সিলেটে হৃদয়ময় দিনে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ
চার দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিকেও কাপ ৭ম আন্তর্জাতিক ওপেন কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার কারাতেকারা।
প্যারাগুয়ের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা অভিশংসিত হয়েছেন এবং তাকে গৃহবন্দি করা হয়েছে। শনিবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
আজ দিনটাই যেন শুধুই তাওহিদ হৃদয়ময়। দলের একের পর এক ব্যাটসম্যান ফিরেছেন, কিন্তু এক প্রান্তে অটল ছিলেন তিনি। প্রথমে সেঞ্চুরি, তারপর ডাবল সেঞ্চুরি, এরপরও থামেননি।
বৃষ্টির বাধা, ডিএলএস পদ্ধতির হিসাব-নিকাশ আর শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস লড়াই। সব মিলিয়ে ওয়েলিংটনে রোমাঞ্চকর এক জয় তুলে নিয়েছে ভারত।
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ-সৌদি রুটে ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল-স্থগিত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার তেহরানকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে, যাতে তারা জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র পরিদর্শকদের ইরানের বোমা হামলার শিকার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের...
জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন মানুষ চেয়েছিলেন, সেই প্রত্যাশার কথা বলতে গিয়ে নিজের বাবার প্রসঙ্গ টেনেছেন সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবিন।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
বুয়েটে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছিল না। ফলে কেবল লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছিল।
<p>বিশ্ব অর্থনীতিতে আজ একটি সুদৃঢ় ও নির্ভরযোগ্য বিকল্প অর্থব্যবস্থা হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে ইসলামি ব্যাংকিং। প্রচলিত সুদভিত্তিক ব্যবস্থার বিপরীতে অংশীদারি, ঝুঁকি ও মুনাফার ন্যায্য বণ্টন, সম্পদের উৎপাদনমুখী ব্যবহার, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং শরিয়তের অনুশাসনের অঙ্গীকার নিয়েই এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।</p><p>কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় একটি মৌলিক প্রশ্ন আজ বড় হয়ে দেখা দিয়েছে—ইসলামি ব্যাংকিং কি শুধু সুদবিহীন কিছু আর্থিক পণ্যের বিকল্প ব্যবস্থা, নাকি এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নৈতিক, মানবিক ও ইনসাফভিত্তিক অর্থনৈতিক দর্শন?</p><p>প্রশ্নটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ইসলামি ব্যাংকিংয়ের আসল পরিচয় শুধু মুরাবাহা, মুদারাবা, মুশারাকা কিংবা ইজারা নামের কিছু আরবি পরিভাষার চুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না।</p><p>এর মূল চালিকাশক্তি হলো তাকওয়া, আমানতদারি, সততা, স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার এবং মাকাসিদুশ শরিয়াহর (শরিয়তের মূল উদ্দেশ্য) বাস্তব প্রতিফলন।</p><p>ব্যাংকগুলোর প্রাত্যহিক কার্যক্রমে এসব নৈতিক মূল্যবোধ দৃশ্যমান না হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বাহ্যিকভাবে ইসলামি কাঠামো ধরে রাখলেও তাদের সঙ্গে প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের মৌলিক ফারাক ক্রমেই মুছে যায়।</p><p>এতে কেবল গ্রাহকের আস্থাই নষ্ট হয় না; বরং ইসলামি অর্থনীতির সামগ্রিক দর্শনই প্রশ্নের মুখে পড়ে।</p><blockquote>ব্যাংকের বিনিয়োগনীতি এমন হওয়া প্রয়োজন, যাতে সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমে, উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও প্রান্তিক কৃষক অর্থায়নের সুযোগ পান এবং জাতীয় সম্পদ গুটিকয়েক মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়।</blockquote><h3>নৈতিকতা: ইসলামি ব্যাংকিংয়ের প্রাণ </h3><p>নৈতিকতা বা ইথিকস বলতে প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ ও সিদ্ধান্তে ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় এবং সততার অবিচল চর্চাকে বোঝায়। ইসলামি পরিভাষায় এর সঙ্গে আখলাক, আদব, আমানত, ইনসাফ ও তাকওয়ার গভীর যোগসূত্র রয়েছে।</p><p>ইসলামি নৈতিকতার বিশেষত্ব হলো, এটি কেবল সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বা রাষ্ট্রের আরোপিত আইন মেনে চলার মধ্যেই সীমিত নয়; বরং এর মূল ভিত্তি আল্লাহর কাছে চূড়ান্ত জবাবদিহি, হালাল-হারামের সার্বক্ষণিক সতর্কতা এবং আখেরাতের বিশ্বাস। </p><p>কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন, তোমরা আমানত তার প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দেবে এবং মানুষের মধ্যে বিচার-মীমাংসা করলে ন্যায়বিচার করবে।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ৫৮)</p><p>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা অত্যন্ত গভীর অর্থ বহন করে। কারণ, আমানতকারীর গচ্ছিত অর্থ, বিনিয়োগকারীর ন্যায্য স্বার্থ, সাধারণ গ্রাহকের অধিকার কিংবা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ—সবকিছুই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকদের কাছে এক পবিত্র আমানত।</p><p>ফলে এসব দায়িত্ব পালনে সামান্যতম অবহেলা, তথ্য গোপন, প্রতারণা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার নিছক কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়; বরং তা স্পষ্ট খেয়ানত ও ধর্মীয় অনুশাসনের গুরুতর লঙ্ঘন।</p><p>রাসুল (সা.) সতর্ক করে বলেছেন, ‘যে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে, সে আমাদের আদর্শের অনুসারী নয়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০১)</p><p>সুতরাং ইসলামি ব্যাংকিংয়ে নৈতিকতা কোনো বাড়তি অলংকার বা ঐচ্ছিক বিষয় নয়; এটি তার অস্তিত্বের অন্যতম মৌলিক শর্ত।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/thzxyozs81">প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং কতটা শরিয়া অনুসরণ করছে</a></aside><h3>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য </h3><p>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ‘মাকাসিদুশ শরিয়াহ’ বা শরিয়তের মূল উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়ন করা। ইসলামি আইনশাস্ত্রে এর পাঁচটি মৌলিক ভিত্তি বিশেষভাবে স্বীকৃত: দীন, জীবন, বুদ্ধি, বংশমর্যাদা ও সম্পদ সংরক্ষণ।</p><p>অর্থাৎ শরিয়তের যাবতীয় বিধিমালার লক্ষ্যই হলো মানুষের ইহলৌকিক ও পরলৌকিক কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং সব ধরনের ক্ষতি প্রতিরোধ করা।</p><p>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সম্পদ সংরক্ষণের বিষয়টি সরাসরি সম্পৃক্ত। তবে এর অর্থ শুধু ব্যাংকের নিজস্ব মূলধন বাড়ানো বা নিরাপদ মুনাফা নিশ্চিত করা নয়; বরং আমানতকারী, বিনিয়োগকারী ও গোটা সমাজের আর্থিক স্বার্থ সংরক্ষণ করাও এর অংশ।</p><p>একই সঙ্গে ব্যাংকের বিনিয়োগনীতি এমন হওয়া প্রয়োজন, যাতে সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমে, উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও প্রান্তিক কৃষক অর্থায়নের সুযোগ পান এবং জাতীয় সম্পদ গুটিকয়েক মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়।</p><p>আল্লাহ বলেছেন, ‘যাতে সম্পদ কেবল তোমাদের ধনীদের মধ্যেই আবর্তিত না থাকে।’ (সুরা হাশর, আয়াত: ৭)</p><p>অতএব, ইসলামি ব্যাংকগুলো যদি কেবল মুনাফা অর্জন ও বৃদ্ধিতেই মগ্ন থাকে, কিন্তু সামাজিক কল্যাণ ও সম্পদের উৎপাদনশীল বণ্টনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারে, তবে শরিয়তের বৃহত্তর ও মহৎ উদ্দেশ্য অপূর্ণই থেকে যায়।</p><blockquote>সাধারণ কর্মীরা যদি মনে করেন শরিয়া মেনে চলা শুধু ‘শরিয়াহ বিভাগ’-এর কাজ, তবে ব্যাংকে সামগ্রিক সততার চর্চা গড়ে ওঠে না। তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত প্রত্যেকের কাজে নৈতিকতা থাকা জরুরি।</blockquote><h3>নৈতিকতা না থাকার ৮ ক্ষতি </h3><p>১. ইসলামি ব্যাংকিংয়ের মূল কথা হলো বাস্তব পণ্যের কেনাবেচা এবং ঝুঁকি ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু বাস্তবে পণ্য না কিনে যদি শুধু কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতায় ‘মুরাবাহা’ সাজানো হয়, তবে তা প্রচলিত সুদি ঋণেরই নামান্তর হয়ে দাঁড়ায় এবং ব্যাংকের স্বকীয়তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।</p><p>২. ব্যাংকের সবচেয়ে বড় সম্পদ মানুষের বিশ্বাস। লুকানো চার্জ, অস্পষ্ট শর্ত, তথ্য গোপন কিংবা সেবায় অবহেলা দেখা দিলে মানুষ দ্রুত মুখ ফিরিয়ে নেয়।</p><p>৩. ইসলাম শুধু সুদ বর্জন করতেই বলেনি; বরং যেকোনো ধরনের ঠকবাজি, অস্বচ্ছতা ও শোষণ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। সুদ এড়িয়েও যদি ব্যাংক অনৈতিক চাতুর্যের আশ্রয় নেয়, তবে তা ইসলামি অর্থনীতির মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।</p><p>৪. শরিয়তের অন্যতম লক্ষ্য হলো সম্পদ যেন কেবল ধনীদের হাতে বন্দি না থাকে। কিন্তু ইসলামি ব্যাংকগুলো যদি কেবল বড় করপোরেট ও প্রভাবশালীদের পেছনে ছোটে, তবে কৃষক, ছোট ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক মানুষ অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হন।</p><p>৫. কর্মকর্তাদের মধ্যে তাকওয়া বা জবাবদিহির মানসিকতা না থাকলে প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার বাড়ে।</p><p>৬. শরিয়াহ বোর্ড বা অডিট বিভাগ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে এবং কেবল নথিপত্রে সই করার আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকে, তবে শরিয়াহ তদারকির মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়।</p><p>৭. সাধারণ কর্মীরা যদি মনে করেন শরিয়া মেনে চলা শুধু ‘শরিয়াহ বিভাগ’-এর কাজ, তবে ব্যাংকে সামগ্রিক সততার চর্চা গড়ে ওঠে না। তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত প্রত্যেকের কাজে নৈতিকতা থাকা জরুরি।</p><p>৮. নৈতিকতার ঘাটতি থাকলে অনিয়ম ও ঝুঁকিপূর্ণ খাতে যাচাই ছাড়া বিনিয়োগ বাড়ে। এর অনিবার্য পরিণতি হলো মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ, তারল্যসংকট ও প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি সুনামহানি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/2pnudocx8q">‘ইসলামি শরিয়া’ কোনো ভীতিকর বিষয় নয়</a></aside><h3>আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কী বলে </h3><p>বিশ্বজুড়ে ইসলামি অর্থব্যবস্থাকে শৃঙ্খলায় রাখতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড তৈরি করেছে।</p><p>অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস (আওফি) ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পেশাজীবীদের জন্য ‘কোড অব ইথিকস’ প্রণয়ন করেছে। এতে সততা, আমানতদারিতা, পেশাগত দক্ষতা, গোপনীয়তা, নৈতিক আচরণ এবং শরিয়াহর প্রতি অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>অন্যদিকে ইসলামিক ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বোর্ড (আইএফএসবি) ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক আচরণ, স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও গ্রাহকের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করে।</p><p>অর্থাৎ আন্তর্জাতিক নিয়মেও ইসলামি ব্যাংকিংয়ের নৈতিকতা নিছক ব্যক্তিগত ধর্মচর্চা নয়, বরং এটি প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের অপরিহার্য অংশ।</p><blockquote>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের সাফল্য শুধু সুদমুক্তির প্রচার বা আরবি নামকরণের ভেতর সীমাবদ্ধ নয়। সাইনবোর্ডে ‘ইসলামি’ লিখে ভেতরে প্রচলিত ব্যবস্থার মতো আচরণ করলে দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের আস্থা ধরে রাখা অসম্ভব।</blockquote><h3> উত্তরণের ৮ পথ </h3><p>বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইসলামি ব্যাংকিংয়ের ব্যাপক প্রসার ঘটলেও এর ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:</p><p>১. প্রতিটি ব্যাংকে কার্যকর ‘ইথিকস পলিসি’ রাখা এবং এবং তা মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা।</p><p>২. কেবল সর্বোচ্চ মুনাফার পেছনে না ছুটে সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা।</p><p>৩. পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের চাপমুক্ত হয়ে অভিজ্ঞ আলেম ও অর্থনীতিবিদদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া।</p><p>৪. অডিট যেন কেবল টেবিলের ফাইলেই সীমাবদ্ধ না থাকে; প্রকৃত ব্যবসা ও পণ্য কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করা।</p><p>৫. বিনিয়োগের খরচ, মুনাফার হার, ঝুঁকি ও অতিরিক্ত চার্জ সম্পর্কে গ্রাহককে শুরুতেই সহজ ভাষায় পরিষ্কার ধারণা দেওয়া।</p><p>৬. বড় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষক, নারী উদ্যোক্তা ও কুটিরশিল্পে বিনিয়োগের পরিধি বাড়ানো।</p><p>৭. ব্যাংকের সব স্তরের কর্মকর্তাদের লেনদেনের ইসলামি নীতিমালা (ফিকহুল মুআমালাত), দুর্নীতি প্রতিরোধ ও পেশাগত সততার ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া।</p><p>৮. শরিয়াহ লঙ্ঘন বা আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিললে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।</p><p>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের সাফল্য শুধু সুদমুক্তির প্রচার বা আরবি নামকরণের ভেতর সীমাবদ্ধ নয়। সাইনবোর্ডে ‘ইসলামি’ লিখে ভেতরে প্রচলিত ব্যবস্থার মতো আচরণ করলে দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের আস্থা ধরে রাখা অসম্ভব।</p><ul><li><p><em><strong>ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি:</strong> চেয়ারম্যান: শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি, এনসিসি ব্যাংক পিএলসি</em></p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/5kk8ha9v5g">সুদকে বৈধ মনে করার ক্ষতি কী</a></aside>
শিখো জানিয়েছে, নতুন বিনিয়োগের ফলে আন্তর্জাতিক পুঁজির পাশাপাশি দেশের শিক্ষা খাতে বিনিয়োগকারীদের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগও কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
<p>ইদানীং সন্ধ্যায় আলো জ্বেলে কাজ করতে গেলে ছোট কিছু পোকার দেখা মিলছে। আলোর আশপাশে উড়ছে ছোট ছোট সবুজ পোকা। সন্ধ্যা হলেই জানালার কাচ, দেয়াল কিংবা বাতির চারপাশে জড়ো হচ্ছে এমন অনেক পোকা। উড়ে এসে গায়ে বসছে। কখনো আবার কামড়েও দিচ্ছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/150lz8w5/Fliesaround60wattlightglobe.jpg"><figcaption>কার্তিক মাসের দিকে গ্রিন লিফহপারের আনাগোনা বেড়ে যায়</figcaption></figure><p>কার্তিক মাসের দিকে গ্রিন লিফহপারের আনাগোনা বেড়ে যায়। স্থানীয়ভাবে অনেকে এদের শ্যামা পোকা বলেন। তবে পোকাটির ইংরেজি নাম গ্রিন লিফহপার বা সবুজ পাতা ফড়িং। </p><h3>গ্রিন লিফহপার আসলে কী?</h3><p>গ্রিন লিফহপার ছোট, সবুজ রঙের একধরনের পোকা। এদের শরীর সাধারণত সরু ও কিছুটা ত্রিকোণাকৃতি। গাছের পাতা ও কাণ্ডে বসে এরা খাবার খায়। মুখের অংশ অনেকটা সরু সুচের মতো। এই অংশ দিয়ে গাছের কোষ ফুটা করে ভেতর থেকে রস শুষে খায়। তবে গ্রিন লিফহপার বলতে একটিমাত্র প্রজাতিকে বোঝায় না। এই নামে কাছাকাছি বৈশিষ্ট্যের একাধিক প্রজাতির পোকা আছে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/qvr63r9v/pexels_hiagorocha_18721823.jpg"><figcaption>স্থানীয়ভাবে অনেকে এদের শ্যামা পোকা বলেন</figcaption></figure><p>বাংলাদেশেও ধানখেতের পোকা নিয়ে ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চালানো একটি গবেষণায় ১০ প্রজাতির লিফহপার ও ৫ প্রজাতির প্ল্যান্টহপারের সন্ধান পাওয়া গেছে। তাই শুধু সবুজ রং বা আকার দেখে কোনো পোকাকে নির্দিষ্ট প্রজাতির বলে চিহ্নিত করা কঠিন। গ্রিন লিফহপার ধানের ক্ষতিকর পোকা হিসেবে পরিচিত। ধানগাছের রস শুষে খাওয়ার পাশাপাশি কিছু প্রজাতি ধানে টুংরো ভাইরাস ছড়াতেও ভূমিকা রাখে। ফলে আক্রান্ত গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে, কমে যেতে পারে ফলন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/kislvrdtbo">প্রায় দুই লাখ টাকার শাড়ি পরে মিস ইউনিভার্সে অংশ নিতে গেলেন ভারতের কাজিয়া</a></aside><h3>আলো দেখলেই ঘরে আসে কেন?</h3><p>গ্রিন লিফহপারসহ অনেক উড়ন্ত পোকাকে রাতে কৃত্রিম আলোর আশপাশে ঘুরতে দেখা যায়। ঘরের বাতি, রাস্তার বাতি কিংবা দোকানের উজ্জ্বল আলো এদের স্বাভাবিক চলাচলে প্রভাব ফেলে। তবে পোকাগুলো সব সময় সরাসরি আলোর দিকে ছুটে আসে না।</p><p>২০২৪ সালে ‘নেচার কমিউনিকেশন’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা উচ্চগতির ক্যামেরা ও ত্রিমাত্রিক গতিপথ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন পোকাকে কৃত্রিম আলোর আশপাশে উড়িয়ে দেখেছেন। গবেষণায় দেখা যায়, অনেক পোকা আলোর দিকে পিঠ ঘুরিয়ে রাখার চেষ্টা করে।</p><p>প্রাকৃতিক পরিবেশে আকাশ সাধারণত চারপাশের তুলনায় বেশি উজ্জ্বল থাকে। অনেক উড়ন্ত পোকা আকাশের উজ্জ্বল অংশকে ওপরের দিক বোঝার সংকেত হিসেবে ব্যবহার করে। এতে উড়তে গিয়ে শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখা সহজ হয়। বিজ্ঞানীরা এই আচরণকে বলেন ডরসাল লাইট রেসপন্স। </p><p>সহজভাবে বললে, শরীরের পিঠকে সবচেয়ে উজ্জ্বল দিকের দিকে রাখার প্রবণতা। কিন্তু রাতে ঘরের বাতি বা রাস্তার আলো এই স্বাভাবিক সংকেতকে বিভ্রান্ত করতে পারে। পোকা তখন আলোকে ওপরের দিক ভেবে শরীর ঘোরাতে থাকে। ফলে সোজা পথে উড়ে চলে যাওয়ার বদলে আলোর চারপাশে ঘুরপাক খায়। কখনো একই জায়গায় বারবার চক্কর দিতে থাকে।</p><h3>কার্তিক মাসে এত বেশি দেখা যায় কেন?</h3><p>কার্তিক মাসে গ্রিন লিফহপার বেশি দেখা যাওয়ার পেছনে ঋতু পরিবর্তন ও ধানখেতের অবস্থার ভূমিকা থাকতে পারে। এ সময় আমন ধান পাকে। ধানগাছের পাতা ও কাণ্ড থেকে রস শুষে খাওয়া সবুজ পাতা ফড়িংয়ের জন্য ধানখেত গুরুত্বপূর্ণ খাবারের উৎস। বাংলাদেশের গাজীপুরে ছয় বছর ধরে চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ পাতা ফড়িংয়ের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি ছিল অক্টোবর মাসে, এরপর নভেম্বরে। </p><p>তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও বাতাসের আর্দ্রতাও এদের সংখ্যা ওঠানামায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কার্তিক মাসে এরা সবাই একসঙ্গে ডিম পাড়ে বলেই সংখ্যা বেড়ে যায়, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ কম। প্রজাতিভেদে এদের প্রজনন ও জীবনচক্র আলাদা। আবার ধানখেতে পোকা বাড়লে বাসাবাড়িতে পোকা বেশি দেখা যাবে, সব সময় এমন ঘটনা ঘটে না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/7m3zclpq/pexels_kelly_17333431.jpg"><figcaption>গ্রিন লিফহপার ধানের ক্ষতিকর পোকা হিসেবে পরিচিত</figcaption></figure><h3>গ্রিন লিফহপার কি মানুষকে কামড়ায়?</h3><p>গ্রিন লিফহপার মানুষের রক্ত খায় না। এদের মুখের অংশ মূলত গাছের কোষ ছিদ্র করে রস শুষে নেওয়ার জন্য তৈরি। তাই মশা বা ছারপোকার মতো মানুষকে কামড়ে রক্ত খাওয়ার জন্য এরা আসে না। কিছু প্রজাতির লিফহপার ভুল করে মানুষের ত্বকে মুখের অংশ ফুটিয়ে দিতে পারে। ২০১৩ সালে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনামূলক গবেষণায় মানুষের ত্বকে এভাবে খোঁচা দেওয়া বা কামড়ানোর ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন দেশের পর্যবেক্ষণ একত্র করা হয়েছে। গবেষণায় অন্তত ৩৯ প্রজাতির লিফহপারের এমন আচরণের তথ্য পাওয়া যায়। এরা গায়ে বসলে কখনো সুচ ফোটার মতো ব্যথা বা হঠাৎ খোঁচা লাগার অনুভূতি হতে পারে। </p><p>কারও ক্ষেত্রে সাময়িক অস্বস্তিও তৈরি হতে পারে। তবে এরা মানুষের রক্ত খায় না এবং সাধারণভাবে মানুষের জন্য বিপজ্জনক পোকা হিসেবে পরিচিত নয়। কোনো পোকা গায়ে বসলে হাত দিয়ে ঝাপটা মেরে সরানোর বদলে আলতোভাবে সরিয়ে দেওয়াই ভালো। কামড়ানোর মতো অনুভূতি হলে জায়গাটি সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া যেতে পারে। অস্বস্তি থাকলে ঠান্ডা সেঁক দেওয়া যেতে পারে। তীব্র ফোলা, শ্বাসকষ্ট বা শরীরের অন্য কোথাও অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/r3pr9gac88">কীভাবে বুঝবেন আপনি একই সঙ্গে অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী?</a></aside><h3>ঘর থেকে তাড়াবেন যেভাবে</h3><p>গ্রিন লিফহপার ঘরে ঢোকা ঠেকানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় দরজা-জানালা বন্ধ রাখা। জানালায় সূক্ষ্ম জাল বা নেটও লাগানো যায়। সন্ধ্যার সময় আলো জ্বালালে দরজা–জানালা বন্ধ করে রাখা যায়।</p><p>ঘরের বাইরের দিককার দরজা বা জানালার একেবারে কাছে উজ্জ্বল বাতি না রাখলে এই পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচা যায়। জানালার কিছুটা দূরে রাখা, অপ্রয়োজনীয় বাতি বন্ধ রাখাও কাজে আসতে পারে। এতে সব পোকা আসা বন্ধ হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।</p><p>আলোর রং বদলালেই গ্রিন লিফহপার আর আসবে না, এমন ধারণারও নির্ভরযোগ্য ভিত্তি নেই। বিভিন্ন প্রজাতির পোকা আলোর রং ও তীব্রতায় ভিন্নভাবে সাড়া দিতে পারে। তাই শুধু বাতির রং বদলানোর চেয়ে অপ্রয়োজনীয় আলো কমানো এবং দরজা-জানালা সুরক্ষিত রাখাই বেশি বাস্তবসম্মত।</p><p>ঘরে পোকা ঢুকে পড়লে মেরে ফেলার প্রয়োজন নেই। জানালা বা দরজা খুলে ঘরের বাতি নিভিয়ে বাইরের দিকে আলো জ্বেলে দিন। পোকাগুলো বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাবে। দেয়াল বা মেঝেতে বসে থাকলে কাগজ কিংবা ছোট পাত্রের সাহায্যে ধরে বাইরে ছেড়ে দেওয়া যায়। ঘরের মধ্যে কীটনাশক ছিটিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ইন্টারনেটে গ্রিন লিফহপার তাড়ানোর জন্য লেবু, মরিচ, কর্পূর কিংবা নানা ধরনের তেলের মিশ্রণ ব্যবহারের পরামর্শ পাওয়া যায়। কিন্তু এসব উপাদান ঘর থেকে পোকা দূরে রাখে, এমন প্রমাণ নেই। বরং কর্পূর বা অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ ভুলভাবে ব্যবহার করলে মানুষের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/nltnsxnzzj">বিশ্বের যে দেশে বাংলাদেশি পাবেন ভাবেননি ‘নাদির অন দ্য গো’, সেখানেই পেলেন হাজারো বাংলাদেশি</a></aside>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশ স্বাধীনের পর থেকে যে মহল বাংলাদেশে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করত...জনগণ তাদের পরাজিত করেছে। আবারও তারা ষড়যন্ত্র নিয়ে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে।</p><p>‘আসুন, আজ এই জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব এবং বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করব। এটাই হোক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রতিজ্ঞা। প্রিয় ভাই ও বোনেরা, যত দিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন এই বিপ্লবের র্যালি চলমান থাকবে।’</p><p>ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ কথা বলেন তারেক রহমান।</p><p>দিবসটি উপলক্ষে বেলা তিনটার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিএনপির শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হেয়ার রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, বিজয় সরণি হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।</p><p>শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা ছিলেন।</p>
মিসরীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান আবদুল আল-সাইয়েদ। তাঁর স্ত্রী সারা জুকাকু পেশায় একজন মনোরোগ চিকিৎসক। সারার পরিবারের শিকড় ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকে।
হামলাকারী ব্যক্তিরা ওই প্রতিষ্ঠানের কাচের দরজা-জানালা, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), টেলিভিশন, অভ্যর্থনাকক্ষের কাউন্টারসহ বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করেন।
<p>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর কি বড় চাপে ট্রাম্প? তাঁর প্রশাসনে পরিবর্তন, ডেমোক্র্যাটদের চ্যালেঞ্জ আর ইরান যুদ্ধ কি নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি করছে? বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের পাত্রে রান্না করা ভাত খেলে একটি শিশুর খাবারের মাধ্যমে দৈনিক সিসা গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি সিসা গ্রহণ করতে পারে। আইসিডিডিআরবি বলছে, সিসা একটি বিষাক্ত ধাতু, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।
১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর। অস্থির এক সময় পার করছিল বাংলাদেশ। ৬ই নভেম্বর সন্ধ্যার সময় ঢাকা সেনানিবাসে কিছু লিফলেট বিতরণ করা হয়। ঐ লিফলেট যারা পেয়েছিলেন তারা আঁচ করতে পারছিলেন যে রাতে 'কিছু একটা' ঘটতে যাচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিল্পায়নে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি জমি নীতি নিয়েও একাধিক সংস্কারের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে অন্যতম আলোচিত হলো সরকারি উদ্যোগে ল্যান্ড ব্যাংক তৈরির ঘোষণা।
বিরোধ যখন দু'জন মানুষের মধ্যে, তখন অপমানের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেন তাদের পরিবারের নারীরা কেন? এটি কি নিছকই প্রচলিত ভাষার অভ্যাস, নাকি এর পেছনে রয়েছে নারীকে ঘিরে সমাজের দীর্ঘদিনের কিছু ধারণা?
পেনিয়াকে অভিশংসনের প্রস্তাবের পক্ষে সিনেটের ৪৫ সদস্যের মধ্যে ৪৪ জন ভোট দেন। একজন আইনপ্রণেতা অনুপস্থিত ছিলেন। পরে সিনেটের প্রেসিডেন্ট বাসিলিও নুনিয়েজ বলেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে পেনিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এরপর প্যারাগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।
শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে ফিরছেন; বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিভিন্ন মাশুল বৃদ্ধির পরিকল্পনায় বিমান ভাড়া বৃদ্ধির শঙ্কা এবং এনবিআরের ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দে ব্যবসায়ী মহলে উৎকণ্ঠা - এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প। এতে ভারতকে নিয়ে সংশয় কেন?
ডা. তাসনিম জারা এবং তাজনূভা জাবীন এর পর জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। এনসিপি থেকে আলোচিত নারী নেতাদের এই পদত্যাগের ঘটনা নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেন তারা দল থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, এই প্রশ্ন সামনে আসছে।
প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে বৈধ প্রবেশপাস হাতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছিলেন হাজারো ভক্ত। কিন্তু, অনুষ্ঠানস্থলের গেট পর্যন্ত গিয়েও তাদের অনেককে ফিরতে হয়েছে হতাশ হয়ে।
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাইফেরত এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ১ হাজার ৩০০টি নিষিদ্ধ রং ফর্সাকারী ক্রিম জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ‘ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট বিউটি ক্রিম’ নামের এসব ক্রিমের ওজন ৪০ কেজি। জব্দ করা ক্রিমের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা।
শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, “দুর্বল অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা-জবাবদিহি নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”
জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন মানুষ চেয়েছিলেন, সেই প্রত্যাশার কথা বলতে গিয়ে নিজের বাবার প্রসঙ্গ টেনেছেন সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবিন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার তেহরানকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে, যাতে তারা জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র পরিদর্শকদের ইরানের বোমা হামলার শিকার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেয়। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ-সৌদি রুটে ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল-স্থগিত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী।
বৃষ্টির বাধা, ডিএলএস পদ্ধতির হিসাব-নিকাশ আর শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস লড়াই। সব মিলিয়ে ওয়েলিংটনে রোমাঞ্চকর এক জয় তুলে নিয়েছে ভারত।
আজ দিনটাই যেন শুধুই তাওহিদ হৃদয়ময়। দলের একের পর এক ব্যাটসম্যান ফিরেছেন, কিন্তু এক প্রান্তে অটল ছিলেন তিনি। প্রথমে সেঞ্চুরি, তারপর ডাবল সেঞ্চুরি, এরপরও থামেননি।