অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, পরে জানা গেল তিনি ১৯ মামলার আসামি

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবির মামলায় বদিউজ্জামান ওরফে বদি নামে (৪০) এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে জানা যায় তিনি হত্যা ও অপহরণসহ অন্তত ১৯টি মামলার আসামি।

ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিনই ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
সরকারকে চাপে রাখতে রাজপথে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি ১১ দলের

রাজধানী থেকে চট্টগ্রাম ও রংপুরের পর ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ায় লংমার্চ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

সরকারকে চাপে রাখতে রাজপথে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি ১১ দলের
গাজীপুরে নিরাপত্তা জোরদার, বাড়ল বিজিবি-ম্যাজিস্ট্রেট

শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরো জোরদার করেছে জেলা প্রশাসন।

গাজীপুরে নিরাপত্তা জোরদার, বাড়ল বিজিবি-ম্যাজিস্ট্রেট
সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী 

বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী 
ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যালট নিয়ে ট্রাম্পের দাবি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাক্কালে বড় ধরনের আইন ধাক্কা খেলো ট্রাম্প প্রশাসন।

ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যালট নিয়ে ট্রাম্পের দাবি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট
ছাত্রলীগের সাবেক নেতার মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ সঙ্গে থাকা তরুণী

গাজীপুরের শ্রীপুরে ভাড়া বাসার একটি কক্ষ থেকে শাহীন হোসেন (৩২) নামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতার মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতার মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ সঙ্গে থাকা তরুণী

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

ফুটবলাররা কি আসলেই বোকা, নাকি আমরা ভুল জানি
ফুটবলাররা কি আসলেই বোকা, নাকি আমরা ভুল জানি

একজন পেশাদার ফুটবলারকে প্রতিদিনই নানা সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কখন কী করতে হবে, কার কথা শুনতে হবে, কার কথা এড়িয়ে যেতে হবে, কখন নিজের ইচ্ছাকে বিসর্জন দিতে হবে।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বাংলাদেশের হাতে সময় ১৯ বছর, এরপর কমবে জনমিতিক সুবিধা
বাংলাদেশের হাতে সময় ১৯ বছর, এরপর কমবে জনমিতিক সুবিধা

বাংলাদেশ ২০২৭ সালে বার্ধক্যশীল জনসংখ্যার পর্যায়ে প্রবেশ করবে। ২০৫১ সালে ৬৫ বছর বা বেশি বয়সী মানুষের অংশ ১৪ শতাংশে পৌঁছে দেশটি ‘বয়স্ক’ জনসংখ্যার পর্যায়ে যাবে।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
বাংলাদেশের আকাশে দেখা যাবে টাওরিড উল্কাবৃষ্টি ও গ্রহের মেলা, কবে ও কখন
বাংলাদেশের আকাশে দেখা যাবে টাওরিড উল্কাবৃষ্টি ও গ্রহের মেলা, কবে ও কখন

১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে টাওরিড উল্কাবৃষ্টি, উজ্জ্বল গ্রহের মেলাসহ বিভিন্ন মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে। শুধু তা–ই নয়, দেখা মিলবে পেগাসাস নক্ষত্রমণ্ডল ও অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সিও।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
যে ক্যাফেতে কফি খেতে বসতে হয় মুরগির সঙ্গে
যে ক্যাফেতে কফি খেতে বসতে হয় মুরগির সঙ্গে

<p>দক্ষিণ চীনের নাননিং শহরের একটি ব্যতিক্রমী ক্যাফেতে কফির পাশাপাশি সময় কাটানোর সুযোগ মিলছে ছোট ছোট মুরগির ছানার সঙ্গে। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure></figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
উয়েফার চাপে ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’ প্রকল্পের নথি দেখাতে রাজি ফিফা
উয়েফার চাপে ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’ প্রকল্পের নথি দেখাতে রাজি ফিফা

গত মাসে উয়েফা চাপ দেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নিল ফিফা। কিছু প্রশ্নের জবাব দিতে ফিফাকে সময় বেঁধে দিয়েছিল উয়েফা।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

<p>রাজধানীর মিরপুরে আজ মঙ্গলবারও সড়কে নেমে বিক্ষোভ করছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।</p><p>সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিকেরা মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় তিন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন তাঁরা।</p><p>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।</p><p>বিস্তারিত আসছে...</p>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
কিম জং-উনের শাসন যেভাবে ভেতর থেকে ভেঙে পড়ছে
কিম জং-উনের শাসন যেভাবে ভেতর থেকে ভেঙে পড়ছে

<p>২০১৫ সালে উত্তর কোরিয়ার কূটনীতিক থায়ে ইয়াং হো লন্ডনে নেতা কিম জং–উনের ভাই কিম জং–চোলের এরিক ক্ল্যাপটনের কনসার্ট সফরের দেখাশোনার দায়িত্ব পান। শাসক পরিবারের সেবা করাকে বড় সম্মান মনে করে থায়ে তাঁর দুই ছেলেকে বিষয়টি জানালে তারা আনন্দিত না হয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।</p><p>ছেলেরা থায়েকে মনে করিয়ে দেয়, যে পশ্চিমা গান শোনার অপরাধে সাধারণ উত্তর কোরীয়দের কঠোর শাস্তি পেতে হয়, সেই বিনোদনেই কিম পরিবার এক সন্ধ্যায় হাজার হাজার ডলার ওড়াচ্ছে। থায়ে পরে তাঁর স্মৃতিকথা ‘পাসওয়ার্ড টু দ্য থার্ড ফ্লোর’-এ লিখেছেন, সন্তানদের চোখের সেই দৃষ্টি তাঁকে অনুধাবন করিয়েছিল, তিনি আসলে একজন বন্দী, যাঁকে কারাগারের রক্ষীর সেবা করতে বাধ্য করা হচ্ছে। সন্তানদের প্রতিক্রিয়া তাঁকে গভীরভাবে লজ্জিত করেছিল।</p><p>পরের বছর থায়ে স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়ে যান। তাঁর এই দলত্যাগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চমকে দিয়েছিল। কারণ, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও থায়ে পূর্ণ আবেগ দিয়ে উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থার পক্ষে সাফাই গাইছিলেন। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/p9fq9qga55">ভারত-চীন সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে অরুণাচলে কেন এই সহিংস বিক্ষোভ </a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/rm1eb1nqev">চীন কেন বিপুল পরিমাণে সোনা কিনছে? কাহিনি কী</a></aside><p>তবে উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণির ভেতরের জীবনকে যাঁরা বোঝেন, তাঁদের কাছে এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ আচরণ খুবই পরিচিত—কর্মকর্তারা উত্তর কোরিয়ার রাজপরিবারের প্রতি শতভাগ আনুগত্য প্রদর্শন করতে পারেন ঠিক সেই দিন পর্যন্ত, যেদিন তাঁরা দেশ ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নেন।</p><p>জনসমক্ষে প্রদর্শিত আনুগত্য আর ভেতরের প্রকৃত বিশ্বাসের মধ্যকার এই পার্থক্য বাইরে থেকে বোঝা অসম্ভব বললেই চলে। পিয়ংইয়ংয়ের পার্টি, সেনাবাহিনী, দূতাবাস ও প্রযুক্তি খাতের উচ্চপদস্থ সাবেক কর্মকর্তাদের ওপর করা এক দশকের বেশি সময়ের সাক্ষাৎকার থেকে এ বাস্তবতা উঠে এসেছে। </p><p>তাঁদের কেউ একসময় এ ব্যবস্থায় বিশ্বাসী ছিলেন, আবার কেউ শুরুতেই অনুধাবন করেছিলেন, কিম জং–উনের প্রতি আনুগত্য মূলত এক আজীবন নাটক। সাক্ষাৎকার দেওয়া প্রায় সবাই নিশ্চিত করেছেন, উত্তর কোরিয়ার বর্তমান অভিজাত শ্রেণি অভূতপূর্ব মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে।</p><p>২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর কিম জং–উন প্রবীণ কর্মকর্তা ও সামরিক ব্যক্তিত্বদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন, রদবদল ও মৃত্যুদণ্ড চালিয়ে অভিজাতদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছেন। ফলে সামান্য ভুলেই পরিবারসহ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আতঙ্কে দিন কাটান তাঁরা। কোভিড মহামারির পর সীমান্ত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের পালানোর পথও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সংকীর্ণ।</p><blockquote>কিম বিলাসবহুল জীবনযাত্রা ও পদোন্নতি দিয়ে কিছুটা ক্ষোভ কমালেও পরিবারের টিকে থাকার স্বার্থে আরোপিত কঠোর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা সম্ভব নয়। ফলে এ ব্যবস্থা যেকোনো সংগঠিত প্রতিরোধ দমনে সক্ষম হলেও অভিজাতদের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে।</blockquote><p>তবে যেসব উত্তর কোরীয় এখনো নানা উপায়ে পালাতে সক্ষম হচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে অভিজাতদের হার সবচেয়ে বেশি। ২০২৪ সালের আগস্টের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস জানিয়েছে, কিম জং–উনের শাসনামলে উত্তর কোরিয়ার উচ্চবিত্ত শ্রেণি থেকে দলত্যাগের সংখ্যা কিম ইল সং (১৯৪৮-১৯৯৪) ও কিম জং ইলের (১৯৯৪-২০১১) সম্মিলিত শাসনামলের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি।</p><p>এ প্রবণতাকে এখনই শাসকগোষ্ঠীর তাৎক্ষণিক পতনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা ভুল হবে। কারণ, ক্ষোভকে রাজনৈতিক প্রতিরোধে রূপ নিতে না দেওয়ায় উত্তর কোরিয়া অত্যন্ত পারদর্শী। রাষ্ট্র চায় না প্রত্যেক কর্মকর্তা মন থেকে শাসনব্যবস্থাকে বিশ্বাস করুন; তার মূল উদ্দেশ্য হলো সন্দেহবাদী ও হতাশ কর্মকর্তারা যেন নিজেদের সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ ও বিচ্ছিন্ন মনে করেন।</p><p>উত্তর কোরিয়াকে ‘হেরমিট কিংডম’ বলা হলেও এটি মোটেও বিচ্ছিন্ন কোনো রাষ্ট্র নয়। পারমাণবিক অস্ত্রধারী এই দেশের সঙ্গে বিশ্বের ১৬০টির বেশি দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং তাদের রয়েছে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম সক্রিয় সেনাবাহিনী ও অত্যন্ত দক্ষ সাইবার বাহিনী। সাধারণ জনগণ রাষ্ট্রীয় প্রচারণায় আবদ্ধ থাকলেও উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণির বড় একটি অংশ বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে বেশ সচেতন।</p><p>উচ্চপদস্থ উত্তর কোরীয়দের জন্য অনুগত থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। সুযোগ-সুবিধা ও ভীতি দিয়ে আনুগত্য বজায় রাখা গেলেও রাষ্ট্র অভিজাতদের কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা ও তাঁদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারছে না।</p><p>কিম বিলাসবহুল জীবনযাত্রা ও পদোন্নতি দিয়ে কিছুটা ক্ষোভ কমালেও পরিবারের টিকে থাকার স্বার্থে আরোপিত কঠোর নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা সম্ভব নয়। ফলে এ ব্যবস্থা যেকোনো সংগঠিত প্রতিরোধ দমনে সক্ষম হলেও অভিজাতদের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ রাষ্ট্রকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/cuaw1ofn/2026_07_28T032732Z_429349381_RC2LMMAUYY82_RTRMADP_3_NORTHKOREA_POLITICS_JPG.webp"><figcaption>উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ংয়ে একটি কুচকাওয়াজে কিম, জুলাই ২০২৬।</figcaption></figure><h3>সূর্যের খুব কাছাকাছি অবস্থান</h3><p>দক্ষিণ কোরিয়ায় আশ্রয় নেওয়া ৩৪ হাজারের বেশি উত্তর কোরীয় দলত্যাগীর অধিকাংশই চীনের সীমান্তবর্তী দরিদ্র অঞ্চলের মানুষ, যাঁরা দুর্ভিক্ষ ও অর্থনৈতিক কষ্ট থেকে বাঁচতে পালিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় বর্বরতা দেখলেও ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁদের ধারণা কম।</p><p>বিপরীতে অভিজাত দলত্যাগীদের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁরা কেবল ৩০ লাখ বাছাই করা মানুষের শহর পিয়ংইয়ংয়ের বাসিন্দা, যেখানে তাঁরা বিদ্যুৎ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পেয়ে বড় হয়েছেন এবং শাসনব্যবস্থার সেবায় বিশেষ বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষিত হয়েছেন।</p><p>উত্তর কোরিয়ায় যেকোনো স্বাধীন সংগঠন গড়ে তোলা অসম্ভব। কারণ, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও পরিবারে রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও প্রতিবেশীদের চরম নজরদারি বিদ্যমান। শৈশব থেকেই প্রতিটি নাগরিককে কোনো না কোনো রাষ্ট্রীয় সংগঠনের অধীন থাকতে হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/a85d9juevz">মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়া কেন পুরোপুরি ব্যর্থ হচ্ছে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/3abg2u1z3l">রাশিয়া কি আসলেই দুর্বল হয়ে পড়েছে</a></aside><p>পার্টির শক্তিশালী সংস্থা ‘অর্গানাইজেশন অ্যান্ড গাইডেন্স ডিপার্টমেন্ট’ (ওজিডি) দেশজুড়ে নিয়োগ, পরিদর্শন ও শৃঙ্খলার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে, যেখান থেকে আজ পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তার দলত্যাগের খবর পাওয়া যায়নি। এমনকি বিদেশে নিযুক্ত কূটনীতিক ও কর্মীদের পাসপোর্ট জমা রাখতে হয় এবং দেশে ফেরার পর দীর্ঘ মতাদর্শগত পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।</p><p>সাবেক জ্যেষ্ঠ পার্টি ক্যাডার কিম সে ইউন (ছদ্মনাম) জানান, বিদেশ থেকে পিয়ংইয়ংয়ে ফেরার পর কর্মকর্তাদের এক মাসব্যাপী কঠোর কেন্দ্রীয় পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে যেতে হতো। মদ খাওয়ার মতো ছোটখাটো বিষয়ও সেখানে রিপোর্ট করতে হতো, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বৈশ্বিক প্রভাব নির্মূল করা।</p><p>অভিজাত পদমর্যাদা সুযোগ-সুবিধা আনলেও নেতাদের ভুলের কারণে যেকোনো মুহূর্তে পরিবারসহ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। পিয়ংইয়ংয়ের প্রচলিত প্রবাদটিই তাঁদের জীবনের এই নির্মম সত্যকে ফুটিয়ে তোলে, ‘সূর্যের যত কাছাকাছি যাবেন, পুড়ে ছাই হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/s3ih1q46/2026-04-29T005702Z1112855214RC2LYKA854FVRTRMADP3NORTHKOREA-POLITICS.JPG.webp"><figcaption>উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ংয়ে একটি কনসার্টে কিম </figcaption></figure><h3>ধুলোর একটি কণা</h3><p>২০১৩ সালে জং সং থায়েকের পতন উত্তর কোরিয়ার অভিজাত শ্রেণিকে এ শিক্ষা সবচেয়ে নির্মমভাবে দিয়েছিল। তাঁর আকস্মিক গ্রেপ্তার ও নৃশংস মৃত্যুদণ্ড পিয়ংইয়ংজুড়ে এক দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের জন্ম দেয়। প্রত্যেক অভিজাত ব্যক্তি তাঁর এই হত্যাকাণ্ডের অন্তর্নিহিত বার্তা স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলেন।</p><p>জং এর আগে তিনবার ‘বিপ্লবীকরণ’-এর মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন। এটি উত্তর কোরিয়ার একটি বিশেষ শাস্তি, যা সাধারণত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের শায়েস্তা করতে ব্যবহৃত হয়। এতে কর্মকর্তার পদবি কেড়ে নিয়ে গ্রামাঞ্চলে শারীরিক পরিশ্রম ও রাজনৈতিক পুনঃশিক্ষার জন্য পাঠানো হয়। জং তিনবারই ফিরে এসেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে নেতার সেবা করেছিলেন, তাঁর হাতেই প্রাণ দিতে হয়।</p><p>২০১১ সালের ডিসেম্বরে কিম জং–উন যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ২০-এর কোঠায়। তিনি তাঁর পূর্বসূরিদের আমলে দায়িত্ব পালন করা প্রবীণ ক্যাডার ও সামরিক কর্মকর্তাদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন চালিয়ে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন।  </p><blockquote>কিম কিছু অর্থনৈতিক পরিবর্তন মেনে নিয়েছেন; বাজারগুলো এখন রাষ্ট্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও করযুক্ত। অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেট এবং স্থানীয় স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আইন মেনে চলা কর্মকর্তাও যেকোনো সময় ক্ষমতার দ্বন্দ্বে বা স্বজনপ্রীতির বলি হয়ে ধ্বংস হয়ে যেতে পারেন।</blockquote><p>উত্তর কোরিয়ায় শৈশব থেকেই ‘সংবুন’ বা বংশানুক্রমিক আনুগত্যের ভিত্তিতে নাগরিকদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়। এই শ্রেণিবিভাগ এবং রাজনৈতিক আচরণের ওপর নির্ভর করে শিক্ষা, চাকরি ও পদোন্নতি। প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়মিত আত্মসমালোচনা সেশনে অংশ নিতে হয়। </p><p>বাড়িতে কিমদের প্রতিকৃতি দেয়ালের সবচেয়ে উঁচু স্থানে একদম পরিষ্কার রাখতে হয়। একজন নারী আমাকে বলেছেন, শ্বেতশুভ্র গ্লাভস পরা পরিদর্শকেরা তাঁদের বাড়িতে নিয়মিত আসতেন ছবিতে ধুলো আছে কি না তা দেখতে।  </p><p>জনসমক্ষে নিখুঁত আনুগত্য প্রদর্শনের এসব অনুষ্ঠান প্রায়ই ছিল একেকটি পরিকল্পিত অভিনয়।</p><p>আত্মসমালোচনা সেশনের আগে সহকর্মীরা নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া করে নিতেন কে কার সামান্য কী ভুল ধরবেন, যাতে নিয়ম রক্ষা হলেও কারও বড় ক্ষতি না হয়।</p><p>২০১১ সালে কিম জং ইলের মৃত্যুর পর জনসমক্ষে শোক প্রকাশের ক্ষেত্রেও এই অভিনয়ের রূপ দেখা যায়। এক অভিজাত নারী জানান, নেতার মৃত্যুতে তিনি স্বস্তি পেলেও বিপদের আশঙ্কায় নিজের ব্যক্তিগত বেদনাদায়ক স্মৃতি মনে করে কান্নার চেষ্টা করেন। আর চোখে জল না এলে মাথা নিচু ও কাঁধ ঝাঁকিয়ে কান্নার অভিনয় করতেন—যাঁর মতে, ভিড়ের অনেকেই তখন একই অভিনয় করছিলেন।</p><p>সমাজবিজ্ঞানীরা এ ব্যবস্থার নাম দিয়েছেন ‘প্রেফারেন্স ফলসিফিকেশন’ বা সত্য পছন্দের অপলাপ—বিপদের ভয়ে মানুষ নিজের আসল মতামত গোপন রেখে মিথ্যা আনুগত্য প্রদর্শন করে। পিয়ংইয়ংয়ে এটি প্রতিদিনের বেঁচে থাকার কৌশল।  </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/bvvugo6o/rts3429m.jpg.webp"><figcaption>একটি সামরিক মহড়ায় কিম জং উন </figcaption></figure><h3>অভিজাতরা যা চান</h3><p>উত্তর কোরিয়ার সমাজের শীর্ষ অবস্থান কেউ সহজে ছাড়তে চান না, তাই কিম জং–উনও বিলাসবহুল আবাসন ও উপহার প্রদান করে অভিজাতদের পদমর্যাদা ও প্রভাব টিকিয়ে রেখেছেন। একজন আমলার ক্ষমতার সম্মান ও প্রভাব রাষ্ট্রীয় অসন্তোষ সত্ত্বেও তাঁদের দেশে আটকে রাখতে সাহায্য করে।</p><p>তরুণ ও মধ্যবয়সী অভিজাতরা আগের মতো ত্যাগ স্বীকার করতে রাজি নন। অভিভাবকেরা আর চান না যে তাঁদের ছেলেরা সেনাবাহিনীতে ১০ বছর পার করুক বা কেবল পার্টিতে ক্যারিয়ার গড়ুক। তাঁরা চান ব্যবসা, প্রযুক্তি শিক্ষা, বিদেশে পড়াশোনা এবং ব্যক্তিগত সম্পদ তৈরি।</p><p>অর্থের আগমন উত্তর কোরিয়ার এই তথাকথিত ‘সমাজতান্ত্রিক স্বর্গে’ নতুন নিয়ম তৈরি করেছে। এক দলত্যাগকারী আমাকে রসিকতা করে বলেছিলেন, কিম জং–উনের পর উত্তর কোরিয়ার চতুর্থ শাসক হবে ‘টাকা’।</p><p>কিম কিছু অর্থনৈতিক পরিবর্তন মেনে নিয়েছেন; বাজারগুলো এখন রাষ্ট্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও করযুক্ত। অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রিত ইন্টারনেট এবং স্থানীয় স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আইন মেনে চলা কর্মকর্তাও যেকোনো সময় ক্ষমতার দ্বন্দ্বে বা স্বজনপ্রীতির বলি হয়ে ধ্বংস হয়ে যেতে পারেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/xfjrk35an5">ইউরোপ কেন যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/n3daxyws5k">ইউরোপ আরেকটি ব্যর্থ বছর সহ্য করতে পারবে না</a></aside><h3>একলা, কিন্তু একসঙ্গে</h3><p>অভিজাতদের অসন্তোষ বাড়লেই যে অভ্যুত্থান ঘটবে, এমন নয়। অসন্তোষ নিরসনে তাঁদের সামনে পাঁচটি পথ খোলা থাকে—চুপ থাকা, পালানো, সমান্তরাল অর্থের নেটওয়ার্ক তৈরি করা, প্রতিবাদ করা বা সংস্কারের দাবি তোলা। শেষের তিনটি উত্তর কোরিয়ায় মারাত্মক বিপজ্জনক।  </p><p>অধিকাংশ মানুষ থেকে যাওয়ার পথটিই বেছে নেন। পরিবারভিত্তিক যৌথ শাস্তির ভয়ে কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারেন না। প্রতিবেশী, সহকর্মী, এমনকি স্বজনদের ওপর নজর রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।</p><p>সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা লি চুল ইউন, যিনি ছয় কিলোমিটার সাঁতরে দক্ষিণ কোরিয়ায় পালিয়েছিলেন, উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তাব্যবস্থাকে এক জটিল ‘মাকড়সার জাল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোকে তিনি চরম উন্মাদনা বলে মনে করেন।</p><p>রাষ্ট্র টিকে থাকার জন্য চীনের সাথে বাণিজ্য, অস্ত্র বিক্রি, সাইবার অপরাধ এবং বিদেশে শ্রমিক পাঠিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে পারমাণবিক কর্মসূচি ও অভিজাতদের বিলাসিতা বজায় রাখছে। দুর্ভিক্ষ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা—সবকিছুর পরও রাষ্ট্র টিকে গেছে। </p><p>তবে সবচেয়ে বড় হুমকি কোনো সাধারণ গণ–অভ্যুত্থান থেকে নয়, বরং পিয়ংইয়ংয়ের ভেতরের অভিজাতদের থেকেই আসার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে তাঁরা একত্র হতে পারছেন না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/k02vli0d/RTX8LKGB_JPG.webp"><figcaption>উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন</figcaption></figure><h3>কিমের শেষ দিনগুলো</h3><p>কিম জং–উন হয়তো নজরদারি, রদবদল, শাস্তি ও পুরস্কারের মাধ্যমে অভিজাতদের অসন্তোষ সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কিন্তু এই স্বৈরতন্ত্রের মূল দূর করা সম্ভব নয়। অভিজাতদের মন থেকে ভয় দূর করতে হলে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড, পরিবারভিত্তিক যৌথ শাস্তি, রাজনৈতিক বন্দিশালা এবং তথ্য নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করতে হবে।</p><p>কিন্তু এই ছাড়গুলো দিলে অভিজাতদের ভয় কমবে এবং তাঁরা কিমের বিরুদ্ধে যেতে উৎসাহিত হবেন, যা কিম কখনোই হতে দেবেন না।</p><p>ফলে কিম নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করবেন, যা ভেতর থেকে শাসনব্যবস্থাকে আরও দুর্বল করে তুলবে। অভিজাতদের সাক্ষাৎকার থেকে এটি স্পষ্ট নয় যে শাসনব্যবস্থা আগামীকালই ভেঙে পড়বে; বরং এটি কিম পরিবারের জন্য এক গভীর দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।</p><ul><li><p><strong>জিউন বায়েক</strong> উত্তর কোরিয়া বিশেষজ্ঞ। </p><p><em>ফরেন অ্যাফেয়ার্স</em> থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।</p></li></ul>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
জামাল ভূঁইয়ার ফুটবল ক্যারিয়ারের স্বপ্নের দিন
জামাল ভূঁইয়ার ফুটবল ক্যারিয়ারের স্বপ্নের দিন

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/jamal-vuunnyar-futbl-kzariyarer-swpner-din</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
গাজীপুর-আশুলিয়ায় আজও বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ
গাজীপুর-আশুলিয়ায় আজও বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

ঢাকা ও গাজীপুরে আজ চতুর্থ দিনের মতো গার্মেন্ট শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধের খবর পাওয়া গেছে এবং কয়েকটি জায়গায় সড়ক দিয়ে যান চলাচচল বন্ধ আছে। এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের কেশম দ্বীপের কয়েকটি এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

নভেম্বর ৩, ২০২৬
গ্রাহকদের জন্য এলপি গ্যাসের দাম আবারো বাড়ল
গ্রাহকদের জন্য এলপি গ্যাসের দাম আবারো বাড়ল

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম আবারো বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবিতে সোমবারও, মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরে সকাল থেকে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকরা।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ হাজার ভোট আলাদা করতে ট্রাম্পের প্রচেষ্টায় সুপ্রিম কোর্টের বাধা
ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ হাজার ভোট আলাদা করতে ট্রাম্পের প্রচেষ্টায় সুপ্রিম কোর্টের বাধা

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে, যাতে প্রায় ২০ হাজার ব্যালট আলাদা করে রাখার কথা বলা হয়েছিল। সরকারের দাবি ছিল, এগুলো এমন ব্যক্তিদের ভোট, যারা "সম্ভবত" অ-নাগরিক।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
পত্রিকা: 'পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে আ'লীগের ভয়ঙ্কর ছক'
পত্রিকা: 'পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে আ'লীগের ভয়ঙ্কর ছক'

বাংলাদেশে ৬৯০টির মতো পোশাক কারখানা বন্ধ এবং এই অস্থিরতার পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধন দেখছে সরকার- এ ধরনের খবর আজ প্রায় সব পত্রিকার প্রথম পাতায় জায়গা পেয়েছে।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে  কি বৈধ হয়?
ভিডিও কলে শুধু কবুল পড়ে বিয়ে করলে কি বৈধ হয়?

বাংলাদেশে মুসলিমদের এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু কবুল পড়ে অথবা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিড করে বিয়ে করেন। আইনজীবী এবং কাজী অফিস সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মসজিদে গিয়ে বর-কনে কবুল বলে বিয়ে করলে সেটি রেজিস্ট্রি না করলেও শরীয়তসম্মত। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এ ধরনের বিয়ে কী বৈধ?

নভেম্বর ৩, ২০২৬
হিমালয়ে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে তিন লক্ষেরও বেশি মানুষ
হিমালয়ে বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে তিন লক্ষেরও বেশি মানুষ

হিমালয় অঞ্চলের কিছু অংশে নেপাল ও ভারত জুড়ে অন্তত তিন লাখ মানুষ এমন এলাকায় বসবাস করছেন, যেখানে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি রয়েছে, এমনটা জানাচ্ছে একটি নতুন গবেষণা।

নভেম্বর ২, ২০২৬
বিক্ষোভ-সংঘর্ষ চলছেই, পোশাক কারখানার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কবে?
বিক্ষোভ-সংঘর্ষ চলছেই, পোশাক কারখানার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কবে?

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ কয়েকদফা দাবিতে গত কয়েকদিনের মতো সোমবারও সকাল থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবারও ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নভেম্বর ২, ২০২৬
রামলীলা ময়দানের সমাবেশে মমতা ব্যানার্জীর উপস্থিতি রাজনীতিতে কী বার্তা দিচ্ছে?
রামলীলা ময়দানের সমাবেশে মমতা ব্যানার্জীর উপস্থিতি রাজনীতিতে কী বার্তা দিচ্ছে?

দিল্লির রামলীলা ময়দানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া ব্লকের রোববারের সমাবেশ একদিকে যেমন ছিল বিজেপি-বিরোধী শিবিরের ঐক্য ও শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ, অন্যদিকে শরিক দলগুলোর কাছে নিজস্ব রাজনৈতিক সমীকরণ সাজানোর একটা সুযোগ বলে অনেকে মনে করছেন।

নভেম্বর ২, ২০২৬
আতলেতিকোর দুর্গে লড়াই করতে পারবে তো বায়ার্ন?
আতলেতিকোর দুর্গে লড়াই করতে পারবে তো বায়ার্ন?

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ব্লকবাস্টার ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আতলেতিকো মাদ্রিদ-বায়ার্ন। নামে ও ভারে বায়ার্ন এগিয়ে থাকার পরও এই ম্যাচের ফেবারিট আতলেতিকো।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী 
সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী 

বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
গাজীপুরে নিরাপত্তা জোরদার, বাড়ল বিজিবি-ম্যাজিস্ট্রেট
গাজীপুরে নিরাপত্তা জোরদার, বাড়ল বিজিবি-ম্যাজিস্ট্রেট

শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা প্রস্তুতি আরো জোরদার করেছে জেলা প্রশাসন।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
সরকারকে চাপে রাখতে রাজপথে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি ১১ দলের
সরকারকে চাপে রাখতে রাজপথে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি ১১ দলের

রাজধানী থেকে চট্টগ্রাম ও রংপুরের পর ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ায় লংমার্চ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
টিভিতে আজকের খেলা
টিভিতে আজকের খেলা

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ আতলেতিকো–বায়ার্ন

নভেম্বর ৩, ২০২৬
ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিনই ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, পরে জানা গেল তিনি ১৯ মামলার আসামি
অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার, পরে জানা গেল তিনি ১৯ মামলার আসামি

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবির মামলায় বদিউজ্জামান ওরফে বদি নামে (৪০) এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে জানা যায় তিনি হত্যা ও অপহরণসহ অন্তত ১৯টি মামলার আসামি।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ নেই, স্বাভাবিক ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক
গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ নেই, স্বাভাবিক ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

টানা কয়েক দিনের শ্রমিক বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের পর গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ফিরেছে স্বাভাবিক পরিবেশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে মহাসড়কের কোথাও শ্রমিকদের বিক্ষোভ বা অবরোধের ঘটনা ঘটেনি। স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে স্থানীয় ও দূরপাল্লার যানবাহন।

নভেম্বর ৩, ২০২৬