বাংলাদেশ

তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের আমানত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

নভেম্বর ৯, ২০২৬
তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের আমানত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ
তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের আমানত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ
তারল্যসংকটে থাকা ছয়টি ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করেছে।

Prothomalo

View more
ইরানের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন টাস্কফোর্স, এবার স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগরে নজর
ইরানের অস্ত্র সরবরাহ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন টাস্কফোর্স, এবার স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগরে নজর

<p>ইরানের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম আমদানি বন্ধে এবার স্থলসীমান্ত ও কাস্পিয়ান সাগরকে লক্ষ্য করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির এসব পথে উন্নত অস্ত্র, বিস্ফোরক ও দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি সরবরাহ বন্ধে ‘টাস্কফোর্স আয়রন গেট’ নামে বিশেষ বাহিনী গঠন করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।</p><p>গত শনিবার এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের পাশাপাশি ইরানের অবৈধ আয়ের উৎসগুলোও বন্ধ করার লক্ষ্য রয়েছে এই উদ্যোগে।</p><p>রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টাস্কফোর্স আয়রন গেটের সদর দপ্তর হবে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার টাম্পায়। এটি মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। অস্ত্র পরিবহন বন্ধের পাশাপাশি ইরানের ব্যবহৃত দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তির সরবরাহ ঠেকানোও হবে এর কাজ।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে সরকারের অন্যান্য সংস্থার সমন্বয় থাকবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই কার্যক্রমে অর্থ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিচার বিভাগের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও যুক্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><blockquote>টাস্কফোর্স আয়রন গেটের সদর দপ্তর হবে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার টাম্পায়। এটি মার্কিন সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে। অস্ত্র পরিবহন বন্ধের পাশাপাশি ইরানের ব্যবহৃত দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তির সরবরাহ ঠেকানোও হবে এর কাজ।</blockquote><p>সাতটি দেশের সঙ্গে ইরানের স্থলসীমান্ত রয়েছে। এসব সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ হাজার ৯০০ কিলোমিটার (৩ হাজার ৬৬০ মাইল)। দেশটির পশ্চিম ও উত্তরে রয়েছে ইরাক, তুরস্ক, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। আর পূর্বে রয়েছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান।</p><p>এ ছাড়া কাস্পিয়ান সাগরের সঙ্গেও ইরানের উপকূল রয়েছে। সেখানে দেশটির উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৫০ কিলোমিটার (৪৭০ মাইল)।</p><p>ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর আট মাসের বেশি সময় পরও তেহরানের ওপর চাপ বাড়ানোর নতুন উপায় খুঁজছে ওয়াশিংটন। মার্কিন হামলায় ইরানের প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি ও আরব সাগর দিয়ে দেশটির অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে পড়েছে। তা সত্ত্বেও ইরান এখনো এই অঞ্চলের জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশটির শাসকেরাও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/2iixyim1/Iran.png"><figcaption>ইরানের সঙ্গে সাতটি দেশের স্থল সীমান্ত রয়েছে</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সঙ্গে সেন্টকমের সহযোগিতা জোরদার হলে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, অস্ত্র কারখানা পুনর্গঠন এবং সামরিক সরঞ্জামের মজুত পুনরায় পূরণ করার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও সীমিত হবে।</p><p>সেন্ট্রাল কমান্ডের হিসাব অনুযায়ী, নৌ অবরোধের কারণে ইরানের ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রপ্তানি বন্ধ হয়েছে।</p><p><strong>ইরানের গোপন নেটওয়ার্ক</strong></p><p>রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ এড়িয়ে সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক ও ভারী যানবাহন আমদানির জন্য গোপন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তত ২০০ কোটি ডলারের সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে।</p><p>অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রাশিয়া থেকে কাস্পিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজে, মধ্য এশিয়া থেকে ট্রাকে এবং চীন থেকে কার্গো বিমানে এসব সরঞ্জাম ইরানে প্রবেশ করেছে। ফলে নৌ অবরোধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিভিন্ন পথে সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছে তেহরান।</p><blockquote>রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ এড়িয়ে সামরিক সরঞ্জাম, বিস্ফোরক ও ভারী যানবাহন আমদানির জন্য গোপন নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে ইরান। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তত ২০০ কোটি ডলারের সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে।</blockquote><p><strong>নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা</strong></p><p>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি বড় ধরনের ধাক্কা খাওয়ার পর উল্লাস প্রকাশ করেছে ইরান। নির্বাচনের ফলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির হাতে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবির জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন। একই সঙ্গে এই সংঘাত চালিয়ে যাওয়া আদৌ সঠিক সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যস্থতাকারীরা তৎপরতা বাড়িয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর যুদ্ধ আবার শুরু হতে পারে-এমন আশঙ্কা থেকে এই প্রচেষ্টা জোরদার হয়েছে।</p><p>ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দিয়ে আসছেন। এতে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ, তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলের অবকাঠামোয় ব্যাপক পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে।</p><p>রয়টার্স এর আগে জানিয়েছিল, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালালেও তেহরানের আলোচনার অবস্থানে মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসবে না। এমনকি এতে ইরানের সরকারের পতনও ঘটবে না।</p>

নভেম্বর ৯, ২০২৬
‘কিং’ মুক্তির আগেই গেরুয়া রং নিয়ে আবারও বিতর্কের মুখে শাহরুখ
‘কিং’ মুক্তির আগেই গেরুয়া রং নিয়ে আবারও বিতর্কের মুখে শাহরুখ

‘কিং’ মুক্তির আগেই গেরুয়া রং নিয়ে আবারও বিতর্কের মুখে শাহরুখ

নভেম্বর ৯, ২০২৬
কোন পথে চীনের করিডর?
কোন পথে চীনের করিডর?

চীন বঙ্গোপসাগরে পৌঁছাতে চায়। বাংলাদেশকে সেই যোগাযোগব্যবস্থার অংশ করতে চায়

নভেম্বর ৯, ২০২৬
নিউগিনি প্রপার্টিজে আবার হামলা: ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধেই উল্টো মামলা
নিউগিনি প্রপার্টিজে আবার হামলা: ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধেই উল্টো মামলা

<p>রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ইসিবি চত্বর এলাকায় নিউগিনি প্রপার্টিজ নামের আবাসন প্রকল্পে গত শনিবার বিকেলে আবার হামলা, ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১০ পুরুষ ও ৪ নারীসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর উল্টো ওই আবাসন প্রকল্পের মালিকের বিরুদ্ধেই মামলা হয়েছে।</p><p>নিউগিনি আবাসন প্রকল্পের মালিক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না, আমাকে আসামি করে মামলা করা হলো। তখন পুলিশ কিছু বলেনি। আমি যখন মামলা করতে গেলাম, তখন পুলিশ বলে কয়েকজনের নাম বাদ দিতে। তাই আমি মামলা করিনি।’</p><p>মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া  জানান, ঘটনাস্থল থেকে আটক ব্যক্তিদের ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।</p><p>ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গিয়াস উদ্দিন বলেন, নিউগিনি আবাসন প্রকল্পের মালিক নাজিম উদ্দিনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে নুর মোহাম্মদ নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলা করেছেন।</p><p>ওসি আরও বলেন, তিনি (নাজিম উদ্দিন) থানায় মামলা করতে এসেছিলেন, তবে হামলার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এমন ব্যক্তিকে আসামি করতে চেয়েছিলেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাজি না হওয়ায় তিনি মামলা না করে চলে গেছেন।</p><p>পুলিশ সূত্র জানায়, নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়ার সঙ্গে মামলার বাদী নুর মোহাম্মদের জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।</p><p>সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, শনিবার বিকেলে একদল যুবক নিউগিনি আবাসন প্রকল্পের ভেতরের একটি ফটকে গিয়ে হামলা চালায়। পরে ভেতরে ঢুকে তারা বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করে। নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়ার অভিযোগ, আগের হামলার ঘটনায় জামিনে মুক্ত হয়ে আসামিরা সন্ত্রাসী ভাড়া করে তাঁর প্রকল্পে আবার এ হামলা করিয়েছেন।</p><p>এর আগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতেও নিউগিনি প্রপার্টিজের ওই প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় সেখানে থাকা জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতেও ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। ঘটনাটি নিয়ে সালমান মুক্তাদিরের পোস্ট করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।</p><p>তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৬ সেপ্টেম্বরের হামলার ঘটনায় অন্যতম ‘সমন্বয়ক’ হিসেবে চিহ্নিত মো. যুবরাজকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। যুবরাজ মিরপুরের ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিম ওরফে ‘কিলার’ ইব্রাহিমের বাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচিত।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/e6q50fday7">নিউগিনি প্রপার্টিজে আবার হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ১৪</a></aside><p>তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই দিন ইসিবি চত্বরের একটি খাবারের দোকানে বসে ১৩ জন হামলার পরিকল্পনা করেন। তখন মামলার ১ নম্বর আসামি শাহরিয়ার মাহমুদ হামলা চালাতে ইব্রাহিমের সঙ্গে এক কোটি টাকার চুক্তি করেন। পরে ইব্রাহিম লোকজন জড়ো করে যুবরাজকে হামলার দায়িত্ব দেন।</p><p>২৬ সেপ্টেম্বরের ঘটনায় হামলার পরিকল্পনা ও সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগে এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে আটজন ইতিমধ্যে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।</p><p>তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ওই হামলায় জড়িত আরও ৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।</p>

নভেম্বর ৯, ২০২৬
তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের আমানত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ
তারল্যসংকটে থাকা ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দরের আমানত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

তারল্যসংকটে থাকা ছয়টি ব্যাংকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করেছে।

নভেম্বর ৯, ২০২৬
সরকার গঠনের ডাক পাওয়া আইজেনকট কি নেতানিয়াহুকে সরাতে পারবেন
সরকার গঠনের ডাক পাওয়া আইজেনকট কি নেতানিয়াহুকে সরাতে পারবেন

<p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান ঘটানোর সুযোগ পেয়েছেন বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকট। সাবেক এই সেনাপ্রধানকে সরকার গঠনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ। তবে নির্বাচনে কোনো জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনের পথে বাধা রয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে আরব দলগুলোর সমর্থন।</p><p>ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে আইজেনকটকে নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন। সেই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েল রাষ্ট্রের একটি স্থিতিশীল সরকার প্রয়োজন।</p><p>দায়িত্ব পাওয়ার পর আইজেনকট বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিকে গভীরভাবে বোঝেন, এমন যে কারও জন্য আমার দরজা খোলা এবং আমার হাত আন্তরিকভাবে প্রসারিত।’ তিনি নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী কট্টর ডানপন্থী বেজালেল স্মোত্রিচের দলকেও তাঁর সরকারে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে শর্ত হলো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কেবল তিনিই থাকবেন।</p><p>নির্বাচনে আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। আরব নেতাদের নেতৃত্বাধীন দল রাআম ও মোর্চা জয়েন্ট লিস্টের ১৯টি আসন যোগ হলে দাঁড়ায় ৬৭। ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৬১ আসন। কিন্তু আরবদের সমর্থনে সরকার গঠনে আইজেনকটের জোটের শরিক দলগুলোর আপত্তি রয়েছে।</p><p>তাই এখন বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে নিবিড় দর-কষাকষি শুরু হয়েছে। আরব দলগুলোর সমর্থন নেওয়া, অতি রক্ষণশীল ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা কিংবা নেতানিয়াহুকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার—প্রতিটি পথেই বাধা রয়েছে। সরকার গঠনের ক্ষেত্রে এসব চেষ্টা ব্যর্থ হলে আবার নির্বাচন হবে। তত দিন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/kt0jweoh/ISraelGovt.jpg"><figcaption>ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ (ডানে) পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য অনুমোদন দিয়েছেন বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটকে। প্রেসিডেন্ট কার্যালয়, জেরুজালেম, ০৮ নভেম্বর</figcaption></figure><h3>সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সংকট </h3><p>গত ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নির্বাচন হয়। কিন্তু ভোটের ফলাফলে কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনে কঠিন সমীকরণের মুখে পড়ছে দলগুলো। ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী থাকা নেতানিয়াহু বিরতি দিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে দেশ শাসন করেছেন। এবারের ভোটে তাঁর লিকুদ পার্টি পেয়েছে ২৭টি আসন, যা একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ। ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী মিত্রদের নিয়ে তাঁর জোটের আসন ৫৩টি। তবে এই জোটের দল ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম (ইউটিজে) প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় জানিয়েছে, তারা কোনো পক্ষকে সমর্থন দিচ্ছে না। এতে সরকার গঠনের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েন নেতানিয়াহু। ইউটিজের আসন রয়েছে ৭টি।</p><p>প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আইজেনকটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ করেছেন। এই দলগুলোর মোট আসন ৬৭। তাই আইজেনকট সরকার গঠনের দায়িত্ব পাচ্ছেন। নেতানিয়াহুর পক্ষে যে দলগুলো সুপারিশ করেছে, তাদের মোট আসন ৪৬।</p><h3>আরব দলগুলোই বড় ভরসা </h3><p>রাআম ও জয়েন্ট লিস্টের নেতারা নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে আইজেনকটের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। মন্ত্রিসভায় যোগ না দিয়ে বাইরে থেকেও তারা সমর্থন দিতে পারে। এতে সরকার গঠন ও তা টিকিয়ে রাখার সুযোগ পাবেন আইজেনকট।</p><p>কিন্তু আইজেনকটের জোটের ডানপন্থী দল ইসরায়েল বেইতেনুর নেতা অ্যাভিগদর লিবারম্যান আরবদের সমর্থননির্ভর সরকারে যাওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। আইজেনকটও নির্বাচনী প্রচারে আরব দলগুলোকে সরকারে না নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। তাঁর জোটের মধ্যবামপন্থী দ্য ডেমোক্র্যাটস অবশ্য প্রকাশ্যে আরব দলগুলোকে নিয়ে সরকার গঠনের পক্ষে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/qvygax45/Benjamin-Netanyahu.avif"><figcaption>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু</figcaption></figure><h3>বিকল্প পথেও বাধা </h3><p>নেতানিয়াহুর জোট থেকে নির্বাচন করা অতি রক্ষণশীল দুই ইহুদি দল শাস ও ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের মোট আসন ১৩টি। তাদের সমর্থন পেলে আইজেনকটের জোটের আসন হবে ঠিক ৬১। কিন্তু বড় বিরোধ ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তি থেকে ছাড় দেওয়া নিয়ে।</p><p>আইজেনকট ও লিবারম্যান এই ছাড়ের সমালোচক। তবে গত শুক্রবার লিবারম্যান সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সমর্থকদের বলেছেন, সবকিছু একসঙ্গে পাওয়া যায় না। আইজেনকটও সামরিক অন্তর্ভুক্তির বিকল্প হিসেবে বেসামরিক জাতীয় সেবার প্রস্তাব দিয়েছেন।</p><p>বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়, এসব সম্ভাবনা ব্যর্থ হলে আইজেনকটের সামনে সমীকরণ থাকবে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টিকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করা। কিন্তু নেতানিয়াহুকে সরানোই ছিল আইজেনকটের জোটের প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকার। ফলে এই সম্ভাবনাও আপাতত ক্ষীণ।</p><h3>সময় কত, ব্যর্থ হলে কী </h3><p>নবনির্বাচিত পার্লামেন্ট সদস্যদের মঙ্গলবার শপথ নেওয়ার কথা। সরকার গঠনে আইজেনকট প্রাথমিকভাবে ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রেসিডেন্ট চাইলে আরও ১৪ দিন দিতে পারেন। জোট সরকারকে নেসেটে আস্থা ভোটেও পাস করতে হবে।</p><p>আইজেনকট ব্যর্থ হলে অন্য একজনকে দায়িত্ব দিতে পারেন প্রেসিডেন্ট। রয়টার্সের হিসাবে, সম্ভবত সুযোগ পাবেন নেতানিয়াহু। দ্বিতীয় প্রার্থী পাবেন ২৮ দিন। এই সময় বাড়ানো যায় না।</p><p>দ্বিতীয় প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হলে ২১ দিনের মধ্যে অন্তত ৬১ সদস্য লিখিতভাবে একজন প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। তিনি সরকার গড়তে ১৪ দিন সময় পাবেন।</p><p>এই প্রক্রিয়াতেও সরকার না হলে পার্লামেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যাবে। ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন হবে। তত দিন বিদায়ী সরকার দায়িত্ব পালন করবে।</p><p>ইসরায়েলে ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পাঁচবার নির্বাচন হয়েছে। এবার নতুন ভোট এড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট হারজগ। তাই নেতানিয়াহুকে সরানোর অভিন্ন লক্ষ্য শরিকদের বিরোধ মেটাতে পারে কি না, আইজেনকটের সাফল্য অনেকটা সেটার ওপর নির্ভর করছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/q7fr86l9gb">সরকার গঠনের দায়িত্ব পেয়ে আইজেনকট বললেন, সবার জন্য দরজা খোলা</a></aside>

নভেম্বর ৯, ২০২৬
দীপাবলিতে মহাশ্মশানে সমবেত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা
দীপাবলিতে মহাশ্মশানে সমবেত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা

<p>দীপাবলি উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও বরিশালের কাউনিয়া এলাকার প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো মহাশ্মশানে সমবেত হন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। প্রয়াত স্বজনদের স্মরণে তাঁদের সমাধিতে ফুল ও মাটির প্রদীপ ও মোমবাতি জ্বেলে পূজা দেন পরিবারের সদস্যরা। অনেকেই বাসা থেকে নিয়ে আসেন স্বজনের বাঁধানো ছবি। মহাশ্মশানের ভেতরের এই আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি বাইরে বসে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা। সেখানে মিষ্টি, পূজার উপকরণ, শিশুদের খেলনাসহ নানা ধরনের পণ্যের পসরা সাজান বিক্রেতারা। আর সন্ধ্যা নামতেই প্রদীপ ও রঙিন বাতিতে আলোকিত হয়ে ওঠে পুরো মহাশ্মশান প্রাঙ্গণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/956xt1fl/1.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>দীপাবলি উপলক্ষে মহাশ্মশানের প্রবেশপথের সড়কে মোমবাতি ও দেশলাইয়ের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা; সেখান থেকে কেনাকাটা করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/smacwl48/2.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>মহাশ্মশান প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা; পাশেই খেলনার পসরা নিয়ে বসেছেন এক বিক্রেতা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/knlapt8r/3.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>উৎসব উপলক্ষে শ্মশানের বাইরে বসেছে মেলা; সেখানে মেয়েকে কোলে নিয়ে মিষ্টিজাতীয় খাবার কিনছেন এক তরুণ। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/9ota29tf/4.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>প্রয়াত স্বজনের বাঁধানো ছবি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মহাশ্মশানের সমাধিস্থলে প্রবেশ করছেন এক তরুণী। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/lpp80xva/5.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>শ্মশানসংলগ্ন মেলার একটি দোকানে পছন্দমতো কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/r0z7n1oh/6.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>প্রয়াত স্বজনের বাঁধানো ছবি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন এক নারী। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/f4ti8sj2/7.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>প্রয়াত স্বজনের সমাধিতে ফুল, মোমবাতি ও ফলমূল ও মুড়ি দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং প্রার্থনা করছেন এক নারী। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/32vn22le/8.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>ফুল ও প্রদীপ দিয়ে সাজানো হয়েছে এক শিশুর সমাধি; বেদিতে রাখা হয়েছে প্রয়াত সেই শিশুর দুটি বাঁধানো ছবি। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/6lpipuf3/9.-BarisalcrematoriumDiwali-festivalSanatan-Dharmabalambi08112026.jpg"><figcaption>গোধূলিলগ্নে মহাশ্মশানের কেন্দ্রীয় পুকুরজুড়ে জ্বলে ওঠে নানা রঙের বাতি; কৃত্রিম ফোয়ারা ও আলোর প্রতিফলনে তৈরি হয় ভিন্ন আবহ। </figcaption></figure>

নভেম্বর ৯, ২০২৬
ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সুপারিশ
ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সুপারিশ

<p>ভূমির নামজারি প্রক্রিয়া পুরোপুরি অটোমেশনের (স্বয়ংক্রিয়) আওতায় আনা এবং ভূমি নিবন্ধন কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করার সুপারিশ করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সাবরেজিস্ট্রারদের দৌরাত্ম্য রোধ এবং হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সুপারিশ করা হয়েছে।</p><p>রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে ভূমি মন্ত্রণালয়কে এই সুপারিশ করা হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বর্তমানে জমি নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশনের কাজটি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে হয়ে থাকে।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈষম্য, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি দূর করে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে হয়রানিমুক্ত ও জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়। এ জন্য ভূমিসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, নামজারি প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করা এবং সাবরেজিস্ট্রারদের দৌরাত্ম্য রোধে ভূমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনার সুপারিশ করা হয়েছে।</p><p>জেলাওয়ারি অর্পিত সম্পত্তির পরিমাণ ও সম্ভাব্য মৌজা মূল্য নির্ধারণ এবং দীর্ঘদিন ধরে চলমান মামলা নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও সুপারিশ করেছে কমিটি।</p><p>উপজেলা ও পৌর এলাকা এবং সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য ভূমির প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ, স্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তর মূল্য বাজারদরের সঙ্গে যৌক্তিকীকরণসহ জমি হস্তান্তরসংক্রান্ত বিভিন্ন ফি ও গেইন ট্যাক্স যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসার সুপারিশ করেছে কমিটি।</p><p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ, এসি ল্যান্ড, এলএ শাখা ও কানুনগো অফিসে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধ এবং দালালমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে বৈঠকে।</p><p>একই জমির দলিল জামানত হিসেবে ব্যবহার করে একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের মতো অনিয়ম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে কমিটি। বিদ্যমান প্রচলিত পদ্ধতির ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থাপনাকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ভূমি প্রশাসন ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করার সুপারিশও করা হয়।</p><p>কমিটির সভাপতি নাসের রহমানের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে কমিটির সদস্য ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, জয়নাল আবদিন, সুলতানা আহমেদ, মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল ও মুহাম্মদুল্লাহ অংশ নেন।</p>

নভেম্বর ৯, ২০২৬
মুসলিম অভিবাসীদের মধ্যে ইহুদিবিদ্বেষ থাকলে জার্মানি ছাড়ার আহ্বান চ্যান্সেলর মের্ৎসের
মুসলিম অভিবাসীদের মধ্যে ইহুদিবিদ্বেষ থাকলে জার্মানি ছাড়ার আহ্বান চ্যান্সেলর মের্ৎসের

<p>জার্মানির মুসলিম অভিবাসীদেরকেও দেশটিতে হওয়া হলোকাস্ট বা ইহুদি গণহত্যার ঐতিহাসিক দায়দায়িত্ব স্বীকার করতে হবে। এই দায়িত্ব যাঁরা স্বীকার করবেন না, তাঁদের জার্মানি ছেড়ে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস।</p><p>জার্মানির রাজধানী বার্লিনে গত শুক্রবার ইহুদি ক্রীড়াবিদদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মের্ৎস এ কথা বলেন। জার্মান প্রেস এজেন্সি (ডিপিএ) সূত্রে এ খবর জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বার্লিনার জাইটুং। বার্লিনে চ্যান্সেলরের কার্যালয়ে ২০২৬ সালের ‘মাকাবিয়া’ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পদকজয়ীদের সম্মানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইসরায়েলে প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় ইহুদিদের এই আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। এটি ‘ইহুদি অলিম্পিক’ নামেও পরিচিত।</p><p>অনুষ্ঠানে একজন বাস্কেটবল প্রশিক্ষক মের্ৎসকে বলেন, তাঁর দলের ইহুদি ক্রীড়াবিদেরা জার্মানির রাস্তায় ডেভিডের তারকা চিহ্নসংবলিত লাল মাকাবি ট্রেনিং জ্যাকেট পরে বের হতে ভয় পান। কারণ, এ কারণে তাঁদের ওপর হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/hutldevs/talks-with-athletes.jpg"><figcaption>মাকাবিয়া ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পদকজয়ীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস (মাঝে)। জার্মানির বার্লিনে চ্যান্সেলরের কার্যালয়ে। ৬ নভেম্বর ২০২৬ </figcaption></figure><p>এর জবাবে মের্ৎস জার্মানির সাবেক রাষ্ট্রপতি রিশার্ড ফন ভাইৎসেকারের ১৯৮৫ সালে দেশটির সংসদে দেওয়া একটি ঐতিহাসিক ভাষণের প্রসঙ্গ তোলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া ওই ভাষণে নাৎসি বাহিনীর অপরাধ এবং লাখ লাখ ইহুদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায় ও দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন ভাইৎসেকার।</p><p>১৯৮৫ সালের ৮ মে দেওয়া ওই ভাষণে ভাইৎসেকার বলেছিলেন, ‘অতীতে যা ঘটেছিল, তার জন্য তরুণেরা দায়ী নয়; কিন্তু ইতিহাসে সেই ঘটনার পরিণতি কী হবে, তার জন্য তারা দায়ী।’</p><p>মের্ৎস বলেন, ভাইৎসেকারের এই কথাগুলো তাঁর কাছে পাথরে খোদাই করা সত্যের মতো অটল। এই দায়িত্ব জার্মানির সমগ্র সমাজের জন্য প্রযোজ্য। বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামি দেশগুলো থেকে যাঁরা জার্মানিতে আসেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও আমাদের দেশের এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব ঠিক একইভাবে প্রযোজ্য। আর কেউ যদি এই দায়িত্ব মেনে না চলেন, তাহলে তাঁকে আমাদের দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে।’</p><p>মুসলিম অভিবাসীদের একাংশের বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের প্রসঙ্গেই মের্ৎস এ মন্তব্য করেন।</p>

নভেম্বর ৯, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

হাসপাতালে খালেদা আক্তার কল্পনা

অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনাকে।