জেলা

হেলমেট পরে এসে দোকানে বসে থাকা বৃদ্ধকে গুলি

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
হেলমেট পরে এসে দোকানে বসে থাকা বৃদ্ধকে গুলি
হেলমেট পরে এসে দোকানে বসে থাকা বৃদ্ধকে গুলি
মাথায় হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দোকানের সামনে এসেই তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়েন। বাঁ হাঁটু ও ঊরুতে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

Prothomalo

View more
মহাবিপন্ন বৃক্ষ চালমুগরা
মহাবিপন্ন বৃক্ষ চালমুগরা

চালমুগরা মহাবিপন্ন উদ্ভিদ হলেও গাছটি চমৎকার ঔষধি গুণসম্পন্ন। এই গাছ বিচিত্র রোগে মহৌষধ হিসেবে কাজ করে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
দেশের ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ বেশি
দেশের ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার পরিমাণ বেশি

জাতীয় জরিপের উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দরিদ্র পরিবারের তুলনায় ধনী পরিবারের শিশুদের রক্তে সিসার উচ্চমাত্রার হার ২১ দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
সিডনিতে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্‌যাপিত
সিডনিতে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্‌যাপিত

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে দর্পণ কালচারাল অ্যান্ড রিলিজিয়াস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্‌যাপিত হয়েছে, যেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
বেসরকারি সংস্থায় ৪৪০ পদে নিয়োগ, বেশি অফিসার পদে
বেসরকারি সংস্থায় ৪৪০ পদে নিয়োগ, বেশি অফিসার পদে

বেসরকারি সংস্থা আরআরএফে ৪৪০ জন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, সরাসরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
লাল কার্ড দেখেই ক্ষোভ, প্রতিপক্ষকে দেখে নেওয়ার হুমকি নেইমারের
লাল কার্ড দেখেই ক্ষোভ, প্রতিপক্ষকে দেখে নেওয়ার হুমকি নেইমারের

ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সান্তোস-বাহিয়া ম্যাচে ঘটেছে এ ঘটনা। ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হলেও ফলাফল ছাপিয়ে আলোচনায় নেইমারের লাল কার্ড এবং মাঠে তাঁর আচরণ।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
নেতানিয়াহুর কপালে কী আছে—ক্ষমতা, নাকি কারাগার
নেতানিয়াহুর কপালে কী আছে—ক্ষমতা, নাকি কারাগার

অনেকে এই নির্বাচনকে ইসরায়েলের ইতিহাসের ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ’ নির্বাচন হিসেবে দেখছেন। নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্য, এমনকি পুরো বিশ্বে দেখা যেতে পারে।

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
সামরিক বাহিনীর জন্য সুপারডগ তৈরি করতে চায় ওয়ারহাউন্ড, পারবে কি
সামরিক বাহিনীর জন্য সুপারডগ তৈরি করতে চায় ওয়ারহাউন্ড, পারবে কি

<p>মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধুকে ল্যাবরেটরিতে কাঁটাছেঁড়া করে কোটি ডলারের যে ভয়ংকর যুদ্ধ-মেশিন বানানোর ছক কষছে বিজ্ঞানীরা, তার পরিণতি কি মানবসভ্যতার জন্য আশীর্বাদ হবে নাকি অভিশাপ? জিন-এডিটিংয়ের এই রোমহর্ষক খেলায় যদি কোনো একটি সমীকরণ ভুল হয়ে যায়, তবে কি জন্ম নেবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া কোনো ভয়ংকর মিউট্যান্ট?</p><p>হলিউডের অ্যাকশন মুভি বা ভিডিও গেমে দুর্ধর্ষ সব কমান্ডোদের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায় মিলিটারি কুকুরদের। নিশ্চয়ই এমন দৃশ্য আপনি মুভিতে দেখেছেন? ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে শত্রুর ডেরায় নিঃশব্দে ঢুকে পড়া কিংবা বোমার গন্ধ শুঁকে বের করার কাজে কুকুরদের কোনো জুড়ি নেই। কিন্তু এই কুকুরগুলোকে এখন আর স্বাভাবিক নিয়মে জন্ম নিতে হবে না। ফ্যাক্টরিতে গাড়ির মডেল আপগ্রেড করার মতো ল্যাবরেটরিতে জিন এডিটিং করে একেবারে পারফেক্ট এবং ভয়ংকর এক সুপারডগ বাহিনী তৈরি করা হচ্ছে। শুনতে কল্পবিজ্ঞান কল্পবিজ্ঞান মনে হতে পারে। কিন্তু ঘটনা সত্যি। বাস্তবে ঠিক এমনটাই ঘটাতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ওয়ারহাউন্ড নামে একটি নতুন প্রতিষ্ঠান। এটি একটি নতুন ডিফেন্স-বায়োটেকনোলজি স্টার্টআপ।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাস-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কলোসাল বায়োসায়েন্সেসের বেন ল্যাম এবং অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের পামার লাকির মস্তিষ্ক থেকে বেরিয়েছে এই সুপারডগ বানানোর বুদ্ধি। এই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য অত্যাধুনিক জিন-এডিটিং প্রযুক্তি এবং ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে সামরিক বাহিনীর জন্য এমন সব কুকুর তৈরি করা, যেগুলো হবে সাধারণ কুকুরের চেয়ে আকারে অনেক বড়, ভয়ংকর শক্তিশালী এবং নিখুঁত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বিজ্ঞানের বর্তমান ক্ষমতায় কি সত্যিই এমন ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন মার্কা কুকুর তৈরি করা সম্ভব? আর যদি সম্ভব হয়ও, এর পেছনের ভয়ঙ্কর মূল্যটা কে চোকাচ্ছে?</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/082ctf0m1c">বাদুড়ের দেহে কি কুকুর বা বিড়ালের চেয়ে বেশি রোগজীবাণু আছে</a></aside><blockquote>যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাস-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কলোসাল বায়োসায়েন্সেসের বেন ল্যাম এবং অ্যান্ডুরিল ইন্ডাস্ট্রিজের পামার লাকির মস্তিষ্ক থেকে বেরিয়েছে এই সুপারডগ বানানোর বুদ্ধি।</blockquote><h2><strong>কীভাবে ল্যাবরেটরিতে জন্ম নিচ্ছে এই ভয়ংকর কুকুর</strong></h2><p>ওয়ারহাউন্ড কোম্পানিটি কিন্তু বসে নেই। বেন ল্যাম জানিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যেই বেলজিয়ান ম্যালিনয় এবং শেফার্ডের মতো বিশ্বের সবচেয়ে এলিট ও চৌকস মিলিটারি কুকুরের ডিএনএ সংগ্রহ করে তাদের বায়োব্যাংকে সংরক্ষণ করে ফেলেছেন। বিজ্ঞানীদের পরিকল্পনা হলো, এই সেরা কুকুরগুলোর কোষ থেকে ক্লোন করে ভ্রূণ তৈরি করা হবে। আর সেই ভ্রূণ মায়ের পেটে বড় হওয়ার আগেই তার ভেতরের জিনগুলোকে কাঁটাছেঁড়া করে জন্ম দেওয়া হবে নতুন সুপারডগ। তারা আশা করছেন, ২০২৭ সালের শুরুর দিকেই ল্যাবরেটরিতে তৈরি তাদের প্রথম কুকুরের ব্যাচ পৃথিবীর আলো দেখবে।</p><p>কিন্তু কেন এই জিন এডিটিং? কারণ, ওয়ারহাউন্ড চায় তাদের কুকুরগুলো হবে একেবারে ত্রুটিমুক্ত। সাধারণ কুকুরদের বয়স বাড়লে কোমরের হাড়ের ক্ষয়, দৃষ্টিশক্তি হারানো বা ক্যান্সারের মতো মারাত্মক সব রোগ হয়। এর কারণে ওদের সময়ের আগেই অবসরে পাঠাতে হয়। বেন ল্যামের মতে, তাদের তৈরি কোনো কুকুরের শরীরে এমন কোনো জিনের অস্তিত্বই থাকবে না, যা ভবিষ্যতে কোনো রোগের সৃষ্টি করতে পারে। পরবর্তীতে তারা এই কুকুরগুলোর আয়ু বাড়ানো এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আরও নিখুঁত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য জিনে আরও পরিবর্তন আনবেন।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/rommo/iw8g6re61b">জিনবিজ্ঞানী ও তাঁর কুকুর </a></aside><blockquote>সাধারণ কুকুরদের বয়স বাড়লে কোমরের হাড়ের ক্ষয়, দৃষ্টিশক্তি হারানো বা ক্যান্সারের মতো মারাত্মক সব রোগ হয়। এর কারণে ওদের সময়ের আগেই অবসরে পাঠাতে হয়।</blockquote><h2><strong>কোটি ডলারের চুক্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক অন্ধকার সত্য</strong></h2><p>শুনতে চমৎকার মনে হলেও মুদ্রার উল্টো পিঠের গল্পটা কিন্তু বেশ শিউরে ওঠার মতো। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের কেমব্রিজ শহরে অবস্থিত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুচিকিৎসক ও বায়োএথিসিস্ট লিসা মোসেস এই পুরো প্রক্রিয়ার অন্ধকার দিকটি সামনে এনেছেন। তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন, কুকুরের ক্লোন করাটা কোনো জাদুকরী বা নিখুঁত বিজ্ঞান নয়; এটি আক্ষরিক অর্থেই একটি মারাত্মক অদক্ষ এবং নিষ্ঠুর প্রক্রিয়া।</p><p>ল্যাবরেটরিতে একটি সফল ও সুস্থ ক্লোন ছানার জন্ম দিতে গিয়ে অসংখ্য কুকুরকে চরম যন্ত্রণাদায়ক পরীক্ষার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। যে গর্ভধারিণী মা কুকুরগুলোর পেটে এই ল্যাবরেটরির ভ্রূণগুলো বড় করা হয়, তাদের জীবনও ভয়ানক ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাছাড়া, জিন নিয়ে খেলা করাটা মোটেও সুইচ অন-অফ করার মতো সহজ নয়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রের অলাভজনক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও বায়োটেকনোলজি সংস্থা রিভাইভ অ্যান্ড রিস্টোরের প্রধান বিজ্ঞানী বেন নোভাক জানান, ‘কুকুরের একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা স্বভাব পরিবর্তনের জন্য হয়তো শত শত বা হাজার হাজার জিনের মিউটেশন নিয়ে কাজ করতে হয়। একটু এদিক-সেদিক হলেই ঘটতে পারে মারাত্মক সব শারীরিক বিপর্যয়!’</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/8zclfhqjla">কুকুর কি রং দেখতে পায়</a></aside><blockquote>যে গর্ভধারিণী মা কুকুরগুলোর পেটে এই ল্যাবরেটরির ভ্রূণগুলো বড় করা হয়, তাদের জীবনও ভয়ানক ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাছাড়া, জিন নিয়ে খেলা করাটা মোটেও সুইচ অন-অফ করার মতো সহজ নয়।</blockquote><p>আগেও কুকুরের জিনে পরিবর্তন আনার ইতিহাস আছে। ওয়ারহাউন্ডের অংশীদার কলোসাল বায়োসায়েন্সেস গত বছর একটি সাধারণ ধূসর নেকড়েকে ক্লোন ও এডিট করে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া এক ভয়ংকর ডায়ার উলফের মতো প্রাণী তৈরি করেছিল। কিন্তু বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে ওয়ারহাউন্ডের এই প্রজেক্টটি রীতিমতো সোনার ডিম পাড়া হাঁস! মাত্র লঞ্চ করেই তারা বাজার থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছে। কারণ, আমেরিকার মতো দেশে মিলিটারি কন্ট্রাক্ট পাওয়া মানেই টাকার খনি।</p><p>তবে যুক্তরাষ্ট্রের পুনরুৎপাদনশীল চিকিৎসা এবং বায়োটেক গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাস্টেলাস ইনস্টিটিউটের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রবার্ট ল্যানজা চরম সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, ‘বিজ্ঞানের চোখে এটি সম্ভব হলেও অসংখ্য ব্যর্থতা এবং শারীরিক ত্রুটি ছাড়া এই প্রজেক্ট সফল হওয়া প্রায় অসম্ভব।’ মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু কুকুরকে যখন ল্যাবরেটরির গিনিপিগ বানিয়ে কোটি টাকার ব্যবসায় নামা হয়, তখন বিজ্ঞানের নৈতিকতার সুতোটি যে ছিঁড়তে আর বেশি বাকি নেই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।</p><h4>সূত্র: সায়েন্টিফিক আমেরিকান</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/z0pvbkj87b">কুকুর লেজ নাড়ে কেন</a></aside>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
ভাইরাল সংলাপের মুখোমুখি ফারুক আহমেদ
ভাইরাল সংলাপের মুখোমুখি ফারুক আহমেদ

সংলাপ ঘিরে প্রায়ই ভাইরাল হন অভিনেতা ফারুক আহমেদ। নিজের সংলাপ শুনে মজার ছলে কী বললেন ফারুক আহমেদ

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
এআইয়ের কারণে বাড়ছে সফটওয়্যারের নিরাপত্তাঝুঁকি, বড় সংকটের আশঙ্কা
এআইয়ের কারণে বাড়ছে সফটওয়্যারের নিরাপত্তাঝুঁকি, বড় সংকটের আশঙ্কা

<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সফটওয়্যারের এমন সব নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত করা যাচ্ছে, যেগুলো বছরের পর বছর ধরে অজানা ছিল। এতে এক দিকে সফটওয়্যারের দুর্বলতা খুঁজে বের করা সহজ হচ্ছে, অন্যদিকে সাইবার অপরাধীদের হাতে এসব দুর্বলতা কাজে লাগানোর সুযোগও দ্রুত তৈরি হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী কয়েক মাসে এ ধরনের ত্রুটির কারণে বিশ্বজুড়ে একের পর এক নিরাপত্তা–সংকট দেখা দিতে পারে।</p><p>সম্প্রতি প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে নতুন নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর ইউরোপ, এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সরকারি সংস্থা ও জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের একাধিক ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য সাইবার হামলা ঠেকাতে নেওয়া এই পদক্ষেপের ঘটনা সামনে আসার পর বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এটি আরও বড় নিরাপত্তা–সংকটের সূচনা হতে পারে।</p><p>ইন্টারনেট অবকাঠামো ও ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ম্যাথিউ প্রিন্স জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যারের আরও বেশ কিছু গুরুতর নিরাপত্তাত্রুটি তাদের নজরে এসেছে। তাঁর মতে, এআইয়ের সাহায্যে ইন্টারনেটের মৌলিক অবকাঠামোয় ব্যবহৃত সফটওয়্যারের কোড দ্রুত পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অজানা থাকা দুর্বলতাগুলো একের পর এক সামনে আসছে। এতে সাইবার নিরাপত্তা খাতকে আগামী কয়েক বছর টানা চাপের মধ্যে কাজ করতে হতে পারে। ম্যাথিউ প্রিন্স বলেন, ‘আমার মনে হয়, আগামী কয়েক বছর এমন যাবে যে প্রতি সপ্তাহেই মনে হবে, সবকিছু ভেঙে পড়তে যাচ্ছে।’</p><p>পিএইচপির নিরাপত্তাত্রুটি ঘিরে সাম্প্রতিক তৎপরতা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। একই সময়ে প্রযুক্তি খাতের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তাত্রুটি ও অনুপ্রবেশের ঘটনা সামনে এসেছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভালনচেকের গবেষক প্যাট্রিক গ্যারিটির মতে, এসব ঘটনা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের নিরাপত্তা–সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মাত্র সাত দিনের মধ্যে পিএইচপির বিকল্প হিসেবে বহুল ব্যবহৃত নোড ডট জেএস এবং স্ট্রিমিং মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম প্লেক্সের গুরুতর নিরাপত্তাত্রুটির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া এআই সেবা পরিচালনায় ব্যবহৃত লাইটএলএলএম এবং অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম রেলওয়েতে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনাও প্রকাশ পেয়েছে।</p><p>আধুনিক সফটওয়্যার তৈরি হয় বিপুল পরিমাণ কোডের সমন্বয়ে। এসব কোডের মধ্যে থাকা ছোটখাটো ত্রুটি সহজেই নজর এড়িয়ে যেতে পারে। কোনো কোনো দুর্বলতা বছরের পর বছর সফটওয়্যারের ভেতরে থেকে যায়, অথচ সেটি সম্পর্কে নির্মাতাদেরও জানা থাকে না। আগে এ ধরনের জটিল নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত করতে বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘ সময় ধরে কোড পরীক্ষা করতে হতো। কোনো দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে সফটওয়্যারে অনুপ্রবেশের কার্যকর পদ্ধতি তৈরি করতেও দক্ষ গবেষকদের কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগত। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ত্রুটি সংশোধন, সমাধান পরীক্ষা এবং ব্যবহারকারীদের কাছে নিরাপত্তা হালনাগাদ পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ পেত।</p><p>এআইয়ের অগ্রগতিতে সেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে সক্ষম এআই মডেলগুলো এখন একসঙ্গে লাখো লাইনের কোড পরীক্ষা করে অল্প সময়ের মধ্যে একাধিক নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত করতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এসব দুর্বলতা কাজে লাগানোর উপযোগী কোডও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তৈরি করতে পারে। ফলে নিরাপত্তাত্রুটি শনাক্ত করা এবং তা সংশোধনের মধ্যে যে সময়ের ব্যবধান ছিল, তা ক্রমেই কমে আসছে। কোনো ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সেটি সংশোধনের আগেই সাইবার অপরাধীরা কাজে লাগানোর সুযোগ পেতে পারে। এতে সফটওয়্যার নির্মাতা ও সাইবার নিরাপত্তা দলগুলোর ওপর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চাপ বাড়বে।</p><p>সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া</p>

অক্টোবর ২৫, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন