নিয়োগ

পিএসসির অধীনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়–অধিদপ্তরে চাকরি, ১৩৫ পদের মধ্যে সবচেয়ে সাব-রেজিস্ট্রারে

অক্টোবর ২০, ২০২৬
পিএসসির অধীনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়–অধিদপ্তরে চাকরি, ১৩৫ পদের মধ্যে সবচেয়ে সাব-রেজিস্ট্রারে
পিএসসির অধীনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়–অধিদপ্তরে চাকরি, ১৩৫ পদের মধ্যে সবচেয়ে সাব-রেজিস্ট্রারে
পিএসসি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ৯ থেকে ১২ গ্রেডের ১৩৫টি পদে পুনর্নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

Prothomalo

View more
লাল কার্ড বিতর্ক থেকে বিশ্বকাপ বিক্রি: ইনফান্তিনোকে উয়েফার ৪২ প্রশ্ন, সময়সীমা দুই সপ্তাহ
লাল কার্ড বিতর্ক থেকে বিশ্বকাপ বিক্রি: ইনফান্তিনোকে উয়েফার ৪২ প্রশ্ন, সময়সীমা দুই সপ্তাহ

উয়েফা জেনারেল সেক্রেটারি থিওডোর থিওডোরিডিস ফিফার সেক্রেটারি জেনারেল সেক্রেটারি ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রোমের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠিতে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর জন্য রয়েছে ৪২টি প্রশ্ন।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অক্টোবর ২০, ২০২৬
কিম জং–উন কতটা বিলাসী জীবনযাপন করেন, অবকাশকেন্দ্রের কাছে বড় বড় বিলাসবহুল নৌযান কি তাঁর
কিম জং–উন কতটা বিলাসী জীবনযাপন করেন, অবকাশকেন্দ্রের কাছে বড় বড় বিলাসবহুল নৌযান কি তাঁর

<p>উত্তর কোরিয়ার ওয়ানসান উপকূলে গত জুলাই থেকে চলতি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত কৃত্রিম উপগ্রহ (স্যাটেলাইট) থেকে তোলা ছবিতে বারবার একটি বিলাসবহুল নৌযান দেখা গেছে। নৌযানটি দৈর্ঘ্যে ৮০ মিটার বা ২৬৩ ফুট।</p><p>নৌযানটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো, এর ডেকে থাকা ৫০ মিটারের একটি সুইমিংপুল, যার এক প্রান্তে রয়েছে চমৎকার কিছু ওয়াটার স্লাইড।</p><p>মাসের পর মাস একটি মেরামতকেন্দ্রে পড়ে থাকার পর গত জুলাইয়ের শুরুতে নৌযানটি ওয়ানসানের কালমা উপদ্বীপের উপকূলীয় জলসীমায় আনা হয়।</p><p>ওয়ানসান মূলত সমুদ্রতীরবর্তী একটি মনোরম অবকাশ যাপনকেন্দ্র। সেখানে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন ও তাঁর পরিবারের ব্যবহারের জন্য রয়েছে বিশাল একটি ভিলা বা প্রাসাদোপম বাড়ি। শুধু ওই নৌযানই নয়, স্যাটেলাইট ছবিতে কিমের ওই ভিলার আশপাশে আরও কয়েকটি বড় নৌযান দেখা গেছে। বিবিসি এসব ছবি বিশ্লেষণ করেছে।</p><blockquote>জাতিসংঘ ও বিভিন্ন সংস্থা অনুমানের ভিত্তিতে উত্তর কোরিয়াকে বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করে। দেশটির বাজেটের সিংহভাগই চলে যায় সামরিক খাতে, যার একটি অংশ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়।</blockquote><p>ধারণা করা হচ্ছে, নৌযানগুলো কিম ও তাঁর পরিবারের ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সাবেক কর্মকর্তা, দেশ ত্যাগ করা নাগরিক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশটির শাসকগোষ্ঠীর বাইরের কারও পক্ষে এত বড় নৌযানের মালিক হওয়া কঠিন।</p><p>উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির ‘৩৯ নম্বর দপ্তরে’ একসময় কাজ করতেন রি জং হো। তিনি বলেন, শীতকালে এই নৌযানগুলো জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রে রাখা হয়। গ্রীষ্ম এলে সেখান থেকে বের করে কিম জং–উনের ভিলা বা কালমার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিম ও তাঁর পরিবারের সাঁতার কাটা ও বিনোদনের কাজে এগুলো ব্যবহার করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-03/4ny75f2q/KimJongUn.avif"><figcaption>উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন</figcaption></figure><p>উত্তর কোরিয়ার শাসকগোষ্ঠীর জন্য বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে ৩৯ নম্বর দপ্তরটি জড়িত বলে ধারণা করা হয়।</p><p>উত্তর কোরিয়ার একনায়কতান্ত্রিক শাসকগোষ্ঠীর কার্যক্রম অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে পরিচালিত হয়। ফলে শাসনব্যবস্থার শীর্ষে থাকা ব্যক্তিদের সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণ করা কঠিন। দেশটির অর্থনীতির প্রকৃত চিত্রও অস্পষ্ট।</p><p>জাতিসংঘ ও বিভিন্ন সংস্থা অনুমানের ভিত্তিতে উত্তর কোরিয়াকে বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করে। দেশটির বাজেটের সিংহভাগই চলে যায় সামরিক খাতে, যার একটি অংশ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা পারমাণবিক কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হয়।</p><p>জাতিসংঘের ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার সিংহভাগ মানুষই চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার। নাগরিকদের জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়ন্ত্রণ করে রাষ্ট্র। অনেককেই বাধ্য করা হয় জোরপূর্বক শ্রমে। দীর্ঘস্থায়ী খাদ্যসংকটের কারণে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষই অপুষ্টিতে ভুগছেন।</p><blockquote>ওয়ানসান মূলত সমুদ্রতীরবর্তী একটি মনোরম অবকাশ যাপনকেন্দ্র। সেখানে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন ও তাঁর পরিবারের ব্যবহারের জন্য রয়েছে বিশাল একটি ভিলা বা প্রাসাদোপম বাড়ি।</blockquote><p>অথচ সাধারণ মানুষের এই অনাহার-অর্ধাহারের বিপরীতে উত্তর কোরিয়ার শাসকেরা দশকের পর দশক ধরে কাটিয়ে আসছেন বিলাসী জীবন।</p><p>কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে যে নৌযানগুলো দেখা গেছে, সেগুলোর দাম জানা যায়নি। তবে একই ধরনের বিলাসবহুল প্রমোদতরির দাম কয়েক কোটি ডলার থেকে ১০ কোটি ডলারের বেশি হতে পারে। এর আগে কিমের তুলনামূলক ছোট, মাত্র ২৯ মিটার দৈর্ঘ্যের প্রিন্সেস প্রমোদতরিটির আনুমানিক দাম ধরা হয়েছিল ৭০ লাখ ডলার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-14/u41ua0tq/kim.jpg"><figcaption>কিম জং উন</figcaption></figure><p>কেবল নৌযানের অবস্থান দেখে কিম বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঠিক কখন কোথায় আছেন, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে একটি বিষয়ে মিল পাওয়া গেছে—যখনই কিম জং–উন দীর্ঘদিন জনসমক্ষের আড়ালে থাকেন, তখনই এই বিলাসবহুল নৌযানগুলোর নড়াচড়া বেড়ে যায়। ফলে এটি স্পষ্ট, সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে তাঁদের এমন কিছু কর্মকাণ্ড চলে, যা রাষ্ট্র কখনোই প্রকাশ করে না।</p><p>জীবনীকার ও গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওয়ানসান শহরটির সঙ্গে কিম পরিবারের নাড়ির টান বহু পুরোনো। কিম জং–উন তাঁর মায়ের সঙ্গে শৈশবের একটা বড় সময় এখানেই কাটিয়েছেন।</p><p>নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত কিম জং–ইলের ভিলার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক দেশত্যাগী ব্যক্তি বলেন, ওয়ানসানের আশপাশের ভিলাগুলোতে শুধু অভিজাতদেরই যাতায়াত ছিল এবং গ্রীষ্মের দিনে তিনি সেখানে অনেক শিশু-কিশোরকে পানিতে স্কি করতে দেখেছেন।</p><p>উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে কিমের অবকাশযাপনের খবর সচরাচর প্রকাশ করা হয় না। বরং তাঁর এসব সফরকে সরকারি কর্মসূচি হিসেবে তুলে ধরা হয়। দেশ ত্যাগ করেছেন, এমন কয়েকজন বিবিসিকে বলেছেন, কিমের পরিবার যে ওয়ানসানে অবকাশযাপন করে, তা তাঁরা জানতেন। উত্তর কোরিয়ার অন্তত কিছু মানুষ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত।</p><p>রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ওয়ানসানে রয়েছে বহুতল হোটেল, রেস্তোরাঁ, দোকান, ক্রীড়াসুবিধা ও জলবিনোদনকেন্দ্র। সেখানে প্রায় ২০ হাজার পর্যটকের থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব।</p><blockquote>অথচ সাধারণ মানুষের এই অনাহার-অর্ধাহারের বিপরীতে দেশটির শাসকেরা দশকের পর দশক ধরে কাটিয়ে আসছেন বিলাসী জীবন।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-02-28/lunpr72r/Untitled-7.jpg"><figcaption>উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন</figcaption></figure><p>২০২৫ সালের জুলাইয়ে চালু হওয়া ওয়ানসান কালমা অবকাশকেন্দ্রে রুশ পর্যটকদের ভ্রমণের ছবি প্রকাশ করেছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম। বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রটি তৈরি করা হলেও স্থানীয় পর্যটকদের জন্যও এটি উন্মুক্ত।</p><p>দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদমাধ্যম নাম প্রকাশ না করা এক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার কিছু স্থানীয় বাসিন্দার জন্য সেখানে চার রাতের একটি ভ্রমণ প্যাকেজের দাম ধরা হয়েছিল প্রায় ১০০ ডলার। তবে এটি দেশটির বেশির ভাগ মানুষের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ।</p><p>জাতিসংঘের হিসাবে, ২০২৪ সালে উত্তর কোরিয়ার মাথাপিছু জিডিপি ছিল প্রায় ৬৬৭ ডলার। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার মাথাপিছু জিডিপি ছিল ৩৬ হাজার ২২৭ ডলার।</p><p>উত্তর কোরিয়ার অধিকাংশ মানুষের কাছে অবকাশযাপন এখনো নাগালের বাইরে। দেশটিতে ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি অবসর কাটানোর সময়ই পায় না।</p><p>দেশ ত্যাগ করা কয়েকজন বিবিসিকে বলেন, আইন অনুযায়ী শ্রমিক, দপ্তরের কর্মী ও সমবায় খামারের কৃষকদের বছরে ১৪ দিনের ছুটি পাওয়ার কথা। তবে বাস্তবে এই নিয়ম খুব মানা হয় না বললেই চলে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/asia/%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%9C%E0%A6%82%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8">কিম জংয়ের অজানা জীবন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-01/6dbb23ea-eaf4-4ed3-8e6e-5caf6648d7f6/NKOREA_DIPLOMACY_POLITICS.webp"><figcaption>কিম জং-উন</figcaption></figure><p>দেশটিতে টানা কয়েক দিন ছুটি নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাওয়া একপ্রকার অসম্ভব ও অস্বাভাবিক ঘটনা। বড়জোর মানুষ সাপ্তাহিক ছুটি বা জাতীয় দিবসের দিনগুলোতে একটু আশপাশে যাওয়ার সুযোগ পান।</p><p>তবে ছুটি পেলেও ভ্রমণের স্বাধীনতা সীমিত। নিজের শহর বা জেলার বাইরে যেতে সরকারি অনুমতি নিতে হয়। তাই অবাধে চলাচল করতে পারাটাও অনেকের কাছে ছুটি কাটানোর মতোই বিলাসিতা।</p><p>বিবিসি ওয়ানসানের আশপাশে চারটি বড় নৌযান শনাক্ত করেছে। এগুলোর দৈর্ঘ্য আনুমানিক ৫০, ৫৫, ৬০ ও ৮০ মিটার। চলতি বছর চারটি নৌযানকেই বারবার কিমের ওয়ানসানের ভিলার আশপাশে দেখা গেছে।</p><blockquote>উত্তর কোরিয়ার অধিকাংশ মানুষের কাছে অবকাশ যাপন এখনো নাগালের বাইরে। দেশটিতে ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি অবসর কাটানোর সময়ই পায় না।</blockquote><p>এর মধ্যে বড় নৌযানটির গতিবিধি ছিল সবচেয়ে স্পষ্ট, যা জুলাই থেকে কালমা উপদ্বীপের জলসীমায় নোঙর করে আছে।</p><p>৫০ ও ৫৫ মিটার দৈর্ঘ্যের অন্য দুটি নৌযানকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত ওয়ানসানের কাছাকাছি তে ও সিন দ্বীপের আশপাশে বারবার দেখা গেছে। কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের নৌযানটির পাশে চারটি ছোট নৌকাও দেখা গেছে।</p><p>কৃত্রিম উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষক জং সঙ–হাক বলেন, ছোট নৌকাগুলো বড় নৌযানে মানুষ, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছে দেয়। তাঁর মতে, তে ও সিনের মতো ছোট দ্বীপগুলো লোকচক্ষুর আড়ালে ব্যক্তিগত অবকাশযাপনের সুযোগ করে দেয়, যেখানে গোপনীয়তা বজায় রাখা সম্ভব।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/asia/maake-niyye-kim-jnyyer-niirbtaa-rhsy-kii">মাকে নিয়ে কিম জংয়ের নীরবতা, রহস্য কী</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2017/10/05/d0b653b696d68e4bcd6e0f5cb3809457-59d59d359724c.jpg"><figcaption>উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন</figcaption></figure><p>৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের নৌযানটিকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত কিমের ওয়ানসানের ভিলার কাছে বারবার দেখা গেছে।</p><p>উত্তর কোরিয়া কখনো এসব নৌযানের মালিকানা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। তবে কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে অতীতে তোলা ছবি বিশ্লেষণ করে বিবিসি দেখেছে, ২০০২ সালে ওয়ানসানে একই ধরনের একটি বড় নৌযান ছিল। সে সময় দেশটির ক্ষমতায় ছিলেন কিম জং–ইল।</p><p>সাবেক মার্কিন বাস্কেটবল তারকা ডেনিস রডম্যান ২০১৩ সালে উত্তর কোরিয়া সফর করেছিলেন। সে সময় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানকে তিনি বলেছিলেন, সাত দিনের সফরের বেশির ভাগ সময় কিম জং–উনের সঙ্গে ওয়ানসানে কাটিয়েছেন। সেখানে তাঁরা জেট স্কি চালিয়েছেন এবং ঘোড়ায় চড়েছেন।</p><p>রডম্যান আরও বলেছিলেন, তাঁরা ৬০ মিটার দীর্ঘ একটি নৌযান ব্যবহার করেছিলেন, যা দেখতে অনেকটা ফেরি ও ডিজনিল্যান্ডের ক্রুজের সংমিশ্রণ। তবে এটি সম্প্রতি কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে নজরে আসা ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের নৌযানটিই কি না, তা নিশ্চিত নয়।</p><p>উত্তর কোরিয়ার অধিকাংশ মানুষের কাছে কিম পরিবার ও তাঁদের সমর্থকদের জীবনযাপন শুধু বিলাসী নয়, কল্পনাতীতও মনে হতে পারে। কারণ, রাষ্ট্রীয় প্রচারে সর্বোচ্চ নেতাকে এমন একজন আত্মত্যাগী মানুষ হিসেবে তুলে ধরা হয়, যিনি সব সময় নিজের আগে দেশের কথা ভাবেন।</p><p>রি জং হো বলেন, ‘কিম জং–উনকে জনগণের নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়। অথচ সাধারণ মানুষ যেখানে দিনে এক বেলা খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন, সেখানে তাঁর চারটি বিলাসবহুল নৌযান রয়েছে।’</p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
হাল ফ্যাশন শারদীয় ভোজ: নিরামিষ দিয়েই তাক লাগাতে মেনুতে রাখুন চাপড়ঘণ্ট
হাল ফ্যাশন শারদীয় ভোজ: নিরামিষ দিয়েই তাক লাগাতে মেনুতে রাখুন চাপড়ঘণ্ট

<p>শারদীয় ভোজে নানা সবজির সঙ্গে ছোলার ডালের বড়া মিশিয়ে তৈরি চাপড়ঘণ্টে জমে উঠুক উৎসবের খাওয়াদাওয়া। ঐতিহ্যবাহী এই পদের রেসিপি ও ছবি দিয়েছেন <strong>পারভীন আলী</strong>।</p><h3>উপকরণ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/2udexksw/WhatsApp-Image-2026-10-17-at-15.22.55.jpeg"></figure><p>ছোলার ডাল ৩০০ গ্রাম<br>পটল ৩০০ গ্রাম<br>পেঁপে ৩০০ গ্রাম<br>ঝিঙে ৪০০ গ্রাম<br>বেগুন ৩০০ গ্রাম<br>মিষ্টিকুমড়া ৪০০ গ্রাম<br>আলু ৪টি মাঝারি আকারের<br>কাঁচা মরিচ ৫–৬টি<br>শুকনা মরিচ ৪টি<br>পাঁচফোড়ন ১ চা-চামচ<br>হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ<br>মরিচগুঁড়া ১ টেবিল চামচ<br>ঘি ১ কাপ<br>শর্ষের তেল আধা কাপ<br>আদাবাটা ১ চাচামচ<br>কাঁচা মরিচবাটা ১ চা–চামচ<br>তেজপাতা ২টি<br>চিনি আধা চা–চামচ<br>লবণ স্বাদমতো </p><h3>প্রণালি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/077lnjh2/WhatsApp-Image-2026-10-17-at-15.22.56.jpeg"></figure><p>প্রথমে ছোলার ডাল ভালো করে ধুয়ে পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর মিহি করে বেটে নিতে হবে। বেটে রাখা ছোলার ডালে লবণ, হলুদগুঁড়া ও মরিচগুঁড়া দিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এবার ফ্রাইপ্যানে শর্ষের তেল দিয়ে হালকা গরম হলে বড়ার আকারে ভেজে তুলে রাখতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/ijygpmf2/WhatsApp-Image-2026-10-17-at-15.22.56-1.jpeg"></figure><p>সবজিগুলো কিউব আকারে কেটে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।</p><p>এরপর অন্য একটি কড়াইয়ে ঘি দিয়ে তেজপাতা, শুকনা মরিচ ও পাঁচফোড়ন দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। প্রথমে আলু, পটোল ও পেঁপে দিয়ে দুই মিনিট ভেজে নিতে হবে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/5fq9miof/WhatsApp-Image-2026-10-17-at-15.22.56-2.jpeg"></figure><p>এরপর মিষ্টিকুমড়া, বেগুন ও ঝিঙে দিতে হবে। সব সবজি একসঙ্গে তিন–চার মিনিট ভেজে তাতে আদাবাটা, কাঁচা মরিচবাটা, হলুদগুঁড়া, মরিচগুঁড়া ও লবণ দিয়ে কষাতে হবে।</p><p>কিছুক্ষণ কষিয়ে ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে দুই মিনিট রান্না করতে হবে। সবজি থেকে পানি বের হলে ছোলার ডালের বড়াগুলো দিয়ে আবার ঢেকে দিতে হবে। এক মিনিট পর ঢাকনা খুলে গরমমসলার গুঁড়া, কাঁচা মরিচ ও চিনি দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। মাখা মাখা হয়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-19/5hrvekb3/WhatsApp-Image-2026-10-17-at-15.22.57.jpeg"></figure><p><br>এভাবেই তৈরি হয়ে যাবে সবজি ও ছোলার ডালের বড়া দিয়ে চাপড়ঘণ্ট, যা গরম ভাতের সঙ্গে খেতে দারুণ। </p>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট!
রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট!

২০২৬ সালে টানা ৭২ ঘণ্টা একটি গাছকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে

অক্টোবর ২০, ২০২৬
অতিশীতল পানিতে টোকা দিলেই বরফ জমে যায় কেন
অতিশীতল পানিতে টোকা দিলেই বরফ জমে যায় কেন

<a href="https://www.bigganchinta.com/physics/84fncsjdxn" target="_blank" rel=""><span>আগের পর্ব</span></a><p>এবার ফিরে আসা যাক সেই বোতলের ঘটনায়। ফ্রিজার থেকে বের করা পানির বোতলটি স্বচ্ছ ও তরল। কিন্তু টেবিলে টোকা দিতেই বরফ জমতে শুরু করে। অথচ বোতলের গায়ে থাকা পৃষ্ঠ বা পানির ভেতরে থাকা কণাগুলো তো আগেও ছিল। তাহলে একটি টোকা কীভাবে এত বড় পরিবর্তন ঘটায়? বিজ্ঞানীরা এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। ১৯০৬ সালে বার্নস দেখান, প্রবল আলোড়নের ফলে পাতিত পানি তুলনামূলক বেশি তাপমাত্রায় জমে যেতে পারে। তাঁর পরীক্ষায় পানির তাপমাত্রা ছিল প্রায় ২৬৯ থেকে ২৭০ কেলভিন, অর্থাৎ মাইনাস ৪ থেকে মাইনাস ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।</p><p>১৯১৩ সালে ইয়ং ও ভ্যান সিকলেন পানির ট্যাংকে ডোবানো একটি নেহাইয়ের ওপর হাতুড়ি ফেলে অতিশীতল পানিকে জমিয়ে দেন। ১৯৪৮ সালে ডরসি দেখান, অতিশীতল পানি একটি নলের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঢাললেও সব সময় জমে যায় না। তবে প্রবল ঝাঁকুনিতে পানি জমার আগে প্রায় ২ ডিগ্রি পর্যন্ত উষ্ণ হতে পারে। পানি ঝাঁকালে কেন জমে যায়, তার ব্যাখ্যা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা হয়েছে। একটি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আকস্মিক ধাক্কায় পানির মধ্যে খুব অল্প সময়ের জন্য চাপের পরিবর্তন ঘটতে পারে। কোনো তরলকে শুধু চাপ দিলেই হয় না, বিশেষ পরিস্থিতিতে তাকে টানার মতো অবস্থাও তৈরি হতে পারে। পানির প্রসারণের ফলে স্থানীয়ভাবে ঋণাত্মক চাপ তৈরি হলে বরফ তৈরির প্রক্রিয়া সহজ হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/31lwgtpelk">পানি হিমাঙ্কের নিচেও তরল থাকে কীভাবে</a></aside><blockquote>১৯৪৮ সালে ডরসি দেখান, অতিশীতল পানি একটি নলের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঢাললেও সব সময় জমে যায় না। তবে প্রবল ঝাঁকুনিতে পানি জমার আগে প্রায় ২ ডিগ্রি পর্যন্ত উষ্ণ হতে পারে।</blockquote><p>ক্লডিয়া মারকোলির একটি মডেলে দেখানো হয়েছে, প্রায় ২৬২ কেলভিন বা মাইনাস ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বরফ তৈরির প্রক্রিয়া প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ঋণাত্মক চাপ প্রায় ১৮৯ মেগাপ্যাসকেল, যা বায়ুমণ্ডলীয় চাপের প্রায় ১ হাজার ৯০০ গুণ। বোতলে টোকা দিলে এমন চাপ তৈরি হওয়ার বিষয়টি ক্ষণস্থায়ী ও স্থানীয় হতে পারে। তবে ঝাঁকালে পানি জমে যাওয়ার সব ঘটনাকে শুধু এই ব্যাখ্যা দিয়ে বোঝানো যায় না। ধাক্কা বা আলোড়ন বরফ তৈরির সূচনা ঘটাতে পারে অন্যভাবেও। পাত্রের দেওয়ালে থাকা ক্ষুদ্র আঁচড়, পানির মধ্যে থাকা কণা কিংবা আগে থেকেই থাকা ক্ষুদ্র বরফের স্ফটিক এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। একবার স্থিতিশীল বরফের স্ফটিক তৈরি হয়ে গেলে তার চারপাশে আরও পানির অণু যুক্ত হতে থাকে। ফলে বরফ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।</p><h4>সূত্র: সায়েন্স এবিসি</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/physics/dghw2208z7">০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেই পানি জমে যায় না কেন</a></aside>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
চাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেন
চাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেন

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/o5bkkqsm/Untitled-1-075.jpg"></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/9o3lzd67p4">আপত্তিকারী</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/kdnfiunl2l">চাঁদাবাজের বর্ণ পরিচয়</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/mrplq2ed70">ইলিশ আছে, ইলিশ হ্যাজ!</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/1b2pl7u0b9">ভদ্র ছেলেরা কখনো হাফপ্যান্ট পরে বাইরে যায়?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/hiksaptred">গ্যাঞ্জাম of সায়েন্সল্যাব</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/2bbl7jm57n">ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে ফুলহাতা শার্ট পরা ছাড়া আর কী কী করা যেতে পারে?</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/816oy38o23">আহসান হাবীবের প্রিয় ৪ কৌতুক</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/fun/89xajbzhk6">সেকালের বিজ্ঞাপন একালে</a></aside>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
যৌনপল্লিতে বেড়ে ওঠা রতন দলুই এখন শিশুদের স্বপ্ন গড়ার কারিগর
যৌনপল্লিতে বেড়ে ওঠা রতন দলুই এখন শিশুদের স্বপ্ন গড়ার কারিগর

<p>কলকাতার সোনাগাছি যৌনপল্লির গলি আর ঘুপচি ঘর থেকে রতন দলুইয়ের জীবন শুরু। এখন তাঁর মাধ্যমে বদলে যাচ্ছে পল্লির অনেক শিশুর ভবিষ্যৎ। দেখুন ভিডিওতে…</p><figure></figure>

অক্টোবর ২০, ২০২৬
মুঠোফোনের বাক্স থেকে চার্জার বাদ দিল অনেক ফোন নির্মাতা, কেন
মুঠোফোনের বাক্স থেকে চার্জার বাদ দিল অনেক ফোন নির্মাতা, কেন

২০২০ সালে আইফোন ১২ সিরিজের সঙ্গে বক্সে চার্জিং অ্যাডাপ্টার দেওয়া বন্ধ করে অ্যাপল। পরের বছর গ্যালাক্সি এস–২১ সিরিজের ক্ষেত্রে একই সিদ্ধান্ত নেয় স্যামসাং। এরপর আরও কয়েকটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফোনের বাক্স থেকে চার্জার সরিয়ে নেয়।

অক্টোবর ২০, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন