Sports

আনন্দ নিয়েই ক্রিকেট খেলি

নভেম্বর ৪, ২০২৬
আনন্দ নিয়েই ক্রিকেট খেলি
আনন্দ নিয়েই ক্রিকেট খেলি
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/annd-niyei-kriket-kheli</figure>

Prothomalo

View more
ফতুল্লায় শ্রমিক-পুলিশ পাল্টা–পাল্টি ধাওয়া, টিয়ার শেল নিক্ষেপ
ফতুল্লায় শ্রমিক-পুলিশ পাল্টা–পাল্টি ধাওয়া, টিয়ার শেল নিক্ষেপ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সকালে সদর উপজেলার কাঠেরপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
জীবনানন্দ দাশের সঙ্গে বাসারের মিল-অমিল
জীবনানন্দ দাশের সঙ্গে বাসারের মিল-অমিল

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/jeebnannd-daser-sngoe-basarer-mil-omil</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
সে ফিরে আসেনি
সে ফিরে আসেনি

অকারণে মনে হয়, এই বুঝি তুমি! কত অদ্ভুত, তাই না? যে মানুষটিকে চোখের সামনে আর কোনো দিন পাব না, তাকেই চোখের ভুলে প্রতিদিন খুঁজে ফিরি। তোমার জন্য রাখা চিঠিগুলো এখন আর চিঠি নয়—

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ভালো পরিচালকেরা কাজ শেষেই পারিশ্রমিক দিয়ে দেন
ভালো পরিচালকেরা কাজ শেষেই পারিশ্রমিক দিয়ে দেন

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/valo-pricalkera-kaj-seshei-parisrmik-diye-den</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা
পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা

<p>তৈরি পোশাকশিল্পে আগামী ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হবে। আর জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা বাড়তি বেতন হাতে পাবেন । </p><p>নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবিএম শামসুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার এমনটাই জানিয়েছেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী।</p><p>সভা শেষে সৈয়দ আজাদ সুবহানী সাংবাদিকদের বলেন, মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষ তাদের মজুরি প্রস্তাব পৃথকভাবে জমা দেবেন। একইসঙ্গে নিরপেক্ষ সদস্যও একটি মজুরি প্রস্তাব দেবেন। তারপর সেই মজুরি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।</p><p>গত রোববার শ্রম মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে। বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষের স্থায়ী সদস্য হিসেবে যথাক্রমে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে নিয়োগ করা হয়।</p> <p>ওই দিনই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের (বিজিআইডব্লিউএফ) সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারকে নিয়োগ করা হয়।</p><p>গতকাল পর্যন্ত মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন শেখ আশফাকুর রহমান। আজকে সকালে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) পদে বদলি করা হয়। একই আদেশে নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান করা হয়েছে জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানীকে। তবে আশফাকুর রহমানকে সরানোর কোনো কারণ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি।</p><p>একাধিক সূত্র জানায়, পোশাক শিল্পের মতো স্পর্শকাতর খাতের মজুরি নির্ধারণে সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যানের ওপর ভরসা করা যাচ্ছিল না। সেজন্য গত দুই তিন দিনে তাঁকে বদলির প্রক্রিয়া চলে।</p><p>পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক আন্দোলনের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরপর তিনি দেশের কয়েকটি জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।</p><p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসে দেশের কয়েকটি পত্রিকা সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠকে বিজিএমইএর সভাপতি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুতই সরকার গঠিত মজুরির বোর্ডের সভা বসবে। হতে পারে সেটি কালই (আজ বুধবার)। সভা থেকে মজুরি পুনর্নির্ধারণের একটি সময়সীমা ঘোষিত হলে সাধারণ পোশাকশ্রমিকেরা আশ্বস্ত হবেন বলে মনে করেন তিনি।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
নীতা আম্বানির ১৬ কোটির ফড়িং ব্রোচ তৈরি করতে বিখ্যাত চীনা শিল্পীর কেন ১০ বছর লেগেছে
নীতা আম্বানির ১৬ কোটির ফড়িং ব্রোচ তৈরি করতে বিখ্যাত চীনা শিল্পীর কেন ১০ বছর লেগেছে

‘সোরিং স্পিরিট’ নামের ফড়িং আকৃতির ব্রোচ পরেছেন নীতা আম্বানি। এটি তৈরি করতে বিখ্যাত চীনা গয়না শিল্পী ওয়ালেস চ্যানের সময় লেগেছে প্রায় ১০ বছর।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
অতিরিক্ত গরমের কারণে ঝুঁকিতে পড়ছেন মা ও অনাগত শিশু, জানালেন গবেষকেরা
অতিরিক্ত গরমের কারণে ঝুঁকিতে পড়ছেন মা ও অনাগত শিশু, জানালেন গবেষকেরা

<p>বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন অনেক অন্তঃসত্ত্বা নারী। অতিরিক্ত গরমের কারণে জন্মগত ত্রুটি, অকাল গর্ভপাত এবং মৃত সন্তান জন্মের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে জানালেন গবেষকেরা।</p><p>তাপপ্রবাহের ভয়াবহ প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বজুড়ে। এবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিস্তৃত বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাপপ্রবাহ কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তাঁদের গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে। </p><p>এ লেখা যখন লিখছি, তখন ঢাকার তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে এ শহরের পথেঘাটে বা কোনো খোলা জায়গায় থাকা মানুষগুলোর মনে হচ্ছে, তাপমাত্রা আরও বেশি। তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি হলেও তাঁরা অনুভব করছেন ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস!</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/opnx7rjik3">মুরগির হাড় চিবানো আসলেই কি ভালো</a></aside><h3>ভুগছেন মা, ভুগছে শিশু</h3><p>গবেষকেরা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে মায়ের অসুস্থতা, শিশুর দুর্বলতা এবং অপরিণত অবস্থায় শিশুর জন্মের সম্পর্ক থাকতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মেক্সিকোর আট মিলিয়নের বেশি শিশুর জন্মসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করেছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। </p><p>১৮ বছর ধরে সংগ্রহ করা এসব তথ্য থেকে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ ফলাফল। জানা গেছে, মায়ের গর্ভকালের শেষ মাসে যদি তাপমাত্রা বাড়তি থাকে, তাহলে অপরিণত অবস্থায় শিশুর জন্মের ঘটনা ১৮ শতাংশ বেড়ে যায়।</p><p>অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়া শিশু জন্মের পর মৃত্যুঝুঁকিতেও পড়তে পারে। বেঁচে থাকলেও বহু বছর ধরেই নানা জটিলতায় ভুগতে পারে। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে বিপজ্জনক মাত্রায় উচ্চ রক্তচাপে ভুগতে পারেন অন্তঃসত্ত্বা নারীও। শিশুর জন্মগত ত্রুটি, অকাল গর্ভপাত এবং মৃত সন্তান জন্মের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বাড়তি তাপমাত্রার প্রভাবে।</p><h3>‘মাত্র’ তো ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস!</h3><p>কোনো অঞ্চলে সাধারণভাবে জলবায়ুর যে ধরন, সেখানকার অধিবাসীরা স্বাভাবিকভাবেই তাতে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন। বছরজুড়ে সেখানকার তাপমাত্রার স্বাভাবিক ওঠানামার সঙ্গে অভ্যস্ত থাকে তাঁদের শরীর। </p><p>কিন্তু অভ্যস্ততার চেয়ে মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি তাপমাত্রায় থাকতে হলেই ঝুঁকিতে পড়তে পারেন অন্তঃসত্ত্বা নারী। ‘মাত্র’ এই ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের পার্থক্যের জন্যই একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।</p><p>বিভিন্ন ধরনের জলবায়ুতে অভ্যস্ত নারীদের ওপর এই একই ধরনের প্রভাব লক্ষ করা গেছে। উত্তপ্ত মরুভূমি, আর্দ্র বনভূমি, নাতিশীতোষ্ণ পাহাড়ি মালভূমি—যেকোনো জায়গার নারীর ওপরেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির একই ধরনের প্রভাব দেখা গেছে।</p><p>অর্থাৎ জায়গাটা যেমনই হোক, সেখানকার স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তি তাপমাত্রাই হয়ে উঠতে পারে ক্ষতির কারণ। বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে জানা গেছে, মেক্সিকো, চীন, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্রেও বাড়তি তাপমাত্রার কারণে অন্তঃসত্ত্বা নারীরা নানাবিধ ঝুঁকিতে পড়ছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/0eqlco07zr">৭ মাসে ৩৭ কেজি ওজন কমিয়ে র‍্যাম্পে ফিরেছেন মডেল মাশিয়াত, কীভাবে সম্ভব করলেন</a></aside><h3>কারণটা অস্পষ্ট, চাই সতর্কতা</h3><p>ঠিক কী কারণে তাপমাত্রার এমন ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ওপর, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত নন গবেষকেরা। হয়তো কারণটা খুঁজে পেতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে তাঁদের। তবে কারণ যেটাই হোক, মায়েদের এবং তাঁদের অনাগত সন্তানদের এই বিপদ থেকে বাঁচাতে হবে।</p><p>কীভাবে ঝুঁকি কমানো সম্ভব, তা নিয়েও গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু যত দিনে সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর মিলবে, তত দিন পর্যন্ত ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা তো থেমে থাকবে না। নানা দেশে কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা চালু হচ্ছে এখনই। চওড়া হ্যাট ব্যবহার করা এবং ছাদে সাদা রং করা এই সতর্কতারই অংশ। </p><p>তাঁদের এই উদ্যোগ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারি আমরাও। তাপমাত্রার প্রভাব থেকে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে বাঁচাতে এমন কিছু ব্যবস্থা করা যেতে পারে আমাদের দেশেও। পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক পরিসরে নানাভাবেই অন্তঃসত্ত্বা নারীর প্রতি যত্নশীল হওয়ার সুযোগ আছে।</p><p><sup>সূত্র: রয়টার্স</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/0exzxrnu6l">যে ৫ কারণে জাপানিরা মোটা হয় না</a></aside>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
এলইডি ফেস মাস্ক কিনবেন? ত্বকের যত্নে ব্যবহারের আগে জেনে নিন জরুরি কিছু কথা
এলইডি ফেস মাস্ক কিনবেন? ত্বকের যত্নে ব্যবহারের আগে জেনে নিন জরুরি কিছু কথা

ব্রণ কমানো, ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা মসৃণ করা কিংবা ত্বকের গঠন ভালো রাখা। এসব প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে এলইডি ফেস মাস্ক ও নানা ধরনের স্কিনকেয়ার গ্যাজেট।

নভেম্বর ৪, ২০২৬
আনন্দ নিয়েই ক্রিকেট খেলি
আনন্দ নিয়েই ক্রিকেট খেলি

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/annd-niyei-kriket-kheli</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।