bangladesh

সাঁতার না-জানা এক কিশোর এখন সাহসী লাইফগার্ড, বাঁচিয়েছেন শতাধিক মানুষের প্রাণ

নভেম্বর ২, ২০২৬
সাঁতার না-জানা এক কিশোর এখন সাহসী লাইফগার্ড, বাঁচিয়েছেন শতাধিক মানুষের প্রাণ
সাঁতার না-জানা এক কিশোর এখন সাহসী লাইফগার্ড, বাঁচিয়েছেন শতাধিক মানুষের প্রাণ
১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ কক্সবাজার সৈকতের মাত্র তিনটি পয়েন্টে লাইফগার্ডরা কাজ করেন। মাত্র ২৭ জন লাইফগার্ড এখানে দিন-রাত দুই শিফটে দায়িত্ব পালন করেন

Prothomalo

View more
প্রেম
প্রেম

মাসুদ খানের কবিতা

নভেম্বর ২, ২০২৬
অচল রেডিও সচল করে পেতেন দুধ-কলা-মাছ
অচল রেডিও সচল করে পেতেন দুধ-কলা-মাছ

দিনাজপুরের এক ছোট্ট দোকানে আছে ৬২ বছরের ইতিহাস। কয়েক যুগ ধরে কলের গান থেকে শুরু করে রেডিও, টিভিসহ যেকোনো অচল যন্ত্র সচল করেছেন ৭৯ বছর বয়সী ‘শব্দ’ আর ‘ছবি’র কারিগর গমির

নভেম্বর ২, ২০২৬
কথা রেখেছে চীন, দেখায়নি রিয়াল মাদ্রিদের খেলা
কথা রেখেছে চীন, দেখায়নি রিয়াল মাদ্রিদের খেলা

মাও সে-তুংকে নিয়ে রিয়াল ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের মন্তব্য থেকেই এই সংকটের শুরু। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমবাপ্পের একটি সাক্ষাৎকার ছড়িয়ে পড়ে।

নভেম্বর ২, ২০২৬
সিডনিতে নজরুলের গানে মুগ্ধ দর্শক–শ্রোতা
সিডনিতে নজরুলের গানে মুগ্ধ দর্শক–শ্রোতা

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে নজরুলের গানের অনুষ্ঠানে নিজাম উদ্দিন উজ্জ্বল ও ডোমিনিক রবিন গুদা শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন।

নভেম্বর ২, ২০২৬
দুদকের মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ কুমারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ
দুদকের মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের দিলীপ কুমারকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি এই তথ্য জানান।

নভেম্বর ২, ২০২৬
শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে ‘পলাতক অপশক্তির’ অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ এসেছে: মাহদী আমিন
শ্রমিক আন্দোলনে ঢুকে ‘পলাতক অপশক্তির’ অস্থিরতা সৃষ্টির প্রমাণ এসেছে: মাহদী আমিন

সতর্ক করে দিয়ে মাহদী আমিন বলেন, শ্রমিক আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের অস্থিতিশীলতা তৈরির পরিকল্পনা সফল হবে না।

নভেম্বর ২, ২০২৬
হতাশার কিছু নেই, আরও যত্নবান হলেই হবে ভালো ফলাফল
হতাশার কিছু নেই, আরও যত্নবান হলেই হবে ভালো ফলাফল

<p>চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়াকে বিপর্যয় হিসেবে দেখছেন না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ। তাঁর মতে, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে মূল্যায়ন ও জবাবদিহির ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন আনা হচ্ছে, তার সাময়িক প্রভাব পড়েছে পাসের হারে। তবে আগামী পরীক্ষাগুলোতে পাসের হার বাড়বে বলে তিনি আশাবাদী।</p><p>গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ফলাফল বিশ্লেষণ ও করণীয় বিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় উপাচার্য এ কথা বলেন। এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।</p><p> ফলাফলে পাসের হার কমা প্রসঙ্গে অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষায় যে ফলাফল হয়েছে, সেটিকে আমি ফল বিপর্যয় মনে করি না। এটাকে স্বাভাবিক ফলাফলই বলব। শিক্ষার্থীদের যেভাবে শেখানো, গাইড করা এবং এইচএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করা দরকার ছিল, হয়তো আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তা করতে পারিনি। এ জন্য শিক্ষার্থীদের দোষ দিতে চাই না। আমাদের অক্ষমতাগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।’</p><p>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের উদাহরণ দিয়ে উপাচার্য বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পাস কোর্স ও প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্স পরীক্ষায় পাসের হার অর্ধেকের নিচে নেমেছে। অনার্স পরীক্ষায় পাসের হারও ৬০ শতাংশের নিচে। খাতা মূল্যায়নে গুরুত্ব দেওয়া, পুনর্মূল্যায়ন এবং শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার কারণে ফলাফলে এ ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। শিক্ষার মান বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই পরীক্ষার মূল্যায়ন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও পরীক্ষার প্রস্তুতি ও খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।</p><p>এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ শিক্ষার্থী। তাঁদের এক বছর অপেক্ষা না করিয়ে দ্রুত অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যে এ পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/y99l7agvop">এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম</a></aside><p>শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে অনেক উন্নত দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে হয় না। বাংলাদেশে এ ধরনের সুযোগ কখনো ছিল না। এ বছর শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই পদ্ধতি চালু করেছেন, এতে শিক্ষার্থীরা সত্যিকার অর্থে উপকৃত হবে। আমি মন্ত্রীকে এ জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান একটি বছর নষ্ট হবে না। বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ এবং খাতা পুনর্মূল্যায়নের ফলে আরও অনেক শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারবে বলে আমি আশা রাখি। এসব প্রক্রিয়া শেষে পাসের হার প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/5rx0p7o9/WhatsApp-Image-2026-11-01-at-15.52.24.jpeg"><figcaption>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লাহ</figcaption></figure><p>ফলাফলে হতাশ না হয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে বিশেষ করে উচ্চমাধ্যমিক কলেজগুলোর অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, যেসব কলেজে শিক্ষার্থীরা অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে বসে সমস্যার কারণ চিহ্নিত করা এবং সমাধানের পথ বের করা। কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের নিরুৎসাহিত করা যাবে না। বরং তাদের সাহস ও আত্মবিশ্বাস জোগাতে হবে। কলেজের নিয়মিত সময়ের বাইরে এবং শনিবারসহ ছুটির দিনগুলোতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে যেসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব বিষয়ের শিক্ষকদের বাড়তি সময় দিয়ে শিক্ষার্থীদের তৈরি করতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো বিবেচনা করে শিক্ষকদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে বিনা সম্মানীতে অতিরিক্ত পাঠদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করতে হবে। আগামী এক–দুই মাস শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করলে অনেক শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর হতাশ হওয়ার কিছু নেই। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সামগ্রিক পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীসংখ্যা আবার বাড়বে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/6xg2a4l10z">এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে</a></aside><p>উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে পাসের হার বেড়ে যাবে। এখন শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছে, পাস করতে হলে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষকেরাও বুঝেছেন, তাঁদের কী করণীয়। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের খাতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।’ তিনি বলেন, সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আসছে। এ সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাময়িকভাবে পাসের হার কমলেও ভবিষ্যতে এসএসসি, এইচএসসি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় পাসের হার বাড়বে।</p>

নভেম্বর ২, ২০২৬
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: গাজীপুরে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি
পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: গাজীপুরে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি

দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় পুলিশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।

নভেম্বর ২, ২০২৬
নারী উদ্যোক্তা হাফিজার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প
নারী উদ্যোক্তা হাফিজার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/naree-udzokta-hafijar-ghure-dannranor-glp</figure>

নভেম্বর ২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।