প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ শিক্ষার্থী
সাড়ে ৬ বছর পর একসঙ্গে তিন সেশনের জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি)।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
একুশে বিজনেস || বিপ্লব কুমার রায়-সিইও, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড।
হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।
সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।
কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।
টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা
মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।
ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই
ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।
বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।
প্রবৃদ্ধি কত হলো, এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি প্রশ্ন করতে হবে। উৎপাদনশীলতা কি বাড়ল? ভালো কর্মসংস্থান কি তৈরি হলো? জনসেবা কি উন্নত হলো?
আঞ্চলিক সহায়তা, এআই ইকোসিস্টেম জোরদার এবং টেকসই প্রযুক্তি প্রসারের অঙ্গীকারের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় আজ বুধবার শেষ হয়েছে ‘অ্যাসোসিও ডিজিটাল অ্যান্ড এআই সামিট ২০২৬’।
<p>স্টকহোম থেকে ফোনটা আসার পর পৃথিবীর যেকোনো মানুষেরই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাওয়ার কথা। উদ্যাপন শুরু করাই হয়তো স্বাভাবিক দৃশ্য। কিন্তু স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কার্ল ডাইসারোথ কী করলেন? তিনি সোজা রান্নাঘরে ঢুকে গেলেন ছেলেমেয়েদের স্কুলের টিফিনের স্যান্ডউইচ বানাতে!</p><p>২০২৬ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন কার্ল ডাইসারোথ। তাঁর জাদুকরি আবিষ্কার অপটোজেনেটিকসের মাধ্যমে জীবন্ত মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষগুলোকে আলো দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এমন এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের পর একজন বিজ্ঞানীর জীবনের সবচেয়ে বড় দিনটা ঠিক কীভাবে শুরু হলো? চলুন, কয়েকটি ছবির দেখে তাঁর প্রথম দিনটার গল্প বোঝার চেষ্টা করি। ছবিগুলো তুলেছেন <strong>অ্যান্ড্রু ব্রডহেড</strong>।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/upfmuc5d/1.png"><figcaption>ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সদ্য নোবেলজয়ী কার্ল ডাইসারোথ ফোনে কথা বলছেন কোনো এক সাংবাদিকের সঙ্গে। চোখেমুখে হয়তো রাত জাগার ক্লান্তি, কিন্তু ঠোঁটের কোণে লেগে আছে এক অদ্ভুত প্রশান্তির হাসি। জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতিটা পাওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েই শুরু হলো তাঁর নতুন দিনের রুটিন।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/z7lqohoq/2.jfif"><figcaption>এক সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী কার্ল ডাইসারোথ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/ce2bevpu/3.png"><figcaption>এই ফ্রেমে ধরা পড়েছে এক দারুণ পারিবারিক মুহূর্ত। নোবেলজয়ী হলেও তিনি তো একজন বাবা! তাই সকাল হতেই ১৬ বছরের ছেলে হাডসন, ১৩ বছরের মেয়ে এমা এবং ১০ বছরের মেয়ে সোফির জন্য নিজের হাতে ছয়টি স্যান্ডউইচ বানালেন। স্ত্রী মিশেল মনজে-ডাইসারোথও স্ট্যানফোর্ডের অধ্যাপক। দুজনে মিলে যখন মেয়েদের নোবেল জয়ের খবরটা দিচ্ছেন, মেয়েরা তখন স্কুলে ‘পিকচার ডে’ বা ছবি তোলার দিনের জন্য তৈরি হচ্ছিল। বাবার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনের খবরটা পেয়ে সোফি আর এমা বাবাকে জড়িয়ে ধরে। সেই পরম মমতায় জড়িয়ে ধরার দৃশ্যটাও দারুণভাবে উঠে এসেছে ছবিতে।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/car7vh6w/4.png"><figcaption>এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ডাইসারোথের বড় ছেলে আলেকজান্ডারকে। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রথম বর্ষের ছাত্র সে। বাবার নোবেল জয়ের খবর পেয়ে আর এক মুহূর্তও অপেক্ষা করেনি। সোজা সাইকেল চালিয়ে ফিরে এসেছে বাড়িতে। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/03ya5xmi/5.png"><figcaption>১৬ বছরের ছেলে হাডসনকে যখন বাবা নিজেই খবরটা দিচ্ছিলেন, তখন হাডসন খুশিতে বাবাকে জড়িয়ে ধরে। সেই মুহূর্তটিও লেন্সের চোখ এড়ায়নি।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/g1u5534g/6.png"><figcaption>সকালের সবচেয়ে সুন্দর ছবিগুলোর একটি হলো পুরো পরিবারের একসঙ্গে জড়িয়ে ধরার দৃশ্য। এত বড় একটা অর্জন যে পরিবারের সবার সমর্থন ছাড়া সম্ভব হতো না, এই একটা ছবিই যেন সেই গল্পটা বলে দিচ্ছে। পুরো পরিবারের এই ভালোবাসার দৃশ্য যেকোনো মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/3pqub93a/7.png"><figcaption>সকালের পারিবারিক পর্ব শেষে ডাইসারোথ চলে যান স্ট্যানফোর্ডের ক্লার্ক সেন্টারে। সেখানে তাঁর ল্যাবের সদস্য ও সহকর্মীরা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন। ডাইসারথ যখন সেন্টারের করিডোর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন, দুই পাশে দাঁড়ানো সহকর্মীরা হাততালি দিয়ে তাঁকে এক অন্যরকম সংবর্ধনা জানান। সহকর্মীদের ভেতর দিয়ে হাসিমুখে হাই-ফাইভ করতে করতে এগিয়ে যাওয়ার এই দৃশ্যটি সত্যিই রোমাঞ্চকর। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/mhwrmt3u/8.png"><figcaption>এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ক্লার্ক সেন্টারের মূল স্পটলাইটে সবার মধ্যমণি হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন কার্ল ডাইসারোথ।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/vz96pfcw/9.png"><figcaption>নোবেল জেতার পর সবার মনেই প্রশ্ন জাগে, এবার বিজ্ঞানীর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে? ডাইসারথের উত্তরটা ছিল একদম সোজাসাপ্টা, ‘আবার কাজে ফিরতে হবে।’ কেন? কারণ তাঁর মতে, ‘আমাদের এখনো অনেক কিছু আবিষ্কার করার বাকি। বহু মানুষকে সাহায্য করতে হবে।’</figcaption></figure><p>যে মানুষটা নোবেল জয়ের সকালেও সন্তানদের স্যান্ডউইচ বানাতে ভোলেন না, তাঁর মুখেই এমন কথা সবচেয়ে বেশি মানায়।</p><h4> সূত্র: স্টার্নফোর্ড ইউনিভার্সিটি</h4>
বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার পথ সহজ করতে দুই দশক ধরে কাজ করে যাচ্ছে আইইএলটিএস টেস্টিং সেন্টার ‘ফিউচারএড’।
এই মামলার চার আসামির বিরুদ্ধে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে হত্যাসহ মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
<p>শুভসন্ধ্যা। আজ বুধবার। রাজনীতি, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, ক্রীড়া, বিনোদনসহ আলোচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিনভর প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে নানা খবর। এর অনেকগুলোই হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। সন্ধ্যার অবসরে চোখ বুলিয়ে নিন সারা দিন প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত আলোচিত পাঁচ খবরে:</p><h3>স্ত্রী হত্যা দিয়ে শুরু, এরপর ১২ বছর ধর্ষণ-খুনের মতো অপরাধে জড়িয়েছেন তিনি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/4tbcrok8/ec24e440-ab0c-450d-a9a8-ae03b9493523.jfif"><figcaption>নাজমা বেগম ও আলমগীর কবির</figcaption></figure><p>স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়ে গিয়েছিলেন মনিরুজ্জামান মাতুব্বর ওরফে হৃদয়। ঘটনাটি ১২ বছর আগের। স্ত্রী হত্যা মামলায় চার বছর কারাভোগের পর জামিনে বেরিয়ে আবার গা ঢাকা দেন তিনি। এরপর একের পর এক অপরাধে জড়ান। এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায়ও তাঁর নাম আসে। সর্বশেষ ঢাকার আশুলিয়ায় অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তাঁর স্বামীকে হত্যার ঘটনায় তদন্তে বেরিয়ে আসে মনিরুজ্জামানের নাম। <a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/9po3en1oys">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p><h3>জন্মের তিন দিনের মাথায় মা, এবার ডেঙ্গুতে বাবাকে হারাল ৯ বছরের আরফা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/zquwsstf/e4eb322f-1ccd-457b-a719-cd4a597f2919.jfif"><figcaption>বাবা তাজুল ইসলামের সঙ্গে আরফা</figcaption></figure><p>আরিফিন ইসলাম আরফার বয়স ৯ বছর। জন্মের পর তিন দিনের মাথায় মা মারুফা আক্তার মারা গেছেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুতে মারা গেলেন বাবা তাজুল ইসলাম। হাতে থাকা মুঠোফোনে একটি কবরের পাশে তার ছোটবেলার একটি ছবি বের করে বলে, এটি মায়ের কবর। তারপর আরেকটি কবরের ছবি বের করে বলে, এটি বাবার কবর। নিজে থেকেই বলে, বাবাকে বাবার বাড়ি আর মাকে মায়ের বাড়িতে কবর দেওয়া হয়েছে। <a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/g82ibsvmw7">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p><h3>গুজরাটে ‘পবিত্রকরণ আচার’-এর অজুহাতে নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, সেই ভিডিও ছড়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/s8t5u28w/gujrat.jpg"><figcaption>পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ঘটনার তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিত হয়</figcaption></figure><p>ভারতের গুজরাট রাজ্যের সুরেন্দ্রনগর জেলায় পুলিশের তদন্তে ভয়াবহ এক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ধর্মীয়ভাবে পবিত্র করার অজুহাতে এক নারীর ওপর সংঘটিত চরম নির্যাতন, অবৈধ বন্দিদশা ও গণধর্ষণের ঘটনা উদ্ঘাটন করেছেন স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা। <a href="https://www.prothomalo.com/world/india/c72n2fspbd">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p><h3>মেসি বিদায় নিলেন, থেকে গেলেন মেসি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/pe81wsdz/HTfoAEWAAAFBIz.jpg"><figcaption>আর্জেন্টিনাকে বিদায় বলে দিলেন মেসি।</figcaption></figure><p>হাজার হাজার মানুষের গর্জন। মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম যেন কেঁপে উঠছে। জাতীয় দলের জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামা মানুষটিকে শেষবারের মতো অভিবাদন জানাচ্ছে আর্জেন্টিনা। চারপাশে একটাই ধ্বনি, ‘মেসি...মেসি...মেসি...’ <a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/1bb7pru07a">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p><h3>‘বিবাহিত জীবনে হ্যাপি থাকার রেসিপি’</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-06/878vxnq2/2.JPG"><figcaption>সিনেমাটির প্রিমিয়ারে তারকা ও কলাকুশলীরা</figcaption></figure><p>গাড়ি থেকে নামতেই আরিফিন শুভকে ঘিরে ধরলেন সংবাদকর্মীরা। তাঁরা সবাই এই অভিনেতার হেঁটে আসার দৃশ্যটা ক্যামেরাবন্দী করছিলেন। সরাসরি হলরুমে চলে গেলেন শুভ। সেখানে মাঝামাঝি সারিতে সালাহউদ্দিন লাভলুসহ অনেকেই বসে ছিলেন। সেখানেই গিয়ে বসলেন শুভ। তার পরপরই এলেন নুসরাত ইমরোজ তিশা, শুভর সঙ্গে জমে ওঠে আড্ডা। তাঁদের ঘিরে তখন সংবাদকর্মীদের ক্যামেরা। <a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/59yec0kugx">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p>
<p>সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ব্যক্তির কল ডিটেইল রেকর্ডসহ (সিডিআর) বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার বিভাগ।</p><p>গ্রেপ্তার চারজন হলেন ডেমরা থানার পুলিশ কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ, মাসুম মিয়া, ওয়ারী থানার পুলিশ কনস্টেবল নিজাম উদ্দীন এবং তুরাগ থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. জিহাদ মিয়া।</p><p>গত ২৯ সেপ্টেম্বর ডিবির এসআই আবিদুর রহমান বাদী হয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন ২০০১ এবং বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনে রমনা থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ।</p><p>মামলার এজাহারে চার পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও প্রতারণার মাধ্যমে বেআইনিভাবে মুঠোফোনের সিডিআর সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর এবং নাগরিকের সিম বা মুঠোফোন নম্বরের কললিস্ট, লাস্ট কল লোকেশন, এনআইডিসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হস্তান্তর ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/dvlp2c276r">নিজের মুঠোফোনের ফাঁস হওয়া তথ্য দেখে মন্ত্রী বললেন, এটা কীভাবে সম্ভব</a></aside><p>মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য বলছে, ডিবির সাইবার মনিটরিংয়ে ১০ সেপ্টেম্বর প্রথমে ফেসবুকের একটি অ্যাকাউন্ট, একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ও একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বরের সিডিআর বিক্রির বিষয়টি নজরে আসে। পরে অনুসন্ধানে সিডিআর বিক্রির টাকা নেওয়ার একটি বিকাশ নম্বরের তথ্যও পাওয়া যায়।</p><p>ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সিডিআরসহ বিভিন্ন গোপন তথ্য সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগে চারজন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p><h3>ভুয়া জিডির তথ্য দিয়ে সিডিআর সংগ্রহ </h3><p>মামলার এজাহার অনুযায়ী, তুরাগ থানার সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ১১টি মুঠোফোন নম্বরের তিন মাসের সিডিআর ও এনআইডির তথ্য চাওয়া হয়েছিল। আবেদনে তুরাগ থানার একটি জিডি নম্বর ও একজন এএসআইয়ের নাম ব্যবহার করা হয়। পরে অনুসন্ধানে দেখা যায়, ওই নম্বরের জিডি থানায় নথিভুক্তই হয়নি। সংশ্লিষ্ট এএসআইও এমন কোনো সিডিআর চাননি।</p><p>এজাহার অনুযায়ী, তুরাগ থানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত কনস্টেবল জিহাদ মিয়া থানার ওসির সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে ভুয়া জিডির তথ্য দিয়ে সিডিআর সংগ্রহ করেন। পরে তা বিভিন্ন ব্যক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাঠানো হয় বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া গেছে।</p><p>একইভাবে ডেমরা থানার ওসির সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে চারটি মুঠোফোন নম্বরের সিডিআর চাওয়া হয়। আবেদনে ডেমরা থানার একটি মামলার নম্বর ও এক এসআইয়ের নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ওই মামলা থানায় রুজুই হয়নি। সংশ্লিষ্ট এসআইও ওই নম্বরগুলোর সিডিআর চাননি। এসব সিডিআর সংগ্রহের সঙ্গে কনস্টেবল সাইমন হোসেন রাশেদ ও মাসুম মিয়ার সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><h3>হোয়াটসঅ্যাপে সিডিআর, টাকা নেওয়ার তথ্য </h3><p>এজাহারে আরও বলা হয়েছে, কনস্টেবল নিজাম উদ্দীন ডেমরা থানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত থাকার সময় সিডিআর সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্রি করতেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। পরে ওয়ারী থানায় বদলি হওয়ার পরও থানার ওসির সরকারি ই-মেইল ব্যবহার করে বিভিন্ন নম্বরের সিডিআর সংগ্রহের তথ্য পাওয়া গেছে।</p><p>নিজাম উদ্দীনের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ ও মুঠোফোন পর্যালোচনায় বিভিন্ন নম্বরের সিডিআর আদান-প্রদান এবং টাকা গ্রহণের তথ্য পাওয়া গেছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>ডিবি জানায়, মুঠোফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে ডিবিকে জানানো হয়, সরকারি একটি মুঠোফোন নম্বরের মাধ্যমে তিনটি নম্বরের সিডিআর সংগ্রহ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর বিষয়টি অনুসন্ধানে নামে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগ।</p>
ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উন্নত কিছু যুদ্ধবিমানও রয়েছে, যার মধ্যে একটি ক্ষতিগ্রস্ত এফ-৩৫এ লাইটনিংII স্টিলথ যুদ্ধবিমান রয়েছে।
বাংলাদেশে আসন্ন দুর্গাপুজায় টানা তিনদিন সরকারি ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে তাদের জন্য এই সপ্তাহের একদিনের ছুটি কমছে। বিস্তারিত বিবিসি বাংলা লাইভ পাতায়...
পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলে অবস্থিত ‘আপনজন’ নামক একটি বাংলাদেশি এলজিবিটি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত পৃথক পৃথক ভুয়া দাবির অভিযোগে মঙ্গলবার ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে জাল প্রমাণ তৈরিতে সাহায্যের জন্য সাড়ে চার হাজার পাউন্ড পর্যন্ত অর্থ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।
নেহা বোরার রাজনৈতিক উত্থানের শুরুটা হয় ২০২৬ সালের জুলাই মাসে। ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত অভিজিৎ দীপকে ও সোনম ওয়াংচুকের পাশাপাশি তিনিও একটি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।
যে মামলাটি বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত খুনি দুটি প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে গিয়ে টেনেসির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
কয়েকদিন অচেতন অবস্থায় থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইকের জ্ঞান ফিরেছে। তার সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা। তাদের অনেকে বলছেন যে, প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি তিনিই।
বিশ্বের ৫০০ ভালো শহরের তালিকায় বাংলাদেশের কোনো শহর নেই। ৫ই অগাস্টের পরপরই নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়ান বিএনপির তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মী। মশা মারার জন্য সারা দেশে ৪৮ হাজারের বেশি কমিটির কাজ করার কথা থাকলেও বাস্তবায়ন নেই। বুধবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।
৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদের জীবনটা খুব সহজ নয়, বরং বড় উত্থান-পতনে ঘেরা। বলা চলে, তিনি ছিলেন সেই 'রাজপুত্র' যিনি সবকিছু হারিয়েছিলেন। ‘প্রতিবিপ্লবী’ হিসেবে চিহ্নিত একজন ব্যক্তির পুত্র হওয়ায় কিশোর শি-কে জোর করে একটি পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে, গত চৌঠা অক্টোবর সৌদির আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল খুরাইস এলাকায় আরামকোর একটি স্থাপনায় হুথিদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের আঘাতে বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ সজিব হোসেন মৃত্যুবরণ করেছেন। কে এই সজিব ? কী জানা যাচ্ছে তার সম্পর্কে?
ঢাকা, রংপুর ও গাজীপুরের নগর অবকাঠামো উন্নয়ন, তিন জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো, বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ, রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণসহ ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
জেট ফুয়েলের দাম আবারও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত মূল্যে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটারের (শুল্ক ও মূসকসহ) দাম ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্মম নির্যাতনে শহীদ হন আবরার ফাহাদ। তার শাহাদাতবার্ষিকীতে জাতীয় ছাত্রসভা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তার আত্মত্যাগ স্মরণ করছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে শহীদ আবরার ফাহাদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার ক্যাটাগরিতে সেরা নির্বাচিত হয়েছে জেআরসি পাওয়ারটেক এবং পরিবেশ সুরক্ষা উপকরণ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে চার্ম লিমিটেড। এ ছাড়া গ্রিন কনস্ট্রাকশন ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে শুরু হতে যাচ্ছে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান।
গোবিন্দগঞ্জ থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে মনিকা বেওয়া উল্লেখ করেন, তার স্বামী মারা যাওয়ার পর প্রায় ছয় মাস ধরে ফিরোজ ইসলাম বিভিন্ন সময় তার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ফোন করে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলতেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন। এ বিষয়ে তাঁকে নিষেধ করা হলেও তিনি শোনেননি।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন,“বাংলাদেশ বেতার আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা আগামীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় আঞ্চলিক পর্যায়ে আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানি, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ২০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনা এবং সড়ক ও রেলপথ উন্নয়নসহ ৮টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।