<p>সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার প্রতি উচ্চশিক্ষিতদের আগ্রহ বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে এ কথা।</p><p>আইপিইএমআইএস প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি প্রতিষ্ঠান। ইউনিসেফ এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে পরিচালিত হয় প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে করা আইপিইএমআইএসের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, প্রকৌশল, কৃষি, আইন, কম্পিউটারবিজ্ঞানের পাশাপাশি এমফিল-পিএইচডিগ্রিধারীরা পেশা হিসেবে প্রাথমিকের শিক্ষকতায় যুক্ত হয়েছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাও এ পেশায় আছেন।</p><blockquote>প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যুক্ত আছেন কামিল পাস ৫৭৪১ জন, ফাজিল পাস ১৮৯৭ জন, আলিম পাস ১২৩৮ জন এবং দাখিল পাস শিক্ষক রয়েছেন ৪১২ জন।</blockquote><p>আইপিইএমআইএসের সর্বশেষ (২৮ অক্টোবর) তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষক এখন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৪ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯৯ হাজার ৯৭৭ জন শিক্ষক স্নাতক (পাস)। এইচএসসি পাস করা শিক্ষক আছেন ৪২ হাজার ২৪২ জন। স্নাতক (সম্মান) পাস করা ২০ হাজার ৯৬৯ জন প্রাথমিকে শিক্ষকতা করছেন। এ ছাড়া বিএসএস ১৩ হাজার ১৪৯ জন, এসএসসি পাস ৮ হাজার ৫৬৩ জন, এমবিএ ডিগ্রির ৭ হাজার ৭১৯ জন শিক্ষক রয়েছেন।</p><p>ধর্মীয় শিক্ষার বিভিন্ন ডিগ্রিধারীরাও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যুক্ত আছেন। তাঁদের মধ্যে কামিল পাস ৫ হাজার ৭৪১ জন, ফাজিল পাস করা ১ হাজার ৮৯৭ জন, আলিম পাস এক হাজার ২৩৮ জন এবং দাখিল পাস শিক্ষক রয়েছেন ৪১২ জন।</p><p>প্রকৌশল, কৃষি, আইন ও কম্পিউটারবিজ্ঞানে পড়ুয়ারাও শিক্ষক রয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং করা শিক্ষক ১ হাজার ৬১৭ জন, বিএসসি ইন অ্যাগ্রিকালচারের ২৫৮ জন এবং ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচারের ৪৯ জন শিক্ষক আছেন। আইন বিষয়ে এলএলএম পড়ুয়া ৩৮৬ জন ও এলএলবির ৩১৬ জন শিক্ষকতা করছেন। এমএড ৩৬৭ জন, বিএড (অনার্স) ২৮৭ জন এবং বিএড ২৫৮ জন শিক্ষক রয়েছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/w10ysi0rr2">এআই যুগে গণিত শেখা কি জরুরি, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জেনে নিন</a></aside><p>ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করা শিক্ষক ৪৩৮ জন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমাধারী ১২৬ জন, ম্যাটস ডিগ্রিধারী ৪১ জন এবং বিপিএড ডিগ্রিধারী ২৮ জন। নার্সিং বিষয়ে যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক রয়েছেন ২৩ জন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রিধারী ২১ জন ও এমএসসি ডিগ্রিধারী ১৭ জন, বিএজিইডি ডিগ্রিধারী ১০ জন এবং ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার টেকনোলজি ডিগ্রিধারী ৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। অন্যদিকে এমফিল/পিএইচডি ডিগ্রিধারী ৪২ জন এবং বিডিএস (ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি) ডিগ্রিধারী শিক্ষক রয়েছেন ৪ জন।</p><p><strong>শিক্ষক বেশি ৩৬ থেকে ৪৫ বছরের বয়সী</strong></p><p>বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানের তথ্য বলছে, ৩৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সী শিক্ষক রয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৯৬ জন। ৪৬ থেকে ৫৫ বছর বয়সী শিক্ষক ১ লাখ ৮ হাজার ৭৮২ জন। ২৬ থেকে ৩৫ বছর বয়সী শিক্ষক রয়েছেন ৮২ হাজার ৮৬০ জন। আর ৫৬ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষক ২৪ হাজার ৫৮৭ জন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/69hjo4drhc">বিমান বাংলাদেশের ক্যাটারিংয়ে ডিপ্লোমা, যাঁদের আবেদন করার সুযোগ</a></aside><p><strong>নারী শিক্ষক পুরুষের দ্বিগুণ</strong></p><p>দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক আছেন ৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে নারী শিক্ষকের সংখ্যা পুরুষ শিক্ষকের তুলনায় দ্বিগুণ। ৬৫ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮০৫ জন নারী শিক্ষকতা করছেন। পুরুষ শিক্ষক ১ লাখ ২৩ হাজার ১৩৪ জন। শতকরা হিসাবে নারী শিক্ষক ৬৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ আর পুরুষ ৩৩ দশমিক শূন্য ৯৮ শতাংশ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/kh6yg1rsem">কানাডায় পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য ৮ হাজার ২০০ কোটি টাকার বৃত্তি, পাবেন ৫০ জন </a></aside>
<p>ভুতুড়ে সাজের আনন্দ আর মিষ্টিমুখের মধ্য দিয়ে প্রতিবছর ৩১ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে উদ্যাপিত হয় ‘হ্যালোউইন উৎসব’। মৃত আত্মাদের স্মরণে প্রাচীন কেল্টিক রীতি থেকে শুরু হলেও হ্যালোউইন এখন রূপ নিয়েছে নানা রং ও আমোদের এক সর্বজনীন উৎসবে। বিচিত্র সব পোশাক, কুমড়া খোদাই করে তৈরি ‘জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন’ কিংবা শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ‘ট্রিক অর ট্রিট’ বলে মিষ্টি সংগ্রহ—সব মিলিয়ে মেতে ওঠে পুরো পাশ্চাত্য। উৎসবের মূল দিনটির আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শুরু হয়ে গেছে আগাম উন্মাদনা। গত মঙ্গলবার কোথাও চলেছে হিল পরে বিচিত্র সাজের দৌড় প্রতিযোগিতা, কোথাও–বা কুমড়া খোদাইয়ের ব্যস্ততা। উৎসবের আগের এমন কিছু মুহূর্ত নিয়ে এই ছবির গল্প।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/9miv3ebk/1.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.JPG"><figcaption>বিচিত্র সাজের কৌতুক। হ্যালোউইন উপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসির ঐতিহ্যবাহী ‘হাই হিল রেসে’ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা মাইকেল ডেল ও তাঁর স্ত্রী সুসানের বেশে হাজির হয়েছেন দুই প্রতিযোগী। ছবি: রয়টার্স</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/voi3q6gi/2.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.JPG"><figcaption>উৎসবের উত্তেজনার মাঝেও পেয়ে বসেছে ঘুম। ওয়াশিংটন ডিসিতে হাই হিল দৌড় প্রতিযোগিতা শুরুর অপেক্ষায় ট্রলিতে ঘুমিয়ে পড়েছে দুই শিশু</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/pbk3kud1/3.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.JPG"><figcaption>অদ্ভুতুড়ে পোশাক পরে ওয়াশিংটন ডিসির রাস্তায় এভাবেই আনন্দ–উচ্ছ্বাসে হাই হিল দৌড় প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/x36zb1ps/4.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.JPG"><figcaption>প্রতিযোগিতা ঘিরে সড়কের দুই পাশে দর্শনার্থীদের ভিড়। বিচিত্র সাজের হাই হিল দৌড় উপভোগ করতে ওয়াশিংটন ডিসির রাস্তায় জড়ো হন অনেকে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/gzv108kq/5.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.JPG"><figcaption>ওয়াশিংটন ডিসির প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে এসেছেন বিচিত্র পোশাকে সাজা এই মানুষেরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/0hifrqam/6.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.JPG"><figcaption>মার্কিন সিনেটর মিচ ম্যাককনেল ও সুসান ডেলের বেশ ধরে ওয়াশিংটন ডিসির হাই হিল দৌড়ে অংশ নেন এই দুই প্রতিযোগী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/yj0wtgpq/7.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.JPG"><figcaption>পান্ডাও এবার ভুতুড়ে সাজে! হ্যালোউইন উপলক্ষে বেলজিয়ামের ব্রুজেলেটের একটি পার্কে ভৌতিক পান্ডার বেশ ধরে দর্শনার্থীদের চমকে দিচ্ছেন কর্মীরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/ulyzfcqf/8.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.jpg"><figcaption>কুমড়া কেটে রূপ দেওয়া হচ্ছে চিরায়ত ‘জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন’। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে হ্যালোউইন উপলক্ষে একটি বিশাল কুমড়ায় কারুকাজ করছেন ড্রু স্মিথ (বাঁয়ে) ও অ্যান্টনি পিটার </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/lsqljuch/9.-USAHalloweenWashingtonLondonBelgiumPumpkinEnvironmentMovementFestival28102026.jpg"><figcaption>হ্যালোউইনে শিশুদের আবদার মেটাতে চাই বাহারি মিষ্টি আর চকলেট। উৎসবের প্রস্তুতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি দোকানে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে চকলেট</figcaption></figure>
একচেটিয়া ব্যবসার মামলা ও ব্যক্তিগত টানাপোড়েন পেরিয়ে জলবায়ু রক্ষা এবং প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণে সরকারি নজরদারির জোরালো আহ্বান জানাচ্ছেন সাবেক এই মার্কিন শীর্ষ ধনী।
আর্জেন্টাইন ফুটবলের ঐতিহ্যে ১০ নম্বর সাধারণত প্লেমেকারদের, যাঁরা নিজেরা গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে গোল করান।
<p>একজন ইঞ্জিনিয়ার একটি এআই টুল বানিয়েছেন যেটি ড্যাশক্যাম ফুটেজ থেকে রাস্তার গর্ত খুঁজে দেবে আপনাকে৷ দেখুন ভিডিওতে...</p><figure></figure>
<p>ব্যাংকের কাজ শুধু আমানত সংগ্রহ ও ঋণ বিতরণ করা নয়। সঞ্চয়কে উৎপাদনশীল বিনিয়োগে রূপান্তর করে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাও তার অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু ঋণের বড় অংশ অনাদায়ি হয়ে পড়লে ব্যাংকের এই মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা দুর্বল হয়। </p><p>বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বর্তমান পরিস্থিতি তাই শুধু কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দুর্বলতার চিত্র নয়, বরং পুরো অর্থায়নব্যবস্থার জন্য একটি সতর্কসংকেত। প্রশ্ন হচ্ছে, এত গভীর সংকট থেকে ব্যাংক খাত নিজেকে কতটা পুনরুদ্ধার করতে পারবে?</p><p> বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন শেষে ব্যাংক খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকার ঋণের প্রায় ৩৩ টাকাই খেলাপি বা শ্রেণিকৃত। </p><p>এই পরিসংখ্যান ব্যাংকগুলোর সম্পদের মান, ঋণ আদায়ের সক্ষমতা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে। তবে সংকটের সমাধান খুঁজতে হলে শুধু খেলাপি ঋণের অঙ্ক নয়, এর পেছনের কারণ এবং অর্থনীতিতে এর প্রভাবও বুঝতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/fqdx83wxfk">খেলাপি ঋণ: সামনের দরজা বন্ধ, পেছনের দরজা খোলা</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/heeki3e3w2">খেলাপি ঋণ: নীতি বদলালে কি বাস্তবতা বদলাবে</a></aside><h3>সংকটের শিকড় সুশাসনের অভাবে</h3><p>অনেক আগে থেকে শুরু হলেও বিগত রাজনৈতিক সরকারের আমলে এস আলম, বেক্সিমকো ও নাসা গ্রুপের মতো প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে ঘিরে ঋণ বিতরণ, ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক জবাবদিহি নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রচলিত ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং তদারকির নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। রাজনৈতিক প্রভাব, পরিচালনা পর্ষদের দুর্বলতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ব্যাংক খাতের প্রতি আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।</p><p>ব্যাংকিং ব্যবসার ভিত্তি হলো ঋণগ্রহীতার আর্থিক সক্ষমতা যাচাই করে ঋণ দেওয়া এবং নির্ধারিত সময়ে তা আদায় করা। ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে ব্যবসার সম্ভাবনা, নগদ প্রবাহ, জামানতের মান এবং ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য বিবেচনা করা জরুরি। এসবের পরিবর্তে ব্যক্তিগত সম্পর্ক কিংবা প্রভাবশালী মহলের সুপারিশ গুরুত্ব পেলে ঋণঝুঁকি বাড়ে। ঋণের প্রকৃত অবস্থা সময়মতো প্রকাশ না করা হলে সেই ঝুঁকি আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়।</p><p>তবে সংকটের দায় শুধু ঋণগ্রহীতাদের ওপর চাপিয়ে দিলে চলবে না। ঋণ পর্যালোচনা ও অনুমোদনকারী কর্মকর্তা, পরিচালনা পর্ষদ, নিরীক্ষক এবং তদারকির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ভূমিকাও পর্যালোচনা করতে হবে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায় নির্ধারণ ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ, অতীতের অনিয়মের জবাবদিহি না থাকলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের ঝুঁকি তৈরির আশঙ্কা থেকে যাবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/nef4k381kz">ব্যাংক খাতের সংস্কারেও কেন খেলাপি ঋণ কমবে না</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/sq0amj33wg">খেলাপি ঋণের দুষ্টচক্র ভাঙার বাস্তবসম্মত কৌশল</a></aside><h3>অল্প কয়েকটি ব্যাংকে সংকটের বড় অংশ</h3><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে ১০টি ব্যাংকে কেন্দ্রীভূত ছিল খাতের মোট খেলাপি ঋণের ৭২ শতাংশের বেশি। এসব ব্যাংকের সম্মিলিত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা। তালিকায় রয়েছে জনতা, অগ্রণী, আইএফআইসি, ন্যাশনাল, এবি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক।</p><p>ব্যাংকভেদে পরিস্থিতির পার্থক্যও উল্লেখযোগ্য। উল্লিখিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৯৮ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৫২ দশমিক ১৫ শতাংশ। জনতা ব্যাংকে খেলাপি ঋণের অনুপাত প্রায় ৭৫ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে প্রায় ৯৭ শতাংশ এবং ইউনিয়ন ব্যাংকে ৯৬ শতাংশের কাছাকাছি।</p><p>এই পরিসংখ্যানের তাৎপর্য হলো, সব ব্যাংকের সংকটের মাত্রা এক নয়। তাই সব প্রতিষ্ঠানের জন্য একই ধরনের সমাধান কার্যকর হবে না। ব্যাংকভিত্তিক সম্পদের মান যাচাই, ঋণ আদায়ের সম্ভাবনা নিরূপণ এবং ঝুঁকির ধরন অনুযায়ী পুনর্গঠন পরিকল্পনা নিতে হবে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের মোট অঙ্ককে সম্ভাব্য চূড়ান্ত ক্ষতির সমান ধরে নেওয়া যাবে না; জামানত, গ্যারান্টি ও আদায়ের সম্ভাবনাও বিবেচনায় নিতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/r15jds0c1h">ব্যাংক সংস্কার: রাজনৈতিক অর্থনীতির সম্মিলিত সিদ্ধান্ত কেন প্রয়োজন</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/g964ib1w54">বাংলাদেশে কর-ধাঁধা: সংস্কার হয়, বদল আসে না কেন</a></aside><h3>মূলধন ও প্রভিশনের ঘাটতি</h3><p>খেলাপি ঋণের পাশাপাশি মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি ব্যাংক খাতের সংকটকে আরও জটিল করেছে। মূলধন ব্যাংককে সম্ভাব্য ক্ষতি সামাল দেওয়ার আর্থিক সুরক্ষা দেয়। অন্যদিকে, প্রভিশন হলো ঋণ থেকে সম্ভাব্য ক্ষতির বিপরীতে সংরক্ষিত অর্থ। ঋণ আদায় না হলে প্রয়োজনীয় প্রভিশন রাখতে হয়; তা না হলে ব্যাংকের সম্পদ ও মুনাফার প্রকৃত অবস্থা যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।</p><p>প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে নিট মূলধন ঘাটতি ছিল প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা। দুটি পরিসংখ্যানের সময়কাল আলাদা হলেও এগুলো ব্যাংক খাতের আর্থিক দুর্বলতার গভীরতা তুলে ধরে।</p><p>এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব আয়, মূলধন সংগ্রহ এবং ঋণ আদায়ের অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি অর্থ দিয়ে পুনর্গঠন করা হলে সেই সহায়তার শর্ত, ব্যবহার ও ফলাফল স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করতে হবে। কারণ, অনিয়মের দায় যেন নির্বিচারে করদাতাদের ওপর না পড়ে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারি সহায়তার সঙ্গে সময়বদ্ধ পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা, স্বাধীন নিরীক্ষা এবং দায় নির্ধারণ যুক্ত থাকা উচিত।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-07/do5tqcej/bb.jpg"><figcaption>বাংলাদেশ ব্যাংক</figcaption></figure><h3>একীভূতকরণই কি সমাধান?</h3><p>দুর্বল ব্যাংকগুলোর সংকট মোকাবিলায় ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ইসলামী ও এক্সিম ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন প্রতিষ্ঠানটির মূলধন শক্তিশালী করতে ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে অর্থ বরাদ্দ, অনুমোদন ও প্রকৃত অর্থছাড়ের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে; প্রকাশের আগে এ বিষয়ে সর্বশেষ সরকারি তথ্য যাচাই করা জরুরি।</p><p>একীভূতকরণের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন ও পরিচালন ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। কিন্তু পাঁচটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানকে একত্র করলেই একটি শক্তিশালী ব্যাংক তৈরি হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। পুরোনো ঋণের প্রকৃত আদায়যোগ্যতা নির্ধারণ, সম্পদের মান যাচাই এবং দায়ের স্বচ্ছ হিসাব ছাড়া নতুন প্রতিষ্ঠানটিও পুরোনো সংকট বহন করতে পারে।</p><p>তাই একীভূতকরণের পাশাপাশি পেশাদার ব্যবস্থাপনা, স্বাধীন তদারকি এবং বড় ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন। নতুন ব্যাংকের সাফল্য নির্ভর করবে শুধু মূলধন জোগানের ওপর নয়; বরং ঋণ আদায়, সম্পদের মান এবং পরিচালনায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার ওপর।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/ljh4l0kl18">চোরতন্ত্র আর ব্যাংক ডাকাতির আখ্যান</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/3irwu8sdst">ব্যাংক যেভাবে চলছে, সেভাবে চললে হবে না</a></aside><h3>আমানত সুরক্ষা ও আস্থা পুনর্গঠন</h3><p>আমানতকারীদের আস্থা ফেরানো ব্যাংক খাত পুনরুদ্ধারের অন্যতম শর্ত। ২০২৬ সালের আমানত সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্তে প্রতিটি সদস্য প্রতিষ্ঠানে প্রত্যেক আমানতকারীর জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা সুরক্ষিত। একই প্রতিষ্ঠানে একজনের একাধিক হিসাব থাকলে সেগুলো একত্র করে সুরক্ষার সীমা নির্ধারণ করা হয়। ফলে প্রতিটি হিসাবের জন্য আলাদাভাবে দুই লাখ টাকা সুরক্ষা পাওয়া যায় না। আইনে নির্ধারিত কিছু প্রাতিষ্ঠানিক আমানতও এ সুরক্ষার বাইরে রয়েছে।</p><p>এ সুরক্ষা ব্যাংকের আর্থিক দুর্বলতা দেখা দিলেই তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়; এটি মূলত আইননির্ধারিত পরিস্থিতি ও প্রক্রিয়ায় সুরক্ষিত আমানত পরিশোধের ব্যবস্থা। দুই লাখ টাকার বেশি আমানতের অতিরিক্ত অংশও সুরক্ষা তহবিল থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধযোগ্য নয়। তাই আমানত সুরক্ষার পাশাপাশি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা প্রকাশ, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং ঋণ আদায়ের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/n8euvj91g0">ব্যাংক খাতে খেলাপি তোষণ যে পরিণাম ডেকে এনেছে</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/pxj0w5spim">কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংস্কারের আলাপ কোথায়?</a></aside><h3>সংস্কারের সাফল্য কীভাবে মাপা হবে?</h3><p>ব্যাংক খাত পুনরুদ্ধারে প্রথমত, বড় ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি ও প্রকৃত ব্যবসায়িক সংকটে পড়া ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে পার্থক্য করে ন্যায়সংগত পদক্ষেপ নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মূলধন ও প্রভিশন ঘাটতি পূরণের সময়বদ্ধ পরিকল্পনা প্রকাশ করতে হবে। তৃতীয়ত, বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি আরও স্বাধীন, তথ্যনির্ভর ও ঝুঁকিভিত্তিক করতে হবে। চতুর্থত, ঋণ অনুমোদন থেকে আদায় পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বাংলাদেশে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণের ওপর মূলধনভিত্তিক ক্যাপ বা বাধ্যবাধকতা থাকলেও ঋণগ্রহীতা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর কোনো ক্যাপ নেই। এমনকি এখানে রেগুলেটরি ক্যাপিটাল বা ন্যূনতম মূলধনের প্রয়োজনীয়তা বা পরিমাণও অনেক কম।</p><p>আমাদের এখানে সংস্কারের অগ্রগতি বোঝার জন্য খেলাপি ঋণ আদায়, মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত, প্রভিশন ঘাটতি এবং পুনর্গঠিত ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা উচিত। এতে শুধু নীতিগত ঘোষণা নয়, বাস্তব ফলাফলও মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/onlmscz4rd">বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার কি কমানো সম্ভব</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/ru8j1ywm44">পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্ভব? </a></aside><p>সবাই জানি, বাংলাদেশের বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাংক খাতের ভূমিকা অপরিসীম। এই খাত দুর্বল থাকলে ভালো উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি কঠিন হতে পারে, বেসরকারি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং সরকারি অর্থের ওপর চাপ বাড়তে পারে। তাই ব্যাংক খাতের সংকটের সমাধান কেবল খেলাপি ঋণের অঙ্ক কমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রয়োজন ঋণশৃঙ্খলা, আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং নিয়মের সমান প্রয়োগ।</p><p>ব্যাংক খাত ঠিক হবে কি না, তার উত্তর নির্ভর করছে সংস্কারের সদিচ্ছা ও বাস্তবায়নের দৃঢ়তার ওপর। শুধু ঢিমেতালে মূলধন জোগান কিংবা ব্যাংক একীভূতকরণ দিয়ে টেকসই পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। অতীতের অনিয়মের দায় নির্ধারণ, ঋণ আদায় এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাবমুক্ত ব্যাংক পরিচালনা নিশ্চিত করতে পারলেই আমানতকারীদের আস্থা ফিরবে। অন্যথায়, আজকের সংকট আগামী দিনের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর আরও বড় বোঝা হয়ে থাকবে।</p><ul><li><p><strong>মামুন রশীদ</strong> অর্থনীতি বিশ্লেষক। সিটিব্যাংক এন এ বাংলাদেশের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের করপোরেট ও ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং প্রধান</p><p>মতামত লেখকের নিজস্ব</p></li></ul>
<blockquote>মা হওয়ার পর অনেকটাই বদলে গেছে বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার জীবন। এখন তাঁর প্রতিটি পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকে ছোট্ট ছেলে নীর। তবে মাতৃত্বের কারণে অভিনয়জীবনে বিরতি টানতে চান না তিনি; বরং সংসার ও সন্তান সামলে আরও ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চান। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই করেছেন নেটফ্লিক্সের সিরিজ শক: ট্রাস্ট নো ওয়ান–এর শুটিং। নতুন এই সিরিজ, মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা, অভিনয়জীবনের চ্যালেঞ্জ এবং রাজনীতিবিদ স্বামী রাঘব চাড্ডার সঙ্গে সংসার নিয়ে সম্প্রতি মুম্বাইয়ে নেটফ্লিক্সের কার্যালয়ে প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধি দেবারতি ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলেছেন পরিণীতি চোপড়া</blockquote><p>আলাপের শুরুতেই শক: ট্রাস্ট নো ওয়ান–এর চিত্রনাট্য হাতে পাওয়ার পর কী হয়েছিল, সেই অভিজ্ঞতা শোনালেন পরিণীতি, ‘আমি প্রচুর বই পড়ি। এটা আমার অন্যতম অভ্যাস। কিন্তু চিত্রনাট্য পড়ার সময় মাঝেমধ্যে মন অন্যদিকে চলে যায়। তাই সাধারণত কাউকে পড়ে শোনাতে বলি। সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা ও রেনসিল স্যার যখন চিত্রনাট্যটি পাঠালেন, তখন আমি শহরের বাইরে ছিলাম। ভেবেছিলাম, শেষ করতে দু-তিন দিন লাগবে। অথচ আড়াই ঘণ্টায় এক বসায় পুরোটা পড়ে ফেলি। শেষ পাতা পড়েই মনে হয়েছিল, আমাকে এই সিরিজে অভিনয় করতেই হবে।’<br> শুধু গল্প নয়, সিরিজটির সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলোর জন্যও কাজটি করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন পরিণীতি। তাঁর কথায়, ‘চিত্রনাট্যটা এতটাই দুর্দান্ত ছিল যে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া বোকামি হতো। তার ওপর নেটফ্লিক্সের সঙ্গে কাজের সুযোগ, সিদ্ধার্থের মতো প্রযোজক আর রেনসিল স্যারের পরিচালনা। সব মিলিয়ে আমার কাছে এটা ছিল বিশেষ একটি কাজ।’</p><p><strong>অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শুটিং</strong><br> শক: ট্রাস্ট নো ওয়ান–এর শুটিংয়ের সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন পরিণীতি। জীবনের এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কাজ চালিয়ে যাওয়া কতটা কঠিন ছিল? প্রশ্ন শুনে অভিনেত্রী জানান, পুরো ইউনিটের সহযোগিতায় কাজটি সহজ হয়ে উঠেছিল। ‘শুটিংয়ের সময় সবাই আমার খুব খেয়াল রেখেছেন। এমন পরিবেশে কাজ করেছি, যেখানে কোনো বাড়তি চাপ ছিল না। আমরাও একে অপরকে সহযোগিতা করেছি। ফলে শুটিংয়ের সময়সূচিতে কোনো সমস্যা হয়নি।’</p><p><br>শুধু সহকর্মীরা নন, পরিবারের সদস্যরাও সেই সময় পাশে ছিলেন। বিশেষ করে স্বামী রাঘব চাড্ডার সহযোগিতার কথা বলতে গিয়ে পরিণীতির কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা। ‘খবরটা শোনামাত্রই রাঘব শিমলায় ছুটে এসেছিল। আমার মা, শাশুড়ি, এমনকি ভাইয়েরাও আমাকে দেখতে এসেছিল। সবাই হয়তো ভাবছিল, পরিণীতির পুরো পরিবার কি শুটিংয়ে চলে এসেছে?’<br>সেই সময়ের একটি মজার স্মৃতিও শোনালেন অভিনেত্রী। ‘আমরা মজা করে বলতাম, এটা যেমন নীরের (সন্তানের) ডেবু, তেমনি ওয়েব–দুনিয়ায় আমারও ডেবু। তাই এই সিরিজ আমার কাছে সব সময় বিশেষ হয়ে থাকবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/ibbomom6/parineetichopra_1782056619_3924496862128395096_1524907135.jpg"><figcaption>পরিণীতি চোপড়া</figcaption></figure><p><strong>‘মা হয়েছি বলে অভিনয় ছাড়ব কেন’</strong><br>মাতৃত্বের পর অভিনয়জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবছেন পরিণীতি। তবে মা হয়েছেন বলে কাজ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই; বরং সন্তান জন্মের পর অভিনেত্রীদের কাজের সুযোগ কমে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়েই বেশি ভাবেন তিনি। পরিণীতির কথায়, ‘মা হয়েছি বলে কাজ করা বন্ধ করে দিতে চাই না। তবে বিষয়টি দুই দিকের। আমাকে কাজের প্রস্তাবও পেতে হবে। সন্তান জন্ম দেওয়ার মতো এত গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। এরপর শুধু মা হয়েছি বলে যদি কাজের সুযোগ হারাতে হয়, সেটা আমার খুব খারাপ লাগবে।’</p><p>বলিউডে এখন অনেক অভিনেত্রীই মা হওয়ার পর নিয়মিত কাজ করছেন। বিষয়টিকে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখেন পরিণীতি। প্রসঙ্গক্রমে উঠে আসে আলিয়া ভাট, দীপিকা পাড়ুকোন ও তাঁর দিদি প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার নাম। ‘আমি খুব খুশি যে আমাদের প্রজন্মের অভিনেত্রীরা মা হওয়ার পরও কাজ করতে পারছে। আলিয়া, দীপিকা, আমি কিংবা আমার দিদি প্রিয়াঙ্কা—সবাই কাজ করছি। প্রিয়াঙ্কা পশ্চিমা ছবিতেও কাজ করছে। আমরা সবাই ভালো কাজ করছি; বরং আমার মনে হয়, এখন আমরা আরও ভালো কাজ করছি।’<br>অভিনয়ের পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু, ঘোরাঘুরি কিংবা নিজের জন্য সময় রাখা—সবকিছুই পরিণীতির কাছে গুরুত্বপূর্ণ। বরাবরই ব্যক্তিজীবন ও কাজের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে চেয়েছেন। কিন্তু মা হওয়ার পর সেই ভারসাম্যের হিসাবও বদলে গেছে। ‘আমি সব সময় জীবনে ভারসাম্যকে গুরুত্ব দিয়েছি। কাজের পাশাপাশি পরিবার, বন্ধু, ঘোরাঘুরি, ছুটি কাটানো, উৎসব আর নিজের জন্য সময়—সবই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/oz1jhq9m/parineetichopra_1647179087_2793063081055291640_1524907135.jpg"><figcaption>পরিণীতি চোপড়া</figcaption></figure><p><strong>সন্তানের দায়িত্ব দুজনেরই</strong><br>পরিণীতির স্বামী রাঘব চাড্ডা রাজনীতির মানুষ। তাঁরও ব্যস্ততা কম নয়। অন্যদিকে শুটিং, প্রচার ও নানা আয়োজনে ব্যস্ত থাকতে হয় পরিণীতিকে। তাহলে ছোট্ট ছেলের দেখাশোনা করেন কে? প্রশ্ন শুনে পরিণীতি জানান, সন্তানের দায়িত্ব দুজনেই সমানভাবে ভাগ করে নিয়েছেন। ‘সন্তানের দায়িত্ব আমরা ৫০-৫০ ভাগ করে নিয়েছি। আমরা দুজনেই মা-বাবা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই সন্তানের দায়িত্বও আমাদের দুজনেরই। আমি কাজে থাকলে রাঘব ছেলের সঙ্গে থাকে। আবার রাঘব কাজে থাকলে আমি ছেলের দায়িত্ব নিই।’</p><p>শুধু সন্তানের দেখাশোনা নয়, অভিনয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও স্বামীর কাছ থেকে ভরসা পান পরিণীতি। ক্লান্তিকর দিনের শেষে রাঘবের সহযোগিতাই তাঁকে নতুন করে কাজের শক্তি জোগায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08-08/pch68t8f/1707132107_raghav.jpg"><figcaption>২০২৩ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন আম আদমি পার্টির সংসদ সদস্য রাঘব চাড্ডা আর বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া</figcaption></figure><p>হালকা হেসে অভিনেত্রী বলেন, ‘এমন অনেক দিন যায়, যখন আমি একেবারে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। সেই সময় রাঘব আমার পাশে থাকে। যখন বলি, আমাকে কাজ করতেই হবে, আমি পারব, তখন ও বলে, “তুমি যাও, বাকি সব আমি সামলে নেব।” এই সহযোগিতা আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার।’</p><p><strong>দুই জগতের দুই মানুষ</strong><br>একজন বলিউড অভিনেত্রী, অন্যজন রাজনীতিবিদ। পেশাগতভাবে পরিণীতি চোপড়া ও রাঘব চাড্ডার জগৎ একেবারেই আলাদা। সংসারে দুজনের বোঝাপড়া ভালো হলেও একে অপরের পেশাগত বিষয়ে খুব একটা নাক গলান না তাঁরা। এ প্রসঙ্গ উঠতেই হেসে ফেললেন পরিণীতি। জানান, রাজনীতির জটিল হিসাব যেমন তাঁর অজানা, তেমনি সিনেমার দুনিয়া থেকেও অনেকটাই দূরে রাঘব। ‘রাঘবের সংসদীয় বক্তৃতা বা নির্বাচন নিয়ে আমার তেমন জ্ঞান নেই। তাই সেসব বিষয়ে ওকে পরামর্শ দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। একইভাবে সিনেমার চিত্রনাট্য নিয়েও ওর পরামর্শ না নেওয়াই ভালো।’<br>স্বামী যে তাঁর অভিনয়জগৎ সম্পর্কে কতটা অনভিজ্ঞ, তার একটি মজার উদাহরণও দিলেন পরিণীতি। ‘এমনও হয়েছে, কোথাও আমার গান বাজছে, আর আমাকে ওকে বলতে হয়েছে, এটা আমার গান!’ কথাটি বলেই হেসে ওঠেন অভিনেত্রী। এরপর যোগ করেন, ‘তাই কাজের ক্ষেত্রে একে অপরের থেকে দূরে থাকাই ভালো।’</p>
<p>চলতি সপ্তাহে ঢাকার কম্পিউটার বাজারে প্রযুক্তিপণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, র্যাম, প্রসেসর, মাদারবোর্ড, এসএসডি, গ্রাফিকস কার্ড, হার্ডডিস্ক, মনিটরসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য গত সপ্তাহের দামেই কিনতে পারছেন ক্রেতারা। ঢাকার একাধিক কম্পিউটার বাজার ঘুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি প্রযুক্তিপণ্যের দাম তুলে ধরা হলো।</p><p><strong>প্রসেসর</strong></p><p>ইন্টেল: কোর আলট্রা ৯ ২৮৫কে ৫.৭০ গিগাহার্টজ (গি.হা.) ৬২ হাজার টাকা, কোর আই-৯ ৬.০০ গি.হা. ১৪ প্রজন্ম র্যাপ্টর লেক রিফ্রেশ ৫৬ হাজার টাকা, কোর আলট্রা ৭ ২৬৫কে (৫.৫ গি.হা.) ৩৫ হাজার টাকা, কোর আই-৭ ৫.৬০ গি.হা. ১৪ প্রজন্ম ৫০ হাজার টাকা, কোর আই-৭ ৫.৪০ গি.হা. ১৩ প্রজন্ম ৪৩ হাজার টাকা, কোর আলট্রা–৫ ২৪৫ কেএফ (৫.২ গি.হা.) ৩৮ হাজার টাকা, কোর আই–৫ (৫.৩০ গি.হা.) ১৪৬০০কেএফ ১৪ প্রজন্ম ৩৮ হাজার টাকা, কোর আই–৫ (৪.৬০ গি.হা.) ১৩ প্রজন্ম ১৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং কোর আই–৩ (৪.৫০ গি.হা.) ১৩ প্রজন্ম ১৬ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এএমডি: রাইজেন–৯ ৭৯৫০এক্স ৪.৫ গি.হা. ৪৫ হাজার ৫০০ টাকা, রাইজেন–৭ ৫৭০০জি ৩.৮–৪.৬ গি.হা. ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, রাইজেন–৫ ৫৬০০জি ৩.৬–৪.৬ গি.হা. ১৯ হাজার টাকা।</p><p><strong>মাদারবোর্ড</strong></p><p>এমএসআই: এ৫২০ এম–এ প্রো (ডিডিআর ৪) ৭ হাজার ২০০ টাকা, প্রো এইচ ৬১০ এম–ই (ডিডিআর ৪) ১০ হাজার টাকা, বি৪৫০ এম–এ প্রো ম্যাক্স ৮ হাজার ৫০০ টাকা, এইচ৮১০ এম–বি (ডিডিআর ৫) ১৬ হাজার ৭০০ টাকা, বি৬৫০ এম গেমিং ওয়াই–ফাই (ডিডিআর ৫) ১৯ হাজার টাকা, বি৭৬০ গেমিং প্লাস (ডিডিআর ৫) ২২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>আসুস: প্রাইম এইচ৬১০এম (ডিডিআর ৪) ১০ হাজার ৬০০ টাকা, টাফ গেমিং বি৫৫০এম প্লাস (ডিডিআর ৪) ১৮ হাজার ৯০০ টাকা, প্রাইম জেড৮৯০ প্লাস সিএসএম (ডিডিআর ৫) (ওয়াই–ফাই-৭) ৩৭ হাজার ৯০০ টাকা।</p><p>গিগাবাইট: বি৭৬০এম (ডিডিআর ৫) ১৭ হাজার ২০০ টাকা, বি৪৫০এম কে এএমডি মাদারবোর্ড ৮ হাজার ৯০০ টাকা।</p><p><strong>র্যাম</strong></p><p>করজেয়ার: ভেনজিন্স এলপিএক্স ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ৮ জিবি ৮ হাজার ৩০০ টাকা, ভেনজিন্স এলপিএক্স ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ১৬ জিবি ১৮ হাজার ৫০০ টাকা, ভেনজিন্স আরজিবি ১৬ জিবি (ডিডিআর ৫) ৬ হাজার মেগাহার্টজ ৩৫ হাজার টাকা।</p><p>জিস্কিল: ট্রাইডেন্ট জেড আরজিবি ৩৬০০ মেগাহার্টজ ৮ জিবি (ডিডিআর ৪) ৯ হাজার টাকা, ফ্লেয়ার এক্স৫ ১৬ জিবি (ডিডিআর ৫) ৫৬০০ মেগাহার্টজ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রাইডেন্ট জেড ৫ নিও আরজিবি ৩২ জিবি (ডিডিআর ৫) ৬০০০ মেগাহার্টজ ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>কিংস্টন: ফিউরি ৮ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ৮ হাজার ৫০০ টাকা, ফিউরি ১৬ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ১৬ হাজার ৭০০ টাকা, ফিউরি আরজিবি ১৬ জিবি ৬০০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৫) ৩৫ হাজার টাকা, আরজিবি ৩২ জিবি ৬০০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৫) ৭৭ হাজার টাকা।</p><p>ওসিপিসি: পিস্টা ৩২ জিবি আরজিবি ৬২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৫) ৬২ হাজার টাকা, এক্সটি ডাবল আই ১৬ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ১৫ হাজার ৭০০ টাকা, এক্স৩ আরজিবি ৮ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ৮ হাজার ৭০০ টাকা, এক্সটি ডাবল আই ৮ জিবি ৩২০০ মেগাহার্টজ (ডিডিআর ৪) ৮ হাজার টাকা।</p><p><strong>হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (এইচডিডি)</strong></p><p>সিগেট: বারাকুডা ৭২০০ আরপিএম সাটা ২ টেরাবাইট ১৭ হাজার ৩০০ টাকা, স্কাইহক ৪ টেরাবাইট ২৫ হাজার টাকা।</p><p>তোশিবা: পি৩০০ ৭২০০ আরপিএম ২ টেরাবাইট ১৬ হাজার টাকা, এক্স৩০০ ৭২০০ আরপিএম ৪ টেরাবাইট ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা, এমজি সিরিজ ৪ টেরাবাইট ৩৬ হাজার টাকা, এস৩০০ প্রো ১০ টেরাবাইট ৫৫ হাজার টাকা।</p><p><strong>সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি)</strong></p><p>স্যামসাং: ৯৯০ প্রো এনভিএমই ১ টেরাবাইট ৩২ হাজার ৫০০ টাকা, ৯৯০ প্রো এনভিএমই ২ টেরাবাইট ৫১ হাজার টাকা, ৪৮০ জিবি সাটা ৬জিবিপিএস ৫৫ হাজার টাকা।</p><p>টিম: এমপি৩৩ ২৫৬ জিবি ৭ হাজার ৫০০ টাকা, সিএক্স২ সাটা ১ টেরাবাইট ১৭ হাজার টাকা, টি-ফোর্স সাটা ২৫৬ জিবি ৫ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>করজেয়ার: এমপি৬০০ প্রো ১ টিবি ২৮ হাজার টাকা, এমপি৬০০ ৫০০ জিবি ১৪ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এইচপি: ইএক্স৯০০ ৫১২ জিবি ১২ হাজার টাকা, এস৭০০ প্রো ১২৮ জিবি ৩ হাজার টাকা, এফএক্স ৯০০ প্লাস ১ টেরাবাইট ২০ হাজার টাকা।</p><p>ওসিপিসি: এক্সটিএল-২০০ ১ টিবি ১৬ হাজার টাকা, এক্সটিএল-২০০ ৫১২ জিবি ৯ হাজার টাকা, এক্সটিএল-২০০ ২৫৬ জিবি ৫ হাজার ৬০০ টাকা।</p><p><strong>বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক</strong></p><p>ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল: মাই পাসপোর্ট ১ টেরাবাইট ১০ হাজার ৯০০ টাকা, মাই পাসপোর্ট ২ টেরাবাইট ১৩ হাজার ৫০০ টাকা, মাই পাসপোর্ট ৪ টেরাবাইট ১৮ হাজার ৮০০ টাকা।</p><p>ট্রান্সসেন্ড: স্টোরজেট ২৫এইচ৩ ১ টেরাবাইট ১৫ হাজার ৫০০ টাকা, টিএস২টিএসজে২৫সি৩এন ২ টেরাবাইট ১৯ হাজার টাকা, স্টোরজেট ২৫এইচ৩পি ৪ টেরাবাইট ৩২ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p>সিগেট: আইরন ওলফ প্রো ৮ টেরাবাইট ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা, স্কাইহক এআই ১৬ টেরাবাইট ৭০ হাজার টাকা।</p><p><strong>মনিটর</strong></p><p>আসুস: ভিওয়াই২৪৯এইচজিআর ২৪ ইঞ্চি ১৫ হাজার টাকা, ভিএ২৪৯এইচজি ২৪ ইঞ্চি ১৬ হাজার টাকা, টাফ গেমিং সিরিজ ৫ ভিজি২৫৯কিউ৫এ ২৪.৫ ইঞ্চি ২৫ হাজার টাকা।</p><p>এইচপি: ১৯.৫ ইঞ্চি পি২০৪ভি ১৩ হাজার টাকা, ২২ ইঞ্চি এম২২এফ ১৬ হাজার টাকা, ২৪ ইঞ্চি এম২৪এফ ১৭ হাজার টাকা, এলিট ডিসপ্লে ই২৭ জি৫ ২৭ ইঞ্চি ২৭ হাজার টাকা।</p><p>ডেল: ২২ ইঞ্চি এসই২২২২এইচ ১২ হাজার ৯০০ টাকা, প্রো ২৪ প্লাস পি২৪২৫এইচ ২৪ ইঞ্চি ৩০ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এমএসআই: প্রো এমপি২২৩ ২২ ইঞ্চি ১১ হাজার ২০০ টাকা, প্রো এমপি২২৫ ২২ ইঞ্চি ১২ হাজার ৮০০ টাকা, প্রো এমপি২৫১ ২৪.৫ ইঞ্চি ১৯ হাজার ৫০০ টাকা, ২৫৫এফ ২৫ ইঞ্চি ২০ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এলজি: ২৪এমএস৫৭০বি–বি ২৪ ইঞ্চি ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, ২২এমকে৬০০এম ২১.৫ ইঞ্চি ১৫ হাজার ৫০০ টাকা, আলট্রাফাইন ২৭ ইঞ্চি ৪০ হাজার টাকা, ৩২ইউ৬৩১এ-বি ৩২ ইঞ্চি।</p><p>স্যামসাং: এলএস২৪ডি৩০০জিএডব্লিউ ২৪ ইঞ্চি ১৭ টাকা, ওডিসি জি৫ ২৭ ইঞ্চি ৪৩ হাজার টাকা।</p><p><strong>গ্রাফিকস কার্ড</strong></p><p>আসুস: জিফোর্স জিটি ৭৩০ এনভিডিয়া (ডিডিআর ৫) ২জিবি ১৬ হাজার ৫০০ টাকা, ডুয়াল আরটিএক্স ৩০৫০ ৬ জিবি ৩৩ হাজার টাকা, ডুয়াল আরটিএক্স ৩০৫০ ভি২ ৮ জিবি ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এমএসআই: জিফোর্স আরটিএক্স ৫০৮০ ১৬জি ইন্সপায়ার ৩এক্স ওসি প্লাস ১৬ জিবি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আরটিএক্স ৩০৫০ ভেন্টাস ২এক্স ৬জি ওসি ৬জিবি ৩৯ হাজার টাকা, আরটিএক্স ৩০৬০ ভেন্টাস ওসি ১২ জিবি ৫৩ হাজার টাকা, আরটিএক্স ৪০৬০ ভেন্টাস ওসি ১৬ জিবি ৬৭ হাজার টাকা।</p><p>গিগাবাইট: জিফোর্স আরটিএক্স ৫০৫০ উইন্ডফোর্স ৪৬ হাজার টাকা, রেডিওন আরএক্স ৯০৬০ এক্সটি ৬৫ হাজার টাকা, রেডিওন আরএক্স ৬৯০০ এক্সটি ৯০ হাজার টাকা।</p><p>ওসিপিসি: এনভিডিয়া জিটি ৭৩০ ৪ জিবি (ডিডিআর ৩) ৮ হাজার ৫০০ টাকা, আরটিএক্স ৫০৫০ ৮ জিবি (ডিডিআর ৬) এক্সই সাদা ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p><strong>কি–বোর্ড</strong></p><p>লজিটেক: কে১২০ ৭৭০ টাকা, পেবল কিস ২ কে৩৮০এস মাল্টি ডিভাইস ব্লুটুথ ৪ হাজার টাকা, এমকে২৪০ ওয়্যারলেস ২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এফোরটেক: কেআরএস–৮২ ৮৫০ টাকা, এফকে১১ ১ হাজার টাকা, এফজি১০১০ ওয়্যারলেস ২ হাজার টাকা।</p><p>হ্যাভিট: কেবি২৭১ আলট্রা থিন ৫০০ টাকা, কেবি২৭৫এল গেমিং ৯২০ টাকা, কেবি৪৮৮এল গেমিং ১ হাজার ৫০ টাকা, কেবি ৪৮৭এল গেমিং ১ হাজার ৩৬০ টাকা।</p><p>রয়েল ক্লুজ: আরকে৭১ ডুয়াল মোড গেমিং ৪ হাজার ৫০০ টাকা, আরকে ৮৪ ট্রাই মোড গেমিং ৫ হাজার ৭০০ টাকা।</p><p>এক্সট্রিম: কেএম০৭জি মেকানিক্যাল ২ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p><strong>প্রিন্টার</strong></p><p>এইচপি: স্মার্ট ট্যাঙ্ক ৫৮০ অল-ইন-ওয়ান কালার ইঙ্ক ১৯ হাজার ৩০০ টাকা, লেজার ১০০৮এ সিঙ্গেল ফাংশন ১৩ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>এপসন: ইকোট্যাঙ্ক এল৩২১০ ১৮ হাজার টাকা (রঙিন), ইকোট্যাঙ্ক এল৩২৫০ ২১ হাজার ২০০ টাকা (রঙিন)।</p><p>ক্যানন: পিক্সমা জি১০১০ (রঙিন) ১৪ হাজার ৫০০ টাকা, ইমেজক্লাস এলবিপি৬০৩০ লেজার প্রিন্টার (সাদা–কালো) ১৭ হাজার ৩০০ টাকা, ইমেজক্লাস এলবিপি৬০৩০ডব্লিউ লেজার প্রিন্টার (সাদা–কালো) ২০ হাজার টাকা।</p><p><strong>কেসিং</strong></p><p>১ হাজার থেকে ৩৮ হাজার ৮০০ টাকা।</p><p><strong>ইউপিএস</strong></p><p>ম্যাক্সগ্রিন: এমজি সিলভার (৬৫০ ভিএ) ৩ হাজার ৩০০ টাকা, এমজি–এলআই–ইএপি (১২০০ ভিএ) ৬ হাজার ৭৫০ টাকা।</p><p>অ্যাপোলো: ১০৬৫ এ/১০৬৫ (৬৫০ ভিএ) ৩ হাজার ৫০০ টাকা, ১১২০এফ (১২০০ভিএ) ৬ হাজার ৬০০ টাকা ও ১২৪০ (২০০০ ভিএ) ১১ হাজার ৮০০ টাকা।</p><p>ডিজিটাল এক্স: ৬৫০ ভিএ ৩ হাজার ২০০ টাকা, ৮৫০ ভিএ ৪ হাজার ১০০ টাকা।</p><p>পাওয়ার গার্ড: ১২০০ ভিএ সিএস অফলাইন ৭ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p><strong>অ্যান্টিভাইরাস</strong></p><p>ক্যাসপারস্কি: ক্যাসপারস্কি স্ট্যান্ডার্ড ১ ব্যবহারকারী অ্যান্টিভাইরাস (১ বছর) ৬০০ টাকা, ক্যাসপারস্কি স্ট্যান্ডার্ড ৩ ব্যবহারকারী অ্যান্টিভাইরাস (১ বছর) ১ হাজার ২২৫ টাকা, ক্যাসপারস্কি টোটাল সিকিউরিটি ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ১ হাজার টাকা।</p><p>ইসেট: এনওডি৩২ অ্যান্টিভাইরাস ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ৪৫০ টাকা, ইন্টারনেট সিকিউরিটি ১ ব্যবহারকারী (৩ বছর) ১ হাজার ১৫০ টাকা, স্মার্ট সিকিউরিটি প্রিমিয়াম ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ২ হাজার ২৫০ টাকা।</p><p>বিটডিফেন্ডার: ইন্টারনেট সিকিউরিটি ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ৫৭৫ টাকা, টোটাল সিকিউরিটি ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ৮৫০ টাকা।</p><p>প্যান্ডা: ডোম অ্যাডভান্স ১ ব্যবহারকারী (১ বছর) ৬০০ টাকা, ডোম অ্যাডভান্স ইন্টারনেট সিকিউরিটি ৩ ব্যবহারকারী (১ বছর) ১ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p><strong>রাউটার</strong></p><p>টিপি–লিংক: টিএল–ডব্লিউআর৮৪০এন ৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ১ হাজার ৫০০ টাকা, আর্চার সি২০ এসি৭৫০ এমবিপিএস ইথারনেট ডুয়াল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ২ হাজার ৪০০ টাকা, আর্চার সি৬৪ ওয়্যারলেস অ্যান্ড ইথারনেট ডুয়াল–ব্যান্ড এসি১২০০ এমবিপিএস গিগাবিট ৩ হাজার ২০০ টাকা।</p><p>ডি–লিংক: ডিআইআর–৬১৫ জেড১ ৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ১ হাজার ১০০ টাকা, ডিআইআর–৮৪১ এসি১২০০ এমবিপিএস গিগাবিট ডুয়াল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>টেন্ডা: এফ৩ ৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ১ হাজার ৩০০ টাকা, এফ৬ এন৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ১ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p>আসুস: আরটি–এন১২+ ৩০০ এমবিপিএস ইথারনেট সিঙ্গেল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই ২ হাজার ৩০০ টাকা, আরটি–এএক্স৫২ এএক্স১৮০০ এমবিপিএস গিগাবিট ডুয়াল–ব্যান্ড ওয়াই–ফাই৬ ৭ হাজার ৩০০ টাকা।</p><p>এখানে শুধু যন্ত্রাংশের দাম দেওয়া হয়েছে। পুরো কম্পিউটার কেনার ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ সংযোজিত হবে। ঢাকার বিভিন্ন বাজার থেকে সংগৃহীত যন্ত্রাংশের দামে হেরফের হতে পারে।</p><p>ছবি: ইসিএস কম্পিউটার সিটি থেকে</p>
<p>লিলিপুটের খুদে মানুষ আর ব্রবডিংনাগের দৈত্যদের দেশে গালিভারের অভিযান আজও পাঠককে টানে। জোনাথন সুইফটের বিখ্যাত ব্যঙ্গ রচনা ‘গালিভারস ট্রাভেলস’ প্রকাশের ৩০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়ারল্যান্ডে চলছে নানা আয়োজন। প্রদর্শনী, আলোচনা, সংগীত ও শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে নতুন করে ফিরে দেখা হচ্ছে বইটি। শিশুদের কাছে রূপকথার রাজত্ব হিসেবে জনপ্রিয় হলেও প্রবীণ পাঠকদের জন্য বইটি মানব চরিত্রের এক নির্মম ব্যবচ্ছেদ।</p><p> গতকাল বুধবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনের সেন্ট প্যাট্রিকস ক্যাথেড্রালে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই গির্জায় একসময় প্রধান যাজকের দায়িত্ব পালন করেন সুইফট। সেখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়েছে।</p><p>১৭২৬ সালের ২৮ অক্টোবর ‘গালিভারস ট্রাভেলস’ বইটি প্রকাশিত হয়। এর আগে ওই বছরের মার্চে সুইফট লন্ডনে গিয়ে রাতের আঁধারে একজন বাহকের মাধ্যমে প্রকাশকের কাছে পাণ্ডুলিপি পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। প্রথম প্রকাশেই বইটি সাড়া ফেলে। আর্মা রবিনসন গ্রন্থাগারের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম সংস্করণ এক সপ্তাহের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়। দুই মাসের মধ্যে ছাপা হয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংস্করণ।</p><p>আয়ারল্যান্ডে লেখা বইটি লন্ডনে প্রকাশিত হয়েছিল লেখকের নাম ছাড়াই। এমনকি প্রকাশক বেঞ্জামিন মোটও প্রথমে লেখকের আসল পরিচয় জানতেন না। তবে আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের সাহিত্যপ্রেমীরা দ্রুতই ধরে ফেলেছিলেন কে এই ক্ষুরধার লেখনীর কারিগর। পরে নানা ভাষায় অনুবাদ, চলচ্চিত্র ও শিশুদের উপযোগী সংস্করণের মাধ্যমে এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/dkz6e8lg/gullivers-1.jpg"><figcaption>১৭২৭ সালের একটি ফরাসি খোদাইচিত্রে গালিভারকে লিলিপুটিয়ানদের বেঁধে রাখার দৃশ্য</figcaption></figure><p><strong>প্রদর্শনী</strong></p><p>আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজের পুরোনো গ্রন্থাগারের লং রুমে চলছে ‘গালিভার অ্যাট ৩০০’ প্রদর্শনী। ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত এটি চলবে। অনলাইনেও প্রদর্শনী দেখা যাবে। সুইফট একসময় এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।</p><p>প্রদর্শনীতে রয়েছে বইটির পুরোনো সংস্করণ, কমিকস এবং পাতা খুললে ছবি উঠে আসে এমন বই। বিশেষ আকর্ষণ ১৭৬১ সালে ডাবলিনে ছাপা একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ। এর আর কোনো কপি টিকে থাকার তথ্য জানা নেই। আয়োজকেরা গালিভারের সব অভিযানের সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করাতে চান।</p><p>ট্রিনিটি কলেজের প্রদর্শনীর অন্যতম সহসংরক্ষক ও সহকারী গ্রন্থগারিক স্টেফানি ব্রিন বলেন, ‘লেমুয়েল গালিভারের লিলিপুটের দেশে প্রথম অভিযানের সঙ্গেই আজকের পাঠকেরা সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তবে এই প্রদর্শনী দর্শকদের গালিভারের সফর করা সব কটি রাজ্যে ঘুরিয়ে আনবে। যার মধ্যে রয়েছে লিলিপুট, ব্রোবডিংনাগ, লাপুটা ও এর বাইরের ভূমি হুয়িনহমদের দেশ।’</p><p>উত্তর আয়ারল্যান্ডের আর্মা রবিনসন গ্রন্থাগারেও চলছে আলাদা প্রদর্শনী। সেখানে সংরক্ষিত আছে প্রথম সংস্করণের একটি বিশেষ কপি। বইটি সুইফটের নিজের ছিল। এর পাতায় লেখকের হাতে লেখা টিকাও রয়েছে। প্রদর্শনী চলবে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।</p><p>ওই প্রদর্শনীতে অষ্টাদশ শতকের সমাজ, রাজনীতি, বিজ্ঞান, শিক্ষা ও মানবস্বভাব নিয়ে বইটির বক্তব্য তুলে ধরা হচ্ছে। আলোচনায় এসেছে সে সময় বই প্রকাশের জটিলতাও। সুইফটের লেখার পদ্ধতি কীভাবে প্রকাশনা ও পাঠকের কাছে বইটির পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলেছিল, সেটিও দেখানো হচ্ছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-28/rllh6bbx/gullivers-3.jpg"><figcaption>জোনাথন সুইফটের ১৭২৬ সালে প্রকাশিত উপন্যাস (গালিভারস ট্রাভেলস), যা শুরুতে ‘ট্রাভেলস ইনটু সেভারেল রিমোট নেশনস অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামে পরিচিত ছিল</figcaption></figure><p><strong>বইটি এখনো প্রাসঙ্গিক</strong></p><p>ট্রিনিটি কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রদর্শনীর সহ–কিউরেটর আইলিন ডগলাসের মতে, বইটি প্রথম যুগের পাঠকদের টেনেছিল ক্ষমতাবান রাজনীতিক ও ক্ষমতার কারসাজি নিয়ে সুইফটের ব্যঙ্গের কারণে। এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে নিজের কাজের জায়গা হারানোর আশঙ্কায় থাকা পাঠকদের কাছেও বইটি প্রাসঙ্গিক। মানুষের যুক্তিবোধ ও অগ্রগতি নিয়ে অহংকারকে প্রশ্ন করেছেন সুইফট।</p><p>বইয়ের তৃতীয় পর্বে লাগাডোর বিদ্যাপীঠে গিয়ে অদ্ভুত সব গবেষণা দেখেন গালিভার। কেউ শসা থেকে সূর্যের আলো বের করতে চায়। আবার এক অধ্যাপকের দাবি, তাঁর যন্ত্র দিয়ে মেধা বা পড়াশোনার সাহায্য ছাড়াই দর্শন, কবিতা ও গণিতের বই লেখা সম্ভব। আইলিনের মতে, শিল্প ও বিজ্ঞানের প্রতি উৎসর্গ করা ভাসমান দ্বীপ লাপুটায় গালিভারের ওই অভিজ্ঞতা প্রযুক্তিকেন্দ্রিক আধুনিক যুগের আশঙ্কার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।</p><p>লিলিপুটের কাহিনিতেও রয়েছে তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ। ডিমের কোন দিক ভাঙতে হবে, সেই বিরোধ গড়ায় বিদ্রোহ ও যুদ্ধে। এমন তুচ্ছ মতভেদকে ঘিরে ক্ষমতার লড়াইয়ের ছবি এঁকেছেন সুইফট।</p><p><strong>আরও যত আয়োজন</strong></p><p>অনুষ্ঠানে প্রথমবার পরিবেশিত হওয়ার কথা সুরকার শন ডোহার্টির নতুন রচনা ‘দ্য ম্যান মাউন্টেন’। বইটির ৩০০ বছর পূর্তি উপলক্ষেই এটি তৈরি করা হয়েছে। ডাবলিনের বিভিন্ন এলাকার শিশুদের নিয়ে গঠিত দল এটি পরিবেশন করবে। সুইফট–বিশেষজ্ঞ ‘ব্রেন্ডন টুমি’ বই থেকে নির্বাচিত অংশ পড়ে শোনাবেন। থাকবে অর্গানবাদনও। সাহিত্য ও সংগীত মিলিয়ে গালিভারের কল্পজগৎকে তুলে ধরার পরিকল্পনা করেছেন আয়োজকেরা।</p><p>উদ্যাপনে যুক্ত হয়েছে শিশু-কিশোরদের আঁকা ছবিও। আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। নির্বাচিত ছবিগুলো ২৮ অক্টোবর থেকে সেন্ট প্যাট্রিকস ক্যাথেড্রালের টাওয়ারে আলোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার কথা। গালিভার, লিলিপুটের মানুষ কিংবা দৈত্যদের কল্পজগৎ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ছবি আঁকার আহ্বান জানানো হয়।</p><p>জোনাথন সুইফট ১৬৬৭ সালের ৩০ নভেম্বর ডাবলিনে জন্ম নেন। ৭৭ বছর বয়সে ১৭৪৫ সালের ১৯ অক্টোবর ডাবলিনেই মারা যান। তিনি বেশ কিছু তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করে গেছেন। এর মধ্যে অন্যতম ‘আ মডেস্ট প্রপোজাল’। ব্যঙ্গত্মক এই প্রবন্ধে তিনি আইরিশ দরিদ্রদের কষ্ট কমানোর উপায় হিসেবে তাঁদের সন্তানদের ধনী লোকদের কাছে খাবার হিসেবে বিক্রি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।</p>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।