টঙ্গীতে বাসচাপায় পোশাকশ্রমিক নিহত

গাজীপুরের টঙ্গীতে ইউনাইটেড পরিবহনের বাসের চাপায় রহিমা বেগম (৩৫) নামে এক পোশাকশ্রমিক নিহত হয়েছেন।

সারা দেশ

View more
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা
শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

Video news
সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

Follow us

Top week

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত
আন্তর্জাতিক

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় দেড় হাজার হুথি যোদ্ধা হতাহত

News অক্টোবর ৩, ২০২৬ 0

Rss feed news

হাল ফ্যাশন লাইফস্টাইল গাইডলাইন: ইমিগ্রেশন অফিসার আপনাকে কী জিজ্ঞেস করতে পারেন আর কী পারেন না, হয়রানি হলে কী কী করবেন
হাল ফ্যাশন লাইফস্টাইল গাইডলাইন: ইমিগ্রেশন অফিসার আপনাকে কী জিজ্ঞেস করতে পারেন আর কী পারেন না, হয়রানি হলে কী কী করবেন

বাংলাদেশের কন্টেক্সট বিবেচনা করলে ইমিগ্রেশন অফিসার আপনাকে কী জিজ্ঞেস করতে পারেন আর কী পারেন না, হয়রানি হলে কী কী করবেন এসব বিষয় আগেই জেনে যাওয়া ভালো।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও হামলা, উড়োজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
রিয়াদ বিমানবন্দরে আবারও হামলা, উড়োজাহাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

এ হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছিল।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
রাজধানীতে অটোরিকশার কাচ ভেঙে মাথায় আঘাতে প্রাণ গেল চালকের
রাজধানীতে অটোরিকশার কাচ ভেঙে মাথায় আঘাতে প্রাণ গেল চালকের

রাতে অটোরিকশা চালিয়ে যাওয়ার সময় সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের ধাক্কা লাগে। এতে গাড়ির কাচ ভেঙে তাঁর মাথায় আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় সানোয়ার রাস্তায় পড়ে ছিলেন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
মব–সংস্কৃতি: ক্ষোভের প্রকাশ, নাকি সংগঠিত সন্ত্রাস
মব–সংস্কৃতি: ক্ষোভের প্রকাশ, নাকি সংগঠিত সন্ত্রাস

জনতার ভেতরে একধরনের সমষ্টিগত আবেগ কাজ করে, যা ব্যক্তিকে তার নিজস্ব যুক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন করে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
পূর্বাচলে মিষ্টিমুখের নতুন ঠিকানা, পাবেন নানা স্বাদের মিষ্টি
পূর্বাচলে মিষ্টিমুখের নতুন ঠিকানা, পাবেন নানা স্বাদের মিষ্টি

<p>পূর্বাচলের নীলা মার্কেটের মিষ্টির সেই পুরোনো স্বাদ ও ঐতিহ্য যেন নতুন করে ফিরেছে মহারাজা সুইটসে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাহারি মিষ্টির সমাহারে দোকানটি হয়ে উঠছে মিষ্টিপ্রেমীদের নতুন ঠিকানা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/u0b39wmj/040A9777.JPG"><figcaption>সম্প্রতি পূর্বাচলে নীলা মার্কেটের কাছেই গড়ে উঠেছে নতুন এক মিষ্টির দোকান—মহারাজা সুইটস</figcaption></figure><p>ছোট ছোট ছাউনির নিচে গড়ে ওঠা মিষ্টির দোকানগুলো ছিল একসময় পূর্বাচলের নীলা মার্কেটের মূল আকর্ষণ। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই কড়াইয়ে মিষ্টি ভাজার দৃশ্য, গরম রসের ঘ্রাণ আর ক্রেতাদের ভিড়ে জায়গাটি বেশ রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকত। </p><p>এখানকার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল কড়াই থেকে সদ্য তুলে দেওয়া গরম-গরম মিষ্টি। অনেকেই শুধু এই মিষ্টি খাওয়ার উদ্দেশ্যেই সেখানে যেতেন। এখানে পাওয়া যেত রসগোল্লা, স্পঞ্জ মিষ্টি, ছানার মিষ্টি, চমচম, মালাই চপ, সন্দেশ, লেংচা, রাজভোগ, জিলাপি, দইসহ নানা ধরনের মিষ্টি। বিশেষ করে বড় আকৃতির বালিশ মিষ্টি নীলা মার্কেটের বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছিল। </p><p>একটা সময় হাঁসের মাংস নীলা মার্কেটের জনপ্রিয় খাবার হয়ে উঠলে মিষ্টির সেই ক্রেজে কিছুটা ভাটা পড়ে। তবে সম্প্রতি পূর্বাচলে নীলা মার্কেটের কাছেই গড়ে উঠেছে নতুন এক মিষ্টির দোকান—মহারাজা সুইটস। যেই দোকানে শুধু নীলা মার্কেটের মিষ্টিই নয়, পাবেন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মিষ্টি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/1x96ttxfsw">এই গরমে ঢাকার যেখানে মিলবে ডাবের আইসক্রিম</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/fseqlqud/040A9817.JPG"><figcaption>দোকানটির দেয়ালে আঁকা হয়েছে দেয়ালচিত্র</figcaption></figure><p>সেই মিষ্টির স্বাদ নিতে গত সোমবার আমিও গিয়েছিলাম। নীলা মার্কেট বাসস্ট্যান্ড থেকে মাত্র ১০ টাকার অটো ভাড়ায় চলে আসি পূর্বাচলের বড়ুলিয়া চত্বর। এখান থেকে একটু দূরেই চোখে পড়ে মহারাজা মিষ্টির দোকান। সামনে এগোতেই গেটের দুপাশে গাড়ির সারি দেখে বোঝা যাচ্ছিল, ভেতরের মানুষজন সব মহারাজার সুইটসে মিষ্টিমুখ করছেন। </p><p>আমিও কাচের দরজা ঠেলে ঢুকে পড়ি। ভেতরটা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত। দোকানটির দেয়ালে আঁকা হয়েছে পালকির আদলে গড়া দেয়ালচিত্র, আছে দোতলায় ওঠার সিঁড়ি। সুন্দর করে টেবিল-চেয়ার দেওয়া আছে, রয়েছে একসঙ্গে প্রায় ১৫০ জনের খাওয়ার ব্যবস্থা। মিষ্টি ঘিরে যাত্রা শুরু করা মহারাজা এখন বেকারি আইটেম, কাবাব, কফিসহ অনেক রকম খাবার নিয়ে এসেছে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/5pdfe10403">ঢাকার যেসব জায়গার হান্ডি না খেলেই নয়</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/c3sz9y4s/040A9696.JPG"><figcaption>কাচের শোকেসবন্দী হরেক রকমের মিষ্টি </figcaption></figure><p>যেহেতু মিষ্টির খোঁজে এসেছি, শুরুতেই তাই ক্যাশ কাউন্টারের পাশে কাচের শোকেসবন্দী হরেক রকমের মিষ্টি দেখতে গেলাম। মিষ্টির নাম এবং দাম দেখে লোভ সামলানো দায়! রসে ডোবানো রসমালাই থেকে শুরু করে মালাই রোল, মালাই কেক, মতিচুর, মতিনাট লাড্ডু, রাবড়ি জামুন, হাঁড়িভাঙা, স্পঞ্জ, ছানার আমৃতি, চমচম, কাজু কাটলি, কাঁচাগোল্লাসহ কতশত মিষ্টি! </p><p>গরমে ঘেমে-নেয়ে এসেছি বলে মিষ্টি না চেয়ে বরং এক গ্লাস মাঠা অর্ডার করি। মাঠায় চুমুক দিতে দিতে মহারাজার প্রতিষ্ঠাতা মায়িশা রহমান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তাঁর স্বামী নওসাদ হাসনাইনের সঙ্গে কথা হয়। মায়িশা রহমান জানান, অস্ট্রেলিয়া থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে করোনার সময় একপ্রকার আটকে পড়েন। তখন ভাবলেন, ভিনদেশে পাড়ি না জমিয়ে দেশে কিছু একটা করবেন। নিজেদের অন্যান্য ব্যবসা থাকার পরও নতুন কিছু করার চিন্তাভাবনা থেকে ঠিক করলেন মিষ্টি নিয়ে কাজ করবেন। সেই থেকেই সাত হাজার বর্গফুটের নিজেদের এই জায়গায় গড়ে তোলেন মিষ্টির কারখানা। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/44d71v2nri">ফুড কার্ট দিয়ে যাত্রা শুরু, এখন দেশের জনপ্রিয় বার্গারের ঠিকানা চিলক্স</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/qqaj352z/040A9869.JPG"><figcaption>মহারাজার ভেতরে আছে খোলামেলা ও পরিচ্ছন্ন আবহ</figcaption></figure><p>সামনে খাওয়ার জায়গা আর পেছনে মূল কারখানা। মাত্র একজন কারিগর ও তাঁর সহকারী নিয়ে যাত্রা শুরু করা মহারাজা সুইটসে এখন কাজ করছেন ১০ জন কারিগরসহ ৪০ জন কর্মী। অটোরিকশাচালকদের কাছে বিরান প্রান্তরে গড়ে ওঠা জায়গাটা শুরুতে ছিল ‘এসিওয়ালা মিষ্টির দোকান’। </p><p>ধীরে ধীরে মহারাজা মিষ্টির স্বাদে তৃপ্ত গ্রাহকেরা বারবার এখানে ছুটে আসতে শুরু করেন। বেলা ১১টা থেকে শুরু করে মিষ্টি খাওয়ার এই আয়োজন চলে রাত ১২টা পর্যন্ত। কখনো কখনো রাত ১টা–২টা পর্যন্তও গড়ায়। বিশেষ করে শুক্রবারসহ ছুটির দিনগুলোতে ভিড় থাকে দেখার মতো। বসে খাওয়ার পাশাপাশি যে কেউ চাইলে বাসাবাড়ির জন্য বা নিমন্ত্রণে যাওয়ার উদ্দেশ্যে প্যাকেটজাত করে মিষ্টি নিয়ে যেতে পারেন। </p><p>দরদাম কেজি হিসেবে মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর প্রতি পিস মিষ্টি খাওয়ার সুযোগ রয়েছে ৮০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া ফরমায়েশি বিয়েবাড়ির আয়োজনের জন্য মিষ্টির ডালা সাজিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কিছুদিন আগে প্রায় ২০ কেজি ওজনের এক ডালা সাজিয়ে নেন উত্তরার এক বাসিন্দা। বড় সেই ডালা চারজন মিলে পিকআপে করে নিয়ে যেতে হয়েছিল! মিষ্টির ডালার ক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে—কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে জানাতে হবে এবং চাহিদা অনুযায়ী অর্ডার নিশ্চিত করতে হবে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/jqi8fvex4x">টাঙ্গাইলের পুরোনো এক জমিদারবাড়ি যেভাবে হয়ে উঠল ভাইরাল শুটিং স্পট </a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/93t8cafb/040A9809.JPG"><figcaption>দূর–দূরান্ত থেকে ক্রেতারা মিষ্টি কিনতে আসেন</figcaption></figure><h3>যেভাবে যাবেন</h3><p>শুরুতেই ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে আসতে হবে কুড়িল বিশ্বরোডে। সেখান থেকে মাত্র ৩০ টাকা ভাড়ায় চলে আসুন নীলা মার্কেট বাসস্ট্যান্ড। নীলা মার্কেট যে পাশে, তার ঠিক উল্টো পাশ থেকে অটোতে চেপে মাত্র ১০ টাকা ভাড়ায় চলে আসতে পারবেন মহারাজা সুইটসে। আর যাঁদের নিজস্ব গাড়ি আছে, তাঁরা তো জ্যামহীন রাস্তায় সরাসরি চলে আসতে পারবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/xofomt0vv1">ঢাকার যেসব এলাকায় মিলবে পতেঙ্গার খাবার</a></aside>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
উদ্ভাবনপটু দেশপ্রেমী
উদ্ভাবনপটু দেশপ্রেমী

<p>বহুকাল আগের কথা।</p><p>এক দেশে ছিল এক রাজা।</p><p>একদিন রাজার দরবারে হাজির হলো এক লোক। সে ছিল বুদ্ধিমান ও উদ্ভাবনপটু এক দেশপ্রেমী।</p><p>রাজদরবারে এসে নিজের জামার পকেট হাতড়ে এক টুকরা কাগজ বের করল লোকটি। রাজার উদ্দেশে বলল, ‘মহারাজ, আমি খুব শক্ত বর্ম বানানোর একটা ফর্মুলা আবিষ্কার করেছি। সেটা এত শক্ত হবে যে দুনিয়ার কোনো বন্দুকের গুলি তা ভেদ করতে পারবে না। এই বর্ম যদি রাজকীয় নৌবাহিনীতে ব্যবহার করা হয়, তাহলে আপনার যুদ্ধজাহাজগুলো হয়ে উঠবে অভেদ্য। কেউ আপনাকে আর পরাজিত করতে পারবে না। আপনার মন্ত্রীরাও সেটা পরীক্ষা করে দেখেছেন। এই যে এখানে এই বর্ম সম্পর্কে আপনার মন্ত্রীদের প্রশংসাপত্র আছে। তাঁরাই এর সঠিক মূল্য বুঝতে পেরেছেন। মাত্র এক লাখ টুমটুম মুদ্রার বিনিময়ে আমি এই আবিষ্কারটার স্বত্ব বিনিময় করতে চাই।’</p><p>কাগজটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সেটা এক পাশে সরিয়ে রাখলেন রাজা। রাজকোষাগার থেকে ওই দেশপ্রেমীকে এক লাখ টুমটুম দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীকে নির্দেশ দিলেন।</p><p>এবার জামার আরেকটা পকেট হাতড়াতে লাগল দেশপ্রেমী। কিছুক্ষণ পর তার হাতে আরেক টুকরা কাগজ উঠে এল। সেটা দেখিয়ে রাজাকে বলল, ‘মহারাজ, এখানে আমার উদ্ভাবন করা একটা বন্দুকের নকশা রয়েছে। এই বন্দুক দিয়ে আগের ওই শক্ত বর্মটাও অনায়াসে ছিদ্র করে ফেলা সম্ভব—যাকে বলে অপ্রতিরোধ্য বন্দুক। আপনার ভাই, মানে ব্যাংয়ের মহারাজা, এটি কিনতে আগ্রহী। কিন্তু মহামান্য, আপনার এবং আপনার সিংহাসনের প্রতি আনুগত্যের কারণে তাঁকে আমি এ ফর্মুলা দিইনি। এর বিনিময়মূল্যও বেশি নয়, মাত্র এক লাখ টুমটুম মুদ্রা।’</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/sciencefiction/v64ehj8r61">ক্রাইম অন মার্স</a></aside><blockquote>কাগজটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সেটা এক পাশে সরিয়ে রাখলেন রাজা। রাজকোষাগার থেকে ওই দেশপ্রেমীকে এক লাখ টুমটুম দেওয়ার জন্য অর্থমন্ত্রীকে নির্দেশ দিলেন। </blockquote><p>অচিরেই দেশপ্রেমীকে রাজকোষ থেকে আরও এক লাখ টুমটুম মুদ্রা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।</p><p>সে প্রতিশ্রুতি পেয়ে গদগদ দেশপ্রেমী আবারও জামার পকেটে হাত ঢোকাল। আরেক টুকরা কাগজ বের করে এনে বলল, ‘মহামান্য সম্রাট, এই অপ্রতিরোধ্য বন্দুকের দাম আরও বেশি হতে পারত। কিন্তু আপনার মহিমায় আমি আরেকটা ফর্মুলা উদ্ভাবন করেছি। সেই ফর্মুলাটা ব্যবহার করলে আগের বর্মটা এই বন্দুকের গুলিও ঠেকিয়ে দিতে পারবে। একদম কার্যকরভাবে। এই ফর্মুলা মাত্র...।’</p><p>কিন্তু মুখের কথা শেষ করতে পারল না দেশপ্রেমী। তার আগেই সেনাপতিকে এগিয়ে আসতে ইঙ্গিত করলেন রাজা। হুংকার দিয়ে বললেন, ‘এই লোককে এক্ষুনি তল্লাশি করো। গুনে দেখো, ওর জামায় কতগুলো পকেট আছে।’</p><p>‘৪৩টি মহারাজ।’ পরীক্ষা শেষে জবাব দিল সেনাপতি।</p><p>‘দয়া করুন, মহারাজ,’ আতঙ্কিত হয়ে উদ্ভাবনপটু দেশপ্রেমী চিৎকার করলে বলল, ‘পকেটগুলোর মধ্যে একটিতে আমার তামাক আছে।’</p><p>‘লোকটাকে উল্টো করে ধরে জোরে জোরে ঝাঁকাও,’ কঠোর নির্দেশ দিলেন রাজা, ‘তারপর তাকে ৪২ লাখ টুমটুম মুদ্রা দাও। এরপর দ্রুত ওর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করো। আর সব কাজ শেষে এমন একটা ফরমান জারি করো, যাতে এর পর থেকে উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।’</p><h4>*লেখাটি ২০২৫ সালে বিজ্ঞানচিন্তায় মার্চ সংখ্যায় প্রকাশিত</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/sciencefiction/rg1ouxo5ab">নীল রঙের সেই বোতল</a></aside>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার
তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার

এই ১০ বিধায়ক জানান, বিধায়ক শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় পুরোনো আইন নিয়ে বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন করেছেন। তা এখন কার্যত অকার্যকর।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
ছুটির দিনের সকালেই বাড়ল সোনার দাম
ছুটির দিনের সকালেই বাড়ল সোনার দাম

<p>ছুটির দিন শুক্রবার সকালে বাড়ল সোনার দাম। এবার ভরি সোনার দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি সোনার মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি সকালেই জানিয়েছে। এর আগে ৫ অক্টোবর সোনার দাম ভরিতে কমানো হয়েছিল ১ হাজার ৬৩৩ টাকা। তার চারদিনের মাথায় সোনার দাম বাড়ল। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার মূল্যবৃদ্ধির জন্য দেশের বাজারে তেজাবি সোনার দাম বাড়ার কথা জানিয়েছে সমিতি।</p><p>নতুন দাম অনুযায়ী, ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করায় ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে। গতকাল পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।</p><p>একইভাবে ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গয়নার দাম ২ হাজার ১০০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। গতকাল পর্যন্ত এই ক্যারেটের সোনার ভরি ছিল ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা।</p><p>অন্যদিকে ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বৃদ্ধি করে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। গতকাল পর্যন্ত ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা।</p><p>এদিকে সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার গয়নার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা। সোনা ও রুপার দামের সঙ্গে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট যুক্ত রয়েছে</p>

অক্টোবর ৯, ২০২৬
এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁই ছুঁই
এ বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৩০০ ছুঁই ছুঁই

বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে পহেলা জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেেশে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৯৪ জনে । আরও উল্লেখযােগ্য খবরের মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রামে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য দুবাইভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এদিকে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন কলোনিতে পাঁচ লাখ পাখি কমলো কী করে?
সবচেয়ে বড় পেঙ্গুইন কলোনিতে পাঁচ লাখ পাখি কমলো কী করে?

একটি প্রত্যন্ত আগ্নেয় দ্বীপে বসবাসকারী চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে যাওয়ার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করা হচ্ছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা
বিদেশি কর্মী নিয়োগে মাইক্রোসফটসহ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা

মাইক্রোসফটকে বিদেশি কর্মী নিয়োগ কর্মসূচি থেকে নিষিদ্ধ করেছে হোয়াইট হাউস। আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও এই ব্যবস্থা নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে অনেক দিন ধরেই আন্তর্জাতিক কর্মী নিয়োগ করে আসছে। কিন্তু হঠাৎ করে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
পত্রিকা: 'ঢাকায় প্রতি রুটে চলবে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস'
পত্রিকা: 'ঢাকায় প্রতি রুটে চলবে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস'

আপত্তি ও বিক্ষোভের মুখেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল দেওয়ার খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ শুক্রবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোয়। এছাড়া, রাজধানীতে ছয় মাসের মধ্যে একটি রুটে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস চালুর নিদের্শনা; পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাবে পাইকারি ও খুচরা বাজারে চালের দামে ঊর্ধ্বমুখী ভাবের বিষয়টিও এসেছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
যন্তর মন্তর যেভাবে গণতন্ত্রের স্পন্দন মাপতে শুরু করল
যন্তর মন্তর যেভাবে গণতন্ত্রের স্পন্দন মাপতে শুরু করল

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণাগার হিসেবে ১৭২৪ সালে যে যন্তর মন্তর গড়া হয়েছিল, দিল্লির সেই প্রাচীন মানমন্দির, সম্প্রতি আন্দোলনের কারণে যন্তর মন্তর আবার শিরোনামে। কিন্তু যন্তর মন্তর কীভাবে একটি আন্দোলন কেন্দ্রে পরিণত হল?

অক্টোবর ৯, ২০২৬
এলাকাভেদে ভিন্ন রঙ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ঢাকার অটোরিকশা?
এলাকাভেদে ভিন্ন রঙ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে ঢাকার অটোরিকশা?

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অবাধ চলাচল নিয়ে সম্প্রতি নানা আলোচনা সামনে আসছে। এই যানবাহন নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা তৈরিসহ নানা পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যদিও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিয়ে অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তিতে কী আছে?
চট্টগ্রাম বন্দরে ডিপি ওয়ার্ল্ডের চুক্তিতে কী আছে?

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও এটি নিয়ে বিদেশি কোম্পানির সাথে চুক্তি করার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। কিন্তু বন্দরের শ্রমিক কর্মচারীদের বিরোধিতার মুখে সরকার সেই কার্যক্রম স্থগিত করেছিল।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
মৎস্যকন্যা বা জলপরী মিথ কোথা থেকে এলো?
মৎস্যকন্যা বা জলপরী মিথ কোথা থেকে এলো?

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মারমেইড বা জলপরী নিয়ে মানুষের আগ্রহের যেন অন্ত নেই। বিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন মহাদেশের কোথাও জলপরী, কোনো দেশে মারমেইড, কোথাও মাদার অফ ওয়াটার বা জলের মা, কোথাও সাইরেন, আবার কোনো কোনো জায়গায় এটি মৎস্যকন্যাসহ নানা নামে পরিচিত।

অক্টোবর ৮, ২০২৬
ট্রাম্পের শান্তি কমিটিকে উপেক্ষা, গাজার নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে নারাজ ইসরায়েল
ট্রাম্পের শান্তি কমিটিকে উপেক্ষা, গাজার নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে নারাজ ইসরায়েল

কমিটির কার্যক্রম শুরুর পথ সুগম করতে হামাস গত জুলাইয়ে নিজেদের শাসনকাঠামো বিলুপ্ত করেছিল। কিন্তু এরপরও ইসরায়েল তাদের গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে তথাকথিত ‘হলুদ রেখার’ পেছনে গাজার ৫৩ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে তারা অঞ্চলটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
বিদেশে যেতে পারলেন না বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা মাহদী
বিদেশে যেতে পারলেন না বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা মাহদী

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব মাহদী হাসানকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে চমক
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে চমক

আবুধাবির গরম, শুষ্ক উইকেট আর প্রতিপক্ষ হিসেবে আফগানিস্তান—এ তিন চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে টেস্ট অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ। শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
‘দৃশ্যম থ্রি’: ৭ দিনে আয় ৪৮৮ কোটি টাকা
‘দৃশ্যম থ্রি’: ৭ দিনে আয় ৪৮৮ কোটি টাকা

মালায়ালাম ভাষার বহুল আলোচিত সিনেমা সিরিজ ‘দৃশ্যম’। পূর্বের মতো এ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তির রিমেক হয়েছে বলিউডে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, ঢাকায় প্রেরণ
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম, ঢাকায় প্রেরণ

খুলনায় মো. শাহ আলম (৪৩) নামে এক পুলিশ পরিদর্শককে কুপিয়ে জখম করেছে ছিনতাইকারীরা।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
মমেক হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু
মমেক হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরো তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের দাবিতে ৪ সংগঠনের সমাবেশ
গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের দাবিতে ৪ সংগঠনের সমাবেশ

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণে দ্রুত মজুরি বোর্ড গঠন এবং ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণার দাবি জানিয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলো।

অক্টোবর ৯, ২০২৬
আসবেন ঘোড়ায় চেপে, যাবেন নৌকায়
আসবেন ঘোড়ায় চেপে, যাবেন নৌকায়

এ বছর দেবী ঘোড়ায় চড়ে মর্ত্যে আসবেন এবং নৌকায় চড়ে বিদায় নেবেন বলে জানিয়েছেন ধর্মাবলম্বীরা। তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। এরপর মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী ও মহানবমী পেরিয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটবে।

অক্টোবর ৯, ২০২৬