অপরাধ

সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল হাফিজ গ্রেপ্তার

নভেম্বর ১, ২০২৬
সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল হাফিজ গ্রেপ্তার
সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল হাফিজ গ্রেপ্তার
ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর বনানী থেকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Prothomalo

View more
জেন-জি বিক্ষোভে আবার উত্তাল ইউরোপ: ৩ দেশে সংঘর্ষ, ধরপাকড় ও লুটপাট
জেন-জি বিক্ষোভে আবার উত্তাল ইউরোপ: ৩ দেশে সংঘর্ষ, ধরপাকড় ও লুটপাট

ফ্রান্সে বিক্ষোভকারী আর পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। চলেছে ধড়পাকড়। জার্মানিতে বিক্ষোভ চলার সময় লুটপাটের খবর পাওয়া গেছে। বিক্ষোভ হয়েছে পোল্যান্ডেও।

নভেম্বর ১, ২০২৬
উইকেটে ঘাস থাকুক বা না থাকুক, বোলারদের আতঙ্কের নাম এখন অভিষেক
উইকেটে ঘাস থাকুক বা না থাকুক, বোলারদের আতঙ্কের নাম এখন অভিষেক

ভারতীয় ক্রিকেটে এখন নতুন তারকার আগমনী সংগীত। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিদের ক্যারিয়ার যখন গোধূলিবেলায়, তখন নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে উঠছেন অভিষেক।

নভেম্বর ১, ২০২৬
৫২তম জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার সেরা সব ফ্যাশন মুহূর্ত
৫২তম জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার সেরা সব ফ্যাশন মুহূর্ত

আজ এই সাবেক বিশ্বসুন্দরীর ৫২তম জন্মদিন। জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক তাঁর কিছু আইকনিক ফ্যাশন লুক, যেগুলো আজও ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে আছে।

নভেম্বর ১, ২০২৬
স্যরি!
স্যরি!

<p>কথায় আছে, অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকিয়ে যায়। আর রস+আলোর বি.স. যেদিকে চায়, আইডিয়া শুকিয়ে যায়! অবশ্য এতে তাকে দোষ দেওয়া যায় না। দেশজুড়ে এমনিতেই নানা সংকট। গ্যাসের সংকট, তেলের সংকট, বিদ্যুতের সংকট, পানির সংকট। এত সংকটের ভিড়ে আইডিয়া নামক বস্তুটি আর বাদ যাবে কেন। সে–ও আজ সংকটে পড়ে যায় যায়! জুতসই একটা আইডিয়া করতে গেলে প্রথমেই চিন্তা আসে, কয়দিন জেল খাটা লাগতে পারে! আসল আইডিয়া ভুলে তখন জেলে গেলে কীভাবে সময় কাটবে, সেই আইডিয়া করতে বসে যাই। মুসিবত আর কাকে বলে!</p><p>যাহোক, পাঠকদের কাছে স্যরি। আইডিয়া–সংকটের জন্য এই সংখ্যায় আপনাদের খুশি করতে পারলাম না। মানে, কভার দিতে পারলাম না।</p><p>তবে পাঠকদের একটা আইডিয়া দিতে পারি—কভারবিহীন এই রস+আলো যদি আপনার রসালোনুভূতিতে আঘাত করে, তাহলে একটা কাজ করবেন। রংপেনসিল নিয়ে বসে যান। কভারের খালি জায়গায় নিজেই এঁকে ফেলুন আপনার মনের মতো কভার। তারপর সেই দুর্দান্ত কভারের একটা ছবি তুলে রস+আলোর অফিশিয়াল পেজ ট্যাগ করে পোস্ট করুন নিজের ফেসবুক আইডিতে।</p><p><strong>সেরা তিনটি কভার ছাপা হবে পরবর্তী সংখ্যায়।</strong></p><p><strong>আর ৫০০ টাকার অর্থ পুরস্কার তো থাকবেই।</strong></p><p>টাকাটা পেলে আপনি খুশি হবেন। অবশ্য একটু পরেই আবার মনে পড়বে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই অস্থির সময়ে ৫০০ টাকা আসলে কোনো টাকাই না। তখন একটু মন খারাপ হবে। কী আর করার! লোকে তো আর অকারণে বলে না, যত হাসি তত কান্না...</p> <p>—বি.স.</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/zghw7l6ydu">একজন এআই লেখক </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3y37khdj9g">আপনি কত বড় মিথ্যাবাদী?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/3fbuod5lle">উগান্ডার হুইপের ফেসবুক প্রোফাইল</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/m9eme7ddwo">বেরেক কাম করে না!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hik3yizsq8">সিনেপ্লেক্সে একদিন </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/tnsdadk1at">সড়কপথে বিমানের ছোঁয়া </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/wio8c5i398">আরও যা যা ফাঁস হতে পারে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/bvavx49d33">Breaking Good</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/j2xtgsfcge">আমি ভুল করিনি</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/l2v7tpucaz">চাঁদ দখল</a></aside>

নভেম্বর ১, ২০২৬
দরকার ২০ লাখ, ব্যাংক দিতে চায় ৫ লাখ, চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা
দরকার ২০ লাখ, ব্যাংক দিতে চায় ৫ লাখ, চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা

<p>স্যুভেনির তৈরির ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান (এসএমই) হাতবাক্স বেসরকারি একটি ব্যাংকে ২০ লাখ টাকার সিসি ঋণের (ব্যবসা পরিচালনার ঋণ) আবেদন করে। কিন্তু ব্যাংকটি ৪–৫ লাখ টাকার বেশি ঋণ দিতে চায় না। জামানত দিলে সম্পদমূল্যের ৭০–৮০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তারা। অথচ আড়াই বছর আগেই দুটি ব্যাংক থেকে চাহিদামতো ঋণ পেয়েছিলেন তিনি, সেই ঋণের নিয়মিত সুদ দিয়ে যাচ্ছেন।</p><p>হাতবাক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাফাত কাদির প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা নতুন উদ্যোক্তা; আমাদের সম্পদ নেই। তবে দৈনিক লেনদেন ও চলমান ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করছি। তারপরও আমরা যে পরিমাণ ঋণের আবেদন করেছি, তার চার ভাগের এক ভাগ দিতে চাইছে ব্যাংক। এই অল্প টাকায় আমাদের কিছুই হবে না। আরেকটি ব্যাংকে সাপ্লাই চেইন ঋণ চেয়েও তিন মাসে পাইনি। ব্যবসার প্রয়োজনের সময় ঋণ না পেলে কীভাবে ব্যবসা বড় করব।’</p><p>শাফাত কাদিরের মতো অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংক থেকে চাহিদা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছেন না। আবার বড় ব্যবসায়ীরাও বিনিয়োগে আগ্রহী কম। সরকারের নানা উদ্যোগের পরও বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো সেভাবে চালু হয়নি। ফলে কয়েক বছর ধরে বেসরকারি খাতে যে মন্দাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তা আরও প্রকট হচ্ছে।</p><p>এদিকে দেশের অর্ধেকের বেশি ব্যাংক শিল্পঋণের ক্ষেত্রে হাত গুটিয়ে বসে আছে। এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নতুন করে কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। ফলে বেসরকারি খাতে ব্যাংকঋণের প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। টানা ছয় মাস বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। অথচ গড়ে ১০ শতাংশ সুদহার হলেও ঋণের প্রবৃদ্ধি সমপরিমাণ হওয়ার কথা।</p><p>আর্থিক খাতে গতি ফেরাতে গত মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক ৬২ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা বন্ধ কলকারখানা চালু করার জন্য। বন্ধ কারখানা চালুর জন্য ঘোষিত তহবিল থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে ৫৬১ কোটি টাকা। আর ৬২ হাজার কোটি টাকার পুরো তহবিল থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছাড় হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা।</p><p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত মার্চে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ। এপ্রিলেও প্রবৃদ্ধি একই পর্যায়ে ছিল। মে মাসে ঋণ প্রবৃদ্ধি সামান্য বেড়ে ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ হয়। এরপর জুন ও জুলাইয়ে আবার কমে যায়। আগস্টে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ফলে ছয় মাস ধরে ৫ শতাংশের নিচেই রয়েছে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি। গত ২০২৫–২৬ অর্থবছরেও ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ।</p><p>ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, যারা বিনিয়োগ করেছে, তারা এখন অনিশ্চয়তায় আছে। ফলে নতুন বিনিয়োগে তেমন গতি নেই। শিল্প খাতে ঋণ যাচ্ছে খুবই কম। যা ঋণ বিতরণ হচ্ছে, তার বড় অংশ ভোগ্যপণ্য ও কাঁচামাল আমদানির জন্য। এ ছাড়া কিছু ভোক্তাঋণ বিতরণ হচ্ছে। ঋণের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে বেসরকারি খাতকে চাঙা হতে হবে। তখন ঋণ বিতরণ বাড়বে। অতীতে বেনামে অনেক ঋণ গেছে, যা বিনিয়োগে তেমন একটা কাজে লাগেনি। ফলে ব্যাংক খাত খারাপ হয়েছে।</p><p><strong>ব্যবসায়ীরা ঋণ পাচ্ছেন না</strong></p><p>নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সদস্য এনএইচ অ্যাপারেলস, মুন্সি অ্যাটায়ার্স, ডিকে নিটওয়্যার, ফতুল্লা ফ্যাশনসহ ৭৮টি বন্ধ কারখানা চালু করতে প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ চেয়ে আবেদন করেছে। এ ছাড়া ১০৯টি আংশিক বন্ধ কারখানাও প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ চায়। তবে তেমন সাড়া পাচ্ছেন না এসব কারখানার মালিকেরা।</p><p>এ বিষয়ে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের জানামতে, এখন পর্যন্ত নিট পোশাক খাতের কোনো প্রতিষ্ঠান প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ পায়নি। আংশিক চালু দু–চারটি কারখানার ঋণ বিষয়ে ব্যাংকের বোর্ডে সিদ্ধান্ত হয়ে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গেছে। তবে একটি বন্ধ কারখানার জন্য ঋণের বিষয়টি কোনো ব্যাংকের বোর্ডে পাস হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, সরকার ব্যবসা–বাণিজ্যে গতি ফেরাতে চাইছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আন্তরিক। তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ ক্ষেত্রে যথাযথভাবে এগিয়ে আসছে না।</p><p>চট্টগ্রামের হিফস অ্যাগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ একটি বেসরকারি ব্যাংকে ২০ কোটি টাকার সিসি ঋণ চেয়ে আবেদন করে। তাদের তিন–চার কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব দেয় ব্যাংক। তবে এই টাকায় চাহিদা মিটবে না বলে ঋণের বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>হিফস অ্যাগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ছৈয়দ মুহাম্মদ শোয়াইব হাছান প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে জামানতের ৭০–৮০ শতাংশের বেশি ঋণ দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না কোনো ব্যাংক। অথচ আগে ১২০ শতাংশ বা তার বেশি ঋণ দিয়েছে ব্যাংক। তিনি বলেন, ‘আমাদের পণ্য আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যেতে ৪৫ দিন লাগত। এখন তিন মাস লাগছে। ফলে আগের চেয়ে পুঁজি বেশি লাগছে। কিন্তু ব্যাংক থেকে সহায়তা পাচ্ছি না। সে কারণে আমাদের ব্যবসা হাতছাড়া হচ্ছে।’</p><p>ইস্পাত খাতের আরআরএম গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পরিচালনার জন্য ব্যাংকে ৬০০ কোটি টাকার ঋণসীমা অনুমোদন আছে। তবে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় ঋণপত্রের সীমা হ্রাস এবং ব্যবসার অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় গ্রুপটি আরও ২০০ কোটি টাকা বাড়তি ঋণসীমা চেয়েছে। ব্যাংক সেটির অনুমোদন দিচ্ছে না।</p><p>বিষয়টি নিশ্চিত করে আরআরএম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সুমন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ইস্পাত খাতের ৯০ শতাংশ বাজার হিস্যা ৪৮টি কোম্পানির দখলে। তার মধ্যে ৩০–৩২টি কোম্পানি বাড়তি ঋণসীমা চেয়ে পায়নি। অর্থের অভাবে কোম্পানিগুলো অর্ধেক সক্ষমতায় উৎপাদন করছে। এভাবে চলতে থাকলে শিল্প খাত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।</p><p><strong>অতীতে ঋণের গতি</strong></p><p>গত ২০১০–১১ অর্থবছরে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ২৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যা পরের অর্থবছরে কমে হয় ১৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। গত ২০২৩–২৪ ও ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে ঋণের গতি বেড়ে গিয়েছিল।</p><p><strong>বেসরকারি খাত চাঙা করতে নতুন উদ্যোগ</strong></p><p>বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ যাতে বাড়ে, সে জন্য সরকার প্রণোদনার পাশাপাশি নতুন নীতি নিয়েছে। এ জন্য ২১ মাস পর  নীতি সুদহার কমিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রেপো রেট বা নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোর অর্থ সংগ্রহের খরচ কিছুটা কমেছে। এতে ধীরে ধীরে ঋণের সুদ কমার সুযোগও তৈরি হয়েছে। তবে ঋণের সুদ কমলে তা বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। যদিও গ্যাস-বিদ্যুৎসহ অবকাঠামোকে প্রধান প্রতিবন্ধকতা মনে করেন উদ্যোক্তারা। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও বিবেচনায় আনেন উদ্যোক্তারা। আর করনীতি, ঘুষ–দুর্নীতির মতো পুরোনো সমস্যা তো আছেই।</p><p>পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, অনেকগুলো ব্যাংক সমস্যায় পড়ায় ঋণ কার্যক্রম কমিয়ে এনেছে। এ ছাড়া নতুন বিনিয়োগ তেমন একটা নেই। তবে প্রণোদনা প্যাকেজের বিতরণ শুরু হওয়ায় ঋণ প্রবৃদ্ধিও ধীরে ধীরে বাড়বে।</p><p><strong>অর্থনীতির গতি কি ফিরবে</strong></p><p>অর্থনীতির গতি বাড়াতে একদিকে সুদহার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে ঋণ বিতরণ বাড়াতে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকে ঋণসীমাও তুলে নিয়েছে। ফলে ব্যাংকটি গ্রাহকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইচ্ছেমতো ঋণ দিতে পারবে।</p><p>বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে সুদহার কমানোর বিষয়টিও আলোচনায় ছিল। এখন অনেক ভালো উদ্যোক্তা ১০ শতাংশের কম সুদে ঋণ পাচ্ছেন।</p><p>ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি এবং এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান আবুল কাসেম খান প্রথম আলোকে বলেন, অর্থনীতির গতি বাড়াতে সরকারি পদক্ষেপগুলো ভালো। ব্যবসার জন্য অনেক সংস্কার করা হয়েছে ও হচ্ছে। তবে এর প্রভাব পড়তে সময় লাগবে। এখন বিশ্ব পরিস্থিতিও ইতিবাচক নয়। ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আস্থা ফিরে আসেনি।</p><p>আবুল কাসেম খান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ব্যবসার পরিবেশ এখনো উন্নত হয়নি। ব্যবসা শুরুর জন্য প্রক্রিয়া শেষ করতেই বছর চলে যায়। যে কাজ এক দিনে হওয়ার কথা, তাতে এক বছর সময় লেগে যাচ্ছে। অথচ চীন, থাইল্যান্ডসহ অন্য দেশগুলো কোথায় চলে গেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে ব্যবসার পরিবেশ ঠিক করতে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। আমরা সৌরবিদ্যুতে উৎসাহ দিচ্ছি, কিন্তু কোনো প্রণোদনা দিচ্ছি না। অনেক দেশ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে প্রণোদনা দিচ্ছে।’</p>

নভেম্বর ১, ২০২৬
পাইলস হলে কি অপারেশন করতেই হবে
পাইলস হলে কি অপারেশন করতেই হবে

শাকসবজি, ফলমূল, ডাল, গোটা শস্য ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার। পর্যাপ্ত পানি পান করাও গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্য হলো মল নরম রাখা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য এড়ানো।

নভেম্বর ১, ২০২৬
ভালো মানুষেরা কি সব সময় পিছিয়ে পড়ে
ভালো মানুষেরা কি সব সময় পিছিয়ে পড়ে

মাথা গরম হয়ে গেল! কারণ, চাকরিটা ছিল খুবই সাধারণ, ন্যূনতম মজুরির একটা চাকরি। আমি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী ছিলাম না। ক্যানসারের ভ্যাকসিনও আবিষ্কার করছিলাম না

নভেম্বর ১, ২০২৬
ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আবার অবরোধ
ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আবার অবরোধ

আজ রোববার সকাল আটটার দিকে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

নভেম্বর ১, ২০২৬
সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল হাফিজ গ্রেপ্তার
সাবেক সেনা কর্মকর্তা আব্দুল হাফিজ গ্রেপ্তার

ডিএমপির ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর বনানী থেকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নভেম্বর ১, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।