হলিউড

মোমোয়া–জামওয়ালের লড়াই, ঢাকায় আসছে ‘স্ট্রিট ফাইটার’

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
মোমোয়া–জামওয়ালের লড়াই, ঢাকায় আসছে ‘স্ট্রিট ফাইটার’
মোমোয়া–জামওয়ালের লড়াই, ঢাকায় আসছে ‘স্ট্রিট ফাইটার’
ভিডিও গেমের পরিচিত যোদ্ধাদের এমন তারকাবহুল সমাবেশ নিয়ে বড় পর্দায় আসছে ‘স্ট্রিট ফাইটার’। আগামীকাল শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।

Prothomalo

View more
নালার পাশে মিলল এক দিন বয়সী নবজাতক, কান্না শুনে উদ্ধার করেন স্থানীয় লোকজন
নালার পাশে মিলল এক দিন বয়সী নবজাতক, কান্না শুনে উদ্ধার করেন স্থানীয় লোকজন

নালার পাশে মাটিতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখেন এক ব্যক্তি। শিশুটির কান্না শুনে তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী
প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী

পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুক্রবার
ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুক্রবার

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠার পর পদত্যাগ করেন ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
মোমোয়া–জামওয়ালের লড়াই, ঢাকায় আসছে ‘স্ট্রিট ফাইটার’
মোমোয়া–জামওয়ালের লড়াই, ঢাকায় আসছে ‘স্ট্রিট ফাইটার’

ভিডিও গেমের পরিচিত যোদ্ধাদের এমন তারকাবহুল সমাবেশ নিয়ে বড় পর্দায় আসছে ‘স্ট্রিট ফাইটার’। আগামীকাল শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
জামায়াত নেতার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, এবি পার্টির নেতাকে অব্যাহতি
জামায়াত নেতার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, এবি পার্টির নেতাকে অব্যাহতি

<p>কুমিল্লায় জামায়াতে ইসলামীর মহানগর কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের সময় দলটির এক নেতার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে এবি পার্টির স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। তাঁকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে এবি পার্টি। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
মোটরসাইকেলে এসে সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা
মোটরসাইকেলে এসে সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা

<p>নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ১৫ অক্টোবর রাত সোয়া আটটার দিকে কলমাকান্দা পৌরসভার তেলনজিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
খাদ্যনিরাপত্তায় নতুন পথ দেখাচ্ছে ইউএইচটি প্রযুক্তি
খাদ্যনিরাপত্তায় নতুন পথ দেখাচ্ছে ইউএইচটি প্রযুক্তি

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-15/hhdfwzjj/7.jpeg"></figure><p>বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, উৎপাদিত খাবার নিরাপদ ও পুষ্টিকর অবস্থায় মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং খাবারের অপচয় রোধ করা। এ কারণে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সরবরাহে নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ব্যবহার দিন দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য, ‘Innovate today. Nourish tomorrow.’ আমাদের আজকের উদ্ভাবনই গড়ে দিতে পারে আগামী দিনের নিরাপদ, পুষ্টিকর ও টেকসই খাদ্যব্যবস্থা।</p><p>আমাদের দেশে পুষ্টিকর খাদ্যের একটি প্রচলিত ও বড় উৎস হচ্ছে দুধ। কিন্তু প্রোটিন, ক্যালসিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের এই উৎস দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি খামার থেকে দুধ সংগ্রহের পর পরিচ্ছন্নতা, সংরক্ষণ, পরিবহন ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো দুধের গুণমানের ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে দুধের পুষ্টিমান ও কোয়ালিটি ধরে রাখতে উৎপাদন থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াতেই সতর্ক দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।</p><p>তাই এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুধ সংরক্ষণে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তিগুলোর একটি হলো আলট্রা-হাই টেম্পারেচার বা ইউএইচটি প্রক্রিয়া। এতে দুধকে অন্তত ১৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য গরম করে দ্রুত ঠান্ডা করা হয়। এর মাধ্যমে দুধকে জীবাণুমুক্ত করা যায় এবং দুধকে দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের উপযোগী করা সম্ভব হয়।</p><p>ইউএইচটি মিল্ক সাধারণত রেফ্রিজারেশন ছাড়াই রাখা যায়। ফলে দুধ পরিবহন ও সরবরাহে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের সুযোগ থাকায় খাদ্য অপচয় কমাতেও এটি সহায়ক।</p><p>আগামী দিনের খাদ্যব্যবস্থার জন্য তাই শুধু বেশি উৎপাদন নয়, উৎপাদিত খাদ্যের গুণগত মান ও পুষ্টি ধরে রাখার সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। আজকের প্রচেষ্টা ও উদ্ভাবন সেই পথকে আরও শক্তিশালী করছে, যা আগামী দিনে দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে নিরাপদ ও সুষম খাদ্যব্যবস্থা।</p>

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
একে একে বিজ্ঞানচিন্তার এক দশক
একে একে বিজ্ঞানচিন্তার এক দশক

<p>কৌতূহল থেকে প্রশ্ন, প্রশ্ন থেকে অনুসন্ধান—বিজ্ঞানের পথে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়ার এই যাত্রায় ১০ বছর পূর্ণ করল বিজ্ঞানবিষয়ক জনপ্রিয় ম্যাগাজিন বিজ্ঞানচিন্তা। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
‘লোকজন হঠাৎ কিলঘুষি দেওয়া শুরু করে, কোনোরকমে প্রাণে বেঁচেছি’
‘লোকজন হঠাৎ কিলঘুষি দেওয়া শুরু করে, কোনোরকমে প্রাণে বেঁচেছি’

<p>চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় দখল হয়ে যাওয়া সরকারি বনভূমি উদ্ধারে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার অ্যাভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্ক–সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহরাজ উদ্দীনসহ বন বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে বন বিভাগ।</p><p>বন বিভাগের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় দখলকারীরা বাধা দেন। পরে স্থানীয় কয়েকজনের নেতৃত্বে ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি দল বনকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের অনেকের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। অভিযানে তিনটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে প্রায় পাঁচ একর সরকারি বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।</p><p>বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আজ কোদালা বিটের অ্যাভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্কের গাড়ি রাখার জায়গার পাশে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। সেখানে সরকারি বনভূমিতে অবৈধভাবে নির্মিত দুটি ঘর ও ঘেরাবেড়া উচ্ছেদ করেন বনকর্মীরা। এরপর পার্কের বনভোজনের জন্য নির্ধারিত জায়গায় নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদে যান তাঁরা। সেখানে একটি ঘর ভেঙে দেওয়ার পর দখলকারীরা বাধা দেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সাময়িকভাবে অভিযান বন্ধ রাখা হয়।</p><p>রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহরাজ উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বেদখল হওয়া বনভূমি উদ্ধার করতে আজ অভিযানে যাই। খবর পেয়ে দুই থেকে আড়াই শ লোক জড়ো হন। তাঁরা কোনো কথা শুনতে রাজি হননি। মারধর শুরু করেছেন। লোকজন এসে কিলঘুষি দেওয়া শুরু করেন। পরে কোনোভাবে প্রাণে বেঁচে এসেছি।’</p><p>মেহরাজ উদ্দীনের অভিযোগ, হামলায় যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের কয়েকজনকে চিহ্নিত করেছেন তাঁরা। মামলা করার প্রস্তুতিও চলছে। চিহ্নিত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই বনভূমি দখল, পাহাড় কাটা ও গাছ কাটাসংক্রান্ত মামলা রয়েছে।</p><p>তবে ঘটনার ভিন্ন বিবরণ দিয়েছেন রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর হামলার কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই। তিনি যতটুকু শুনেছেন, অ্যাভিয়ারি অ্যান্ড ইকোপার্ক সম্প্রতি ১৩ জন ব্যক্তি ইজারা নিয়েছেন। ইজারাদারদের ভাষ্য অনুযায়ী, পার্কের আওতাধীন কিছু জায়গায় স্থানীয় লোকজন ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন। আজ বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ইজারাদারেরা সেখানে গিয়ে কয়েকটি ঘর ভেঙেছেন। এ সময় এক নারীকে মারধরের অভিযোগও রয়েছে। পরে এলাকার লোকজন তাঁদের ধাওয়া দেন এবং সড়কে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন।</p><p>ওসি আরও বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, উচ্ছেদের আগে তাঁদের কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। অভিযানের বিষয়ে পুলিশকেও অবহিত করা হয়নি। ঘরবাড়ি থেকে লোকজনকে বের করে দেওয়ার সময় এক নারীর মাথায় আঘাত লাগার এবং আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর তিনি শুনেছেন। তবে এসব বিষয়ে তাঁর কাছে নিশ্চিত তথ্য নেই।</p><p>ওসি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা চিকিৎসা নিয়ে থানায় অভিযোগ করতে আসতে পারেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেননি। কোনো এজাহারও পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>ওসির বক্তব্যের বিষয়ে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘অভিযান পরিচালনা করা ভূমিতে নতুন ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। সাধারণত নতুন ঘরে অভিযান চালানোর কাজ বন বিভাগের কর্মীরাই করেন। অভিযানে গিয়ে কাউকে মারধর করা হয়নি। কাউকে আঘাত করা হয়নি। উল্টো বন বিভাগের কর্মকর্তাকে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’</p><p><strong>বারবার হামলার শিকার বনকর্মীরা</strong></p><p>রাঙ্গুনিয়ায় বনভূমি উদ্ধার করতে গিয়ে বনকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বনভূমি দখলমুক্ত করতে গিয়ে হামলা, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার হয়েছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এমনকি বনকর্মীদের কার্যালয়ে আটকে রেখে গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।</p><p>বন বিভাগের হিসাবে উপজেলায় এখনো প্রায় দুই হাজার একর বনভূমি বেদখলে রয়েছে। কোদালা, নারিশ্চা, চিরিঙ্গা, পোমরা ও নিশ্চিন্তপুর বন বিটের বিভিন্ন এলাকায় বনভূমি দখল করে বসতি স্থাপন এবং পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।</p><p>এর আগে ২০২৫ সালের ৭ মার্চ রাতে ৪০ থেকে ৪৫ জন অস্ত্রধারী কোদালা বিটের কর্মকর্তা খোন্দকার মাহাবুবুর রহমান ও তাঁর সহকর্মীদের কার্যালয়ে আটকে রাখেন বলে থানায় করা একটি সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী বাইরে থেকে তালা দিয়ে তাঁদের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়। ওই সময় চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের দক্ষিণ জঙ্গল নিশ্চিন্তপুর এলাকার সেগুনবাগান থেকে ২৪টি সেগুনগাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়।</p><p>বন বিভাগ সূত্র জানায়, দখলকারীদের প্রতিরোধ করতে গত দেড় বছরে বিভিন্ন অভিযানে বনকর্মীদের প্রায় ৩০টি গুলি ছুড়তে হয়েছে। দখলকারীদের পক্ষ থেকেও পাল্টা গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে।</p><p>চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে হুমকি ও হামলার চেষ্টার ঘটনায় রাঙ্গুনিয়া থানায় অন্তত ১০টি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। এসব ঘটনায় বনভূমি থেকে অবৈধ বসতি উচ্ছেদ কিংবা গাছ কাটা বন্ধ করতে গেলে দলবদ্ধভাবে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।</p><p>বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, রাঙ্গুনিয়ায় বনভূমি দখল ও পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অনেকের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। দখলমুক্ত করার পরও একই জায়গায় নতুন করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা চলে। অভিযানে গেলে লোকজন জড়ো করে বাধা দেওয়া হয়। ফলে অল্পসংখ্যক বনকর্মীর পক্ষে বনভূমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন