রেলওয়ের জায়গা যেন দখলদারদের পৈত্রিক সম্পত্তি

চব্বিশের গণঅভুত্থানের পর বগুড়ার আজিজুল হক কলেজের গেট সংলগ্ন রেলওয়ের জায়গাকে পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে দখলে ‍নিয়েছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী বলে অভিযোগ উঠেছে।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’
জাতীয়

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

News অক্টোবর ১১, ২০২৬ 0

Rss feed news

বাগ্‌দান ভাঙার পর আবার একসঙ্গে ক্রিকেটার পৃথ্বী শ ও আকৃতি, কীভাবে বদলে গেল সিদ্ধান্ত
বাগ্‌দান ভাঙার পর আবার একসঙ্গে ক্রিকেটার পৃথ্বী শ ও আকৃতি, কীভাবে বদলে গেল সিদ্ধান্ত

<p>সেপ্টেম্বর মাসেই বাগ্‌দান ভাঙার ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটার পৃথ্বী শ ও অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার আকৃতি আগরওয়াল। এক মাসও না যেতেই জানা গেল, আবার একসঙ্গে হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। আকৃতির ভাষ্য, কাছের মানুষদের মতামতে প্রভাবিত হয়েই সম্পর্ক নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।</p><p>সম্পর্ক ভাঙার ঘোষণা দেওয়ার পর দুজনের পথ আলাদা হয়ে গেছে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত অটল থাকলেন না ভারতীয় ক্রিকেটার পৃথ্বী শ ও অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার আকৃতি আগরওয়াল। বাগ্‌দান ভাঙার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আবার একসঙ্গে হওয়ার কথা জানালেন আকৃতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি স্বীকার করেছেন, তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে কাছের মানুষদের মতামত তাঁর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছিল। পরে নিজেদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করে তাঁরা আবার একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p><p>১২ অক্টোবর ইনস্টাগ্রামে ‘আ পারসোনাল ক্ল্যারিফিকেশন’ শিরোনামে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন আকৃতি। সেখানে তিনি শুধু সম্পর্ক জোড়া লাগানোর খবরই দেননি, বাগ্‌দান ভাঙার সিদ্ধান্তের দায়ও নিজের কাঁধে নিয়েছেন। আকৃতির ওই পোস্ট নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভাগ করে নিয়েছেন পৃথ্বীও। দুজনের এই পদক্ষেপের পর তাঁদের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।</p><p><strong>‘ভুল পথে পরিচালিত হয়েছিলাম’<br></strong>আকৃতির বিবৃতিতে লিখেছেন, বাগ্‌দান ভাঙার সময় কাছের কিছু মানুষের মতামত তাঁদের সম্পর্ককে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছিল। তাঁর ভাষায়, ওই মানুষদের মনে হয়েছিল, তাঁরা দুজনের সম্পর্ক সম্পর্কে তাঁদের চেয়েও বেশি জানেন। সেই ধারণায় প্রভাবিত হয়েই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।</p><p>আকৃতি লেখেন, ‘আমাদের বাগ্‌দান ভাঙার সময় আমি কাছের কিছু মানুষের মতামতকে প্রভাব বিস্তার করতে দিয়েছিলাম। তাঁদের মনে হয়েছিল, তাঁরা আমাদের সম্পর্ক সম্পর্কে আমাদের চেয়েও বেশি জানেন। তাঁদের কথায় আমার বাগ্‌দত্তা ও আমাদের সম্পর্ককে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। আমার মনে হয়, আমি ভুল পথে পরিচালিত হয়েছিলাম। আমাদের যে সৎ আলোচনাটা করা প্রয়োজন ছিল, তা না করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম।’</p><p>এরপর নিজের সিদ্ধান্তের কারণে যে কষ্ট তৈরি হয়েছিল, তার দায়ও স্বীকার করেন আকৃতি। তিনি জানান, পরে তাঁরা নিজেদের মধ্যে খোলামেলা কথা বলেছেন, একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করেছেন। সেই আলোচনার পরই আবার একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p><p>আকৃতির কথায়, ‘আমি ওই সিদ্ধান্তের এবং এর কারণে যে কষ্ট হয়েছে, তার দায় নিচ্ছি। এরপর আমরা খোলামেলা কথা বলেছি, একে অপরকে বুঝেছি এবং আবার একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা একসঙ্গে থাকলে একে অপরের জন্য যথেষ্ট; আমাদের</p><p><strong>অন্য কারও প্রয়োজন নেই।’<br></strong>বিবৃতির শেষে ভবিষ্যৎ নিয়ে নিজেদের বোঝাপড়া, বিশ্বাস ও ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন আকৃতি। পাশাপাশি তাঁদের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতে এবং ব্যক্তিগত পরিসরে হস্তক্ষেপ না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-13/je867qob/images__3_.jpg"><figcaption>পৃথ্বী শ ও আকৃতি। ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p><strong>মার্চে বাগ্‌দান, সেপ্টেম্বরে বিচ্ছেদ<br></strong>পৃথ্বী ও আকৃতির সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসে তাঁদের বাগ্‌দানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে। ২০২৬ সালের ৮ মার্চ বাগ্‌দানের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন পৃথ্বী। ছবিগুলোতে তাঁকে আকৃতির আঙুলে আংটি পরিয়ে দিতে দেখা যায়। এক ছবিতে দুজনকে আংটি দেখাতেও দেখা যায়। ছবির সঙ্গে পৃথ্বী লিখেছিলেন, মাঠে ছক্কা মারার পর এবার জীবনের দীর্ঘ ইনিংসের পালা—আকৃতিই তাঁর ‘পারফেক্ট ইনিংস’।</p><p>ক্রিকেট মাঠের বাইরের এই রোমান্টিক ঘোষণা দ্রুতই আলোচনায় আসে। কিন্তু সেই আনন্দের খবরের কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।<br>১৭ সেপ্টেম্বর আকৃতি ইনস্টাগ্রামে জানান, তাঁরা বাগ্‌দান ভেঙে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই বিবৃতিতে তিনি বলেছিলেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের লক্ষ্য ও পরিস্থিতির মধ্যে পার্থক্য ছিল। একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও যত্ন থাকা সত্ত্বেও তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁদের পথ হয়তো এক নয়। দায়িত্ব ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দুজনের সম্মতিতেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/hollywood/zx1uzyrsvp">সামরিনের সঙ্গেই প্রেম করছেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার</a></aside><p>বিচ্ছেদের ঘোষণার সময় আকৃতি ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অনুমান না করার অনুরোধও করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, এই কঠিন সময়ে তাঁদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানানো হোক। কেন সম্পর্ক ভাঙল, তা নিয়ে নানা ধারণা বা জল্পনা না ছড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি।</p><p>সেই বক্তব্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে মতপার্থক্যের কথা উঠে এলেও বিস্তারিত কিছু জানাননি আকৃতি। পৃথ্বীও তখন প্রকাশ্যে বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে আলাদা কোনো বক্তব্য দেননি। ফলে সম্পর্ক ভাঙার পেছনে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে নিশ্চিত কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। </p><p><strong>প্রতারণার গুঞ্জন, পরে ব্যাখ্যা<br></strong>বাগ্‌দান ভাঙার আগেও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়েছিল। জুলাইয়ে আকৃতির একটি রহস্যময় পোস্টকে কেন্দ্র করে পৃথ্বীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পোস্টে প্রতারণার প্রসঙ্গ থাকায় অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, সেটি পৃথ্বীকে উদ্দেশ করেই লেখা। তাঁদের বাগ্‌দান ভেঙে গেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।</p><p>তবে তখনই আকৃতি বিচ্ছেদের গুঞ্জন নাকচ করে জানিয়েছিলেন, তাঁরা বাগ্‌দান ভাঙেননি। তাঁর পোস্টকে পৃথ্বীর সঙ্গে সম্পর্কের সরাসরি যোগসূত্র ধরে নেওয়া ঠিক নয় বলেও স্পষ্ট করেছিলেন তিনি। অর্থাৎ জুলাইয়ের সেই পোস্টকে কেন্দ্র করে যে আলোচনা তৈরি হয়েছিল, তা থেকে তাঁদের সম্পর্কের প্রকৃত অবস্থা নিশ্চিতভাবে বোঝা সম্ভব ছিল না।</p><p>সেপ্টেম্বরে বাগ্‌দান ভাঙার ঘোষণার পর পুরোনো পোস্টটি আবার আলোচনায় আসে। তবে আকৃতি বা পৃথ্বী কেউই তাঁদের বিচ্ছেদের সঙ্গে ওই পোস্টের সরাসরি সম্পর্ক আছে বলে নিশ্চিত করেননি। তাঁদের সাম্প্রতিক বিবৃতিতেও কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা বা ব্যক্তিকে দায়ী করা হয়নি। আকৃতি কেবল বলেছেন, কাছের মানুষদের মতামত তাঁর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছিল।</p><p><sup>দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে</sup></p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
আল্লাহর ওপর আস্থা রাখার সহজ ৫ উপায়
আল্লাহর ওপর আস্থা রাখার সহজ ৫ উপায়

<p>পরিস্থিতি সবসময় একরকম যায় না। কখনও এমন কিছুর মুখোমুখি হতে হয়, যার জন্য আমরা প্রস্তুত নই। তখন ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তায় হয় এবং মনে প্রশ্ন জাগে, ‘আমার সঙ্গেই কেন এমন হয়?’</p><p><strong>মুমিন হবে ইতিবাচক</strong></p><p>মুমিনের জীবনদর্শন ভিন্ন রকম। সে জানে, মানুষ পরিকল্পনা করে, আর আল্লাহও পরিকল্পনা করেন। তবে আল্লাহর পরিকল্পনা  পূর্ণাঙ্গ, দূরদর্শী ও কল্যাণময়। এই আস্থা যদি অন্তরে বদ্ধমূল হয়ে যায়, তাহলে আর  ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে হয় না।</p><p>পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা কোনো বিষয়কে অপছন্দ করো, অথচ তাতে তোমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে; আবার কোনো বিষয়কে পছন্দ করো, অথচ তাতে তোমাদের জন্য অকল্যাণ রয়েছে। আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২১৬)</p><p><strong>কীভাবে আস্থা অর্জন করব</strong></p><p>আল্লাহর সিদ্ধান্তে আস্থা রাখা কঠিন কোনো বিষয় নয়। পাঁচটি উপায় অনুসরণ করলে খুব সহজেই তা অর্জন করা যায়। </p><p><strong>১. মনে করুন, ‘আমি কিছুই জানি না’</strong></p><p>মানুষ বর্তমান পরিস্থিতি দেখে ভবিষ্যত সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়। আজকের ব্যর্থতাকে সে চূড়ান্ত ব্যর্থতা মনে করে বসে। অথচ সে জানে না, এই ব্যর্থতার ভেতরেই ভবিষ্যতের বড় কোনো কল্যাণ লুকিয়ে আছে।</p><p>বিপদের সময় বারবার স্মরণ করুন, যে দরজাটি আজ বন্ধ হয়েছে, সেটিই হয়তো আপনার জন্য কল্যাণকর ছিল না। যে সুযোগটি হাতছাড়া হয়েছে, তা ভবিষ্যতে বড় ক্ষতির কারণ হতে পারত।</p><p>কোরআনের এক আয়াত এই বাস্তবতাকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে, ‘আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ২১৬)</p><blockquote>বর্তমানকে অতীতের ‘যদি’র কাছে বন্দী করে ফেলাটা অনুচিত। ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে, কিন্তু অনুশোচনায় আটকে গেলে চলবে না। </blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/4znz0w9t70">আল্লাহর ওপর ভরসা করার ৬ উপকারিতা</a></aside><p><strong>২. দায়িত্ব পালন করুন</strong></p><p>চেষ্টা করা আপনার দায়িত্ব, ফলাফল আল্লাহর হাতে। চাকরি চাইলে আবেদন করুন, প্রস্তুতি নিন, দক্ষতা বাড়ান। পরীক্ষায় ভালো করতে চাইলে পড়াশোনা করুন। ব্যবসা করতে চাইলে পরিকল্পনা করুন। সম্পর্ক ভালো রাখতে চাইলে আন্তরিক হোন।</p><p>মোটকথা নিজের দায়িত্ব যথাযথ পালন করুন। চেষ্টা করার পর ফলাফল আশানুরূপ না হলেও মনে রাখুন, আপনার দায়িত্ব ছিল চেষ্টা করা, আপনি তা করেছেন। ফলাফল নির্ধারণ করা আপনার দায়িত্ব নয়।</p><p>হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, এক ব্যক্তিকে তার উট ছেড়ে দিয়ে বলেছিল, ‘আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করেছি।’ তখন নবীজি (সা.) তাকে বলেছিলেন, ‘আগে উটটি বেঁধে নাও, তারপর আল্লাহর ওপর ভরসা করো।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৫১৭)</p><p><strong>৩. ‘যদি’ বলা কমিয়ে দিন</strong></p><p>অতীতের কোনো কাজ বা সিদ্ধান্ত নিয়ে খুব বেশি অনুশোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে অনেক সময় মানুষ আল্লাহর উপর আস্থা হারিয়ে ফেলে।</p><ul><li><p>‘যদি সেদিন এটা করতাম’</p></li><li><p>‘যদি ওই চাকরিটা নিতাম’</p></li><li><p>‘যদি তখন তাকে বিশ্বাস না করতাম’</p></li></ul><p>এভাবে বর্তমানকে অতীতের ‘যদি’র কাছে বন্দী করে ফেলাটা অনুচিত। ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হবে, কিন্তু অনুশোচনায় আটকে গেলে চলবে না। </p><p>রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘শক্তিশালী মুমিন দুর্বলের তুলনায় আল্লাহর কাছে উত্তম ও অধিক প্রিয়। প্রত্যেকের মধ্যেই কল্যাণ রয়েছে। যাতে তোমার উপকার তার প্রতি আগ্রহী হও, আল্লাহর সাহায্য চাও এবং অক্ষম হয়ে বসে থেকো না। আর যখন কোনো বিপদ আপতিত তখন এভাবে বলো না, ‘যদি আমি এমন করতাম’ তাহলে এমন এমন হত।বরং এভাবে বলেবে, ‘আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চেয়েছেন, তাই হয়েছে।’ কারণ ‘যদি’ শব্দটি শয়তানের পথ খুলে দেয়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬৬৪)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/g7eunm7s0g">আল্লাহর ওপর ভরসা করা কেন ইমানের অপরিহার্য অংশ</a></aside><blockquote>মুমিনের উচিত আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা। কেননা আল্লাহ-তাআলা কখনও বান্দাকে তার আপন অবস্থার ওপর ছেড়ে দেন না। </blockquote><p><strong>৪. আল্লাহর প্রতি সু-ধারণা রাখুন</strong></p><p>বিপদে পড়েলে অনেক সময় মনে হয়, ‘আল্লাহ হয়তো আমাকে ছেড়ে দিয়েছেন।’</p><p>এই ধারণা মারাত্মক বিপজ্জনক। কারণ মুমিনের উচিত আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা। কেননা আল্লাহ-তাআলা কখনও বান্দাকে তার আপন অবস্থার ওপর ছেড়ে দেন না। </p><p>হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেন, ‘আমি সেরূপই, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সাথে থাকি যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্মরণ করে, আমিও তাকে নিজে স্মরণ করি। আর যদি সে লোক-সমাবেশে আমাকে স্মরণ করে, তবে আমিও তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশে তাকে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তবে আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই, যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়; আমি তার দিকে দু হাত অগ্রসর হই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৭৫০৫)</p><p>তাই বিপদের সময় মনকে বলুন, আমার পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর সিদ্ধান্ত ভুল হতে পারে না। এই বিশ্বাস মনের অস্থিরতা কমিয়ে দেবে এবং আল্লাহ ওপর আস্থা রাখা সহজ হয়ে যাবে। </p><p><strong>৫. আন্তরিক দোয়া চালু রাখুন </strong></p><p>মুমিনের দোয়া তার শক্তিশালী হাতিয়ার। এর মাধ্যমে বান্দা নিজের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে অসীম ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ করে।</p><p>দোয়ার পর  কোনো কিছু না পাওয়া মানেই আল্লাহ তা কবুল করেননি—এমন নয়। কখনো তিনি চাওয়া জিনিসটি দেন, অথবা তার চেয়ে উত্তম কিছু দেন, আবার কোনো অদৃশ্য ক্ষতি থেকে আপনাকে রক্ষা করেন। এ জন্যই ভরসা রাখতে হয়।</p><p>পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর যখন তুমি কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করো, তখন আল্লাহর ওপর ভরসা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর ওপর ভরসাকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৫৯)</p><p>আল্লাহর সিদ্ধান্তে ওপর আস্থা রাখা একজন মুমিনের জন্য পরম অনন্দের বিষয়। যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর আস্থা রাখে, সে ব্যর্থ হলেও ভেঙে পড়ে না, অপেক্ষা করেও হতাশ হয় না, কোনো কিছু হারালেও আল্লাহর প্রতি অভিযোগ তুলে না। </p><p>কারণ সে জানে, আমার জন্য কোনটি কল্যাণকর আমার চেয়েও আল্লাহই ভালো জানেন। এই বিশ্বাসের নাম তাওয়াক্কুল। এখানেই লুকিয়ে আছে মুমিনের প্রশান্তির রহস্য।</p><ul><li><p><em><strong>মাহমুদ হাসান ফাহিম: </strong>আলেম ও লেখক</em></p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/unsruq63nd">বিপদে আল্লাহর অপার ভরসা</a></aside>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
ছয় বছরে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে কী পরিমাণ সোনা-রুপা জমা হয়েছে
ছয় বছরে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে কী পরিমাণ সোনা-রুপা জমা হয়েছে

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে প্রায় ২৫ কেজি সোনা-রুপা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ১৭ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
বিএনপির কর্মীরা বিষয়গুলো ভেবে দেখবেন কি 
বিএনপির কর্মীরা বিষয়গুলো ভেবে দেখবেন কি 

সরকারের সাংগঠনিক ভিত্তি হিসেবে আপনারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। আগেও আপনাদের দল অন্তত চারবার নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। সর্বশেষ নির্বাচনে বিএনপি প্রদত্ত ভোটের প্রায় ৫০ ভাগ এবং দুই শতাধিক সংসদীয় আসন পেয়েছে। দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এখন আপনাদের সঠিক ভাবনা ও পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কানাডা থেকে এসকে সিনহা বললেন, ‘আমি ভাসমান’
কানাডা থেকে এসকে সিনহা বললেন, ‘আমি ভাসমান’

কানাডা থেকে এসকে সিনহা বললেন, ‘আমি ভাসমান’

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
জাপানের মোরিওকা শহরের ঐতিহ্য ও আনন্দের উৎসব ‘সানসা ওদোরি’
জাপানের মোরিওকা শহরের ঐতিহ্য ও আনন্দের উৎসব ‘সানসা ওদোরি’

জাপানের মোরিওকা শহরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আনন্দের অন্যতম প্রাণের উৎসব ‘সানসা ওদোরি’।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
নেশার সর্বনাশা প্রভাবে ধীরে ধীরে মানুষের স্বাভাবিক সত্তা হারিয়ে যায়
নেশার সর্বনাশা প্রভাবে ধীরে ধীরে মানুষের স্বাভাবিক সত্তা হারিয়ে যায়

<p>প্রথম আলো ট্রাস্টের মাদকবিরোধী পরামর্শ সভার আওতায় ২০২৩ সালের ৩ জানুয়ারি রাজধানীর বাড্ডায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ মিলনায়তনে এক সভার আয়োজন করা হয়। সভায় পরামর্শ দেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল। উক্ত সভায় আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p>পরামর্শ সভায় সাময়িক আনন্দের মোহে তরুণদের নেশায় আসক্ত হওয়া এবং এর মারাত্মক পরিণতি নিয়ে সতর্ক করেছেন অধ্যাপক মোহিত কামাল। তিনি বলেন, সাময়িক আনন্দের মোহ তরুণদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। নেশার সর্বনাশা প্রভাবে ধীরে ধীরে মানুষের স্বাভাবিক সত্তা হারিয়ে যায় এবং সে 'দানবে' পরিণত হয়। তখন নেশার টাকার জন্য সে যেকোনো অপরাধ ঘটাতে পিছপা হয় না।’ তরুণ সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এই সর্বগ্রাসী নেশার কবল থেকে সবাইকে মুক্ত থাকার আহ্বান জানান এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ।</p>

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসনের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে ইমরানের দল
খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসনের বিরুদ্ধে আদালতে যাবে ইমরানের দল

খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসন জারির পর গতকাল সোমবার প্রাদেশিক রাজধানী পেশোয়ারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ ছিল।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
বিমানবন্দরে হুথি হামলার জবাবে ‘কঠোর পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি সৌদি মন্ত্রীর
বিমানবন্দরে হুথি হামলার জবাবে ‘কঠোর পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি সৌদি মন্ত্রীর

সৌদি আরবে হুতি হামলার প্রেক্ষাপটে রিয়াদে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সম্মেলন থেকে বড় বড় তেল কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এদিকে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ১ লাখ অতিক্রম করেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৩০৭ জন।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের মাথাব্যথা আরও বাড়ল
যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের মাথাব্যথা আরও বাড়ল

যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে বেশ জটিল পরিস্থিতিতে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাশিয়া থেকে ডিজেল আনা এবং ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে তার অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। যার প্রভাব আসন্ন নির্বাচনকে বড়ভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
পত্রিকা: 'হুথি-সৌদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ'
পত্রিকা: 'হুথি-সৌদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বহুমুখী সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ'

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাত পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বহুমুখী সংকট তৈরি হতে পারে। হামলার পর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের অর্ধশতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপ ২১ জানুয়ারি, শেষ ধাপ ২৭ মে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলো এসব খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?
শিশুর ডিএনএ টেস্টের দাবি, বাংলাদেশে চাইলেই কি এই টেস্ট করা যায়?

বাদামী রঙের চুল, সাদা গড়নের শিশুটিকে প্রথমবার দেখলে যে কেউই বিদেশি বলে ভুল করবেন। বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটি এখন 'পপুলার নাও' ক্যাটাগরিতে রয়েছে, কেননা সম্প্রতি এক দম্পতি শিশুটিকে নিজের সন্তান বলে ডিএনএ টেস্ট দাবি করেছে। তবে এই দাবি অস্বীকার করেছে শিশুটির বর্তমান পরিবার। প্রশ্ন হলো, কেউ চাইলেই কী বাংলাদেশে ডিএনএ টেস্ট করা যায়?

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দিল্লিতে মিছিল করে বিরোধী নেতাদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির রাহুল গান্ধী
দিল্লিতে মিছিল করে বিরোধী নেতাদের নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হাজির রাহুল গান্ধী

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দেয় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী ইন্ডিয়া জোট।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সাজেক ভ্রমণ কতদিন বন্ধ থাকবে?
সাজেক ভ্রমণ কতদিন বন্ধ থাকবে?

স্থানীয় দু'টি সংগঠনের ডাকা অবরোধকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের ঘটনায় কী বলছে পুলিশ
সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের ঘটনায় কী বলছে পুলিশ

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলা সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার বিকেলে ঢাকায় একটি আদালতে তোলে পুলিশ। সেখানে তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলেও শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত বাংলাদেশিরা কে কোন হাসপাতালে
সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত বাংলাদেশিরা কে কোন হাসপাতালে

শনিবারের ওই হামলার পরদিন রোববার মন্ত্রণালয় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মোঃ নাসরুল্লাহ বদরপুরি এবং বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে মো: শাহেদ আহম্মেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ  ইউনূসকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
পুরোনো বন্ধু আর ভরসাযোগ্য নয়, নতুন সংকটে উপসাগরীয় অঞ্চল
পুরোনো বন্ধু আর ভরসাযোগ্য নয়, নতুন সংকটে উপসাগরীয় অঞ্চল

গত এক বছর ধরে, উপসাগরীয় অঞ্চল অস্থিতিশীলতার এমন এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে যা সামরিক নয় এবং যার কোনো পেছনের দিকে ফেরার সুযোগ নেই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
মাদারীপুরে বিচারকের বাসভবনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

মাদারীপুর শহরের শকুনি লেকপাড়ে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনের সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
শিক্ষার্থীর কেনা আইফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে
শিক্ষার্থীর কেনা আইফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে

গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবুল হাসনাত আয়ানের কেনা আইফোন ‘চোরাই ফোন’ দাবি করে তার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে শ্রীপর থানার এসআই মেহেদী হাসান টিটুর বিরুদ্ধে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমল ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমল ৩২৬৬ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। একই সঙ্গে রূপার দামও কিছুটা কমানো হয়েছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রেলওয়ের জায়গা যেন দখলদারদের পৈত্রিক সম্পত্তি
রেলওয়ের জায়গা যেন দখলদারদের পৈত্রিক সম্পত্তি

চব্বিশের গণঅভুত্থানের পর বগুড়ার আজিজুল হক কলেজের গেট সংলগ্ন রেলওয়ের জায়গাকে পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে দখলে ‍নিয়েছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী বলে অভিযোগ উঠেছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
মাছের মুখে ৫৫৫ দাঁত, প্রতিদিন ঝরে পড়ে ২০টি
মাছের মুখে ৫৫৫ দাঁত, প্রতিদিন ঝরে পড়ে ২০টি

বিচিত্র পৃথিবীর জলে-স্থলে লুকিয়ে রয়েছে নানা বিস্ময়। অনেক কিছু আলোর সামনে এলেও এখনো আড়ালে অসংখ্য অধ্যায়।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
২২ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসি
২২ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েট ভিসি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম নিজ কার্যালয়ে ২২ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ রয়েছেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬