bangladesh

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার ও অন্যান্য খবর

অক্টোবর ৬, ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার ও অন্যান্য খবর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার ও অন্যান্য খবর
<p>আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি থাকবে। এছাড়া দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে</p><figure></figure>

Prothomalo

View more
গ্রাম সরকার পুনর্বহালের আলোচনা, ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত
গ্রাম সরকার পুনর্বহালের আলোচনা, ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত

উল্লেখ্য, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ১৯৭০-এর দশকে ‘গ্রাম সরকার’ নামে একটি স্থানীয় সরকারব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।

অক্টোবর ৬, ২০২৬
বাংলাদেশে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের ওপর সর্বশেষ আক্রমণ: এইচআরডব্লিউ
বাংলাদেশে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের ওপর সর্বশেষ আক্রমণ: এইচআরডব্লিউ

নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করে বাংলাদেশে বিরোধী দলের সমর্থকদের গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

অক্টোবর ৬, ২০২৬
গাইবান্ধার সেই ‘এক টাকার মাস্টার’ লুৎফুর রহমান পেলেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা
গাইবান্ধার সেই ‘এক টাকার মাস্টার’ লুৎফুর রহমান পেলেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

<p>৫২ বছর ধরে মাত্র এক টাকায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াচ্ছেন লুৎফুর রহমান। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষক না হয়েও এবার পেলেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও অবসর–ভাতার ঘোষণা। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ৬, ২০২৬
আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই: এএসআইয়ের বক্তব্য ভাইরাল
আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই: এএসআইয়ের বক্তব্য ভাইরাল

<p>ঘুষ নিয়ে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনের বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিস্তারিত ভিডিওতে..</p><figure></figure>

অক্টোবর ৬, ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার ও অন্যান্য খবর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার ও অন্যান্য খবর

<p>আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর ছুটি থাকবে। এছাড়া দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে</p><figure></figure>

অক্টোবর ৬, ২০২৬
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

অক্টোবর ৬, ২০২৬
উপাচার্যকে ৪৫ মিনিট অবরুদ্ধ রাখার পর আলোচনায় আন্দোলনকারী সাংবাদিকেরা
উপাচার্যকে ৪৫ মিনিট অবরুদ্ধ রাখার পর আলোচনায় আন্দোলনকারী সাংবাদিকেরা

সোমবার রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সামনের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন তাঁরা।

অক্টোবর ৬, ২০২৬
অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে সিডিডির ৩০ বছরের পথচলা
অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে সিডিডির ৩০ বছরের পথচলা

<p>প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি এবং তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবিলিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (সিডিডি) দীর্ঘ পথচলার ৩০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সোমবার সাভারের ব্র্যাক সিডিএম প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সিডিডির বিভিন্ন প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দাতা সংস্থাসহ অন্যান্য অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এতে অংশ নেন</p><p> অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন সিডিডির নির্বাহী পরিচালক নাজমুল বারী। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং নেতৃত্বের সুযোগ আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সিডিডি। ভবিষ্যতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার এই প্রচেষ্টায় অংশ নিতে সরকারসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।</p><p>এরপর প্রতিষ্ঠানটির সুদীর্ঘ যাত্রার খণ্ডচিত্র তুলে ধরেন সিডিডির নির্বাহী উপদেষ্টা এ এইচ এম নোমান খান। এ সময় সিডিডির ৩০ বছরের পথচলার স্মৃতিসংবলিত একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা। এরপর কেক কাটা শেষে পরিবেশন করা হয় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পটের গান।</p><p>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এ কে এম তারেক বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সিডিডি সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।</p><p>এর আগে সকালে কমিউনিটি বেজড রিহ্যাবিলিটেশন (সিবিআর) সামিট ২০২৬ আয়োজন করে সিডিডি। এই সম্মেলনে অংশ নেন কয়েক শ প্রতিবন্ধী শিশু, যুব ও তাদের অভিভাবকেরা। অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, অংশগ্রহণ, ক্ষমতায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।</p><p>প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ অন্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় আয়োজন।</p>

অক্টোবর ৬, ২০২৬
কথা আছে বলে মোটরসাইকেল থামান নারী, পরে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে চালককে মারধর করে সব লুট
কথা আছে বলে মোটরসাইকেল থামান নারী, পরে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ এনে চালককে মারধর করে সব লুট

<p>পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বাসিন্দা পরিমল চন্দ্র বর্মন (৩০) মোটরসাইকেলে বোদা উপজেলা শহরসংলগ্ন প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে যান। এ সময় অপরিচিত এক নারী তাঁর মোটরসাইকেল থামিয়ে কথা আছে বলে জানান। ওই নারীর সঙ্গে কথা বলতে দেখে কয়েকজন এসে ওই নারীর সঙ্গে পরিমলের অবৈধ সম্পর্ক আছে বলে দাবি করেন।</p><p> এ সময় পরিমলকে মারধর করা হয়। বিষয়টি বসে সমাধান করতে হবে বলে ওই এলাকার ইউসুফ আলীর বাড়িতে নিয়ে তাঁকে আরেক দফা মারধর করেন ওই ব্যক্তিরা। পরিমল সেখানেও ওই নারীকে দেখতে পান। এ সময় তাঁর পকেট থেকে ২৫ হাজার টাকা বের করে নেন। এ ছাড়া তাঁর মোটরসাইকেলটি জোরপূর্বক আটকে রেখে চারটি ১০০ টাকা মূল্যের নন–জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন।</p><p>এ ঘটনায় রোববার দিবাগত রাত একটার দিকে বোদা থানায় পাঁচ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেন পরিমল। মামলার এজাহারে এভাবেই ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়।</p><p>মামলার আসামিরা হলেন বোদা পৌর যুবদলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ওরফে রনি (৩০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সোহেল রানা (৩৪), বোদা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীন মজুমদার (৫০), ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন আরিফ (৩৫) এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রাজু ইসলাম (৩২)।</p><p>এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া রাজু ইসলাম ছাড়া অপর চার যুবদল নেতার প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয় সব পদ স্থগিত করেছে বোদা পৌর যুবদল।</p><p>পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. অলিয়ার রহমান ও সদস্যসচিব মো. আফছারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, তা আগামী তিন দিনের মধ্যে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>মামলার এজাহার অনুযায়ী, শনিবার ৯টার দিকে পরিমল মোটরসাইকেলে প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে গেলে এসব ঘটনা ঘটে। সেখান থেকে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান তিনি। পরদিন বিকেলে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বোদা পৌরসভার প্রামাণিকপাড়া-শিমুলতলী মোড়ে গিয়ে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন ও সোহেল রানাকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাঁদের আটক করেন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া স্ট্যাম্প ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আটক দুজনকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তাঁরা।</p><p>মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বোদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অলকান্ত রায় বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে সোমবার আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ ঘটনায় অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।</p>

অক্টোবর ৬, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন