ভারতে পা দিয়ে ফুটবল ভুলে ক্রিকেটে মজেছে উরুগুয়ে

ফুটবলের দেশ উরুগুয়ে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সফল দলও তারা। কিন্তু ভারতের মাটিতে পা রাখতেই যেন কিছুক্ষণের জন্য ভুলে গেল ফুটবল। ব্যাট-বল হাতে ক্রিকেটেই মেতে উঠলেন উরুগুয়ের তারকা ফুটবলাররা।

সারা দেশ

View more
বাংলাদেশি পণ্য ও দক্ষ জনশক্তি নিতে আলজেরিয়ার প্রতি আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
বাংলাদেশি পণ্য ও দক্ষ জনশক্তি নিতে আলজেরিয়ার প্রতি আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করার সুযোগ রয়েছে। আলজেরিয়া বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক ও ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য আমদানি বাড়াতে পারে।”

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

চকরিয়ায় মোটরসাইকেলের চাকায় ১৭ হাজার ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১
চকরিয়ায় মোটরসাইকেলের চাকায় ১৭ হাজার ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১

কক্সবাজারের চকরিয়ায় অস্থায়ী চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেলের চাকার ভেতর থেকে ১৭ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

পাবনায় মাদকাসক্ত যুবককে কুপিয়ে হত্যা
পাবনায় মাদকাসক্ত যুবককে কুপিয়ে হত্যা

পাবনার সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নে সুমন হোসেন (৩২) নামে এক মাদকাসক্ত যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও খুঁচিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

পত্রিকা:‌ ''অপারেশন ক্লিন হার্টের' আদলে অভিযানের চিন্তা'
সারা দেশ

পত্রিকা:‌ ''অপারেশন ক্লিন হার্টের' আদলে অভিযানের চিন্তা'

News সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ 0

Rss feed news

জাকার্তায় শুরু হলো অ্যাসোসিওর সম্মেলন
জাকার্তায় শুরু হলো অ্যাসোসিওর সম্মেলন

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সম্মেলন ‘অ্যাসোসিও ডিজিটাল অ্যান্ড এআই সামিট ২০২৬’ শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলায় গ্রেপ্তার বিকাশ তিন দিনের রিমান্ডে
নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলায় গ্রেপ্তার বিকাশ তিন দিনের রিমান্ডে

বিকাশ চন্দ্র সরকারকে গতকাল রোববার রাতে মাগুরা থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ নিয়ে এই মামলায় মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
শাটডাউনে ভেঙে পড়েছে চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম 
শাটডাউনে ভেঙে পড়েছে চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম 

<p>২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের মুখে ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি নতুন উপাচার্য। সংকট সমাধানে আলোচনার উদ্যোগ নেই।</p><p>চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয়টি বিভাগে পরীক্ষা চলছিল। এখন সব বন্ধ। শ্রেণিকক্ষেও পাঠদান নেই। টানা ১৩ দিনের শাটডাউনে পিছিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাপঞ্জি। তবে সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি থেকে সরতে রাজি নন শিক্ষার্থীরা।</p><p>সংকট কাটাতে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন শিক্ষকেরা। উপাচার্যকে ফিরিয়ে আনার দাবির পক্ষে যুক্তিও তুলে ধরেছেন। তবু সমাধানের বিষয়ে এখনো আলোচনার কোনো উদ্যোগ নেই।</p><p>শিক্ষার্থীদের শাটডাউনের পাশাপাশি একই দাবিতে গতকাল রোববারও বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা–কর্মচারীরা। গত শনিবার ছুটির দিনেও বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা। কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া শাটডাউনের ত্রয়োদশ দিনেও শিক্ষা কার্যক্রমে ফেরার সময় নির্ধারিত হয়নি। ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম।</p><p>১৯৬৮ সালে প্রকৌশল কলেজ হিসেবে চুয়েটের যাত্রা শুরু। পরে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা বিআইটি হয়। ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ১৮টি বিভাগে ৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়ছেন। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে বিরোধের প্রভাব এখন তাঁদের পড়াশোনা ও পরীক্ষার সূচিতে পড়ছে।</p><p>জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, অতীতেও সংকটের পর বাড়তি ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া হয়েছে। ১৯৯৬ ও ১৯৯৭ সালের দুটি ব্যাচের শিক্ষা কার্যক্রম একসঙ্গে চালানো হয়েছিল। করোনার সময়ও শুক্র–শনিবার ক্লাস নেওয়া হয়েছে।</p><p>অধ্যাপক আহসান উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের আশা ছিল, ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বছরই পাস করে বের হবেন। কিন্তু চলমান সংকটের কারণে তাঁদের পাস করতে আগামী বছরের মার্চ–এপ্রিল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা সচেষ্ট আছি।’</p><p><strong>বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ</strong></p><p>পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাফিস হাসান গতকাল <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, ক্লাস–পরীক্ষা বন্ধ থাকায় প্রতিদিন তাঁদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। সামনে শিক্ষাবর্ষ পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও আছে। তবু শুধু শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার জন্য উপাচার্য পুনর্বহালের দাবি পাশ কাটিয়ে যাওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাঁরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চান।</p><p>পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, ছয়টি বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে। তবে শিক্ষাপঞ্জির এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। প্রতিটি ব্যাচের চূড়ান্ত পরীক্ষার পর কিছুদিন ছুটি থাকে। ওই ছুটির সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে পিছিয়ে পড়া কাজ পুষিয়ে নেওয়া যাবে।</p><aside><cite>অধ্যাপক আবুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক, শিক্ষক সমিতি, চুয়েট</cite>অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবির কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে। আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে। </aside><p><strong>আকস্মিক পরিবর্তন কেন</strong></p><p>গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান বিশ্ববিদ্যালয়টির যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। পরদিন দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব পালনের ৫৬ দিনের মাথায় ২১ সেপ্টেম্বর তাঁকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়।</p><p>ওই রাতেই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে উপাচার্য ভবনে তালা দেন। পরদিন প্রধান ফটক আটকে শুরু করেন সর্বাত্মক শাটডাউন। পরে শিক্ষক সমিতিও অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানায়। একই দাবিতে কর্মবিরতিতে যান শিক্ষক, কর্মকর্তা–কর্মচারীরাও।</p><p>শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ক্ষোভের কয়েকটি কারণ জানা গেছে। তাঁদের মতে, অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের সুবাদে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও চাকরির সুযোগ পেয়েছেন। উপাচার্য হওয়ার পরও তাঁদের সমস্যা শুনেছেন এবং কয়েকটি উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁকে কাজ করার আরও সময় দেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তাঁরা।</p><p>শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আবুল হাসান <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, অল্প সময় কাজের সুযোগ দিয়ে হঠাৎ অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরানো তাঁদের কাছে অপমানজনক মনে হয়েছে। তাঁর কার্যক্রম ভালো ছিল বলে তাঁরা পুনর্বহালের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।</p><p>উপাচার্য পরিবর্তনের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল বলে মনে করছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনেকেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁরা বলেন, একজন প্রতিমন্ত্রী তাঁর পছন্দের কাউকে চুয়েটের উপাচার্য করতে চেয়েছিলেন বলে তাঁরা শুনেছেন। শুরুতে তা সম্ভব হয়নি। ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গেও অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বলে তাঁদের ভাষ্য। তবে এসবের সঙ্গে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের যোগসূত্র নিশ্চিত করা যায়নি।</p><p>চলমান আন্দোলনে তাঁর কোনো ইন্ধন নেই বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। <em>প্রথম আলো</em>কে তিনি বলেন, শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী কাউকেই আন্দোলন বা কর্মসূচিতে যুক্ত হতে বলেননি। তিনি শিক্ষকতা উপভোগ করেন এবং তরুণ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করে যেতে চান।</p><p>তবে শিক্ষকদের একটি অংশ চলমান আন্দোলন ও শিক্ষক সমিতির কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন না। তাঁদের একজন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আরাফাত রানা <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, ‘সরকার উপাচার্য হিসেবে যাঁকে নিয়োগ দেবে, আমি তাঁর পক্ষে। সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলন সমর্থন করি না। শিক্ষক সমিতির সিদ্ধান্তও যদি সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যায়, আমি তার সঙ্গে একমত নই।’</p><p><strong>নজিরবিহীন বিরোধ</strong></p><p>চুয়েটের উপাচার্যদের তালিকা অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৯ জন শিক্ষক উপাচার্যের দায়িত্ব পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে নিয়োগের সময় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন দুজন। অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম দ্বিতীয়জন।</p><p>প্রথমজন ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক মীর শহিদুল ইসলাম। বিআইটি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পর তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক প্রথম উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৪ সালের ২৫ জুলাই দায়িত্ব নেন অধ্যাপক মীর শহিদুল ইসলাম।</p><p>অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম চুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হলেও নিয়োগের সময় তিনি কুয়েটের শিক্ষক ছিলেন। বাইরে থেকে নিয়োগের বিষয়টিও ক্ষোভের একটি কারণ বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ। তবে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে উপাচার্য নিয়োগে আইনি বাধা নেই।</p><p>আন্দোলন চলাকালে ২৪ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে না এসেই উপাচার্যের দায়িত্ব নেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। এরপর তাঁকে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। শিক্ষকদের ভাষ্য, চুয়েটে নিয়োগের পর কোনো উপাচার্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি কিংবা বিদায়ী উপাচার্যকে ফেরাতে শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে আন্দোলনে নেমেছেন—এমন ঘটনার কথা তাঁরা জানেন না।</p><p>নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, অচলাবস্থা নিরসনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। শিক্ষক সমিতি, জ্যেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করছেন। তিনি জানান, অনলাইনে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বেতন-ভাতা ছাড়ের চেষ্টা এবং পড়াশোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ডিন ও বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে। মন্ত্রণালয় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার পরামর্শ দিয়েছে।</p><p><strong>সমাধানে নতুন পদক্ষেপ নেই</strong></p><p>সংকট নিরসনে শিক্ষকদের সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ হচ্ছে। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। একাধিক শিক্ষক জানান, বিভাগীয় কমিশনার ও প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান এসেছিল। তাঁরা সাড়া দেননি।</p><p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছিল। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দাবি একই হলেও শিক্ষার্থীরা আলাদাভাবে আন্দোলন করছেন। তাই তাঁদের আন্দোলন স্থগিতের শর্ত মেনে বৈঠকে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, আলোচনায় সমাধান এলে আন্দোলন থেমে যাবে।</p><p>শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল হাসান বলেন, ‘আমরা সরকারের উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করেছি। অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবির কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে। আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে।’</p><p>সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র <em>প্রথম আলো</em>কে জানিয়েছে, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে এখনো দৃশ্যমান নতুন কোনো উদ্যোগ বা পদক্ষেপ নেই। পরিস্থিতি আগের মতোই রয়েছে।</p>

অক্টোবর ৫, ২০২৬
নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার কারণ কী, কারা অংশ নেন
নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার কারণ কী, কারা অংশ নেন

সম্প্রতি রাজধানীর ইসিবি চত্বরে ঘটে যাওয়া হামলার পরে এর নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধান করে প্রথম আলো

অক্টোবর ৫, ২০২৬
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা
দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা

২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি রয়েছে। পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি। এরপর ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ জন
ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ জন

<p>ডেঙ্গুতে মৃত্যু বাড়ছেই, কমছে না সংক্রমণও। দেশে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ গতকাল রোববার সকাল থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নয়জন মারা গেছেন। চলতি বছর একদিনে এটাই সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছিল। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯০২ জন।</p><p> আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।</p><p> স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত ২৭১ জন মারা গেছেন। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৬০ জন।</p><p>গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় তিনজন, বরিশাল বিভাগে দুজন এবং চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও চারজন নারী।</p><p>গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণ এবং মৃত্যুর রেকর্ড হয়। ওই মাসে ডেঙ্গুতে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয় আর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন। আগের আট মাসে এত মৃত্যু এবং এত সংক্রমণ হয়নি।</p>

অক্টোবর ৫, ২০২৬
প্রান্তিক অবস্থান থেকে মূলধারায় ইংরেজি
প্রান্তিক অবস্থান থেকে মূলধারায় ইংরেজি

ইউল্যাব ও টেসল-বিডি আয়োজিত একটি মাইলফলক আন্তর্জাতিক সম্মেলন প্রাতিষ্ঠানিক ইংরেজি শিক্ষা এবং বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল পেশাগত পেক্ষাপটের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান নিয়ে কাজ করছে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
না পারলে বলেন পারছি না, সরকারের উদ্দেশে গোলাম পরওয়ার
না পারলে বলেন পারছি না, সরকারের উদ্দেশে গোলাম পরওয়ার

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘ওনারা বলেন যে কেবল ছয় মাস হলো লংমার্চের দরকারটা কী?

অক্টোবর ৫, ২০২৬
বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে আরও নয় জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ জন
বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে আরও নয় জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯০২ জন

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও কমপক্ষে নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ২৭১ জনে দাঁড়াল। অন্যদিকে দেশজুড়ে বিক্ষোভের মুখে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেড্রো সানচেজ। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

অক্টোবর ৫, ২০২৬
আইএমএফ-এর বিষয়ে সরকার আসলে কী করতে যাচ্ছে, আপত্তি কোন শর্তে
আইএমএফ-এর বিষয়ে সরকার আসলে কী করতে যাচ্ছে, আপত্তি কোন শর্তে

ঢাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য বাংলাদেশের দিক থেকে গত জুনে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সেটি পেতে হলে আইএমএফ- এর চারটি শর্ত বাংলাদেশকে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংস্কারে দৃঢ়তা দেখাতে হবে। যদিও এ বছর বাজেটেই বলা হয়েছে, সরকার প্রথম দুই বছরে বড় কোনো সংস্কারে যেতে চায় না। ফলে আইএমএফ নিয়ে আসলে কী হতে যাচ্ছে?

অক্টোবর ৫, ২০২৬
'বারবার প্রশ্ন করছিল, আমার সাথে কেউ নেই? আমি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত?'
'বারবার প্রশ্ন করছিল, আমার সাথে কেউ নেই? আমি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত?'

সম্প্রতি প্রাপ্তবয়স্ক তিনজন নারী বাংলাদেশ থেকে নেপালে যাওয়ার জন্য ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন অফিসারদের নানা ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হন, হয়রানির শিকার হন বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু শুধু বিমানবন্দরেই নয়, দেশের ভেতরেও একা কিংবা নারীরা কয়েকজনে মিলে ঘুরতে গিয়ে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
দিল্লিতে নারী বিক্ষোভকারীদের 'হেনস্থা', 'দ্বিতীয় যন্তর মন্তরের' ডাক ককরোচ জনতা পার্টির
দিল্লিতে নারী বিক্ষোভকারীদের 'হেনস্থা', 'দ্বিতীয় যন্তর মন্তরের' ডাক ককরোচ জনতা পার্টির

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে টানা তিন দিন ধরে বিক্ষোভ হয়েছে দিল্লি ও মুম্বাইতে। আগামী ১০ই অক্টোবর ফের বিক্ষোভ ও মিছিলের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি ও বামপন্থী ছাত্র -যুব সংগঠন।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
ব্রাজিলের নির্বাচনের প্রথম দফায় ডানপন্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর জয়
ব্রাজিলের নির্বাচনের প্রথম দফায় ডানপন্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর জয়

বলসোনারোর ফলাফল প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে। ফলে দ্বিতীয় দফায় তিনিই এগিয়ে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ প্রথম দফায় বাদ পড়া কয়েকজন প্রার্থীর মধ্যে ডানপন্থী ভোটারদের উল্লেখযোগ্য অংশ ছিল। আগামী ২৫শে অক্টোবর এই দুই প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
পত্রিকা: 'নিরাপত্তা চৌহদ্দি, তবুও অপরাধ বাড়ছে গুলশানে'
পত্রিকা: 'নিরাপত্তা চৌহদ্দি, তবুও অপরাধ বাড়ছে গুলশানে'

আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ তৎপরতা বৃদ্ধি নিয়ে পুলিশের নিজস্ব রিপোর্টের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি পরিবহনে জ্বালানির দাম বাড়া এবং বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
ভালুক থেকে বিশ্রামরত পেঁচার মুখ: ২০২৬ সালের সবচেয়ে মজার ১০টি প্রাণীর ছবি
ভালুক থেকে বিশ্রামরত পেঁচার মুখ: ২০২৬ সালের সবচেয়ে মজার ১০টি প্রাণীর ছবি

২০২৬ সালের নিকন কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাওয়ার্ডসের ফাইনালিস্টদের মধ্যে রয়েছে একটি ভ্রূকুটি করা পেঁচা, হাসিতে মগ্ন ভালুক এবং অলসভাবে বসে থাকা একটি ম্যান্ট্রিস।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে প্রস্তুতির আভাসের মধ্যেই শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে শনিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী যে মন্তব্য করেছেন তা বেশ কৌতূহল তৈরি করেছে। কী বলেছেন দীনেশ ত্রিবেদী? কী বোঝাতে চেয়েছেন তিনি?

অক্টোবর ৪, ২০২৬
চাঁদের গাড়ি খাদে পড়ে নিহত ২, আহত ৫
চাঁদের গাড়ি খাদে পড়ে নিহত ২, আহত ৫

বান্দরবানের থানচি উপজেলার ডিমপাহাড়-তিন্দুমুখ সড়কে পর্যটকবাহী একটি চাঁদের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়েছে। এতে দুইজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
রাবিতে সাংবাদিক হামলার প্রতিবাদে ঢাবি-শাবি-যবিপ্রবিতে কর্মসূচি
রাবিতে সাংবাদিক হামলার প্রতিবাদে ঢাবি-শাবি-যবিপ্রবিতে কর্মসূচি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ডুজা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (যবিপ্রবিসাস)।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
নেশার টাকা যোগাতে ভাগ্নেকে বিক্রি 
নেশার টাকা যোগাতে ভাগ্নেকে বিক্রি 

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে নেশার টাকা জোগাড় করতে সাড়ে চার মাস বয়সী আপন ভাগ্নেকে বিক্রি করেছেন মামা জিয়ারুল ইসলাম (২১)। পুলিশ অভিযান চালিয়ে জিয়ারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার ও বিক্রি করা শিশুকে উদ্ধার করেছে।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
বিএসএফের গুলিতে আহত ২ ভারতীয় রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
বিএসএফের গুলিতে আহত ২ ভারতীয় রমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় সীমান্তে গরু পারাপারের সময় ভারতের সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিএসএফের ছোড়া ককটেল ও শটগানের গুলিতে গুরুতর আহত হন ভারতের দুই নাগরিক।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
নাসিম এন্টারপ্রাইজকে ঋণ দি‌য়ে মি‌লে‌মি‌শে আত্মসাৎ
নাসিম এন্টারপ্রাইজকে ঋণ দি‌য়ে মি‌লে‌মি‌শে আত্মসাৎ

নিয়ম না মে‌নে মর্টগেজ দি‌য়ে আর্থিক লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে অবৈধভা‌বে মেসার্স নাসিম এন্টারপ্রাইজকে ঋণ দি‌য়ে তা মি‌লে‌মিশে আত্মসা‌তের প্রমাণ পে‌য়ে‌ছে দুর্নী‌তি দমন ক‌মিশন।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
খাগড়াছড়িতে ৯ শিক্ষক পেলেন সম্মাননা
খাগড়াছড়িতে ৯ শিক্ষক পেলেন সম্মাননা

খাগড়াছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে আলোচনা করা হয়।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
টাঙ্গাইলে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
টাঙ্গাইলে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বাসি খাবার সংরক্ষণ করে বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

অক্টোবর ৫, ২০২৬
মায়ের কসম, মেসির জার্সি নিয়েই ফিরব: বেনিন ডিফেন্ডার
মায়ের কসম, মেসির জার্সি নিয়েই ফিরব: বেনিন ডিফেন্ডার

মাঠে যখন প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসি, সেই মুহূর্ত যে কোনো ফুটবলারের কাছেই স্বপ্নের মতো। এমনই এক স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষায় বেনিনের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ তিজানি।

অক্টোবর ৫, ২০২৬