। কমিটিতে পাঁচজনকে উপদেষ্টা করা হয়েছে। তাঁরা হলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, তারেক এ আদেল, জহিরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন ও আহনাফ সাঈদ খান।</p><p>কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে আরমানুল ইসলামকে। এ ছাড়া কমিটিতে ৫ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক, ৭ জনকে যুগ্ম সদস্যসচিব, ৩৬ জনকে সংগঠক ও ৪৭ জনকে সদস্য করা হয়েছে।</p><p>অনুষ্ঠানে সংগঠনের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কমিটির আহ্বায়ক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক এ আদেল, ক্রিকেট কোচ ইমরান হোসাইন প্রমুখ।</p>

নভেম্বর ২, ২০২৬
মিরপুরে পুলিশের গাড়ি পোড়ানোর ছবি-ভিডিও যায় আলিফের মুঠোফোনে, আসে টাকা
মিরপুরে পুলিশের গাড়ি পোড়ানোর ছবি-ভিডিও যায় আলিফের মুঠোফোনে, আসে টাকা

ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান বলেন, মিরপুরের গাড়ি পোড়ানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে, এ ঘটনার পেছনে ছিলেন আলিফ মোল্লা।

নভেম্বর ২, ২০২৬
ইউরোপের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা
ইউরোপের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা

<p>ইউরোপের বেশ কিছু দেশে সুপারমার্কেটের হিমায়ন ব্যবস্থায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য সন্দেহভাজন সাইবার হামলাকে দায়ী করা হচ্ছে। আজ সোমবার একাধিক ইউরোপীয় দেশজুড়ে সুপারমার্কেটের রেফ্রিজারেশন ব্যবস্থায় হঠাৎ তাপমাত্রা বাড়ার ঘটনা ঘটে। বেলজিয়াম, এস্তোনিয়া, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবুর্গ ও সুইডেনের বিভিন্ন দোকানে রাতারাতি তাপমাত্রা বৃদ্ধির খবর রেকর্ড করা হয়। আগের যান্ত্রিকভাবে পরিচালিত অপারেটিং সিস্টেমগুলোর দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে এসব সাইবার আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে খুচরা বিক্রেতা ও কর্তৃপক্ষ চিহ্নিত করেছে। ফ্রান্সে অনুরূপ হামলার কয়েক সপ্তাহ পর এ ঘটনা ঘটল। ফ্রান্সে এর আগে একই ধরনের সাইবার হামলায় আগুন ধরেছিল এবং কোটি কোটি টাকার খাবার নষ্ট হয়েছিল।</p><p>সুইডেনের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কেন্দ্রের প্রধান জন বিলো রয়টার্সকে বলেন, ‘বিভিন্ন দোকানের কুলিং সিস্টেমকে প্রভাবিত করার একাধিক ঘটনা জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা সুইডেনে বেশ কিছু উন্মুক্ত অপারেশনাল টেকনোলজি ডিভাইস চিহ্নিত করেছি। এগুলোতে সিস্টেম হালনাগাদ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমরা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলাম।’ সুইডিশ খুচরা বিক্রেতা অ্যাক্সফুড জানায়, গোথেনবার্গ এলাকায় তাদের ফ্রিজার হ্যাক করা হয়েছে। আয়ারল্যান্ডের তৃতীয় বৃহত্তম সুপারমার্কেট চেইন সুপারভ্যালু জানিয়েছে, ২২৩টি দোকানের মধ্যে ১৩টিতে সাইবার ঘটনার প্রভাব পড়েছে।</p><p>বেলজিয়াম ও লুক্সেমবুর্গের আহোল্ড ডেলহাইজে স্পার শপ এবং ডজনখানেক দোকানের কুলিং ইউনিট ডিফ্রস্ট মোডে পাল্টে দেওয়া হয়েছে। রেফ্রিজারেশন কোম্পানি সাবকোবেলের প্রধান নির্বাহী স্টিফান মোয়েলান্স সাইবার হামলাকে এর জন্য দায়ী করেছেন। এস্তোনিয়ার প্রযুক্তি সরবরাহকারী কিটম্যান কোল্ডটেকের প্রধান নির্বাহী জান মুতসো জানান, এস্তোনিয়াতেও তাপমাত্রা বাড়িয়ে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস করা হয়েছে। ঘটনাটি একেবারেই নতুন, সোমবার সকালে এটি ঘটেছিল।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তায় দেখা গেছে, ফ্রান্সে যেভাবে সাইবার হামলা চালিয়ে রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজারের তাপমাত্রা বাড়ানো হয়েছিল, এখানেও ঠিক একই তাপমাত্রা সেটা করা হয়। এখন পর্যন্ত ঘটনার দায় কেউ স্বীকার করেনি। তবে ইউরোপে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের কারণে হাইব্রিড যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ইউরোপীয় কমিশনের এক মুখপাত্র জানান, সাইবার হামলা নাগরিক জীবনের সরাসরি ক্ষতি করতে পারে। এ ঘটনায় পুরো ব্লকজুড়ে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা</p>

নভেম্বর ২, ২০২৬
বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক পাখা বদলালে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে আড়াই হাজার মেগাওয়াট
বাসাবাড়ির বৈদ্যুতিক পাখা বদলালে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে আড়াই হাজার মেগাওয়াট

<p>গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ চাহিদার সময় বাসাবাড়িতে ফ্যান বা বিদ্যুৎ–চালিত পাখা ব্যবহারের ফলে ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা তৈরি হয়। রাত ৯টার দিকে এসব ফ্যানের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে। সাধারণ এসব ফ্যান বদলে কম বিদ্যুৎ খরচের বিএলডিসি (ব্রাশলেস ডাইরেক্ট কারেন্ট) ফ্যান ব্যবহার করলে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা কমানো সম্ভব।</p><p> ইনস্টিটিউট ফর অ্যানার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। আজ সোমবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের ২৬ জেলার ৪৩৫টি পরিবারকে মাসিক আয়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে জরিপ চালিয়ে এই গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।</p><p>‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি লিখেছেন আইইইএফএর বাংলাদেশবিষয়ক প্রধান জ্বালানিবিশ্লেষক শফিকুল আলম। প্রতিবেদনে বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহারের ফলে কী সুফল পাওয়া যাবে, তা তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, দেশে ব্যবহৃত মোট ফ্যানের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ বিএলডিসি ফ্যান। এসব ফ্যান চালাতে ৩৫ ওয়াট বিদ্যুৎ লাগে। অন্যদিকে সাধারণ ফ্যান চালাতে লাগে ৭০ ওয়াট বা তারও বেশি।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় আবাসিক খাতে। এ ক্ষেত্রে ফ্যান ও শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) ব্যবহারে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোও গ্রীষ্মকালে দুটি পর্যন্ত ফ্যান ব্যবহার করে। এতে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা বাড়ে। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুতের সরবরাহ করতে না পারায় অনেক সময় ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ ফ্যানের বদলে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করলে গ্রীষ্মকালে বিদ্যুতের চাহিদা কমানোর পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভবিষ্যতে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এড়ানো সম্ভব। সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে দেশে বর্তমানে ব্যবহৃত বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়, এমন সব ফ্যান বদলে ফেলা যাবে।</p><p>সার্বিক বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জন্য চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যানের ব্যবহার বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা কমবে। এতে পিডিবির ওপর চাপও কমবে। তবে বিদ্যুৎ বিল কমানোর আগ্রহ থাকলেও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান সম্পর্কে মানুষের ধারণা কম।</p><p>জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ পরিবারই বাজারে এ ধরনের ফ্যান পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে অবগত নয়।</p><p><strong>বছরে ৮ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে</strong></p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করলে বছরে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৯১৩ গিগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এর আর্থিক মূল্য ৮ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা (৭৩ কোটি মার্কিন ডলার)। এসব ফ্যান ব্যবহারে কতটা বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়, তা জানার পর জরিপে অংশ নেওয়া ৯৬ শতাংশ পরিবার বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহারে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে দাম বেশি হওয়ায় অনেক পরিবারের পক্ষে এসব ফ্যান কেনা কঠিন। একটি সাধারণ ফ্যানের দাম প্রায় ২ হাজার টাকা (১৬ দশমিক ৩ মার্কিন ডলার)। অন্যদিকে বিএলডিসি ফ্যানের দাম ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার ৩০০ টাকা (৪০ দশমিক ৭ থেকে ৫১ দশমিক ৩ মার্কিন ডলার)।</p><p>দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ পরিবারের মাসিক আয় ২৫ হাজার টাকা বা তার কম। গ্রীষ্মকালে এসব পরিবারের গড় মাসিক বিদ্যুৎ বিল ৬৬৩ টাকা। আর্থিক সহায়তা না পেলে বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ের মাধ্যমে বিএলডিসি ফ্যান কেনার বাড়তি খরচ পুষিয়ে নিতে এসব পরিবারের ৭ দশমিক ৭ থেকে ৯ দশমিক ৬ বছর সময় লাগবে। তবে বড় পরিসরে একসঙ্গে ফ্যান কেনা এবং কার্বন ক্রেডিট বিক্রির অর্থ কাজে লাগানো গেলে এ সময় কমে ৪ দশমিক ৮ বছরে নেমে আসতে পারে। এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যানের ব্যবহার বাড়াতে সরকারকে একটি পরিকল্পিত কর্মসূচি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।</p><p><strong>সাতটি সুপারিশ</strong></p><p>প্রতিবেদনে সাতটি সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যানের ব্যবহার বাড়াতে একটি জাতীয় কর্মসূচি নেওয়া যেতে পারে। বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান এবং এসব ফ্যান ব্যবহারে কীভাবে বিদ্যুৎ বিল কমে, তা মানুষকে জানানো প্রয়োজন। ক্রেতারা যাতে সহজেই বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ফ্যান চিনতে পারেন, সে জন্য ফ্যানের মান নির্ধারণ এবং লেবেল–সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হলে সুফল পাওয়া যাবে। স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য বিএলডিসি ফ্যানের দাম কমাতে হবে। কিস্তিতে ফ্যানের দাম পরিশোধে বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা যেতে পারে।</p>

নভেম্বর ২, ২০২৬
আইসিইউতে বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ
আইসিইউতে বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত হারুনুর রশীদ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পাঁচবারের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

নভেম্বর ২, ২০২৬
আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন
আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন

আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন

নভেম্বর ২, ২০২৬
১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের
১১২১ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ৩ মামলার অনুমোদন দুদকের

দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন গঠিত হলেও সেগুলোর অনুকূলে ঋণ ও ইডিএফ সুবিধা অনুমোদন করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালকদের ব্যবসার অভিজ্ঞতা ছিল না।

নভেম্বর ২, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও কেন ধর্মের রাজনীতি?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও কেন ধর্মের রাজনীতি?

রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এ আয়োজনে কথা বলেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকেরা

নভেম্বর ২, ২০২৬
পক্ষ ছাড়ায় কর্মীকে খুনের অভিযোগ, চট্টগ্রামের সেই যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
পক্ষ ছাড়ায় কর্মীকে খুনের অভিযোগ, চট্টগ্রামের সেই যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

হামলায় ওই কর্মীর ডান পা হাঁটুর নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চিকিৎসকেরা পা কেটে ফেললেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।

নভেম্বর ২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।