bangladesh

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে মুখোশধারী লোক অনুপ্রবেশ করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নভেম্বর ২, ২০২৬
গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে মুখোশধারী লোক অনুপ্রবেশ করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে মুখোশধারী লোক অনুপ্রবেশ করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে মুখোশধারী লোক অনুপ্রবেশ করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Prothomalo

View more
আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন
আর্মি স্টেডিয়ামে চলছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বিশেষ ডিসপ্লের অনুশীলন

<p>জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে বিশেষ ডিসপ্লের প্রস্তুতি চলছে। প্রায় তিন হাজার বিএনসিসি ক্যাডেট অংশ নিচ্ছেন এ মহড়ায়। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure></figure>

নভেম্বর ২, ২০২৬
টিএমজিবির সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিত রায়
টিএমজিবির সভাপতি মাসুদ রুমী, সাধারণ সম্পাদক কুমার বিশ্বজিত রায়

প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে সংগঠনটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন শেষে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।

নভেম্বর ২, ২০২৬
ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন
ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

<p>ঢাকা থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে উড়োজাহাজের ভাড়া তুলনামূলক বেশি কেন, তা জানতে চেয়েছে জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি। ভাড়া নির্ধারণের নীতিমালা করা যায় কি না, তা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে দেখার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।</p><p> আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।</p><p> সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কুয়ালালামপুর থেকে ম্যানিলার দূরত্ব যতটুকু ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের দূরত্ব প্রায় সমান; কিন্তু উড়োজাহাজের ভাড়ার ক্ষেত্রে দেখা যায়, ঢাকা–কুয়ালালামপুরের টিকিটের দাম কুয়ালালামপুর–ম্যানিলার টিকিটের দামের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। এই তারতম্যের কারণ কী, ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনো নীতিমালা আছে কি না, তা কমিটি জানতে চায়।</p><p>জবাবে বলা হয়, আন্তর্জাতিক গন্তব্যে উড়োজাহাজের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে বেবিচকের নীতিমালা নেই। এয়ারলাইন কোম্পানিগুলো ভাড়া নির্ধারণ করে থাকে। তখন কমিটির পক্ষ থেকে ভাড়া নির্ধারণের নীতিমালা করা যায় কি না, তা দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়।</p><p>সূত্র জানায়, বৈঠকে বিমানের নিরীক্ষা আপত্তি নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, ১৮টি আপত্তির বিপরীতে প্রমাণসহ সময়সীমাবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা দিতে পারবে কি না; ত্রুটিযুক্ত উড়োজাহাজ, অচল যন্ত্রপাতি, অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ক্রয় ও পুরোনো উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কি না; এবং জানতে চায় ঢাকা–গুয়াংজু–ঢাকা রুটে চার্টার্ড কার্গো ফ্লাইট ও রাজস্ব আদায়ে ৭৩৬ কোটি টাকার অনিয়ম কীভাবে হয়েছে?</p><p>বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে উত্থাপিত নিরীক্ষা আপত্তির বিপরীতে মোট কত টাকা আদায় হয়েছে, কত টাকা অনাদায়ি রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কতজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। প্রতিটি নিরীক্ষা আপত্তির বিপরীতে প্রমাণসহ সময়সীমাবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। উত্থাপিত বিষয়গুলোর বিস্তারিত লিখিত ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য বিমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়।</p><p>প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজ বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির শিকার হওয়ার কারণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়। এ ছাড়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়সংক্রান্ত অনিয়মের দায় নির্ধারণ এবং আইটি সিস্টেমের দুর্বলতার কারণে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির বিষয়েও আলোচনা হয়।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিমানের পক্ষ থেকে বলা হয় সব সময় বহরের আধুনিক উড়োজাহাজ প্রধানমন্ত্রীর ভ্রমণের ক্ষেত্রে দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে এর আগের এক মাসের ফ্লাইট পর্যবেক্ষণ করা হয় কোনো ধরনের ত্রুটি আছে কি না। এবারের<a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/knbfwkcw1l" target="_blank"> কারিগরি ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।</a></p><p>সূত্র জানায়, ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের লিফট, সেবা ও পরিবেশ নিয়ে কমিটির সদস্যদের কেউ কেউ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একজন সদস্য বৈঠকে বলেন, অনলাইনে দেখা যায়, বাংলাদেশ বিমানের টিকিট নেই; কিন্তু বিমানে ওঠার পর দেখা যায়, অনেক সিট ফাঁকা।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বিমানের পক্ষ থেকে সংস্থাটির কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়। সেখানে বিমানের ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ার কিছু কারণ তুলে ধরা হয়। তাতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক চেক-ইন কাউন্টার পর্যাপ্ত না হওয়ায় সময়মতো কাউন্টার বন্ধ হয় না। এতে ফ্লাইট বিলম্বিত হয়। একই গেটে একাধিক ফ্লাইট দেওয়া হয়, বোর্ডিং ব্রিজের স্বল্পতা আছে। ডিপারচার ব্যাগেজ এরিয়ায় জায়গার স্বল্পতা আছে, আগমনী বেল্টও কম। অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে মাত্র চারটি চেক-ইন কাউন্টার আছে।</p><p>বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। কমিটির সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে অংশ নেন হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মোহাম্মদ কামাল হোসেন।</p>

নভেম্বর ২, ২০২৬
জিম কো-অর্ড সেটেও গ্ল্যামারাস মিথিলা, প্যাস্টেল ব্লু লুকে উইন্টার ভাইব
জিম কো-অর্ড সেটেও গ্ল্যামারাস মিথিলা, প্যাস্টেল ব্লু লুকে উইন্টার ভাইব

ফ্যাশনে কখনো কখনো খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। সঠিক রং, মানানসই পোশাক আর সামান্য কিছু অ্যাকসেসরিজেই তৈরি হতে পারে নজরকাড়া লুক। তেমনই এক ক্যাজুয়াল স্টাইলিশ সাজে ধরা দিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা।

নভেম্বর ২, ২০২৬
৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ
৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজকদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন—কোথায় কতজন নিরাপত্তাকর্মী থাকবেন, কীভাবে দর্শক প্রবেশ করবেন, কোন পথে বের হবেন, জরুরি পরিস্থিতিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নভেম্বর ২, ২০২৬
এক দ্বীপে দুই কিং, একজনের নাম ভিভ, অন্যজন চার্লস
এক দ্বীপে দুই কিং, একজনের নাম ভিভ, অন্যজন চার্লস

সবই ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু রাজা-রানি স্টেডিয়ামে পৌঁছে যখন অভ্যর্থনা মঞ্চে উঠেছেন, ঠিক তখনই শুরু হলো বৃষ্টি। অঝোর ধারায় ভিজতে শুরু করলেন দুজন।

নভেম্বর ২, ২০২৬
সোমজিৎ দাশগুপ্তের সাক্ষাৎকার: রাধিকামোহন সব সময় প্রাসঙ্গিক (দ্বিতীয় কিস্তি)
সোমজিৎ দাশগুপ্তের সাক্ষাৎকার: রাধিকামোহন সব সময় প্রাসঙ্গিক (দ্বিতীয় কিস্তি)

আশপাশের লোকদের ওস্তাদ আমীর খাঁ ৩০-৪০ ফুট দূরত্বে বসতে বলেছিলেন। সুর তোলার সঙ্গে সঙ্গে ওই ফাঁকা জায়গায় ঝড়, বৃষ্টি, জল বইতে শুরু করল।

নভেম্বর ২, ২০২৬
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ায় আদালতের ভর্ৎসনা শুনতে হলো অভিনেতা ইমরান খানকে
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ায় আদালতের ভর্ৎসনা শুনতে হলো অভিনেতা ইমরান খানকে

<p>ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) জ্ঞানেশ কুমারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার অপরাধে মুম্বাই হাইকোর্টের কড়া কড়া মন্তব্য শুনতে হলো অভিনেতা ইমরান খানকে। প্রধান বিচারপতি এমসি ত্রিপাঠি ও বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার ডিভিশন বেঞ্চ আজ সোমবার তাঁকে বলেন, ‘বহু বছর ভারতে বসবাস করলেও আপনি মার্কিন নাগরিক। ভারতীয় কোনো নাগরিক আমেরিকায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিলে পরের ফ্লাইটেই তাঁকে ভারতে পাঠিয়ে দিত।’</p><p> তীব্র ভর্ৎসনা সত্ত্বেও মুম্বাই হাইকোর্ট জানান, এ দেশে থাকার বিষয়ে অভিনেতাকে লিখিত বন্ড বা মুচলেকা জমা দিতে হবে। ইমরান খানের আইনজীবী তা দিতে রাজি হয়েছেন। তাঁকে নিঃশর্ত ক্ষমাও চাইতে হবে।</p><p> জনপ্রিয় অভিনেতা আমির খানের ভাগনে ইমরান খানের ভারত ত্যাগের আদেশের ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। তাঁকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, যতই তিনি এ দেশে থাকুন, তিনি আদতে মার্কিন নাগরিক। ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া (ওসিআই) কার্ডধারী। তাই ভারতীয় নাগরিকের মতো অধিকার তাঁর নেই।</p><p>মার্কিন নাগরিক হয়েও ইমরান খান গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে সিজেপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাঁকে ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) গত ২৮ অক্টোবরের মধ্যে দেশ ছাড়ার নোটিশ পাঠিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন ইমরান। তাঁর বক্তব্য ছিল, ওসিআই কার্ডধারী হলেও তিনি এই দেশেই বসবাস করছেন। মুম্বাইয়ের নাগরিক হিসেবে তিনি যাতায়াতের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।</p><p>আজ শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলেন, ‘ভুলে যাবেন না আপনি একজন ওসিআই কার্ডধারী। অধিকার–সংক্রান্ত বিষয়ে আপনি ভারতীয় নাগরিকের মতো আচরণ করতে পারেন না। এ দেশের ভোটার তালিকা, তার সংশোধন নিয়ে আপনার কিছু বলার থাকতে পারে না। কারণ, আপনি ভোটার নন। তাই প্রতিবাদে যোগ দেওয়ার অধিকারও আপনার নেই। আপনি তা করে ভুল করেছেন।’</p><p>ইমরানের আইনজীবী ভেঙ্কটেশ ধোন্ড বলেন, অভিনেতা তাঁর জীবনের পুরোটাই প্রায় ভারতে কাটিয়েছেন। জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক হলেও তাঁর বেড়ে ওঠা এই দেশেই। এই সওয়ালের জবাবে বিচারপতিরা বলেন, ‘তা সত্ত্বেও এটা মেনে নিতে হবে, আপনি ভারতীয় নাগরিক নন।’ এ সময় বিচারপতিরা বলেন, কোনো ভারতীয় নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে এভাবে সে দেশের সরকারবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিলে পরের বিমানেই তাঁকে ভারতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হতো।</p><p>বিচারপতিরা ইমরানের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন, তিনি সারা জীবন ভারতেই কাটাচ্ছেন। এখানেই অভিনয়জগতে পরিচিতি পেয়েছেন। তা হলে কেন তিনি ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করছেন না? আদালতের পর্যবেক্ষণ, কয়েক দশক ধরে ভারতে থাকার ফলে তিনি সম্ভবত ভুলে গেছেন, তিনি ওসিআই কার্ডধারী।</p><p>ইমরানের আইনজীবী আদালতকে জানান, প্রতিবাদে যোগ দেওয়া কোনো সংগঠন বা নেতাদের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগসাজশ নেই। তিনি কাউকে চেনেনও না। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগও দেবেন না। এ বিষয়ে আদালতে মুচলেকা বা লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে তিনি রাজি।</p><p>এফআরআরওর পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং ইমরানের যুক্তির বিরোধিতা করেন। তাঁর দাবি, ইমরান আগেও এ ধরনের কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন। একটি সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর অনেক অনুসারী। ফলে তাঁর বক্তব্য বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্য, ক্ষমা চাইলেই অভিযোগ উপেক্ষা করা যায় না।</p><p>প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলেন, ইমরান খানের মনে রাখা উচিত তিনি একজন জনপ্রিয় তারকা। তাঁর বক্তব্যের প্রভাব বহু মানুষের ওপর পড়ে। বিচারপতিরা বলেন, ‘আপনি একজন ওসিআই কার্ডধারী। বিদেশি নাগরিক। অথচ এই দেশের উদারতা দেখুন, আপনার সব পরিচিতি এই মহারাষ্ট্র দিয়েছে। এই দেশ দিয়েছে। এই দেশের অধিকার আছে বিদেশি নাগরিকদের বহিষ্কার করারও।’</p><p>এফআরআরওর উদ্দেশে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলকে বলেন, ‘আপনারা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। বহিষ্কারের পূর্ণ অধিকার আপনাদের রয়েছে। সেই ক্ষমতা নিয়ে আমাদের মনে কোনো প্রশ্ন নেই।’</p><p>বিদেশি নাগরিকদের প্রতি ভারতের মনোভাব নিয়ে পর্যবেক্ষেণের সময় বিচারপতিরা বলেন, ভারত ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ নীতিতে বিশ্বাসী। বেঞ্চ জানান, ইমরান খান লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। নিঃশর্ত ক্ষমাও চেয়েছেন। তবে একে এ ধরনের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার অনুমতি হিসেবে দেখা যাবে না।</p><p>লিখিত মুচলেকা ও নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার পর ইমরান খানকে ভারত থেকে চলে যেতে হবে কি না, তা নির্ধারিত হবে ৭ ডিসেম্বর।</p>

নভেম্বর ২, ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মত—শুধু একাডেমিক যোগ্যতায় টিকে থাকা কঠিন হবে
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মত—শুধু একাডেমিক যোগ্যতায় টিকে থাকা কঠিন হবে

<p>প্রয়োজনীয় সব দক্ষতাই ‘সিলেবাসে’ থাকবে কিংবা শিক্ষক সব হাতে ধরিয়ে শিখিয়ে দেবেন, সেই আশায় বসে থাকলে আর চলছে না। অনেক ক্ষেত্রে নিজ উদ্যোগেই ভবিষ্যতের জন্য তৈরি হতে হবে। এআই–নির্ভর পৃথিবীতে এ কথা এখন আরও বেশি সত্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন, খোঁজ নিয়েছেন <strong>আমিনা মুমতারিন</strong></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/khpukcm5/Sabbir-hossain.jpg"><figcaption>মো. সাব্বির হোসেন, আরবি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়</figcaption></figure><p><strong>মো. সাব্বির হোসেন</strong>, আরবি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়</p><p>প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষায় দক্ষতা অর্জন, সৃজনশীল চিন্তা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। পড়াশোনা, গবেষণা ও দৈনন্দিন কাজকে আরও সহজ, কার্যকর ও গতিশীল করতে চ্যাটজিপিটি, গুগল জেমিনাই ও নোটবুকএলএমের মতো এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছি। </p><p>এগুলোর কার্যকর ব্যবহার আয়ত্ত করার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে তথ্য অনুসন্ধান, তথ্য যাচাই, লেখালেখি ও গবেষণার কাজে এআইকে আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগানোর সক্ষমতা গড়ে তুলতে চাই।</p><p>আমার বিশ্বাস, আগামী বিশ্বব্যবস্থায় এআই আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রচলিত অনেক কাজের ধরন বদলে যাবে, কিছু কাজের চাহিদা কমবে, আবার তৈরি হবে নতুন নতুন পেশা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। তখন শুধু একাডেমিক যোগ্যতা দিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। বরং সৃজনশীলতা, অভিজ্ঞতা, সমালোচনামূলক চিন্তা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের দক্ষতাই একজন মানুষকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/wm7gdn4yx5">আমি শুধু চেকটার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে ছিলাম</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/bgvjqm1e/Anika_Mahzabin.jpeg"><figcaption>আনিকা মাহজাবিন, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা</figcaption></figure><p><strong>আনিকা মাহজাবিন</strong>, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা</p><p>আমার মনে হয়, এআই ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে দিয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। তাই প্রযুক্তিগত জ্ঞানের পাশাপাশি যোগাযোগ, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণী চিন্তার দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। </p><p>বিবিএ পড়ার পাশাপাশি চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানছি, কঠিন ধারণাগুলো সহজভাবে বুঝে নিচ্ছি এবং নিজের লেখা ও চিন্তাকে আরও গুছিয়ে তুলছি। পাশাপাশি কোর্সেরা, গুগল স্কিলশপ ও মাইক্রোসফট লার্নের মতো প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রযুক্তিগত ও প্রফেশনাল দক্ষতা শেখার সুযোগ খুঁজছি।</p><p>আমার ধারণা, আগামী পাঁচ বছরে চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আসবে। কিছু প্রচলিত কাজের চাহিদা কমবে, আবার তৈরি হবে নতুন নতুন পেশার সুযোগ। সেই বাস্তবতায় শুধু ডিগ্রি নয়, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা, মানুষের সঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা এবং নিজেকে প্রতিনিয়ত হালনাগাদ রাখার মানসিকতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। </p><p>তাই এআইকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং শেখা ও এগিয়ে যাওয়ার সহযোগী হিসেবে গ্রহণ করে নিজেকে ভবিষ্যতের কর্মজগতের জন্য প্রস্তুত করছি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/lhd5upiszn">বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম নাফিস এখন কাজ করছেন ব্লুমবার্গে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-25/eptybhi1/Ashiq-Adnan.PNG"><figcaption>আশিক আদনান, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি–বাংলাদেশ</figcaption></figure><p><strong>আশিক আদনান</strong>, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি–বাংলাদেশ</p><p>বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি, এআই–নির্ভর ভবিষ্যতের জন্য শুধু একাডেমিক জ্ঞানই নয়, বাস্তব দক্ষতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি এআই টুলের কার্যকর ব্যবহার শেখা, যোগাযোগ ও উপস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানো এবং ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। </p><p>একই সঙ্গে ইন্টার্নশিপ, প্রশিক্ষণ ও বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে নিজেকে এগিয়ে নিতে চাই। ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি চীনা ও জাপানি ভাষা শেখার প্রতিও আমার আগ্রহ আছে। কারণ, নতুন ভাষা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ ও পেশাগত সুযোগের নতুন দ্বার খুলে দিতে পারে।</p><p>আমি বিশ্বাস করি, আগামী পাঁচ বছরে এআই চাকরির বাজারে বড় পরিবর্তন আনবে, তবে এর ফলে তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনাও। এ কারণে আমি এই পরিবর্তনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নয়; বরং শেখার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে চাই। </p><p>প্রযুক্তির সঙ্গে নিজের সৃজনশীলতা, চিন্তাশক্তি ও মানবিক দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে নিজেকে আরও যোগ্য করে তোলাই আমার লক্ষ্য।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/78n4a8vmes">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটে প্রথম অনিক এখন কোথায়</a></aside>

নভেম্বর ২, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।