সৌদি আরবের কাছে ৫১ বিলিয়ন ডলার চায় হুতিরা
সৌদি আরবের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত বন্ধ করতে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে ইয়েমেনে নিজেদের সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্তও দিয়েছে তারা।
যুক্তরাজ্যের অন্যতম প্রধান অভিধান প্রকাশক কলিন্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন উৎস থেকে শব্দের ব্যবহার ও জনপ্রিয়তার তথ্য সংগ্রহ করে বর্ষসেরা শব্দ নির্বাচন করে। বিখ্যাত কলিন্স ডিকশনারি (Collins Dicti...
যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণের বড় দায়িত্বও এসে পড়েছে দলটির নেতাদের ওপর। নির্বাচনী প্রচারে দেওয়া নানা প্রতিশ...
‘আমাদের শহিদ ভাই শিখায়ে দিয়ে গেছে তো।’ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।
প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে শুরু হয়েছে জাহাজ চলাচল। আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেন্ট মার্টিনে যেতে পারবেন এবং রাতে থাকতে পারবেন।
তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় আফিয়নকারাহিসার প্রদেশের তিনটি গ্রামে বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। হামলাকারীকে ধরতে অভিযান শুরু করেছে দেশটির পুলিশ।
ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইন রাজুকে অভিনেত্রী পরীমণির গালাগাল ও হেনস্তা এবং তার নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীদের মারধরের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপো...
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বই ফেরতে দেরির জরিমানা এক টাকা। অথচ সেই টাকা পরিশোধেও যেতে হয় ব্যাংকে। পুরোনো নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
<p>মৃত্যুর পর থেকে কেয়ামত পর্যন্ত সময়টিকে ‘বরজখ’ (অন্তর্বর্তীকালীন জগত) বলা হয়। আর কবর হলো পরকালের প্রথম গন্তব্য। আত্মীয়স্বজন যখন মৃত ব্যক্তিকে অন্ধকার কবরে একাকী রেখে ফিরে আসে, তখন শুরু হয় তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন ও অপরিচিত এক অধ্যায়—কবরের প্রথম রাত।</p><p>ওসমান (রা.) কবরের পাশে দাঁড়ালে অঝোরে কাঁদতেন; কারণ মহানবী (সা.) বলেছেন, কবর হলো পরকালের প্রথম ঘাঁটি, কেউ এখানে মুক্তি পেলে তার পরের স্তরগুলো সহজ হয়ে যায়।</p><h3>একাকিত্ব ও কবরের চাপ </h3><p>মৃত ব্যক্তিকে দাফন করে স্বজনেরা যখন ফিরে যায়, মৃত ব্যক্তি তখন তাদের জুতার আওয়াজ শুনতে পান। এরপরই শুরু হয় কবরের প্রথম ও অত্যন্ত ভীতিকর একটি অভিজ্ঞতা—যাকে হাদিসের ভাষায় ‘দাবগাতুল কবর’ (কবরের চাপ) বলা হয়।</p><p>মাটি তার ভেতরের বাসিন্দাকে চারদিক থেকে প্রবল জোরে চেপে ধরে। এই চাপ থেকে পাপী বা পুণ্যবান—কেউই পুরোপুরি মুক্ত নন; তবে পুণ্যবানদের জন্য এটি হয় মায়ের মমতাময়ী আলিঙ্গনের মতো, আর পাপীদের জন্য হয় পাঁজর ভেঙে দেওয়ার মতো।</p><p>মহানবী (সা.) মদিনার শ্রেষ্ঠ সাহাবিদের একজন সাদ ইবনে মুয়াজের জানাজা শেষে বলেছিলেন, ‘কবরের একটি চাপ আছে; যদি কেউ এই চাপ থেকে রেহাই পেত, তবে সাদ ইবনে মুয়াজ রেহাই পেত।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ২০৫৪)</p><p>অর্থাৎ, কবরের মাটির এই আলিঙ্গন বা চাপ প্রতিটি মানুষের জন্যই অবধারিত একটি প্রথম অভিজ্ঞতা।</p><blockquote>তাঁরা মৃত ব্যক্তিকে বসিয়ে অত্যন্ত কঠোরভাবে তিনটি মৌলিক প্রশ্ন করেন, ‘তোমার রব কে?’, ‘তোমার ধর্ম কী?’ এবং ‘এই ব্যক্তি (মুহাম্মদ সা.) সম্পর্কে তুমি কী বলতে?’</blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/qbkv890poz">কবর জিয়ারতে কী করব, কী করব না</a></aside><h3>ফেরেশতার জিজ্ঞাসাবাদ </h3><p>কবরের চাপ শেষ হওয়ার পরই সেখানে উপস্থিত হন দুজন ভয়াবহ আকৃতির ফেরেশতা—যাঁদের চোখগুলো তামার হাড়ির মতো জ্বলজ্বলে এবং গলার আওয়াজ বজ্রপাতের মতো। তাঁদের নাম ‘মুনকার’ ও ‘নাকির’।</p><p>তাঁরা মৃত ব্যক্তিকে বসিয়ে অত্যন্ত কঠোরভাবে তিনটি মৌলিক প্রশ্ন করেন, ‘তোমার রব কে?’, ‘তোমার ধর্ম কী?’ এবং ‘এই ব্যক্তি (মুহাম্মদ সা.) সম্পর্কে তুমি কী বলতে?’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৭৫৩)</p><p>পার্থিব বিদ্যা বা মুখস্থবিদ্যা দিয়ে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। শুধু যাদের অন্তরে প্রকৃত ইমান ছিল এবং যারা দুনিয়াতে ইসলাম অনুযায়ী জীবন যাপন করেছে, আল্লাহ তাদের জবানকে এই ভয়ংকর মুহূর্তে স্থির রাখবেন।</p><p>আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ মুমিনদের ইহকাল ও পরকালে (কবরে) শাশ্বত বাণীর ওপর সুদৃঢ় রাখেন...।’ (সুরা ইব্রাহিম, আয়াত: ২৭)</p><p>ইবনে কাসির এই আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেছেন, কবরে মুনকার-নাকিরের জেরার সময় মুমিনদের অন্তর স্থির রাখা এবং সঠিক উত্তর দেওয়ানোর নিশ্চয়তা আল্লাহ এই আয়াতে দিয়েছেন। (ইবনে কাসির, <em>তাফসিরুল কুরআনিল আজিম,</em> ৪/৫০৬, দারু তাইয়িবাহ, রিয়াদ, ১৯৯৯)</p><h3>ভালো কাজের প্রতিরক্ষা </h3><p>কবরের প্রথম রাতের ভয়ংকর একাকিত্বে মৃত ব্যক্তির একমাত্র আপনজন বা পাহারাদার হিসেবে আবির্ভূত হয় তার দুনিয়ার নেক আমলগুলো। যখন আজাব বা ভীতি তার কাছে আসতে চায়, তখন আমল তাকে শারীরিক রূপ নিয়ে ছায়ার মতো আগলে রাখে।</p><p>যখন মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখা হয়, তখন নামাজ তার মাথার কাছে এসে দাঁড়ায়, রোজা তার ডান পাশে দাঁড়ায়, জাকাত তার বাঁ পাশে এবং তার দান-সদকা ও মানুষের সঙ্গে করা সদাচরণগুলো তার পায়ের কাছে এসে দাঁড়ায়।</p><p>ফেরেশতারা যেদিক থেকেই আসতে চান, আমলগুলো বলে ওঠে—এদিক দিয়ে আসার কোনো পথ নেই। (আল-কুরতুবি, <em>আত-তাজকিরাহ বি-আহওয়ালিল মাওতা ওয়া উমুরিল আখিরাহ,</em> পৃষ্ঠা ১৫৪, মাকতাবাতুল বুখারি, কায়রো, ২০০৮)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/adkgochcmm">জীবন ও মৃত্যু: পরিপূরক নাকি বিপরীত</a></aside><aside><cite>সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩২২১</cite>তোমরা তোমাদের ভাইয়ের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও এবং সে যেন (জিজ্ঞাসাবাদের সময়) অবিচল থাকতে পারে, সেই দোয়া করো; কারণ এখনই তাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে।</aside><h3>বেহেশতের বাগান অথবা দোজখের গর্ত </h3><p>মুনকার ও নাকিরের তিনটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার পর আসমান থেকে এক ঘোষক ঘোষণা দেন, ‘আমার বান্দা সত্য বলেছে।’</p><p>এরপর তার কবরে বেহেশতের বিছানা বিছিয়ে দেওয়া হয় এবং বেহেশতের দিকে একটি দরজা খুলে দেওয়া হয়, যেখান থেকে বেহেশতের সুঘ্রাণ ও প্রশান্তির বাতাস বইতে থাকে। আর যদি উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়, তবে কবরে দোজখের আগুন বিছিয়ে দেওয়া হয়।</p><p>মহানবী (সা.) এই চূড়ান্ত পরিণতির কথা এক বাক্যে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘কবর হলো বেহেশতের বাগানগুলোর মধ্য থেকে একটি বাগান অথবা দোজখের গর্তগুলোর মধ্য থেকে একটি গর্ত।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৪৬০)</p><h3>দাফনের পরপরই জীবিতদের করণীয় </h3><p>কবরের প্রথম রাতের এই কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি যখন মৃত ব্যক্তি হতে থাকেন, তখন কবরের ওপরে থাকা জীবিত মানুষের একটি বড় দায়িত্ব রয়েছে। নবীজির সুন্নত হলো, দাফন শেষ করে দ্রুত চলে না গিয়ে কিছু সময় কবরের পাশে দাঁড়ানো।</p><p>মহানবী (সা.) যখন কোনো মৃত ব্যক্তির দাফন শেষ করতেন, তখন তিনি কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সাহাবিদের বলতেন, ‘তোমরা তোমাদের ভাইয়ের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও এবং সে যেন (জিজ্ঞাসাবাদের সময়) অবিচল থাকতে পারে, সেই দোয়া করো; কারণ এখনই তাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৩২২১)</p><p>কবরের জীবন মানুষের চোখের আড়ালে হলেও এটি চিরন্তন সত্য। দুনিয়ার প্রতিটি পদক্ষেপে পরকালের এই প্রথম রাতের প্রস্তুতি নেওয়াই হলো একজন বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ মুমিনের কাজ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/g0hywv2qqd">কবর সংলগ্ন মসজিদে নামাজ আদায়ের বিধান কী</a></aside>
উয়েনো ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর পর এ সংকট আর বিতর্কের সূত্রপাত। এরইমধ্যে আলোচিক এ ব্যাংকের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।
<p>কিছু বিদায় আসে একটু পরে, কিন্তু বিদায়ের আভাস মেলে অনেক আগেই।</p><p> একটা মানুষ তখনো মাঠে নামেন, গোল করেন, জয়ের পর দুই হাত ছড়িয়ে উদ্যাপন করেন। গ্যালারি থেকে তাঁর নামে চিৎকার ওঠে। কিন্তু কোথাও একটা সময়ের শেষ হয়ে আসার শব্দ বাজতে থাকে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল-জীবনেও হয়তো সেই শব্দটা অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। এবার নিজেই জানিয়ে দিলেন, জাতীয় দলের ৭ নম্বর জার্সিটা ফিরিয়ে দেওয়ার সময় হয়েছে।</p><p> একটা জার্সির সঙ্গে কত স্মৃতি জমা হতে পারে? কত আনন্দ, কত কান্না, কত অপেক্ষা! ২৩ বছর ধরে পর্তুগালের জার্সি গায়ে রোনালদো এসবের সব কটিই দেখেছেন। কিশোর বয়সে যে ছেলেটি জাতীয় দলে এসেছিলেন, তিনি একদিন হয়ে উঠেছেন দেশের সবচেয়ে বড় ফুটবল তারকা। তাঁর পায়ের জাদুতে পর্তুগাল যেমন আনন্দে ভেসেছে, তেমনি তাঁর চোখের জলও দেখেছে পুরো বিশ্ব।</p><p> ২০০৩ সালের ২০ আগস্ট কাজাখস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের হয়ে অভিষেক হয়েছিল ১৮ বছর বয়সী রোনালদোর। তখনো তিনি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো হয়ে ওঠেননি। ছিলেন সম্ভাবনাময় এক তরুণ, যাঁর চোখে বড় হওয়ার স্বপ্ন। পরের বছরই ঘরের মাঠে ইউরোতে সেই তরুণের প্রথম বড় পরীক্ষা। গ্রিসের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে গোল করলেন। সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে গোল করে দলকে ফাইনালেও তুললেন। কিন্তু ফাইনালে আবার সেই গ্রিস। ১-০ গোলে হেরে গেল পর্তুগাল। ম্যাচ শেষে কিশোর রোনালদোর চোখের জল দেখে সেদিন অনেকেই বুঝেছিলেন, তাঁর কাছে দেশের জার্সির অর্থ কতটা।</p><p>সেই কান্নার পরও পথটা সহজ হয়নি। ২০০৬ বিশ্বকাপে পর্তুগাল উঠেছিল সেমিফাইনালে। শেষ পর্যন্ত চতুর্থ হয়ে ফিরতে হয়েছিল। ২০০৮ ইউরোতে বিদায় কোয়ার্টার ফাইনালে। ২০১০ বিশ্বকাপে শেষ ষোলো, ২০১২ ইউরোতে সেমিফাইনাল। একের পর এক টুর্নামেন্টে রোনালদো বড় তারকা হয়ে উঠেছেন, গোল করেছেন, রেকর্ড গড়েছেন। কিন্তু দেশের হয়ে বড় শিরোপা তখনো অধরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/ppx00nv7/2026-06-23T170749Z748151363UP1EM6N1BL03BRTRMADP3SOCCER-WORLDCUP-POR-UZB.JPG"><figcaption>২০২৬ বিশ্বকাপে রোনালদোর চিরচেনা গোল উদ্যাপন</figcaption></figure><p>এর মধ্যে বদলে গেছে তাঁর পরিচয়ও। একসময় লুইস ফিগোদের পাশে দাঁড়ানো তরুণ রোনালদো হয়ে উঠেছেন পর্তুগালের অধিনায়ক। দলের আশা–ভরসা, সবচেয়ে বড় নাম। তাঁর ওপর প্রত্যাশার ভারও বেড়েছে। ২০১৪ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় সেই ভার আরও বাড়িয়েছিল। ২০১৬ ইউরোতে তাই পর্তুগালের সামনে ছিল বহু বছরের অপেক্ষা শেষ করার সুযোগ।</p><p>ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনাল। কিন্তু ম্যাচের ২৫ মিনিটের মাথায় চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হলো অধিনায়ককে। সাইডলাইনে বসে সতীর্থদের জন্য চিৎকার করছিলেন তিনি। কখনো উঠে দাঁড়াচ্ছেন, কখনো হাত নেড়ে নির্দেশ দিচ্ছেন। মাঠে খেলতে না পারলেও দলকে ছেড়ে যাননি। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে এদেরের গোলে ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল। রোনালদোর চোখে তখন আনন্দের জল। ১২ বছর আগে যে ছেলেটি ইউরোর ফাইনালে হেরে কেঁদেছিলেন, সেদিন সেই তিনিই দেশের প্রথম বড় শিরোপা জয়ের আনন্দে কাঁদলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/7hy20eniwd">আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন রোনালদো </a></aside><p>সেই রাত যেন রোনালদোর পর্তুগাল-জীবনের সবচেয়ে বড় উত্তর। তবে গল্পটা সেখানেই শেষ হয়নি। ২০১৯ সালে নেশনস লিগের ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে আরেকটি শিরোপা জেতে পর্তুগাল। ২০২৫ সালে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান রোনালদো। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জেতে পর্তুগাল। বয়স তখন তাঁর ৪০ পেরিয়েছে। তবু দেশের জার্সিতে গোল করার ক্ষুধা কমেনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/zhor8hk2/Ronaldo_AFP.jpg"><figcaption>ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো</figcaption></figure><p>বিশ্বকাপের গল্পটা অবশ্য অন্য রকম। ছয়টি বিশ্বকাপে খেলেছেন রোনালদো। ২০০৬ সালে সেমিফাইনাল পর্যন্ত গেলেও আর কখনো ফাইনালে ওঠা হয়নি। ২০১০ ও ২০১৮ সালে শেষ ষোলো থেকে বিদায়, ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্বেই শেষ, ২০২২ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল। ২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই অপূর্ণতা ঘোচেনি। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বোচ্চ ১৪ গোল, আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড, ছয়টি বিশ্বকাপে খেলার ইতিহাস, সবই তাঁর। কিন্তু বিশ্বকাপ হাতে তোলার ছবিটি আর পাওয়া হলো না।</p><p>রোনালদোর পর্তুগাল-জীবনে শেষের দিকটাও ছিল কিছুটা অস্বস্তির। কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন, দলে নিজের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ, সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে ও মাঠের বাইরে কিছু মুহূর্ত, এসব আলোচনায় এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে কোচের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু এসব দিয়ে ২৩ বছরের গল্পকে মাপা যায় না। একটি দীর্ঘ ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসে সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকতে পারে। তাতে মুছে যায় না দেশের হয়ে তাঁর দেওয়া অসংখ্য আনন্দের মুহূর্ত।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/jt200gx4t7">একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—বিদায়ী বক্তব্যে রোনালদো</a></aside><p>ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ভিডিও ও চিঠিতে রোনালদো লিখেছেন, ‘জাতীয় দলের ৭ নম্বর জার্সিটি ফিরিয়ে দেওয়ার দিন এসে গেছে। কখনো ভাবিনি, জার্সিটি শুধু আমারই। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার সৌভাগ্য ও দায়িত্ব দুটিই পেয়েছি।’ কথাগুলোয় যেন লুকিয়ে আছে একটি পুরো জীবন। যে জার্সি গায়ে প্রথম মাঠে নেমেছিলেন, সেই জার্সিই একদিন ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। মাঝখানে কতগুলো বছর, কতগুলো ম্যাচ, কতগুলো গোল, কতগুলো রাত!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/60wra8n2/13.-2026-11-05T105337Z1461695701RC2OHBAPXWFCRTRMADP3SOCCER-RONALDO-1.JPG"><figcaption>পর্তুগালের হয়ে ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন রোনালদো</figcaption></figure><p>পর্তুগালের হয়ে ২৩৪ ম্যাচে ১৪৬ গোল করেছেন রোনালদো। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার এবং সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড তাঁর। সংখ্যাগুলো একদিন হয়তো আরও পুরোনো হবে। কেউ হয়তো গোলের রেকর্ড ভাঙবেন, ম্যাচের রেকর্ডও পেরিয়ে যাবেন। কিন্তু পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসে রোনালদোর জায়গাটা শুধু সংখ্যায় লেখা থাকবে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/bar0k659ew">সবচেয়ে বেশি ম্যাচ, সবচেয়ে বেশি গোল—আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর আরও রেকর্ড</a></aside><p>কারণ, তিনি শুধু গোল করেননি। এক প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন। যে দেশ ২০০৪ সালে ঘরের মাঠে ইউরোর ফাইনালে হেরেছিল, সেই দেশকে ১২ বছর পর ইউরোপের সেরা হতে দেখেছেন। যে ছেলেটি একদিন কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন, তিনি একদিন পর্তুগালের হাতে তুলে দিয়েছেন দেশের ইতিহাসের প্রথম ইউরো ট্রফি। তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে গেছে একটি দেশের ফুটবল-আবেগ, প্রাপ্তি আর অপেক্ষার গল্প।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/0b4pezix/821012_01_02.jpg"><figcaption>২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগাল বাদ পড়ার পর কাঁদছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো</figcaption></figure><p>এখন থেকে পর্তুগালের মাঠে ৭ নম্বর জার্সি গায়ে অন্য কেউ নামবেন। গোল হলে গ্যালারি আবারও উল্লাস করবে। নতুন কোনো তারকা জন্ম নেবেন। কিন্তু গোলের পর দুই হাত ছড়িয়ে দাঁড়ানো সেই মানুষটিকে আর দেখা যাবে না। পর্তুগালের জার্সিতে তাঁর দৌড় থামবে, গোল থামবে, উদ্যাপনও থামবে। শুধু থেকে যাবে ২৩ বছরের স্মৃতি।</p><p>কিছু জার্সি শুধু শরীরে পরা হয় না, হয়ে ওঠে একটি দেশের পরিচয়। পর্তুগালের ৭ নম্বর জার্সিটি তেমনই। রোনালদো জার্সিটি ফিরিয়ে দিচ্ছেন, কিন্তু জার্সির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষটিকে কি আর ফিরিয়ে দেওয়া যায়?</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/ks2j2wqmwq">রোনালদোর উত্থান, অর্জন ও বিদায়: ১৫ ছবিতে এক কিংবদন্তির গল্প</a></aside>
বাংলাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করে সামান্তা শারমিন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে এনসিপি তার স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় হারিয়েছে। এদিকে, পর্তুগালের কিংবদন্তি ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিচ্ছেন।
বাংলাদেশে নিজস্ব ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল তৈরির বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যে বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো সক্ষমতা প্রয়োজন সেটি বাংলাদেশের আছে কিনা- সেই প্রশ্নটি সামনে আসছে।
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার মুহূর্তে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত তুলে ধরেছে বিবিসি স্পোর্টস।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ডেমোক্র্যাট পার্টি থেকে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম সেনেটর আবদুল এল-সাইয়েদের একটা ভারতীয় যোগ রয়েছে।
বেলজিয়াম, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইটালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, জার্মানি এবং সুইডেনের সুপারমার্কেটের হিমাগার ও ফ্রিজিং ব্যবস্থা সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। এর ফলে বিপুল পরিমান খাবার ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছে কর্মীরা।
ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তন হওয়ার পর, ডেমোক্র্যাটরা এখন চাইলেই কি তাদের পরিকল্পনায় থাকা বিষয়গুলো বাস্তবায়ন শুরু করতে পারবে? বিষয়টি অনেকটাই জটিল, কারণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেস থাকলেও, রিপাবলিকানদের দখলে প্রেসিডেন্ট পদটি।
যদিও মধ্যবর্তী এই নির্বাচনগুলোয় বরাবরই ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলের খারাপ সময় যায়, তবে এবার রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়কে হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের একটি জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বড় পরিবর্তন এনেছে। বিবিসি সাংবাদিকরা ব্যাখ্যা করছেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে শুরু করে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক পর্যন্ত - এই ফলাফল বাকি বিশ্বের জন্য কী অর্থ বহন করে।
সৌদি আরবের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ও সংঘাত বন্ধ করতে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে ইয়েমেনে নিজেদের সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার শর্তও দিয়েছে তারা।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় এফডব্লিউসিএমএসে তালিকাভুক্ত রিক্রুটিং এজেন্টদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। রাতে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম ২০ ডলার হলে বাংলাদেশ সরকারকে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসে ৬০ টাকার বেশি ভর্তুকি দিতে হয়। চলতি বছর সরবরাহ বিঘ্নের কারণে এর চেয়েও বেশি দামে এলএনজি আমদানি করতে হয়েছে।
নামাজকে বলা হয় বেহেশতের চাবি, কেননা বান্দার নামাজ যথাযথ হলে বেহেশতে যাওয়ার পথ সহজ হয়ে যায়। কোরআনের অনেক জায়গায় নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নামাজের আদেশ করা হয়েছিল পূর্ববর্তী নবী-রাসুলদেরও। সময়মতো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ইমানি দায়িত্ব।
যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণের বড় দায়িত্বও এসে পড়েছে দলটির নেতাদের ওপর। নির্বাচনী প্রচারে দেওয়া নানা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই এখন বিজয়ীদের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ।
যুক্তরাজ্যের অন্যতম প্রধান অভিধান প্রকাশক কলিন্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন উৎস থেকে শব্দের ব্যবহার ও জনপ্রিয়তার তথ্য সংগ্রহ করে বর্ষসেরা শব্দ নির্বাচন করে। বিখ্যাত কলিন্স ডিকশনারি (Collins Dictionary) ২০২৬ সালের বর্ষসেরা শব্দ হিসেবে ঘোষণা করেছে ‘মগিং’কে।
‘আমাদের শহিদ ভাই শিখায়ে দিয়ে গেছে তো।’ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।
ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে সমকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার রবিউল হোসাইন রাজুকে অভিনেত্রী পরীমণির গালাগাল ও হেনস্তা এবং তার নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীদের মারধরের ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ)-সহ চারটি সংগঠন।