ভারত

দিল্লির ঐতিহাসিক মসজিদ ঘিরে বড় হয়েছেন তাঁরা, এখন উচ্ছেদ হয়ে যেতে হলো ৩১ মাইল দূরে

নভেম্বর ৪, ২০২৬
দিল্লির ঐতিহাসিক মসজিদ ঘিরে বড় হয়েছেন তাঁরা, এখন উচ্ছেদ হয়ে যেতে হলো ৩১ মাইল দূরে
দিল্লির ঐতিহাসিক মসজিদ ঘিরে বড় হয়েছেন তাঁরা, এখন উচ্ছেদ হয়ে যেতে হলো ৩১ মাইল দূরে
<p>ভারতের রাজধানী দিল্লির একেবারে কেন্দ্রস্থলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে সামান্য দূরের একটি ছোট্ট মসজিদ। পুরোনো মসজিদটির চারপাশে ছড়িয়ে আছে ধ্বংসস্তূপ। তবে মসজিদের ধূসর দেয়াল, খিলান আর উঠানের সাদা–সবুজ টাইলসগুলো এখনো সেভাবেই অক্ষত আছে। শুধু নেই সেসব মানুষেরা, যাঁদের পদচারণে মুখর থাকত মসজিদ প্রাঙ্গণ, বসতি।</p><p> তাঁদেরই একজন মোহাম্মদ ওয়াসিম। বয়স ৫০ বছর। পেশায় গাড়িচালক তিনি। মসজিদঘেঁষা ধ্বংসস্তূপের দিকে তিনি আঙুল তুলে দেখালেন, সেখানেই একসময় বসতঘর ছিল ওয়াসিমের। বললেন, ‘এখানে আমার বাবার বিয়ে হয়েছিল। কয়েক দশক পর আমার মেয়ের বিয়েও এখানে হয়েছে।’</p><p> পরিবার নিয়ে শুধু ওয়াসিম নন, কয়েক শ মানুষ মসজিদটি ঘিরে বসবাস করতেন। জায়গাটি দিল্লির রেসকোর্স এলাকায়। ভারতের রাজধানীর অন্যতম অভিজাত ও কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকা এটি। সেখানে রয়েছে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা, অভিজাত ক্লাব, সারি সারি বিশাল বাংলো। এসবের মাঝে ছোট ছোট কিছু ঘর নিয়ে গড়ে উঠেছিল মুসলিমদের ওই বসতি।</p><p>গত ৭ অক্টোবর সেখানে উচ্ছেদ অভিযান চালায় কর্তৃপক্ষ। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বাড়ি, দোকান, স্থাপনা; পুরো বসতি। কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি জমিতে অবৈধ বসতি গড়ে তোলা হয়েছিল। তাই, অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে সামরিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টিও সামনে আনে কর্তৃপক্ষ।</p><p>মুসলিমরা কয়েক প্রজন্ম ধরে দিল্লির ওই জায়গাটিতে বসবাস করে আসছিলেন। আশপাশের অভিজাত বাড়িগুলোয় কেউ গাড়িচালক, কেউ পরিচ্ছন্নতাকর্মী, আবার কেউবা মালির কাজ করতেন। উচ্ছেদ করা হয়েছে ৭১৭টি পরিবারকে। তাদের এখন ঠাঁই হয়েছে ‘সাভদা ঘেবরা’ নামের একটি আবাসিক এলাকায়। জায়গাটি দিল্লির উপকণ্ঠে, আগের বসতি থেকে প্রায় ৩১ মাইল দূরে।</p><p>সরকারের উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যুক্তি ছিল কর্মস্থল, বিদ্যালয় আর পরিচিত জনপদ থেকে এত দূরে সরিয়ে নেওয়া হলে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হতে পারে। তবে আদালত এসব যুক্তি আমলে নেননি।</p><p>গত আগস্টে আদালত তাঁদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দেন। সরকার নিরাপত্তার উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল, আদালত তা গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথাও বলেছেন।</p><p>ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযানের পর এলাকাটিতে শুধু মসজিদটি আর কাছাকাছি থাকা একটি মন্দির অক্ষত আছে। তবে সেখানকার পানি ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সেখানে যাতায়াতের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। মুসল্লিদের মসজিদের ফটক থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে অনুরোধ করে কেউ কেউ ভেতরে ঢুকছেন।</p><blockquote>উচ্ছেদের পর মসজিদের পানি–বিদ্যুতের সংযোগ আবার চালু করতে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ওয়াক্‌ফ বোর্ড। চিঠিতে মসজিদটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কথাও লেখা রয়েছে। সেই সঙ্গে মসজিদটিতে নামাজ আদায়ে বিধিনিষেধ আরোপ এবং ভেঙে ফেলার আশঙ্কা জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন একজন মুসল্লি।</blockquote><p><strong>মসজিদটি শতাব্দীপ্রাচীন</strong></p><p>ভারত সরকার বলছে, মসজিদটি সরকারি জমিতে নির্মিত। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, ১৯৭৭ সালে এটি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। ইসলামি আইন অনুযায়ী, ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা জমি বা স্থাপনাকে ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি বলা হয়। মসজিদটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা হিসেবেও তালিকাভুক্ত।</p><p>দিল্লি ওয়াক্‌ফ বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মসজিদটির বয়স প্রায় ৩০০ বছর। তবে অনেকে বলছেন, এর বয়স ১২৫ থেকে ১৫০ বছরের মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কাজেই মসজিদটিকে শতাব্দীপ্রাচীন বলাই যায়।</p><p>উচ্ছেদের পর মসজিদের পানি–বিদ্যুতের সংযোগ আবার চালু করতে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ওয়াক্‌ফ বোর্ড। চিঠিতে মসজিদটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কথাও লেখা রয়েছে। সেই সঙ্গে মসজিদটিতে নামাজ আদায়ে বিধিনিষেধ আরোপ এবং ভেঙে ফেলার আশঙ্কা জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন একজন মুসল্লি।</p><p>গত ২৯ অক্টোবর সরকার আদালতকে জানায়, ওয়াক্‌ফ বোর্ডের আপত্তিগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। এ জন্য আগামী চার সপ্তাহ কিছু করা হবে না। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সেখানে নামাজ আদায়ের সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার বিরোধিতা করেছে সরকার। তাদের যুক্তি, আশপাশে উচ্ছেদের কাজ চলায় সেখানে নামাজ আদায় করা ঝুঁকিপূর্ণ।</p><p>মুসল্লিদের আইনজীবী সরকারের এ যুক্তির বিরোধিতা করেছেন।</p><blockquote>সমালোচকদের মতে, দিল্লিতে এমন উচ্ছেদের ঘটনা নতুন নয়। এসব ঘটনা দীর্ঘদিনের সমস্যার অংশ। কাজের সন্ধানে শহরে আসা নিম্ন আয়ের মানুষদের বারবার শহরের দূরবর্তী প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর বড় কারণ তাঁরা সেখানে কয়েক দশক ধরে বসবাস করলেও জমির বৈধ মালিকানার প্রমাণ দেখাতে পারেন না।</blockquote><p><strong>ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠা</strong></p><p>আদালত বিষয়টি নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে রাজি হননি। আগামী ১৬ ডিসেম্বর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।</p><p>মসজিদটির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। তবে একসময় যাঁরা মসজিদের আশপাশে বসবাস করতেন, তাঁদের কাছে এখন বড় প্রশ্ন—সেখানকার জীবনের কতটুকু আর ফিরে পাওয়া যাবে?</p><p>এখন ওয়াসিম সময় পেলেই মসজিদটিতে নামাজ আদায় করতে যান। কখনো কখনো নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে ফিরিয়ে দেয়। আবার কখনো অনুমতি মেলে। চার–পাঁচজন মিলে নামাজ আদায় করেন। বাইরে বড়সড় একটি জেনারেটর বসানো হয়েছে। উচ্চশব্দে চলছে সেটি। সেখান থেকেই বিদ্যুৎ সবরাহ করা হচ্ছে।</p><p>ওয়াসিম বলেন, ‘আমাদের পুরো জীবন এ জায়গাটি ঘিরে। শৈশবে এখানে খেলাধুলা করে বেড়ে উঠেছি। আমরা এখন কীভাবে জায়গাটি ছেড়ে যেতে পারি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-03/qjrtwjpf/Dellhi-1.avif"><figcaption>মসজিদের সামনে ও আশপাশে বেশ কিছু স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব জায়গায় মুসলিম পরিবারগুলো বসবাস করত</figcaption></figure><p>রেখা নামে এক বিধবা নারী সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছিলেন। পাশের একটি বাসায় ধোয়ামোছার কাজ করতেন। সেই বেতন দিয়ে পরিবার চলত। পাশাপাশি স্থানীয় একটি মন্দিরে সেবায়েতের কাজেও যুক্ত ছিলেন। বাড়ি থেকে উচ্ছেদের কারণে এখন অকূলপাথারে পড়েছেন রেখা।</p><p>অসহায় কণ্ঠে রেখা বলেন, ‘বেশ কয়েক দশক এখানে ছিলাম। এখন উচ্ছেদ করা হলো। বহুদিনের গোছানো সংসার ফেলে এখন নতুন জায়গায় গিয়ে আবার কীভাবে সব গড়ে তুলব?’</p><p>নতুন জায়গায় যেতে হওয়ায় আগের কাজটি হারিয়েছেন রেখা। তাঁর ১৯ বছরের ছেলে হন্যে হয়ে চাকরি খুঁজছেন। তিনতলায় একটি ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্ট দেওয়া হয়েছে রেখাকে। অস্ত্রোপচার হয়েছিল, পায়ে একটি লোহার পাত পরানো রয়েছে রেখার। তাই সিঁড়ি ভেঙে তিনতলায় ওঠানামা করতে ভীষণ কষ্ট হয় তাঁর।</p><p>ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠায় ভোগা রেখা বলেন, ‘আমাকে একটা বাসা দেওয়া হয়েছে ঠিকই, কিন্তু আমার বাড়িটি কেড়ে নিয়েছে।’</p><p><strong>‘জীবিকা চলে যায়, আয় কমে’</strong></p><p>সমালোচকদের মতে, দিল্লিতে এমন উচ্ছেদের ঘটনা নতুন নয়। এসব ঘটনা দীর্ঘদিনের সমস্যার অংশ। কাজের সন্ধানে শহরে আসা নিম্ন আয়ের মানুষদের বারবার শহরের দূরবর্তী প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর বড় কারণ তাঁরা সেখানে কয়েক দশক ধরে বসবাস করলেও জমির বৈধ মালিকানার প্রমাণ দেখাতে পারেন না।</p><p>নগর গবেষক মুক্তা নায়েক বিবিসিকে বলেন, উচ্ছেদের ফলে এসব মানুষ কর্মস্থল ও পরিচিত সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা—দুটো থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এতে তাঁদের জীবিকা চলে যায়, আয় কমে।</p><p>পুরোনো জায়গায় পরিবারগুলো দীর্ঘদিন একসঙ্গে বসবাস করায় একে অপরের সহায় হয়ে ওঠেন। একটি পারস্পরিক সহযোগিতার ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। নতুন জায়গায় সেই নেটওয়ার্ক আবার গড়ে তোলাটি বেশ কঠিন। মুক্তা বলেন, ‘নতুন জায়গায় পরিবারগুলোকে একাই নিজেদের সবকিছু সামলাতে হয়।’</p><aside><cite>রেখা, ভুক্তভোগী নারী।</cite>‘বেশ কয়েক দশক এখানে ছিলাম। এখন উচ্ছেদ করা হলো। বহুদিনের গোছানো সংসার ফেলে এখন নতুন জায়গায় গিয়ে আবার কীভাবে সব গড়ে তুলব?</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/jblj58coi4">বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ, উচ্ছেদ-আতঙ্কের মধ্যেই দিল্লির শতবর্ষী মসজিদে জুমার নামাজ পড়লেন মুসল্লিরা</a></aside><p>দিল্লির রাজ্য সরকারের আবাসন সংস্থা, স্থানীয় পৌর কাউন্সিল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমি দপ্তরের কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়েছিল বিবিসি। জবাব পাওয়া যায়নি।</p><p>সাভদা ঘেবরা জায়গাটি দিল্লি–হরিয়ানার সীমান্তঘেঁষা। ২০০৬ সালে সেখানে বিস্তৃর্ণ কৃষিজমিতে এটা গড়ে তোলা হয়েছিল। শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য এ আবাসিক এলাকা তৈরি করা হয়েছিল।</p><p>শুরুর দিকে এখানে যাঁরা বসতি গড়তে এসেছিলেন, তাঁরা পেয়েছিলেন খালি জমি। সড়ক, পানির ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ—কিছুই ছিল না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা নিজেদের ঘরবাড়ি বানান, দোকানপাট গড়ে তোলেন। তাঁদের মৌলিক নাগরিক সুবিধাগুলো আদায়ের জন্য লড়াই করতে হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/oyn7pn5d4k">আসামের পর দিল্লিতে ৭০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, মসজিদ ভেঙে দেওয়ার নোটিশ জারি</a></aside><p><strong>নিত্যদিনের যাতায়াতে সমস্যা</strong></p><p>চলতি শতকের শুরুর দশকে সাভদা ঘেবরায় হাজার পঞ্চাশেক মানুষ বসবাস করতেন। তাঁদের অন্য কোথাও যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তাঁরা ধীরে ধীরে জায়গাটিকে একটি জনপদে পরিণত করেন। এখন রেসকোর্স থেকে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলো সেখানে একইভাবে নতুন করে জীবন গড়ার কঠিন ও দীর্ঘ যাত্রা শুরু করেছে।</p><p>কথা হচ্ছিল বাবলুর সঙ্গে। তাঁর সন্তান এখনো দিল্লির মধ্যাঞ্চলের আগের বিদ্যালয় পড়ছে। বাবলু বলেন, সন্তানকে নিয়ে প্রতিদিন ভোর পাঁচটায় বাড়ি থেকে বেরোতে হয়। এরপর মেট্রোতে চড়ে সন্তানকে দিল্লির ওই বিদ্যালয়ে নিয়ে যেতে তাঁকে তিনবার ট্রেন বদলাতে হয়। বিদ্যালয় চলার পুরো সময়টা তিনি পাশের একটি চায়ের দোকানে বসে অপেক্ষা করেন। পরে একইভাবে ট্রেন বদলে আবার বাড়ি ফেরেন।</p><p>বাবলু জানান, তিনি কাজে চলে গেলে সন্তানকে নিয়ে তাঁর স্ত্রীকে এই যুদ্ধটা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন বাড়িটা বেশ দূরে। তাই তিনি বা তাঁর স্ত্রীর সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরতে বিকেল চারটা বেজে যায়।</p><p>রেসকোর্সের একটি ক্লাবে কাজ করতেন বাবলু। এখন দিল্লির উত্তর–পূর্বাঞ্চলের মিরাট শহরে কাজ খুঁজছেন তিনি। বাবলু বলেন, কর্মস্থল আর ছেলেমেয়ের বিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকাগুলোয় চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন অনেকেই।</p><p>সরকারের দাবি, রেসকোর্সের কাছাকাছি উপযুক্ত ফ্ল্যাট পাওয়া যায়নি। আদালতে সরকার বলেছে, সাভদা ঘেবরায় চিকিৎসাকেন্দ্র, বিদ্যালয় ও যোগাযোগব্যবস্থা রয়েছে। তাই বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর বসবাসের জন্য এলাকাটি বেশ উপযুক্ত।</p><aside><cite>মুক্তা নায়েক, নগর গবেষক।</cite>উচ্ছেদের ফলে এসব মানুষ কর্মস্থল ও পরিচিত সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা—দুটো থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এতে তাঁদের জীবিকা চলে যায়, আয় কমে।</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/dw18w33elo">আসামের ধুবড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে গৃহহীন ৪ হাজার বাঙালি মুসলমান</a></aside><p><strong>নাগরিক সুবিধার অপ্রতুলতা</strong></p><p>কিন্তু এসব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে খুব একটা আশ্বস্ত হতে পারছেন না ৬৩ বছর বয়সী নাঈম খান। তাঁর দুই নাতি কথা বলতে ও শুনতে পারে না। তাদের বিশেষায়িত চিকিৎসা ও শিক্ষার প্রয়োজন। নাঈমের দাবি, সাভদা ঘেবরায় এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা নেই।</p><p>নাঈম বলেন, স্থানান্তরের কারণে তাঁর পরিবার ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। এক ছেলে আর বিবাহবিচ্ছিন্ন মেয়ে তাঁর সঙ্গে ছোট্ট এক কক্ষের ফ্ল্যাটে থাকেন। জায়গার অভাবে অন্য দুই ছেলেকে থাকতে হচ্ছে আলাদা জায়গায়। নাঈমের ভাষায়, ‘আমাদের প্রায় ২০ বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।’</p><p>এই বাস্তুচ্যুতি সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে নারীদের ওপর। নগর গবেষক মুক্তা বলেন, শিশুদের দেখাশোনার দায়িত্ব, যাতায়াতের খরচ ও নিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে নারীদের জন্য দূরে গিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/4l09a781wh">আসামে বাঙালি মুসলিমদের বাড়িঘর উচ্ছেদ, মসজিদ ভাঙার অভিযোগ</a></aside><p>রেসকোর্সের আশপাশের ধনী পরিবারগুলোয় কাজ করে আয় করার সুযোগ ছিল। কারও বাসায় থালাবাসন ধোয়া, বাগানের পরিচর্যা করা, ফেলে দেওয়া বোতল কুড়িয়ে বিক্রি করা—এসব কাজ করে উচ্ছেদ হওয়ার আগে নারীরা উপার্জন করতে পারতেন।</p><p>তাঁদেরই একজন আখতারি। স্বামী মারা গেছেন। ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের পানির বোতল কুড়িয়ে দিনে প্রায় ১০০ রুপি আয় হতো তাঁর। এখন সেই আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।</p><p>নতুন বসতির বিষয়ে আখতারি বলেন, ‘এখানে যাঁরা থাকেন সবাইকে একসময় উচ্ছেদ করা হয়েছে। সবাই গরিব, অসহায়। নিজেরা টিকে থাকার লড়াই করছেন। অন্যের বাসায় কাজের জন্য কে আর কাউকে নিয়োগ দেবে?’</p><p>হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কী হবে, এখন সেই চিন্তা তাড়া করছে আখতারিকে। তিনি বলেন, ‘ঘরে মৃত পড়ে থাকলেও কেউ জানতে পারবে না। আশা করি কেউ একদিন দরজা ভেঙে আমাকে (মৃত অবস্থায়) খুঁজে পাবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/64hkqcnuj7">এবার দিল্লির ১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ উচ্ছেদের নোটিশ</a></aside>

Prothomalo

View more
এলইডি ফেস মাস্ক কিনবেন? ত্বকের যত্নে ব্যবহারের আগে জেনে নিন জরুরি কিছু কথা
এলইডি ফেস মাস্ক কিনবেন? ত্বকের যত্নে ব্যবহারের আগে জেনে নিন জরুরি কিছু কথা

ব্রণ কমানো, ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা মসৃণ করা কিংবা ত্বকের গঠন ভালো রাখা। এসব প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে এলইডি ফেস মাস্ক ও নানা ধরনের স্কিনকেয়ার গ্যাজেট।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
নীতা আম্বানির ১৬ কোটির ফড়িং ব্রোচ তৈরি করতে বিখ্যাত চীনা শিল্পীর কেন ১০ বছর লেগেছে
নীতা আম্বানির ১৬ কোটির ফড়িং ব্রোচ তৈরি করতে বিখ্যাত চীনা শিল্পীর কেন ১০ বছর লেগেছে

‘সোরিং স্পিরিট’ নামের ফড়িং আকৃতির ব্রোচ পরেছেন নীতা আম্বানি। এটি তৈরি করতে বিখ্যাত চীনা গয়না শিল্পী ওয়ালেস চ্যানের সময় লেগেছে প্রায় ১০ বছর।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
অতিরিক্ত গরমের কারণে ঝুঁকিতে পড়ছেন মা ও অনাগত শিশু, জানালেন গবেষকেরা
অতিরিক্ত গরমের কারণে ঝুঁকিতে পড়ছেন মা ও অনাগত শিশু, জানালেন গবেষকেরা

<p>বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন অনেক অন্তঃসত্ত্বা নারী। অতিরিক্ত গরমের কারণে জন্মগত ত্রুটি, অকাল গর্ভপাত এবং মৃত সন্তান জন্মের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে জানালেন গবেষকেরা।</p><p>তাপপ্রবাহের ভয়াবহ প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বজুড়ে। এবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিস্তৃত বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাপপ্রবাহ কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তাঁদের গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে। </p><p>এ লেখা যখন লিখছি, তখন ঢাকার তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে এ শহরের পথেঘাটে বা কোনো খোলা জায়গায় থাকা মানুষগুলোর মনে হচ্ছে, তাপমাত্রা আরও বেশি। তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি হলেও তাঁরা অনুভব করছেন ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস!</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/opnx7rjik3">মুরগির হাড় চিবানো আসলেই কি ভালো</a></aside><h3>ভুগছেন মা, ভুগছে শিশু</h3><p>গবেষকেরা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে মায়ের অসুস্থতা, শিশুর দুর্বলতা এবং অপরিণত অবস্থায় শিশুর জন্মের সম্পর্ক থাকতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মেক্সিকোর আট মিলিয়নের বেশি শিশুর জন্মসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করেছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। </p><p>১৮ বছর ধরে সংগ্রহ করা এসব তথ্য থেকে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ ফলাফল। জানা গেছে, মায়ের গর্ভকালের শেষ মাসে যদি তাপমাত্রা বাড়তি থাকে, তাহলে অপরিণত অবস্থায় শিশুর জন্মের ঘটনা ১৮ শতাংশ বেড়ে যায়।</p><p>অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়া শিশু জন্মের পর মৃত্যুঝুঁকিতেও পড়তে পারে। বেঁচে থাকলেও বহু বছর ধরেই নানা জটিলতায় ভুগতে পারে। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে বিপজ্জনক মাত্রায় উচ্চ রক্তচাপে ভুগতে পারেন অন্তঃসত্ত্বা নারীও। শিশুর জন্মগত ত্রুটি, অকাল গর্ভপাত এবং মৃত সন্তান জন্মের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বাড়তি তাপমাত্রার প্রভাবে।</p><h3>‘মাত্র’ তো ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস!</h3><p>কোনো অঞ্চলে সাধারণভাবে জলবায়ুর যে ধরন, সেখানকার অধিবাসীরা স্বাভাবিকভাবেই তাতে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন। বছরজুড়ে সেখানকার তাপমাত্রার স্বাভাবিক ওঠানামার সঙ্গে অভ্যস্ত থাকে তাঁদের শরীর। </p><p>কিন্তু অভ্যস্ততার চেয়ে মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি তাপমাত্রায় থাকতে হলেই ঝুঁকিতে পড়তে পারেন অন্তঃসত্ত্বা নারী। ‘মাত্র’ এই ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের পার্থক্যের জন্যই একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।</p><p>বিভিন্ন ধরনের জলবায়ুতে অভ্যস্ত নারীদের ওপর এই একই ধরনের প্রভাব লক্ষ করা গেছে। উত্তপ্ত মরুভূমি, আর্দ্র বনভূমি, নাতিশীতোষ্ণ পাহাড়ি মালভূমি—যেকোনো জায়গার নারীর ওপরেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির একই ধরনের প্রভাব দেখা গেছে।</p><p>অর্থাৎ জায়গাটা যেমনই হোক, সেখানকার স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তি তাপমাত্রাই হয়ে উঠতে পারে ক্ষতির কারণ। বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে জানা গেছে, মেক্সিকো, চীন, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্রেও বাড়তি তাপমাত্রার কারণে অন্তঃসত্ত্বা নারীরা নানাবিধ ঝুঁকিতে পড়ছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/0eqlco07zr">৭ মাসে ৩৭ কেজি ওজন কমিয়ে র‍্যাম্পে ফিরেছেন মডেল মাশিয়াত, কীভাবে সম্ভব করলেন</a></aside><h3>কারণটা অস্পষ্ট, চাই সতর্কতা</h3><p>ঠিক কী কারণে তাপমাত্রার এমন ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ওপর, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নন গবেষকেরা। হয়তো কারণটা খুঁজে পেতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে তাঁদের। তবে কারণ যেটাই হোক, মায়েদের এবং তাঁদের অনাগত সন্তানদের এই বিপদ থেকে বাঁচাতে হবে।</p><p>কীভাবে ঝুঁকি কমানো সম্ভব, তা নিয়েও গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু যত দিনে সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর মিলবে, তত দিন পর্যন্ত ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা তো থেমে থাকবে না। নানা দেশে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা চালু হচ্ছে এখনই। চওড়া হ্যাট ব্যবহার করা এবং ছাদে সাদা রং করা এই সতর্কতারই অংশ। </p><p>তাঁদের এই উদ্যোগ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারি আমরাও। তাপমাত্রার প্রভাব থেকে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে বাঁচাতে এমন কিছু ব্যবস্থা করা যেতে পারে আমাদের দেশেও। পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক পরিসরে নানাভাবেই অন্তঃসত্ত্বা নারীর প্রতি যত্নশীল হওয়ার সুযোগ আছে।</p><p><sup>সূত্র: রয়টার্স</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/0exzxrnu6l">যে ৫ কারণে জাপানিরা মোটা হয় না</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
আনন্দ নিয়েই ক্রিকেট খেলি
আনন্দ নিয়েই ক্রিকেট খেলি

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/annd-niyei-kriket-kheli</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারির তারিখ ঘোষণা পিএসসির
৫১তম বিসিএস প্রিলিমিনারির তারিখ ঘোষণা পিএসসির

<p>৫১তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষার প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আগামী ১১ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) <a href="https://bpsc.gov.bd/pages/psc-exams/%E0%A7%AB%E0%A7%A7%E0%A6%A4%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0-mcq-type-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%96-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A6%B8%E0%A7%82%E0%A6%9A%E0%A6%BF-vhrr0h-6aead0ce593c518e650ee4f2" target="_blank">কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে</a>। </p><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৫১তম বিসিএসের (বিশেষ) লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) আগামী ১১ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু ঢাকা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার হল, আসনব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ যথাসময়ে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে (http://bpsc.teletalk.com.bd) প্রকাশ করা হবে। প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পরবর্তী সময়ে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে।</p><p>চিকিৎসকদের ৫১তম বিশেষ বিসিএসে চূড়ান্তভাবে মোট ৪৪ হাজার ৬৩৫ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। </p><p>এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৫১তম বিসিএসের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চলা তীব্র চিকিৎসক-সংকট কাটানোই এই নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত চাহিদাপত্র পাওয়ার পর পিএসসি দ্রুততম সময়ে এই বিশেষ বিসিএসের আয়োজন করে।</p><p>প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই ৫১তম বিসিএসের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার চিকিৎসককে ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭০০ জন নিয়োগ পাবেন সহকারী সার্জন পদে। বাকি ৩০০ জন নিয়োগ পাবেন সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আল–সাইদ
মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আল–সাইদ

<p>যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটপ্রার্থী আবদুল আল–সাইদ রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম হিসেবে সিনেটে যাচ্ছেন তিনি।</p><p> আল–সাইদ তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রজার্সকে দুই লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন।</p><p>মিসরীয় বংশোদ্ভূত আবদুল আল-সাইদ গত নভেম্বরে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করেছিলেন। </p><p>প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান সহযোগীরা জোর দিয়ে প্রচার চালিয়েছিলন, আল-সাইদের মুসলিম পরিচয়, ইসরায়েল ইস্যুতে অবস্থান এবং প্রগতিশীল নীতিগুলো তাদের সম্প্রদায়গুলোকে ঝুঁকিতে ফেলবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দেবে।</p><p>তবে এ প্রচারণায় কান দেননি মিশিগানের ভোটারেরা। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/jo8p8xmmeu">মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থীর চেয়ে প্রায় ১ লাখ ভোটে এগিয়ে আল–সাইদ</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
নিজের সেঞ্চুরির চেয়ে দলের জয়ই মুখ্য
নিজের সেঞ্চুরির চেয়ে দলের জয়ই মুখ্য

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/nijer-sencurir-ceye-dler-jyi-mukhz</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
সরিয়ে দেওয়া হলো আশফাকুর রহমানকে, নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান
সরিয়ে দেওয়া হলো আশফাকুর রহমানকে, নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান

সরিয়ে দেওয়া হলো আশফাকুর রহমানকে, নিম্নতম মজুরী বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আজাদ সুবহানী

নভেম্বর ৪, ২০২৬
বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তায় তেহরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তায় তেহরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদূত

<p>বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রাহিমি জাহানাবাদী বলেছেন, বাংলাদেশসহ অন্য কোনো দেশে জ্বালানি পরিবহনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না। </p><p>আজ বুধবার ঢাকায় ইরানের দূতাবাসে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেছেন হরমুজ প্রণালিতে যেসব হামলার ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পর্ক নেই।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কাছে সমঝোতা মানে আত্মসমর্পণ বলে মন্তব্য করেন জলিল রাহিমি। তিনি বলেন, সমঝোতার নামে আত্মসমর্পণ মেনে নেবে না ইরান। সংঘাতের তৃতীয় দফায় পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ধরনের হামলা হলে ইরান পাল্টা জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন রাষ্ট্রদূত।</p><p>এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল হারলেও ইরান ইস্যুতে দেশটির নীতিতে পরিবর্তন আসবে না বলে মনে করেন তিনি। জলিল রাহিমির ধারণা, নির্বাচনের ফল যা-ই হোক, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান একই থাকবে।</p><p>ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশের মানুষের অবস্থানে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান যৌক্তিক।</p><p>এ ছাড়া আরবের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি না থাকলে ইরান সেসব দেশে কখনোই হামলা করত না বলেও মন্তব্য করেন জলিল রাহিমি।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।