ফুটবল

দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন

নভেম্বর ৩, ২০২৬
দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন
দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন
মেসি-পরবর্তী যুগে তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে ২৮ সদস্যের আর্জেন্টিনা দল ঘোষণা করলেন স্কালোনি; বাদ পড়েছেন দি পল ও লো সেলসো।

Prothomalo

View more
কত টাকার সম্পদ থাকলে আয়কর রিটার্নে দেখাতে হবে
কত টাকার সম্পদ থাকলে আয়কর রিটার্নে দেখাতে হবে

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kt-takar-smpd-thakle-azkr-ritarne-dekhate-hbe</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
ক্রিকেট ও ব্যক্তিগত জীবনের পার্থক্য
ক্রিকেট ও ব্যক্তিগত জীবনের পার্থক্য

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kriket-oo-bzktigt-jeebner-parthkz</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত 
মোগল জাহাজে ডাকাতিতে জড়িত ব্যক্তির নামে নিউইয়র্কের সৈকত 

<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের অন্যতম ব্যস্ত পর্যটনকেন্দ্র ‘জোন্স বিচ’। প্রতিবছর কোটি কোটি দর্শনার্থী এই সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে আসেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এই সৈকতের নাম যাঁর নামে রাখা হয়েছে, সেই টমাস জোন্স আদতে ১৭ শতকের এক দুর্ধর্ষ জলদস্যুর সহযোগী ছিলেন। সম্প্রতি মার্কিন শখের ইতিহাসবিদ জেমস বেইলির গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।</p><p>পাঁচ বছর আগে কুখ্যাত ইংরেজ জলদস্যু ক্যাপ্টেন হেনরি এভরির ব্যবহৃত প্রাচীন মুদ্রা খুঁজে পেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন বেইলি। সম্প্রতি তৎকালীন ঔপনিবেশিক আমলের বিভিন্ন দলিল ও নথিপত্র ঘেঁটে তিনি দাবি করেন, হেনরি এভরি ও তাঁর দুর্ধর্ষ জলদস্যু দলকে পালিয়ে যেতে সরাসরি সাহায্য করেছিলেন এই টমাস জোন্স।</p><p>১৬৯৫ সালে লোহিত সাগরে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজকীয় জাহাজ ‘গঞ্জ-ই-সাওয়াই’-এ ভয়াবহ ডাকাতি করে ক্যাপ্টেন এভরির দল। জাহাজের যাত্রী ও নাবিকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। কোটি কোটি ডলার মূল্যের সোনা-রুপা লুট করে জলদস্যুরা। </p><p>এটিই ইতিহাসে জলদস্যুতার সবচেয়ে বড় ডাকাতির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে প্রথম কোনো অপরাধীকে ধরতে সর্বাত্মক অভিযান শুরু হয়। কিছু জলদস্যু ধরা পড়লেও ক্যাপ্টেন এভরি ও তাঁর প্রধান সহযোগীরা চিরতরে আত্মগোপনে চলে যান।</p><p>ঐতিহাসিক নথি থেকে জানা যায়, বিপুল সম্পদসহ পালিয়ে যাওয়ার সময় টমাস জোন্স তাঁদের পথনির্দেশক হিসেবে সাহায্য করেছিলেন। এই সহায়তার পর ১৭ শতকের শেষের দিকে জোন্স নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে বিপুল সম্পত্তির মালিক হন এবং তিমি শিকারের ব্যবসায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। </p><p>১৬৯৮ সালে নিউইয়র্কের গভর্নর এক তদন্ত প্রতিবেদনে জোন্সকে ‘সাবেক দস্যু’ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর বাড়িতে গোপন দস্যুতার অর্থ থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে জোন্স ইংরেজ সেনাবাহিনীর একজন মেজর ছিলেন।</p><p>টমাস জোন্সের নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত এই সৈকত নিউইয়র্কের ঐতিহ্যের অংশ হলেও নতুন এই তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ঔপনিবেশিক অর্থনীতি ও অভিজাত শ্রেণির গড়ে ওঠার পেছনে জলদস্যুতার প্রত্যক্ষ ভূমিকার এক ঐতিহাসিক দিককে উন্মোচিত করেছে।</p><p><em>জোন্স বিচ: অ্যান ইলাস্ট্রেটেড হিস্ট্রি</em> বইয়ের লেখক জন হ্যাঙ্ক বলেন, জোন্সের বিতর্কিত অতীতের যে অংশটি এত দিন স্থানীয় ইতিহাসের বইগুলোতে কেবল ইঙ্গিতে বলা হতো কিন্তু বিশদভাবে উঠে আসেনি, বেইলির এই গবেষণা সেটির ওপরই নতুন করে আলোকপাত করেছে।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
অক্টোবরে হামলা-হয়রানির শিকার ২৮ সংবাদকর্মী, প্রাণ গেছে একজনের: বিএজির প্রতিবেদন
অক্টোবরে হামলা-হয়রানির শিকার ২৮ সংবাদকর্মী, প্রাণ গেছে একজনের: বিএজির প্রতিবেদন

<p>গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে অন্তত ২৮ জন সাংবাদিক বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন হত্যার শিকার হয়েছেন। শারীরিক হামলা ও আঘাতের শিকার হয়েছেন ১৮ জন। এ ছাড়া আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন ৯ জন।</p><p> সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টসের (বিএজে) অক্টোবর মাসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার সংগঠনটি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।</p><p> প্রতিবেদনে বলা হয়, সদ্য বিদায়ী অক্টোবর মাসে দেশের সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকেরা শারীরিক হামলা, গ্রেপ্তার, আইনি হয়রানি, হত্যা ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং সংগঠনের নিজস্ব সূত্র থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।</p><p> প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার তেলনজিয়া গ্রামে একটি চায়ের দোকানে অবস্থানকালে মোটরসাইকেলে আসা দুই অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীর হামলায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির নিহত হন। সহকর্মীদের দাবি, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানী লেখালেখির কারণে তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।</p><p><strong>১৮ সাংবাদিকের ওপর শারীরিক হামলা</strong></p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক নেতা–কর্মী ও সন্ত্রাসীদের হাতে অন্তত ১৮ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের হামলায় চার সাংবাদিক আহত হন।</p><p>অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে রামদা, চাপাতি, হকিস্টিক ও ব্যাট হাতে মিছিল থেকে আসা নেতা-কর্মীরা অস্ত্রের ভিডিও ধারণ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের মারধর করেন। এতে একজন সাংবাদিকের মাথা ফেটে যায়। এ সময় আহত সাংবাদিকদের উদ্ধারে এগিয়ে আসা অন্য সাংবাদিকদেরও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।</p><p>এ ছাড়া গাজীপুরের টঙ্গীতে এক সাংবাদিককে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। ওই সাংবাদিকের দাবি, মোটরসাইকেলে আসা ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যক্তি তাঁর চোখ-মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যান। পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। এক নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মাজার বস্তির মাদকের সংবাদ প্রকাশ করলে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে জ্ঞান হারালে তাঁকে ফেলে যাওয়া হয়।</p><p><strong>আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার ৯ সাংবাদিক</strong></p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে অন্তত ৯ জন সাংবাদিক আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন।</p><p>এর মধ্যে ঝিনাইদহ কলেজের অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হন। সাংবাদিকদের অভিযোগ, কলেজের ইট বিক্রির অনিয়ম আড়াল করতে অধ্যক্ষের মদদে বহিরাগত ব্যক্তিরা তাঁদের রড দিয়ে পেটান। পরে মিথ্যা মামলায় তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। পরিবারের দাবি, ডিবি পুলিশের মাদক-সংশ্লিষ্টতার সংবাদ প্রকাশের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে।</p><p>এ ছাড়া মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক সিলেট সাইবার নিরাপত্তা আদালতে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন।</p><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে মৃত নারীদের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় এক সাংবাদিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন। ওই সাংবাদিকের করা জিডিতে মর্গের সাবেক এক সহকারীকে হুমকিদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ফোন করে ভয় দেখান এবং ‘কোর্টে দেখে নেওয়ার’ বার্তা পাঠান।</p><p>সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও আইনি হয়রানির এসব ঘটনাকে মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করে বিএজে। সংগঠনটির মতে, রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কিংবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।</p><p>বিএজে অবিলম্বে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
‘এই, আপনারা কারা’, এটি একটি ব্যাংক দখলের গল্প
‘এই, আপনারা কারা’, এটি একটি ব্যাংক দখলের গল্প

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/ei-apnara-kara-eti-ekti-bzangk-dkhler-glp</figure>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
তরঙ্গের দাম সাশ্রয়ী হলে টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে: ভিওনের সিইও কান তেরজিওগ্লো
তরঙ্গের দাম সাশ্রয়ী হলে টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে: ভিওনের সিইও কান তেরজিওগ্লো

<p>তরঙ্গের (স্পেকট্রাম) দাম সাশ্রয়ী ও যৌক্তিক হলে টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। এতে একদিকে যেমন মোবাইল ইন্টারনেটের সেবার মান উন্নত হবে, অন্যদিকে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির গতিও বাড়বে। তাই তরঙ্গকে সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎস হিসেবে না দেখে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন বৈশ্বিক ডিজিটাল অপারেটর ভিওনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।</p><p> মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ভিওন বোর্ড প্রেস মিট অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তাঁরা। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে বোর্ড সভা করেছে ভিওন। এ উপলক্ষেই প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বাংলালিংক এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। বোর্ড সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে ভিওন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও বোর্ড সদস্য কান তেরজিওগ্লো বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, কাজাখস্তান ও রাশিয়ার মতো ডিজিটালাইজেশনে এগিয়ে থাকা দেশগুলো তরঙ্গ ব্যবহারে খুব সামান্য খরচ নেয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিনা মূল্যে ব্যবহারের সুযোগও দেয়। কারণ, তরঙ্গের ব্যবহারের মাধ্যমে যে অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি হয়, তার বড় সুবিধাভোগী শেষ পর্যন্ত সরকার। টেলিযোগাযোগ খাতের আয় বাড়লে সরকারও বেশি রাজস্ব পায়।</p><p>কান তেরজিওগ্লো বলেন, ‘লক্ষ্য হওয়া উচিত তরঙ্গের প্রাচুর্য নিশ্চিত করা। পর্যাপ্ত তরঙ্গ কাজে লাগানো গেলে সেবার মান বাড়বে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়বে এবং ডিজিটালাইজেশনও ত্বরান্বিত হবে।’</p><p>বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের হাতে থাকা ৯০০, ১ হাজার ৮০০ ও ২ হাজার ১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের তরঙ্গ নবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। এসব তরঙ্গ ব্যবহারের বিদ্যমান লাইসেন্সের মেয়াদ ১০ নভেম্বর শেষ হবে।</p><p>নবায়ন প্রসঙ্গে বাংলালিংকের সিইও ইওহান বুসে বলেন, তরঙ্গকে জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন বাড়ানোর অন্যতম চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তাই এর মূল্য সাশ্রয়ী হওয়া প্রয়োজন। এই খাতে বিনিয়োগের সুফল শুধু টেলিযোগাযোগ খাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং অর্থনীতির অন্যান্য খাতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।</p><p>পাকিস্তানের উদাহরণ দিয়ে ইওহান বুসে বলেন, দেশটি পর্যাপ্ত তরঙ্গ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি এর জন্য ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করেছে। ফলে দেশটির টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে। এ ধরনের বিনিয়োগ সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহকদের উন্নত সেবা ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে দেয়।</p><p>অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভিওনের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড চেয়ারম্যান অগি কে ফাবেলা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান। এ ছাড়া ভিওনের বোর্ড সদস্য আন্দ্রেই গুসেভ, স্যার ব্র্যান্ডন লুইস, ডানকান পেরি ও মিশেল সোয়েটিং উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে বাংলালিংকের সাম্প্রতিক ও বিদ্যমান ডিজিটাল সেবাগুলোর নতুন সুবিধাও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে স্টারলিংক-চালিত ডিরেক্ট-টু-সেল সেবা, ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’, বিনোদনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘টফি’, এআইনির্ভর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘রাইজ’ এবং ডিভাইস ব্র্যান্ড ‘টেকভ্যান’। বাংলালিংক জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম অপারেটর হিসেবে তারা স্টারলিংক-চালিত ডিরেক্ট-টু-সেল সেবা চালু করেছে। এ ছাড়া টফির মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারী এখন ৭০ লাখ এবং তরুণদের লক্ষ্য করে আনা হয়েছে ‘রাইজ’।</p>

নভেম্বর ৪, ২০২৬
জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক
জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক

<p>জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক। এ বিষয়ে বিরোধী পক্ষের কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তরুণদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশেষ কমিটির মতবিনিময়ে এই অনুরোধ জানানো হয়।</p><p> সভা শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অবদান রাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কমিটির মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময়কালে সংবিধানে শিক্ষা ও চিকিৎসাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা, গণ–অভ্যুত্থানের দাবি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই সনদের টেকসই বাস্তবায়ন, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যমান ক্ষমতা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা, জরুরি অবস্থাসংক্রান্ত বিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা এবং গণভোটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।</p><p>বৈঠকে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ছাত্রদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। এ সময় ঐতিহাসিকভাবে যুগে যুগে তরুণেরাই জাতিকে পথ দেখিয়েছেন উল্লেখ করে তরুণদের কল্যাণে জনবান্ধব ও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে জাতির জন্য একটি যুগোপযোগী সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।</p><p>বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাই সনদে স্পষ্টভাবে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’-এর কথা বলা হয়েছে। জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক। এ বিষয়ে বিরোধী পক্ষের কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তরুণদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ছাত্রদলের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা মতবিনিময়ে বলেন, সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমানো উচিত নয়। তিনি নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমতসহ যেভাবে জুলাই সনদ সই হয়েছে, সেভাবে সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানান।</p><p>জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভা হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্যদের মধ্যে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন অংশ নেন।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অবদান রাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিনিধিদের মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মোট ৬২ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও উপস্থিত ছিলেন ৩১ জন। ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ), সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন, ছাত্র অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা বৈঠকে অংশ নেন। জুলাই আন্দোলনের সময়ের পরিচিত মুখ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের মধ্যে বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, আসিফ মাহমুদ, আবদুল হান্নান মাসউদ, নুসরাত তাবাসসুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদকেও মতবিনিময়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তাঁরা মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন না।</p><p>আমন্ত্রণের চিঠি সংযুক্ত করে নিজের ফেসবুক আইডিতে সাদিক কায়েম লিখেছেন, ‘আমি এবং ডাকসু জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাবিরোধী এই প্রহসনের মতবিনিময় সভা প্রত্যাখ্যান করছি এবং বর্জন করছি।’</p>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে, কী করতে হবে
অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে, কী করতে হবে

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/orthneetite-cap-badche-kee-krte-hbe</figure>

নভেম্বর ৩, ২০২৬
দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন
দি পল-সেলসোরা নেই, মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রথম দলে কারা আছেন

মেসি-পরবর্তী যুগে তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে ২৮ সদস্যের আর্জেন্টিনা দল ঘোষণা করলেন স্কালোনি; বাদ পড়েছেন দি পল ও লো সেলসো।

নভেম্বর ৩, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।